খুলনার ডুমুরিয়ায় মুজিবনগর দিবস পালিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া, খুলনা//

‘ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপন উপলক্ষ‍্যে ১৭ এপ্রিল রোববার সকালে ডুমুরিয়া  উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ১১ টার শহীদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে এক আলোচনা  সভা সহকারী কমিশনার ভূমি মামুনুর রশিদ এর সভাপতিত্বে  সভায় বক্তব‍্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলম মানিক, কৃষি অফিসার মোচ্ছাদেক হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপাপ্ত সাধারন সম্পাদক শাহানেওয়াজ হোসেন মাধ‍্যমিক শিক্ষা অফিসার সেখ ফিরোজ আহম্মেদ প্রাথমিক  শিক্ষা অফিসার আতিকুর রহমান জুয়েল মহিলা বিষযক কর্মকর্তা রীনা মজুমদার মৎস‍্য কর্মকতা আবু বক্কার সিদ্দিক, দারিদ্র বিমোচন কমকর্তা প্রতাব চন্দ্র দাস প্রমুখ। দিবসটি গুরুত্ব ও আলোকপাত করা হয।

 

 

সর্ব্বোচ্চ ৬০ বিঘা কৃষি জমি থাকবে এক ব্যক্তির নামে

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

ব্যক্তি এবং পরিবার পর্যায়ে কেউ আর ৬০ বিঘার বেশি কৃষিজমির মালিকানা রাখতে পারবেন না। ক্রয়সূত্রে কারও মালিকানায় এর চেয়ে বেশি জমি থাকলে তা সরকারের কাছে সমর্পণ করতে হবে। তবে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত হলে ৬০ বিঘার অতিরিক্ত কৃষিজমি সংশ্লিষ্ট মৌজামূল্যে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিয়ে সরকারের অনুকূলে খাস করে নেওয়া হবে।

এখানে পরিবার বলতে পরিবারে যার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিরা থাকেন, তাদের সবাইকে নিয়ে পরিবার বা এক ইউনিট বোঝাবে। অর্থাৎ পিতা পরিবারের প্রধান হলে তার ওপর নির্ভরশীল স্ত্রী, সন্তান, বাবা-মা ও ভাই-বোন থাকলেও তাদের সবাইকে নিয়ে একটি একক ইউনিট গণ্য করা হবে। তাদের প্রত্যেকের নামে থাকা কৃষিজমির যোগফল যদি ৬০ বিঘার বেশি হয়, তাহলে এই আইনের বিধিনিষেধের আওতায় পড়বে। তবে শিল্প-কলকারখানা স্থাপনের জন্য শর্তসাপেক্ষে এই ধারা শিথিল করার বিধান রাখা হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, শিগগিরই এ বিষয়ে সরকার আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে। মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তুত করা এ সংক্রান্ত ‘ভূমি সংস্কার আইন-২০২২’ নীতিগত অনুমোদনের জন্য শিগগিরই মন্ত্রিসভায় উত্থাপিত হবে। পরবর্তী সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আইনটি কার্যকর হওয়ার দিন থেকে কৃষিজমির মালিকানার বিষয়টি কঠোরভাবে মনিটরিং করবে সরকার। এর আগে এ সংক্রান্ত বিধিমালায় খুঁটিনাটি সব বিষয় আরও বিশদভাবে স্পষ্টীকরণ করা হবে।

প্রস্তাবিত আইনের প্রধান লক্ষ্য কৃষিজমির সুরক্ষা করে ভূমির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা। তবে এ আইনে আবাসন ব্যবসায়ীদের জমিকে সংযুক্ত করা হয়নি। মূলত ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশ-১৯৮৪ হালনাগাদ করে নতুন আইনটি বিশদভাবে যুগোপযোগী করে প্রণয়ন করা হচ্ছে। এ সংক্রান্ত অন্য আইনে যা কিছু থাকুক না কেন, এ আইনটি প্রাধান্য পাবে।

আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ে কৃষিজমি অর্জন সীমিতকরণ বিষয়ে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। আইনের ৪(১) ধারায় বলা হয়েছে, যিনি বা যার পরিবার ৬০ প্রমিত বিঘা (৩৩ শতকে এক বিঘাকে প্রমিত বিঘা বোঝায়) অপেক্ষা অধিক কৃষিজমির মালিক, তিনি নতুন করে হস্তান্তর, উত্তরাধিকার, দান বা অন্য যে কোনো উপায়ে নতুন কোনো কৃষিজমি অর্জন করতে পারবেন না। তবে কোনো সংস্থা জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে এর ঊর্ধ্বসীমা অতিক্রম করতে পারবে।

ধারা ২-এ এই বিধিনিষেধ আবার ৭টি ক্ষেত্রে শিথিল করা হয়েছে।

এর মধ্যে-

ক. যদি কোনো সমবায় সমিতির সব সদস্য তাদের জমির মালিকানা সমিতির অনুকূলে হস্তান্তর করে নিজেরা চাষাবাদ করেন।

খ. চা, কফি, রাবার বা অন্য ফলের বাগানের জন্য ব্যবহৃত জমি।

গ. কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান তার নিজস্ব কারখানায় ব্যবহৃত কাঁচামাল উৎপাদনের জন্য জমি ব্যবহার করলে।

ঘ. অন্য কোনো কাজের জন্য জনস্বার্থে সরকার প্রয়োজন মনে করলে।

ঙ. কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ১০০% রপ্তানিমুখী কৃষিপণ্য অথবা কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের জন্য অথবা ১০০% রপ্তানিমুখী বিশেষায়িত শিল্পের জন্য সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে ৬০ প্রমিত বিঘার ঊর্ধ্বে নির্ধারিত পরিমাণ জমির মালিকানা অর্জন করা যাবে।

চ. শিল্পকারখানা স্থাপনের উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সরকারপ্রধানের অনুমোদন সাপেক্ষে ৬০ বিঘার অতিরিক্ত জমি অর্জন করতে পারবে।

ছ. ওয়াকফ, দেবোত্তর বা ধর্মীয় ট্রাস্টের ক্ষেত্রে এর মালিকানাধীন জমির সম্পূর্ণ আয় ধর্মীয় বা দাতব্য কাজে ব্যয় হলে এইরূপ জমির ক্ষেত্রে এই ঊর্ধ্বসীমার বিধান প্রযোজ্য হবে না।

ধর্মীয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে যদি জমির আয় আংশিক ধর্মীয়/দাতব্য কাজে এবং আংশিক কোনো ব্যক্তির স্বার্থে ব্যয় হয়ে থাকে, তবে জমির যে অংশের আয় কেবল ধর্মীয় বা দাতব্য কাজে ব্যয় হয়, সেই পরিমাণ জমির জন্য এই ঊর্ধ্বসীমা প্রযোজ্য হবে না।

আইনের ৪(৩) ধারায় বলা আছে, যিনি বা যার পরিবার ৬০ বিঘা অপেক্ষা কম কৃষিজমির মালিক, তিনি যে কোনো উপায়ে নতুন কৃষিজমি অর্জন করতে পারবেন। কিন্তু উক্তরূপ নতুন জমি তার মালিকানায় থাকা কৃষিজমিসহ একত্রে ৬০ বিঘার অধিক হবে না।

এছাড়া ৪(৪) ধারায় বলা হয়েছে, ক্রয়সূত্রে যদি কোনো জমির মালিক এই ধারার বিধানাবলি লঙ্ঘন করে কোনো নতুন কৃষিজমি অর্জন করেন, তাহলে যে পরিমাণ জমি ৬০ প্রমিত বিঘার বেশি হবে, তা সরকারের অনুকূলে সমর্পিত হবে। এই সমর্পিত জমির জন্য সরকারের কাছ থেকে কোনো প্রকার ক্ষতিপূরণ পাওয়া কিংবা আদায় করা যাবে না। তবে সেটি যদি উত্তরাধিকার, দান বা উইলের মাধ্যমে প্রাপ্ত হয়, তাহলে এই বিধান প্রযোজ্য হবে না।

৪(৫) ধারায় বলা আছে, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি ৬০ প্রমিত বিঘার বেশি হলে জমির মালিক তার পছন্দমতো ৬০ বিঘা জমি নিজের অনুকূলে রাখতে পারবেন। অবশিষ্ট জমি উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত মৌজামূল্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত ক্ষতিপূরণ দিয়ে সরকার খাস করতে পারবে। অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট জেলার ডিসি সরকারের পক্ষে এই উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।

English Dainikbiswa

সংসদের ভেতর ডেপুটি স্পিকারকে মারধর করলেন ইমরানের দলের এমপিরা

 

পথ শিশুদের মাঝে ইফতার বিতরন করে নারী সংগঠন “বিজয়ী” এর বর্ষবরন

মোঃ হোসেন গাজী।।

নির্মল করো মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে- এই স্লোগানে সুস্থ সময়ের প্রত্যাশায় মঙ্গলবার্তা ছড়িয়ে শুরু হয়েছে ১৪২৯ সনের বাংলা নববর্ষ।

পথ শিশুদের মাঝে ইফতার বিতরন করে নারী সংগঠন “বিজয়ী” এর বর্ষ বরন অনুষ্ঠিত হয়। আজ ১৪ই এপ্রিল ১লা বৈশাখ পুরান বাজারে বিজয়ী এর পক্ষ থেকে পথ শিশুদের মাঝে ইফতার বিতরন করা হয়।

পুরান বাজারে অবস্থিত খান’স ধাবা রেস্টুরেন্টে দৈনিক একাত্তর কন্ঠ পত্রিকার সম্পাদক মন্ডলির ইফতার পাটিতে বিজয়ী এর নারী নেত্রীদের সৈজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় হয়। সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে ইফতার ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর সদর, হাজীগঞ্জ ও ফরিদগঞ্জ থেকে আগত বিভিন্ন নারী উদ্যোক্তাগন। এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক একাত্তর কন্ঠের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক জিয়াউর রহমান বেলাল, চাঁদপুর অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রভাষক ডাঃ শেখ মহসিন, ট্যাগ ব্যাগের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহেল শিকদার,  হস্তশিল্প চাঁদপুর জেলা কমিটির সদস্য সাইফি ইমতিয়াজ, উদ্যোমী নারীদের পারিবারিকভাবে সার্বিক সহযোগিতা করছেন বাপ্পী সরদার, জাহিদ শিকদার, রিশাদসহ প্রমুখ।

উদ্যোক্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সুলতানা পারভিন পিংকি শিকদার, সামিয়া খান,অথই আক্তার, জোছনা বেগম,লুবনা আক্তার,লিজা আক্তার,রিয়া আক্তা,লিলি আক্তার, তানজু নিশাত, শারমিন আক্তার,

শাহনাজ আক্তার, সোমা আক্তার, তাসলিমা মুক্তা, রোজিনা বেগম, শেলি বেগম, তমা আক্তার, নিশাত আক্তার, ফাতেমা বেগম।

এ সময় বিজয়ীর ফাউন্ডার তানিয়া ইসতিয়াক খান সকল উদ্যোক্তাদের নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে মহান সৃষ্টি কর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন ২০২০ সালের প্রতিষ্ঠিত বিজয়ী আজ বিজয়ের পথে। আলহামদুলিল্লাহ চাঁদপুরে উদ্যোমী নারীগন আজ আমরা সবাই একই কাতারে একই পতাকা তলে বিজয়ীতে। শুরু থেকে নানা রকম প্রতিকূলতা পাড়ি দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ আমরাই বিজয়ী হয়ে চাঁদপুরের নারীদের বেকারত্ব দূর করে আত্মনির্ভরশীল করবো। এসময় তানিয়া খান প্রশিক্ষন বেইজ নতুন নারী সংগঠন “আমরা বিজয়ী” জন্য শুভ কামনা জানান এবং বিজয়ীর লোগো পরিবর্তনের সিধান্ত জানান। বিজয়ীর দ্বিতীয় মেয়াদী ২৪শে ডিসেম্বর ২০২১ সালে কমিটিতে শারমিন আক্তার জুই প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় “বিজয়ী” এর লোগো তৈরি করে দেন। পরবর্তীতে শারমিন আক্তার জুই ২৩শে মার্চ ২০২২ সালে তিন মাস পর নিজ থেকে বিজয়ী সংগঠন থেকে অব্যহতি নেন এবং “আমরা বিজয়ী” নামে নতুন সংগঠনের আত্ম প্রকাশ করেন। ওনার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে চাঁদপুর পৌরসভার মাননীয় মেয়র এডঃ জিল্লুর রহমান জুয়েলের মধ্যস্থতায় কালো সোনালী রংয়ের বিজয়ীর লোগো শারমিন আক্তার জুই কে ফেরত দেওয়া হয়। তাই বিজয়ী এর লোগো পরিবর্তন করা হয়।

বিজয়ীর প্রেসিডেন্ট খালেদা ইয়াসমিন রুবি মুঠোফোনে সকল বিজয়ীর সদস্য উদ্যোমী নারীদেরকে ধন্যবাদ ও নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন চাঁদপুরের মেয়ে হিসেবে আমি চাই চাঁদপুরের নারীদের কল্যানে কাজ করতে বিজয়ী নিয়ে পথ চলা শুরু করেছি। আল্লাহ সহায়ক হলে ইনশাআল্লাহ চাঁদপুরের নারীদেরকে নিয়ে বিজয়ী হবো।

উল্লেখ্য যে,বিজয়ী একটি নারী উদ্যোক্তা সংগঠন যা ২০২০ সালে করা হয়।যার প্রথম প্রেসিডেন্ট ইসরাত চৌধুরী ২০২১ সালের সফল ভাবে মেয়াদ শেষ করেন। ২০২২ সালে তিন মাস মেয়াদী কমিটি থেকে শারমিন আক্তার জুই নিজ থেকে অব্যহতি নেওয়ায় গত ২৮শে মার্চ নতুন কমিটিতে খালেদা ইয়াসমিন রুবিকে প্রেসিডেন্ট ও ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান কে জেনারেল সেক্রেটারী করা হয়।

English Dainikbiswa

রাশিয়ার মিসাইলবাহী জাহাজ গোলাবারুদ বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত

সাংবাদিকের বস্তুনিষ্ঠ লেখনীর মাধ্যমে দেশের পরিবর্তন করা সম্ভব: সালাম মূর্শেদী এমপি

//রূপসা প্রতিনিধি//

রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিলে খুলনা- ৪ আসনের সংসদ সদস‍্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী। তিনি বলেছেন সংবাদপত্র ছাড়া দেশ চলতে পারে না। সংবাদমাধ্যম দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। সাংবাদিকদের  সমাজের দর্পন বা জাতির বিবেক বলা হয়। সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ লেখনীর মাধ্যমে একটি দেশের পরিবর্তন করা সম্ভব। দূর্নীতি-অনিয়ম সবকিছুই তুলে ধরে তারা। এমনকি দেশকে আধুনিকায়ন করতে পারেন সাংবাদিকরা। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের ফলে দেশের সুনাম বয়ে আনতে পারে। তিনি আরো বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের সকল ধরনের অভিযোগ, উন্নয়ন ও সম্ভাবনা তুলে ধরার মাধ্যমে দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করে এগিয়ে নিতে সাহায্য করেন। তিনি সাংবাদিকদের দেশের উন্নয়নের চিত্র বিশ্বের কাছে তুলে ধরার জন্য আহ্বান জানান। গত বুধবার ১৩ এপ্রিল ১২ রমজান নির্ধারিত স্থানে রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে ইফতার মাহফিল আলোচনা সভায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। এ অনুষ্টানে সম্মানিত অতিথির বক্তৃতা করেন এমপির সহধর্মীনি ও ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা মিসেস সারমিন সালাম।

সাংবাদিকের বস্তুনিষ্ঠ লেখনীর মাধ্যমে দেশের পরিবর্তন করা সম্ভব: সালাম মূর্শেদী এমপি

বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন রূপসা থানা ওসি সরদার মোশাররফ হোসেন, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি ও আইজগাতি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য অধ্যক্ষ ফ,ম আ: সালাম, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ যোবায়ের, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, খুলনা ইসলামীয়া কলেজের ইংরেজি প্রভাষক ইফফাত সানিয়া ন্যান্সি, থানা ওসি তদন্ত মোঃ সিরাজুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আ: মজিদ ফকির, টিএসবি ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গির শেখ, ফকিরহাট মনসা- বাহিরদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: রেজাউল করিম ফকির, ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ক্লাবের উপদেষ্টা বাবলু কুমার আশ, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম, ফকিরহাট উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কওসার আলী ফকির, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম হাবিব।

প্রেসক্লাবের সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আ: রাজ্জাক শেখ এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি জিএম আসাদুজ্জামানের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান খান শাহজাহান কবির প্যারিস, দৈনিক আজকের সারাদেশ পত্রিকার সম্পাদক নাজমুল আলম, ফকিরহাট উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ ফারুক হোসেন, থানা সেকেন্ড অফিসার এসআই কামাল হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক গাজী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, সাবেক প্রধান শিক্ষক ক্লাবের উপদেষ্টা বাকির হোসেন বাকু, আ: জব্বার শেখ, মানসা-বাহিরদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা রবীন্দ্রনাথ হালদার বাটুল, শেখ মোঃ মাসুম, আলমগীর হোসেন শ্রাবণ, আওয়ামীলীগ নেতা আজমল ফকির, সালাম মুর্শেদী সেবা সংঘের টিম লিডার যুবলীগ নেতা সামছুল আলম বাবু, কাজদিয়া বাজার কমিটির সভাপতি মোঃ জুলফিকার আলী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জি এম এ মালেক, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি মো: বেনজির হোসেন, আনোয়ার খান, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নাজির শেখ, ঘাটভোগ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক খায়রুজ্জামান সজল, ছাত্রলীগ নেতা রিয়াজ, যুবলীগ নেতা আরাফাত হোসেন সাকিব, রাসেল শেখ, বিশিষ্ট ব‍্যবসায়ী মানিক পাল, উপজেলা আইসিটি সহকারী কর্মকর্তা আনিকুজ্জামান, মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম, জাহাঙ্গীর শেখ প্রমূখ।

English Dainikbiswa

রাশিয়া বাল্টিক অঞ্চলে পরমানু অস্ত্র মোতায়ন করার চিন্তা করছে কেন…?

ডুমুরিয়ায় পহেলা বৈশাখ উদযাপন

//ডুমুরিয়া সংবাদদাতা , খুলনা//

ডুমুরিয়ায় উপজেলা প্রশাসন ও  বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সামাজিক ও সাংষ্কৃতিক গোষ্ঠির উদ‍্যেগে   বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ১৪ এপ্রিল  (বৃহস্পতিবার)  পহেলা বৈশাখ উদযাপন করা হয়েছে।

সকালে  উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে প্রশাসনের আয়োজনে এক  মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হযে ডুমুরিয়া  মহাবিদ‍্যালয   প্রাঙ্গনে গিয়ে শেষ হয। সাবেকমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপির নেত্বতে শোভাযাত্রায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার  মোঃ আবদুল ওয়াদুদ,উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) মোঃ মামুনুর রশীদ,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার  বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম মানিক, উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন,সমাজ সেবা কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস,থানা অফিসার ইনচার্জ(তদন্ত) মুহা: মাসুদুর রহমান, অধ্যক্ষ রঞ্জন কুমার তদফদার, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকসহ সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন অংশ নেন।

মঙ্গল শোভাযাত্রা শেষে  কলেজ চত্বরে সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে  সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি সকলকে পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্য। এ উৎসব সর্বজনীন ও অসাম্প্রদায়িক। নতুন বছরের প্রথম দিনে অতীতের সকল গ্লানি ভুলে গিয়ে আমাদের সামনে এগুতে হবে। তিনি বলেন, অতীতের সকল গ্লানি ও বিভেদ ভুলে বাংলা নববর্ষ জাতীয় জীবনের সকলক্ষেত্রে আমাদের ঐক্যকে আরো সুসংহত করবে।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে উপজেলার অধিকাং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্ব-স্ব ব্যবস্থাপনায় উৎসবমুখর পরিবেশে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

 

রাণীশংকৈলে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বর্ষবরণ ও শোভাযাত্রা

//মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে (১৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার) সকালে ১৪২৯ বাংলা শুভ নববর্ষ পালন উপলক্ষে পৌর-শহরে মঙ্গল-শোভাযাত্রা ও  ডিগ্রি কলেজ শহীদ মিনারে উপজেলা নির্বাহি অফিসার সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবিরের সভাপতিত্বে  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়৷

সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না,সাবেক এমপি অধ্যাপক ইয়াসিন আলী,মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান শেফালী বেগম, সহকারী ভূমি কমিশনার ইন্দ্রজিৎ সাহা,বৈশাখ উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক সাবেক অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম,মহিলা কলেজ অধ্যক্ষ মহাদেব বসাক,পৌর-আ”লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম,পুলিশ পরিদর্ষক (ওদন্ত) আব্দুল লতিফ সেখ,বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান,ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবুজাফর  শাহানসাহ ইকবাল,প্রভাষক প্রশান্ত বসাক,পৌর- কাউন্সিলর হালিমা আক্তার ডলি,সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম প্রেসক্লাব (পুরাতন) আহব্বায়ক কুসমত আলী,সভাপতি ফারুক আহম্মেদ প্রমুখ।

এছাড়াও মহিলা আ”লীগ সম্পাদিকা ফরিদা ইয়াসমিন, প্রভাষক সুকুমার মোদক,শিক্ষা অফিসার রাহিম উদ্দীন,মুঞ্জুরুল আলম ও জাহিদ হোসেন,উপ-সহকারি কৃষি অফিসার সাদেকুল ইসলাম,প্রধান শিক্ষিকা ফরিদা ইয়াসমিন,সাবেক ইউপি সদস্য আনসারা বেগম,ইঞ্জিনিয়ার সহ অন্যান্য অফিসারবৃন্দ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন৷ পরিশেষে রাণীশংকৈল সংগীত বিদ্যালয়ের পরিচালনায় বৈশাখী সংগীত পরিবেশিত হয়৷অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন প্রভাষক আলমগীর হোসেন৷

হাইমচরের প্রশাসনের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন

মোঃ হোসেন গাজী।।

বাঙালী জাতি ঐতিহ্য ১৪২৯ বরন করে নিতে চাঁদপুর জেলা হাইমচর উপজেলা প্রশাসনের  আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হয়েছে।  এ উপলক্ষে হাইমচর উপজেলায় বনাঢ্য রেলী, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চাই থোয়াইহল চৌধুরী, উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) মোঃ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল, মুক্তি যোদ্ধা সাবেক কমান্ডার মোঃ বারেক বকাউল,   উপজেলা কৃষি অফিসার দেবব্রত সরকার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার মোঃ আজাহারুল ইসলাম চৌধুরী,  উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার সার্জিয়া আফরিন, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মোঃ জিল্লুর রহমান জুয়েল, সহ বিভিন্ন দপ্তরের অফিসার বৃন্দ।

বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন আমতলী পৌর মেয়র

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বরগুনার আমতলী পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান।

বাংলা ১৪২৮ সালকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরে করোনামুক্ত আগামীর সুস্থ,সুন্দর,স্বাভাবিক পৃথিবীর প্রত্যাশা রেখে ১৪২৯ সালে আমতলী উপজেলা বাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন,বিদায় বেদনার হলেও নববর্ষকে আমরা সবাই শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানাই।সকল ভেদাভেদ ভুলে নতুন বছর হোক অনাবিল আনন্দের।

আমতলী উপজেলার সকল নাগরিক তথা সকলকের প্রতি রইলো বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

তিনি আরও বলেন, নতুন বছর নিয়ে আসুক নতুন নতুন আশা, সকলের মাঝে ছড়িয়ে পরুক পারস্পরিক সৌহার্দ্য,হানা হানি ভেদাভেদ সব কিছু ভুলি,

আসুন সবাই মিলে মিশে সৎ পথে চলি, সবাইকে জানাই বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা,শুভ বাংলা নববর্ষ।নতুন বছর সকলের মাঝে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ,সুখ, শান্তি, ও সমৃদ্ধি।নতুন বছর হোক নতুন চলার অঙ্গীকার।

আগামীর দিনগুলো আমাদের জন্য হোক শান্তির,আনন্দ ও মহিমান্বিত।মানুষে মানুষে ভালবাসার বন্ধন সুদৃঢ় হোক। স্বাভাবিক জীবনের ছন্দে দেশ, পৃথিবী হোক আলোকিত। দেশের মানুষের জীবন হোক দীপ্তিময় ও নির্মল আনন্দের।

বরিশালে মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে বর্ষ বরণ অনুষ্ঠিত

পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল//

চারুকলা বরিশাল, উদীচী শিল্পগোষ্ঠি ও বরিশাল নাটক সহ বরিশাল জেলা প্রশাসন তিনভাগে বিভক্ত হয়ে নতুন বছরের বর্ষবরণ-১৪২৯ সংক্ষিপ্তভাবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আয়োজন ও অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্বব্যাপি বৈশ্বক মহামারি করোনার আতঙ্কের দিনগুলি পাড় করে ২ বছর পর বরিশাল চারুকলার নির্মল করো মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা।

অপরদিকে ফিরে চল মাটির টানে উদীচী শিল্পগোষ্ঠি ও বরিশাল নাটকের নতুন বছরের পৃথক এই প্রতিপ্যাদ্য নিয়ে বরিশালে বাংলা নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান, মঙ্গল শোভাযাত্রা, শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা ও বৈশাখী মেলার আয়োজন করেছে বরিশাল চারুকলা,উদীচী শিল্পগোষ্ঠি ও বরিশাল নাটক সহ বরিশাল জেলা প্রশাসন। আজ পহেলা বৈশাখ (১৪২৯) বৃহস্পতিবার (১৪ই) এপ্রিল বরিশাল নগরীর প্রাণকেন্দ্র সদররোডের সিটি কলেজ প্রাঙ্গনে সকাল ৭টায় জাতীয় সঙ্গিত পরিবেশনের পরপরই মঙ্গলগীত পরিবেশন করে বর্ষবরনের কার্যক্রম শুরু করে চারকলা বরিশাল।

সকাল ৮টায় বর্ষবরন মঞ্চে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। পরে ছোট্রশিশুদেরকে রাখি পড়িয়ে দিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রার সূচনা করা হয়।

পরে বাংলার ঐতিহ্য পালকি,ঘোড়া, দোয়েল, চিল সহ বিভিন্ন চিত্র এবং ঢাকের তালে তালে নগরীর বিভিন্ন সড়কে মঙ্গল শোভাযাত্রা বেড় করে শোভাযাত্রা নগর প্রদক্ষিণ শেষে সিটি কলেজ প্রাঙ্গনে চারুকলা বরিশালের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করেন আয়োজকবৃন্দ।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির শপথগ্রহণ ও অভিষেক অনুষ্ঠান

প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে এক পরিবারের ৩ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু

সূর্যমুখীর হাসিতে হাসছে আমতলীর কৃষক

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

ভেষজ উদ্ভিদ একবর্ষী সূর্যমুখী ফুলের বাম্পার ফলনে মহা খুশি আমতলীর কৃষকরা।তেলের চাহিদা মেটাতে সুর্য্যমুখীর চাষ করছেন কৃষকরা।সুর্য্যমুখী চাষ করে চাষীরা নিজেদের তেলের চাহিদা মিটিয়ে লাভবান হওয়ার অপার সম্ভাবনা দেখছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানাগেছে,এ বছর আমতলী উপজেলায় সূর্যমূখীর লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছিল ৫’শ ১০ হেক্টর। ওই লক্ষমাত্রা অর্জিত হয়েছে। জলবায়ূ পরিবর্তন মোকাবেলায় খরা প্রবন ও লবনাক্ত এলাকায় টেকসই ফসল ব্যবস্থা উদ্ভাবনে আধুনিক জাতের তৈল বীজ উৎপাদনের উপর কৃষি, জলবায়ু ট্রাস্ট ও পরিবেশে মন্ত্রনালয় বৈপ্লবিক সফলতা পেতে একযোগে কাজ করেছে।

সুর্য্যমুখী হাইসান-৩৩ চাষে সেই সফলতা পেয়েছেন কৃষকরা। সুর্য্যমুখী ফুল দেখতে অনেকটা সুর্য্যের মতো এবং সূর্যের দিকে তাক করে থাকে বলে এর নামকরন করা হয়েছে সুর্য্যমূখী। এ উদ্ভিদের আয়ূকাল ৯০ থেকে ১০০ দিন।তুলনামূলক অল্প দিনের মধ্যে ফলন আসে। সূর্য্যমূখী ফুলে বীজ হয়। ওই বীজ থেকে পুষ্টিকর তৈল এবং ভুসি হাঁস মুরগী ও মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। নির্ভেজাল পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এ তেল স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। সূর্য্যমুখী তেল ঘি’র বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই তেল বনস্পতি তেল নামে পরিচিত। কৃষকরা পরিবারের তেলের চাহিদা মিটিয়ে তেল ও বীজ বিক্রি করছে। এক মণ বীজ যন্ত্রে মাড়াই করে ১৮ থেকে ২০ লিটার তৈল পাচ্ছেন কৃষকরা।

তেলের উৎস হিসেবে আমতলীতে সুর্য্যমূখীর ব্যপক চাষ হয়েছে। আমতলী উপজেলার গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে চোখ যত দুরে যাচ্ছে ততই ক্ষেতের পর ক্ষেত ফুলের সমাহারে ভরপুর। পৌষ মাসের মাঝামাঝি সময়ে সূর্য্যমূখী চাষ হয় এবং চৈত্র মাসের শেষের দিকে ফলন কাটা শুরু করে। বর্তমানে চাষিরা ফুল কাটতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অনাবৃষ্টির কারনে এ বছর সূর্য্যমুখী চাষে কৃষকদের খরচ বেশী হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূর্য্যমূখী চাষে কৃষকদের উৎসাহী করতে সুর্য্যমুখী হাইসান-৩৩ বীজের ১’শ ২৫ টি প্রদর্শনী করেছে। ওই প্রদর্শনী করা কৃষকদের কৃষি অফিস নগদ এক হাজার টাকা ভতুর্কি, ভালো মানের বীজ ও সার সরবরাহ করেছে বলে জানান কৃষি অফিসার সিএম রেজাউল করিম।

উপজেলার হলদিয়া, চাওড়া, আঠারোগাছিয়া, আমতলী সদর ও আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নে ব্যপক সূর্য্যমুখীর চাষ করেছে কৃষকরা।মঙ্গলবার বিকেলে আমতলী উপজেলার আমতলী সদর,আড়পাংগাশিয়া,হলদিয়া, চাওড়া,গুলিশাখালী ও আঠারোগাছিয়া ইউনিয়ন ঘুরে দেখাগেছে,স্বাভাবিকের চেয়ে একটু সমতল ও উচু জমিতে সূর্য্যমুখী ফুলের বাহারী সমাহার। কৃষকরা ফল কাটতে প্রস্তুতি নিয়েছেন।আড়পাংগাশিয়া ইউনিয়নের জুগিয়া গ্রামের কাওসার তালুকদার বলেন,২৫ হাজার টাকা ব্যয়ে এক’শ ৩৫ শতাংশ জমিতে সূর্যমূখী চাষ করেছি। বৃষ্টি কম হওয়ায় এ বছর খরচ বেশী হলেও এবছর  ফলন ভালো হয়েছে আশা করি ৬০ হাজার টাকা বিক্রি করতে পারবো। তিনি আরও বলেন, পরিবারের তেলের চাহিদা মেটাতে সুর্য্যমুখী চাষ করেছি।

চাওড়া ইউনিয়নের বেতমোর  গ্রামের কৃষক আবু বকর,রফেজ উদ্দিন,সোহরাব ও সিরাজ মিয়া বলেন,এ বছর সুর্যমুখীর ফলন বেশ ভালো। পরিবারের তেলের চাহিদা পুরন করে তেল বিক্রি করার আশা করছি।

আমতলী উপজেলা কৃষি অফিসার সিএম রেজাউল করিম বলেন,পরিবর্তিত জলবায়ূ  মোকাবেলায় সুর্য্যমুখী চাষে কৃষকদের উৎসাহী করে ১’শ ২৫ টি প্রদর্শনী করা হয়েছে। ওই সকল প্রদর্শনীর কৃষকদের নগদ অর্থ, হাইসান-৩৩ বীজ ও সার বিতরন করা হয়। তিনি আরও বলেন,এ বছর বৃষ্টি না হওয়ায় পরেও ফলন ভালো হয়েছে। কৃষকরা পরিবারের তেলে চাহিদা পুরন করে বেশ লাভবান হবে।

English Dainikbiswa

বরগুনার তালতলীতে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি: থানায় জিডি