//এম মুরশীদ আলী//
খুলনার রূপসা উপজেলায় ২১ টি মাধ্যমিক ও ৯টি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী নিয়ে ২০২৩ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গত রবিবার ৩০ এপ্রিল সকাল ১০টায় শুরু হয়। এ বছর রূপসা উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার্থী’র জন্য ৪টি কেন্দ্রে প্রথম দিনে বাংলা পাঠ্য বইয়ের লিখিত পরীক্ষা এবং দাখিল পরীক্ষার্থী’র ১টি কেন্দ্রে কুরআন ও তাফসীরের লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়।
পরীক্ষার কেন্দ্রগুলি হচ্ছে- কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৪৫৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪৫২ জন অংশ গ্রহন করে এবং ৫ জন অনুপস্থিত। বেলফুলিয়া ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মোট ৬৯৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৬৯০ জন অংশ গ্রহন করে এবং ৫ জন অনুপস্থিত। শিয়ালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মোট ৪৪৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪৪১ জন অংশ গ্রহন করে এবং ৪ জন অনুপস্থিত। ভোকেশনাল কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোট ১৩৯ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১২৮ জন অংশ গ্রহন করে এবং ১১ জন অনুপস্থিত। সামন্তসেনা দাখিল মাদ্রাসায় মোট ২৬৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৫৪ জন অংশ গ্রহন করে এবং ১১ জন অনুপস্থিত। তথ্যমতে মোট ২০০১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১,৯৬৫ জন অংশ গ্রহন করে এবং ৩৬ জন অনুপস্থিত।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইরিন পারভীন বলেন, বিগত ২ বছর করোনাকালীন সময়ে দেশে জরুরী অবস্থার মধ্যে শিক্ষার্থীদের সিলেবাসের স্বল্প-পরিসরে পরীক্ষা হয়। এ বছর পূর্নাঙ্গ সিলেবাসে/১০০ নম্বরের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পরীক্ষা শুরু থেকে শেষ সময় পর্যন্ত কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এসএসসি এবং এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ২৩ মে এবং দাখিলের লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ২৫ মে।
পরীক্ষা কেন্দ্র কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোহিনুর জাহান। তিনি জানান, পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে কেন্দ্র পরিদর্শন সহ সার্বিক খোজ-খবর নেন। শিক্ষার্থীরা যাতে পরীক্ষা শুরুর আধা ঘণ্টা আগে প্রবেশ করতে পারে এবং কেন্দ্র এলাকায় কোন প্রকার যানজট বা লোক জমায়েত না করতে পারে। সে দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কেন্দ্রগুলোর ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ছিল। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরীক্ষা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষনিক খেয়ালে ছিল প্রশাসন।
মনতাজ আলী বেপারী// পলাতক যুদ্ধাপরাধী ছয় বছর ধরে পরিবারের সঙ্গে লুকিয়ে ছিল: র্যাব

