বরিশাল নগরীর ২০ নং ওয়ার্ড কলেজ এ্যভিনিউর বাসিন্দা সিমা আক্তার। অভিযোগ রয়েছে,প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতারণার মাধ্যমে যুবকদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়াই সিমা আক্তার( ছদ্মনাম) এর নেশা। ইতিমধ্যে দুই যুবককে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে। তবে নিজেকে রক্ষায় বরিশালের কতিপয় প্রভাবশালীদের সাথে অবৈধ শারীরিক সম্পর্কে কথাও শোনা যায় তার বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী এক ব্যাক্তির ভাষ্যমতে, প্রথমে বিভিন্ন ব্যাক্তিদের সাথে পরিচয় হলে নিজেই ফেইজবুকের মাধ্যমে বিভিন্ন অশ্লীল ছবি প্রদান ও ভিডিও কলে কথা বলা স্ক্রিনশট রেখে দেয় সীমা এবং পরবর্তী সাক্ষাতে তাদের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবী করে সিমা ও আয়শা । টাকা না দিলে ফেসবুকে এসব আপত্তিকর ছবি ও স্ক্রিনশট ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করে। অভিযোগ রয়েছে, নিয়মিত মাদকসেবী হিসেবে আয়শা ও সিমা গাজায় আসক্ত। আর তাদের একটি প্রতারনার গ্যাং রয়েছে যারা প্রতিনিয়ত একই কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে থাকে নগরীর বিভিন্ন স্থানে ।
সর্বশেষ নগরীর এক যুবকের কাছে পাঁচলাখ টাকা দাবি করে প্রতারক সিমা আক্তার। প্রতারণা করার চেষ্ঠা ও ষড়যন্ত্রের একটি ভিডিও ফুটেছে রয়েছে এ প্রতিবেদকের কাছে।। । নগরীর কাউনিয়া থানা সেকসন রোড নিবাসি রাকিবুল অভিযোগ করে বলেন, দুই মাস আগে তার এক বন্ধুর মাধ্যমে সিমার সাথে পরিচয় হয়। এর পর প্রেমের ছলনায় ও টাকার বিনিময়ে রাতকাটায় বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে। এরপর রাকিবুলকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় সিমা।
রাকিব জানতে পারে, ইতিপূর্বে নগরীর বিপ্লব নামে এক যুবকের সাথে প্রেমের নামে প্রতারনা করে এবং তাকে ব্লাকমেইল করে তার কাছ থেকে প্রতি মাসে টাকা নেয় সিমা। তখন রাকিবুল সিমাকে বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলে সিমা রাকিবুলের কাছে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে এবং বিভিন্ন ব্যাক্তির কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে রাকিবুলকে বিভিন্ন প্রকার হুমকি অব্যাহত রাখে সীমা। ভুক্তভোগী রাকিবুল, অভিযুক্ত সীমার হাত থেকে রক্ষা পেতে সমাজের সচেতন মহলসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সম্প্রতি রাকিবুল ইসলাম নামের এক যুবককে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ব্লাকমেইল ও কথিত নারী শিশু নির্যাতন মামলা দেয়ার পর বেড়িয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য ও ভিডিও।
তথ্য, উপাত্ত যাচাই-বাছাই করে জানা যায় যে নগরীর একাধিক মাদক,মানব পাচার ও দেহব্যবসার টিমের সাথে জড়িত মাদক সম্রাজ্ঞী রাবেয়া কাজিপাড়ার নিবাসী আয়শা, তানহা, সিমা,শিমুল,রাকিন, পলাশপুরের মুন্নি, কাশিপুরের সিকদার বাড়ির ভাড়াটিয়া উজিরপুরের নুপুর সহ বেশ কয়েকজন। গত বছর ডিবির হাতে রাতের রানী ও ব্লাকমেইলার ঝুমুর বাহিনী গ্যাংসহ ধরা পড়ার পর থেকে বের হতে শুরু করে একের পর এক ব্লাকমেইলার টিম। কাজিপাড়ার আয়শার বিষয়ে অনুসন্ধান করে দেখা যায় যে, আয়শার হাত থেকে রক্ষা পায়নি রাজনৈতিক নেতা, যুবক,ছাত্র, সাংবাদিক, পুলিশ কেউই। কৌশলে অভিজাত এলাকার ঐহিহ্যপূর্ণ পরিবারের মেয়ে হিসেবে পরিচয় দিয়ে শিকার ঘায়েল করতো আয়শা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত বক্তব্য জানার জন্য বিভিন্ন ম্যধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মাগুরায় দুই মেম্বার পদপ্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে নিহত ৫ আহত প্রায় ১০

