ডুমুরিয়ায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ শুভ উদ্বোধন

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//
শিশুবান্ধব শিক্ষা বাংলাদেশের দীক্ষা এবারের এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে  রবিবার সকালে ডুমুরিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪  শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় উপজেলা রিসোর্স সেন্টারে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ
হাবিবুর রহমান প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহাম্মদ আল-আমিন, উপস্থিত ছিলেন সহকারি শিক্ষা অফিসারফৃন্দ সিকদার জার্জিস হোসেন ফিরোজা বেগম, আবুল কালাম আজাদ, নাজমুন নাহার, রাজমণি, সৈয়েদ আনতাসির রহমান,মুস্তাকিন বিল্লাহ, স্মৃতি বিশ্বাস, প্রধান শিক্ষক শহীদুল ইসলাম মোড়ল, গাজী সালাম মফিজুল হক সরদার, রবিউল ইসলাম লাবু, প্রভাত কুমার, শফিকুল ইসলাম, ঝর্না খানম  প্রমুখ

ডুমুরিয়ায় এসএসসি ঊত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা ও দিক নির্দেশনামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত                                                

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

ডুমুরিয়ায় ২০ মে সোমবার  সকালে বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা দলিত-এর উদ্যোগে ২০২৪ সালের ”এসএসসি ঊত্তীর্ণ দলিত ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা ও দিক নির্দেশনামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

চুকনগর দলিত হাসপাতাল মিলনায়তনে  অনুষ্ঠিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন দলিত এর নির্বাহী পরিচালব স্বপন কুমার দাস।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আল-আমীন।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ড. সেলিনা আহমেদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার সুব্রত বিশ্বাস, উপজেলা সমবায় অফিসার সরদার জাহিদুর রহমান, ইউপি চেয়ারম‍্যান  শেখ হেলাল উদ্দীন প্রমূখ।

এছাড়া অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, দলিত এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার মিসেস ধরা দেবী দাস, স্পন্সরশীপ অফিসার অঞ্জনা দাস, প্রোগ্রাম অর্গানাইজার নেপাল চন্দ্র দাশ, বিপ্লব দাস, প্রমূখ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন কলেজ/ ইনস্টিটিউটে ভর্তি বিষয়ক তথ্যভিত্তিক দিক নির্দেশনামূলক সেমিনারে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা করেন স্পন্সরশীপ অফিসার বিপ্লব মন্ডল। অতিথিবৃন্দ এসএসসি ঊত্তীর্ণদের উদ্দেশ্যে পরামর্শ ও দিকনির্দেশনামুলক বক্তব্য প্রদান করেন।

প্রোগ্রাম অর্গানাইজার চিন্তা দাশ-এর সঞ্চালনায়  সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দলিত এর বিভিন্ন কর্ম এলাকার ৩জন গোল্ডেন এ+ ও ১২ জন এ+ প্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীকে ক্রেস্ট, ব্যাগ এবং ছাতাসহ মোট  ১১০ জন এসএসসি উত্তীর্ণ ছাত্রছা্ত্রীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

৫৭ বছর বয়সে জিপিএ ৪.২৫ পেয়ে এসএসসি পাশ করলেন ট্রাফিক পুলিশ আব্দুস ছামাদ

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

বগুড়ায় কর্মরত ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল আব্দুস ছামাদের (৫৭) অবসরজীবন শুরু হতে বাকি মাত্র ২ বছর ১০ মাস।  স্ত্রীর অনুপ্রেরণায় ৫৭ বছর বয়সে এসএসসি পাশ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি।

জিপিএ ৪ দশমিক ২৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ছামাদ।

রোববার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলে তার এ সাফল্যর খবরটি জানা যায়। ছামাদ রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আশরাফপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে বগুড়া সদর ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত আছেন।

ছামাদ জানান, গত দুই মাস আগে বগুড়া পুলিশে যোগদান করেন তিনি। এর আগে পাবনার ঈশ্বরদীর ট্রাফিক বিভাগে ছিলেন। সেখানে নাটোরের লালপুরের একটি ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন তিনি। ঈশ্বরদী থেকে বিদ্যালয়টি কাছে হওয়ায় তার পড়ালেখা চালিয়ে যেতে সুবিধা হয়।  তবে পরীক্ষার রেজাল্ট পাওয়ার আগেই বগুড়ায় বদলি হয় তার।

তিনি জানান, ১৯৮৭ সালের ১০ অক্টোবর ৩৭ বছর আগে পুলিশ বিভাগে চাকরি পান। নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান সামাদের আরও দুই ভাই ও এক বোন আছেন। তাই পরিবারের হাল ধরতে সেই সময় অষ্টম শ্রেণি পাশ করেই তিনি পুলিশে যোগদান করেন। পরে কর্মস্থলের বাস্তবতায় আর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ হয়নি। তবে চাকরির শেষ সময়ে এসে স্ত্রীর অনুপ্রেরণায় এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ফলাফলে বাজিমাত করেন সামাদ।

এ বিষয়ে বগুড়া পুলিশের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘রোববার এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৮১ হাজার ১২৯ জন শিক্ষার্থী। সারাদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নিউজফিড ভরে গেছে শিক্ষার্থীদের ফলাফলের আনন্দের সংবাদে। কিন্তু সব আনন্দ ছাপিয়ে জেলা পুলিশ বগুড়ার জন্য অনন্য আনন্দের উৎস ৫৭ বছর বয়সে কারিগরি শাখা থেকে জিপিএ ৪.২৫ পেয়ে উত্তীর্ণ বগুড়ার ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত কনস্টেবল আব্দুস ছামাদ। ১৯৮৭ সালে অষ্টম শ্রেণি পাস করে বাংলাদেশ পুলিশে তার যোগদান। অবসরজীবন শুরু হতে বাকি মাত্র ২ বছর ১০ মাস। ৩৭ বছরের সুদীর্ঘ চাকরি জীবনে কর্মস্থলের বাস্তবতা, শত অপ্রাপ্তি আর জীবনের নিদারুণ দুঃখগাঁথা কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায়, দৃঢ়প্রতিজ্ঞা, অদম্য ইচ্ছাশক্তি, নিষ্ঠার বিনিময়ে হারিয়ে গেল একনিমিষেই। জেলা পুলিশ বগুড়ার পক্ষ থেকে ৫৭ বছর বয়সে এসএসসি বিজয়ী জীবনযুদ্ধে পিছিয়ে পড়াদের অনন্য অনুপ্রেরণা ট্রাফিক কনস্টেবল আব্দুস সামাদকে আন্তরিক অভিনন্দন।’

কচুয়ায় পাশের হাড় মাধ্যমিকে ৮৮%,মাদ্রাসায় ৮২.৪২%, ভোকেশনালে ৬২.৯৬%

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

২০২৪ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার বেলা ১১টার দিকে গণভবনে ডিজিটালি আনুষ্ঠানিকভাবে এবারের মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করেন তিনি। এর আগে, সকাল ১০টার দিকে বোর্ড চেয়ারম্যানদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলের অনুলিপি হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

এ বছর ৯টি সাধারণ, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ডে গড় পাসের হার ৮৩.০৪ শতাংশ। পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে যশোর বোর্ড, আর সর্বনিম্ন পাসের হার সিলেট বোর্ডে। এবার ছাত্রদের পাসের হার ৮১ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ৮৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় ১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাধ্যমিকে ৭২৫জন শিক্ষার্থী পরিক্ষায় অংশ নেয়। এরমধ্যে ৬৩৮জন পাশ করে। এ প্লাস ৩৬জন,পাশের গড় হাড় ৮৮%। ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাদরাসায় ২৩৯ জন শিক্ষার্থী পরিক্ষায় অংশ নেয়। এরমধ্যে ১৯৭জন পাশ করে। এ প্লাস ৩জন,পাশের গড় হাড় ৮২.৪২%। কারিগরি শাখায় ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫৪ জন শিক্ষার্থী পরিক্ষায় অংশ নেয়। এরমধ্যে ৩৪জন পাশ করে। এ প্লাস ২জন,পাশের গড় হাড় ৬২.৯৬%। রবিবার দুপুরে একাডেমিক সুপার ভাইজার মেহেদী মান্না এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

কচুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাখী ব্যানার্জী বলেন,শিক্ষার পরিবেশ সুন্দর রাখতে,শিক্ষার্থীদের আরো মনোযোগী করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষথেকে সব ধরনের সহযোগীতা অব্যাহত রয়েছে। সেই সাথে তিনি কৃতকার্য হওয়া সকল শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ এ কর্মকর্তা।

খুলনা রূপসায় ২৪ বছর বেতন পান না এক স্কুল শিক্ষক – পরিবার নিয়ে করছেন মানবেতর জীবন যাপন

//তরুন কান্তি পাইক, নিজস্ব প্রতিবেদক//

একটি নয়, দুটি নয়, পুরো ২৪ টি বছর খুলনা রুপসা  উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের বামন ডাংগা মাধ্যমিক বিদ্যালয় এক দরিদ্র শিক্ষক চাকুরি করে ও করছেন মানবেতর জীবন জাপন ।  স্কুলটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৩ টি বছর ধরে বর্তমান  ২২০ জন ছাত্র ছাত্রী ও ১৮ জন শিক্ষক  কর্মচারী নিয়ে সুনামের সহিত  শিক্ষা ব্যবস্থা করে আসলে ও পুরো ২৪ টা বছর ধরে একটি টাকা বেতন পাচ্ছেন না এক শিক্ষক।  চাকুরি করে ও পরিবার ও স্ত্রী সন্তান নিয়ে করছেন মানবেতর জীবন জাপন। শুনতে রুপকথার মত মনে হলেও আসলে এটা সত্য।।

খোজ নিয়ে যানা যায়  বামন ডাংগা মিনা পাড়া গ্রামের মৃত ইউনুস মিনার ছেলে মোহাসিন মিনা। অত্যন্ত মেধাবী এই ছেলেটি দরিদ্র বাবার স্বপ্ন পুরনের জন্য অন্যের বাড়িতে লজিং থেকে পড়া শোনা করে অনেক কষ্টে  অনার্স পাস  করে  চোখে-মুখে রঙিন  স্বপ্ন নিয়ে স্বপ্ন  দেখছিলেন  দরিদ্র বাবা-মার কষ্ট দূর করবেন।  বিভিন্ন জায়গা থেকে চাকুরির  অনেক সুযোগ আসা সত্ত্বেও  তিনি যোগদান করেননি কোথাও কারন তিনি এ গ্রামের ছেলে মেয়েদের শিক্ষিত করে তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে নামেন। ১৯৯২ সালে বামন ডাংগা  মাধ্যমিক বিদ্যালয় টি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই অবৈতনিক ভাবে বরাবর  সবাই কাজে যোগ দিয়ে শিক্ষা দিয়ে আসছেন।

গত ১৯৯৭ ইং সালে স্কুলটি গেজেটভুক্ত (জাতীয়করণ) করা হয় এবং সকল শিক্ষক কর্মচারী কে  পর্যায়ে ক্রমে বিভিন্ন  সময়ে গেজেটভুক্ত হলেও শিক্ষক মোহাসিন মিনা  এখনো পর্যন্ত গেজেটভুক্ত হয়নি। ফলে সবাই বেতন পেলে ও আজও তিনি পাননি কোন বেতন কাঠামো। এটা রাজনৈতিক নাকি প্রতিহিংসা এ নিয়ে এখন ও কিছু বলা যাচ্চে না।   এ যেন সবাই যার যার মতে কেউ কারো কোন কিছু দেখার  সময় নেই। একজন দোষ দিচ্ছেন আরেক জনের উপর। আর আদৌও সে কি তার চাকুরি জীবনে বেতন পাবে কিনা এটা নিয়ে পুরো পরিবার টি যেন চোখে মুখে  অন্ধকার দেখছেন ।

এ বিষয় স্কুলের প্রধান শিক্ষক মধুসূদন দত্ত কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন সাবজেক্ট জটিলতার কারণে তার বেতন টি এখন ও পর্যন্ত  চালু হয়নি। এটা  শিক্ষা মন্ত্রণালয় আবেদন করা আছে  কবে এটা অনুমোদন দিবে সে এ বিষয় সঠিক ভাবে বলতে পারছেন না।  এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সঙ্গে আলাপ করলে তিনি বলেন আমি বিষয় টি আগেও শুনেছি তাই আমি প্রধান শিক্ষক কে ফোনে সব বলেছি সে যেন দ্রুত সময়ে এটার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। সেই সাথে আমাদের ও একটাই চাওয়া এই সাবজেক্ট জটিলতা আর না দেখিয়ে অসহায় পরিবার টির পাশে এসে দাড়ানোর জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করছি।

কান্ট পৃথিবীর আলো নয়, তিনি একটি দীপ্তিমান সৌরজগত

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

যাদের যুক্তি পছন্দ তাদের পক্ষে জার্মান দার্শনিক ইমানুয়েল কান্টকে উপেক্ষা করা অসম্ভব৷ সোমবার তার ৩০০তম জন্মবার্ষিকী ছিল৷ ‘চিরস্থায়ী শান্তি’র এই লেখকের দর্শন আজও প্রাসঙ্গিক৷

১৭২৪ সালের ২২ এপ্রিল পূর্ব প্রুশিয়ার ক্যোনিগসব্যার্গে (বর্তমান রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদ) জন্মেছিলেন কান্ট৷

দুনিয়াকে বুঝতে হলে যে আপনাকে পৃথিবী ভ্রমণে বের হতে হবে, তা নয়৷ কান্ট কখনও তার শহর ক্যোনিগসব্যার্গ ছেড়ে যাননি৷ কিন্তু তারপরও তিনি দুনিয়া নিয়ে যে দর্শন দিয়েছেন তাতে সমৃদ্ধ হয়েছে দর্শনশাস্ত্র৷

শুধু তাই নয়, ১৭ শতকে তার হাত ধরেই ইউরোপে এনলাইটেনমেন্ট বা আলোকায়ন যুগ শুরু হয়েছিল৷ এনলাইটেনমেন্ট ছিল একটি বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন, যার উদ্দেশ্য ছিল বিজ্ঞান ও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে প্রথাগত বিশ্বাস ও কুসংস্কারের শাসন থেকে মানুষকে মুক্ত করে সমাজকে মানবিকতার পথে পরিচালিত করা৷

কান্ট পৃথিবীর আলো নয়, তিনি একটি দীপ্তিমান সৌরজগত

কান্টকে সর্বকালের সেরা চিন্তাবিদদের একজন ধরা হয়৷ তার অনেক দর্শন আজও প্রাসঙ্গিক৷ ১৭৯৫ সালে লেখা ‘অন পার্পেচুয়াল পিস’ প্রবন্ধে তিনি বিশ্বের সব প্রজাতন্ত্রের সমন্বয়ে ‘লিগ অফ নেশনস’ নামের একটি কেন্দ্রীয় সংগঠন তৈরি পরামর্শ দিয়েছিলেন৷ সেই পরামর্শ অনুসারেই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ‘লিগ অফ নেশনস’ তৈরি হয়েছিল, যেটি আজকের জাতিসংঘ৷

কান্ট মনে করতেন, প্রতিটি মানুষের বিশ্বের যে কোনো দেশে যাওয়ার অধিকার রয়েছে৷ তবে সেই দেশে তাকে সাদরে গ্রহণ করা হবে, বিষয়টা তেমন নাও হতে পারে৷

মানুষের মর্যাদা ও মানবাধিকারকে ধর্ম দিয়ে নয়, দার্শনিকভাবে যুক্তি দিয়ে বিচারের কথা বলতেন কান্ট৷

মানুষের উপর তার অগাধ বিশ্বাস ছিল৷ তিনি মনে করতেন, নিজের ও বিশ্বের সবার দায়িত্ব নেওয়ার ক্ষমতা মানুষের আছে৷ তাই তিনি মানুষকে এমনভাবে কাজ করতে বলতেন যেনস সেটা পরবর্তীতে সযে-কোনো সময় পৃথিবীর সবার জন্য আইন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে৷ আজকের বিচারে তার এই কথাটা এভাবে বলা যেতে পারে: আপনার শুধু তা-ই করা উচিত যেটা সবার জন্য ভালো হবে৷

১৭৮১ সালে প্রকাশিত কান্টের ‘ক্রিটিক অফ পিউর রিজন’ বইটি বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসের সন্ধিক্ষণ হিসাবে বিবেচিত হয়৷ এই বইয়ে তিনি দর্শনের চারটি মৌলিক প্রশ্ন তুলে ধরেছেন: আমি কী জানতে পারি? আমার কী করা উচিত? আমি কী আশা করতে পারি? আর মানুষ কী?

তার আগে পৃথিবীতে আসা অনেক দার্শনিকের বিপরীত চিন্তা করতেন কান্ট৷ তিনি বলেছেন, মানুষের মন ঈশ্বরের অস্তিত্ব, আত্মা বা পৃথিবীর শুরুর মতো প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পারে না৷

কান্টের সমসাময়িক জার্মান রোমান্টিক লেখক জ্যঁ পাউল (১৭৬৩-১৮২৫) বলেছিলেন, ‘‘কান্ট পৃথিবীর আলো নয়, তিনি একটি দীপ্তিমান সৌরজগত৷”

উপনিবেশবাদ ও দাসত্বের বিরোধী ছিলেন কান্ট৷

দৈনন্দিন জীবনে কঠোর নিয়মনীতি মনে চলতেন কান্ট৷ পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে অনেক সময় নিয়ে দুপুরের খাবার খেতেন, বিলিয়ার্ড খেলতে পছন্দ করতেন, আর খেলতেন কার্ড গেমস৷ থিয়েটারে যেতেও পছন্দ করতেন তিনি৷ আর চুল কাটার দোকানে কান্ট গল্প বলে সবাইকে আনন্দ দিতে পারতেন বলে জানা যায়৷

কান্টের ৩০০তম জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জার্মানিতে অনেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে৷ যেমন বন শহরে ‘আনরিজলভড ইস্যুস’ শীর্ষক একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে৷ এছাড়া জুন মাসে বার্লিনে একটি অ্যাকাডেমিক কনফারেন্স ও বছরের শেষ দিকে বন শহরে আন্তর্জাতিক কান্ট কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে৷ এই সম্মেলনটি কান্টের জন্মভূমি কালিনিনগ্রাদে করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল কিন্তু ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে৷ Source DW

Daily World News

শেখ হাসিনার নির্দেশ অমান্য করা হচ্ছে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনের দলীয় সিদ্ধান্তে

আবহাওয়া অফিস|| দাবদাহ নিয়ে দুঃসংবাদ

ডুমুরিয়ার শোভনা পল্লীশ্রী মাধ‍্যমিক বিদ‍্যালয়ের ম‍্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন সুজিৎ সরদার

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি //

খুলনার ডুমুরিয়ার শোভনা পল্লীশ্রী মাধ‍্যমিক বিদ‍্যালয়ের ম‍্যানেজিং কমিটি গঠনের লক্ষ‍্যে ২২ এপ্রিল সোমবার দুপুরে প্রিজাইডিং অফিসার  ও উপজেলা যুব উন্নযন কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান কক্ষে স্কুলের নির্বাচিত অভিভাবক সদস‍্য সংরক্ষিত মহিলা সদস‍্য, শিক্ষক প্রতিনিধি সদস‍্যদের উপস্থিতে স্কুল পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি  পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।  উপস্থিত  সকল সদস‍্যদের  সর্ব সম্মতিক্রমে সভাপতি পদে অভিভাবক সদস‍্য সুজিৎ সরদারকে  সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে।

উল্লেখ‍্য গত ১৮ এপ্রিল অভিভাবক সদস‍্য পদে নির্বাচনে  ইউপি চেয়ারম‍্যান সুরজিৎ কুমার বৈধ‍্যর প‍্যানেল জয় লাভ করেন। অভিভাবক  সদস‍্যরা হলেন সুজিৎ সরদার, রবীন্দ্রনাথ রায়, অবনীন্দ্র নাথ মন্ডল, শুভংকর রায়, এছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতরা হলেন সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক সদস‍্য  কনিকা বৈরাগী, সংরক্ষিত  মহিলা শিক্ষিকা মনিমাল ধর, শিক্ষক প্রতিনিধি সুব্রত বিশ্বাস, প্রবীর কুমার সরদার। সভাপতি নির্বাচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম‍্যান সুরজিৎ বৈধ‍্য, ইউপি সদস‍্য দেবব্রত সরদার, সাধন সরদারসহ স্থানীয় গর্নমান‍্য ব‍্যক্তিবর্গ।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সংশোধিত ফল প্রকাশ

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৩ এর ৩য় গ্রুপের (৩ টি পার্বত্য জেলা ব্যতীত ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ২১টি জেলা) লিখিত পরীক্ষার নিরীক্ষিত ও সংশোধিত ফল আজ প্রকাশিত হয়েছে।

পরীক্ষায় ৪৬ হাজার ১৯৯ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের  সিনিয়র তথ্য অফিসার মাহবুবুর রহমান তুহিন এসব তথ্য জানান।

গত ২৯ মার্চ এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার্থী ছিলেন ৩ লাখ ৪৯ হাজার ২৯৩ জন।

এর আগে ২০২৩ সালের  ১৪ জুন এ নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট www.mopme.gov.bd এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.dpe.gov.bd -তে ফলাফল পাওয়া যাবে। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা মোবাইলেও মেসেজ পাবেন।

মৌখিক পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থান পরবর্তীতে জানানো হবে।

নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা দেখতে ক্লিক করুন

 

অভয়নগরে কলেজ শিক্ষক সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

২০২৪ সালের নবনির্বাচিত কমিটির হাতে ৩০ মার্চ শনিবার সমিতির কার্যালয়ে সাবেক সভাপতি সুন্দলীএসটি স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ এর সভাপতিত্বে অভয়নগর কলেজ শিক্ষক সমিতির দায়িত্বভার অনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।

সাবেক সাধারণ সম্পাদক সহকারি অধ্যাপক তাপস কুমার বিশ্বাস বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সহকারি অধ্যাপক সেলিম হোসেন এবং কোষাধক্ষ আব্দুল্লাহ আল মাসুমের হাতে সমিতির সবকিছু হস্তান্তর করেন ।

দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বর্তমান কমিটির সভাপতি পল্লীমঙ্গল আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ খায়রুল বাশার, নওয়াপাড়া মডেল কলেজের অধ্যক্ষ মহিদুল ইসলাম খান,ভবদহ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইকবাল হোসেন,শেখ আব্দুল ওহাব মডেল কলেজের অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সহকারি অধ্যাপক সেলিম হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সহকারি অধ্যাপক তাপস কুমার বিশ্বাস, হোসেন আলী এবং হাবিবুর রহমান , বর্তমান কমিটির কোষাধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মাসুম, সহকারি অধ্যাপক উদয় শংকর, আব্দুর রাজ্জাক,বর্তমান কমিটির প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ আবুল হোসেন গাজী প্রমূখ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বর্তমান কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সহকারি অধ্যাপক সোহেল রানা,দপ্তর সম্পাদক জুলফিকার আলী, সহ সাবেক ও বর্তমান কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ।

বর্তমান কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ খায়রুল বাসার এ সময় তার বক্তব্যে বর্তমান কমিটির কার্যক্রমকে আরো উন্নয়নমুখী ও বেগবান করতে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন ।

রামপালে স্কলারশিপ পেয়েও বিদেশে পড়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় মেধাবী সোলাইমান

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপালে স্কলারশিপ পেয়ে বিদেশে পড়তে যাওয়ার জন্য যোগাড় করা বিপুল পরিমাণ টাকা মামা ইমদাদ আত্মসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে বিদেশে পড়তে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন মেধাবী শিক্ষার্থী সোলাইমান। প্রতারণা করে বিপুল পরিমাণ টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য ভুক্তভোগী সোলাইমানের মাতা গত ১০ মার্চ খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আ.খালেক বরাবর অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ পেয়ে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র টাকা আত্মসাতের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা দায়িত্ব দেন। তিনি রামপাল থানার ওসি সোমেন দাস কে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেন।

লিখিত অভিযোগে কুলসুম বেগম জানান, তার ছেলে মেধাবী শিক্ষার্থী মো. সোলাইমান স্কলারশিপের মাধ্যমে ভারতের গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে অধ্যয়ন করার সুযোগ পায়। ভারতে ভর্তি ও ভিসার জন্য ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জমা দিতে বলে ভারতীয় দূতাবাস। তখন তারা জমি ও সহায়সম্বল বিক্রি করে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা যোগাড় করেন। সেই টাকা নিয়ে ভারতীয় দূতাবাসের আমন্ত্রণে খুলনাস্থ ভারতীয় ভিসা কার্যালয়ে গত ইংরেজি ১৭-০৯-২০২৩ তারিখ খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে পেড়িখালী খেওয়াঘাটে তাদের সাথে চাচাতো ভাই ইমদাদের সাথে দেখা হয়। এ সময় সে তার ভাইকে সব খুলে বলেন বোন কুলসুম। সব শুনে ইমদাদ বলেন, সব টাকা আমার কাছে দাও, আমি টাকা জমা দিয়ে মানি রিসিট এনে দিবো। এরপরে টাকাগুলো তার কাছে দেয়া হয়। সেই টাকা জমা না দিয়ে সে টাকা আত্মসাৎ করে। টাকা ফেরত চাইলে বলেন, আমি তোমার ছেলেকে আর্মির চাকুরী দিয়ে দিবো বলো ঘোরাতে থাকে। কুলসুম বলেন, আমার ছেলের চাকুরী লাগবে না। টাকা ফেরত দাও। এক পর্যায়ে সে একলক্ষ টাকা ফেরত দেয়। বাকী টাকা চাইতে গেলে ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। তাদের নাকি ইমদাদুল বলেন আমি বন্দুক কিনেছি। দরকার হলে সেটি ব্যবহার করবো। তোরা কোন টাকা পাবি না। এতে তারা ভয়ে ভীত হয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে তারা খুলনা সিটি মেয়র বরাবর অভিযোগ করেন। কোন কূলকিনারা না পেয়ে তারা হতাশ হয়ে অবশেষে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ ও হস্তক্ষেপ কামনায় সংবাদ সম্মেলনও করেন।

অভিযোগের বিষয়ে ইমদাদুল বলেন, টাকার একটা বিষয় ছিল, সেটি আমার সাথে না। তবে টাকা দেওয়ার সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন, তবে টাকা নেননি। বন্দুকের ভয়ভীতিসহ সকল অভিযোগ অস্বীকার তিনি অস্বীকার করেন।

এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি সোমেন দাস এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, অভিযোগের কপি পেয়েছি। তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।