।।ভাগ্য বিড়ম্বনা।। সময়ের বিবর্তন ও সরকার পরিবর্তন হয়- জীবন বদলায়না

।।ভাগ্য বিড়ম্বনা।। সময়ের বিবর্তন ও সরকার পরিবর্তন হয়- জীবন বদলায়না

 

সময়ের বিবর্তন ও কালের পরিক্রমায় সরকার আসে সরকার যায়। কিন্তু সমূদ্র তীরবর্তী সাতক্ষীরা, খুলনা, বরিশাল, বরগুনা,ভোলা,লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী,কক্সবাজার, চট্টগ্রামসহ সকল জেলার মানুষের জীবনের দুঃখ গাঁথা একই থেকে যায়। দেশ স্বাধীনের আগে পরে সংগঠিত হওয়া প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘূর্ণিঝড়, বন্যা,জলোচ্ছ্বাসের পর সরকারসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা কিছুদিন যতসামান্য ত্রাণ বিতরণ করে।

 

সরকারি- বিরোধীদলের নেতা- কর্মী,সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, সুশীল সমাজের লোক উপকূলীয় অঞ্চলের জনগণের দুঃখকষ্ট নিয়ে কয়েকদিন হা হুতাশ করে,সমাধানের জন্য টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ,সুপেয় পানিজলের ব্যবস্থাসহ, সুন্দরবন রক্ষার জন্য করণীয়, বর্জনীয় নিয়ে আলোচনা করে সরকারি-বেসরকারী চ্যানেলগুলিতে বিতর্কের ঝড় তোলে।তারপর দুর্যোগের সময়কাল কিছুদিন অতিবাহিত হয়ে গেলে মহাজ্ঞানীরা সব কিছু ভুলে যায়।

 

আর কিছুদিনের মধ্যে কায়িকশ্রমে উপকূলীয় জনগণ অরক্ষিত বেড়িবাঁধ ও ঘরবাড়ি মেরামত করে জীবন ও জীবিকা শুরু করে।একবুক স্বপ্ন নিয়ে আবারও বেঁচে থাকার আশায় বাসা বাঁধে ঝড়,বন্যা,জলোচ্ছ্বাস ও সরকারের ঔদাসিন্যতাকে ভুলে। জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বিশ্বসংস্থা কর্তৃক তহবিল গঠন হয় এবং সেই তহবিলের টাকা খরচ হয় কিন্তু কোথাকার টাকা কোথায়, কি পারিমানে খরচ হয় তা অধিকাংশ ক্ষেত্রে অজানাই থেকে যায় এই সুন্দরবন তীরবর্তী এলাকার দুর্দশা ও হতাশাগ্রস্ত জনগণের।

 

সাতক্ষীরাসহ উপকূলীয় অঞ্চলের সহজ সরল জনগণ নিজেদের বুক পেতে নিতে পারে ঝড়,বন্যা,জলোচ্ছ্বাসসহ নানা প্রতিকূলতা,নিজের বুক পেতে নিতে পারে বাঁধ ভাঙা সমূদ্রের ঢেউ। এমনি কি জীবিকার জন্য সংগ্রাম করতে পারে হিংস্র বাঘের সাথে। কিন্তু শেখেনি নিজেদের জীবন ও জীবিকার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় টেকসই বেড়িবাঁধ, সুন্দর বনের সুরক্ষাসহ প্রয়োজনীয় দাবি দাওয়া আদায়ের জন্য রাজপথে নামতে।

 

//নিজস্ব প্রতিবেদক, স্বীকৃতি বিশ্বাস//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

আদালতের রায় উপেক্ষা করে জোড়পূর্বক জমি দখল করে ঘর নির্মাণ

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *