৫০টাকা বকশিস কমের জন্য অক্সিজেন খুলে দেয়: রোগীর মারা যায়

৫০টাকা বকশিস কমের জন্য অক্সিজেন খুলে দেয়: রোগীর মারা যায়

আজ বকশিস ৫০ টাকা কম পাওয়ায় ওয়ার্ড বয় অক্সিজেন মাক্স খুলে দেয়ায় রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

ঘটনার শিকার রোগীর নাম বিকাশ চন্দ্র দাস (১৮)। তিনি গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার শিয়ালকুন্ডি গ্রামের বিশু দাসের ছেলে।

নিহতের স্বজনরা জানান, বিকাশ চন্দ্র মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় সাঘাটায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়। এরপর স্থানীয় লোকজন তাকে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে তারা হাসপাতালে গেলে সেখান থেকে তার ক্ষত স্থানগুলোতে ব্যান্ডেজ করে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলে। এরপর শজিমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়ার পর ওয়ার্ড বয় দুলু ট্রলি নিয়ে যায়।

বুধবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ‘তদন্ত কমিটিকে আগামী ৫ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।’

ডা. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ‘আমরা হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য মাঝে মধ্যে দৈনিক মজুরির চুক্তিতে লোক নিয়ে থাকি। অভিযুক্ত ব্যক্তিও সে রকম একজন কর্মী। এ বিষয়ে যদিও লিখিত কোনো অভিযোগ আমরা এখনো পাইনি এরপরও আমাদের নজরে আসায় আমরা ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. মতিন আলী আকন্দকে প্রধান ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ওই ওয়ার্ড বয়ের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এদিকে, ছিলিমপুর মেডিক্যাল ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) শামিম হোসেন বলেন, ‘গতকাল রাতেই অভিযুক্ত ওয়ার্ড বয় দুলুর নাম ঠিকানা রোগীর স্বজনদের কাছে দিয়েছি। তাদের থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। কিন্তু তারা এখনও অভিযোগ দেননি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা বিষয়টি দেখছেন বলে জানিয়েছেন। এরপরও আমরা তাকে আটকের চেষ্টা করছি।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টা দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বকশিশ ৫০ টাকা কম দেয়ায় সড়ক ‍দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত রোগীর অক্সিজেন মাক্স খুলে দেয়ায় অভিযোগ উঠে এক ওয়ার্ডবয়ের বিরুদ্ধে। ঘটনার পরপরই হাসপাতালের আনসারদের সহযোগিতায় ওই ওয়ার্ডবয় পালিয়ে যায়।

//অনলাইন নিউজ//

দৈনিক বিশ্ব

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের প্রতারণার ৫০০ কোটি টাকার সন্ধান

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *