ঘটনাটি ঘটেছে অদ্য ০৭ ই এপ্রিল,২০২১ শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৭.৩০ মিনিটের সময় পটুয়াখালী সদর উপজেলাধীন ৮ নং মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের কুড়ালিয়া গ্রামে।
নিহত কিশোরী মিতু কুড়ালিয়া গ্রামের নুরজামাল গাজীর মেয়ে।
ঘটনাসূত্রে জানা যায়, আজ সকালবেলা মিতুর মা ডালতোলার জন্য ডাল ক্ষেতে যান এবং তার বাবা কাজে যান। এমতাবস্থায় ঘরের ভেতরে শুধুমাত্র মিতু ও তার আপন ছোট ভাই সাব্বির ( ৯) অবস্থান করে। সাব্বির ঘরের ওপাশ থেকে এসেই হঠাৎ মিতুকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে ডাকচিৎকার শুরু করে। সাব্বিরের ডাকচিৎকার শুনে তার মা ও প্রতিবেশীরা ছুটে আসলে মিতুকে ঘরের রুয়ায় (টিনের চালে ব্যবহৃত চারকোনা আকৃতির লম্বা কাঠ বিশেষ) ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে দ্রুত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
নিহতের বাবা নুরজামাল গাজী কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আমি কাজে গিয়ে হঠাৎ শুনতে পাই আমার মেয়ে হাসপাতালে। হাসপাতালে গিয়ে দেখি আমার মিতু আর বেঁচে নেই।
নিহতের মা আসমা বেগম বলেন, আমার মেয়ের মৃত্যু আমি কিছুতেই মেনে নিতে পারছিনা। আমার জানামতে ওর কারো সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো না। এবং আমাদের তেমন কোনো শত্রু ও নেই যে মারবে। আমি বুঝতেই পারছিনা আমার মেয়ে কেন আত্নহত্যা করলো!
এ ঘটনায় পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশের তৎপরতায় লাশ মর্গে পোস্টমর্টেম এর পরে মিতুর নিজ বাড়িতে দাফন কার্য সম্পন্ন হয়েছে।
এ ঘটনায় পুলিশ জানান, পোস্টমর্টেম রিপোর্ট ও তদন্তের ভিত্তিতে অত্র ঘটনার সঠিক বিষয় জানা যাবে।
//মোঃ তুহিন শরীফ, নিজস্ব প্রতিনিধি//
