//আজিজুল ইসলাম, খুলনা//
রূপসায় বজ্রপাতে নিহত ট্রলার মাঝি মতি শিকদারের (৪৫) লাশ বটিয়াঘাটা থানার আলুতলা দশগেট নামক স্থান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ১৬ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে নদীতে মাছ ধরার সময় শংকর জেলের জালে আটকা পড়ে মতি গাজীর লাশ। খবর পেয়ে রূপসা ঘাট মাঝি সংঘের সভাপতি রেজা ব্যাপারী ও সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ ব্যাপারী এবং মতি শিকদারের নিকট আত্মীয়-স্বজন সেখান থেকে রাতেই মৃতের লাশ নিয়ে আসে। মতি মাঝির লাশ চর রূপসাস্থ রেলওয়ে মসজিদ ময়দানে পৌঁছালে তাকে শেষবারের মত একনজর দেখার জন্য গ্রামবাসীর ভিড় জন সমুদ্রে পরিণত হয়। এসময় নিকট আত্মীয় ও প্রতিবেশীদের আহাজারীতে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে। লাশের গোসল করানোর পর রাতেই মাদারীপুর গ্রামের বাড়ি নিয়ে পরদিন সকালে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য গতকাল ১৫ জুন বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে রূপসা নদীতে বজ্রপাতে ট্রলার মাঝি মতি শিকদার (৪৫) নিখোঁজ হয়। এসময় মাঝি সংঘের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ খোকন শেখ (৫৫), বাগমারা গ্রামের নিজামের ছেলে নাজমুল হাসান রানা (২২) ও মতি মাঝির ছেলে রাকিবসহ (১৫) কমপক্ষে ৭ জন আহত হয়। আহতদের খুলানা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
ঘটনার দিন মতি শিকদার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে পূর্ব রূপসা ঘাট থেকে ট্রলারে ১৭ জন যাত্রী নিয়ে পশ্চিম রূপসা ঘাটের দিকে যাচ্ছিলো। একই সময় পশ্চিম রূপসা ঘাট থেকে খোকন মাঝি ট্রলার নিয়ে পূর্ব ঘাটে আসছিলো। এ সময় ট্রলারের নিকটে বিকট শব্দে বজ্রপাত ঘটে। এতে কানের পর্দা ফেটে খোকন মাঝি, মতি শিকদারের ছেলে রাকিব ও যাত্রী নাজমুল হাসান রানাসহ ৭ যাত্রী গুরুতর আহত হয়। এসময় ট্রলার মাঝি মতি শিকদার নদীতে পড়ে যায়। বাবাকে বাঁচাতে মতি মাঝির ছেলে রাকিবও নদিতে ঝাপ দেয়।
পলাশপুর ১০ বছরের শিশুকে মাদ্রাসার শিক্ষক মনিরের হাতে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ

