//পলাশ চন্দ্র দাস//
বাংলায় শারদীয়া দুর্গোৎসবের পর আশ্বিন মাসের শেষে পূর্ণিমা তিথিতে কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার আরাধনা করা হয়। কাল ১৯ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর রাত ৮ ঘটিকা পর্যন্ত পূর্ণিমা তিথিতে লক্ষ্মী পূজা করা হবে।
এসো মা লক্ষ্মী বোসো ঘরে, আমার এই ঘরে থাকো আলো করে” এই প্রার্থনা প্রায় সব বাঙালির।
সাধারণত কোজাগরী পূর্ণিমার রাতে সারারাত জেগে থাকার বিধি আছে৷ ‘কোজাগর ’ অর্থাৎ ‘কে জেগে আছে’। পূর্ণিমা তিথিতে লক্ষ্মীদেবীর আরাধনা করতে রাত জাগার বিধান রয়েছে। তাই একে কোজাগরী পূর্ণিমা বলা হয়। ‘ঘুমিয়ে লক্ষ্মী হন বিরূপা, জাগরণে লক্ষ্মীর কৃপা। নইলে কেন জাগে কোজাগরে’।
লক্ষ্মী পূজা,বাঙ্গালি হিন্দুদের ঘরে ঘরে এক চিরন্তন প্রার্থনা। প্রায় প্রতি ঘরে ঘরেই দেবী লক্ষ্মীর পুজো হয়ে থাকে। লক্ষ্মী হলেন ধন সম্পত্তির দেবী। ধন সম্পদের আশায় ঘরে ঘরে কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা হয়ে থাকে।নারী পুরুষ উভয়েই এই পুজোয় অংশ গ্রহণ করেন। অনেকেই সারা বছর প্রতি বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীর পুজো করে থাকেন। এছাড়া শস্য সম্পদের দেবী বলে ভাদ্র সংক্রান্তি, পৌষ সংক্রান্তি ও চৈত্র সংক্রান্তিতে এবং আশ্বিন পূর্ণিমা ও দীপাবলীতে লক্ষ্মীর পুজো হয়ে থাকে।
লক্ষণীয় বিষয় হল-খারিফ শস্য ও রবি শস্য ঠিক যে সময় হয় ঠিক সেই সময় বাঙালি হিন্দু মেতে ওঠে লক্ষ্মীর আরাধনায়। তবে পুজোর উপাচারে পরিবর্তন হয় মাস ভেদে।
রূপসায় চারটি ইউনিয়নে ২০ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

