খুলনার চুকনগরে বদ্ধভূমিতে ভারতীয় হাই কমিশনারের গনহত‍্যায় শহীদের শ্রদ্ধা নিবেদন

//ডুমুরিয়া সংবাদদাতা//

ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দ্রোয়াস্বামী ২৬ মে সকালে ডুমুরিয়া  উপজেলার চুকনগরে ৭১ এর ঐতিহাসিক  গনহত‍্যায় শহীদের স্মরনে শ্রদ্ধা নিবেদন শহীদ বেদীতে পুষ্পমাল‍্য অর্পন করেন। এসময উপস্থিত ছিলেন সাবেক মৎস‍্য ও প্রাণ্রী সম্পদ মন্ত্রী  নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমান, গনহত‍্যা ৭১ ‘র স্মৃতি পরিষদের সভাপতি  অধ‍্যক্ষ এবিএম শফিকুল ইসলাম, থানা অফিসার্স ইনচার্জ সেখ কনি মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা চন্দ্র কান্ত তরফদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা দ্বয নৃপেন্দ্রনাথবিশ্বাস, শেখ আবুল কালাম মহিউদ্দিন, নুর নব্বী খোকা, দীনেশ চন্দ্র রায়, মাষ্টার সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ‍্যা: ফারুক হোসেন, যুবলীগের  আহবায়ক প্রভাষক গোবিন্দ ঘোষ, এমপিরসহকারী সমীর দে গোরা, স্থানীয় আওয়ামী লীগ সহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। ভারতীয় হাই কমিশনার স্থানীয় ব‍্যক্তিদের সাথে কথা বলেন। এসময গনহত‍্যা ৭১ ‘র স্মৃতি পরিষদের সভাপতি  অধ‍্যক্ষ এবিএম শফিকুল ইসলাম বদ্ধভূমি প্রাঙ্গনে একটি হাসপাতাল নির্মানের দাবী তুলে ধরেন। তিনি বিষয়টি দেখার আশ্বাস দেন।

চিলাহাটি নিউ জলপাইগুড়ির মধ্যে মিতালি এক্সপ্রেস চলবে ১লা জুন থেকে

 মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ

ঢাকা থেকে সরাসরি নিউজলপাইগুড়ি (শিলিগুড়ি) আন্তঃদেশী মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেন চলবে ১লা জুন থেকে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে হলদিবাড়ী চিলাহাটি সীমান্ত দিয়ে । ট্রেনটির প্রথম যাত্রা হবে ভারতের পশ্চিম বাংলার উত্তর বঙ্গের শিলিগুড়ি শহরের নিকট নিউ জলপাইগুড়ি (এনজিপি) ষ্টেশন হতে।  বাংলাদেশের নীলফামারী জেলার চিলাহাটি ও ভারতের কুচবিহার জেলার হলদিবাড়ী সীমান্ত দিয়ে এই রেল যোগাযোগ চালু হচ্ছে এবং তা চলবে ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ির মধ্যে। গত বছর ২৭ শে মার্চ এই ট্রেনের উদ্ভোধন করেন বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাচিনা ও ভারতের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে করোনার পরিস্থিতির কারনে এই রেল পথের ট্রেন চালু করা সম্ভব হয়নি। ট্রেনটি বাংলাদেশের রেল মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন ও ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশি^নী বৈষ্ণব ভার্চুয়াল মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা উদ্ভোধন করবেন ভারতের দিল্লি থেকে।

রেলপথ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ভারতের নিউ জলপাইগুড়ির দুরুত্ব ৫৯৫ কি.মি এর মধ্যে ভারতের অংশে ৬৯ কি.মি.। মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেন ভারতের নিউ জলপাইগুড়ি থেকে ছাড়বে ১লা জুন রবিবার দুপুর ১২.১০ মিনিটে, চিলাহাটি এসে ট্রেনটি ৩০ মি. যাত্রা বিরতি দিয়ে ঢাকা ক্যান্টম্যান্টে পৌছবে রাত ১০.৩০ মিনিটে। পরের দিন সোমবার মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেন ঢাকা সেনা নিবাস ষ্টেশন থেকে রাত ৯.৫০ মি: ছেড়ে ভারতের নিউ জলপাইগুড়ি পৌছবে সকাল ৭ টা ৫ মিনিটে। ট্রেনটি ভারত থেকে সপ্তাহে রবিবার ও বুধবার এবং বাংলাদেশ থেকে সোমবার ও বৃহস্পতিবার চলাচল করবে। ট্রেনটি দিনের বেলায় ৪৫৬ আসন এবং রাতে ৪০৮ আসন নিয়ে চলাচল করবে। মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেনে থাকছে ১০ টি তাপানুকুল কোচ এর মধ্যে ৪ করে ৮ এসি ফাস্টক্লাস ও এসি চেয়ার কোচ থাকবে বাকি দুইটি জেনারেটর ও ব্রেকআপ ভ্যান থাকবে। ৫ বছর পর্যন্ত অপ্রাপ্ত বয়ষ্কদের জন্য মূল ভাড়ার ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে। ৫ বছরের কমবয়সী যাত্রীর ক্ষেত্রে ২০ কেজি ওজনের মালামাল বহন করতে পারবে।

ঢাকা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত ভ্রমন কর সহ ভাড়া নির্ধরন করা হয়েছে,এসি বাথ ৪৯০৫ টাকা,এসি ছিট ৩৮০৫,এসি চেয়ার ২০৭৫ টাকা, চিলাহাটি থেকে নিউ জলাপাইগুড়ি ১২৫০ টাকা। এই ট্রেনের টিকিট পাওয়া যাবে বাংলাদেশ অংশে ঢাকা,কমলাপুর, চট্টগ্রাম ও নীলফামারীর চিলাহাটি ষ্টেশনে। ভারতের অংশে টিকিট মিলবে কলকাতার ফেয়ারলী প্যালেস ও নিউ জলপাইগুড়ি ষ্টেশনে।  মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেনে চিলাহাটির জন্য আলাদা দুইটি কোচ বরাদ্দ থাকবে,সম্ভবত এই কোচ দুইটিতে ১০০ টি আসন থাকবে। এখানে রংপুর ও দিনজপুর জেলার পাসপোর্ট ধারী যাত্রীরা চিলাহাটি থেকে ভ্রমন করতে পারবেন। ভারত সরকারের প্রট্রোকল অনুসারে ভ্রমনকারী যাত্রার ৭২ ঘন্টা আগে আরপিসি আর কোভিট টেষ্ট কিংবা দুই ডোজ টিকা গ্রহনের সনদ থাকতে হবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের মহা ব্যবস্থাপক (পশ্চিম) অসিম কুমার তালুকদার বলেছেন যে, ভিসাসহ অন্যান্য জটিলতা অবসান হওয়ায় ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ির মধ্যে ট্রেন চলাচলের সকল প্রস্তুতি সম্পূর্ন করেছি। বাংলাদেশের রেল কোচ সংকটের কারনে আপাতত মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেনটি ভারতীয় কোচ দিয়ে চলাচল করবে। মিতালী এক্সপ্রেসের নাম্বার করা হয়েছে ভারত থেকে আসার সময় ৩১৩১ ও ঢাকা থেকে যাওয়ার সময় ৩১৩২।

বাংলাদেশ-ভারতের এই রুটে ট্রেন চলাচল করতো ব্রিটিস আমল থেকে, ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পর মালবাহী গাড়ি ও পাসপোর্ট ধারী যাত্রীদের নিয়ে একটি ট্রেন চিলাহাটি- হলদিবাড়ীর মধ্যে যাতায়াত করতো, ১৯৬৫ সালে যুদ্ধের সময় তাহা বন্ধ হয়ে যায়। এর পরেও এমিগ্রেশন কাষ্টম চালু ছিল পাসপোর্ট ধারী যাত্রীদের জন্য, কিন্তু ২০০৪ সালে ভারত সরকার তা বন্ধ করে দেয়। দীর্ঘ ৫৮ বছর পর আবার সেই বাংলাদেশ-ভারত ট্রেন যোগাযোগ চালু হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের চিলাহাটি ও ভারতের হলদিবাড়ী এলাকার মানুষ  আজ আনন্দিত, এই ট্রেন চালু হলে দুই দেশের সর্ম্পক আরো গভীর হবে এবং দুই দেশের মানুষ যাতায়াতের মাধ্যেমে দেখা সাক্ষাত মিলবে, গড়ে উঠবে গভীর সম্পর্ক। তাছাড়া এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ দিনের একটি দাবী পুরন হতে যাচ্ছে, তাই দুই দেশের সীমান্তে মানুষের মধ্যে সাজ সাজ রব পড়েছে।

প্রকাশ থাকে যে,মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেন বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে তৃতীয় যোগাযোকারী ট্রেন। করোনা ভাইরাসের কারনে মৈত্রী ও বন্ধন এক্সপ্রেস ২০২০ সালের ১৫ মার্চ বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে দুই বছর বন্ধ থাকার পর ২৯ মে চালু হতে যাচ্ছে মৈত্রী ও বন্ধন।

English Dainikbiswa

আত্মসমর্পণ করে মানবিক দিক বিবেচনায় জামিন চেয়েছে সম্রাট

এই নারীকে ধর্মহীন এবং বর্ণহীন মানুষ হিসেবে পরিচয় দেওয়ার স্বীকৃতি দিল আদালত

//দৈনিক বিশ্ব ফেসবুক ডেস্ক//

ইনি স্নেহা পার্থিবরাজ। বয়স পঁয়ত্রিশ। পেশায় আইনজীবি এই ভদ্রমহিলার বাড়ি তামিলনাড়ুর তিরুপাত্তুর। ইনি এর মধ্যেই ব্যতিক্রমী এক কাণ্ড ঘটিয়েছেন।

কাণ্ড বললেও অবশ্য কম বলা হবে,বলা উচিত বিপ্লব। হ্যাঁ, নি:শব্দ বিপ্লবই ঘটিয়েছেন ইনি। তাও আবার ভারতের মতো ধর্ম ও বর্ণে শতবিভক্ত একটি দেশে। ইনি যা করতে চেয়েছেন,করেওছেন তা খবরের কাগজগুলিতে আলোচনার বিষয় হতে পারত। কিন্তু হয়নি। কেন হয়নি? কীই-বা এমন করেছেন তিনি?

ইনিই ভারতের প্রথম মহিলা যাঁর কোনো ধর্ম নেই এবং বর্ণও নেই।এই স্বীকৃতি তিনি আদায় করেছেন দীর্ঘ লড়াইয়ের পর খোদ তামিলনাড়ু সরকারের কাছ থেকে। কিন্তু কীভাবে? স্কুল জীবন থেকেই তিনি বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজ পত্তরে ধর্ম ও বর্ণের ঘরটা ফাঁকা রাখতেন। পরবর্তীকালে ২০১০ সাল নাগাদ তিনি আইনি লড়াই শুরু করেন।

পাশে পেয়ে যান তাঁর স্বামী পার্থিবরাজকেও। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর মেলে স্বীকৃতিও। স্বয়ং তামিলনাড়ু সরকার গত ফেব্রুয়ারিতেই স্নেহা পার্থিবরাজকে সনদ পাঠিয়ে জানিয়ে দেয়, এবার থেকে স্নেহা নিজেকে ধর্মহীন এবং বর্ণহীন মানুষ হিসেবে পরিচয় দিতে পারবে।

সরকার একই সঙ্গে জানিয়ে দেয়,এখন থেকে স্নেহার একমাত্র পরিচয়- তিনি ভারতীয়।

স্নেহা পেরেছেন। স্নেহা পার্থিবরাজ।

সালমান – পূজার নতুন ধামাকা সিনেমা আসছে শীঘ্রই…

//বিনোদন ডেস্ক//

সালমান খানের সিনেমা মুক্তি মানেই যেন ঈদ উৎসব। তার বেশিরভাগ ছবি উৎসবকে কেন্দ্র করেই মুক্তি দেওয়া হয়। কখনও ঈদ, কখনও দিওয়ালিতে তার ছবি আসে। সে বিষয়টি মাথায় রেখেই হয়তো নতুন ছবির নাম ঠিক করেছেন সালমান। তার নতুন ছবির নাম ‘কাভি ঈদ কাভি দিওয়ালি’। ছবিতে সালমানের সঙ্গে প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধছেন পূজা হেগড়ে।

ইনস্টাগ্রামে পূজা সালমান খানের আইকনিক ব্রেসলেট পরা নিজের একটি ছবি পোস্ট করেছেন। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘শুটিং শুরু হয়েছে।’

আজ শনিবার সালমানও একটি ছবি পোস্ট করেছেন। সেখানেও তিনি শুটিং শুরু হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এতে ব্যতিক্রমী লুকে দেখা গেছে সালমানকে। তার হাতেও ছিল সেই ব্রেসলেট। ছবির নাম উল্লেখ না করলেও ধারণা করা হচ্ছে, ‘কাভি ঈদ কাভি দিওয়ালি’ ছবির শুটিং শুরু হওয়ার কথাই জানিয়েছেন সালমান ও পূজা।

সালমানকে সর্বশেষ দেখা গেছে গত বছর মুক্তি পাওয়া ‌‘অন্তিম’ ছবিতে। আর এ বছর পূজার তিনটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। ছবিগুলো হলো ‘রাধে শ্যাম’, ‘আচারিয়া’ ও ‘বিস্ট’। মুক্তির অপেক্ষায় আছে পূজার ‘সার্কাস’ ও ‘এফথ্রি’।

নরেন্দ্র মোদী এরপরেও প্রধানমন্ত্রী থাকার ব্যাপারে চমৎকার মন্তব্য করেছেন

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ‘‌আমাকে বিরোধী দলের এক নেতা বলেছেন, আপনি দু’বার প্রধানমন্ত্রী পদে মনোনীত হয়েছেন, এরপর আর কী চান? আসলে ওই বিরোধী নেতার মনোভাব হল, দু’বার প্রধানমন্ত্রী হলেই সব চাহিদার সমাপ্তি ঘটে যায়। কিন্তু আমি সেই প্রকৃতির মানুষ নই। সমস্ত জনস্বার্থবাহী প্রকল্প যতক্ষণ না ১০০ শতাংশ বাস্তবায়িত হচ্ছে, ততক্ষণ বিশ্রাম নেব না।’‌

শনিবার গুজরাটের ‘উৎকর্ষ সমারোহ’ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

খবরে বলা হয়, ওই মন্তব্যের পরই তিনি প্রধানমন্ত্রী থাকতে চান তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়, আগামী ২০২৪ সালে প্রধানমন্ত্রীর বয়স হবে ৭৩ বছর। আর দেখা যাচ্ছে, কেন্দ্র–রাজ্য বিভিন্ন সিনিয়র, প্রবীণ বিজেপি নেতাকে প্রত্যক্ষ রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস দেওয়া হয়েছে। কেউ চলে গিয়েছেন বানপ্রস্থে। কেউ রাজ্যপাল হয়েছেন। সেখানে নরেন্দ্র মোদী নিজেই বার্তা দিলেন, ২০২৪ সালে বিজেপি জয়ী হলে প্রধানমন্ত্রী হবেন তিনিই। অর্থাৎ ২০২৯ সাল পর্যন্ত তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকবেন। তখন তার বয়স হবে ৭৮ বছর! স্বাধীন ভারতে তিনবার টানা প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন একমাত্র জওহরললাল নেহরু।

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা নয়নতারার বিয়ে

//আন্তর্জাতিক বিনোদন ডেস্ক//

দীর্ঘ ৬ বছর প্রেমের সম্পর্কে থাকার পর অবশেষে আসছে ৯ জুন বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী নয়নতারা ও তার প্রেমিক পরিচালক বিগনেশ শিবান। সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিঙ্কভিলার সূত্রে এমন খবর প্রকাশ্যে এসেছে।

জানা গেছে, তিরুমালা তিরুপতি মন্দিরে চার হাত এক হবে আলোচিত এই জুটির। যেখানে শুধুমাত্র উপস্থিত থাকবেন বর ও কনের পরিবারের সদস্যরা। তবে পরবর্তীতে ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুদের জন্য নয়নতারা ও বিগনেশ চেন্নাইয়ে জমকালো বিবাহত্তোর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন বলে জানা গিয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন সামান্থা, বিজয় সেতুপতি সহ দক্ষিণী তারকাদের অনেকেই।

এর আগে গুঞ্জন উঠেছিল, ডেস্টিনেশন ওয়েডিংয়ের পরিকল্পনা রয়েছে নয়নতারা ও বিগনেশের। তবে একাধিক সমস্যার কারণে শেষমেশ সেটি বাতিল হয়ে যায়।

২০১৫ সালে ‘নানুম রাউডি ধান’ সিনেমার শুটিং সেটে নয়নতারা ও বিগনেশ শিবান প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। এরপর দীর্ঘ ৬ বছর প্রেমের সম্পর্কে থেকে গেল বছর বাগদান সারেন এই তারকা জুটি।

২০০৩ সালে মালায়ালাম ভাষার ‘মনসিনাক্কা’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি জগতে অভিষেক ঘটে নয়নতারার। এরপর তিনি অভিনয় করেছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় ছবিতে। শিগগির নয়নতারাকে দেখা যাবে অ্যাটলির বিগ বাজেটের ছবিতে, যেখানে তার বিপরীতে আছেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান।

সুতপার সাথে কি সম্পর্ক ছিল সুশান্তর, খতিয়ে দেখছে তন্তকারীরা

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

স্থানীয় সূত্রের দাবি, ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে সুতপাদের বাড়ি যেখানে, সে এলাকার ক্লাবে স্থানীয় কাউন্সিলর প্রসেনজিৎ ঘোষের নেতৃত্বে সালিশি সভা বসে।

সুতপার সঙ্গে ‘সম্পর্ক’ ভেঙে যেতেই তাঁর ইংরেজবাজারের বাড়িতে দলবল নিয়ে চড়াও হয়েছিল সুশান্ত চৌধুরী। গত বছর দুর্গাপুজোর পঞ্চমীর দিনের এই ঘটনার সময় সুতপাকে গালিগালাজও করে সে। এমনকি, ওই ঘটনার পরেও তাঁকে বার বার উত্যক্ত করে গিয়েছে সুশান্ত। সুতপা চৌধুরীর বাবার করা এই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার মালদহের ইংরেজবাজারে পৌঁছয় বহরমপুরের পুলিশ। পাশাপাশি, সুশান্তের দাবি মতো সুতপার সঙ্গে তাঁর ‘সম্পর্ক’ কতটা গভীর ছিল, তা-ও তদন্ত করে দেখা হবে বলে সূত্রের খবর।

সুতপা-খুনের তদন্তে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ ইংরেজবাজারে আসে বহরমপুর থানার তদন্তকারীদের দল। তদন্তকারী আধিকারিক-সহ চার জনের ওই দলটি প্রথমে বৈষ্ণবনগর থানা এলাকার রাজনগরে সুতপাদের গ্রামের বাড়িতে যায়। সেখানে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন গোয়েন্দারা। এর পর সুতপার বাবা স্বাধীন চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে তাঁদের ইংরেজবাজারের এয়ারভিউ কমপ্লেক্সের বাড়িতে যান। সেখানে দু’ঘণ্টারও বেশি সময় ছিলেন তাঁরা।

প্রসঙ্গত, বহরমপুরের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী সুতপা চৌধুরীকে খুনের অভিযোগে ধৃত সুশান্তের বিরুদ্ধে ওঠা নানা দাবি-পাল্টা দাবি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সুশান্তের দাবি, স্কুলজীবন থেকেই সুতপার সঙ্গে তাঁর পরিচয় এক সময় প্রেমের সম্পর্কে পরিণত হয়েছিল। সুতপার বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াতও ছিল তার। তাদের সম্পর্কের কথা সুতপার বাড়ির লোকজনও জানতেন। যদিও এ দাবি অস্বীকার করেন স্বাধীন। উল্টে স্বাধীনের দাবি, গত বছর পঞ্চমীর রাতে তাঁদের বাড়িতে বহিরাগত যুবকদের নিয়ে চড়াও হয়েছিল সুশান্ত। তাঁর অনুপস্থিতিতে মেয়েকে গালিগালাজও করে বলে অভিযোগ। এর পর পাড়ার ছেলেরা পরিস্থিতি সামাল দেয়।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে সুতপাদের বাড়ি যেখানে, সেই এলাকায় একটি ক্লাবে স্থানীয় কাউন্সিলর প্রসেনজিৎ ঘোষের নেতৃত্বে সালিশি সভা বসে। তাতে দুই পরিবারকেই ডাকা হয়েছিল। সেই সময়েও সুশান্ত দাবি করে, সুতপার সঙ্গে তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তবে ‘পরিবারের চাপে’ সুতপা প্রেমের সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেন। অভিযোগ, এর পর সুশান্তকে মারধরও করা হয়েছিল।

স্বাধীনের দাবি, দুর্গাপুজোর পর সুশান্ত বার বারই তাঁর মেয়েকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে উত্যক্ত করত। যার জন্য মেয়েকে বহু বার মোবাইলের নম্বর বদলাতে হয়েছে। মঙ্গলবার ইংরেজবাজারের বাড়িতে গিয়ে এ সবই খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সূত্রের খবর, সুশান্তের সঙ্গে সুতপার ‘সম্পর্ক’ কতটা ‘গভীর’ ছিল বা আদৌ কোনও সম্পর্ক ছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হবে। যদিও এ নিয়ে মুখ খোলেননি তদন্তকারীরা।

মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন স্বাধীনও। তিনি বলেন, ‘‘তদন্তকারীরা যা জানতে চেয়েছেন, সে সব কিছুই জানিয়েছি। তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে এর বেশি আর কিছু মিডিয়াকে জানানো যাবে না।’’  আনন্দবাজার

English Dainikbiswa

বেপরোয়া মাদক ব্যাবসায়ীরা।। বিজিবির উপড় হামলা ও গাড়ী ভাঙচুর

গান্ধীজীর চশমা-খড়ম নিলামে।। দাম মিলতে পারে ৫ কোটি

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

গান্ধীর বেশ কয়েকটি ছবিও রয়েছে। নিলাম সংস্থার দাবি, তার মধ্যে একটি সম্ভবত গান্ধীর জীবদ্দশায় তোলা শেষ ছবি।

নিলামে উঠছে মোহনদাস কর্মচন্দ গান্ধীর বেশ কিছু জিনিস। ইংল্যান্ডের  ইস্ট ব্রিস্টল অকশানস’ সংস্থাটির ধারণা, গান্ধীর স্মৃতি-বিজড়িত এই জিনিসগুলি অন্তত পাঁচ কোটি টাকায় বিক্রি হবে। ২০২০ সালে গান্ধীর ব্যবহার করা একটি চশমা আড়াই কোটি টাকায় (আড়াই লক্ষ পাউন্ড) বিক্রি করেছিল সংস্থাটি।

এ বারের নিলামে রয়েছে গান্ধীর ব্যবহৃত দু’টি চশমা, তাঁর হাতে বোনা দু’টুকরো খদ্দরের কাপড়, তাঁর নিজের হাতে বানানো এবং ব্যবহার করা খড়ম, তাঁর ব্যবহার করা একটি কালির দোয়াত এবং গান্ধীর লেখা বেশ কয়েকটি চিঠি। রয়েছে সর্দার বল্লভভাই পটেলের গাঁধীকে লেখা কয়েকটি চিঠিও। তা ছাড়া, গান্ধীর বেশ কয়েকটি ছবিও রয়েছে। নিলাম সংস্থার দাবি, তার মধ্যে একটি সম্ভবত গান্ধীর জীবদ্দশায় তোলা শেষ ছবি। ১৯৪৭-এর কোনও সময়ে দিল্লির বিড়লা হাউসে গান্ধীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এই ছবিটি তুলেছিলেন। সাদা-কালো এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, চারপাইয়ে বসে কথা বলছেন মোহনদাস, মাথায় টুপি।

সংস্থার প্রতিনিধি অয়ান্ড্রু স্টো-র কথায়, ‘‘প্রতিটি জিনিসের ঐতিহাসিক মূল্য অপরিসীম।’’ আগামী ২১ মে পর্যন্ত অনলাইনে নিলাম চালু থাকবে। চাইলে কেউ অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নিলাম সংস্থার ব্রিস্টল দফতরে এসে জিনিসগুলি দেখেও যেতে পারেন।

লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন- প্রবাদের বংশধররা কেমন আছেন জানলে অবাক হবেন…!

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

গৌরী সেনের বংশধর হিসেবে পরিচিত অনেকেই আছেন উত্তর কলকাতার আহিরীটোলায়। তাঁদের অনেকেরই ছিল অচল টাকা চালানোর কারবার।

লাগে টাকা, দেবে গৌরী সেন। প্রবাদের গৌরী সেনকে কে না চেনে! শতকের পর শতক ধরে তিনি বাঙালি মননের বাসিন্দা। বঙ্গসমাজের অর্থম অনর্থম আলোচনায় অহরহ হাজির থাকেন তিনি। প্রবাদের মতোই।

এহেন প্রবাদপুরুষের এক উত্তরপুরুষ দিব্যেন্দু সেন এই কলকাতাতেই থাকেন। তাঁরও টাকা নিয়েই কারবার। তবে গৌরী সেনের মতো দানধ্যান করার ক্ষমতা নেই। অন্য উপায়ে পূর্বপুরুষের মতো বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারেন। টাকা, সে ছেঁড়া-পোড়া হোক বা নোংরায় অচল, তাঁর কাছে আসল হলেই চালু! তাঁর ব্যবসাটাই হল, অচল নোট মেরামত করে ব্যাঙ্কে চালিয়ে দেওয়া। মাঝে ‘বাটা’ (কমিশন) হিসেবে হয় রোজগার। তবে ইদানিং এই কারবারের বাজার ভাল নয়। অনলাইন লেনদেন বেড়ে যাওয়ায় টাকা অচল হওয়া নাকি অনেক কমে গিয়েছে।

গৌরী সেনের বংশধর হিসেবে পরিচিত অনেকেই আছেন উত্তর কলকাতার আহিরীটোলায়। তাঁদের অনেকেরই ছিল অচল টাকা চালানোর কারবার। কিন্তু বাজার মন্দা হওয়ায় একে একে সকলেই অন্য ব্যবসায় চলে গিয়েছেন। হাল ধরে রেখেছেন দিব্যেন্দু। বড়বাজারের সোনাপট্টিতে মনোহর দাস স্ট্রিটে এক গয়নার দোকানের টুলে বসে চলে তাঁর ব্যবসা। সেটাকেই ‘গদি’ বলেন দিব্যেন্দু। ছোট্ট এক চিলতে জায়গায় বসেই ভাবেন সংসার চালাতে অন্য কিছু করার কথা। ‘লাগে টাকা’ পরিস্থিতি তৈরি হলে তিনিও ভাবেন, সত্যিই যদি একজন ‘গৌরী সেন’ পাওয়া যেত!

প্রবাদের গৌরী সেন কে ছিলেন, তা জানতে অনেক গবেষণা হয়েছে। অনেকে বলেন গৌরী আসলে ছিলেন এক নারী। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠদের দাবি, গৌরী আসলে গৌরীকান্ত সেন। বাংলা প্রবাদ বিষয়ক বিভিন্ন গবেষণাগ্রন্থ থেকে যা জানা যায়, তাতে গৌরী ছিলেন সুবর্ণবণিক সম্প্রদায়ের সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়ী। বাবা ছিলেন নন্দরাম সেন। ১৫৮০ সালের আশপাশে গৌরীর জন্ম হয় হুগলিতে। পরে কলকাতার কলুটোলা স্ট্রিটে থাকত সেন পরিবার। বিভিন্ন গবেষণায় এমনটাও দাবি করা হয়েছে যে, গৌরী আসলে ছিলেন হাওড়ার বালির বাসিন্দা। কেউ আবার বলেন হুগলি বা হাওড়া নয়, গৌরীর আদি বাড়ি ছিল মুর্শিদাবাদের বহরমপুর এলাকায়। জন্মস্থান নিয়ে নানা মত থাকলেও গবেষকরা সকলেই এটা বলেছেন যে, কলকাতার আহিরীটোলায় বাড়ি করেছিলেন ধনী গৌরীর বংশধররা। তাঁর ধনী হয়ে ওঠা নিয়েও রয়েছে অনেক কাহিনি। তার মধ্যে যেটা বেশি শোনা যায়, সেটি হল ব্যবসার অংশীদার বৈষ্ণবচরণ শেঠের সঙ্গে একটি ডুবে যাওয়া জাহাজে বোঝাই-করা দস্তা কিনেছিলেন গৌরী। কিন্তু পরে দেখতে পান আসলে দস্তার তলায় লুকিয়ে রুপো পাচার করা হচ্ছিল ওই জাহাজে। দস্তার দরে রুপো পেয়ে রাতারাতি ধনী হয়ে যান। ‘ঈশ্বরের কৃপায়’ পাওয়া অর্থের সবটা ভোগ না করে দানধ্যান শুরু করেন। কন্যাদায়গ্রস্ত পিতামাতার জন্য নাকি তাঁর দরজা সব সময় খোলা থাকত, হাতও থাকত উপুড়-করা। আবার জমিদারের ঋণ শোধ করতে না পেরে জেলে যাওয়া প্রজাদের রক্ষা করতেও এগিয়ে আসতেন গৌরী। একটা সময়ে লোকমুখে তাঁর দান-গৌরব ছড়িয়ে পড়ে গোটা বাংলায়। প্রবাদ তৈরি হয়ে যায়— ‘লাগে টাকা, দেবে গৌরী সেন।’

বাপ-ঠাকুর্দার মুখে এ সব কাহিনি অনেক শুনেছেন দিব্যেন্দু। সেই সঙ্গে শুনেছেন তাঁদের পরিবারের অচল টাকার ব্যবসার ইতিহাসও। স্বাধীনতার পরে পরেই দাদু জিতেন্দ্রকুমার সেন শুরু করেন এই ব্যবসা। তখন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের লাইসেন্স লাগত। সাধারণ মানুষের থেকে সংগ্রহ করা নষ্ট-হওয়া নোট রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থেকে বদলে আনার ব্যবসা। দিব্যেন্দুর বাবা অসীমকুমার সেনও একই ব্যবসা করেন। পরে দিব্যেন্দুর দাদা সন্দীপও। কাকাদের পরিবারেও ছিল এই ব্যবসা। কিন্তু একে একে সবাই ছেড়ে দিয়েছেন। আনন্দবাজার অনলাইনকে দিব্যেন্দু বললেন, ‘‘সবাই অন্য ব্যবসা করেন এখন। কিন্তু সব ব্যবসার মূলধন থেকে বাড়ি, গাড়ি যা হয়েছে সবই এই নোটবদলের কারবার থেকে।’’

কী ভাবে চলে এই ব্যবসা? দিব্যেন্দু জানালেন, বড়বাজারের সোনাপট্টিতে এমন ব্যবসায়ী আরও কয়েকজন রয়েছেন। বাংলার গ্রামেগঞ্জে অনেক মুদিখানা দোকান রয়েছে, যেখানে ছেঁড়া-ফাটা নোট সংগ্রহ করা হয়। কোন নোট কতটা ছেঁড়া, ফাটা বা পোড়া, তার উপরে নির্ভর করে কত টাকার বিনিময়ে তাঁরা সেটা কিনবেন। সেই সব নোটই আসে দিব্যেন্দুর মতো ব্যবসায়ীদের হাতে। এর পরে বাড়িতে এনে ছেঁড়া নোট জুড়ে বা নানা ভাবে সারাই করে তা ব্যাঙ্কে নিয়ে যেতে হয়। ব্যাঙ্কও যে পুরো অর্থ দেবে, তার কোনও মানে নেই। বদলের কিছু নিয়মও রয়েছে। সেই মতো দামেই কিনতে হয় দিব্যেন্দুদের। কারণ, ব্যাঙ্ক কত টাকা দেবে সেটা আগাম বুঝতে না পারলেই ঠকতে হবে। এখন অবশ্য রিজার্ভ ব্যাঙ্কে যেতে হয় না। আগের মতো ব্যবসা করতে শীর্ষ ব্যাঙ্কের লাইসেন্সও লাগে না। বিভিন্ন ব্যাঙ্কের কিছু শাখা এই কাজ করে। তেমন শাখা জেলায় জেলায় রয়েছে। তাই আগের মতো পুরনো নোট আর আসে না কলকাতায়। ফলে ব্যবসা ছোট হচ্ছে। তার কারণ হিসেবে নিজের দিকেও আঙুল তুললেন গৌরী সেনের বংশধর। বললেন, ‘‘আমিও তো আজকাল নগদ টাকায় কেনাকাটা কমিয়ে দিয়েছি। সবাই অনলাইনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে। তাই নোট নষ্ট হওয়াও কমেছে। সবেরই খারাপ দিক, ভাল দিক আছে। এই যেমন অনলাইনে লেনদেন আমাদের ব্যবসার পক্ষে মোটেও ভাল নয়।’’

বলতে বলতেই পুরনো নোট জুড়তে মন দিলেন দ্যিবেন্দু। সঙ্গে জুড়লেন, কয়েক বছর আগেই পর্যটনের ‘সাইড’ ব্যবসা শুরু করেছেন। এ বার সেটাকেই ‘মেন’ করার কথা ভাবছেন তিনি। ভাবছেন। কারণ, পর্যটনকে মূল ব্যবসা করতে গেলেও তো টাকা লাগবে। গৌরী সেন কোথায়!

English Dainikbiswa

জাব উই মেট ছবিতে নায়ক হবার কথা ছিল ববির, নায়ক হলেন শাহিদ।। কিন্তু কেন…?

আজ বজ্রপাতে মারা গেছে ৮ জন

জাব উই মেট ছবিতে নায়ক হবার কথা ছিল ববির, নায়ক হলেন শাহিদ।। কিন্তু কেন…?

//দৈনিক বিশ্ব বিনোদন ডেস্ক//

করিনা, ইমতিয়াজের নাম সুপারিশ করেও বাদ পড়ে গেলেন ববিই। পিছনের কাহিনি বেশ ঘোরালো।

একরাশ মনখারাপ নিয়ে ঘর ছেড়েছিল ব্যবসায়ী-পুত্র আদিত্য। যে দিকে খুশি চলে যাবে ভেবে উঠে পড়েছিল একটি ট্রেনে। আর সেই ট্রেনেই দেখা পঞ্জাবি তরুণী গীতের সঙ্গে। তার পর নিয়তির খেলা, বিরক্তি কেটে রঙিন মেঘ। মিষ্টি মধুর প্রেমে এক হয়ে গিয়েছিল তারা। ছবির নাম নিশ্চয়ই বলে দিতে হবে না! শাহিদ কপূর এবং করিনা কপূর অভিনীত ‘জব উই মেট’ দেখে হাসি-কান্নায় ভাসেননি এমন দর্শক নেই বললেই চলে। তবে সেই ছবি তৈরির সঙ্গে এমন অনেক চমকপ্রদ ঘটনা জড়িয়ে আছে, যা শুনলে তাজ্জব হতে হয়!

ছবিতে ‘আদিত্য’র ভূমিকায় শহিদ কপূরের জায়গায় অভিনয় করার কথা ছিল কথা ছিল ববি দেওলের। শ্রী অষ্টবিনায়ক স্টুডিয়ো, যাঁরা এই ছবিটির প্রযোজনা করেছিলেন, তাঁদের সঙ্গে শুরু থেকে কথা হয়েছিল ধর্মেন্দ্রপুত্রই নায়ক হবেন। কিন্তু তার পর? অদ্ভুত কাণ্ড!

ববি দেওল একটি সাক্ষাৎকারে জানান, “আমিই প্রযোজকদের বললাম, পরিচালক হিসেবে ইমতিয়াজ আলিকে নিন। আর নায়িকা হোক করিনা।” প্রসঙ্গত এর আগেই ‘আজনবি’ ছবিতে বেবোর বিপরীতে অভিনয় করে স্বচ্ছন্দ বোধ করেছিলেন ববি। তাই এ বারও পর্দা ভাগ করতে চেয়েছিলেন সম্ভবত। কিন্তু সেই আশায় জল ঢেলে দেয় নিয়তি।

প্রযোজকরা ববির প্রস্তাব শুনে শুরুতে তেমন উৎসাহিত হননি। বলেন, ইমতিয়াজের সঙ্গে করিনা কি কাজ করতে চাইবেন? তা ছাড়া ইমতিয়াজ ছবিতে হাত দিলে বড্ড বেশি বাজেট বাড়ে। কিন্তু তা-ও কথাবার্তা এগোয়। করিনা একটু দর কষাকষি করে রাজি হয়ে যান। কিন্তু শর্ত দেন যে, ছ’মাস পর শ্যুটিং করতে পারবেন। তাই তাঁর কথা মতো সেই দফায় আটকে যায় ‘জব উই মেট’-এর কাজ।

এর পর হঠাৎ একদিন চমকে ওঠেন ববি। ‘বরসাত’-এর নায়ক জানান, “দেখি, ছবির শ্যুটিং শুরু হয়ে গেল আমাকে বাদ দিয়েই। করিনা, ইমতিয়াজ— সবাই আমার পরিকল্পনা মতো যে যাঁর ভূমিকায় এলেন। কেবল নায়কের জায়গায় করিনার তৎকালীন প্রেমিক শাহিদ কপূর। আমি বলি, বাহ্ রে বাহ্! এ কেমন হল?”

শুধু তাই নয়, ববি জানান, ‘হাইওয়ে’ ছবিতেও ইমতিয়াজের সঙ্গে কাজ করার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু সে বারও বাদ পড়েছিলেন কোনও এক অজ্ঞাত কারণে। তবে এ নিয়ে পরিচালক ইমতিয়াজ আলির সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হয়নি অভিনেতার।

হাসতে হাসতে ববি বলেন, “ইমতিয়াজ, তুমি যতক্ষণ না আমায় তোমার ছবিতে নেবে আমি তোমার একটাও কাজ দেখব না। বিশ্বাস করো, আমি যেটায় থাকব, সেটাই তোমার সেরা ছবি হবে।”

তবে ববির আক্ষেপ থাকলেও মোটের উপর বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিল ‘জব উই মেট’। যদিও শোনা যায়, সেই উথালপাথাল প্রেমের ছবির সেটেই নাকি চার বছরের প্রেমের সম্পর্কে ইতি টেনেছিলেন শাহিদ এবং করিনা।

English Dainikbiswa

আজ বজ্রপাতে মারা গেছে ৮ জন