আবারো মুখ থুবড়ে পড়েছে খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রস্তুতকরণ কাজ

আবারো মুখ থুবড়ে পড়েছে খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রস্তুতকরণ কাজ

জমি অধিগ্রহণ সরকারি বন্দোবস্ত করণ ও অবৈধ দখলের কারণে পিছিয়ে পড়েছে খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রস্তুতকরণ কাজ। ইতিপূর্বে সড়ক নির্মাণ হওয়ার কথা থাকলেও নানা কারণে পিছিয়ে পড়েছে সড়কটির কাজ।
এতে করে এ অঞ্চলের মানুষের যানজটে ভোগান্তি বেড়েছে দ্বিগুণ। দীর্ঘদিন যাবৎ ধরে সড়কটি বেহাল দশায় পড়ে রয়েছে। দেখার কেউ নাই। ভুক্তভুগী এলাকাবাসী জানায় কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারনে এই সড়কটি রূপসা হইতে ব্রিজ পর্যন্ত বেহাল দশায় পড়ে আছে। সড়কে বড় বড় গর্ত হয়েছে।
হাঁটু সমান পানির ভিতরে পড়ে অনেকেই হাবুডুবু খাচ্ছে। চলন্ত ট্রাক, চলন্ত অটো প্রতিদিন শিপইয়ার্ডের সামনে ও আল আমিন স্কুলের সামনে গর্তের ভিতর পড়ে উল্টে যাচ্ছে। ফলে সাধারন যাত্রীরা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক তৈরির জন্য জায়গা ছাড়লেও। কি এমন কারণে সড়কের কাজটি বন্ধ রয়েছে তা নিয়ে জনগণের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। সড়কটি করার ব্যাপারে কারো কোন মাথাব্যাথাই নাই এমনটি বলছে অত্র এলাকার জনগণ ।
তাই দিন দিন এই সড়কটির অবস্থা আরও মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকে গাড়ী চলাচলের জন্য চুমকী সড়ক, চাঁনমারী সড়ক দিয়ে চলাচল করছে। ভুক্তভুগী পথচারীরা এই সড়ক দিয়ে যাতায়াতে মারাত্মক ঝুকি বলে মনে করে,এবং তারা বলে এই সড়ক দিয়ে চলাচল করলে যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে বলে তারা মনে করেন ।
স্থানীয় এলাকাবাসীরা সিটি কর্পোরেশনে বারবার অভিযোগ করলেও সড়কের কাজের কোন অগ্রগতি হচ্ছে না। বিভিন্ন লোকমুখে শোনা যায় এই সড়কটির কাজ সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত নয় এটি কেডিএর অন্তর্ভুক্ত। খুলনা মহানগরী এলাকার খুব যানজট এবং জনবহুল দুটি মোড় হচ্ছে ময়লাপোতা মোড় এবং রুপসার মোড়।ইতিমধ্য ময়লাপোতা টু জিরোপয়েন্ট সড়ক প্রশস্তকরণ কাজ শেষের পথে।অথচ আমাদের এই রুপসার মোড়ের সড়কটির কাজ ধোয়াসার ভিতরে ।
এই সড়কটি নিয়ে বহুবার বিভিন্ন ধরনের বাধা অতিক্রম করে সড়ক নির্মানের কাজের অর্ডার হলেও তা আজও নির্মান হয়নি। তাই দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবি সড়কটি নির্মাণকাজ যারই আওতায় হোক না কেন এটি নির্মানের জন্য তারা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আসু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
// শরিফ আহম্মেদ মোল্লা //

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *