হঠাৎ কি কারণে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক এর বাসভবন কালো কাপড়ে ঢাকা

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের ব্যক্তিগত বাসভবন কালো কাপড়ে ঢেকে দিয়েছেন পরিবেশকর্মীরা। সুনাকের এই বাসভবনটি ইংল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা ইয়র্কশায়ারে অবস্থিত। খবর রয়টার্সের।

খবরে বলা হয়েছে, পরিবেশবান্ধব জ্বালানি নীতিকে পাশ কাটিয়ে উত্তর সাগরে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের অনুমতি দেওয়ায় পরিবেশকর্মীরা প্রতিবাদস্বরূপ এটি করেছে।

রয়টার্সের খবরের বলা হয়, গ্রিনপিস ইউকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পোস্ট করা হয়েছে বৃহস্পতিবারের কর্মসূচির বিভিন্ন ছবি। একটি ছবিতে দেখা গেছে, ইয়র্কশায়ারে কালো কাপড়ে ঢাকা সুনাকের বাসভবনের ছাদের রেলিংয়ের কাছে দাঁড়িয়ে আছেন গ্রিনপিস ইউকের চারজন কর্মী, আর নিচের লনে দুজন কর্মী হাতে একটি কালো কাপড়ের ব্যানার হাতে দাঁড়িয়ে আছেন।

সেই ব্যানারে লেখা— ‘ঋষি সুনাক, কোনটি গুরুত্বপূর্ণ— তেলের মুনাফা নাকি আমাদের ভবিষ্যৎ?’

সকাল ৯টার দিকে গ্রিনপিস ইউকের ওয়েবসাইটে পোস্ট করা হয় এই ছবি। তার পরও অন্তত ২ ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করেছেন প্রতিবাদকারীরা। পরে ইয়র্কশায়ার পুলিশ এসে তাদের সরিয়ে দেয়।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুরডো বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ কি!

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো (৫১) এবং স্ত্রী সোফির (৪৮) বিচ্ছেদের খবর এখন ‘টক অব দ্য টাউন’।  দীর্ঘ ১৮ বছরের সম্পর্কের ইতি টেনেছে জনপ্রিয় এ দম্পতি।

বিচ্ছেদের পরপরই ট্রুডোকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমজুড়ে শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন। নানান ধরনের জল্পনা-কল্পনায় নিজেদের মতামত জানাচ্ছেন নেটিজেনরা।

অনেকের ধারণা, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেলানিয়া জলির সঙ্গে সম্পর্কের জেরেই পুড়ল প্রধানমন্ত্রীর ঘর। তবে মেলানিয়া জোলি ও ট্রুডোকে নিয়ে এর আগেও অনেকবার মুখরোচক গল্প রটলেও এবার সেই গুঞ্জন যেন আরও জোরালো হয়ে উঠল। তবে পরকীয়া দোষেই শুধু নয়, ট্রুডোর ‘সমকামী’ কেচ্ছাও ঘুরছে সামাজিকমাধ্যমে। এপি।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রুডো দম্পতি  বিচ্ছেদের ঘোষণা দেয়।  সব অভিযোগের ঊর্ধ্বে মেলানিয়া জোলির সঙ্গে ট্রুডোর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককেই সবাই দায়ী করছে সম্পর্ক ভাঙার পেছনে।

২০২০ সালে মেলানিয়া জোলির সঙ্গে পরিচয় হয় জাস্টিন ট্রুডোর। ঠিক এক বছর পর, ২০২১ সালেই কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে আসেন মেলানিয়া জলি।  এরপর দুজনকে একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে দেখা গেছে।

কারও কারও দাবি, ট্রুডোকে গভীর রাতে জোলির অ্যাপার্টমেন্ট ছেড়ে যেতে দেখা গেছে। তবে কথিত এসব ব্যাপারগুলো নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। কেননা বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে ট্রুডো দম্পতি কোনো মন্তব্য করেননি।

মেলানিয়া জোলি ১৬ জানুয়ারি, ১৯৭৯ সালে মন্ট্রিল, কুইবেকে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।  বর্তমানে তার বয়স ৪৪ বছর। ট্রুডোর লিবারেল পার্টি অব কানাডার একজন সদস্য। ২০১৫ সালের ফেডারেল নির্বাচনে তিনি এমপি নির্বাচিত হন।

২০১৩ সালের মন্ট্রিল পৌরসভা নির্বাচনে, জোলি মেয়র পদে দাঁড়িয়েছিলেন এবং চূড়ান্ত বিজয়ী ডেনিস কোডেরের থেকে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন।

২০১০ সালে কানাডিয়ান সাংস্কৃতিক সম্প্রদায়ের মানবিক কার্যকলাপের জন্য তিনি আর্নল্ড এডিনবরো পুরস্কার জিতেছিলেন। এরপর তাকে ২০১৩ সালে জাস্টিন ট্রুডোর লিবারেল পার্টি অব কানাডার নেতৃত্বের প্রার্থিতা নির্বাচিত করা হয়েছিল।

কিমকে চিঠি দিলেন পুতিন – কি বার্তা ছিল ঐ চিঠিতে

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

উত্তর কোরিয়া সফরে গিয়ে দেশটির নেতা কিম জং-উনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু। উত্তর কোরিয়ার ‘বিজয় দিবস’ উদযাপনের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে চলতি সপ্তাহে দেশটিতে যান রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

এদিকে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে চীনের একটি প্রতিনিধিদলও উত্তর কোরিয়া সফর করেছে।

গত শতকের নব্বইয়ের দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর এই প্রথম রাশিয়ার কোনো প্রতিরক্ষামন্ত্রী উত্তর কোরিয়ায় সফর করছেন।

উত্তর কোরিয়ার গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একটি চিঠি কিম-জং উনকে দিয়েছেন শোইগু।

রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি সামরিক প্রতিনিধিদল উত্তর কোরিয়ায় পাঠানোর জন্য পুতিনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কিম-জং উন।

কিম-জং উন বলেছেন, এই সফর উত্তর কোরিয়া-রাশিয়ার মধ্যকার কৌশলগত ও ঐতিহ্যবাহী সম্পর্ককে আরও গভীর করেছে।

উত্তর কোরিয়ার নেতা বারবার বলেছেন, তার দৃঢ় বিশ্বাস যে রুশ সেনাবাহিনী ও জনগণ একটি শক্তিশালী দেশ গড়ার সংগ্রামে বড় সাফল্য অর্জন করবে।

কিম জং-উনের উদ্ধৃতিতে রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের কথা উল্লেখ করেনি উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। তবে উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাং সান নাম বলেছেন, ন্যায়বিচারের জন্য রাশিয়ার যুদ্ধে পিয়ংইয়ংয়ের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। একই সঙ্গে রাশিয়ার সার্বভৌমত্ব রক্ষার ইস্যুতেও মস্কোর প্রতি পূর্ণ সমর্থন রয়েছে উত্তর কোরিয়ার।

শি জিনপিং যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে বললেন সেনাবাহিনীকে

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বৃহস্পতিবার তাইওয়ান সীমান্তে পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) কমান্ড পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ নির্দেশ দেন।

চীনা প্রেসিডেন্ট মনে করেন, বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক অস্তিরতা বাড়ায় চীনের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। তাই তিনি সেনা সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, বর্তমান সময়ে বিশ্ব অস্থিরতা ও পরিবর্তনের এক নতুন সময়ে প্রবেশ করেছে এবং আমাদের দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি দিন দিন আরও বেশি অনিশ্চয়তার ঝুঁকির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। তাই মনে লড়াই করার মতো সাহস আনুন, দক্ষ হয়ে উঠুন এবং জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তাকে দৃঢ়ভাবে রক্ষা করুন।

চীনা প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, যুদ্ধ এবং যুদ্ধের পরিকল্পনাকে আরও গভীর করা প্রয়োজন, প্রকৃত যুদ্ধের জন্য সামরিক প্রশিক্ষণে ফোকাস করুন এবং জয়ের জন্য আমাদের সক্ষমতার উন্নতি ত্বরান্বিত করুন।

শি জিনপিং এমন সময় নিজ দেশের সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে বললেন যখন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়নের জন্য বৈঠক করতে মার্কিন অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন বেইজিংয়ে অবস্থান করছেন।

মূলত তাইওয়ান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান তিক্ততার কারণেই শি সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। গত শতকের পঞ্চাশের দশকে ‘তাইওয়ান চুক্তি’ নামের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ওয়াশিংটন ও তাইপের মধ্যে। সেই চুক্তি অনুযায়ী এই তাইওয়ানকে নিয়মিত সামরিক সহায়তা ও অস্ত্র বিক্রির প্রতিশ্রুতি দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এই চুক্তি নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে বেইজিংয়ের।

দ্বীপ-ভূখণ্ড তাইওয়ান একসময় চীনের মূল ভূখণ্ডের অংশ ছিল। ১৯৪৯ সালে মাও সে তুংয়ের নেতৃত্বে কমিউনিস্টরা বেইজিং দখল করলে তৎকালীন শাসকরা তাইওয়ানে পালিয়ে যান, দ্বীপটিও চীনের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

ন্যাটোতে যোগ দিতে স্টলটেনবার্গ এর দেওয়া শর্ত পূরণ করতে পারবে তো ইউক্রেন..!

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

যুক্তরাষ্ট্র ও তার ইউরোপীয় মিত্রদের সামরিক জোট নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অ্যালায়েন্সে (ন্যাটো) যোগ দেওয়ার জন্য গত ৫-৬ বছর ধরেই তদবির চালিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেন। এতদিন পর্যন্ত এ প্রসঙ্গে স্পষ্ট কোনো সাড়া না দিলেও এবার এই নিয়ে মুখ খুলেছেন ন্যাটো মহাসচিব জিনস স্টলটেনবার্গ।

মঙ্গলবার উত্তর ইউরোপের দেশ এস্তোনিয়ার রাজধানী তাল্লিনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী কাজা কাল্লাসের সঙ্গে বৈঠক করেন স্টলটেনবার্গ।

বৈঠক শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ক এক প্রশ্নের উত্তরে স্টলটেনবার্গ জানান, রাশিয়া-ইউক্রেনের চলমান এই যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরই কেবল ইউক্রেনকে ন্যাটোর সদস্যপদ প্রদানের ব্যাপারটি বিবেচনা করা হবে; তার আগে নয়।

ন্যাটো মহাসচিব বলেন, ‘এখানে(ন্যাটোর সদস্যপদ লাভের ক্ষেত্রে) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারটি হলো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ইউক্রেনের টিকে থাকা। কারণ, যদি পুতিন এই যুদ্ধে জিতে যান— ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগদানের প্রশ্নটিই অবান্তর হয়ে যাবে। তাই এ যুদ্ধে জয়ী হওয়াই হলো ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার প্রথম ও প্রধান পূর্বশর্ত।

অবশ্য সংবাদ সম্মেলনে স্টলটেনবার্গ বলেন, ইউক্রেনকে আপাতত সদস্যপদ না দেওয়া হলেও কিয়েভের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে ন্যাটো এবং চলমান এই যুদ্ধে দেশটিকে সামরিক সহায়তা প্রদানও অব্যাহত রাখা হয়েছে।

মূলত ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগদানের চেষ্টাকে ঘিরে দ্বন্দ্বের জেরেই এই যুদ্ধের শুরু। ২০১৪ সালে রুশ বাহিনীর কাছে ক্রিমিয়া উপদ্বীপ হারানোর পর থেকে ন্যাটোতে যোগদানের জন্য তদবির শুরু করেছিল কিয়েভ।

এই ইস্যুতে বিগত বছরগুলোতে কিয়েভকে একাধিকবার সতর্কবার্তা দিয়েছে মস্কো, কিন্তু সেসবকে পাত্তা দেয়নি ইউক্রেন।

টানা প্রায় ৪ বছর এ ইস্যুতে মস্কো-কিয়েভের টানাপোড়েন চলার পর ২০২২ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান পরিচালনা করতে রুশ বাহিনীকে নির্দেশ দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।  সূত্র : আরটি

ওয়াগনার ও রুশ সেনাবাহিনীর মধ্যকার দ্বন্দ্ব এখন রাজপথে, কি হবে ভবিষ্যৎ….!

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর পথে এগোচ্ছে বিদ্রোহী ওয়াগনার বাহিনী। ইতোমধ্যে শহরটির মেয়র জানিয়েছেন, মস্কোর পরিস্থিতি কঠিন।

রুশ সেনাদের সঙ্গে তালমিলিয়ে চলা ওয়াগনার গোষ্ঠী ছিল ইউক্রেনে হামলার বড় হাতিয়ার। পরম বন্ধু হয়ে ঘাড়ে ঝুলে থাকা সেই অস্ত্রেই এখন রক্ত ঝরছে পিঠে।

বিশ্বাসঘাতক বন্ধুর মতো পেছন থেকে হামলা করেছে। অথচ রাশিয়ার ভাড়াটে সেনা ওয়াগনার বাহিনীর প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোজিনই (৬২) ছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিশ্বস্ত লেফটেন্যান্টদের একজন। যাকে পুতিনের বিশ্বস্ত বাবুর্চিও বলা হয়।

কিন্তু হঠাৎ করেই ফাটল ধরল! শুক্রবার গভীর রাতে বিদ্রোহের ঘোষণা দেন পুতিনের বিরুদ্ধে।

এই ঘটনা রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্বকে প্রকাশ্যে আনল বলে এনডিটিভিতে প্রকাশিত এক নিবন্ধে বলা হয়েছে।

ওয়াগনার ও রুশ সেনাবাহিনীর মধ্যকার অন্তর্দ্বন্দ্ব বিশ্বের সবার সামনে সোপ অপেরা হয়ে হাজির হয়েছে।

সর্বশেষ পর্বে চলতি সপ্তাহে ওয়াশিংটন পোস্টের এক নিবন্ধে প্রিগোজিন বেশ কয়েকবার ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে।

ডিসকর্ডে ফাঁস হওয়া তথ্যের বরাতে ওই নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে, প্রিগোজিন বাখমুত থেকে ইউক্রেনের সেনাদের সরে যাওয়ার বিনিময়ে কিয়েভকে রুশ সেনাদের অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

ক্রেমলিন যদি ওই নিবন্ধের কথা বিশ্বাস করে ফেলে, তাহলে প্রিগোজিন সত্যিই বিরাট বিপদে আছেন।

কিন্তু তথ্য চেপে যাওয়া বা ইচ্ছা করে ভুল তথ্য দেওয়া ইউরেশিয়া অঞ্চলে খুব স্বাভাবিক ঘটনা। রাশিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী অভিজাত বাহিনীগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্ব ও উত্তেজনার ঘটনাও নতুন নয়, যদিও পুতিনকে এতদিন এসব সামলাতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি।

কিন্তু প্রিগোজিনকে হয় এখন তিনি সামলাতে পারছেন না, বা তার ইচ্ছা নেই। যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে, ক্রেমলিনের সর্বত্র তার নিয়ন্ত্রণ আর আগের মতো নেই।

তিনি রাশিয়ান রাষ্ট্রের কেন্দ্রে অবস্থান করছেন, এবং দৃশ্যত তার কোনো উত্তরসূরীও নেই। এখন পুতিন ‍দুর্বল হয়ে পড়লে, তার শাসনামলের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন আরও গুরুতরভাবে ওঠা শুরু করবে।

২০১৪ সালে প্রিগোজিন ভাড়াটে যোদ্ধাদের গ্রুপ ওয়াগনার প্রতিষ্ঠা করেন; এতে তার সঙ্গী ছিলেন রাশিয়ার বিশেষ সামরিক গোয়েন্দা বাহিনীর সাবেক কমান্ডার দিমিত্রি উৎকিনও।

বাইরে থেকে দেখলে ওয়াগনারকে রাশিয়ার মূল সামরিক কাঠামো থেকে আলাদা মনে হবে না। এই বাহিনীর যোদ্ধারা রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন ঘাঁটিতে প্রশিক্ষণ নেন, গ্রুপটির অনেক যোদ্ধাই একসময় রাশিয়ার সামরিক বাহিনীতে কাজও করেছেন। এছাড়াও এই বাহিনীর মূল কাজই থাকে সর্বত্র রাশিয়ার স্বার্থকে প্রসারিত করা।

২০২২ সালের মধ্যে ওয়াগনার বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় নিজের অবস্থান পোক্ত করে ফেলেছে। কেবল ইউক্রেইনই নয়, এটি এখন সিরিয়া, সুদান, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, লিবিয়া, মোজাম্বিক, মালি, ক্যামেরুন ও মাদাগাস্কারসহ অন্যত্রও বেশ সক্রিয়।

ক্রেমলিনে প্রভাব বিস্তারকারী বিভিন্ন গোষ্ঠী এবং তাদের নেতাদের কার কেমন দাপট তা খালি চোখে বোঝার উপায় নেই। কিন্তু মনে করা হয়, প্রিগোজিন যেহেতু ক্রেমলিনে ‘আউটসাইডার’ তাই মস্কোতে তার তেমন ক্ষমতা নেই, নিরাপত্তা পরিষদের মন্ত্রণালয় বা সংস্থাগুলোর প্রধানদের মধ্যে তার বন্ধু সংখ্যাও নগণ্য।

এখন তার হাতে থাকা সেনার সংখ্যাও আনুমানিক ৫০ হাজার, যার বেশিরভাগই হয়েছে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা শুরুর পর। সে তুলনায় রাশিয়ার নিয়মিত বাহিনীর সেনার সংখ্যা দৈত্যাকার। এমনকি পুতিনের ব্যক্তিগত রক্ষীর সংখ্যাও ৩ লাখের বেশি।

এর অর্থ দাঁড়াচ্ছে প্রিগোজিনের পক্ষে ক্রেমলিনকে বলির পাঁঠা বানানো প্রায় অসম্ভব, তার চেয়েও বেশি অসম্ভব পুতিনকে চ্যালেঞ্জ জানানো।

তবে ওয়াগনার ও প্রিগোজিন দুটোই ‍পুতিনের কাছে এখনও গুরুত্বপূর্ণ। রুশ প্রেসিডেন্ট সাধারণত তার ঘনিষ্ঠদের সহজে ত্যাগ করতে চান না।

জেনারেল সের্গেই সুরোভকিনকে নিয়োগ করে পুতিন সেই বার্তা আরও জোরালভাবে দিতেও চেয়েছিলেন। সুরোভকিন ওয়াগনার ও রুশ সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে লিঁয়াজোর দায়িত্বে ছিলেন। সুরোভকিন চাইলেই প্রিগোজিনকে গোলাবারুদ পাঠানো পিছিয়ে দিতে বা বন্ধ রাখতে পারতেন।

সামরিক বাহিনী এখন নতুন যোদ্ধা টানতে ওয়াগনারের আকর্ষণীয় চুক্তিতেও বাধ সেধেছে, যে কারণে প্রিগোজিন সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বের প্রতি আরও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন।

সামরিক বাহিনীকে ঘিরে এই নাটক ক্রেমলিনের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। সহজ কথায়, এটা পুতিনকে তার সিদ্ধান্তের ভুলত্রুটি থেকে নিজেকে আলাদা করা কঠিন করে তুলবে।

ইউক্রেনে হামলার সিদ্ধান্ত পুতিন নিয়েছিলেন। পুতিনই ওয়াগনারকে বাখমুতে অভাবনীয় সাফল্য আনতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

সবশেষে পুতিনই সমগ্র যুদ্ধ দেখভালের দায়িত্ব সামরিক বাহিনীর কোন কর্মকর্তা পালন করবেন, তা ঠিক করে দিয়েছেন। গেরাসিমভ এই দায়িত্ব সুরোভকিনের কাছ থেকে নিয়েছেন চলতি বছরের জানুয়ারিতে।

রাশিয়া অবশ্য ২০২২ সালে তাদের ‘সামরিক অভিযান’ শুরুর পর দায়িত্বে একের পর এক জেনারেল বদলেছে, অনেক জেনারেলকে যুদ্ধেও হারিয়েছে তারা।

২০১৪ সালে ইউক্রেনে রুশদের আগ্রাসন শুরু হয়। ইউক্রেনে রুশদের সর্বাত্মক আগ্রাসন ঘটে ২৪ ফেব্রুয়ারি। যা প্রিগোজিনের জীবনে বৈচিত্র্য নিয়ে আসে। যুদ্ধ যত খারাপের দিকে গেছে প্রিগোজিনের ভবিষ্যৎ ততই সামনে এগিয়েছে।

ভাড়াটে ব্যবসায় নাম ওঠে তার। হয়ে ওঠেন রুশদের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রের একটি গ্রুপের নেতা। ইউক্রেনীয়রা যত বেশি রুশ সেনাদের হত্যা করেছিল, মস্কোর তত বেশি ওয়াগনারের ভাড়াটেদের প্রয়োজন ছিল। সম্পদ ও চাকচিক্যের স্বাদ পেয়ে ক্ষমতার করিডোরে নিজের স্থান তৈরি করে ফেলেন প্রিগোজিন।

টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে গিয়ে এক ধনকুবের আরোহীসহ নিখোঁজ সাবমেরিন

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখাতে দর্শনার্থীদের আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে নিয়ে যাওয়া একটি সাবমেরিনের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। গত রোববার যাত্রা শুরুর ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পর নিখোঁজ হয় সেটি। সাবমেরিনটির সন্ধানে জোর তৎপরতা চলছে।

হারিয়ে যাওয়া সাবমেরিনটির নাম টাইটান। সাগরের তলদেশে যাত্রী পরিবহনের কাজে সেটি ব্যবহার করা হতো। ট্রাকের আকৃতির এই সাবমেরিনটিতে চালক ও একজন ক্রুসহ মোট পাঁচজন আরোহী থাকতে পারেন। পানির নিচে সেটি চার দিনের অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারে।

টাইটানের মালিক মার্কিন প্রতিষ্ঠান ওশানগেট। পানির তলদেশে গবেষণা, অনুসন্ধান, এমনকি ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক—এমন লোকজনকে সাবমেরিনের মাধ্যমে পানির নিচে নিয়ে যায় প্রতিষ্ঠানটি। ওশানগেটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হারিয়ে যাওয়া সাবমেরিনের আরোহীদের ফিরিয়ে আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে তারা।

এদিকে নিখোঁজ টাইটানের আরোহীদের মধ্যে যুক্তরাজ্যের একজন ধনকুবের ছিলেন বলে জানা গেছে। তাঁর নাম হামিশ হার্ডিং। দিন কয়েক আগে ৫৮ বছর বয়সী এই শত কোটিপতি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে জানিয়েছিলেন, তিনি টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে যাচ্ছেন।

কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ড প্রদেশের সেন্ট জন শহর থেকে টাইটানের যাত্রা শুরু হয়। আটলান্টিকের তলদেশে যেখানে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে, সেখান থেকে এর দূরত্ব ৬০০ কিলোমিটার। সেন্ট জন থেকে টাইটানকে পোলার প্রিন্স নামের একটি জাহাজে করে ধ্বংসাবশেষস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে সাগরের তলদেশে যাত্রীদের নিয়ে যায় সাবমেরিনটি। টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ ঘুরিয়ে আনতে এটির সময় লাগে প্রায় আট ঘণ্টা।

গত বছর টাইটানে চড়েছিলেন সংবাদমাধ্যম সিবিএসের প্রতিবেদক ডেভিড পগ। বিবিসিকে তিনি বলেন, টাইটান পানির নিচে যাওয়ার পর যোগাযোগের জন্য সেটির ওপরে থাকা পোলার প্রিন্স থেকে ছোট ছোট বার্তা পাঠানো হয়। তবে এবার ওই বার্তার কোনো জবাব আসছে না। আর টাইটানে থাকা আরোহীদের বাইরে বেরিয়ে আসার কোনো উপায় নেই। কারণ, সেটির প্রবেশ পথগুলো বাইরে থেকে আটকানো থাকে। তাই সাবমেরিনটি পানির ওপরে ভেসে উঠলেও, সেটি বাইরে থেকেই কাউকে খুলতে হবে।

১৯১২ সালে যুক্তরাজ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশে প্রথম যাত্রা শুরু করে টাইটানিক। সেবারই এক হিমশৈলির সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যায় সে সময়ের সবচেয়ে বড় এ জাহাজটি। এতে জাহাজটিতে থাকা ২ হাজার ২০০ যাত্রীর ১ হাজার ৫০০ জনের বেশি মারা যান। ১৯৮৫ সালে আটলান্টিকের তলদেশে ১২ হাজার ৫০০ ফুট গভীরে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পাওয়া যায়।

আমেরিকা বাংলাদেশকে খেলার মাঠ বানিয়ে ভারতকে ডমিনেট করতে চায়  : ইনু

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//

দিল্লিকে (ভারত) ডমিনেট করতেই আমেরিকা বাংলাদেশকে খেলার মাঠ বানাতে চাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু।

তিনি বলেন, ‘দিল্লিকে আমেরিকা আর দোনোমোনো খেলতে দেবে না। ক্লোজ এলাই হিসেবে পাশে চায়। ক্লোজ এলাই হিসেবে পুরোপুরি পাশে না পেলে তারা ভারতের পার্শ্ববর্তী বন্ধু দেশ বাংলাদেশ মানে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করে তাদের পছন্দের পুতুল কাউকে ক্ষমতায় বসাতে চেষ্টা করবে।’

সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে ইনু বলেন, ‘সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে হঠাৎ বাংলাদেশকে নিয়ে আমেরিকা অতি উৎসাহী হয়ে উঠছে। নানা বিবৃতি দিচ্ছে। কিন্তু হঠাৎ আমেরিকার এত উৎসাহ কেন? তারা গণতন্ত্র টার্ম ইউজ করছে। অথচ পৃথিবীতে এমন একটি দেশের নামও কেউ বলতে পারবে না যেখানে আমেরিকা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। বরং আমেরিকা যখন কোনো দেশের গণতন্ত্রের ব্যাপারে উৎসাহী হয়ে ওঠে, তখন সেই দেশের সরকার বা বিরোধী দলের চেয়ে জনগণের জন্য বেশী দুর্ভোগ বয়ে আনে। আমাদের এখন ভাবার সময় এসেছে আমেরিকার হঠাৎ এই অতি উৎসাহের হেতু কী? গণতন্ত্র নাকি সেন্টমার্টিন দ্বীপ!’

শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার সাবেক এই সদস্য বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তাদের পুরোনো কৌশল প্রয়োগ করছে। সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে, আঙুল বাকা করতে চেষ্টা করবে। দিল্লি তথা ভারতকে ডমিনেট করতে ভারতের বন্ধু দেশ বাংলাদেশকে প্রেশারাইজ করে ভারতকে কাবু করতে চেষ্টা করবে। দর কষাকষি হচ্ছে মূলত আমেরিকা আর ইন্ডিয়ার মধ্যে। পলিটিক্যাল জনগোষ্ঠী বাংলাদেশে খুবই ছোট, যা থেকে আমেরিকা খুব বেশি বেনিফিটেড হবার কোনো সম্ভাবনা নেই।’

তিনি বলেন, ২০ হাজার মাইল দূরের কেউ এসে আমাদের দেশকে খেলার মাঠ বানাবে আমরা সেটা হতে দেবো না। বাংলাদেশকে আমরা দাম দিয়ে কিনেছি। কারো দানে পাওয়া নয়। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে সঠিক সময়ে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। এটাই মোদ্দা কথা।

ইনু বলেন, বিএনপি-জামায়াত যারা নিজেরা নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে না পেয়ে বিদেশি বিভিন্ন মহলের কাছে গিয়ে ধর্না দিয়ে খাল কেটে কুমির আনছে তারা দেশের শত্রু, জনগণের শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু।

বিএনপির সঙ্গে আলোচনার ইস্যুতে মন্ত্রীদের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা কী বলবেন, আর কী করছেন- তা সরকারের পক্ষ থেকে তদারকি থাকা জরুরি প্রয়োজন নয় কি? তাদের বক্তব্যে মনে হচ্ছে, দেশটার মধ্যে ব্যাড়াছ্যাড়া লেগে গেছে।

তিনি আরও বলেন, কয়লার বিল বাকি ৪ হাজার কোটি টাকা, বিমান সংস্থার বাকি ২১ হাজার ডলার। সরকারি প্রতিষ্ঠানের বাকি ১৭ হাজার কোটি টাকা। আমার প্রশ্ন হচ্ছে এত বাকি কেন? কীভাবে? দেশটার মধ্যে কি ব্যাড়াছ্যাড়া লেগে আছে!

জাসদ সভাপতি বলেন, যে কোনো মূল্যে নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতা ধরে রাখতে হবে। বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত বাখতে হবে। দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে।

সরকার জরুরি ভিত্তিতে কুইক রেন্টাল করেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, যখন অন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র আসা শুরু করল তখন এদের বসিয়ে রেখে ১০ বছরে ৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ কেন দেবেন? দেশের কতিপয় র্শীষ কোম্পানিকে গত ৯ মাসে কুইক রেন্টাল কনসেপ্টের ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হয়েছে ১৭ হাজার কোটি টাকা।

ইনু বলেন, কতিপয় বিদেশি মহল জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঘোঁট পাকাচ্ছে। আর বিএনপি-জামায়াত ও তাদের সঙ্গীদের ভাব দেখে মনে হচ্ছে, তারা নির্বাচনের আগেই ক্ষমতার প্রশ্ন ফয়সালা করতে চায়।

বিএনপিকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনের ট্রেনে উঠুন, নির্বাচন ঠেকাতে এলে ট্রেনে কাটা পড়বেন। কলার ভেলায় চড়ে সাগরে ভেসে যাবেন। এই দেশে ১৯৭৫, ১৯৮২ বা এক-এগোরোর মতো ভূতের সরকার, সামরিক সরকার হবে না।

দুই বন্ধু চীন ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট// একসঙ্গে রাতের খাবার খেয়েছে

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে রাশিয়ায় গেছেন শি জিনপিং। সোমবার অনানুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষাৎ করেছেন এই দুই নেতা।

রুশ বার্তা সংস্থা তাস জানিয়েছে, একসঙ্গে রাতের খাবার খেয়েছে চীন ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট।

তাসের প্রতিবেদনে বলা হয়, শি ও পুতিনের নৈশভোজে সাত প্রকারের খাবার ছিল। খাবারগুলোর মধ্যে ছিল, পূর্বাঞ্চলীয় সামুদ্রিক খাবার দিয়ে তৈরি একটি অ্যাপেটাইজার, কোয়েল ও মাশরুম দিয়ে তৈরি প্যানকেক, পাইয়ের সঙ্গে স্টার্জন মাছের স্যুপ এবং ডালিমের শরবত।

মূল খাবারের মধ্যে ছিল, চেরি সসের সঙ্গে হরিণের মাংস, পেচোরা নদী থেকে সংগৃহীত নেলমা মাছ (সাইবেরীয় সাদা স্যামন) ও সবজি। নৈশভোজের সমাপ্তি ঘটে পাবলোবা মিষ্টান্ন (ডেজার্ট) দিয়ে।

দুই নেতার ভোজে পানীয় হিসেবে ছিল দুই ধরনের ওয়াইন। একটি ছিল ২০২০ সালে প্রস্তুতকৃত ‘ইস্ট স্লোপ’ এবং ‘ওয়েস্ট স্লোপ’। রাশিয়ার ডিভনোমরস্কয় এস্টেট ওয়াইন কোম্পানি এগুলো উৎপাদন করেছে।

বরগুনার আমতলীতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা অধিদপ্তরের উদ্যেগে এবং বে-সরকারী সংস্থা আমতলী এ,পি, ওয়র্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, এন,এস.এস এডুকো বাংলাদেশ,ফিড দ্যা ফিউচার, বাংলাদেশ নিউট্রশন এক্টিভিট, এফ,এইচ এসোসিয়েশন এর সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়েছে।

সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শোভাযাত্রা বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রুপ কুমার পাল এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান মোসাঃ তামান্না আফরোজ মনি, বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. এ,কে,এম সামসুদ্দিন আহম্মেদ শানু,পৌর সভার প্যানেল মেয়র মো: হাবিবুর রহমান, আমতলী থানার সাব ইন্সপেকটর সুজন চক্রবর্তী, মহিলা কাউন্সিলর মোসা: ফরিদা ইয়াসমিন প্রমুখ।