চাঁদপুরের হাইমচরে যৌতুক মামলায় হয়রানীর স্বীকার দিন মজুর ছলেমান মিয়া

চাঁদপুরের হাইমচরে যৌতুক মামলায় হয়রানীর স্বীকার দিন মজুর ছলেমান মিয়া

মোঃ হোসেন গাজী।।

চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার নয়ানী লক্ষীপুর গ্রামের শাহাজান মিয়ার ছেলে দিনমজুর ছলেমান মিয়া-২০০৯ সালে(১৫০০০০)একলাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা দেন মোহরে বিবাহ করেন,পূর্বচর কৃষ্ণপুর গ্রামের মোঃ কালু মিয়া গাজীর মেয়ে আয়শা আক্তার’কে বিবাহ করেন,১৩ বছর দাম্পত্য জীবনে ১১ বছরের একজন পুত্র সন্তান রয়েছে।

এ ব্যাপারে ছলেমান মিয়া জানান আমার বিবাহের পূর্বে আমার স্ত্রী ঢাকা বোর্ড বাজারে বিবাহ হয়।সেই সংসার থাকাকালীন বাংলা বাজারের এক ছেলের সাথে তাহার প্রেমের সম্পর্ক হয়,সেই খবর জানতে পেরে সেখান থেকে অনেক টাকা দিয়ে বিদায় আদায় হয়ে থাকে।

দেশে ফিরে আসলে আয়শাকে মেনে নেয়নি ঐ ছেলে,উপায়ান্ত না পেয়ে,আয়শার বাবা মা আমার খালা খালুর সাথে কথাবার্তা বলে আমার সাথে বিবাহ দেন।তিনি আরো জানান,তার স্ত্রীর আগের প্রেমিকের আশা যাওয়া ছিলো,আমি বাধা দিলে সে আমার সাথে খারাপ আচরণ করতো,সেই থেকে আমার স্ত্রী বাপের বাড়িতে চলে যায় এবং গিয়ে একটি অফিসে চাকুরী করেন।

চাকরী করা কালীন অফিসের একটি ছেলের সাথে তাহার প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি হয়,আমি আমার স্ত্রী’কে ফিরে পাওয়ার জন্য উকিল নোটিশ করি।আমার স্ত্রী আমার সংসার করবে বলে উকিলের কাছে সম্মতি প্রধান করে,আমার বাড়িতে আসে এবং রাতের বেলায় হটাৎ তাহার বাবকে ফোন করে চিৎকার করে।

আমি ও আমার মা জিগ্যেস করলে সে কিছুই না বলে চুপ করে থাকে,কিছুক্ষণ পর তাহার বাবা হোটেল কালু হাইমচর থানার পুলিশ নিয়ে আমার বাড়ি আশে এবং আমি তাহার মেয়েকে মেরে ফেলার জন্যে নাকে মুখে বালিশ ছাপা দেই বলে অভিযোগ করেন এবং তাহার বাবার সাথে আমার বাড়ি হইতেচলে যায়।

আমাদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত নারী পুরুষদের জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন, ছলেমান অত্যন্ত ভালো এবং নিরব প্রকৃতির ছেলে,ছলেমান ১৩’বছর সংসার জীবনে আয়েশার গায়ে একটি টোকা দিয়ে দেখেনি,আয়েশা ছলেমান এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে যাচ্ছে,এর কারণ আয়েশার অন্য ছেলেদের সাথে সম্পর্ক রয়েছে।

এরপর সে আমার সংসার করবে না বলে ৫’লক্ষ টাকা দাবী করে,আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে,আমার স্ত্রী আমার বিরুদ্ধে ১০লক্ষ টাকার হয়রানী মূলক যৌতুক মামলা দায়ের করেন।

এ’বিষয়ে আয়শা আমাদের জানান,,আমি শ্বশুর বাড়িতে গেলে রাতে আমাকে মারার জন্যে মুখে বালিশ চাপা দেয়,আমি আমার বাবা’কে ফোন দিলে আমার বাবা পুলিশ নিয়ে আমাকে উদ্ধার করেন এবং আমার বাবার কাছে ব্যবসা করার জন্যে ১০লক্ষ টাকা দাবী করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *