যশোর: গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৭ ও সনাক্তের হার নিম্নগামী

অদৃশ্য শত্রু করোনার বিধ্বংসী থাবায় সারা বিশ্বে করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে।সারা বিশ্বের ন্যায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী যশোর জেলার অবস্থা অনেকটাই নাজুক।

যশোর জেলায় গত একমাস যাবত করোনায় আক্রান্ত রোগীদের আত্মচিৎকারে হাসপাতাল ও এর আশেপাশের পরিবেশ প্রকম্পিত হচ্ছিল। আর তার সাথে মৃত মানুষের কান্নার আহাজারিতে চারিপাশের পরিবেশ ভারী হয়ছিল।

কিন্তু সুপার পাওয়ার সম্পন্ন করোনার পাওয়ার কিছুটা কম হওয়ায় গত তিনদিন যাবত মৃত্যু স্থিতিশীল আছে এবং সংক্রমণ কিছুটা কমতে শুরু করেছে। আজ কয়েকদিনএ্যাম্বুলেন্সের হর্ণের আওয়াজও কম শোনা যাচ্ছে।

আজ ১ আগষ্ট -২০২১ রোজ রবিবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ও সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় যশোর জেলার করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে করোনায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এযাবৎ করোনা পজেটিভ রোগী মারা গেছেন ৩৫১ জন। গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় ৪২৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়েছে ৮৬ জন।সনাক্তের হার ২০.১৪ শতাংশ।

বর্তমানে যশোর জেলার করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে রোগী ভর্তি আছেন ৯৯ জন। আজ পর্যন্ত করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে ১৮৮২৩ জন।সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪২৭২ জন।

আজকে সনাক্ত ৮৬ জনের মধ্যে যশোর সদর উপজেলায় ৩১ জন, ঝিকরগাছায় ১৭ জন,অভয়নগরে ১৬ জন, মনিরামপুরে ৯ জন, চৌগাছায় ৬ জন,বাঘারপাড়ায় ৩ জন,শার্শায় ৩ জন ও কেশবপুরে ১ জন করোনা পজেটিভ রোগী রয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড

আজ থেকে বরিশাল নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে ৩০টি কেন্দ্রে গনটিকা কার্যক্রম শুরু

 

করোনা সংক্রামনের হাত থেকে দেশের সকল মানুষকে কক্ষাকল্পে গনতন্ত্রের মানসকন্যা,মানবতার মা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ করোনা টিকা সকল জনগনের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়া।

এই পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়নের অভুতপুর্ব নির্দশন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের মাননীয় মেয়র নগর পিতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর দিক নির্দেশনায় গনটিকা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

টিকা সকলের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়ার লক্ষে পুর্বের ৬ টি কেন্দ্রের পাশাপাশি বরিশাল নগরীর ৩০ টি ওয়ার্ডে ৩০ টি কেন্দ্রের মাধ্যমে করোনা টিকা কার্যক্রম শুরু হয়। সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করে এ টিকা ওয়ার্ড কেন্দ্রে গিয়ে নেওয়া যাবে বলে জানা যায়।

নগর ভবন সূত্রে জানা যায় বরিশাল নগরের কেন্দ্র গুলো হলো, নগর মাতৃসদন, কাউনিয়া বাশেঁর হাট,হলিং বেবী রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতাল আমানগঞ্জ, সৈয়দ আনোয়ারা প্রবীণ হাসপাতাল কাউনিয়া ব্রাঞ্চ রোড, এনেক্স ভবন, বিসিসি, ডায়াবেটিক হাসপাতাল, রাহাত আনোয়ার হাসপাতাল, ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র, জমির খান সড়ক আালাকান্দা, বরিশাল পুলিশ হাসপাতাল, এফপি এবি,বটতলা, রয়েল ক্লিনিক,ব্রাউন্ড কম্পাউন্ড,সূর্যের হাসি ক্লিনিক,মেজর এম এ জলিল সড়ক, মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র, বিএম স্কুলের সামনে, কালিবাড়ী রোড,আরিফ মেমোরিয়াল হসপাতাল,সেইন্ট এন্স টিকা কেন্দ্র, অক্সফোর্ড মিশন রোড,সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেল কলেজ জাগুয়া,নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র, বারুজ্জার হাট,বরিশাল ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল কাশিপুর,কাশিপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র।

এ কার্যক্রম সফল বাস্তবায়নে নগর পিতা বরিশালের মাননীয় মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুলাহ নগরের সকলের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন এখন আমাদের উচিত হবে গনতন্ত্রের মানসকন্যা মানবতার মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মেনে টিকা গ্রহনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।

//পলাশ চক্রবর্ত্তী, বিশেষ প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত দুই শিশুকে সিরাজুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের অর্থ সাহায্য

 

বিবর্তনের আলোয় উদ্ভাসিত হোক আমার দেশ

 

মানুষের জীবনটা স্রোতে ভাসা শ্যাওলা বা শরতের শুভ্র সাদা মেঘের ন্যায় ভেসে চলা নয়। জীবনে  আছে উত্থান ও পতন। জীবনটা সুন্দর ফুলের ন্যায় সুসংগঠিত করে তোলা, মানুষের উপকারে আসার মতো যোগ্য করে গড়ে তোলা, মানুষের মাঝে নিজের সুকর্ম দিয়ে চির অমর করে তোলার  দ্বায়িত্ব প্রত্যেকের নিজের।

জীবনটা নাটকের রঙ্গ মঞ্চ নয় ঠিকই কিন্তু  জীবনের নানা ঘটনার আবহ অনেকাংশেই নাটকের সাথে সম্পৃক্ত।  সেখানে আছে সুখ-দুঃখ, হাসিকান্না, জীবন-মৃত্যুর হৃদয় বিদারক দৃশ্য!আছে  কৃষক, মুটে মজুর,ধনী-গরিবসহ সমাজের নানা রকমের অসঙ্গতি। কর্মের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে চিরজীবী করে রাখার লক্ষ্যে  ও সমাজের বিভিন্ন  অসঙ্গতি,ভ্রান্তধারণা ও প্রচলিত কুসংস্কারগুলি নাটকের মাধ্যমে তুলে ধরার এবং সমাজ থেকে বিতাড়িত করার প্রত্যয় নিয়ে ১৯৮৯ সালের  ১২অক্টোবরের এক শুভলগ্নে  প্রাচীন  ঐতিহ্যবাহী ও সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল বেষ্টিত  যশোর শহরের প্রাণকেন্দ্রে জন্ম হয় আজকের বিখ্যাত ও করোনা কালীন সময়ের হিরো হিসাবে খ্যাত নাট্যগোষ্ঠী “বিবর্তন”যশোর- এর।

সৃষ্টির শুরু থেকে বিবর্তন যশোর সমাজ পরিবর্তনের প্রত্যয় নিয়ে কাজ শুরু করলেও দেশের বিভিন্ন ক্রান্তিকালে বিশেষকরে ঝড়,বন্যা,জলোচ্ছ্বাস, শৈত্যপ্রবাহসহ বিভিন্ন দূর্যোগ কালীন মুহূর্তে সাধ্যমতো মানুষের পাশে দাঁড়ানোর  আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন বিবর্তনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলেই। তারা প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি যেমন পালন করেন তেমনি সামাজিক বিভিন্ন ব্যাধি যেমন- বাল্যবিবাহ,যৌতুক,শিশু পাচার,নারী নির্যাতন, মাদকাসক্তি,জেন্ডার ব্যালান্সসহ সামাজিক কুসংস্কার নির্মূলের জন্য কাজ করেছেন। এমনি সাধারণ মানুষকে রক্তদানে উদ্ধুদ্ধ করতে আয়োজন করেছেন রক্তদানের মতো বৃহৎ কর্মসূচির।

বিবর্তনের আলোয় উদ্ভাসিত হোক আমার দেশ

আবার গত বছরের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী সনাক্তের পর বিভিন্ন সময় যখন লকডাউন চলমান তখনও যথাসাধ্য সামর্থ নিয়ে দেশের মানুষের প্রয়োজনে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন   বিবর্তন যশোরের একঝাঁক উদ্যোমী,সাহসী কর্মীবাহিনী।অসহায় হতদরিদ্র মানুষদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করেছেন মাস্ক, উদ্ধুদ্ধ করেছেন করোনার বিধিনিষেধ মেনে চলতে, দিয়েছেন খাদ্য সহায়তা। এমনকি করোনাকালীন সময়ে লকডাউনের কারণে শ্রমিক সংকট দেখা দিলে প্রান্তিক কৃষকের  উৎপাদিত ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তুলে দেওয়ার কাজে নির্দ্বিধায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বিবর্তন যশোরের নির্ভীক কর্মীরা। এবছরও তার ব্যাতয় হয়নি।

বরং এবছর নতুনভাবে আর্বিভূত হয়েছেন করোনা আক্রান্ত রোগীদেরবিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিতে ও অতি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা উপকরণ অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে।  যখন বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে  সমগ্র বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী যশোর জেলার জনগণ করোনার সংক্রমণে সংক্রমিত হয়ে হাসপাতালে পর্যাপ্ত শয্যা, চিকিৎসক, নার্সের সেবা ও জীবনদায়ী অক্সিজেনের অভাবে  জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে অবস্থান করছেন তখন যে কয়েকটি   সংগঠণ  বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবা নিয়ে যশোরের মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে তাদের মধ্যে সর্ব প্রথম যে প্রতিষ্ঠান বা যাদের নাম করতে হয় তারা হচ্ছে নাট্য গোষ্ঠী “বিবর্তন”যশোর বা এর নিবেদন প্রাণ কর্মীগণ ।

বর্তমান সময়ের অতিমারি করোনার বিধ্বংসী থাবার কারণে নাট্যকর্মীদের না আছে মঞ্চ,না মহড়া,না আছে আগুন ঝরানো  সংলাপ।তাদের বুকে আছে বিধ্বংসী করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো আগুণ ঝরানো  বারুদ। আর তাই রোদবৃষ্টি উপেক্ষা করে দিন-রাত তুচ্ছজ্ঞান করে বিবর্তনের একগুচ্ছ নিবেদিত প্রাণ কর্মী অক্সিজেনের সিলিন্ডার ও খাদ্যসহায়তা নিয়ে ছুটে চলেছেন শহরের বিভিন্ন অলিতে গলিতে,হাসপাতালের বারান্দায়।নাওয়া-খাওয়া ভুলে জীবনের মায়াকে তুচ্ছ করে করোনার বিরুদ্ধে  সম্মুখ যুদ্ধে অবতীর্ন হয়েছেন।তারা চাইছেন করোনা আক্রান্ত প্রতিটি মানষকে তাদের সেবা দিয়ে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে। যা অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে দেশের ইতিহাসের পরতে পরতে।

এবছরের ২৯ জুন থেকে শুরু করে অদ্যাবধি বিবর্তন যশোরের কর্মীরা করোনা রোগীদের অত্যাবশকীয় চিকিৎসা সহায়ক  উপকরণ অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে ছুটে চলেছেন দুর্বার গতিতে। শুরুতে ৩/৫ টি সিলিন্ডার নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও সমাজের বিত্তবান ও সাদা মনের মানুষের সহায়তায় তারা এখন ৬০ টি সিলিন্ডার দিয়ে সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। এই সিলিন্ডার গুলো সাইক্লিক ওয়ার্ডে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে সারা যশোর শহরের করোনা রোগীদের অক্সিজেন সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

বিবর্তনের কর্মীরা গত ২৯ জুন-২০২১ থেকে শুরু করে ২৯ জুলাই -২০২১ পর্যন্ত ১৩০ জন করোনা রোগীকে ৩৭২ টি  অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করছেন। এক একটি অক্সিজেন সিলিন্ডার  রিফিল  ২০০টাকা,পাইপ ৯০টাকা ও  সিলিন্ডার রিফিল করতে যাওয়ার জন্য ইজিবাইক ভাড়া ৩০ টাকা সহ মোট ৩২০  টাকা খরচ হয়। ফলে দেখা যায় ৩০ জুলাই-২০২১ এর পূর্ব পর্যন্ত ৩৭২ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করতে মোট ১ লক্ষ ৯ হাজার ৪০ টি খরচ হয়েছে। যা দেশের ভিতর ও দেশের বাইরের  বিভিন্ন জনের দেওয়া অনুদান নির্ভর।

বিবর্তন যশোরের অক্সিজেন সেবা নেওয়া ১৩০ জনের মধ্যে ১১৫ জন সুস্থ হয়েছেন,  ১০ জন মৃত্যু বরণ করেছেন এবং বর্তমানে এখনও সেবা নিচ্ছেন ৫ জন।

ইদের পরে প্রতিদিন সমগ্র যশোরে নতুন নতুন করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে।যশোর  জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে আসন সংখ্যারও অধিক লোক ভর্তি থেকে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন।আবার অন্যদিকে হাসপাতালে পর্যাপ্ত  শয্যা,আইসিইউ ও অক্সিজেনের সরবরাহের সীমাবদ্ধতা থাকায় শহরের করোনা আক্রান্ত রোগীর একটি বিরাট অংশ নিজ বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ফলে ঐ সকল রোগীদের যদি হঠাৎ  করে অক্সিজেন লেভেল কমতে শুরু করে বা অতিরিক্ত অক্সিজেন স্বল্পতা জনিত কারণে শ্বাসকষ্টে ভুগতে থাকেন তাহলে  দেরি না করে ধনী-গরীব নির্বিশেষে সকলেই “বিবর্তন”যশোর  নামক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের  দ্বারস্থ হচ্ছেন।

বর্তমান সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে যশোর জেলায় যে হারে সাধারণ জনগণ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন তাতে করে বিবর্তনের এই অক্সিজেনের সেবার পরিধি বাড়ানোর কোন বিকল্প নেই।

আর তাই দেশ ও দেশের বাইরে অবস্থিত বাংলা ভাষা ভাষী সকল জনগণের প্রতি উদ্বাত্ত্ব আহ্বান, দেশের এই দুঃসময়ে দেশের জনগণের পাশে দাঁড়ান। যশোর বাসীকে করোনার মহামারী থেকে রক্ষা করার জন্য আপনারা সাধ্যমতো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।  বিবর্তন যশোরকে সাহায্য পাঠানোর  জন্য যোগাযোগ করুণ-০১৮১৯০৩৯০০০ নওরোজ আলম খান চপল (সভাপতি, বিবর্তন যশোর) ও ০১৭১১০১১২৬৮ দীপংকর বিশ্বাস (সাধারণ সম্পাদক, বিবর্তন যশোর)।

প্রত্যেকের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই সম্ভব অদৃশ্য শক্তিশালী করোনার মতো বিপদজনক ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে  রক্ষা পাওয়া।আর তাই পাড়ায় পাড়ায়, মহল্লায় মহল্লায় করোনা সংক্রমণ রোধে সচেতনামূলক টীম গঠম করা, মাস্ক ব্যবহার,টীকা নিবন্ধন ও টীকা গ্রহনের জন্য সকলকে উদ্ধুদ্ধ করা। ভয় নয়, করোনা সম্পর্কে সচেতনাতেই জয়। এজয় অবশ্যাম্ভী!

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, যশোর//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

গজারিয়ায় ব্যাক্তি মালিকানা গাছ কাটায় সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবী, থানায় অভিযোগ

আজ মৃত্যুর মিছিলে করোনা ও উপসর্গে বরিশাল বিভাগে মৃত্যু ১৬

থামছে না করোনার মৃত্যুর থাবা,কমছে না স্বজন হারানোর বেদনা,প্রতিনিয়ত বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। তবুও বাড়ছে না আমাদের সচেতনতা। তবে সরকার বদ্ধপরিকর যেকোনো উপায় সকলকে এই ভয়াল করোনা মৃত্যুর থাবা থেকে রক্ষা করতে হবে।

গত ২৪ ঘন্টায় বরিশাল বিভাগে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৬ জনের মৃত্যু হয়।এক হাজার ৮৭৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৭৩৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩৯.৪০ শতাংশ। বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করে। এ সময় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়,হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ১২ জন মারা গেছেন।এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত চারজন এবং অন্য আটজন উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

শেবাচিম ল্যাবে ২৪ ঘন্টায় ১৯২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৮২ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৪২.৭০ শতাংশ।

গত ২৪ ঘন্টায় বরিশাল বিভাগের মধ্যে শনাক্তের হার সবচেয়ে বেশি বরিশাল জেলায়। বরিশাল জেলায় ৫৩৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৩১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়।নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৪২.৯৪ শতাংশ। করোনা শনাক্ত বিবেচনায় দ্বিতীয় জেলা ভোলা।

এ জেলায় ৩৫৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৪৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৪০.৬ শতাংশ। এরপর ৩য় অবস্থানে রয়েছে ঝালকাঠি জেলা। এ জেলায় ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৭৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

নমুনা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩৯.৮৯ শতাংশ। পটুয়াখালী জেলায় ৩১০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১২৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।এ জেলায় শনাক্তের হার ৩৯.৬৮ শতাংশ। বরগুনা জেলায় ২২৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৮২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ জেলায় শনাক্তের হার ৩৬.৬১ শতাংশ। পিরোজপুর জেলায় ২৫৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৮৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ জেলায় শনাক্তের হার ৩২.৮১ শতাংশ।

//পলাশ চক্রবর্ত্তী, বিশেষ প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম করোনায় মারা গেছেন

ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম করোনায় মারা গেছেন

// মোঃ আল-আমিন শেখ,  টাঙ্গাইল জেলা//

ৎকরোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও টাঙ্গাইল বার সমিতির সাবেক সভাপতি ও টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল হালিম (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শুক্রবার ভোরে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। উপজেলা চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারি কামরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল (৭০) বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

উপজেলা চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারি কামরুল ইসলাম জানান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আইনজীবী আব্দুল হালিম গত ৪ জুলাই শনিবার করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন। ৫ জুলাই রোববার প্রাপ্ত ফলাফলে তার করোনা পজিটিভ আসে। সেই থেকেই তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

আজ বাদ আসর ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রথম জানাজা নামাজ ও গ্রামের বাড়ি সাফলকুড়ায় দ্বিতীয় জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

বরিশাল সদর হাসপাতাল করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসাবে অনুমোদন পাচ্ছে

বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগ সুত্রে জানা যায়, বরিশাল অঞ্চলে করোনা সংক্রামন বৃদ্ধি পাওয়াতে করোনা রোগীর চাপ সামলানো ও তাদের স্বাভাবিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে বর্তমান মাসের প্রথম দিকে সদর হাসপাতালকে করোনা হাসপাতাল হিসাবে অনুমোদন দিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে আবেদন করেন হাসপাতাল কতৃপক্ষ।

তাদের আবেদনে সাড়া দিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জরুরী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তারই অংশ হিসেবে হতে যাচ্ছে সদর হাসপাতাল বরিশালে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল। হাসপাতাল সুত্রে জানা যায় করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসাবে অনুমোদন হয়ে আসলে হাসপাতালের বহিঃবিভাগ ছাড়া অন্যান্য সকল চিকিৎসা কার্যক্রম শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হবে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সুত্রে আরো জানা যায় হাসপাতালটিতে করোনা রোগীদের জন্য একশ শয্যাই চালু রাখা হবে, এজন্য সেন্টার অক্সিজেন সুবিধা সহ অন্যন্য সকল কাজ সমাপ্তির পথে। তবে করোনা চিকিৎসার সময় চিকিৎসক ও নার্সদের কোয়ারান্টাইনে পাঠানোর কারনেচিকিৎসক ও নার্স সংকট দেখা দিকে পারে। তবে সকলে আশাবাদী কার্যক্রম শুরু হলে কোন সংকট থাকবে না।

//পলাশ চক্রবর্ত্তী, বিশেষ প্রতিবেদক বরিশাল//

যশোরে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা সনাক্ত ২৭৯ ও মৃত্যু ৫

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

করোনার ভারতীয় ধরণ ডেল্টার গতি প্রকৃতি নির্ণয় করা দূরুহ হয়ে পড়েছে। তাই অতিসংক্রমণশীল করোনার চিকিৎসা পদ্ধতির কোন সুস্পষ্ট ধারণা দিতে পারছেন না চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা। কিছুটা আলো-আঁধারের আবছা আলোয় ঢাকা পড়ে আছে করোনার সঠিক চিকিৎসা। ফলে করোনায় মৃত্যু ও সনাক্তের হার দিনের পর দিন বেড়ে আকাশচুম্বী হতে চলেছে।

আজ ২৯ জুলাই-২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ও সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় ৪ জন ও উপসর্গে ১ জনসহ মোট ৫ জন মৃত্যু বরণ করেছেন। এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন ৩৩৪ জন। যশোর জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় ১৩৪০ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজেটিভ সনাক্ত হয়েছে ২৭৯ জন। সনাক্তের হার ২০.০৮ শতাংশ। বর্তমানে যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন আছেন ৮৯ জন।

যশোরে আজ পর্যন্ত করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়েছে ১৮৪৮৬ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৩৮৬২ জন। করোনা সনাক্তের রিপোর্ট অনুযায়ী যশোর জেলার সদর উপজেলায় ১৯৫জন, চৌগাছায় ২২ জন, অভয়নগরে ১৬ জন, ঝিকরগাছায় ১৪ জন,শার্শায় ১২ জন, কেশবপুরে ৮ জন,বাঘারপাড়ায় ৭ জন, মনিরামপুরে ৫ জন করোনা নতুন পজেটিভ রোগী আছেন।

লকডাউন বাস্তবায়নে আমরা উদাসীন।। সরকারের চেষ্টা অব্যহত

 

লকডাউন নামক শব্দটির সাথে আামাদের পরিচয় ২০২০ সালের শুরুর দিকে তখন লকডাউন নামক শব্দটা আমাদের কাছে বেশ গুরুত্বপূুর্ণ ছিল কারণ এর মাধ্যমেই আমরা করোনা মুক্ত হতে পারব। অথচ এক বছর যেতে না যেতে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন মহামারীরোধে অনেকটাই গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। গত ২৩ জুলাই ২০২১ থেকে ৫ আগষ্ট-২০২১ পর্যন্ত ঘোষিত লকডাউনের (২৮ জুলাই) ৬ষ্ঠ দিনে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে জনসমাগম গত কয়েকদিনের তুলনায় অনেকাংশে বেড়েছে।

শুধু জনসমাগম বেড়েই ক্ষান্ত দেয়নি করোনার সুরক্ষা কবচ অতি প্রয়োজনীয় মাস্ক না পরে ঘুরে বেড়ানোর প্রবনতা লক্ষ্য করা গেছে। পাশাপাশি খুলতে শুরু করেছে অধিকাংশ দোকানপাট। বিশেষ করে মোড়ে মোড়ে অবস্থিত চায়ের দোকানের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারির মধ্যেও দোকানে বেচাকেনা ও মহল্লার মোড়ে আড্ডাবাজ কিশোর-কিশোরীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। নগরীর সদররোড,গীর্জা মহল্লা, নতুনবাজার, চকবাজার, কাঠপট্টি, সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায় অন্যান্য দিনের তুলনায় জনসমাগম ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে।

এসব এলাকায় বেশ কিছু দোকানদারকে দোকানের দরজা অর্ধেক খুলে ব্যবসায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা যায়। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী দেখলেই দোকান বন্ধ করে পার্শ্ববর্তী অলিগলিতে অবস্থান নিতে দেখা যায় ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়কে। আাইন শৃঙ্খলা বাহিনী চলে যাবার পরে পুনরায় দোকান খুলে কেনাবেচা করতে দেখা যায়। নগরবাসীকে ঘরে রাখতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ , র‌্যাব , সেনাবাহিনী ও জেলা প্রশাসনন যৌথভাবে কাজ করলেও কাঙ্খিত কঠোরতর লকডাউন সোনার হরিণের ন্যায় অধরাই থেকে যাচ্ছে।

এ বিষয় বরিশাল সচেতন মহলের দাবি করোনা মহামারী রোধে লকডাউন নয়, সকলের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য প্রত্যেক ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কমিটি করে এর ভয়াবহতা সাধারন মানুষকে বেশী করে বুঝাতে হবে এবং গণ টীকাকরণের ব্যবস্থা করতে হবে।আর তা না হলে অদৃশ্য শক্তিশালী করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু নিয়ন্ত্রণ কোনভাবেই সম্ভব হবে না।

//পলাশ চক্রবর্ত্তী, বিশেষ প্রতিকেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যমজ ভাইয়ের সঙ্গে যমজ বোনের বিয়ে, ফেসবুকে ছবি ভাইরাল

 

 

এনআইডি অথবা জন্ম নিবন্ধন কার্ড নিয়ে গেলেই পাবে করোনা টিকা : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 

করোনা প্রকোপ রোধে টিকার বিকল্প নাই তাই অনলাইন রেজি: ছাড়া যত সহজে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা যাবে তত তাড়াতাড়ি টিকা জনগনের কাছে পৌচাবে । টিকা দেওয়ার বিষয়ে আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘আমরা ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদে টিকাকেন্দ্র স্থাপন করছি। যেখান থেকে ইউনিয়নের সমস্ত লোকজন, আপামর জনসাধারণ যারা টিকা নিতে চান, তারা ওখানে এসে টিকা নিতে পারবেন। তারা এনআইডি বা জন্ম নিবন্ধন কার্ড নিয়ে আসলেই টিকা দিতে পারবেন।’

আজ সচিবালয়ে ‘লকডাউন’ সম্পর্কিত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রী। এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ নেই, তাদেরও একটি বিশেষ ব্যবস্থায় নিবন্ধন করে টিকা দিয়ে দেওয়া হবে, স্পটেই।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁনের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ ও র‌্যাবসহ প্রশাসনের প্রতিনিধিরা।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোরে করোনার পরীক্ষা ও সনাক্ত উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে

যশোরে করোনার পরীক্ষা ও সনাক্ত উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে

 নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

সীমান্তবর্তী যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামের সাধারণ জনগণও আজ করোনার অতিসংক্রমণশীল ভারতীয় ধরণ ডেল্টার অদৃশ্য শক্তির কাছে অসহায়ের মতো আত্মসমর্পণ করছেন। চারিপাশে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের অক্সিজেন সল্পতাজনিত কারণে শ্বাসরুদ্ধকর মৃত্যুযন্ত্রণা মানুষকে জীবন-মরণের সন্ধিক্ষণে উপনীত করেছে।

আজ ২৭ জুলাই -২০২১ রোজ মঙ্গলবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ও সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী যশোরে গত ২৪ ঘন্টায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে করোনায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৯২ জন। এপর্যন্ত করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়েছে ১৮১৪২ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৩২১২ জন এবং আজ পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু বরণ করেছেন ৩২৪ জন।

গত ২৪ ঘন্টায় জেলার ৯২০ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়েছে ২২৬ জন।সনাক্তের হার ২৪.৫৬ শতাংশ। আজকের পরীক্ষা থেকে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী যশোর জেলার সদর উপজেলায় ১২৯ জন, ঝিকরগাছায় ২৯ জন,অভয়নগরে ২১ জন, চৌগাছায় ১৭ জন, মনিরামপুরে ১২ জন, বাঘারপাড়ায় ৬ জন, কেশবপুরে ৬ জন ও শার্শায় ৬ জনসহমোট ২২৬ জন করোনা পজেটিভ সনাক্ত হয়েছে।