বরগুনার আমতলীর গরুরহাটে ক্রেতার সংকট

বরগুনার আমতলীর গরুরহাটে ক্রেতার সংকট

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

দেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যার প্রভাবে বরগুনার আমতলীর বৃহৎ গরুর হাটে বিক্রিতে সংকট দেখা দিয়েছে।হাটটিতে দেশীয় গরুতে সয়লাব হলেও ক্রেতা সংঙ্কটে গরুর দাম কমে গেছে। বন্যার প্রভাবে হাটে পাইকারী ক্রেতা আসেনা। ফলে গরুর দাম অনেক কমে গেছে। গত সপ্তাহে এ হাটে এক হাজার দুই’শত ৮০ টি গরু বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে হাটে বিক্রি অর্ধেকে নেমে আসবে বলে ধারনা করছেন গরুর হাট পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান।

জানাগেছে,দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ গরুর হাট আমতলী পৌরসভার গরুর হাট। সপ্তাহে প্রতি বুধবার হাট বসে। দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল,পটুয়াখালী,বরগুনা, ভোলা ও পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে খামারী ও ক্ষুদ্র বিক্রেতারা হাটে গরু নিয়ে আসেন। প্রতি হাটে অন্তত ৭ হাজার গরু আসে। এ হাটে দেশের কুষ্টিয়া, ঝিনাইদাহ, যশোর, রাজশাহী, পাবনা, দিনাজপুর, নোয়াখালী, কুমিল্লা, সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, লক্ষীপুর ও শিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলা থেকে অন্তত দের শতাধিক পাইকারী ক্রেতা আসেন। উত্তরাঞ্চলে বন্যা হওয়ায় এ হাটে এ সপ্তাহে তেমন পাইকারী ক্রেতা আসতে পারেনি বলে জানান হাট পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান। ফলে আমতলী হাটে গরুর দাম কমে গেছে। হাটে দেশীয় গরুতে সয়লাব হলেও ক্রেতা কম।

বরগুনা চরকগাছিয়া গ্রামের গরু বিক্রেতা দেলোয়ার গাজী ও মাসুম মৃধা বলেন, হাটে চারটি গরু এনেছি। কিন্তু ক্রেতা না থাকায় বিক্রি করতে পারেনি। ক্রেতা যারা এসেছে তারা দাম অনেক কম বলে। গত সপ্তাহে যেই গরুর দাম ছিল ৭০ হাজার টাকা, সেই গরুর দাম বলে মাত্র ৫৫ হাজার টাকা।

আমতলী গরুর হাট পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, উত্তরাঞ্চলের বন্যার প্রভাবে আমতলী গরুর হাটে পশু ক্রয়- বিক্রয়ে ধস নেমেছে। ওই অঞ্চল থেকে পাইকার আসতে পারেনি। যারা এসেছে তারা তেমন গরু কিনছে না। গত হাটে এক হাজার দুই’শ ৮০ টি গরু বিক্রি হয়েছিল । বিক্রির যে অবস্থা তাতে এ হাটে বিক্রি অর্ধেকে নেমে আসবে। তিনি আরো বলেন, কোরবানীর হাট উপলক্ষে বিক্রি থাকার কথা ছিল জমজমাট কিন্তু অনেক কম।

Daily World News

এ পর্যন্ত আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে ৯২০ জন নিহত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *