এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||
পূর্ণিমার জোয়ারের পানিতে বাগেরহাটের রামপাল উপজলার বিভিন্ন এলাকায় প্লাবিত হয়েছে। সাধারন মানুষ বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন। জানা গেছে মোংলা- ঘোষিয়াখালি বঙ্গবন্ধু নৌ চ্যানেলসহ দাউদখালি, বগুড়া, তেতুলিয়া নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে।
এর ফলে এসব নদীর দুই তীরের অনেক এলাকা জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যায়। অনেক এলাকায় গ্রামীন রাস্তা তলিয়ে যাওয়ায় চলাচলে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারন মানুষ। বেশির ভাগ চিংড়ি ঘেরের বেড়ি বাঁধ ছুই ছুই করছে পানি। কিছু এলাকার চিংড়ি ঘের পানিতে তলিয়ে গেছে। কোন কোন নীচু এলাকায় বাড়ি ঘরের চারপাশে পানি উঠে যায়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে বাঁশতলী, ভোজপাতিয়া, হুড়কা, রামপাল সদর, রাজনগর, পেড়িখালি ইউনিয়নের অনেক এলাকা জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যায় বলে ওই সব এলাকার সাধারণ মানুষ ও জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।
দাউদখালি নদীর পানি উপচে পড়ে ফয়লাহাট ও ঝনঝনিয়া বাজার, গিলাতলা বাজার তলিয়ে যায়। গতকাল বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক হাটের দিন বেলা ১১টার দিকে দেখা যায় বাজারের ড্রেনের মুখ খোলা থাকায় জোয়ারের পানিতে ফয়লা বাজারের অর্ধেকটা তলিয়ে যায়। এর ফলে বাজারের কাচা মালামাল পানিতে ভাসতে থাকে। দোকানদাররা বেচাকেনা বাদ রেখে মালামাল রক্ষায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ঝনঝনিয়া বাজারের পাশের একজন বাসিন্দা জানান দাউদখালি নদীর জোয়ারের পানিতে ঝনঝনিয়া বাজার সহ চলাচলের রাস্তা, মাঠ ও আশপাশের অনেক এলাকা তলিয়ে যায়। পশুর নদীর পানিতে গৌরম্ভা ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকায় জোয়ারের পানি উঠে যায়। মইদাড়া নদীর পানিতে রাজনগর ইউনিয়নের অনেক এলাকা জোয়ারের পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ‘র সদস্য এম, এ সবুর রানা বলেন পূর্ণিমার জোয়ার ও তীব্র মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে জোয়ারের পানি বেড়েছে।
এ ছাড়াও নদী খাল সংকুচিত হওয়ায় জোয়ারের পানি উপচে পড়ছে।
রুপসায় বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে এক যুবকের মৃত্যু

