//বিশেষ প্রতিনিধি//
চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার মোকলেছ পাটওয়ারী,মাতাঃ শাহিদা বেগম, ৩ নং দক্ষিণ আলগী ইউনিয়নের পূর্বচর কৃষ্টুপুর গ্রামের স্হানীয় বাসিন্দা
চাকুরীরত আছেন শাহাদৎ হোসেন,কক্সবাজার ফাঁড়ি থানায় কর্মরত, শাহাদৎ হোসেন দূর্চরিত্রবান প্রকাশ পেল,নিজ থানায় একি ওয়ার্ডের প্রতিবেশী মিসেস মিক্তা আক্তারকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে গোপনে অন্ন ইউনিয়নের কাজীর নিকট নিকাহ নামার মাধ্যমে শরিয়া মোতাবেক বিবাহ করেন।
বিবাহের একসপ্তাহ ভালো কাটছিলো মিতু ও শাহাদৎ দম্পতীর,নিজ আর্থিক সার্থ হাসিলের উদ্ধেশ্যে স্ত্রী মিতু ও তাহার পরিবার কে বলে,,,তাহার ব্যাংক লোন পরিশোধের প্রয়োজনে টাকার প্রয়োজন,মিতুর পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে চাপপ্রয়োগ করে ১০ লক্ষ টাকা ক্যশ হাতিয়ে নেয়,এর কিছু দিন পর আরও আড়াই লক্ষ্য টাকার জন্যে চাপপ্রয়োগ করে।
এর কিছু দিন পর সে মিতুকে বিভিন্ন ভাবে অপবাদ দিতে শুরু করে,এবং বাজে ব্যবহার করে,এরপর মিতু ও তাহার পরিবার খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারে শাহাদৎ মিতুর পূর্বে আরও একটি বিয়ে করেছে,প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় সে দ্বিতিয় বিয়ে করেন।
এবিষয়ে আমাদের প্রতিনিধি কে মিতুর পরিবার জানান,,মিতুর পূর্বে একটি বিয়ে হয়েছে এবং তাহার একটি কণ্যা সন্তান রয়েছে,স্বামী প্রবাশে থাকায় মিতুর সাথে মুঠফোনে শাহাদৎ এর কথোপকথন এর ধারাবাহিকতায় দুজনের মধ্যে প্রেমের আকর্ষণ সৃষ্টি হয়।
মুঠফোন,মেসেঞ্জার ও ওয়ার্টসাফে তাদের প্রেমের বিনিময়ে শাহাদৎ মিতুকে তাহার স্ত্রী হিসেবে সারাজীবনের জন্যে পাওয়ার কথা প্রকাশ করেন।
এখন শাহাদৎ স্ত্রী মিতুর কোন খোঁজখবর না নিয়ে,তাহাকে বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে,এবং শাহাদৎ তাহাকে ডিভোর্স দিবে বলে মিতু ও তাহার পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে থ্রেড ও ভয়প্রধান করছে বলে মিতু ও তাহার পরিবার জানান।
এমনকি পুলিশ শাহাদত কাজী কে ও সাক্ষীগণ কে বিভিন্ন ভাবে চাপপ্রয়োগ করছে এমনকি বিবাহের কাবিননামা ১০’লক্ষ টাকার হইতে কমানোর জন্যে মিতুকে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
এবং অসহায় মিতুর পরিবার বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি ও মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট এর সঠিক বিচারের দাবী করেন।

