ক্রয় করা জমি বেনামিদের অবৈধভাবে দখলে থাকার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ক্রয় করা জমি বেনামিদের অবৈধভাবে দখলে থাকার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

।।গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি।।

বারবার বিচার চেয়েও পাচ্ছেন না বিচার, উল্টো নানান ভাবে হুমকি দামকি স্বীকার হচ্ছেন রীতিমত, জোরপূর্বক ভাবে একই দাগের সম্পত্তিতে অতিরিক্ত জমি জবর দখল করে রেখেছে স্থানীয় দখলদার গোষ্ঠী,স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ তোলে ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা পরিবার।

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় নিজের ক্রয় করা সম্পত্তি জবর দখলের হাত থেকে পুনরুদ্ধারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে গজারিয়া উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান ব্যবসায়ি মোঃ সোহেল মাসুদ খন্দকার ও তার পরিবারের স্বজনরা।

সে উপজেলার টেংগারচর ইউনিয়নের বড়ইকান্দি ভাটেরচর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ঈস্রাফিল খন্দকারের মেঝো ছেলে।

ভাটেরচর দে. এ মান্নান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন তার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গজারিয়া উপজেলায় কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান সোহেল মাসুদ।

তিনি বলেন, প্রতিবেশী জামাল মোল্লা তার ৮ শতাংশ সম্পত্তি জোর করে দখল করে রেখেছে। দখল করা সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করা হলে তাকে নানাভাবে হয়রানি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিবেশী ধন মিয়ার পৈত্তিক সূত্রে পাওয়া ৭.৫০ শতাংশ জমি থেকে থেকে ভাটেরচর মৌজায় আরএস ২৩৮৯ দাগে ৬০৬৮,২৫৫৯,৬৫২৩ এবং ৫৭৯০ নং সাব কবলা দলিল মূলে ২০১২ সাল পর্যন্ত মোট ৫.৫০ শতাংশ জায়গা ক্রয় করি। একই দাগে ধন মিয়ার অবশিষ্ট ২ শতাংশ জমি থাকলেও অবৈধভাবে দখলকারী জামাল মোল্লা ২০১৫ সালে ১৮৯৯ মূলে ৫ শতাংশ জায়গা ক্রয় করেন। তিনি ৩ শতাংশ জায়গা বেশী ক্রয় করেছেন যা তিনি পাবেন না।

বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, অন্যদিকে দিকে একই দাগে আরেক প্রতিবেশী বক্সের আলীর সম্পত্তি থেকে ১৯৫৯ সালে সড়ক ও জনপদ ১০ শতাংশ ভূমি অধিগ্রহণ করায় তা বিক্রি করে দেন। তার আরেক ভাই আবেদ আলী ৫ শতাংশের মালিক থাকে। পরবর্তীতে ৫ শতাংশ জমি ২০১৪ সালে ৫০০০ নং সাফ কবলা দলিল মূলে তিনি ক্রয় করেন তবে রেকর্ড জনিত ভুলের কারণে ধন মিয়ার নামে ১ শতাংশ জমি বেশী রেকর্ড হয়।

বর্তমানে অবৈধ ভাবে জমি দখল কারী জামাল মোল্লা প্রকৃত অর্থে এই দাগের সম্পত্তিতে ২ শতাংশ জায়গার দাবিদার হলেও জোরপূর্বক ৮ শতাংশ জায়গা দখল করে রেখেছেন। ২০২১ সালে সে ১ শতাংশ জমির স্বত্ব দাবি করে দেওয়ানী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন যা মূলত ভিত্তিহীন। মামলা নং ৭৬/২১।

উল্লেখিত জমি নিয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে একাধিকবার শালিশ বৈঠক করা হয়। শালিশ বৈঠকে জামাল মোল্লা ২ শতাংশ জমির মালিক বলে জানানো হয়। তাকে জবর দখল করে রাখা সম্পত্তি ফিরিয়ে দিতে বলা হলেও তিনি সেটা না করে জোরপূর্বক প্রায় ৮ শতাংশ জমি অবৈধভাবে নিজের দখলে রেখেছেন। মামলাবাজ জামাল মোল্লার কাছ থেকে নিস্তারের জন্য আমি স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ সময় তিনি প্রমাণ হিসাবে তার কাছে থাকা বিভিন্ন দলিল দস্তাবেজ গণমাধ্যম কর্মীদের দেখান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ঈস্রাফিল খন্দকারের তিন সন্তান ব্যাবসায়ী সোহেল খন্দকার, বড় ভাই ভাটেরচর দে.এ মান্নান উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সদস্য মিন্টু খন্দকার ও তার ছোট ভাই সবুজ খন্দকার সহ তার পরিবারের নিকট আত্মীয় স্বজনরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *