শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//
বশেমুরবিপ্রবিতে ধর্ষকের বিচার চেয়ে ৭২ ঘন্টা আল্টিমেটাম দেয়া হয় । ধর্ষকের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার আশ্বসতা নিশ্চিত কল্পে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ঘোষনা দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী গোপালগঞ্জ হেলিপ্যাডের দক্ষিণ পাশে নির্মাণাধীন জেলা প্রশাসকের ভবনের পাশে থাকা স্কুলে গণ ধর্ষণের শিকার হয়। ওই দিন রাতেই পুলিশ সেই মেয়ের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে পিয়াস সিকদার নামক এক ছেলেকে গ্রেপ্তার করে। ধর্ষণকারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ কর্মী এস এম ফাহাদ সার্জিল এর আপন চাচাতো ভাই।
উক্ত পিয়াস সিকদার এর জবানবন্দি সংগ্রহ করে আরো তিনজন হরিজন সম্প্রদায়ের (অন্তর জোমাদ্দার,জীবন জোমাদ্দার,ফরিদ) আটক করে পুলিশ।
উক্ত মামলায় RAB- 8 নতুন আরো ছয়জনকে আটক করে। আটককৃতরা হলেন রাকিব মিয়া, পিয়াস ফকির, প্রদীপ বিশ্বাস, মোঃ নাহিদ রায়হান, মোঃ হেলাল, তুর্য মোহন্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত আন্দোলন কার্যকর করে। পরে তারা ১০ তারিখের মধ্যে কার্যকর না হলে । আবার হুশিয়ারী দেয়া হয় । শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও স্থানীয় প্রশাসন ধর্ষকের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার আশ্বসতা নিশ্চিত করেন।
১০ তারিখের ভেতরে ধর্ষকের বিচার এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও স্থানীয় প্রশাসন । বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক কর্মকর্তা বলেন, ধর্ষকের বিচার এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
এ ব্যাপারে পুলিশ জানায় পিয়াস সিকদার এর জবানবন্দি সংগ্রহ করে আরো তিনজন হরিজন সম্প্রদায়ের (অন্তর জোমাদ্দার,জীবন জোমাদ্দার,ফরিদ) কে আটক করা হয়েছে।

