//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম//
চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের হাতের লেখা পরীক্ষার অনুমতি প্রদান করেছেন বিজ্ঞ আদালত। আগে গত ৭ মার্চ মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিআইবি বাবুল আক্তারের হাতের লেখা পরীক্ষার আবেদন করেন। ২২ জুলাই (মঙ্গলবার) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আবদুল হালিম এ আদেশ দেন। বিজ্ঞ আদালত চলাকালে মিতুর স্বামী বাবুল আক্তারকে আদালতে উপস্থিত করা হয়।
বাবুল আক্তারের আইনজীবি অ্যাডভোকেট এ কে এম আজহারুল হক জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের হাতের লেখা পরীক্ষায় আবেদন করেছিলেন। আজ শুনানী শেষে বিজ্ঞ আদালতে তা মঞ্জুর করেন। তা ছাড়া পিআইবির উপস্থিতিতে বাবুল আক্তারের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
২০২১ সালের ৬ মার্চ মিতুর বাবা মোশারফ হোসেনের দায়ের করা মামলার ফাইনাল রিপোট গ্রহন করেন আদালত। ২০২১ সালের ১০ মে মামলার বাদী বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পি আই বি চট্টগ্রাম মেট্রো কার্যালয়ে ডেকে আনা হয়। ১১ মে নিহত মিতুর স্বামী বাবুল আক্তারকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে সারাদিন জিজ্ঞাসাবাদ করে পিআইবি। তদন্তকালে মিতু হত্যায় বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তার বিরোদ্ধে মামলা দায়েরের জন্যে পিআইবি আদালতে ৫৭৫ পৃষ্টার চুড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।
উল্লেখ্য ২০১৬ সালের ৫ জুন ভোরে চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে নিজ সন্তানের সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয় মাহমুদা খানম মিতুকে। এ ঘটনায় ঢাকায় অবস্থানরত নিহত মিতুর স্বামী বাবুল আক্তার বাদী হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার আরজিতে নিজের জঙ্গিবিরোধি কার্যক্রমের কারনে স্ত্রীকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি অভিযোগ করেন। ঘটনার কয়েকদিন পার হতে না হতেই তদন্তে মোড় ঘুরে যায়। তার শ্বশুর অভিযোগ করেন এ হত্যা কান্ডে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তানা পুলিশের পর মামলাটি তদন্তে নামেন ডিবি। প্রায় তিন বছর তদন্ত করেও াভিযোগ পত্র দিতে ব্যর্থ হন ডিবি। পরে ২০২০ সালের প্রথম দিকে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্তের ভার পান পিআইবি।
বরগুনার আমতলীতে মৎস্য আহরণ বিরত জেলেদের চাল বিতরণ

