বাগেরহাট রামপালে র‍্যাবের অভিযানে জ্বীনের বাদশা গ্রেফতার

বাগেরহাটের রামপালে প্রতারনা করে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমান অর্থ হাতিয়ে নেওয়া কথিত জ্বীনের বাদশাকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬।

আটক জ্বীনের বাদশা রামপাল উপজেলার উজলকুড় ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামের মৃত সোবহান ঢালীর ছেলে হানিফ ঢালী (৩৫)। রবিবার (২৪ অক্টোবর) বেলা ১১টায় র‍্যাব সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে র‌্যাবের পুলিশ সুপার কোম্পানি কমান্ডার আল আসাদ মো: মাহফুজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বাগেরহাটের রামপাল উপছেলায় একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র জ্বীনের বাদশার সন্ধান মেলে। যারা গভীর রাতে জ্বীনের বাদশা ও পীর দরবেশ সেজে বিভিন্ন মানুষের সাথে প্রতারনা করে বিকাশের মাধ্যমে বিপুল পরিমান অর্থ হাতিয়ে নেয় ।

র‌্যাব-৬ এর একটি আভিযানিক দল ওই গ্রুপটির প্রতারনা মূলক কার্যক্রমের উপর নজরদারী বৃদ্ধি করে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রাখে। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৬ এর একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার(২৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টায় রামপাল উপজেলার ফয়লাহাট এলাকা থেকে কথিত জ্বীনের বাদশা আসামী হানিফ ঢালী (৩৫) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তার কাছ থেকে প্রতারনার কাজে ব্যবহৃত ১০টি সীমকার্ডসহ ১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী হানিফ ঢালী তথাকথিত জ্বীনের বাদশা ও পীর দরবেশ সেজে প্রতারনা করে বিভিন্ন মানুষকে সর্বশান্ত করার বিষয়টি স্বীকার করে। ভিকটিমসহ ভিকটিমের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ক্ষয়ক্ষতি হবে মর্মে ভিকটিমের নিকট থেকে প্রতারক হানিফ ঢালী বিভিন্ন সময় একাধিক বিকাশ নম্বরের মাধ্যমে প্রতারনা করে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয়। র‌্যাব ৬ এর একটি আভিযানিক দল এ প্রতারক চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যহত রেখেছে।

//এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

৬৪ জেলায় একযোগে স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করেছে ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী জাতীয় ফোরাম

 

টাঙ্গাইলে বনবিভাগের অনুমতি ছাড়া কয়েব হাজার গাছ কেটে নিল কারা…!

টাঙ্গাইল বন বিভাগের অধীন বাঁশতৈল রেঞ্জের বংশীনগর বিটের পেকুয়া এলাকা থেকে অনুমতি না নিয়ে প্রায় দুই হাজারটি আকাশমনি গাছ কাটা হয়েছে। দুই একর জমির গাছ কাটা শেষে নির্বিঘ্নে বিক্রি করা হলেও এবিষয়ে কিছুই জানে না বন বিভাগের কর্মকর্তারা। প্লটটি বাঁশতৈল রেঞ্জের বংশীনগর বিটের অধীনে। আর ওই বিটের দায়িত্বে আছেন রমিউজ্জামান।

২০১১ সালের বনজদ্রব্য পরিবহণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালায় বলা হয়েছে, সামাজিক বনায়নের গাছ কাটতে হলে বন বিভাগের অনুমতি নিতে হয়।

কিন্তু দুই একর জায়গার গাছ কাটা হলেও কর্তৃপক্ষ কিছুই জানে না বলে জানান, বাঁশতৈল রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা। অন্যদিকে, গাছের ব্যাপারীর (ক্রেতা) দাবি তিনি অনুমতি নিয়েই গাছ কেটেছেন।

সরেজমিনে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পেকুয়া চৌরাস্তা থেকে মাত্র এক থেকে দেড়শ’ গজ উত্তরে নাজিম উদ্দিন সিকদারের ২ একরের একটি প্লট। প্লটটি সীমানাপ্রাচীর দিয়ে ঘেরা; তাই শত শত গাছ কেটে ট্রাক বোঝাই করা হলেও বাইরে থেকে দেখা যায় না। আর সেই সুবিধা কাজে লাগিয়ে সেখানে আকাশমনির একটি বাগান থেকে গাছ কেটে ট্রাক দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আর এই ট্রাকগুলো প্রকাশ্য দিবালোকে বাঁশতৈল রেঞ্জ অফিস, হাটুভাঙ্গা চেক পোস্ট অতিক্রম করে নির্বিঘ্নে চলে যাচ্ছে কোন অদৃশ্য হাতের ইশারায়।

জমির মালিক নাজিম উদ্দিন সিকদার গাছ বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, গাছ কেটে নেয়ার দায়িত্ব ব্যাপারীর, আমার না।

এবিষয়ে গাছের ব্যাপারী (ক্রেতা) খরম আলী বলেন, আমি যথাযথ ভাবে গাছ কেটেছি। দাবি তিনি অনুমতি নিয়েই গাছ কেটেছেন।

এবিষয়ে কথা বলতে বংশীনগর বিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিট কর্মকর্তা রমিউজ্জামানকে পাওয়া যায়নি। তার মুঠো ফোনে যোগযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

তবে গাছ কাটার বিষয়ে কোন অনুমতি দেয়া হয়নি বলে জানান, বাঁশতৈল রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম। এসময় তিনি বাঁশতৈল সদর রেঞ্জের বিট কর্মকর্তাকে কাঠ পরিবহনের সময় ট্রাক আটকের নির্দেশ দেন। কিন্তু এই সংবাদ লেখা পর্যন্ত কাঠ বোঝাই কোন ট্রাক আটকের সংবাদ পাওয়া যাইনি।

এবিষয়ে জানতে টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক মুঠোফোনে বলেন, গাছ কাটতে অনুমতি লাগে। পরে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে আমি একটি মিটিং এ আছি বলে ফোন কেটে দেন। সূত্র: বাপ্র

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

 ফেসবুক- হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম চলছেনা…! বিশ্বজুড়ে সার্ভার ডাউন

 

খুলনায় করোনা টেস্টের আড়াই কোটি টাকা আত্মসাৎ

খুলনা জেনারেল হাসপাতালের মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) প্রকাশ কুমার দাশ করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার আড়াই কোট টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়েছেন। এ ঘটনায় সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে না হলে মঙ্গলবার খুলনা থানায় মামলা করা কথা হাসপাতালের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, খুলনা জেনারেল হাসপাতালে বিদেশগামীদের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট প্রকাশ কুমার দাশ নমুনা পরীক্ষার ফি গ্রহণের দায়িত্বে ছিলেন। কিন্তু তিনি দীর্ঘ ১৩ মাস ধরে প্রতিদিন যত মানুষের করোনা পরীক্ষা করিয়েছেন তার চেয়ে কম সংখ্যক নাম খাতায় লিখে রেখে বাকি প্রায় ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এই সময় প্রকাশ দাশ নমুনা পরীক্ষার ফি গ্রহণের যে তালিকা দিতেন সে অনুযায়ী ক্যাশিয়ার টাকা বুঝে নিতেন। বিষয়টি সন্দেহ হলে এ ব্যাপারে গত ২২ আগস্ট তার বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এতে তার টাকা আত্মসাতের বিষয়টি ধরা পড়ে।

সিভিল সার্জন জানান, এ বিষয়ে গত বুধবার তার কাছে হিসাব চাওয়া হয়। পরের দিন বৃহস্পতিবার তার হিসাব দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার দুপুরে অফিসে বসে হিসাব করার একপর্যায়ে তিনি কাউকে কিছু না জানিয়ে অফিস থেকে চলে যান। এরপর থেকে তিনি আর অফিসে আসেন নি। তার বাসায় লোক পাঠিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। সিভিল সার্জন জানান, সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়টি স্বাস্থ্য অধিদফতর ও মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

//খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে রূপসায় ফ্রি ব্লাড ক্যাম্পেইন, ডায়াবেটিস ও রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

ছাতকে ভুয়া ফেসবুক পেইজ খুলে ব্লাকমেইল করার অপকর্ম অব্যহত

সুনামগঞ্জের ছাতকে “ ছাতক প্রতিদিন”সহ  বিভিন্ন নামে-বেনামে ভূয়া ফেসবুক পেইজ খুলে মিথ্যা, বানোয়াট মনগড়া ভিত্তিহীন তথ্য উপস্থাপন করে সংবাদ আকারে প্রকাশ ও অন্যায়ভাবে উত্যোক্ত করে ব্লাকমেইল করে আসছে একটি চক্র এ অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এ চক্রের হাতে শিক্ষক, শিক্ষিকা, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ, সাধারন মানুষ, সাংবাদিকসহ অনেকেই মানহানি ও ব্লাকমেইলের শিকার হচ্ছেন। কিন্ত তাদের বিরুদ্ধে নানা কারনে ভয়ে অনেকেই মুখ খুলতে চাইছেন না।

জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল সাংবাদিক পরিবারের ভিকটিম এক শিক্ষিকার নাম দিয়ে তাহার অজ্ঞাতসারে ভূয়া ফেইসবুক একাউন্ট চালু করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অশালীন শব্দ বাক্য ব্যবহার এবং আপত্তিকর ছবিসহ মানহানীকর তথ্য প্রকাশ করা হয়। ভিকটিমের অজ্ঞাতসারে তাহার স্থিরচিত্র (ফটো) সংযুক্ত ও জাল কাগজপত্র সৃজন সংগ্রহ ও সরবরাহের মাধ্যমে পর্ণোগ্রাফি উৎপাদন করত ভিকটিমকে অন্যায়ভাবে উত্যোক্ত করে ব্লাকমেইল করার চেষ্টা করেন আব্দুল আলিম। এ ঘটনায় ৫ মে ২০১৪ ইং তারিখে সুনামগঞ্জের আমল গ্রহণকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, ছাতক জোনে ১৪ নং মামলা দায়ের করেন ভূক্তভোগী ঐ শিক্ষিকা। আদালতের নির্দেশে পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ এর ৮ (১),(২),(৩),(৪) ও (৫ক) ধারায় ছাতক থানায় মামলাটি এফআইআর হয়।

সাংবাদিক পরিবারের ভিকটিম শিক্ষিকার বিরুদ্ধে প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়াসহ ফেইসবুকে অপপ্রচার এবং উদ্দেশ্যমূলকভাবে ব্লাকমেইল এর অভিযোগে আব্দুল আলিম সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জসীট নং ১৫১ তাং ২৭/৮/২০১৪ইং (অভিযোগপত্র) দেন ছাতক থানা পুলিশ। অভিযোগপত্রে ছাতক উপজেলার খুরমা উত্তর ইউনিয়নের গদারমহল গ্রামের মৃত. মছব্বির আলীর পুত্র আব্দুল আলিম সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমানিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। ভিকটিম ঐ শিক্ষিকার পরিবার সুত্র জানায়, ঐ চার্জসীট থেকে আরো কয়েকজন আসামীর নাম বাদ দেওয়ায় বাদী পক্ষ নারাজী প্রদান করেন। এর প্রেক্ষিতে পূনরায় তদন্তের আদেশ দেন আদালত। বর্তমানে ছাতক থানার এসআই সামছুল আরেফিন মামলাটি পূনরায় তদন্ত করছেন।

আরো জানা যায়, সম্প্রতি সময়ে অপরণ, ডাকাতি ও কয়েকটি ক্লু-লেছ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনসহ আসামীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় ছাতক থানা পুলিশ। অভিযোগ উঠেছে, দায়েরী মামলায় পুনরায় চলমান তদন্ত কার্যক্রমকে প্রভাবিত করায় জন্য আব্দুল আলিম নানামুখি অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছেন।

উপজেলার খুরমা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দল আলিম ২০১৬ সালে অনুষ্টিত ইউপি নির্বাচনে খুরমা উত্তর ইউনিয়নে বিএনপি দলীয় ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদন্ধিতা করেন। ঐ নির্বাচনে মাত্র ৬০ টি ভোট পেয়ে সমালোচিত হন তিনি। নির্বাচনে পরাজয়ের পর লোকলজ্জায় বেশ কিছু দিন আত্মগোপন করে ছিলেন। এ ছাড়াও আব্দুল আব্দুল আলিম এলাকায় পরচর্চাকারী হিসাবে বেশ পরিচিত। গিবতকারী, দরিদ্রদের নিন্দুক ও একের কথা গুপ্তচর হিসাবে অন্যের কাছে তুলে ধরা (চোগলখুরি) তার কাছে পেশা হিসাবে পরিণত হয়েছে। কোন চাকরি বা ব্যবসা-বানিজ্য ছাড়াই শহরে দাপটের সঙ্গে বসবাস করে আসছেন এমন অভিযোগও উঠেছে। ছেলে-মেয়ের লেখা-পড়াসহ পরিবারের বরণপোষন যোগান উৎস নিয়ে সর্বমহলে চলছে আলোচনা-সমালোচনার ঝর।

আব্দুল আলিমের বিরুদ্ধে অন্তহীন অভিযোগ, সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জন্যে বরাদ্ধকৃত বাসায় সাধারন মানুষ থাকার নিয়ম না থাকলেও ২০১৪ সালের পর স্থানীয় ভাবে ত্রাশ স্মৃষ্টি করে সরকারী বাসা বরাদ্ধ নিয়ে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে বহাল তবিয়তে ছিলেন। এ বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর কতৃপক্ষের নজরে আসে। জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ একাধিক নোটিশ করার পর সরকারী ঐ বাসা ছাড়তে বাধ্যহন আব্দুল আলিম।

সম্প্রতি সময়ে দেশের বাইরে অবস্থান করে সামজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে অনেকেই দেশ বিরুধী ষড়যন্ত্র, মিথ্যাচার ও অপপ্রচার করছেন। আবার অনেকেই দেশ বিরুধী ষড়যন্ত্র, মিথ্যাচার ও অপপ্রচারে ঘটনমুলক জবাব দিচ্ছেন। অভিযোগ উঠেছে, দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ঘটনমুলক জবাব যারা দিচ্ছেন তাদেরকে চিহ্নিত করে “ছাতক প্রতিদিন’ নামে ফেসবুক পেইজসহ বিভিন্ন নামে বেনামে ফেইসবুক আইডিতে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছেন আব্দুল আলিম। দেশবিরুধেী চক্রের সাথে আব্দুল আলিমের যোগসাজেস রয়েছে কি না বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখার দাবিও তলছেন অনেকেই।

এ বিষয়ে ভিকটিম শিক্ষিকার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এখন স্কুলে রয়েছি, পরে কথা বলবো।

এ বিষয়ে ছাতক থানার এসআই সামছুল আরেফিন বলেন, তদন্ত চলছে।

এবিষয়ে ছাতক থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন বলেন, পুনরায় তদন্তের বিষটি খোঁজ খবর নিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মামলার তদন্ত কার্যক্রমকে প্রভাবিত করতে পরোক্ষ ভাবে জড়িত থাকতে পারেন বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

//মোঃ আক্তার হোসেন, সুনামগঞ্জ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক সিমা আক্তার

 

রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের তহসিলদার মনিরের বিরুদ্ধে খাল লিজ দেয়া ও জাল জালিয়াতির অভিযোগ

পটুয়াখালীর বিছিন্ন দ্বীপ-অঞ্চল রাঙ্গাবালী উপজেলার রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের সহকারী ভুমি তহসিলদার মনির হোসেনের বিরুদ্ধে খাল লিজ ও জাল জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এবিষয়ে রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের বাহেরচর ১ নং ওয়ার্ডের জনসাধারন তহসিলদার মনির হোসেনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার জন্য রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর পটুয়াখালী মোঃ আসাদুজ্জামান এর বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। এছাড়াও তহসিলদার মনিরের অবৈধ ভাবে টাকার লেনদেন, খাল লিজ দেয়ায় শামীম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে যা বর্তমানে চলমান। যার সি,আর মামলা নং- ২৩৮।

গত (২২-সেপ্টেম্বর-২১ ইং) তারিখ বেলা ১১ টার সময় মাদারবুনিয়ার ডাল হইতে শাপলাখালীর খালের তীরবর্তীতে দাড়ীয়ে জনসাধারনের ব্যবহারের সুবিধার্থে উন্মুক্ত করে দিয়ে তহসিলদার মনির হোসেনকে দ্রুত অপসারনের দাবিতে এলাকাবাসী ঘন্টাব্যাপি মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের ১ নং ওয়ার্ড শাপলাখালী খালের উপর নির্মিত ব্রীজে প্রায় ২’শতাধিক নারী পুরুষ একত্রিত হয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

উক্ত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ১ নং ওয়ার্ডের জনগনের পক্ষে  আব্দুল মান্নান মৃধা, সাহেব আলী মল্লিক, লোকমান সিকদার, শামীম ও শাহিদা বেগম সহ আরও অনেকে এসময় বক্তব্য রাখেন । বক্তব্য আরো বলা হয়, ইউনিয়ন ভুমি অফিসের তহসিলদার মনির হোসেনের দুর্নীতি ও জাল জালিয়াতিতে অতিষ্ঠ বাহেরচর সহ গোটা রাঙ্গাবালী উপজেলাবাসী। তারা বলেন ভুমি অফিসে বসে বে-আইনী ভাবে খাল ও চান্দিনা ভিটির সরকারি খাস জমিতে চলছে অবৈধ পাকা বিল্ডিং  নির্মানের হিড়িক চলছে।

খোজনিয়ে জানা যায়, এসব স্থায়ী পাকা ভবন নির্মান হচ্ছে টাকার বিনিময়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক ব্যক্তিরা বলেন,এখানে যতগুলো বিল্ডিং দেখছেন সবগুলো সরকারি খাস জমির ওপর তোলা হয়েছে আর এসব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার যোগসাজশে হচ্ছে বলে জানান তারা।

উক্ত ঘটনার  ব্যপারে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী তহসিলদার মনির হোসেনের কাছে  জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে একটি মহল মিথ্যা ভিত্তিহীন মনগড়া ঘটনার তথ্য দিয়েছে।আমি সরকারি কর্মচারী মাত্র।খাস জমির খাল উম্মুক্তর বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন,খাস আদায়ের জন্য মন্জু মল্লিক’কে চিঠি ইসু করা হয়েছে,খাল থেকে যে আয় হবে তা সরকারি কোশাগারে জমা হবে। আমি মন্জুকে কোন লিজ দেইনাই এবং কোন প্রকার টাকার লেনদেন করিনি । এসময় তাকে আরো প্রশ্ন করা হয়,আপনার চাকুরীর স্থান চরমোন্তাজ রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আপনি কেন,উত্তরে তিনি বলেন, আমি দুই ইউনিয়নের দায়িত্বে আছি। অফিসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সেখ মুজিবুর রহমান ছবি থাকলেও নেই প্রধান মন্ত্রীর ছবি,এমনকি অফিস চলাকালীন সময় নেই ন্যাশনাল জাতীয় পতাকা উত্তোলন হয়নি কেন,এসব প্রশ্নের কোন সদ উত্তর দিতে পারেনী তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করতে খালের লিজকৃত ব্যক্তি মন্জু মল্লিকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি তহসিলদার মনির হোসেনের কাছ থেকে ১বছরের জন্য ৩২ হাজার টাকায় লিজ নিছি,আমার কাছে সঠীক কাগজপত্র আছে, এসময় সংবাদকর্মীরা জানতে চায় ভূমি অফিসের পেপারসে ইউ,এন,ওর সাক্ষর আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন,আমার কাগজপত্রে কোন ভূল নাই,আমি খাল লিজ আনছি ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকার মাছ ছেড়েছি আমি গরীব মানুষ এই বলে তিনি কেটে পড়েন।

এব্যপারে উপজেলা চেয়ারম্যান মো, মামুন খানের ব্যবহৃত মুঠোফোন নাম্বারে,(০১৭১২৭০০১১২) এ একাধিকবার  ফোন করেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এনিয়ে রাঙ্গাবালী  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো, মাশফাকুর রহমানের সাথে কথা বলতে তার অফিস চলাকালীন সময় গেলে তাকে  অফিসে পাওয়া যায়নি।এমনকি উপজেলার বাসভবনের ৫তলায় গিয়ে ঘন্টাবেপি দাড়িয়ে থেকেও তার সাক্ষাৎ পাওয়া হয়নি।

//মোঃ তুহিন শরীফ, পটুয়াখালী//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জনসেবায় নতুন আঙ্গিকে কাজ করতে চান সফল মেম্বার জাহাঙ্গীর আলম

 

অভয়নগরে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ছে চিকিৎসালয়-হাতুড়ে ডাক্তার।। স্বাস্থ্যসেবা চরম হুমকির মুখে

যশোরের অভয়নগর উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে লাইসেন্স বিহীন ফার্মেসী ও হাতুড়ে ডাক্তার ব্যাঙের ছাতার ন্যায় গড়ে উঠেছে ,শহর-বন্দর ,গ্রাম-গঞ্জের অলিতে গলিতে নেই  কোনো ড্রাগ লাইসেন্স, ফার্মাসিষ্ট, যেকোন মেডিকেলের কোর্স সনদপত্র ৷

নামে মাত্র ডাক্তার সেজে  বিএমডিসি আইন (২০১০) লঙ্ঘন করে এখনো অনেক পল্লী চিকিৎসক নামে  রোগী দেখছেন ৷ যার ফলে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা চরম হুমকির মুখে পড়েছে ও অসহায় হত-দরিদ্র সহজ-সরল মানুষের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার নামে অপচিকিৎসার মাধ্যমে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ৷

সরেজমিনে বিভিন্ন হাট-বাজারে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ মানুষ পল্লী চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয় ৷ তাদের পক্ষে শহরে এসে এমবি.বিএস বা বিশেজ্ঞ ডাক্তারদের চিকিৎসা সেবা নেওয়া সম্ভব হয়না ,আর্থিক সংকট কিংবা বিড়ম্বনার স্বীকার হতে হয় অনেক ৷

অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স অর্থাৎ সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান সমূহের অনেক চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীগণ অধিকাংশই প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নেয়ার জন্যে রোগীদের উৎসাহ করে ৷ ফলে বিত্তবানদের অধিকাংশই প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান সমূহ থেকে সেবা নিচ্ছে  অন্যদিকে মধ্যবিত্ত ও নিন্ম আয়ের মানুষেরা পল্লী চিকিৎসকের শরনাপন্ন হচ্ছে ৷

এছাড়া বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স ও বেসরকারি হাসপাতালে সেবা না পাওয়ায় মানুষের একমাত্র ভরসা গ্রামের হাতুড়ে ডাক্তার ৷ পল্লী চিকিৎসকদের যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতা অবাক করার মত ৷ অনেকের কোন প্রশিক্ষণ বা অভিজ্ঞতার সনদ নেই অথচ দিনের পরদিন ডাক্তার পরিচয় দিয়ে নিরীহ লোকদের সাথে প্রতারণা করে আসছে ৷ অনেক ভূঁয়া ডাক্তারের ভুল তথ্য ও ওষুধসেবনে শতশত মানুষের জীবন হুমকির মুখে ৷

চোখে পড়া বিভিন্ন আকর্ষণীয় স্থানে নাম ও বিজ্ঞাপণ দিয়ে গ্রাম-গঞ্জের মানুষকে সেবার নামে হয়রানিও প্রতারণা করে যাচ্ছে ৷অনেক পল্লী চিকিৎসক তার ব্যবস্থাপত্রে ডাক্তার পদবী ব্যবহার করছেন এবং আরএমপি লিখছেন ৷ কোথায় থেকে আরএমপি (RMP) করছেন এমন প্রশ্নে অনেক গ্রাম্য/পল্লী চিকিৎসক বলতে পারেনা ৷

অন্যদিকে উপজেলার রাজঘাট এলাকার  বাসিন্দা কাজী রবিউল ইসলাম(শিক্ষক) বলেন, জীবন রক্ষাকারী ওষূধ যথাযথ প্রশিক্ষণ ছাড়া প্রকাশ্যে বিক্রির জন্য এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দায়ী ৷ এ ব্যাপারে উপজেলা গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সভাপতি সাফিয়া খানম বলেন,আমরা ইতিমধ্যে সরকারি ভাবে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সকল আরএমপি ডাক্তারদের তালিকা তৈরি করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি ৷

শুধুমাত্র সরকারি ভাবে সিভিলসার্জন কার্যালয়, উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স বা উপ-পরিচালক পরিবার-পরিকল্পনার এর কার্যালয় থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবার উপর যারা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তারাই হলো রুরাল মেডিকেল প্রাকটিশনার সংক্ষেপে আরএমপি চিকিৎসক ৷ তবে বিএমডিসি (২০১০)এর আইন অনুসারে আমাদের সংগঠনের সকল সদস্যদের ডাক্তার না লিখে গ্রাম ডাক্তার হিসেবে পরিচয় দিতে বলা হয়েছে ৷ কারন আমরা মহামান্য বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে গ্রাম ডাক্তার লিখে প্রাকটিস করার জন্য আইনি সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছি ৷

এসুযোগে অনেক ভূঁয়া পল্লী চিকিৎসক, প্রতারক, ঠকবাজরা আরএমপি (RMP)  ব্যবহার করছে নিজেকে বাঁচানোর জন্য ৷

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ উদ্যোগ গ্রহন করলে ভূঁয়া ডাক্তার পরিচয় যারা দিবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায় ৷  এবিষয়ে যশোর সিভিল সার্জন আবু শাহিন বলেন, আমি ইতিপূর্বে এই সকল চিকিৎসক সম্পর্কে অবগত হয়েছি, দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ভোলায় বিশেষ অভিযানে গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

 

দুর্ণীতির দায়ে এহসান গ্রুপের এমডিসহ ৪ ভাই ৭ দিনের রিমান্ডে

 

ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে শরিয়াহভিত্তিক সুদমুক্ত বিনিয়োগের ধারণা প্রচার করে ১০ হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে ১১০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেন।

পিরোজপুরের গ্রাহকদের ১৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় মাল্টিপারপাস কোম্পানি এহসান গ্রুপের চেয়ারম্যান রাগীব আহসান ও তার তিন ভাইকে ৭ দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. মহিউদ্দিন আসামিদের রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর করেন।

স্থানীয় তেজদাসকাঠী এলাকার হারুন অর রশিদের মামলার প্রেক্ষিতে তাদের এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

শুনানিতে বাদীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট এম ডি নুরুল ইসলাম সরদার শাহজাহানসহ জেলা আইনজীবী সমিতির আইনজীবীরা। অন্যদিকে আসামি পক্ষের কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ১৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এহসান গ্রুপের চেয়ারম্যান রাগীব হাসান ও তার সহযোগী আবুল বাশার খানকে (৩৭) কে রাজধানীর শাহাবাগ থানার তোপখানা রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

এর আগে বিকেলে সদর উপজেলার খলিশাখালী এলাকা থেকে মাওলানা মাহমুদুল হাসান ও মো. খাইরুল বাশারকে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

টাঙ্গাইলের সখীপুরে অসহায় দরিদ্র-দুস্থদের মাঝে ঢেউটিন ও চেক বিতরণ

১৭ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেন এহসান গ্রুপের রাগীব আহসান

 

ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে শরিয়াহভিত্তিক সুদমুক্ত বিনিয়োগের ধারণা প্রচার করে ১০ হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে ১১০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেন। এরপরই বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান খুলে হাতিয়ে নেন ১৭ হাজার কোটি টাকা। এমনটিই দাবি করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

বেশ কজন ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র‌্যাব-১০ এর একটি দল রাজধানী ঢাকার শাহাবাগ থানার তোপখানা রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাগীব আহসান (৪১) ও তার সহযোগী আবুল বাশার খানকে (৩৭) গ্রেফতার করে। এসময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ভাউচার বই ও মোবাইল ফোন।

শুক্রবার বিকালে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে তার অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিষয়ে অবহিত করতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, রাগীব আহসান ১৯৮৬ সালে মাদরাসায় পড়াশোনা শুরু করেন। ১৯৯৯ সালে হাটহাজারী মাদরাসা থেকে তিনি পাস করেন। ২০০০ সালে খুলনার একটি মাদরাসা থেকে মুফতি ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর মসজিদে ইমামতি করেন।

২০০৬-০৭ সালের দিকে ইমামতির পাশাপাশি ‘এহসান এস মাল্টিপারপাস’ নামে একটি এমএলএম কোম্পানিতে ৯০০ টাকা বেতনে চাকরি করার মাধ্যমে এমএলএম কোম্পানির আদ্যপান্ত রপ্ত করেন রাগীব। ২০০৮ সালে ‘এহসান রিয়েল এস্টেট’ নামে নিজেই একটি এমএলএম কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। ওই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ১০ হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে ১১০ কোটি টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন।

রাগীবের তত্ত্বাবধানে ৩০০ মাঠ পর্যায়ের কর্মী ছিল। যাদের কোনো বেতন ছিল না। যদিও তাদের বিনিয়োগ আনার পরিমাণের ওপর ২০ শতাংশ লভ্যাংশ দেওয়ার কথা ছিল। এসব পরিকল্পনার মাধ্যমে দ্রুত গ্রাহক সংখ্যা বাড়াতে সক্ষম হন রাগীব। কর্মী-গ্রাহক সবার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন তিনি। কর্মী-গ্রাহকদের কাউকেই লভ্যাংশ পরিশোধ করেননি। সূত্র: যুগান্তর

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে বিলাসবহুল লঞ্চের কেবিন থেকে গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী  আটক

৮০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিল ধামাকা শপিং:  সিআইডির মামলা

কথিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ‘ধামাকা শপিং’ এর নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে ৮০৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ইনভেরিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেড। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গতকাল মানি লন্ডারিংয়ের মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সিআইডি বলছে, ‘ইনভেরিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেড’ এর নামে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে অবৈধভাবে ‘ধামাকা শপিং’ এর ই-কমার্স চলছিল। বিভিন্ন পণ্যের লোভনীয় অফার ও সিগনেচার কার্ড বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ৫ লাখ গ্রাহকের কাছ থেকে ৮০০ কোটির বেশি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। গত বছরের ১ অক্টোবর থেকে গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত তিনটি ব্যাংক হিসাবে এসব টাকা জমা হয়েছে। প্রায় দুই মাসের অনুসন্ধান শেষে গতকাল রাজধানীর বনানী থানায় ইনভেরিয়েন্ট টেলিকমের এমডিসহ ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করা হয়েছে। মামলা নম্বর-১৬।

আসামিরা হলেন, ইনভেরিয়েন্ট টেলিকমের এমডি জসিম উদ্দিন চিশতী, তার স্ত্রী সাইদা রোকসানা খানম, দুই ছেলে তাশফির রিদওয়ান চিশতী ও মাসফিক রিদওয়ান চিশতী, ভাই নাজিম উদ্দিন আসিফ এবং ইনভেরিয়েন্টের পরিচালক (অপারেশন) সাফওয়ান আহমেদ। সিআইডির অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০১৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার, টেলিকম সিস্টেম, স্মার্টফোন, আইপি ফোন, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার এবং কমিউনিকেশন আমদানি-রপ্তানির ব্যবসা করে আসছিল ইনভেরিয়েন্ট টেলিকম।

গত বছরের অক্টোবরে ‘ধামাকা শপিং’ নামে অবৈধ ই-কমার্স ব্যবসা চালু করে প্রতিষ্ঠানটি। ১ অক্টোবর থেকে রাজধানীর মহাখালীর একোয়া টাওয়ারে ধামাকা শপিংয়ের নামে সাইট কিংবা অ্যাপসে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়। বিভিন্ন সময়ে অস্বাভাবিক স্বল্পমূল্যে মোটরসাইকেল, রেফ্রিজারেটর, টেলিভিশন, মোবাইলফোনসহ নানা পণ্যের প্রলোভন দেখিয়ে তিন ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে ৮০৩ কোটি ৫১ লাখ ৯১ হাজার ৩৬৩ টাকা নেওয়া হয়েছে।

শুরুতে কিছু গ্রাহককে পণ্য দিয়ে আরও অনেককে আকৃষ্ট করে প্রতিষ্ঠানটি। এদের কেনা পণ্য সরবরাহ না করে প্রতারণা করেছে। এ ছাড়া প্রায় ৬০০ সরবরাহকারীর অন্তত ২০০ কোটি টাকার পণ্য নিয়েও কোনো মূল্য পরিশোধ করেনি।

জানতে চাইলে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (ফাইন্যানসিয়াল ক্রাইম) মো. হুমায়ুন কবির বলেন, আমরা ৮৯ কোটি টাকা লন্ডারের তথ্য পাওয়ার পরই ধামাকার বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করি। লন্ডারকৃত টাকার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। গ্রাহকদের কাছ থেকে ৮০০ কোটির বেশি টাকা আদায়ের তথ্য পাওয়া গেছে। আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে। তবে তারা এখন কে, কোথায় আছে তা আমরা জানি না।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, গ্রাহকদের টাকা তিনটি ব্যাংক ও একটি মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জমা নেওয়া হয়। এরপর ওইসব টাকা ইনভেরিয়েন্ট টেকনোলজি, মাইক্রো ট্রেড এবং মাইক্রো ট্রেড ফুড ও বেভারেজের নামে থাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অবৈধভাবে স্থানান্তর করে আত্মসাৎ করা হয়।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবার বন্ধ করা হবে বরোনা সংক্রমন বাড়লে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

পাঁচ বছরেও আয়-ব্যয়ের হিসাব দেননি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান

 //বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার ৪নং রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্যরা অত্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ মিজানুর রহমান বিশ্বাস এর বিরুদ্ধে লিখিত ভাবে বেতন/ভাতার দাবিতে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব রামানন্দ পাল এর নিকট অভিযোগ করেছেন।

এছাড়াও উক্ত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে,উক্ত চেয়ারম্যান বিগত ৫ বছরে সদস্যদের নিয়ে কখনও আয়/ব্যয় সংক্রান্ত কোন সভা করেননি। তিনি সবসময় একক ভাবেই চালিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদ।

এখন ইউপি সদস্যরা সবাই বিগত দিনের আয়/ব্যয়ের হিসাব সহ তাদের যাবতীয় পাওনা বুঝে পেতে চান।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের রুটিন তৈরিতে ১১ নির্দেশনা দিয়েছে