আজ ২২ মার্চ – বিশ্ব পানি দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক//

আজ ২২ মার্চ ‘বিশ্ব পানি দিবস’। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব পানি দিবস ২০২১’ পালিত হবে।

বিশ্ব পানি দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘ভ্যালুয়িং ওয়াটার’। এই উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো.আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

পানি দিবস পালনে বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে। কর্মসূচিগুলো টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে নিরাপদ পানির নিশ্চয়তা প্রদানসহ প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা ও পানি দূষণ কমাতে সক্ষম হবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। সেই সঙ্গে পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা জলবায়ু পরিবর্তন সহিষ্ণু উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং তা যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং এর অধীনস্থ সংস্থাগুলো কাজ করে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘মানুষের জন্য পানি, প্রকৃতির জন্য পানি এবং উন্নয়নের জন্য পানি’ এই সত্যকে উপলব্ধি করতে হবে। পানির গুরুত্ব অনুধাবন করে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।

বিশুদ্ধ পানির আর এক নাম জীবন । 

বিশুদ্ধ পানির জন্য এখানে যোগাযোগ করুন।

হোয়াইট হাউজের ৫ কর্মী চাকরিচ্যুত : অভিযোগ গাঁজা সেবন

অনলাইন ডেস্ক : 

মাদক নেওয়ার অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন হোয়াইট হাউজের পাঁচ কর্মী। তাদের বিরুদ্ধে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবন করার অভিযোগ রয়েছে।

শুক্রবার হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি জেন পিসাকি এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর ফোর্বস নিউজের।

বাইডেনের প্রশাসনের জন্য গাঁজা ইস্যুটি নাজুক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি ও ১৫টি রাজ্যে বিনোদনের জন্য গাঁজা ব্যবহারের অনুমোদন আছে। তবে কেন্দ্রীয়ভাবে গাঁজা সেবন আইনিভাবে নিষিদ্ধ।

এক বিবৃতিতে পিসাকি বলেছেন, প্রশাসন আরও নমনীয় নীতি বিকাশের মাধ্যমে সমাজে সম্ভাব্য কর্মীদের আইনি আচরণের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে শাস্তি না দেওয়ার চেষ্টা করছে।

জাপানের উত্তরাঞ্চলে ৭.২ স্কেলে ভূমিকম্প

আন্তর্জাতিক অনলাইন ডেস্ক : 

জাপানের উত্তরাঞ্চলে ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় শনিবার বিকাল ৬টা ২৬ মিনিটে মিয়াগি প্রিফ্যাকচারে ৭.২ মাত্রার ওই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।

জাপানের ভূতাত্ত্বিক জরিপ কেন্দ্র জানিয়েছে,  রিখটার স্কেলে এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২, এর উপকেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের ৬০ কিলোমিটার গভীরে।

ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের ফলে ১ মিটার উচ্চতার সুনামি হতে পারে জানিয়ে সবাইকে উপকূল থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে।

এ ঘটনায় ঘরবাড়ি থেকে আতঙ্কে মানুষজন রাস্তায় নেমে আসে।

‘ভূমিকম্পের দেশ’ হিসেবে পরিচিত জাপান বারবার বড় বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে। ভূমিকম্প, ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামিসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবসময় প্রস্তুত থাকতে হয় জাপানিদের।

ভূ-তাত্ত্বিকদের মতে, জাপান প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত। বাংলায় যার অর্থ হয় ‘আগুনের গোলা’। ‘রিং অব ফায়ার’ এমন একটি কাল্পনিক বেল্ট যা ঘোড়ার খুর আকৃতির মতো প্রধানত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে ঘিরে রেখেছে।

রিং অব ফায়ারে যেসব অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত হয়েছে সেগুলো পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ। এই রিং অব ফায়ারই ৯০ শতাংশ ভূমিকম্পের কারণ। ৪০ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ এই ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে ৪৫২টি আগ্নেয়গিরি রয়েছে, যা পৃথিবীপৃষ্ঠে অবস্থিত মোট আগ্নেয়গিরির ৭৫ শতাংশ।

এশিয়ার জাপান, পলিনেশিয়ার টোঙ্গো, দক্ষিণ আমেরিকার ইকুয়েডর এই রিং অব ফায়ারের অন্তর্ভুক্ত। তাই এসব অঞ্চলেই বেশি ভূমিকম্প হয়ে থাকে।

আমেরিকা বিশ্বের প্রধান অস্ত্র বিক্রেতা , বড় ক্রেতা সৌদি আরব

অনলাইন ডেস্ক : 

গত পাঁচ বছরে সারা বিশ্বে যে পরিমাণে অস্ত্র বিক্রি হয়েছে তার এক-তৃতীয়াংশের বেশি আমেরিকায় তৈরি হয়েছে এবং এ সময়ে সৌদি আরব সবচেয়ে বেশি অস্ত্র কিনেছে।

স্টকহোম ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট বা এসআইপিআরআই সোমবার তাদের বার্ষিক রিপোর্টে এসব তথ্য জানিয়েছে। এ রিপোর্টের তথ্যমতে- ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত আমেরিকা একাই সারাবিশ্বের শতকরা ৩৭ ভাগ অস্ত্র বিক্রি করেছে।

এই সময় আমেরিকা যে অস্ত্র বিক্রি করেছে তার শতকরা ৪৭ ভাগ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে গেছে এবং এর প্রধান ক্রেতা ছিল সৌদি আরব। এই ৪৭ ভাগ অস্ত্রের মধ্যে ২৪ ভাগ একা সৌদি সরকার কিনেছে।

 

এসআইপিআরআই আরও জানিয়েছে, ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আমেরিকা যে অস্ত্র বিক্রি করেছিল তার তুলনায় ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত শতকরা ১৫ ভাগ অস্ত্র বিক্রি বেড়েছে।

এদিকে, রাশিয়া এখনও বিশ্বে অস্ত্র রফতানির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। সারা সারা বিশ্বের মোট অস্ত্রের এক-পঞ্চমাংশ রফতানি করে থাকে মস্কো। তবে ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত গত পাঁচ বছরে দেশটির অস্ত্র রপ্তানি কমেছে শতকরা ২২ ভাগ। রাশিয়া থেকে ভারত অস্ত্র আমদানি কমিয়ে দেওয়ার কারণে রাশিয়ার অস্ত্র বিক্রি মূলত কমেছে।

বিশ্বের তৃতীয় প্রধান অস্ত্র রফতানিকারক দেশ হিসেবে ফ্রান্সের নাম উঠে এসেছে। দেশটি সারাবিশ্বের শতকরা আট ভাগ অস্ত্র রফতানি করে থাকে। ফ্রান্সের প্রধান অস্ত্র ক্রেতা দেশ হচ্ছে ভারত, মিশর এবং কাতার। জার্মানি এবং চীন পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। আলজেরিয়া ও পাকিস্তান হচ্ছে চীনের প্রধান অস্ত্র ক্রেতা দেশ।

দক্ষিণ আফ্রিকার ধরনসহ বাংলাদেশে করোনার ১২ রূপ শনাক্ত

অনলাইন ডেস্ক : 

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস নিয়ে আরও একটি দুঃসংবাদ এল। প্রথমবারের মত বাংলাদেশে শনাক্ত হল করোনাভাইরাসের দক্ষিণ আফ্রিকান স্ট্রেইন। শুধু তাই নয়, এটিসহ করোনার মোট ১২টি অ্যাকটিভ ধরন শনাক্ত হয়েছে এ দেশে।

করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সের উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার, গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডাটা (জিআইএসএআইডি) এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

জার্মান প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত দক্ষিণ আফ্রিকার ধরনটি বাংলাদেশে প্রথম শনাক্ত হয় গেল ২৪ জানুয়ারি। করোনাভাইরাসের এই স্ট্রেইনটি বিশ্বের ৫৫টিরও বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

দক্ষিণ আফ্রিকার ধরনটির প্রভাবে মারাত্মক অসুস্থতা দেখা দেওয়ার প্রমাণ না থাকলেও এই ভাইরাস খুব দ্রুত ছড়ায়।

এছাড়া প্রাথমিক পর্যায়ের ট্রায়ালে দেখা গেছে, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা’র করোনার টিকা দক্ষিণ আফ্রিকার স্ট্রেইন প্রতিরোধে কম কার্যকরি।

রাণীশংকৈলে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উপলক্ষে ‍র‍্যালী ও আলোচনা সভা

মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ।।

মুজিব বর্ষে শপথ করি, প্লাস্টিক দূষণ রোধ করি’এই শ্লোগান কে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।১৫ মার্চ সকাল ১১ টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা চত্বরে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বেড় হয়ে পৌর শহরের শিবদিঘী জিরো পয়েন্ট হয়ে উপজেলা চত্বরে শেষ হয় ।

বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস

পরে উপজেলা হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির “র সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় । এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না । সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রীতম সাহা । বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নবনির্বাচিত মেয়র আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালি বেগম,পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদ চৌধুরী,পৌর আঃ”লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম সরকার,পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তোফাজ্জল হোসেন,প্রেস ক্লাব সভাপতি ফারুক হোসেন,প্রেস ক্লাব পুরাতন”র সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সুজন, এস আই আহসান হাবীব প্রমুখ ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রেস ক্লাব পুরাতন”র সভাপতি কুসমত আলী ,বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হক,সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা রাজনৈতিক নেতা কর্মী বৃন্দ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা । অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কৃষি সহকারী কর্মকর্তা সাদেকুল ইসলাম ।

নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি

অনলাইন ডেস্কঃ

ভারতের পশ্চিম বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ডামাডোল শুরু হয়ে গেছে। ইতিমধ্যে বিজেপি, সংযুক্ত মোর্চা,তৃণমূল কংগ্রেসসহ অন্যান্য ছোট আঞ্চলিক দলসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তাদের নমিনেশন পেপার্স জমা দিয়েছেন।

এছাড়াও বাম- কংগ্রেস – আইএসএফ সংযুক্ত মোর্চার বামফ্রন্ট, তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপিসহ সকল দল তাদের ব্যতিক্রমী নির্বাচনী ইস্তেহার ঘোষণার মাধ্যমে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। ২৯৪ আসন বিশিষ্ট বিধানসভার ভোট গ্রহণ আগামী ২৭ মার্চ-২০২১ থেকে শুরু হয়ে ২৯ এপ্রিল-২০২১ পর্যন্ত সর্বমোট ০৮ দফায় শেষ হবে এবং ফলাফল ঘোষণা হবে ০২ মে-২০২১।

নির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে বিভিন্ন মিডিয়া ও সংস্থা জরীপ কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে এবং ফলাফলের দিন লাল,সবুজ না কমলা আবীরের ছড়াছড়ি হবে তা নিয়েও ভোটারদের মধ্যেও ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা ও চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে পাড়ার মোড়ে, চায়ের দোকানে। ভারতের মতো বৃহৎ দেশে গণতন্ত্রের চর্চা সব সময় বিশ্ব নন্দিত। কিন্তু কালের বিবর্তনে শিক্ষার যত বিস্তার ঘটছে ততোই যেন ভারতীয় গণতন্ত্র ধর্মীয় লেবাসে আবদ্ধ হয়ে পড়ছে। ধর্মীয় মনস্তাত্ত্বিক বিষয়টি যে কতটা প্রকট হয়ে পড়ছে তার কিছুটা বিশ্লেষণ তুলে ধরার চেষ্টা মাত্র। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষক, মিডিয়া ও সংস্থা জনমত জরীপ করে কিন্ত সেই সব জনমত জরীপকে ভুল প্রমাণিত করে এবং ৪২ টি লোকসভা আসনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ২২ টি আসন,বিজেপি ১৮ টি ও কংগ্রেস ০২ টি আসন পায়।বামফ্রন্ট কোন আসন পেতে অসমার্থ হয়।

এখন আসন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ভোটের বিশ্লেষণে দেখা যায়- তৃণমূল কংগ্রেস সর্বমোট ৪৩.২৮%, বিজেপি ৪০.২৫% কংগ্রেস ৫.৬১%, বামফ্রন্ট ৭.৫০% এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৩.৩৬% ভোট পেয়েছিল।

পশ্চিম বঙ্গে ৩০% মুসলিম ভোটার আছে। ধরনা করা হয় মুসলিম ভোটারের কমপক্ষে ২৫% তৃণমূল কংগ্রেস, ৩% কংগ্রেস এবং বাকি ০২% বামফ্রন্ট পেয়েছিল।তাহলে দেখা যায় মমতা ব্যানার্জীর প্রাপ্ত ৪৩.২৮% ভোটের ২৫% সংখ্যালঘু ভোট বাদ দিলে হিন্দু ভোট পেয়েছিল মাত্র ১৮.২৮%। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস এবারের বিধানসভা নির্বাচনে তাদের ভোট ব্যাংক এককভাবে ধরে রাখতে পারছে না। পশ্চিম বঙ্গের ফুরফুরা দরবার শরীফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকের ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট ( আই.এস.এফ) ৩০% মুসলিম ও হিন্দু,আাদিবাসী সংখ্যালঘু ভোটারের দিকে হাত বাড়িয়ে বসে আছে যা সংযুক্ত মোর্চা ফ্রন্টের দিকেই যাবে।

এছাড়াও ভারতের অন্যতম মুসলিম সংগঠন আসাদ উদ্দিন ওয়াইসি- এর মীম পশ্চিম বঙ্গের মুসলিম ভোটকে টার্গেট করে একক বা জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে লড়াই করার ঘোষণা দিয়েছে। ফলে তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট ব্যাংকের একটি বৃহৎ অংশ যে হাত ছাড়া হতে চলেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। এতে করে ধারণা করা হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট ব্যাংক ২৫% থেকে নেমে অর্ধেক বা ১২.৫০% হতে যাচ্ছে এতে কোন সন্দেহ নেই। এছাড়াও নির্বাচনের পূর্ব মুহুর্তে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃত্বের যেভাবে দল বদলের হিড়িক পড়ে গেছে তাতে ধারণা করা হচ্ছে প্রাপ্ত হিন্দু ভোট ১৮.২৮% এতেও যে হাত পড়বে তাতে কোন সন্দেহ নেই এবং কমপক্ষে ০৮% ভোট কমতে পারে।তখন তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট দাঁড়াবে (১২.৫০%+১০.২৮)= ২২.৭৮%।

অন্যদিকে বাম- কংগ্রেস – আইএস-এর সংযুক্ত মোর্চা তৃণমূল কংগ্রেসের হারানো মুসলিম ও হিন্দু ভোটারের ১২.৫০ ও ৪% পেলেও অমূলক হবে না। তৃণমূল কংগ্রেসের হারানো ভোটের সম্পূর্ণ অংশ যদি সংযুক্ত মোর্চা ফ্রন্টকেও নাও দেয় সে ক্ষেত্রে তাদের অবস্থান হবে ( কংগ্রেসের ৫.৬১%+ বামেদের ৭.৫০% + মুসলিমদের ৭.৫% + তৃণমূলের হারানো হিন্দু ভোটের ৪%)=২৪. ৬১%। যেহেতু বিজেপি উল্লেখ করার মতো মুসলিম ভোট পায়নি সেহেতু ধরে নেওয়া যেতে পারে মুসলিম ভোটের ৫% ও হিন্দু ভোটের ২% আসাদ উদ্দিন ওয়াসির মীম ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পাবে। তাহলে স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দলের ভোট দাঁড়াবে ( গত লোকসভার৩% + মুসলিম ভোট ৫% + হিন্দু ভোটের ২%)= ১০% বিজেপি গত লোকসভা নির্বাচনে ৪০.২৫% ভোট পেয়েছিল যার অধিকাংশ ছিল হিন্দু ভোটার।

এবার বিধানসভার নির্বাচনের আগে দল বদলের যে মহাধূম শুরু হয়েছে তাতে আশাকরা যায় বিজেপির ভোট বাড়বে বই কমবে না।

এ ক্ষেত্রে এনআরসি,সিএএ এর প্রসঙ্গ থাকলে দেখা যায় ঐ অতি আলোচিত ও সমালোচিত বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের জন্য পশ্চিম বঙ্গে হিন্দুদের একটি ভোট ব্যাংক এবং যা পশ্চিম বঙ্গের নির্বাচনে নিয়ামক হিসাবে কাজ করে সেই মতুয়া সম্প্রদায়ের ভোটগুলি নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং মাঠে নেমেছেন। যার অংশ হিসাবে ২৬ ও ২৭ মার্চ-২০২১ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সফরে মতুয়াদের প্রাণের ঠাকুর হরিচাঁদ গুরুচাঁদের জন্মস্থান বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার কশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি তীর্থধাম পরিদর্শন করবেন। এক্ষেত্রে বিজেপির ভোট হবে ( ৪০.২৫% + তৃণমূল কংগ্রেসের হারানো হিন্দু ভোট ২%)= ৪৪.২৫ % অর্থাৎ ভোট প্রাপ্তির শতকরা হিসাবে মমতা ব্যানার্জির তৃণমূল কংগ্রেস,সংযুক্ত মোর্চাসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলকে মোটামুটি একটা নির্দিষ্ট ব্যবধানে হারিয়ে সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে বলে আশা করা যায় এবং কমপক্ষে ১৬০ টির মতো আসন লাভ করার সম্ভাবনা আছে।ফলে একক সংখ্যা গরিষ্ঠ দল হিসাবে পশ্চিম বঙ্গে সরকার গঠনের সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে বর্তমান কালের নির্বাচনে রাজনৈতিক নেতা ও ভোটারদের যে দ্বিমূখী বা তৃমূখী আচরণ তাতে নির্বাচনের মোড় যে কোন দিকে যাবে তা বলা খুবই দুরূহ।