দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্কুল খোলার ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করতে ব্র্যাক এর উদ্যোগ

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্কুল খোলার ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করতে ব্র্যাক এর উদ্যোগ

গতবছর ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়। করোনা সনাক্তের পর নানাবিধ ভয়ভীতি ও আতঙ্কের মধ্যে দিয়ে জনজীবন অতিবাহিত  হওয়ার সাথে সাথে শিশু ও শিক্ষার্থীদের অমূল্য জীবনের ঝুঁকি বিবেচনা করে ১৭ মার্চ-২০২০ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর-২০২১ দীর্ঘ ৫৪৪ দিন পর আজ ১২ সেপ্টেম্বর -২০২১ রোজ রবিবার সারাদেশে একযোগে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ন্যায় ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি পরিচালিত ৪ হাজারের অধিক বিদ্যালয় খোলার জন্য  নেওয়া হয়েছে  নানাবিধ কর্মসূচি।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্কুল খোলার ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করতে ব্র্যাক এর উদ্যোগ

কর্মসূচির অংশ হিসাবে প্রথমেই করা হয়েছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের করোনা বিষয়ে সচেতন, দেওয়া হয়েছে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ২ টি করে মাস্ক। স্কুলঘর ও আশেপাশের পরিবেশকে করা হয়েছে জীবাণুমুক্ত। শিক্ষার্থীদের হাত ধোঁয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে হ্যান্ড ওয়াস স্টেশন, শরীরের তাপমাত্রা মাপার জন্য থার্মাল স্ক্যানার ও হাত জীবাণুমুক্ত করার জন্য হ্যান্ড সেনিটাইজার। শ্রেণীকক্ষে  সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শিক্ষার্থীদের বসা নিশ্চিত করতে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে আঁকা হয়েছে গোল চিহ্ন, স্কুল ঘর ও শ্রেণীকক্ষকে সুজ্জিত করা হয়েছে বিভিন্ন রঙবেরঙের বেলুন ও ফুল দিয়ে। টানানো হয়েছে করোনার বিরুদ্ধে সচেতনতা মূলক পোষ্টার ও ব্যানার।শিক্ষার্থীদের জানানো হয়েছে শুভেচ্ছা ও স্বাগতম।

ফলে ব্র্যাক স্কুলের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার হলো অবসান।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্কুল খোলার ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করতে ব্র্যাক এর উদ্যোগ

তবে করোনার বিরুদ্ধে এখনও যুদ্ধ শেষ নয় বরং আগামীতে করোনার তৃতীয় ঢেউ দুয়ারে দাঁড়িয়ে।করোনার এই তৃতীয় ঢেউয়ের  বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আমাদের জয়ী হতে হবে। সুস্থ রাখতে হবে আমাদের আগামী প্রজন্মকে। আজ যারা স্কুলগামী এরাই আমাদের আগামী দিনের সমাজ বিনির্মানের কারিগর। তাই তাদের সুস্থ এবং মানবিক করে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের।

আমাদের আগামী প্রজন্ম, আমাদের সন্তানেরা যাতে সুস্থ, স্বাভাবিক  ও মানবিক হয়ে গড়ে উঠতে পারে এবং করোনার বিরুদ্ধে জয়ী হতে পারি ও আজকের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে পারে সেজন্য ব্র্যাকের নেওয়া এই সকল কর্মসূচি স্থানীয় জনগণের পেয়েছে ভূয়সী প্রশংসা।

নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আজ দেশের সরকারি, বেসরকারি ও এনজিও পরিচালিত  সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হলেও সঠিকভাবে করোনার বিরুদ্ধে বিধিনিষেধ পালন না করা হলে ভবিষ্যতে আবারও হয়তো দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশাল জেলা প্রশাসক এর উদ্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *