রাণীশংকৈলে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

//মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাও প্রতিনিধি//

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার কাতিহার বাজারে ৯ আগস্ট সোমবার সকালে হারুন (৫২) নামে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যাক্তির গলায় ফাঁস লাগানো লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদিন ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে হাটের নাইট গার্ড বাড়ি যাওয়ার সময় হাটের একটি গাছের ডালে ওই ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়।

স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, ওই বৃদ্ধ মানসিক ভারসাম্যহীন রোগি ছিলেন। এখানে প্রায় ৪ থেকে ৫ বছর ধরে ছিলেন। যেখানে সেখানে শুয়ে পড়ে থাকতেন। দোকানদারদের দেয়া খাবার খেতেন। তার ঠিকানা- পরিচয় এসব জিজ্ঞাসা করলে কোন উত্তর দিত না। গত চার পাঁচ বছরে কেউ তার খোঁজ খবর নিতে আসেনি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে কাতিহার বাজারে একটি কাঁঠাল গাছে গলায় ফাঁস দিয়ে ওই বৃদ্ধর লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। তাৎক্ষণিক থানার ওসিকে ফোন দেওয়া হলে এস আই মিজানসহ সঙ্গিয় পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন।

তারা লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠান। থানার ওসি এস এম জাহিদ ইকবাল বলেন,কাতিহার বাজারে ওই অজ্ঞাত পরিচয় ব্যাক্তির গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ নিয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে মর্মেও তিনি জানান।

বরিশালে ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী বুলেট ডাবল নারীসহ আটক

বরিশাল শহরে দীর্ঘদিন যাবত ইয়াবা ফেন্সিডিলের বাণিজ্য চালিয়ে আসা চরবাড়িয়ার এলাকার মাসুম খান বুলেটকে আটক করেছে বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের নগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গতকাল রবিবার ডিবি পুলিশ নগরীর বৈদ্যপাড়া থেকে দুইজন নারীসহ বুলেটকে বিপুল পরিমান ফেন্সিডিল সহ আটক করা হয়েছে।
বুলেটের সহযোগী আটকৃত দুই নারী হলেন, বরিশাল সদর উপজেলার বন্দর থানাধীন ৭ নং চরকাউয়া ইউনিয়নের দিনারের পোল এলাকার শিকদার বাড়ির মৃত মোহাব্বত আলী শিকদারের মেয়ে পারভিন বেগম (৪০) ও যশোর জেলা শরশা থানাধীন ১ নং কলোনির বাগাছড়া বকুলতলার গ্রামের নজরুল ইসলামের স্ত্রী মোসাঃ রিজিয়া আক্তার তানিয়া (৪২) দের ২০ বোতল ফেনসিডিল ও মাদক বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ৪টি মোবাইল ফোন এবং ১ টি মোটরসাইকেল সহ গ্রেফতার করা হয়।
আসামী বুলেট ও পারভীন বেগম ২নং আসামীর তানিয়ার ভাড়াটিয়ার বাসায় একত্রিত হয়ে র্দীঘ দিন ধরে মাদক লেনদেন করছিলো। অন্য একজন আসামী যশোর জেলা শর্শা থানাধীন ১ নং কলোনির বাগাছড়া এলাকার ফজর আলী গাইনের ছেলে মাদক সরবরাহকারী ইকবাল হোসেন পলাতক রয়েছে। তানিয়া যশোর থেকে ফেন্সিডিলের চালান নিয়ে বুলেটের কাছে আসে। আটকের প্রায় ২৪ ঘন্টা পার হলেও তথ্য দিতে লুকোচুরি দেখা গেছে অনেকটা।
তবে এবিষয়ে ডিবির এস আই সুজিত গোমোস্তা আজ সোমাবার বলেন তাদের কাছ থেকে ২০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন। বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের তোতা মিয়ার ছেলে ও আওয়ামীলীগ নেতা খান শাহিনের ভাই এই মাসুম খান বুলেট।
এর আগেও এ্যাডভোকেট লিখনের চেম্বার থেকে একাধিকবার তার ফেন্সিডিল উদ্ধার হলেও অজ্ঞাত কারনে পার পেয়ে যায় বুলেট। লিখন ও মাসুম খান বুলেট বরিশালে দীর্ঘদিন যাবত ইয়াবা ফেন্সিডিলের বাণিজ্য চালিয়ে আসছে। বরিশাল সদর উপজেলার বাসিন্দা বুলেট নগরীর কালুশাহ সড়কে বাসা নিয়ে থাকেন আর সেখানে বসেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে গড়ে তুলেছে মাদকের ভয়াল সিন্ডিকেট।
গতবছর যশোরে ফেন্সিডিল আনতে গিয়া আটক হয় বুলেটের সহযোগীরা তখন পালিয়ে আসে এই মাসুম খান বুলেট। সেই মামলায়ও পলাতক আসামি বুলেট বরিশালে প্রকাশ্যে চালিয়ে আসছিলো মাদক বাণিজ্য। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। এছাড়াও চরবাড়িয়া এলাকায় র্দীঘ দিন ধরে চলছে মাদক বেচা কেনার সিন্ডিকেট। তার সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত রয়েছে নগরীর হাসপাতাল রোর্ডসহ নগরীর একাধিক মাদক ব্যাবসায়ীরা।
একটি বিশস্ত সূত্র জানিয়েছে তার সাথে জড়িতরা এবার প্রশাসনের নজরে রয়েছে। বিষয়টি বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেছেন ডিবির এস আই সুজিত গোমোস্তা। আটকৃতদের নামে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে ।
// পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল//

