লকডাউন নামক শব্দটির সাথে আামাদের পরিচয় ২০২০ সালের শুরুর দিকে তখন লকডাউন নামক শব্দটা আমাদের কাছে বেশ গুরুত্বপূুর্ণ ছিল কারণ এর মাধ্যমেই আমরা করোনা মুক্ত হতে পারব। অথচ এক বছর যেতে না যেতে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন মহামারীরোধে অনেকটাই গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। গত ২৩ জুলাই ২০২১ থেকে ৫ আগষ্ট-২০২১ পর্যন্ত ঘোষিত লকডাউনের (২৮ জুলাই) ৬ষ্ঠ দিনে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে জনসমাগম গত কয়েকদিনের তুলনায় অনেকাংশে বেড়েছে।
শুধু জনসমাগম বেড়েই ক্ষান্ত দেয়নি করোনার সুরক্ষা কবচ অতি প্রয়োজনীয় মাস্ক না পরে ঘুরে বেড়ানোর প্রবনতা লক্ষ্য করা গেছে। পাশাপাশি খুলতে শুরু করেছে অধিকাংশ দোকানপাট। বিশেষ করে মোড়ে মোড়ে অবস্থিত চায়ের দোকানের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারির মধ্যেও দোকানে বেচাকেনা ও মহল্লার মোড়ে আড্ডাবাজ কিশোর-কিশোরীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। নগরীর সদররোড,গীর্জা মহল্লা, নতুনবাজার, চকবাজার, কাঠপট্টি, সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায় অন্যান্য দিনের তুলনায় জনসমাগম ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে।
এসব এলাকায় বেশ কিছু দোকানদারকে দোকানের দরজা অর্ধেক খুলে ব্যবসায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা যায়। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী দেখলেই দোকান বন্ধ করে পার্শ্ববর্তী অলিগলিতে অবস্থান নিতে দেখা যায় ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়কে। আাইন শৃঙ্খলা বাহিনী চলে যাবার পরে পুনরায় দোকান খুলে কেনাবেচা করতে দেখা যায়। নগরবাসীকে ঘরে রাখতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ , র্যাব , সেনাবাহিনী ও জেলা প্রশাসনন যৌথভাবে কাজ করলেও কাঙ্খিত কঠোরতর লকডাউন সোনার হরিণের ন্যায় অধরাই থেকে যাচ্ছে।
এ বিষয় বরিশাল সচেতন মহলের দাবি করোনা মহামারী রোধে লকডাউন নয়, সকলের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য প্রত্যেক ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কমিটি করে এর ভয়াবহতা সাধারন মানুষকে বেশী করে বুঝাতে হবে এবং গণ টীকাকরণের ব্যবস্থা করতে হবে।আর তা না হলে অদৃশ্য শক্তিশালী করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু নিয়ন্ত্রণ কোনভাবেই সম্ভব হবে না।
//পলাশ চক্রবর্ত্তী, বিশেষ প্রতিকেদক//
যমজ ভাইয়ের সঙ্গে যমজ বোনের বিয়ে, ফেসবুকে ছবি ভাইরাল

