প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন বারাক ওবামা ও হিলারি ক্লিনটন

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন বারাক ওবামা ও হিলারি ক্লিনটন। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিচার পর্যবেক্ষণে আগ্রহী তারা। তাই বাংলাদেশে আসতে সরকারের আন্তরিকতা ও সহযোগিতা চেয়েছেন ড. ইউনূসের আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন।

বৃহস্পতিবার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘ওনাদের (ওবামা ও হিলারি) জানানো হয়েছে, ওনারা এ ইন্টারভিউ সম্পর্কে জেনেছেন; কিন্তু ওনাদের আসতে হলে তো বিচার শেষ করে দিয়ে ডাকলে হবে না।’

আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘যে মামলাটা ক্রিমিনাল মামলা, যে মামলাগুলো নিয়ে বক্তব্য আনা হয়েছে, ওনারা এসে যদি দেখেন তাহলে তো ওনারা বুঝতে পারবেন যে, এ মামলার ভেতরে কোনো সারবস্তু নাই।’

এই আইনজীবী বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১৬৮টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে; যার মধ্যে দুটি ফৌজদারি ও বাকিগুলো শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলা।

তিনি আরও বলেন, গত ৩০ আগস্ট রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণাধীন গ্রামীণ ব্যাংক এক চিঠিতে ড. ইউনূসের নিয়ন্ত্রণে থাকা গ্রামীণ কমিউনিকেশনকে জানায়, তাদের সঙ্গে আর চুক্তি নবায়ন করা হবে না। এ ঘটনায় এবার ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে সাড়ে ৯শ শ্রমিকের মামলার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আত্মবিশ্বাস না থাকায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিবৃতি ভিক্ষা করেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রধানমন্ত্রী বিবৃতিদাতাদের ড. ইউনূসের মামলার নথি পর্যালোচনা করে দেখার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, আদালতকে ভয় পেলে চলবে না। আইন নিজস্ব গতিতে চলবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার কোনো বিবৃতিতে প্রভাবিত হবে না। ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা আইন অনুযায়ী চলবে।

বিবৃতিদাতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিবৃতি না দিয়ে বিশেষজ্ঞ পাঠান, আইনজীবী পাঠান। দলিল-দস্তাবেজ, কাজগপত্র ঘেঁটে দেখুন অন্যায় আছে কিনা। সবকিছুই আইন মতো চলে।

শেখ হাসিনাকে দুর্বল করলে ক্ষতি সবার : আমেরিকাকে নয়াদিল্লির বার্তা

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

বাংলাদেশে হাসিনা সরকার দুর্বল হলে তা ভারত এবং আমেরিকা কারও পক্ষেই সুখকর হবে না বলে মনে করে নয়াদিল্লি। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, একাধিক স্তরের বৈঠকে নয়াদিল্লি এ কথা জানিয়েছে বাইডেন প্রশাসনকে। সূত্রের খবর— বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আমেরিকার বর্তমান ভূমিকায় ভারত যে খুশি নয়, ওয়াশিংটনকে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে সেই বার্তাও।

নয়াদিল্লির বক্তব্য, ঢাকায় সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হোক এটা ওয়াশিংটনের মতো ভারতও চায়। কিন্তু যে ভাবে হাসিনা সরকারকে অস্থির করার জন্য আমেরিকার তরফ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে, তা প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসাবে ভারত তথা দক্ষিণ এশিয়ার সার্বিক নিরাপত্তার জন্য ইতিবাচক নয়।

আর তিন সপ্তাহ পরেই নয়াদিল্লিতে এক মঞ্চে বসবেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার আগে ভারতের এই বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। সাউথ ব্লক মনে করে, জামাতে ইসলামিকে ‘রাজনৈতিক ছাড়’ দেওয়া হলে অদূর ভবিষ্যতে ঢাকা মৌলবাদের দখলে চলে যাবে। উদার পরিবেশ যেটুকু রয়েছে, তা-ও আর থাকবে না।

কূটনৈতিক শিবিরের বক্তব্য, আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরেই গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা মুখ থুবড়ে পড়েছে। ভারতের উত্তরপূর্ব সীমান্ত অঞ্চল বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে। তালিবান এখন আফগানিস্তানের ক্ষমতার শীর্ষে। মনে করা হচ্ছে, আফগানিস্তানের নারী, শিশু এবং সংখ্যালঘুদের কথা বিবেচনা না করেই আমেরিকা আফগানিস্তান নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে চুক্তি করে নিয়েছিল, এখন যার ফল ভুগতে হচ্ছে। বিদেশ মন্ত্রক মনে করছে কাবুলের পাশাপাশি ভারতের অন্য প্রতিবেশী সম্পর্কে আমেরিকার নীতিও নয়াদিল্লির জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে অস্বস্তি বাড়াচ্ছে। ভারতের সঙ্গে দীর্ঘতম স্থলসীমান্ত রয়েছে বাংলাদেশের। ফলে সে দেশের যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতি ভারতেও প্রভাব ফেলে। সূত্রের মতে, নয়াদিল্লি এ কথাই বাইডেন প্রশাসনকে জানিয়েছে যে জামাতকে আস্কারা দিলে এক দিকে যেমন ভারতের আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস বাড়তে পারে, তেমনই চিনের প্রভাব বাংলাদেশে অনেকটাই বেড়ে যাবে, যা কাঙ্ক্ষিত নয় ওয়াশিংটনেরও। মনে করা হচ্ছে, আমেরিকা জামাতকে বরাবর রাজনৈতিক ইসলামিক সংগঠন হিসাবেই দেখানোর চেষ্টা করে। মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে তাকে তুলনা করে আমেরিকা। কিন্তু বাস্তবে জামাত যে উগ্র মৌলবাদী সংগঠন এবং পাকিস্তানের হাতে তামাক খায়, এ বিষয়ে নিঃসন্দেহ নয়াদিল্লি।

শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন্য পৃথক একটি ভিসা নীতি ঘোষণা করেছে বাইডেন প্রশাসন। সূত্রের খবর, এটা আদৌ উচিত বলে মনে করছে না নয়াদিল্লি। এই নয়া ভিসা নীতির ফলে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন যারা বানচাল করার চেষ্টা করবে, তারা আমেরিকায় প্রবেশের অধিকার পাবে না। কূটনৈতিক শিবির মনে করছে আমেরিকার প্রশাসন সরাসরি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নাক গলাতেই নিজের দেশের আইন প্রয়োগ করে সে দেশের জন্য পৃথক ভিসা নীতি গ্রহণ করল।

সম্প্রতি বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল নয়াদিল্লি এসে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব তথা কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করে গিয়েছেন। সেখানে তাঁরাও বার্তা দিয়েছেন, আঞ্চলিক স্থিতি বজায় রাখার প্রশ্নে বিএনপি-জামাত জোট বিপজ্জনক। প্রতিনিধি দলের নেতা বাংলাদেশের কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে একটি ইতিবাচক বৈঠক সেরেছেন। ওই বৈঠকের ঠিক পরেই তাঁর বক্তব্য, “আমরা ভারতকে এটাই বলেছি যে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা উভয় রাষ্ট্রের জন্যই জরুরি। হাসিনা সরকার এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে বাংলাদেশের মাটিকে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।”সূত্র : আনন্দবাজার

Daily World News

দুর্নীতি দমন কমিশনের তথ্য চুরি করে প্রতারণা করা ৪ প্রতারক রিমান্ডে

ন্যাটোতে যোগ দিতে স্টলটেনবার্গ এর দেওয়া শর্ত পূরণ করতে পারবে তো ইউক্রেন..!

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

যুক্তরাষ্ট্র ও তার ইউরোপীয় মিত্রদের সামরিক জোট নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অ্যালায়েন্সে (ন্যাটো) যোগ দেওয়ার জন্য গত ৫-৬ বছর ধরেই তদবির চালিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেন। এতদিন পর্যন্ত এ প্রসঙ্গে স্পষ্ট কোনো সাড়া না দিলেও এবার এই নিয়ে মুখ খুলেছেন ন্যাটো মহাসচিব জিনস স্টলটেনবার্গ।

মঙ্গলবার উত্তর ইউরোপের দেশ এস্তোনিয়ার রাজধানী তাল্লিনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী কাজা কাল্লাসের সঙ্গে বৈঠক করেন স্টলটেনবার্গ।

বৈঠক শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ক এক প্রশ্নের উত্তরে স্টলটেনবার্গ জানান, রাশিয়া-ইউক্রেনের চলমান এই যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরই কেবল ইউক্রেনকে ন্যাটোর সদস্যপদ প্রদানের ব্যাপারটি বিবেচনা করা হবে; তার আগে নয়।

ন্যাটো মহাসচিব বলেন, ‘এখানে(ন্যাটোর সদস্যপদ লাভের ক্ষেত্রে) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারটি হলো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ইউক্রেনের টিকে থাকা। কারণ, যদি পুতিন এই যুদ্ধে জিতে যান— ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগদানের প্রশ্নটিই অবান্তর হয়ে যাবে। তাই এ যুদ্ধে জয়ী হওয়াই হলো ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার প্রথম ও প্রধান পূর্বশর্ত।

অবশ্য সংবাদ সম্মেলনে স্টলটেনবার্গ বলেন, ইউক্রেনকে আপাতত সদস্যপদ না দেওয়া হলেও কিয়েভের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে ন্যাটো এবং চলমান এই যুদ্ধে দেশটিকে সামরিক সহায়তা প্রদানও অব্যাহত রাখা হয়েছে।

মূলত ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগদানের চেষ্টাকে ঘিরে দ্বন্দ্বের জেরেই এই যুদ্ধের শুরু। ২০১৪ সালে রুশ বাহিনীর কাছে ক্রিমিয়া উপদ্বীপ হারানোর পর থেকে ন্যাটোতে যোগদানের জন্য তদবির শুরু করেছিল কিয়েভ।

এই ইস্যুতে বিগত বছরগুলোতে কিয়েভকে একাধিকবার সতর্কবার্তা দিয়েছে মস্কো, কিন্তু সেসবকে পাত্তা দেয়নি ইউক্রেন।

টানা প্রায় ৪ বছর এ ইস্যুতে মস্কো-কিয়েভের টানাপোড়েন চলার পর ২০২২ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান পরিচালনা করতে রুশ বাহিনীকে নির্দেশ দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।  সূত্র : আরটি

টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে গিয়ে এক ধনকুবের আরোহীসহ নিখোঁজ সাবমেরিন

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখাতে দর্শনার্থীদের আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে নিয়ে যাওয়া একটি সাবমেরিনের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। গত রোববার যাত্রা শুরুর ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পর নিখোঁজ হয় সেটি। সাবমেরিনটির সন্ধানে জোর তৎপরতা চলছে।

হারিয়ে যাওয়া সাবমেরিনটির নাম টাইটান। সাগরের তলদেশে যাত্রী পরিবহনের কাজে সেটি ব্যবহার করা হতো। ট্রাকের আকৃতির এই সাবমেরিনটিতে চালক ও একজন ক্রুসহ মোট পাঁচজন আরোহী থাকতে পারেন। পানির নিচে সেটি চার দিনের অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারে।

টাইটানের মালিক মার্কিন প্রতিষ্ঠান ওশানগেট। পানির তলদেশে গবেষণা, অনুসন্ধান, এমনকি ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক—এমন লোকজনকে সাবমেরিনের মাধ্যমে পানির নিচে নিয়ে যায় প্রতিষ্ঠানটি। ওশানগেটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হারিয়ে যাওয়া সাবমেরিনের আরোহীদের ফিরিয়ে আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে তারা।

এদিকে নিখোঁজ টাইটানের আরোহীদের মধ্যে যুক্তরাজ্যের একজন ধনকুবের ছিলেন বলে জানা গেছে। তাঁর নাম হামিশ হার্ডিং। দিন কয়েক আগে ৫৮ বছর বয়সী এই শত কোটিপতি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে জানিয়েছিলেন, তিনি টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে যাচ্ছেন।

কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ড প্রদেশের সেন্ট জন শহর থেকে টাইটানের যাত্রা শুরু হয়। আটলান্টিকের তলদেশে যেখানে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে, সেখান থেকে এর দূরত্ব ৬০০ কিলোমিটার। সেন্ট জন থেকে টাইটানকে পোলার প্রিন্স নামের একটি জাহাজে করে ধ্বংসাবশেষস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে সাগরের তলদেশে যাত্রীদের নিয়ে যায় সাবমেরিনটি। টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ ঘুরিয়ে আনতে এটির সময় লাগে প্রায় আট ঘণ্টা।

গত বছর টাইটানে চড়েছিলেন সংবাদমাধ্যম সিবিএসের প্রতিবেদক ডেভিড পগ। বিবিসিকে তিনি বলেন, টাইটান পানির নিচে যাওয়ার পর যোগাযোগের জন্য সেটির ওপরে থাকা পোলার প্রিন্স থেকে ছোট ছোট বার্তা পাঠানো হয়। তবে এবার ওই বার্তার কোনো জবাব আসছে না। আর টাইটানে থাকা আরোহীদের বাইরে বেরিয়ে আসার কোনো উপায় নেই। কারণ, সেটির প্রবেশ পথগুলো বাইরে থেকে আটকানো থাকে। তাই সাবমেরিনটি পানির ওপরে ভেসে উঠলেও, সেটি বাইরে থেকেই কাউকে খুলতে হবে।

১৯১২ সালে যুক্তরাজ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশে প্রথম যাত্রা শুরু করে টাইটানিক। সেবারই এক হিমশৈলির সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যায় সে সময়ের সবচেয়ে বড় এ জাহাজটি। এতে জাহাজটিতে থাকা ২ হাজার ২০০ যাত্রীর ১ হাজার ৫০০ জনের বেশি মারা যান। ১৯৮৫ সালে আটলান্টিকের তলদেশে ১২ হাজার ৫০০ ফুট গভীরে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পাওয়া যায়।

আমেরিকা বাংলাদেশকে খেলার মাঠ বানিয়ে ভারতকে ডমিনেট করতে চায়  : ইনু

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//

দিল্লিকে (ভারত) ডমিনেট করতেই আমেরিকা বাংলাদেশকে খেলার মাঠ বানাতে চাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু।

তিনি বলেন, ‘দিল্লিকে আমেরিকা আর দোনোমোনো খেলতে দেবে না। ক্লোজ এলাই হিসেবে পাশে চায়। ক্লোজ এলাই হিসেবে পুরোপুরি পাশে না পেলে তারা ভারতের পার্শ্ববর্তী বন্ধু দেশ বাংলাদেশ মানে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করে তাদের পছন্দের পুতুল কাউকে ক্ষমতায় বসাতে চেষ্টা করবে।’

সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে ইনু বলেন, ‘সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে হঠাৎ বাংলাদেশকে নিয়ে আমেরিকা অতি উৎসাহী হয়ে উঠছে। নানা বিবৃতি দিচ্ছে। কিন্তু হঠাৎ আমেরিকার এত উৎসাহ কেন? তারা গণতন্ত্র টার্ম ইউজ করছে। অথচ পৃথিবীতে এমন একটি দেশের নামও কেউ বলতে পারবে না যেখানে আমেরিকা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। বরং আমেরিকা যখন কোনো দেশের গণতন্ত্রের ব্যাপারে উৎসাহী হয়ে ওঠে, তখন সেই দেশের সরকার বা বিরোধী দলের চেয়ে জনগণের জন্য বেশী দুর্ভোগ বয়ে আনে। আমাদের এখন ভাবার সময় এসেছে আমেরিকার হঠাৎ এই অতি উৎসাহের হেতু কী? গণতন্ত্র নাকি সেন্টমার্টিন দ্বীপ!’

শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার সাবেক এই সদস্য বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তাদের পুরোনো কৌশল প্রয়োগ করছে। সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে, আঙুল বাকা করতে চেষ্টা করবে। দিল্লি তথা ভারতকে ডমিনেট করতে ভারতের বন্ধু দেশ বাংলাদেশকে প্রেশারাইজ করে ভারতকে কাবু করতে চেষ্টা করবে। দর কষাকষি হচ্ছে মূলত আমেরিকা আর ইন্ডিয়ার মধ্যে। পলিটিক্যাল জনগোষ্ঠী বাংলাদেশে খুবই ছোট, যা থেকে আমেরিকা খুব বেশি বেনিফিটেড হবার কোনো সম্ভাবনা নেই।’

তিনি বলেন, ২০ হাজার মাইল দূরের কেউ এসে আমাদের দেশকে খেলার মাঠ বানাবে আমরা সেটা হতে দেবো না। বাংলাদেশকে আমরা দাম দিয়ে কিনেছি। কারো দানে পাওয়া নয়। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে সঠিক সময়ে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। এটাই মোদ্দা কথা।

ইনু বলেন, বিএনপি-জামায়াত যারা নিজেরা নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে না পেয়ে বিদেশি বিভিন্ন মহলের কাছে গিয়ে ধর্না দিয়ে খাল কেটে কুমির আনছে তারা দেশের শত্রু, জনগণের শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু।

বিএনপির সঙ্গে আলোচনার ইস্যুতে মন্ত্রীদের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা কী বলবেন, আর কী করছেন- তা সরকারের পক্ষ থেকে তদারকি থাকা জরুরি প্রয়োজন নয় কি? তাদের বক্তব্যে মনে হচ্ছে, দেশটার মধ্যে ব্যাড়াছ্যাড়া লেগে গেছে।

তিনি আরও বলেন, কয়লার বিল বাকি ৪ হাজার কোটি টাকা, বিমান সংস্থার বাকি ২১ হাজার ডলার। সরকারি প্রতিষ্ঠানের বাকি ১৭ হাজার কোটি টাকা। আমার প্রশ্ন হচ্ছে এত বাকি কেন? কীভাবে? দেশটার মধ্যে কি ব্যাড়াছ্যাড়া লেগে আছে!

জাসদ সভাপতি বলেন, যে কোনো মূল্যে নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতা ধরে রাখতে হবে। বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত বাখতে হবে। দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে।

সরকার জরুরি ভিত্তিতে কুইক রেন্টাল করেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, যখন অন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র আসা শুরু করল তখন এদের বসিয়ে রেখে ১০ বছরে ৯০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ কেন দেবেন? দেশের কতিপয় র্শীষ কোম্পানিকে গত ৯ মাসে কুইক রেন্টাল কনসেপ্টের ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হয়েছে ১৭ হাজার কোটি টাকা।

ইনু বলেন, কতিপয় বিদেশি মহল জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঘোঁট পাকাচ্ছে। আর বিএনপি-জামায়াত ও তাদের সঙ্গীদের ভাব দেখে মনে হচ্ছে, তারা নির্বাচনের আগেই ক্ষমতার প্রশ্ন ফয়সালা করতে চায়।

বিএনপিকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনের ট্রেনে উঠুন, নির্বাচন ঠেকাতে এলে ট্রেনে কাটা পড়বেন। কলার ভেলায় চড়ে সাগরে ভেসে যাবেন। এই দেশে ১৯৭৫, ১৯৮২ বা এক-এগোরোর মতো ভূতের সরকার, সামরিক সরকার হবে না।

সন্ধান মিলল বৃহস্পতির নতুন ১২টি উপগ্রহের

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

মহাবিশ্বের কোনো গ্রহে উপগ্রহের সংখ্যা বেশি? এ প্রশ্নটি উঠলে কয়েক দিন আগেও উত্তর আসত ‘শনি’। তবে সে উত্তর এখন অতীত। উপগ্রহের সংখ্যার দিক থেকে এখন শীর্ষে বৃহস্পতি। কারণ, বৃহত্তম এ গ্রহে আরও ১২টি উপগ্রহের সন্ধ্যান পেয়েছেন আমেরিকার জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এ উপগ্রহগুলো বৃহস্পতিকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। বিজ্ঞানীরা এগুলো বলছে বৃহস্পতির ‘চাঁদ’।

সম্প্রতি মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বৃহস্পতিকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণয়মান এ ১২টি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, শনির কক্ষপথে ঘুরছে ৮৩টি উপগ্রহ। তবে এখন সৌরজগতে সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ রয়েছে বৃহস্পতির। বৃহস্পতিকে কেন্দ্র করে নতুন আবিষ্কৃত ১২টি উপগ্রহ সমেত মোট ৯২টি উপগ্রহ ঘুরছে।

ওয়াশিংটনের ‘কার্নেগি ইনস্টিটিউশন ফর সায়েন্সে’র জ্যোতির্বিজ্ঞানী স্কট শেপার্ডের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল ১২টি উপগ্রহের সন্ধান পান। আমেরিকার ‘মাইনর প্ল্যানেট সেন্টার’ থেকে সম্প্রতি এ সম্পর্কে সবিস্তার তথ্য সমেত একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, বৃহস্পতির ওই উপগ্রহগুলো আকারে অনেকটাই ক্ষুদ্র। আমেরিকার মাসিক পত্রিকা ‘স্কাই অ্যান্ড টেলিস্কোপ’ জানায়, ওই ১২টি উপগ্রহই কক্ষপথের দিকে মুখ করে বৃহস্পতির চারপাশে ঘুরছে।

জোভিয়ান দুনিয়ায় আরও খুঁটিনাটি অনুসন্ধানের জন্য অনেক দিন ধরে অভিযানের তোড়জোড় করছে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণাকারী সংস্থা নাসা। তারই বছরকয়েক আগে এ ১২টি উপগ্রহের সন্ধান মিলল।

চারটি গ্রহ বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস এবং নেপচুনকে মিলিতভাবে জোভিয়ান জগৎ বলা হয়। এ উপগ্রহগুলো মানুষের বসবাসের জন্য উপযুক্ত কি না তাও খতিয়ে দেখবে ইউরোপা ক্লিপার মিশন নামে নাসার বিশেষ অভিযান।

টেক্সাসের লরিতে পাওয় ৪৬টি লাশ অভিবসীদের হতে পারে…

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের সান আন্তোনিওতে একটি লরি থেকে অন্তত ৪৬ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যায় উদ্ধারকৃত মৃত লাশগুলো অভিবাসী বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর বিবিসির

স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, লরি থেকে অন্তত ১৬ জনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

তাৎক্ষণিক বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

কেএসএটি টিভি চ্যানেলের মতে, লরিটি সান আন্তোনিওর দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে রেলপথের পাশে পড়েছিল।

মেক্সিকোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্সেলো ইব্রার্ড বলেন, দূতাবাস যাওয়ার পথে লরিটি পাওয়া গেছে। নিহতদের জাতীয়তা এখনো জানা যায়নি।

নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তারা সান আন্তোনিওর ঘটনাস্থল তদন্ত করছেন। লরিটির চালককে পাওয়া যায়নি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, লাশ উদ্ধার করা ওই লরির চালক পলাতক রয়েছেন এবং সান আন্তোনিওর পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তারা নিখোঁজ গাড়িচালককে খুঁজছেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে ঠিক কতজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো কোনো বিবৃতি দেয়নি।

টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট এ ঘটনার জন্য প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে দায়ী করেছেন। বাইডেনের ‘উন্মুক্ত সীমান্ত নীতির ফল’ হিসেবে এ ঘটনাকে তিনি বর্ণনা করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে টেক্সাসে ২৫০ কিলোমিটারজুড়ে সান আন্তোনিও শহর অবস্থিত। এই গ্রীষ্মে সেখানে সোমবার তাপমাত্রা ছিল ৩৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

টেক্সাসে প্রাইমারী স্কুলে বন্দুক হামলা, নিহত- ১৫

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্দুকধারীর গুলিতে এক শিক্ষকসহ ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হামলাকারীও নিহত হয়েছেন।

বন্দুকধারীর গুলিতে আরও অনেকে আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন ৬৬ বছর বয়সী নারী এবং একজন ১০ বছর বয়সি শিশু আন্তোনিওর বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবটের বরাতে এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।

মঙ্গলবার উভালদে শহরের রব এলিমেন্টারি স্কুলে এ হত্যাযজ্ঞ ঘটে।

বিবিসিকে গভর্নর গ্রেগ অ্যাবটে জানান, ১৮ বছর বয়সি বন্দুকধারী উভালদে শহরের রব এলিমেন্টারি স্কুলে প্রবেশ করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে। এতে ১৪ জন ছাত্র এবং একজন শিক্ষক নিহত হয়েছেন। নিহত ছাত্রদের বয়স ৫ থেকে ১১ এর মধ্যে। হামলাকারীর হাতে একটি হ্যান্ডগান এবং একটি রাইফেল ছিল। সন্দেহভাজন হামলাকারীকে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা হত্যা করেছে। ঘটনাটির তদন্তে নেমেছে পুলিশ। জনসাধারণকে ঘটনাস্থল থেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছেন তারা।

প্রাথমিক বিদ্যালয়টি আমেরিকার সপ্তম বৃহত্তম শহর সান আন্তোনিও থেকে প্রায় ৮৩ মাইল (১৩৩ কি.মি.) পশ্চিমে অবস্থিত বলে জানান তিনি।

উভালদে মেয়র ডন ম্যাকলাফলিন এবিসি নিউজকে একটি খুদেবার্তায় বলেছেন ,‘খুব খারাপ একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এফবিআই তদন্তে সহায়তা করছে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ঘটনার বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।

টানা ৫০ বার ফেল।। এরপর Google এ ১.১০ কোটি টাকা প্যাকেজের চাকরি

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

“কষ্ট করলে কেষ্ট মেলে”- বাংলায় এই প্রবাদ খুবই প্রচলিত। আর এই প্রবাদকে সত্য করে দেখিয়েছেন ভারতের এক কন্যার। যুবতী ইন্টারভিউতে 50 বার ফেল হওয়া সত্ত্বেও উৎসাহ হারিয়ে ফেলেনি তথা চেষ্টা জারি রেখেছিল। যুবতীর নাম সম্প্রতি যাদব যে নিজের করা পরিশ্রম ও নিষ্ঠার দ্বারা সেই কাজ করে দেখিয়েছে যা প্রশংসনীয় অনেকেই একবার বা দু’বার ব্যর্থ হয়েই হার মেনে নেন অথবা উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন।

তবে সম্প্রতি যাদব 50 বার ফেল হয়েও হার মানেননি এবং অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার উদাহরণ হয়ে উঠেছেন। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে সম্প্রীতি যাদব এর কাছে 4 টি কোম্পানির অফার রয়েছে। শুধু এই নয়, গুগল (Google) সম্প্রীতিকে 1.10 কোটি টাকার বার্ষিক প্যাকেজ এর অফার দিয়েছে। সম্প্রীতির এই সফলতার খবর তার প্রিয়জনদের মধ্যে আনন্দের ঢেউ এনে দিয়েছে। অবশ্য ওর সম্প্রীতির এই সফলতা এতটাও সহজ ছিল না।

জানিয়ে দিব সম্প্রতি 14 ই ফেব্রুয়ারি থেকে গুগলে কাজ করা শুরু করে দিয়েছেন। গুগলের কাছে এই অফার পাওয়ার জন্য সম্প্রতি কে 9 রাউন্ড পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে সম্প্রতি যাদবকে নটি ইন্টারভিউতে সফল হতে হয়েছে। যারা চাকরি চাকরির জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন তাদের উদ্দেশ্যে সম্প্রীতি কয়েকটা কথা বলেছেন।

সম্প্রতি বলেছেন সফলতা পাওয়ার জন্য প্রথমে লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হয় তারপর সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রস্তুতি নিতে হয়। এরপর বারবার চেষ্টা করলেই সফলতা নিশ্চিত আছে। সম্প্রতি যাদব এর এমন চেষ্টা ও সফলতা যে বহুজনকে উৎসাহ দেবে তা বলাই বাহুল্য।

English Dainikbiswa

হাইমচরে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ উপলক্ষে সচেতনতামুলক আলোচনা সভা

রাশিয়ার জ্বালানি পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আমেরিকা নিজে কি করছে…!

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ইউক্রেনে রুশ বাহিনী হামলা শুরু করার দুই সপ্তাহ পর রাশিয়ার জ্বালানি পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তবে ওই নিষেধাজ্ঞার পর রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়ার এক ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তার বরাতে গত রোববার রুশ সংবাদমাধ্যমগুলো এ খবর প্রকাশ করেছে।

চীনের দৈনিক গ্লোবাল টাইমস বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের তেল আমদানির এ তথ্য দিয়েছেন রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি মিখাইল পোপভ। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র শুধু রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করছে না, এক সপ্তাহে দৈনিক অপরিশোধিত তেল আমদানি ৪৩ শতাংশ বা ১ লাখ ব্যারেল বাড়িয়েছে।

ইউরোপকেও ওয়াশিংটনের একই পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানোর প্রসঙ্গ টেনে মিখাইল পোপভ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যে এমন চমক দেবে, সেটা ইউরোপের আগেই বোঝা উচিত ছিল। তিনি বলেন,  শুধু তেল নয়, জরুরি পণ্য বলে রাশিয়া থেকে খনিজ সার আমদানি করতে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।’

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা শুরু করার পর যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদেশগুলো মস্কোর ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দেয়। অর্থনীতির চালিকা শক্তি দেশটির জ্বালানি তেলে নিষেধাজ্ঞার কথাও ভাবে পশ্চিমা দেশগুলো। তবে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দিলেও রাশিয়ার তেল-গ্যাসের ওপর নির্ভরশীলতার কারণে ইউরোপের পক্ষে সেটা সম্ভব হয়নি।

তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) রাশিয়ার জ্বালানি পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা না দিলেও যুক্তরাজ্য ঘোষণা দেয়, চলতি বছরে শেষ থেকে ধাপে ধাপে রাশিয়ার তেল আমদানি থেকে সরে আসবে তারা। এরপর যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপে তাদের প্রধান মিত্র যুক্তরাজ্য মিলে ইউরোপকে রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধে চাপ দিতে থাকে।

গত ৮ মার্চ রাশিয়া থেকে তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ও কয়লা আমদানিতে নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়ে বাইডেন বলেন, রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানি বন্ধের কারণে তাঁর দেশকে মূল্য দিতে হবে। কিন্তু আইনপ্রণেতারা এমন পদক্ষেপের ব্যাপারে একমত।

রাশিয়ার জ্বালানি আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে বাইডেন ওই দিন একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। প্রেসিডেন্ট বাইডেনের এ আদেশ তাৎক্ষণিক কার্যকর হয়। তবে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানায়, আগে হওয়া চুক্তি অনুযায়ী আমদানির জন্য ৪৫ দিন সময় পাবে কোম্পানিগুলো। ২২ এপ্রিল এই সময় শেষ হবে।

English Dainikbiswa

বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন গ্রেফতার