//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম//
রফতানি চালানের মাধ্যমে ২২ লাখ টাকা পাচারের অপচেষ্টা করা হলেও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের তৎপরতার কারনে সফল হতে পারে নি সংশ্লিষ্ট রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান ২২ মার্চ চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ টাকা পাচারের এই অপচেষ্টা উৎঘাটন করতে সক্ষম হন।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের ডেপুটি কমিশনার মো: আহসান উল্লাহ জানান, ঢাকার গুলশান এভিনিউস্থ আর এম স্টোরের ইনফিনিটি সার্ভিস সলিউশন নামের একটি প্রতিষ্টানের চালান ( বিল অব এক্সপোর্ট নম্বর সি- ৪৮২৩৯৭) সংযুক্ত আরব আমিরাতে রফতানির উদ্দেশ্যে এছাক ব্রাদাস ইন্ডস্ট্রিজ লিমিটেড নামের একটি বেসরকারী কনটেইনার ডিপোতে আনা হয়। চালানের সি এন্ড এফ এজেন্ট চট্টগ্রামের আগ্রাবাদস্থ ডায়নামিক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড।
বিল অব এক্সপোর্টের বিপরীতে রফতানিকারক প্রতিষ্টান শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে এলসি খুলেছেন। রফতানিকারক ঘোষিত ৩৮ হাজার ৩১১ পিস পন্যের বিপরীতে ২১ হাজার, ৯৭২ পিচের বিপরীতে ২১ হাজার, ৯৭২ দশমিক ৭৫ ডলার (প্রতিপিসের ঘোষিত মূল্য .৫৭ ডলার) বা ১৮ লাখ ৯০ হাজার ৭৫০ টাকা প্রাপ্তি হতো কিন্ত কায়িক পরিশ্রমে ৮৩ হাজার ৩৫১ পিস পন্য পাওয়া গেছে। অতিরিক্ত ৪৫ হাজার ৪০ পিস পন্য পাওয়া যায়। সঠিক ঘোষণা থাকলে বাংলাদেশী মুদ্রায় ৪০ লাখ৮৮ হাজার ২৪১ টাকা প্রাপ্ত হতো। রফতানিকারক এ চালানের মাধ্যমে ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৪৮৬ টাকা পাচারের অপচেষ্টা করেছেন।
এ ঘটনায় দায়ীদের বিরোদ্ধে কাস্টমস এক্ট ১৯৬৯ এবং প্রচলিত আইন ও বিধি মতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের প্রক্রিয়া চলছে বলে বলে জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য রফতানি কারক প্রতিষ্ঠানটি ২০২০ সালের ১ জুলাই থেকে এ পর্যন্ত ৫ টি চালান রফতানি করেছে।

