যে দেশে যত বেশি শিক্ষিত, সে দেশ তত উন্নত—– প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরী

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম //

শ্রম ও কর্ম সংস্থান প্রতি মন্ত্রী বীর মক্তিযোদ্ধা মো; নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন,যে দেশের মানুষ যত শিক্ষিত, সে দেশ ততই উন্নত। তাই বর্তমান শিক্ষাবান্ধব সরকার শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট ঘোষনা করেছেন। বর্তমান সরকারের আমলে স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসা সহ শিক্ষা প্রতিষ্টানে ৪ তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মান সহ শিক্ষর মান উন্নয়নে যুগোপযোগী কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আজ ৫ জুলাই চন্দনাইশ উপজেলা হল রুমে বেলা ১১টায় বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষন প্রতিযোগিতা ও জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২৪ উপলক্ষে সনদ ও পুরুস্কার বিতরন অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রম প্রতিমন্ত্রী উপরোক্ত কথা বলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন নব-নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন আহমদ। বক্তব্য রাখেন,উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খালেদা আকতার চৌধুরী, দোহাজারী পৌর মেয়র লোকমান হাকিম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জাফর আলী হিরু।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন,সহকারী কমিশনার (ভুমি) ডিপ্লোমেসি চাকমা, চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ওবাইদুল ইসলাম,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এস,এম জিন্নাহ, হাশিমপুর ইউ,পি, চেয়ারম্যান এড,খোরশেদ বিন ইছহাক,বরকলের চেয়ারম্যান আবদুর রহিম, ধোপাছড়ির চেয়ারম্যান আবদুল আলিম, বরমার চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম টিটু, বৈলতলীর চেয়ারম্যান এস.এম. সায়েম ,কাউন্সিলর নুরুল ইসলাম বাচা, উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রধান ও গণমাধ্যম কর্মী প্রমূখ।

এ সময় প্রতি মন্ত্রী উপজেলায় শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ (কলেজ পর্যায়ে) গাছবাড়ীয়া সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর রনজীত কুমার দত্ত, শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ (মাদ্রাসা পর্যায়ে ) হাশিমপুর মকবুলিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নুরুল আলম এবং শ্রেষ্ট প্রধান শিক্ষক (স্কুল পর্যায়) বরকল আবদুল হাই, আনোয়ারা বেগম হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরুল কবির চেধুরীর হাতে সনদ ও পুরস্কার তুলে দেন।

কচুয়ায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ, বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা-২০২৪ এর পুরস্কার বিতরণ

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

বাগেরহাটের কচুয়ায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ,বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা-২০২৪ এর পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। এতে তিনটি ক্যাটাগরিতে মোট ৬১টি পুরস্কার বিতরণ করা হয়। একই সাথে ২০২৪ সালের এস.এস.সি ও সমমান পরিক্ষায় জিপিএ ফাইভ প্রাপ্ত ৪১ জন শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় শেখ তন্ময় মিলনায়তনে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাখী ব্যানার্জীর সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মেহেদী হাসান বাবু। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মানিক অধিকারী,সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোঃ হাসিবুর রহমান, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের  প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

চট্টগ্রাম বোর্ডঃ এইচএসসির প্রথমদিনে অনুপস্থিত ৯৭৫ জন, বহিষ্কার

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো//

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল ৯৭৫ জন শিক্ষার্থী। ১১৫টি কেন্দ্রে মোট ৯৩ হাজার ১৪৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছেন ৯২ হাজার ১৬৯ জন। রোববার এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এ এম এম মুজিবুর রহমান।

তিনি জানান, চট্টগ্রামে ৬৯ কেন্দ্রে ৬৮ হাজার ৩২৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছে ৬৭ হাজার ৬৫৫ জন। অনুপস্থিত ৬৭৩ জন। এছাড়া পরীক্ষায় অসুদপায় অবলম্বন করায় খাগড়াছড়িতে ৩ পরীক্ষার্থীকে বহিস্কার করা হয়েছে। তিনজনই দীঘিনালা সরকারি কলেজ কেন্দ্রের পরীক্ষার্থী বলে জানা গেছে। কক্সবাজার জেলায় ১৮টি কেন্দ্রে ১১ হাজার ৬৮৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছে ১১ হাজার ৫৪৮ জন, অনুপস্থিত ১৩৬ জন। রাঙামাটি জেলায় ১০ টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৪ হাজার ৬৩৯ জনের মধ্যে অংশ নিয়েছে ৪ হাজার ৫৮৪ জন, অনুপস্থিত ৫৫ জন। খাগড়াছড়ি জেলায় ১০টি কেন্দ্রে ৫ হাজার ২৯৯ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৫ হাজার ২৫৪ জন এবং অনুপস্থিত ৪৫ জন। বান্দরবান জেলায় ৮টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৩ হাজার ১৯৪ জনের মধ্যে অংশ নিয়েছে ৩ হাজার ১২৮ জন এবং অনুপস্থিত ৬৬ জন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির পরিবর্তন

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবারের গ্রীষ্মের ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত এসেছে। আগামী ২ জুলাই পর্যন্ত এই ছুটি থাকার কথা থাকলেও এখন তা কমিয়ে আনা হয়েছে। আগামী ২৬ জুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের জানিয়েছেন।

এ ছাড়া শুক্রবারের পাশাপাশি শনিবারও সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে বলেও সিদ্ধান্ত জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষাপঞ্জি অনুসারে, এবার পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি ১৩ জুন থেকে শুরু হয়েছে, যা ২ জুলাই পর্যন্ত চলার কথা ছিল। যদিও এবার গ্রীষ্মের ছুটি কমানো হতে পারে বলে আগেই ইঙ্গিত ছিল সংশ্লিষ্টদের।

এই ছুটি সংক্ষিপ্ত করার ব্যাখ্যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, পাঠদানের কর্মদিবস বছরব্যাপী কমেছে। এ ছাড়া শনিবারের বন্ধ পুনর্বহাল রাখায়ও কর্মদিবস কমে যাবে। এ জন্য গ্রীষ্মের ছুটি কমানো হয়েছে।

 

ডুমুরিয়ায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ শুভ উদ্বোধন

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//
শিশুবান্ধব শিক্ষা বাংলাদেশের দীক্ষা এবারের এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে  রবিবার সকালে ডুমুরিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪  শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় উপজেলা রিসোর্স সেন্টারে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ
হাবিবুর রহমান প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহাম্মদ আল-আমিন, উপস্থিত ছিলেন সহকারি শিক্ষা অফিসারফৃন্দ সিকদার জার্জিস হোসেন ফিরোজা বেগম, আবুল কালাম আজাদ, নাজমুন নাহার, রাজমণি, সৈয়েদ আনতাসির রহমান,মুস্তাকিন বিল্লাহ, স্মৃতি বিশ্বাস, প্রধান শিক্ষক শহীদুল ইসলাম মোড়ল, গাজী সালাম মফিজুল হক সরদার, রবিউল ইসলাম লাবু, প্রভাত কুমার, শফিকুল ইসলাম, ঝর্না খানম  প্রমুখ

ডুমুরিয়ায় এসএসসি ঊত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা ও দিক নির্দেশনামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত                                                

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

ডুমুরিয়ায় ২০ মে সোমবার  সকালে বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা দলিত-এর উদ্যোগে ২০২৪ সালের ”এসএসসি ঊত্তীর্ণ দলিত ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা ও দিক নির্দেশনামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

চুকনগর দলিত হাসপাতাল মিলনায়তনে  অনুষ্ঠিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন দলিত এর নির্বাহী পরিচালব স্বপন কুমার দাস।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আল-আমীন।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ড. সেলিনা আহমেদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার সুব্রত বিশ্বাস, উপজেলা সমবায় অফিসার সরদার জাহিদুর রহমান, ইউপি চেয়ারম‍্যান  শেখ হেলাল উদ্দীন প্রমূখ।

এছাড়া অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, দলিত এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার মিসেস ধরা দেবী দাস, স্পন্সরশীপ অফিসার অঞ্জনা দাস, প্রোগ্রাম অর্গানাইজার নেপাল চন্দ্র দাশ, বিপ্লব দাস, প্রমূখ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন কলেজ/ ইনস্টিটিউটে ভর্তি বিষয়ক তথ্যভিত্তিক দিক নির্দেশনামূলক সেমিনারে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা করেন স্পন্সরশীপ অফিসার বিপ্লব মন্ডল। অতিথিবৃন্দ এসএসসি ঊত্তীর্ণদের উদ্দেশ্যে পরামর্শ ও দিকনির্দেশনামুলক বক্তব্য প্রদান করেন।

প্রোগ্রাম অর্গানাইজার চিন্তা দাশ-এর সঞ্চালনায়  সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দলিত এর বিভিন্ন কর্ম এলাকার ৩জন গোল্ডেন এ+ ও ১২ জন এ+ প্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীকে ক্রেস্ট, ব্যাগ এবং ছাতাসহ মোট  ১১০ জন এসএসসি উত্তীর্ণ ছাত্রছা্ত্রীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

৫৭ বছর বয়সে জিপিএ ৪.২৫ পেয়ে এসএসসি পাশ করলেন ট্রাফিক পুলিশ আব্দুস ছামাদ

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

বগুড়ায় কর্মরত ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল আব্দুস ছামাদের (৫৭) অবসরজীবন শুরু হতে বাকি মাত্র ২ বছর ১০ মাস।  স্ত্রীর অনুপ্রেরণায় ৫৭ বছর বয়সে এসএসসি পাশ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি।

জিপিএ ৪ দশমিক ২৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ছামাদ।

রোববার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলে তার এ সাফল্যর খবরটি জানা যায়। ছামাদ রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আশরাফপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে বগুড়া সদর ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত আছেন।

ছামাদ জানান, গত দুই মাস আগে বগুড়া পুলিশে যোগদান করেন তিনি। এর আগে পাবনার ঈশ্বরদীর ট্রাফিক বিভাগে ছিলেন। সেখানে নাটোরের লালপুরের একটি ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন তিনি। ঈশ্বরদী থেকে বিদ্যালয়টি কাছে হওয়ায় তার পড়ালেখা চালিয়ে যেতে সুবিধা হয়।  তবে পরীক্ষার রেজাল্ট পাওয়ার আগেই বগুড়ায় বদলি হয় তার।

তিনি জানান, ১৯৮৭ সালের ১০ অক্টোবর ৩৭ বছর আগে পুলিশ বিভাগে চাকরি পান। নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান সামাদের আরও দুই ভাই ও এক বোন আছেন। তাই পরিবারের হাল ধরতে সেই সময় অষ্টম শ্রেণি পাশ করেই তিনি পুলিশে যোগদান করেন। পরে কর্মস্থলের বাস্তবতায় আর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ হয়নি। তবে চাকরির শেষ সময়ে এসে স্ত্রীর অনুপ্রেরণায় এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ফলাফলে বাজিমাত করেন সামাদ।

এ বিষয়ে বগুড়া পুলিশের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘রোববার এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৮১ হাজার ১২৯ জন শিক্ষার্থী। সারাদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নিউজফিড ভরে গেছে শিক্ষার্থীদের ফলাফলের আনন্দের সংবাদে। কিন্তু সব আনন্দ ছাপিয়ে জেলা পুলিশ বগুড়ার জন্য অনন্য আনন্দের উৎস ৫৭ বছর বয়সে কারিগরি শাখা থেকে জিপিএ ৪.২৫ পেয়ে উত্তীর্ণ বগুড়ার ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত কনস্টেবল আব্দুস ছামাদ। ১৯৮৭ সালে অষ্টম শ্রেণি পাস করে বাংলাদেশ পুলিশে তার যোগদান। অবসরজীবন শুরু হতে বাকি মাত্র ২ বছর ১০ মাস। ৩৭ বছরের সুদীর্ঘ চাকরি জীবনে কর্মস্থলের বাস্তবতা, শত অপ্রাপ্তি আর জীবনের নিদারুণ দুঃখগাঁথা কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায়, দৃঢ়প্রতিজ্ঞা, অদম্য ইচ্ছাশক্তি, নিষ্ঠার বিনিময়ে হারিয়ে গেল একনিমিষেই। জেলা পুলিশ বগুড়ার পক্ষ থেকে ৫৭ বছর বয়সে এসএসসি বিজয়ী জীবনযুদ্ধে পিছিয়ে পড়াদের অনন্য অনুপ্রেরণা ট্রাফিক কনস্টেবল আব্দুস সামাদকে আন্তরিক অভিনন্দন।’

কচুয়ায় পাশের হাড় মাধ্যমিকে ৮৮%,মাদ্রাসায় ৮২.৪২%, ভোকেশনালে ৬২.৯৬%

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

২০২৪ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার বেলা ১১টার দিকে গণভবনে ডিজিটালি আনুষ্ঠানিকভাবে এবারের মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করেন তিনি। এর আগে, সকাল ১০টার দিকে বোর্ড চেয়ারম্যানদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলের অনুলিপি হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

এ বছর ৯টি সাধারণ, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ডে গড় পাসের হার ৮৩.০৪ শতাংশ। পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে যশোর বোর্ড, আর সর্বনিম্ন পাসের হার সিলেট বোর্ডে। এবার ছাত্রদের পাসের হার ৮১ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ৮৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় ১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাধ্যমিকে ৭২৫জন শিক্ষার্থী পরিক্ষায় অংশ নেয়। এরমধ্যে ৬৩৮জন পাশ করে। এ প্লাস ৩৬জন,পাশের গড় হাড় ৮৮%। ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাদরাসায় ২৩৯ জন শিক্ষার্থী পরিক্ষায় অংশ নেয়। এরমধ্যে ১৯৭জন পাশ করে। এ প্লাস ৩জন,পাশের গড় হাড় ৮২.৪২%। কারিগরি শাখায় ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫৪ জন শিক্ষার্থী পরিক্ষায় অংশ নেয়। এরমধ্যে ৩৪জন পাশ করে। এ প্লাস ২জন,পাশের গড় হাড় ৬২.৯৬%। রবিবার দুপুরে একাডেমিক সুপার ভাইজার মেহেদী মান্না এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

কচুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাখী ব্যানার্জী বলেন,শিক্ষার পরিবেশ সুন্দর রাখতে,শিক্ষার্থীদের আরো মনোযোগী করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষথেকে সব ধরনের সহযোগীতা অব্যাহত রয়েছে। সেই সাথে তিনি কৃতকার্য হওয়া সকল শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ এ কর্মকর্তা।

খুলনা রূপসায় ২৪ বছর বেতন পান না এক স্কুল শিক্ষক – পরিবার নিয়ে করছেন মানবেতর জীবন যাপন

//তরুন কান্তি পাইক, নিজস্ব প্রতিবেদক//

একটি নয়, দুটি নয়, পুরো ২৪ টি বছর খুলনা রুপসা  উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের বামন ডাংগা মাধ্যমিক বিদ্যালয় এক দরিদ্র শিক্ষক চাকুরি করে ও করছেন মানবেতর জীবন জাপন ।  স্কুলটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৩ টি বছর ধরে বর্তমান  ২২০ জন ছাত্র ছাত্রী ও ১৮ জন শিক্ষক  কর্মচারী নিয়ে সুনামের সহিত  শিক্ষা ব্যবস্থা করে আসলে ও পুরো ২৪ টা বছর ধরে একটি টাকা বেতন পাচ্ছেন না এক শিক্ষক।  চাকুরি করে ও পরিবার ও স্ত্রী সন্তান নিয়ে করছেন মানবেতর জীবন জাপন। শুনতে রুপকথার মত মনে হলেও আসলে এটা সত্য।।

খোজ নিয়ে যানা যায়  বামন ডাংগা মিনা পাড়া গ্রামের মৃত ইউনুস মিনার ছেলে মোহাসিন মিনা। অত্যন্ত মেধাবী এই ছেলেটি দরিদ্র বাবার স্বপ্ন পুরনের জন্য অন্যের বাড়িতে লজিং থেকে পড়া শোনা করে অনেক কষ্টে  অনার্স পাস  করে  চোখে-মুখে রঙিন  স্বপ্ন নিয়ে স্বপ্ন  দেখছিলেন  দরিদ্র বাবা-মার কষ্ট দূর করবেন।  বিভিন্ন জায়গা থেকে চাকুরির  অনেক সুযোগ আসা সত্ত্বেও  তিনি যোগদান করেননি কোথাও কারন তিনি এ গ্রামের ছেলে মেয়েদের শিক্ষিত করে তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে নামেন। ১৯৯২ সালে বামন ডাংগা  মাধ্যমিক বিদ্যালয় টি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই অবৈতনিক ভাবে বরাবর  সবাই কাজে যোগ দিয়ে শিক্ষা দিয়ে আসছেন।

গত ১৯৯৭ ইং সালে স্কুলটি গেজেটভুক্ত (জাতীয়করণ) করা হয় এবং সকল শিক্ষক কর্মচারী কে  পর্যায়ে ক্রমে বিভিন্ন  সময়ে গেজেটভুক্ত হলেও শিক্ষক মোহাসিন মিনা  এখনো পর্যন্ত গেজেটভুক্ত হয়নি। ফলে সবাই বেতন পেলে ও আজও তিনি পাননি কোন বেতন কাঠামো। এটা রাজনৈতিক নাকি প্রতিহিংসা এ নিয়ে এখন ও কিছু বলা যাচ্চে না।   এ যেন সবাই যার যার মতে কেউ কারো কোন কিছু দেখার  সময় নেই। একজন দোষ দিচ্ছেন আরেক জনের উপর। আর আদৌও সে কি তার চাকুরি জীবনে বেতন পাবে কিনা এটা নিয়ে পুরো পরিবার টি যেন চোখে মুখে  অন্ধকার দেখছেন ।

এ বিষয় স্কুলের প্রধান শিক্ষক মধুসূদন দত্ত কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন সাবজেক্ট জটিলতার কারণে তার বেতন টি এখন ও পর্যন্ত  চালু হয়নি। এটা  শিক্ষা মন্ত্রণালয় আবেদন করা আছে  কবে এটা অনুমোদন দিবে সে এ বিষয় সঠিক ভাবে বলতে পারছেন না।  এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সঙ্গে আলাপ করলে তিনি বলেন আমি বিষয় টি আগেও শুনেছি তাই আমি প্রধান শিক্ষক কে ফোনে সব বলেছি সে যেন দ্রুত সময়ে এটার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। সেই সাথে আমাদের ও একটাই চাওয়া এই সাবজেক্ট জটিলতা আর না দেখিয়ে অসহায় পরিবার টির পাশে এসে দাড়ানোর জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করছি।

কান্ট পৃথিবীর আলো নয়, তিনি একটি দীপ্তিমান সৌরজগত

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

যাদের যুক্তি পছন্দ তাদের পক্ষে জার্মান দার্শনিক ইমানুয়েল কান্টকে উপেক্ষা করা অসম্ভব৷ সোমবার তার ৩০০তম জন্মবার্ষিকী ছিল৷ ‘চিরস্থায়ী শান্তি’র এই লেখকের দর্শন আজও প্রাসঙ্গিক৷

১৭২৪ সালের ২২ এপ্রিল পূর্ব প্রুশিয়ার ক্যোনিগসব্যার্গে (বর্তমান রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদ) জন্মেছিলেন কান্ট৷

দুনিয়াকে বুঝতে হলে যে আপনাকে পৃথিবী ভ্রমণে বের হতে হবে, তা নয়৷ কান্ট কখনও তার শহর ক্যোনিগসব্যার্গ ছেড়ে যাননি৷ কিন্তু তারপরও তিনি দুনিয়া নিয়ে যে দর্শন দিয়েছেন তাতে সমৃদ্ধ হয়েছে দর্শনশাস্ত্র৷

শুধু তাই নয়, ১৭ শতকে তার হাত ধরেই ইউরোপে এনলাইটেনমেন্ট বা আলোকায়ন যুগ শুরু হয়েছিল৷ এনলাইটেনমেন্ট ছিল একটি বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন, যার উদ্দেশ্য ছিল বিজ্ঞান ও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে প্রথাগত বিশ্বাস ও কুসংস্কারের শাসন থেকে মানুষকে মুক্ত করে সমাজকে মানবিকতার পথে পরিচালিত করা৷

কান্ট পৃথিবীর আলো নয়, তিনি একটি দীপ্তিমান সৌরজগত

কান্টকে সর্বকালের সেরা চিন্তাবিদদের একজন ধরা হয়৷ তার অনেক দর্শন আজও প্রাসঙ্গিক৷ ১৭৯৫ সালে লেখা ‘অন পার্পেচুয়াল পিস’ প্রবন্ধে তিনি বিশ্বের সব প্রজাতন্ত্রের সমন্বয়ে ‘লিগ অফ নেশনস’ নামের একটি কেন্দ্রীয় সংগঠন তৈরি পরামর্শ দিয়েছিলেন৷ সেই পরামর্শ অনুসারেই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ‘লিগ অফ নেশনস’ তৈরি হয়েছিল, যেটি আজকের জাতিসংঘ৷

কান্ট মনে করতেন, প্রতিটি মানুষের বিশ্বের যে কোনো দেশে যাওয়ার অধিকার রয়েছে৷ তবে সেই দেশে তাকে সাদরে গ্রহণ করা হবে, বিষয়টা তেমন নাও হতে পারে৷

মানুষের মর্যাদা ও মানবাধিকারকে ধর্ম দিয়ে নয়, দার্শনিকভাবে যুক্তি দিয়ে বিচারের কথা বলতেন কান্ট৷

মানুষের উপর তার অগাধ বিশ্বাস ছিল৷ তিনি মনে করতেন, নিজের ও বিশ্বের সবার দায়িত্ব নেওয়ার ক্ষমতা মানুষের আছে৷ তাই তিনি মানুষকে এমনভাবে কাজ করতে বলতেন যেনস সেটা পরবর্তীতে সযে-কোনো সময় পৃথিবীর সবার জন্য আইন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে৷ আজকের বিচারে তার এই কথাটা এভাবে বলা যেতে পারে: আপনার শুধু তা-ই করা উচিত যেটা সবার জন্য ভালো হবে৷

১৭৮১ সালে প্রকাশিত কান্টের ‘ক্রিটিক অফ পিউর রিজন’ বইটি বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসের সন্ধিক্ষণ হিসাবে বিবেচিত হয়৷ এই বইয়ে তিনি দর্শনের চারটি মৌলিক প্রশ্ন তুলে ধরেছেন: আমি কী জানতে পারি? আমার কী করা উচিত? আমি কী আশা করতে পারি? আর মানুষ কী?

তার আগে পৃথিবীতে আসা অনেক দার্শনিকের বিপরীত চিন্তা করতেন কান্ট৷ তিনি বলেছেন, মানুষের মন ঈশ্বরের অস্তিত্ব, আত্মা বা পৃথিবীর শুরুর মতো প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পারে না৷

কান্টের সমসাময়িক জার্মান রোমান্টিক লেখক জ্যঁ পাউল (১৭৬৩-১৮২৫) বলেছিলেন, ‘‘কান্ট পৃথিবীর আলো নয়, তিনি একটি দীপ্তিমান সৌরজগত৷”

উপনিবেশবাদ ও দাসত্বের বিরোধী ছিলেন কান্ট৷

দৈনন্দিন জীবনে কঠোর নিয়মনীতি মনে চলতেন কান্ট৷ পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে অনেক সময় নিয়ে দুপুরের খাবার খেতেন, বিলিয়ার্ড খেলতে পছন্দ করতেন, আর খেলতেন কার্ড গেমস৷ থিয়েটারে যেতেও পছন্দ করতেন তিনি৷ আর চুল কাটার দোকানে কান্ট গল্প বলে সবাইকে আনন্দ দিতে পারতেন বলে জানা যায়৷

কান্টের ৩০০তম জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জার্মানিতে অনেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে৷ যেমন বন শহরে ‘আনরিজলভড ইস্যুস’ শীর্ষক একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে৷ এছাড়া জুন মাসে বার্লিনে একটি অ্যাকাডেমিক কনফারেন্স ও বছরের শেষ দিকে বন শহরে আন্তর্জাতিক কান্ট কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে৷ এই সম্মেলনটি কান্টের জন্মভূমি কালিনিনগ্রাদে করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল কিন্তু ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে৷ Source DW

Daily World News

শেখ হাসিনার নির্দেশ অমান্য করা হচ্ছে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনের দলীয় সিদ্ধান্তে

আবহাওয়া অফিস|| দাবদাহ নিয়ে দুঃসংবাদ