বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে “অনলাইন টিভি ক্লাব” ইউকে’র আলোচনা সভা

যুক্তরাজ্য ভিত্তিক  অনলাইন টিভি ক্লাব ইউকের উদ্যোগে গত ১৯ ডিসেম্বর২০২১ ইং রোজ রবিবার দুপুর ১.১৫ মিনিটের সময় বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আরটিএন বাংলা টিভির সিইও নুরুল আমিন তারেক এর  সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন  আল আরাফা টিভির সিইও আনোয়ার হোসেন।

প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন  ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ ফেডারেশনড অব চেম্বার এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর প্রেসিডেন্ট ওয়ালী তছর উদ্দিন,এমবিই, বক্তব্য রাখেন ইউকে বাংলা টিভির সিইও তৌফিক আলী মিনার, জালালাবাদ টিভির সিইও আনোয়ার শাহজাহান, মুক্তবাংলার চেয়ারম্যান সারওয়ার হোসাইন, এমএস টিভি ইউকে’র এমডি মুসলিম খান, পরিবর্তন নিউজের  সম্পাদক সামরান সাবের, আরটিএন বাংলা টিভির উপস্থাপিকা সপ্না মনি, অনলাইন একটিভিস্ট কবি আলিফ উদ্দিন,মাস্টার আব্দুল খালিক, মুক্তবাংলা টিভির ধর্মীয় উপস্থাপক সৈয়দ মোজাক্কির আহমদ, এমএস টিভি ইউকের বার্তাসম্পাদক মোঃআসয়াদুল হক, অনলাইন একটিভিস্ট আলী হোসেন,

কলামিস্ট লেখক মোঃতরিকুল ইসলাম, এমএস টিভি ইউকের বিশেষ প্রতিনিধি আব্দুস সামাদ খান, অনলাইন একটিভিস্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান, এমএস টিভির ইউকের উপস্থাপিকা রোকশানা হক তারিন প্রমূখ। উক্ত আলোচনা সভায়  বক্তারা বলেন দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

এ বিজয় সবার ।স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে আমরা এনেছি বিজয়ের লাল সবুজ পতাকা।  বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব  ও আমাদের সবার। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন  মানবাধিকার কর্মী মোঃ আবু তাহের, মোঃসাইফুর রহমান রাজু, শফিউল আরফিন জুনেদ, মোহাম্মদ রাকিব, কাজী মোজ্জামেল হোসাইন ,মোঃআমিনুর রহমান ,মোঃফরহাদ আলী,মাজেদা আক্তার, মোঃ আমিনুল ইসলাম  সফর, তারেক,সাইদুল মাহমুদ,মোঃ মইনুল হক, শাহিন আহমেদ, আশরাফ হোসেন  প্রমূখ।

সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে  দোয়া পরিচালনা করেন আরটিএন বাংলাটিভির ধর্মীয় আলোচক ড. এ হেইচ এম সুলাইমান।

//অনলাইন নিউজ //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

হাইমচরে উৎসাহ উদ্দীপনায় ইউপি নির্বাচনে চার ইউনিয়নের প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ

রাণীশংকৈলে বিজয় দিবসের ৫০ বছর পূর্তিতে সুবর্ণ জয়ন্তী পালিত

মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল ( ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি।।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় বৃহস্পতিবার ১৬ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার  মহান বিজয় দিবসের

৫০ বছর পূর্তিতে সুবর্ণ জয়ন্তী পালিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে এদিন সকাল ৬-৪০ মিনিটে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক খুনিয়াদিঘি স্মৃতিসৌধে উপজেলা প্রশাসন,মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড,আ’লীগ ও প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে।

সকাল ৯ টায় র ্যালি শেষে রাণীশংকৈল ডিগ্রী কলেজ মাঠে ছাত্র-ছাত্রীদের খেলাধুলা ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়। সকাল সাড়ে ১১টায় একই মাঠে বীর মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ইউএনও সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন- সাবেক সংসদ সদস্য ইয়াসিন আলী, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, আ’লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ সইদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন, পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা ও শেফালী বেগম, এসি ল্যান্ড ইন্দ্রজিৎ সাহা, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার

রিয়াজুল ইসলাম, বিদেশী চন্দ্র রায়, সিরাজুল ইসলাম ও হবিবর রহমান, পৌর আ’লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম ও সভাপতি কুশমত আলী প্রমুখ।

এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনা, বিভিন্ন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষক ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।সঞ্চালনা করেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাদেকুল ইসলাম। সন্ধ্যায় ওই মাঠে রাণীশংকৈল সংগীত বিদ্যালয়, ষড়জ শিল্পি গোষ্ঠী, কেন্দ্রীয় সংগীত বিদ্যালয় ওশিল্পলোক একাডেমির যৌথ আয়োজনে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

নানান আয়োজনে নীলফামারীতে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী পালিত

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা এবং যথাযোগ্য মর্যাদায় নানান আয়োজনে মহান বিজয় দিবস এর সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করা হচ্ছে নীলফামারীতে।

এ উপলক্ষে সরকারী কর্মসূচীর পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনও নিজ নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে ৫০ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে বিজয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী কর্মসূচী শুরু হয়। এ লক্ষ্যে জেলা শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে স্থাপিত স্বাধীনতা স্মৃতি অম্লান স্মৃতিসৌধতে শহীদ বেদিতে রাষ্ট্রের পক্ষে পুষ্পমাল্য অপর্ণ করেন জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী।

একে একে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, এলজিইডি, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, শিক্ষা প্রকৌশল, জেলা আইনজীবী সমিতি, নীলফামারী প্রেসক্লাব সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক, রাজনৈতিক ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়। স্মৃতিস্তম্ভে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নামে।

সকাল ৯ টার দিকে জেলা হাইস্কুল মাঠে বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ ও শারিরীক কসরত সহ বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হয়। পরে একই স্থানে মুক্তিযোদ্ধাদের দ্রুত হাটা প্রতিযোগীতা ও ডিসি গার্ডেনে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া দিনব্যাপী নানা কর্মসুচি পালন অব্যাহত রয়েছে। কোয়ালিটি স্কুল  এন্ড কলেজের ছাত্র রাওহা বিন মাহমুদ  নাভিদ বলেন, দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের পর আমরা বিজয় পেয়েছি, যুদ্ধ দেখিনি কিন্ত বিজয় দিবসের যুদ্ধের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাগেরহাটের রামপালে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী পালন

 

মাগুরার নহাটায় বিজয় দিবস ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণী NUDS এর

//সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি//

আজ মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় সামাজিক সংগঠন “নহাটা ইউনিয়ন ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি” এর পক্ষ থেকে ১৬ দলীয় বিজয় দিবস ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন নহাটা ইউনিয়ন ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি’র সভাপতি জনাব ডাঃমোঃআলী কদর,সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ শাহীন মোল্লা সহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃত্ব বৃন্দ এবং স্থানীয় সামাজিক ও গম্যমান ব্যক্তিবর্গ।উক্ত খেলা আজ রাত ৭ ঘটিকা থেকে শুরু হয়েছে আজই এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

উক্ত খেলা শেষে ১ম হওয়া দলকে ১৫,০০০ হাজার ও ২য় হওয়া দলকে ১০,০০০ টাকা পুরষ্কার দেওয়া হবে।এছাড়াও সেরা খেলোয়াড়ের জন্য আকর্ষণীয় পুরষ্কার রয়েছে।এই খেলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে দারুণ উত্তেজনা লক্ষ করা গেছে।খেলাটিতে অংশগ্রহণ করতে চিটাগাং,খুলনা,ঢাকা সহ আশপাশের জেলা থেকে বাছাইকৃত খেলোয়াড়দের উপস্থিতি খেলায় বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে।খেলা দেখতে স্থানীয় ও আশপাশের লোকজনের ভীড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

দর্শকদের সাথে কথা বললে তারা জানায়,আমরা এমন আয়োজন প্রতি বছর উপভোগ করতে চাই।

বরিশালে যথাযোগ্য মর্যদায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে মহান বিজয় দিবস পালিত

বরিশালে মহান স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী, মুজিববর্ষ ও বিজয় দিবস উপলক্ষে যথাযোগ্য মর্যদায় বিসিসি মেয়র, মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ এবং পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বরিশাল সদর আসনের এমপি, কর্নেল জাহিদ ফারুক শামিম এর পক্ষে মাহামুদুল হক খান মামুন সহ নেতাকর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন সহ জেলা ও পুলিশ প্রশাসন শ্রদ্ধা সাথে দিবসটি পালন করেন।

মহান বিজয় দিবসের রাতের প্রথম প্রহরে নগরীর ত্রিশ গোডাউন বন্ধভূমিতে পূস্পার্ঘ অপর্ণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক অব্দুল্লাহ। পরে শ্রদ্ধা নিবেদন করে মহানগর ও জেলা আওয়ামীগ সহ নগরীর বিভিন্ন অগং সংগঠন।

বরিশালে যথাযোগ্য মর্যদায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে মহান বিজয় দিবস পালিত

সকালে সূর্যদয়েরর সাথে সাথে পুলিশ লাইনে ২১বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান বিজয় দিবসের শুরুর প্রথমে জেলা প্রশাসক দপ্তর সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা স্মৃর্তি নামফলক স্তম্বে বিভাগীয় কমিশনার মোঃ সাইফুল ইসলাম বাদলের নেতৃত্বে ডি.আই.জি এস এম আখতারুজ্জামান,জেলা প্রশাসক মোঃ জসীম উদ্দীন হায়দার সহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এরপরপরই বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান সহ বিভিন্ন কর্মকর্তা সাথে নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পরবর্তীতে প্রর্যায়েক্রমে ডি.আইজি,জেলা পুলিশ সুপার,সিআইডি,পিবিআই,নৌ-পুলিশ, আমর্ড ব্যাটালিয়ান,আনসার সদস্যরা শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের শ্রদ্ধা নিবেদনের পরে বরিশাল জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের নেতৃত্বে বরিশাল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ পূস্পমাল্য অর্পণ করে।

বেলা বাড়ার সাথে সাথে নগরী বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন,সামাজিক সংগঠন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বৃন্দ এবং বিভিন্ন বে-সরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, এবং বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের প্রধানরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এছাড়া মাহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দিনব্যাপি বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহন করেছে।অন্যদিকে বরিশাল মুক্তিযোদ্ধা পার্ক সংলগ্ম কির্তনখোলা নদীতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে দর্শনার্থীদের জন্য দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত যুদ্ধ জাহাজ উন্মুক্ত রাখা হয়।

//পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাগেরহাটের রামপালে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী পালন

 

বাগেরহাটের রামপালে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী পালন

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

যথাযোগ্য মর্যাদায় রামপালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপিত হয়েছে। এ দিন ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা করা হয়।

এ উপলক্ষে উপজেলা স্মৃতিসৌধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, রামপাল থানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার নেতৃবৃন্দ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন এর সভাপতিত্বে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, উপজেলা পরিষদ চত্বরে কুচকাওয়াজে অংশ নেন, পুলিশ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আনসার, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী। বেলা ১১ টায় মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

হাসপাতাল, এতিমখানা ও ভবঘুরে কেন্দ্রে উন্নত মানের খাবার বিতরণ করা হয়। বিকালে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও সন্ধায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা হবে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান শেখ নূরুল হক লিপন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনেয়ারা মিলি, ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ আ. জলিল, মোল্লা আ. রউফ, মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর হোসেন, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ সাদী প্রমুখ।

মহান বিজয় দিবস।। জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৬টায় প্রথমে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এবং এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মৃতিসৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

তাদের পর শ্রদ্ধা জানান জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। এরপর একে একে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা জানান।

১৯৭১ সালে আজকের দিনে সৃষ্টি হয়েছে পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার ইতিহাস। ৩০ লাখ শহিদের তাজা রক্ত আর দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির মধ্য দিয়ে অর্জিত হয়েছে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের মানচিত্র ও লাল-সবুজের পতাকা।

পৃথিবীতে এত বেশি দাম দিয়ে আর কোনো দেশকে হয়তো পতাকা কিনতে হয়নি। তাইতো বাঙালি স্বপ্ন দেখছে সোনার বাংলা গড়ার। এটি শুধু একটি দেশের স্বাধীনতাই নয়, বিশ্বের নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের পরাধীনতার শিকল ভেঙে বের হওয়ার প্রেরণাও বটে।

শুধু তাই নয়, কীভাবে একটি নিরস্ত্র জাতি মনের জোরে অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত একটি বাহিনীকে মাত্র ৯ মাসে হার মানাতে বাধ্য করে, তা সারা বিশ্বে স্থাপিত হয়েছে নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত হিসাবে। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে হাজারও বঞ্চনা থেকে মুক্তির ইতিহাস, বাংলাদেশের মানুষের আবেগ ও উচ্ছ্বাস। স্বাধীনতার মূল উদ্দেশ্য ছিল দুটি-অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তি।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

 প্রধানমন্ত্রী সবাইকে কি শপথ পাঠ করাবেন জেনে নিন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের  শ্রদ্ধা

 প্রধানমন্ত্রী সবাইকে কি শপথ পাঠ করাবেন জেনে নিন

দীর্ঘ সংগ্রাম ও সশস্ত্র যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্বের মানচিত্রে জন্ম নিয়েছিল বাংলাদেশ নামের স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। এই দিনে মুক্তিকামী জনতার কাছে আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। ইতিহাসের এই দিনেই দুই পক্ষ বসে বাঙালির বিজয়ের দলিলে সই করে। সেই দিনটির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সমাপনী হচ্ছে আগামীকাল (১৬ ডিসেম্বর)।

সমাপনী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। এরই মধ্যে অনুষ্ঠানের মহড়াও শুরু হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে সমাপনী উৎসবের মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে আগামী বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায়। এই সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে শপথ পাঠ করাবেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিজয় দিবসের দিনে দেশবাসীকে সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের যে শপথ পাঠ করাবেন প্রধানমন্ত্রী- তা নিচে দেওয়া হলো :

‌‌’জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিসংগ্রামের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। বিশ্বের বুকে বাঙালি জাতি প্রতিষ্ঠা করেছে তার স্বতন্ত্র জাতিসত্তা।

আজ বিজয় দিবসে দৃপ্তকণ্ঠে শপথ করছি যে, শহিদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না- দেশকে ভালোবাসব, দেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণে সর্বশক্তি নিয়োগ করব। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আদর্শে উন্নত, সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার সোনার বাংলা গড়ে তুলব।

মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহায় হোন।’

এরপর আধাঘণ্টা বিরতি দিয়ে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হবে। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেবেন সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। এরপর শুভেচ্ছা বক্তব্য দেবেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ রেহানা। অনুষ্ঠানে সন্ধ্যা ৬টায় সম্মানিত অতিথির বক্তব্য দেবেন ভারতের রাষ্ট্রপতি শ্রী রামনাথ কোবিন্দ। এরপর প্রধান অতিথি রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ভাষণ দেবেন।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ভারতের রাষ্ট্রপতির হাতে মুজিব চিরন্তন শ্রদ্ধা স্মারক তুলে দেবেন শেখ রেহানা। এরপর অতিথিরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশিত স্মারক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করবেন। সভাপতির বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর দেশবরেণ্য শিল্পীদের অংশগ্রহণে শুরু হবে সাংস্কৃতির অনুষ্ঠান।

জাতীয় কমিটির মিডিয়া সেলের প্রধান নাসরিন জাহান লিপি জানান, অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে।

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বিজয়ের সাজে সজ্জিত বরিশাল নগরীর নাজিরের পোল

 

বিজয়ের সাজে সজ্জিত বরিশাল নগরীর নাজিরের পোল

মহান বিজয় দিবস, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে    ১৬ ডিসেম্বর  বরিশাল নগরীর নাজিরের পোল ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ২ নং প্যানেল মেয়র এ্যাড রফিকুল ইসলাম খোকন এর নেতৃত্বে সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের স্মৃতি প্রদর্শনীর আয়োজন করেন।  মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে এক কমসূচী আয়োজন করেছেন।

সকল শহিদদের প্রতি সম্মান জানানোর জন্য এ কমসূচী আয়োজন  করেন। এ বিষয়ে ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ্যাড  রফিকুল ইসলাম খোকনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন। বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত  সাদিক আব্দুল্লাহ,

নির্দেশে আমরা যথাযথ মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস কমসূচী পালন করব।  ১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস,  বাঙালি জাতির জীবনে সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল দিন পরাধীনতার শৃঙ্খলমুক্তির দিন। সারাদেশের মানুষ আজ আনন্দ-উৎসব এবং একই সঙ্গে বেদনা নিয়ে দিবসটি পালন করবে । স্বাধীনতার জন্য যে অকুতোভয় বীর সন্তানেরা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, গভীর বেদনা ও শ্রদ্ধায় তাদেরকে স্মরণ করা হয়।এ উপলক্ষে তোপধ্বণি  মাধ্যমে বিজয়ের কমসূচি শুরু করেন। সূর্যউদয়ের সাথে জাতীয় পতকা উত্তোলন করে। সকাল ৯ টায় সিটি মেয়র  সাদিক  আব্দুল্লাহ উপস্থিতিতে জাতীয় সংগীত সাথে সাথে জাতীয় পতকা উত্তোলন করা হয়। মুক্তি যুদ্ধ স্মৃতি সৌধ পুষ্প অপর্ণ করেন এর  শেষ সকল শহিদ দের প্রতি দোয়া মধ্যে দিয়ে বিজয় দিবসের কমসূচী সমাপ্তি ঘোষনা করা হবে ।

//পলাশ চন্দ্র দাস ::বরিশাল প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের  শ্রদ্ধা

 

জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের  শ্রদ্ধা

সফররত ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ।

বুধবার বেলা সাড়ে ১২টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি।

স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রামনাথ কোবিন্দ সেখানে একটি চারাগাছ রোপণ করেন।  এছাড়া তিনি স্মৃতিসৌধের ‘সফর বইয়ে’ স্বাক্ষর করেন।

রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সড়ক পথে তেজগাঁওয়ে পৌঁছান রামনাথ।  সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে দুপুর সাড়ে ১২টায় সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছান তিনি।  শহিদদের স্মরণে জানান ফুলেল শ্রদ্ধা।

এ সময় কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন ভারতের রাষ্ট্রপ্রধান।  শহিদদের প্রতি সামরিক কায়দায় সশস্ত্র সম্মান জানায় সশস্ত্রবাহিনীর একটি চৌকস দল।  এ সময় বিউগলের করুণ সুর বেজে উঠে।

শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি রওনা দেন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে।  সেখানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি জাদুঘর ঘুরে দেখবেন।

বুধবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে রাজধানীর শাহজালাল বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান কোবিন্দ।

বিমানবন্দরে রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।  এ সময় ভারতের রাষ্ট্রপতিকে বিমানবন্দরে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় দিবস, বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী, জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের শতবর্ষের বিশেষ আয়োজন ও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আমন্ত্রণে ঢাকা সফরে এসেছেন রামনাথ কোবিন্দ।

বঙ্গবন্ধু জাদুঘর পরিদর্শনের পর সোনারগাঁও হোটেলে যাবেন কোবিন্দ। সফরে এখানেই থাকছেন তিনি।

বিকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

এ সময় দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেনও পৃথকভাবে ভারতের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। পরে ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

এর পর রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের দেওয়া নৈশভোজে যোগ দেবেন রামনাথ। সফরের দ্বিতীয় দিন ১৬ ডিসেম্বর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ভারতের রাষ্ট্রপতি ‘গেস্ট অব অনার’ হিসাবে বাংলাদেশের বিজয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

একই দিন বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনের সাউথ প্লাজায় বাংলাদেশের বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীর ঐতিহাসিক মুহূর্তে জাতির পিতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং রক্তস্নাত বিজয়ের আবেগ ও আনন্দ উদ্যাপনের জন্য আয়োজিত ‘মহাবিজয়ের মহানায়ক’ অনুষ্ঠানে তিনি অংশগ্রহণ করবেন। সেখানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকারসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত থাকবেন।

সফরের তৃতীয় দিনে ভারতের রাষ্ট্রপতি ঢাকার রমনায় কালীমন্দিরের সদ্য সংস্কারকৃত অংশের উদ্বোধন করবেন এবং মন্দিরটি পরিদর্শন করবেন। এ সময় তিনি মন্দিরসংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত পরিসরে মতবিনিময়ের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। একই দিনে রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দুপুরে তিনি দিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সাকিব আল হাসান মালিক হচ্ছেন ব্যাংকের