চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার প্রায় অর্ধশত গ্রামে আজ পালিত হচ্ছে ঈদ- উল- ফিতর

চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার প্রায় অর্ধশত গ্রামে আজ পালিত হচ্ছে ঈদ- উল- ফিতর

মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে আজ (বৃহস্পতিবার) চট্টগ্রামের অর্ধশত গ্রামে পবিত্র ঈদ- উল- ফিতর পালিত হচেছ। গতকাল মধ্যপ্রাচ্যে রমজান মাসের ৩০ রোজা শেষে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় আজ ঈদ পালন করা হচেছ। তার সাথে বিশেষ করে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারী অর্ধশত গ্রামে ঈদ পালন করা হচেছ। 
মুসলিম বিশ্বের নিয়ম মতে দেশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পরের দিন ঈদ- উল ফিতর পালন করা হয়ে থাকে। সে মতে মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর বাংলাদেশে ঈদ পালন হয়। গতকাল (বুধবার) বাংলাদেশের কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায় নি। তার প্রেক্ষিতে আজ (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ৩০ রোজা পূর্ন হবে এবং আগামী কাল (শূক্রবার) ঈদ উৎযাপন করা হবে। 
বরাবরের মতো চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল দরবার শরিফের অনুসারীরা মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে দেশে এক দিন আগেই ঈদ পালন করে থাকেন। সে হিসাবে গতকাল (বুধবার) তাদের ৩০ রোজা পূর্ন হয়েছে এবং আজ তারা ঈদ পালন করছেন।
জানা যায়, চট্টগ্রামের মির্জাখীল দরবারের অনুসারী সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখিল, গাটিয়াডাঙ্গা, এওচিয়া, মাদার্শ,  খাগরিয়ার মৈশামুরা, পুরানগর, মনেয়াবাদ, চরতির সুইপুরা, চন্দনাইশ উপজেলার সাতবাড়ীয়ার নগর পাড়া, কাঞ্চননগর, হারলা, বাইনজুরী, কানাইমাদারী, বরকল, দোহাজারী, জামিরজুরী, বাঁশখালী উপজেলার কালিপুর, শেখেরখিল, চাম্বল, ছনুয়া, আনোয়ারা উপজেলার বরুমচরা, তৈলারদ্বীপ, লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া, পুটিবিলা, কলাউজান এবং সেই সাথে রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, বোয়ালখালী, সন্দ্বীপ উপজেলা, কক্সবাজার জেলার টেকনাফ, আলী কদম সহ বিভিন্ন উপজেলা সমুহের বিভিন্ন গ্রামসহ অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদ উদযাপন করা হচেছ।
আজ সকাল ১০ টায় মির্জাখিল দরবার শরীফে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্টানের মধ্যদিয়ে দিবসের সূচনা করা হবে। নামাজে ইমামতি করবেন মির্জাখীল দরবার শরীফের পীর মাওলানা মোহাম্মদ আরেফুল হাই এর বড় শাহজাদা মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ মকসুদুর রহমান।
স্মরণযোগ্য যে, সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা বিগত দুইশত বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যের সাথে বিশেষ করে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে বাংলাদেশে রোজা ও ঈদ উদযাপন করে থাকেন। তারা কোরবানীর ঈদও একই নিয়মে  নিয়মে পালন করেন।
// আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো //
———————————-

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *