রূপসায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন খুলনা জেলা প্রশাসক

রূপসায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন খুলনা জেলা প্রশাসক

 

দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণ কাজে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে তদন্তে নেমেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একাধিক টিম। রূপসায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে  খুলনা জেলা প্রশাসক ।

এর অংশ হিসাবে শুক্রবার বিকালে জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার এর নেতৃত্বে রূপসা উপজেলার আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন একটি টিম।

এ প্রকল্পের পরিচালক বলেছেন, মুজিব বর্ষ উপলক্ষে ঘর নির্মাণ কাজে প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্স রয়েছেন। সকল জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনকে বলা হয়েছে। আমরা মাঠে আছি তোমরাও মাঠে থাকো। যাতে কোন জায়গায় কোন ত্রুটি বিচ্যুতি না থাকে। কোথাও তা পাওয়া গেলে যেনো তা সংশোধন করা হয়। এটি প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্প, স্বপ্নের প্রকল্প। একটি গরিব লোক যিনি ঘর পাচ্ছে তারতো স্বপ্নের শুরুমাত্র। তাই এই কাজে কোন অবহেলা করা হবে না, অবহেলা সহ্যও করা হবে না।

রূপসায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন খুলনা জেলা প্রশাসক

প্রকল্প পরিচালক আরও বলেন, আমাদের প্রকল্প অফিস থেকে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া ছিলো এই মূহর্তে ঘর নির্মাণ করা যাবে এমন খাস জমি পেলে ঘর নির্মাণ করতে হবে। আমরা কাউকে বলিনি তোমরা নদীর পাড়ে, খালের পাড়ে, মাটি ভরাট করে এখনই করো। ত্রুটি বিচ্যুতি দু-একটি হয়ে থাকলে আমরা সাথে সাথে ব্যবস্থা নিচ্ছি। এ কাজের (অনিয়মের) সাথে যারা জড়িত ছিলো তাদের ব্যাপরে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমাদের পর্যবেক্ষণের বাইরে কেউ নেই। সরকারি টাকা অপচয় হউক, জলে যাক তা আমরা চাইনি। স্বাধীনতা যুদ্ধে জাতির পিতার আহ্বানে যেভাবে ঝাপিয়ে পরেছিলাম। এই ঘর নির্মাণের কাজ একইভাবে হচ্ছে। আমরা চাচ্ছি না কোন ত্রুটি বিচ্যুতি হউক, এটি কাম্য নয়। আগামীতে হবে না।

রূপসায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন খুলনা জেলা প্রশাসক

পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইউসুপ আলী, উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম,উপজেলা প্রকৌশলী এস এম ওয়াহিদুজ্জামান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফ হোসেন প্রমুখ।

রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া তাছনিম জানান, প্রধানমন্ত্রীর মহতী উদ্যোগকে আমরা সম্মান জানিয়ে সবর্ত্র চেষ্টা করে যাচ্ছি ভূমিহীন ও গৃহহীনদের স্থায়ী ঠিকানা দেয়ার জন্য। আমি সদ্য যোগদান করেছি উপজেলায়। যোগদানের পরই কমিটির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ঘরগুলো মান সম্মতভাবে নির্মাণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। উপজেলায় ২১৫টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি ঘর গৃহীনদের বসবাসের উপযোগি করা হয়েছে।

//আ. রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অভয়নগরে বাজার মনিটরিং নাথাকায় নিত্যপণ্যের মূল্য আকাশ ছোঁয়া

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *