লকডাউন কবে শেষ হচ্ছে ? জানালেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

২৩ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে প্রাণঘাতি করোনা ভারোসের বিরুদ্ধে লকডাউন। যা চলবে ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত।

চলমান লকডাউনে সব সরকারি, বেসরকারি অফিস, শিল্প কারখানা, পোশাক শিল্পসহ সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। টানা এই ১৪ দিনের লকডাউনে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে মানুষের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অপ্রয়োজনে বাইরে বের হলেই করা হচ্ছে জেল জরিমানা। এমতাবস্থায় জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা।

আগামী ৫ আগস্টের পর লকডাউন তুলে নেওয়া হবে কিনা? এমন এক প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ধীরে ধীরে সব খোলা হবে। একবারে না। ধাপে ধাপে সব খোলা হবে। এক সঙ্গে সব খোলা হবে না।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের সবারই সবার জায়গা থেকে চেষ্টা করা উচিত। আমরা তো এভাবে বাঁচতে পারব না। আমাদের মাস্ক পরতে হবে, কাজও করতে হবে। আমাদের টিকার সংকট কেটে গেছে। এখন সবাইকে টিকার আওতায় আনা হবে। তাহলে কি অর্ধেক জনবল নিয়ে প্রথম দিকে অফিস খোলা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হ্যাঁ এরকমই।

দুএক দিনের মধ্যে গার্মেন্টস খোলার কোন সম্ভাবনা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ মাসে সম্ভাবনা খুবই কম। সবাইকে আমরা নিয়ন্ত্রণে আনতে চাচ্ছি। দুই সপ্তাহ পরে গার্মেন্টস খুলে দেব। রপ্তানিমুখী সবগুলো শিল্প কারখানা খুলে দেব।

আগামী ১ আগস্ট থেকে খোলা হবে কি না এবিষয়ে বলেন, পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত হবে।

এদিকে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, লকডাউনের বিষয়ে অনেকের অনীহা আছে। কিন্তু অনীহা হলে চলবে না। আগে জীবন বাঁচবে তারপর অর্থনীতি। আগে আপনি বেঁচে থাকুন, তার পর আপনার অর্থনীতি। অর্থনীতি দিয়ে কি করবেন? অর্থনীতিকে বাঁচাতে হলে জীবন বাঁচাতে হবে। জীবন বাঁচাতে হলে আপনাদের লকডাউন মানতে হবে এবং ভ্যাকসিন নিতে হবে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে, মাস্ক সবাইকে পরতে হবে। কিন্তু আমরা দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করছি লকডাউন আজ চারদিন চলছে, কিন্তু রাস্তাঘাটে যেভাবে মানুষ চলাচল করছে, গাড়ি বের হচ্ছে, আমরা তাতে খুবই দুঃখিত। তারা লকডাউন ব্রেক করছে। তারা নিজেরা নিজেদের ক্ষতি করছেন।

মন্ত্রী বলেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে লকডাউনের বিকল্প কিছু নাই। লকডাউন মানাতে হবে। লকডাউন বাস্তবায়নে যারা দায়িত্বে আছেন তাদের আরো কঠোর হতে হবে। জনগণকে একটু সচেতন হতে হবে। বয়স্করা যেন ভ্যাকসিন নেন, টেস্ট করান এটা নিশ্চিত করতে হবে। যেখানে সংক্রমিত হচ্ছে সেখানে যেন বয়স্করা না যায়। সংক্রমণ না কমলে রোগী কমবে না, রোগী না কমলে মৃত্যু কমবে না এবং হাসপাতালে জায়গা হবে না এটিই বাস্তবতা।

লকডাউন না হলে মৃত্যু ছয়শো বা আটশো হত: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

লকডাউন বা বিধিনিষেধ কঠোরভাবে কার্যকর না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতো বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী  ফরহাদ হোসেন।

বাংলাদেশে লকডাউন বা বিধিনিষেধ কার্যকর করার প্রভাবে করোনাভাইরাসে সংক্রমণ এবং মৃত্যুর সংখ্যা এক জায়গায় থেমে গেছে বলে সরকার মনে করছে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, আগামী সপ্তাহে আবারও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সীমান্ত এলাকাগুলোতে সংক্রমণ বৃদ্ধির মুখে গত এপ্রিল মাসে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন জায়গায় লকডাউন দেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে ১ জুলাই থেকে দুই সপ্তাহের জন্য ঢাকাসহ সারাদেশকে বিধিনিষেধের আওতায় নেওয়া হয়েছিল। ঈদের সময় সাতদিন বাদ দিয়ে আবার ২৩শে জুলাই থেকে দুই সপ্তাহের লকডাউন বা ‘কঠোর বিধিনিষেধ’ এখন চলছে। সূত্র: যুগান্তর।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সকল মামলার জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে : সুপ্রিম কোর্ট

 

 

করোনায় বরিশাল ৫নং ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতির মৃত্যু

//পলাশ চন্দ্র দাস ::বরিশাল //

বরিশাল মহানগরীর ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মাদ আলী হাওলাদার ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না….. রাজিউন)। আজ সোমবার (২৬ জুলাই) বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ঘটে তার। তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে ও মেয়ে রেখে গেছেন। পারিবারিক সূত্র জানায়, কিছুদিন আগে মোহাম্মাদ আলী হাওলাদার করোনা পজেটিভ হিসেবে শনাক্ত হন। এরপর থেকে বাসাতেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। আজ সোমবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে শেবাচিম এ নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকালে মৃত্যুবরণ করেন তিনি

যশোরে মৈত্রী ভলান্টিয়ার্সদের দুঃসাহসীক মানবিক অভিযান

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে সারাবিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশওআজ ক্ষতবিক্ষত। বিশেষ করে ভারতের সীমান্তবর্তী জেলা যশোরের অবস্থা দেশের অন্য জেলার থেকে একটু বেশি শোচনীয় । আর তাই যশোর জেনারেল হাসপাতালে করোনা রোগী ধারণের সক্ষমতা না থাকায় হাসপাতালের বারান্দায়,পথের ধারে,অ্যাম্বুলেন্সে বা ভ্যানের পরে করে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিতে দেখা গেছে।

ফলে হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে একটি শয্যা পাওয়া রীতিমত সোনার হরিণের মতো হয়ে দাঁড়ায়। একদিকে হাসপাতালের স্বল্প সংখ্যক ডাক্তার, নার্সসহ চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিতদের অসহায়ের মতো আত্মসমার্পণ অন্যদিকে করোনার চিকিৎসার জন্য অতি প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের সরবরাহ ও আইসিইউ এর ব্যবস্থা না থাকায় রীতিমত চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল সমগ্র যশোরবাসীর জন্য।

তাই অনেক সচ্ছল, অসচ্ছল ও পিছিয়ে পড়া হতদরিদ্র করোনা আক্রান্ত রোগীকে বাধ্য হয়েই নিজের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। চিকিৎসা ব্যবস্থার এমনই লাজুক পরিস্থিতিতে চারিদিকে শুধু করোনায় আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যুর বিশাল মিছিল আর অক্সিজেনের অভাবজনিত কারণে করোনার রোগীদের অক্সিজেন স্বল্পতার কারণে বেঁচে থাকার যে আপ্রাণ চেষ্টা লক্ষ করা যায় তাতে জনজীবনে দুর্বিসহ শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। করোনা আক্রান্ত রোগী ও স্বজনদের দীর্ঘশ্বাসে সমগ্র যশোরের আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত।

যশোরে মৈত্রী ভলান্টিয়ার্সদের দুঃসাহসীক মানবিক অভিযান

 

সরকারি – বেসরকারি বড় বড় হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠান করোনার এই ক্রান্তিলগ্নে চিকিৎসা সেবা দিতে অনেকাংশেই ব্যর্থ। ঠিক জাতির এমনই একটি দুঃসময়ে যশোরের আপামর জনগণের ত্রাতা হয়ে হাজির হয়েছে মৈত্রী ভলেন্টিয়ার্সদের ২০/২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক । ২৭ জুন থেকে শুরু করে অদ্যাবধি তারা করোনা আক্রান্ত রোগী ও তাদের পরিবারের পাশে আছে।

তাদের যাত্রাটা শুরু হয়েছিল শূণ্যহাতে।শূন্যহাতে যাত্রা শুরু করে আজ তারা যশোরবাসীর আস্থার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।যশোর শহরের ভিতর যদি কারো অক্সিজেন প্রয়োজন হয় তাহলে সর্বপ্রথমেই মানুষ স্মরণ করছে মৈত্রী ভলান্টিয়ার্সদের।একইভাবে খাদ্য সংকটে অথবা করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা সংকটে পড়ে ডাক্তারের পরামর্শের প্রয়োজন হলে টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে তাদের সমমনা কিছু অভিজ্ঞ ডাক্তারবৃন্দের নিকট থেকে ।

আর এই বিশাল কর্মযোগ্য সম্ভব হয়েছে অসংখ্য মানুষের ভালবাসা ও মৈত্রী ভলেন্টিয়ার্সদের ঐকান্তিক চেষ্টা, শ্রম,মেধা এবং সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার জন্য। গতবছর করোনা শুরু থেকে আজ পর্যন্ত মৈত্রী ভলেন্টিয়ার্সরা স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্য ও পোশাক সহায়তা,মাস্ক বিতরণ, করোনা টীকা গ্রহনের জন্য রেজিষ্ট্রেশনসহ অক্সিজেন সেবা দিয়ে যাচ্ছে। তাদের কাছে অক্সিজেন সিলিন্ডার আছে ১১২ টি।এই সিলিন্ডারের মাধ্যমে ৩৩৮ জনকে ৯৯৭ বার অক্সিজেন সেবা দিয়েছেন।

সেবা দেওয়া ৩৩৮ জনের মধ্যে ২৯ জনকে একাধিকবার অক্সিজেন সেবা দিলেও করোনার হাত থেকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।বাকি ৩০৯ জন সুস্থতার দিকে। মৈত্রী ভলেন্টিয়ার্সদের মহা কর্মযোগ্যে ১৬৭০ জন দেশ-বিদেশের মানবিক বন্ধু সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে তাদের কার্যক্রমকে গতিশীল করেছেন।

তাদের এই মানবিক কার্যক্রমকে চলমান রাখার জন্য সমাজের বিত্তবানসহ সকলের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।

সহযোগিতার হাত বাড়াতে চাইলে Moitry Volunteers, AC/NO- 01411200021525, First Security Islami Bank Ltd. Jashore Branch পাঠাতে পারেন অথবা 01713078267 বিকাশ নম্বরে আর্থিক সহায়তা পাঠাতে পারেন।

উল্লেখ্য যতদিন করোনার প্রার্দুভাব থাকবে ততোদিন মৈত্রী ভলেন্টিয়ার্সদের এই সামাজিক স্বেচ্ছাসেবকমূলক কাজগুলো চলমান থাকবে।আর তাই সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

 //স্বীকৃতি বিশ্বাস//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Daily World

যশোরে ২ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

বাউফলে ৪বারের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহন: সংবর্ধনা আ’মীলীগের

করোনা: চট্টগ্রামে মৃত্যু ১১ জন, নতুন আক্রান্ত ৮০১

বৈশ্বিক মহামারী করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে আরো ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আরো ৮০১ জন। এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত হয়েছে ৮৮৫ জনের। চট্টগ্রামে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৭৫ হাজার ৩৬৩ জন। রবিবার চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন হতে এ তথ্য পাওয়া যায়।
প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন ল্যাবে ২ হাজার ৭৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হলে ৮০১ জনের দেহে নতুন করে করোনা সনাক্ত হয়। তৎমধ্যে ফৌজদারহাটস্থ বিআইটিআইডি ল্যাবে ২৬১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৮১ জনের, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল ল্যাবে ২৬৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১১৮ জন, সিভাসু ল্যাবে ৪৫ টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৯ জনের দেহে করোনার জীবাণু সনাক্ত হয়েছে।
অন্যদিকে ইমপেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ৮৪ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৯ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৬৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩১ জন, জেনারেল হাসপাতালের আরটিআরএল ল্যাবে ৫৮ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩০ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল সেন্টার ল্যাবে ৪৯ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৪ জন, সেভরন হাসপাতাল ল্যাবে ৩৮৩ টি নমুনা পরীক্ষা করে ১১৫ জনের এবং এন্টিজেন টেস্টে ৮৬৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩২৪ জনের দেহের করোনা সনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে মহানগরের ৫৪৩ জন এবং বিভিন্ন উপজেলায় ৩৪২ জন।
এদিকে আক্রান্তদের মধ্যে উপজেলা ওয়ারী সংখ্যা হচ্ছে রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় ৩৮ জন, রাউজানে ৪০ জন, ফটিকছড়িতে ৫ জন, হাটহাজারীতে ৬৬ জন, সীতাকুন্ডে ১৯ জন, মিরসরাইতে ১২ জন, সন্দ্বীপে ২৩ জন, লোহাগড়ায় ৩ জন, সাতকানিয়ায় ৩ জন, বাঁশখালীতে ২০ জন, আনোয়ারায় ২৮ জন, চন্দনাইশে ২ জন, পটিয়ায় ৩৬ জন এবং বোয়ালখালীতে ৩৭ জন রয়েছেন।
চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ২ হাজার ৭৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৮০১ জনের দেহে করোনা সনাক্ত হয়েছে। চট্টগ্রামে মোট সনাক্তের পরিমান ৭৫ হাজার ৩৬৩ জন, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তৎমধ্যে মহানগরে ৪ জন, উপজেলায় ৭ জন রয়েছেন। এ পর্যন্ত চট্টগ্রামে ৮৮৫ জন করোনায় আক্রান্ত রোগি মৃত্যুবরণ করেছেন। এদের মধ্যে মহানগরে ৫৪৩ জন, উপজেলার ৩৪২।

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

কীর্তনখোলা নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

 

চট্টগ্রামে গত ৪ দিনে করোনায় ১৮ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৯৭০

চট্টগ্রামে গত ৪ দিনে  মহামারী করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরো ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আরো ১৯৭০ জন। এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত বরণকারীর সংখ্যা হচ্ছে ৮৭৪ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭৪ হাজার ৫৬২ জন। গত চার দিনে (বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার) চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন হতে এ তথ্য পাওয়া যায়।

প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, গত চার দিনে চট্টগ্রামের বিভিন্ন ল্যাবে ৭ হাজার ৫৫২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হলে ১৯৭০ জনের দেহে নতুন করে করোনা সনাক্ত হয়। তৎমধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাবে ৫৪১ টি নমুনা পরীক্ষা করে ২১৫ জন, বিআইটিআইডি ল্যাবে ৩৪৫৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৫১৫ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল ল্যাবে ৮২২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৪১ জন, সিভাসু ল্যাবে ৩১১ টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৮৭ জনের দেহে করোনার জীবাণু সনাক্ত হয়েছে।
তা ছাড়া কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ল্যাবে চট্টগ্রামের ২৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩ জন, এন্টিজেন টেস্টে ৩২৮ টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৩১ জন, ইমপেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ৪৪০ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৬৭ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ১৪৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৯২ জন, জেনারেল হাসপাতালের আরটিআরএল ল্যাবে ৬১ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৩ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল সেন্টার ল্যাবে ১৮৪ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৫৮ জন, ইপিক হেলথ কেয়ার ল্যাবে ১৪৯ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৮৫ জন, সেভরন হাসপাতাল ল্যাবে ৯৮০ টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৪৩ জনের দেহের করোনা সনাক্ত হয়েছে।

আক্রান্তদের মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে সংখ্যা হচ্ছে রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় ৯ জন, রাউজানে ৯৬ জন, ফটিকছড়িতে ১০৬ জন, হাটহাজারীতে ১৫৩ জন, সীতাকুন্ডে ৪১ জন, মিরসরাইতে ২৯ জন, সন্দ্বীপে ১৯ জন, লোহাগড়ায় ২২ জন, সাতকানিয়ায় ২০ জন, বাঁশখালীতে ১০ জন, আনোয়ারায় ২৪ জন, চন্দনাইশে ৩১ জন, পটিয়ায় ১৭ জন এবং বোয়ালখালীতে ৩৪ জন রয়েছেন।
চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি জানান, চার দিনে চট্টগ্রামে ৭ হাজার ৫৫২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৯৭০ জনের দেহে করোনা সনাক্ত হয়েছে।

চট্টগ্রামে মোট সনাক্তের পরিমান ৭৪ হাজার ৫৬২ জন, গত চার দিনে চট্টগ্রামে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের। এ পর্যন্ত চট্টগ্রামে ৮৭৪ জন করোনায় আক্রান্ত রোগি মৃত্যুবরণ করেছেন।
// আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তা প্রদান

 

যশোরে আজ করোনায় মৃত্যু ৬ ও সংক্রমণ কমে ১৬.৩২ শতাংশ

মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাত ইদের পরে কিছুটা স্তিমিত মনে হচ্ছে। গত ২ দিন করোনায় মৃতের সংখ্যা স্থিতিশীল থাকলেও যশোরে আজ করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণ অনেকাংশে কমেছে। তবে এক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে করোনার নমুনা পরীক্ষা খুবই কম ।

বিধায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ যে সীমান্তবর্তী যশোর জেলা থেকে বিদায় নিতে চলেছে তা বলার কোন অবকাশ নেই ।

আজ ২৪ জুলাই -২০২১ রোজ শনিবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ও সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী যশোর করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৬ জন মৃত্যু বরণ করেছেন।

তবে আশার কথা করোনার উপসর্গ নিয়ে কেউ মৃত্যু বরণ করেননি। এনিয়ে আজ পর্যন্ত যশোর জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩০৫ জন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১০৫ জন। আজ পর্যন্ত যশোর জেলায় করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে ১৭৬১২ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১২৩৯৭ জন।

গত ২৪ ঘন্টায় যশোর জেলায় ১৪৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৪ জন করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়েছে। সনাক্তের হার কমে ১৬.৩২ শতাংশ যা কিছুটা হলেও স্বত্বির কারণ। সনাক্ত করোনা পজেটিভ ২৪ জনের মধ্যে যশোর সদর উপজেলায় ১৪ জন, শার্শায় ৫ জন,ঝিকরগাছায় ৩ জন ও কেশবপুরে ২ জন রয়েছে।

এছাড়া যশোর জেলার বাকি ৪ টি উপজেলা মনিরামপুর, অভয়নগর, বাঘারপাড়া ও চৌগাছায় আজ কোন করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়নি।

//নিজস্ব প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

নতুন প্রতারক চক্র: করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধিতে প্রতারকও বৃদ্ধি

 

নতুন প্রতারক চক্র: করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধিতে প্রতারকও বৃদ্ধি

 

নতুন প্রতারক চক্র: করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধিতে প্রতারকরা নতুন করে স্বাস্থ্যখাতকে মাধ্যম বানিয়ে প্রতারনার সুযোগ করতে চাচ্ছে । স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ঘিরে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে প্রতারক চক্র। জেকেজি ও রিজেন্টের পর টিকেএস হেলথ কেয়ার নামের একটি অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিল।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক উপসচিবের স্বাক্ষর জাল করে দুই প্রতারক ভুয়া পরিপত্র তৈরি করে। এরপর করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণের কথা বলে দৈনিক আড়াই হাজার টাকা বেতনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে তারা টাকা হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।

তবে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসায় প্রতারকদের পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এর আগে কোভিড-১৯ মহামারি শুরুর দিকে জেকেজি হেলথ কেয়ার নামে একটি প্রতিষ্ঠান রোগীদের নমুনা সংগ্রহে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদন পায়। কিন্তু সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষা না করে তারা নিজেদের ইচ্ছেমতো রিপোর্ট দিতে শুরু করে। পরবর্তী সময় এ প্রতারণা ফাঁস হলে এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হয়। একইভাবে প্রতারণার দায়ে রিজেট হাসপাতালের মালিককে গ্রেফতার করেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

জানা গেছে, ১৯ জুলাই টিকেএস হেলথকেয়ার লিমিটেড নামের একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান কোভিড-১৯ সরঞ্জাম ক্রয় ও জনবল নিয়োগে অনুমোদন পেয়েছে-এমন একটি পরিপত্র সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব জাকিয়া পারভীনের স্বাক্ষর কপি পেস্ট করে একটি পরিপত্র প্রতারকরা নিজেরা তৈরি করে। মন্ত্রণালয় থেকে পরিপত্রটি জারি করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হয়। কিন্তু স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের (অননুমোদিত) পরিপত্রটি ছিল ভুয়া।

ভুয়া পরিপত্রে বলা হয়-‘১১ জুলাইয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দেশব্যাপী কোভিড-১৯ র? ্যাপিড টেস্টের  সব সরঞ্জাম (ডিভাইস) আসার পর এবং দক্ষ জনবল নিয়োগ দিয়ে প্রাথমিকভাবে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন কিট দিয়ে টিকেএস হেলথকেয়ার লিমিটেডকে প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে কাজ শুরু করার অনুমোদন দেওয়া হলো।’

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পরিপত্রের তথ্য সর্বাংশে মিথ্যা ও গুজব বলে নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া।

এ বিষয়ে ২০ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) এক চিঠিতে বলেন, করোনাভাইরাস শনাক্তে যে ৭৮টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে সেখানে এই প্রতিষ্ঠানের (টিকেএস) নাম নেই। এ নামের কোনো প্রতিষ্ঠানকে কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। ওই দিন অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার কর্মকর্তা ডা. মো. মাহামুদ উল্লাহ এ প্রতিষ্ঠানে তদন্তে যান। ওই ভুয়া পরিপত্রে উল্লিখিত ঠিকানায় (১৬৬-১৬৭ দ্বিতীয় তলা, আল রাজি কমপ্লেক্স, কাজী নজরুল ইসলাম সরণি) গিয়ে তিনি দেখেন এ ধরনের কোনো প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব নেই। এমনকি ওই ভবনের কেউ এ নামের কোনো প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানেন বলে তিনি তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন।

এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া জানান, কোভিডের মহামারিকালে জাতি যখন প্রতিরোধে নিরলস লড়াই করে যাচ্ছে তখন এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে ফায়দা লুটে নেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত। এসব অসাধু ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে দৈনিক আড়াই হাজার টাকা বেতনে ৫১০ জনের চাকরির বিজ্ঞাপন ফেসবুকে দিয়েছে তপু ও মিলন নামে দু’জন।

চাকরি পেতে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। যোগাযোগের ঠিকানা হিসাবে তাদের ফেসবুক আইডি এবং দুটি মোবাইল নম্বরও দেওয়া হয়।

এ দুজনের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে কোভিড-১৯ র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের জন্য সারা দেশে কিছু সংখ্যক লোক প্রয়োজন। প্রজেক্টের মেয়াদ ৯০ দিন। এ কাজ করার সুযোগ আমাদের হাতে থাকায় গ্রুপে এটি পোস্ট করা।

আমরা চাচ্ছি আপনাদের ব্যাচ মেট বন্ধুরা কাজটা করার সুযোগ গ্রহণ করুক। এখন কথা হলো-যাদের কাজটা খুবই প্রয়োজন, শুধু তারাই আমাদের নক করবেন। বরিশাল বিভাগ বাদে বাকি বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় একজন করে মোট ৫২০ জন লোক প্রয়োজন। বেতন ২৫০০ টাকা প্রতিদিন।

আগ্রহী বন্ধুরা নিচের ফ্রমের মাধ্যমে অ্যাপ্লিকেশন করতে হবে। প্রার্থীকে অবশ্যই নিজ জেলা, উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। তোমরা কেউ আগ্রহী হলে জানাও।

ঈদের পর শুরু হবে প্রজেক্ট। শিক্ষাগত যোগ্যতা : অনার্স ফাইনাল ইয়ার বা শেষবর্ষ অথবা ডিগ্রি পাস, ডিগ্রি রানিং, যোগাযোগ মিলন-০১৭৭৩৭৯২৭৬৭ ফেসবুক আইডি-https://www.facebook.com/ mehidi.milon191 তপু-০১৭৭৫৬৬৬৩৩৮ ফেসবুক আইডি- https://www.facebook.com/to.pu.7161.

পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক, অধিদপ্তরে এক কর্মকর্তা বলেন, ভুয়া পরিপত্র তৈরিকারী এবং ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেওয়া একই সূত্রে গাঁথা।

কারণ একটির সঙ্গে অন্যটির যোগসূত্র রয়েছে। প্রথমে তারা ভুয়া পরিপত্র তৈরি করে নিজেদের বৈধতা দেখানোর চেষ্টা করেছে। এরপর লোক নিয়োগের ফাঁদ পেতেছে। তাদের ধরতে পারলে পুরো চক্রটি সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে।

এ চাকরির বিষয়ে জানতে শুক্রবার দুপুরে কথা হয় তপুর সঙ্গে। তিনি প্রথমে এ প্রতিবেদকের কাছে জানতে চান আমি কোন ব্যাচের। এরপর তিনি বলেন, অধিদপ্তরে এ বিপুল সংখ্যক মানুষ প্রয়োজন। তবে লোক নেওয়া হবে তাদের মাধ্যমে। তাদের এ দায়িত্ব কে দিয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা বলা যাবে না।

তবে চাকরি পেতে হলে তাদের সঙ্গেই যোগাযোগ করতে হবে। পরে পত্রিকার পরিচয় প্রকাশ করলে তিনি বলেন, অন্যদের সঙ্গে আলোচনা করে বিস্তারিত জানাবেন। তবে এরপর তাকে আর ফোনে পাওয়া যায়নি।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

লকডাউন।। রূপসায় ইউএনও, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে

 

লকডাউন।। রূপসায় ইউএনও, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে

খুলনা জেলা রূপসা উপজেলায় কঠোর অবস্থানে প্রশাসন সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে ১৪ দিনের কঠোর লকডাউনের প্রথম দিনে শুক্রবার খুলনা জেলার রুপসা উপজেলায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। উপজেলার বিভিন্ন বাজার এলাকায় অন্যান্য দিনের মতো আজ মানুষের ভীড় দেখা যায়নি, দোকানপাটও বন্ধ থাকতে দেখা গেছে। লকডাউন।। রূপসা ইউএনও, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থান নিয়েছে ।

সকাল থেকেই সড়কের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে অবস্থান নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন। তারা লকডাউন কার্যকর করতে আলাদাভাবে টহল প্রদান করে।

এসময় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যারা সড়কে বেরিয়েছেন তাদের পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয় । প্রথমে সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাসনিমের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি টিম লকডাউন কার্যকর করতে উপজেলা সদর সহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।

বিভিন্ন এলাকায় ৩ টি মামলায় ৯০০ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন।এ সময় তিনি রুপসা বাজার অন‍্যত্র সরিয়ে পরিচালনা করার নির্দেশ দেন। এবং বিকালে রূপসা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব খাঁন মাসুম বিল্লাহ লকডাউন নিশ্চিত করনের নিমিত্তে বিকাল ৫ টা থেকে রাত ৮ অবধি রূপসা উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় লকডাউনে বিনা কারনে ঘোরাঘুরি করা,মাস্ক পরিধান না করা,লকডাউনের নির্দেশনা না মেনে চলা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখার কারনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মোট ১২ টি মামলায় ২০ জনকে ৯৪০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন রূপসা থানা অফিসার্স ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে একটি পুলিশ সদস্যের টিম।

 //আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

পেগাসাস স্পাইওয়ার ।। নিজের ফোনকে যেভাবে সুরক্ষিত রাখবেন

 

আজ যশোরে করোনা সংক্রমনে সর্বনিম্ন মৃত্যু ও সনাক্ত

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে সীমান্তবর্তী যশোর জেলায় অনেকদিন যাবত  করোনায় মৃত্যু ও সনাক্ত ছিল উর্দ্ধমূখী আজ যশোরে করোনা সংক্রমনে হার কম । কিন্তু ইদের পরের দিন গত কয়েক মাসের মধ্যে সর্বনিম্নমৃত্যু ও সনাক্ত প্রত্যক্ষ করলো যশোরবাসী। যা অনেকের কাছেই কিছুটা পজেটিভ মনে হলেও বাস্তব কারণ হিসাবে দেখা যাচ্ছে ইদকে সামনে রেখে অনেকেই করোনার উপসর্গ থাকলেও পরীক্ষা না করানো জন্য করনোর জন্য এ ধরণের ব্যতিক্রমী ফলাফল দেখা গেল।সংক্রমণ কম মনে হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন হবে আগামী দুই-এক দিনের মধ্যেই।

আজ ২২ জুলাই-২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ও সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী যশোর জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। যা এযাবতকালের সর্বনিম্ন।করোনা সংক্রমণ শুরু থেকে অদ্যাবধি করোনায় মৃত্যু হয়েছে ২৯৪ জন।বর্তমানে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১৪০জন।

এপর্যন্ত করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে ১৭৫৬৭ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১৯২২ জন। গত ২৪ ঘন্টায় যশোর জেলায় ১৭০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে। সনাক্তের হার ২০.৫৮ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় সনাক্ত ৩৫ জনের মধ্যে যশোর সদর উপজেলায় ১৪ জন,অভয়নগরে ১১ জন, ঝিকরগাছায় ৮ জন, কেশবপুরে ও শার্শায় ১ জন করোনা পজেটিভ রোগী রয়েছে। মনিরামপুর ও বাঘারপাড়ায় আজ কোন করোনা রোগী সনাক্ত হয়নি।

//নিজস্ব প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

২৩ জুলাই শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে কঠোর লকডাউন

করোনায় আক্রান্ত হয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়রের মৃত্যু

২৩ জুলাই শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে কঠোর লকডাউন

ঈদুল আজহার সময় মানুষের চলাচল ও পশুরহাটে কেনাবেচার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত লকডাউন শিথিল করেছিল সরকার। এ সময়সীমা শেষ হওয়ার পরই শুরু হতে যাচ্ছে কঠোর লকডাউন। এ লকডাউন বহাল থাকবে ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে ঈদের আগেই।

প্রজ্ঞাপনে ২৩ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এগুলো হলো-

১. ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসসমূহ বন্ধ থাকবে।

২. সড়ক, রেল ও নৌ-পথে গণপরিবহণ (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) ও সব যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

৩. শপিংমল/মার্কেটসহ সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

৪. সব পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

৫. সব শিল্প-কলকারখানা বন্ধ থাকবে।

৬. জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান (বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান, ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি বন্ধ থাকবে।

৭. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতসমূহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৮ ব্যাংকিং/বীমা/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক/আর্থিকপ্রতিষ্ঠান বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৯. সরকারি কর্মচারীরা নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন এবং দাপ্তরিক কাজসমূহ ভার্চুয়ালি (ই-নথি, ই-টেন্ডারিং, ই-মেইল, এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপসহ অন্যান্য মাধ্যম) সম্পন্ন করবেন।

১০. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন-কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহণ/বিক্রয়, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, কোডিড-১৯ টিকা প্রদান, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রদান কার্যক্রম, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলি, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ব্যাংক, ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রম, সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা (পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সড়কের বাতি ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কার্যক্রম), সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ফার্মেসি ও ফার্মাসিউটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি/অত্যাবশাকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে।

১১. বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় খোলা রাখার বিষয়ে অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

১২. জরুরি পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক/লরি/কাভার্ডভ্যান/নৌযান/পণ্যবাহী রেল/ফেরি এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

১৩. বন্দরসমুহ (বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল) এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

১৪. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন/বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

১৫. অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৬. টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।

১৭. খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (অনলাইন টেকঅ্যাওয়ে) করতে পারবে।

১৮. আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকেট/প্রমাণ প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহার করে যাতায়াত করতে পারবেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দেবে।

২০ ‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

২১. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি/কোস্টগার্ড, পুলিশ, র‍্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করবেন। সে সঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনো কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগসমূহ এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

২২. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

২৩. সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮-এর আওতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন।

এদিকে বুধবার কঠোর লকডাউন বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, সরকার ঈদের আগে বিধি-নিষেধ শিথিল করায় সব শ্রেণির মানুষ সুন্দরভাবে ঈদ উদযাপন করতে পেরেছেন। পশুর হাটগুলোতে ভালোভাবে কোরবানির পশু কিনতে পেরেছেন। যারা ঈদের আগে ঢাকা এসেছিলেন তারাও সুন্দর পরিবেশে ঈদের পরদিনের মধ্যে বাড়ি ফিরতে পারবেন। এরপর দিন ২৩ জুলাই থেকে বিধি-নিষেধ শুরু হবে। শেষ হবে ৫ আগস্ট। এটা পূর্ব নির্ধারিত প্রজ্ঞাপন। এই ইস্যুতে গুজবে কান দেবেন না।

‘বিধি-নিষেধের সময় সব অফিস বন্ধ থাকবে। সরকারি ও বেসরকারি অফিস, শিল্প কারখানাসহ সারা দেশে সব ধরনের গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে। বিধি-নিষেধ শেষে যেন ঢাকায় চাকরিরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ফিরে আসেন।’

করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় গত ১ জুলাই থেকে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন আরোপ করে সরকার। পরে সময়সীমা বাড়িয়ে ১৪ জুলাই পর্যন্ত করা হয়। সূত্র: যুগান্তর।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

করোনায় আক্রান্ত হয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়রের মৃত্যু

DAraz