রামপালে জেলা প্রশাসনের পক্ষে দুস্থ ও অসহায় ৪০ পরিবারের মাঝে ইউএনও’র খাদ্য সহয়তা

 এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপালে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান এর পক্ষ থেকে দুস্থ ও অসহায় ৪০ টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন। শাহ জালাল ইসলামী ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় এ সাহায্য প্রদানকালে জেলা প্রশাসনের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুবাইয়া বিনতে কাশেম।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভাসমান দুঃস্ত, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তি ও পরিবারের মাঝ এ সব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন নিশ্চিত করে বলেন, লকডাউন ও করোনা মহামারি প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি- বেসরকারী সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখা হবে। এ জন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

 

খুলনার রূপসার বিশৃঙ্খলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ।। সালাম মূর্শেদী এমপি

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ১০২ (খুলনা-৪) আসনের সংসদ সদস্য বিশিষ্ট ক্রিড়াবিদ জননেতা আব্দুস সালাম মূর্শেদী এক বিবৃতিতে গতকাল শনিবার (৭ আগষ্ট) বিকেলে তার নির্বাচনী এলাকাধীন রুপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের শিয়ালী গ্রামে ঘটে যাওয়া ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, সৃষ্টির আদিকাল থেকেই বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মিলনক্ষেত্র। আর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এই দেশের অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির ধারক ও বাহক। বর্তমান সরকারের শাসনামলে এখানে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষ নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে যার যার ধর্ম শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রতিপালন করছেন ও সুখে শান্তিতে পরস্পরে মিলেমিশে বসবাস করছেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ‘ধর্ম যার যার উৎসব সবার’ শ্লোগানকে ধারন করেই আমরা সর্বদা নিজ এলাকায় জনসেবামূলক কাজে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছি। জাতীর পিতার হাতে গড়া ও তার সুযোগ্যকন্যা আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সোনার বাংলায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতি বিনষ্টকারী, ধর্মান্ধ, অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারিদের কোন ঠাঁই নেই। লিখিত বিবৃতিতে তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকারের প্রশাসন অবশ্যই ‘শিয়ালিতে’ এই অরাজকতা সৃষ্টিকারিদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসবে ও উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করবে।
তিনি এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধৈর্য ধারন করে প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করতে প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগীতা করার অনুরোধ জানিয়েছেন।
//নিজস্ব প্রতিবেদক//

পটুয়াখালী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের প্রশাসনের অভিযুক্ত মাকসুদক মারা গেছে

পটুয়াখালী সদর থানার পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড চড়পাড়া এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর কর্তৃক অভিযান কালে মারধর করায় মাকসুদ (৫২), নামের এক ব্যাক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

ঘটনাটি (৮-আগস্ট-২০২১ ইং) তারিখ সন্ধাকালীন সময় আনুমানিক ৬-৩০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। এবিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর পটুয়াখালীর এএসআই জসিম উদ্দিন বলেন, মাদকের অভিযোগ ছিলো, তবে তার সঙ্গে কোন মাদক পাওয়া যায়নি।

অভিযান কালে ধস্তাধস্তি হলে অসুস্থ হয়ে পড়ে, তাকে হসপিটাল নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করে।তবে মারধর করার বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি।তার সাথে থাকা কনস্টেবল তারেক শাহরিয়ার ও ওয়ারলেস অপারেটর মামুন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব এরিয়ে একপর্যায়ে পালিয়ে যায়।

সদর থানার ওসি আখতার মোর্শেদ তদন্ত অফিসার হুমায়ুন কবির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।ওসি বলেন, ঘটনাস্থলে এলাকাবাসীর মুখে জানাগেছে তাকে মারধর করায় তার মৃত্যু ঘটে।তবে এবিষয়ে এখনো কোন অভিযোগ হয়নি, এধরনের মৃত্যু ময়নাতদন্ত ছাড়া দাফন করা যায় কিংবা যাবে কিনা এমন প্রশ্নে বলেন, যদি নির্যাতনের ঘটনায় মৃত্যু হয় মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ গ্রহন থাকবে।রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারন বলা যাবে না।

এ ব্যাপারে মৃত ব্যাক্তির স্ত্রী আত্মীয় স্বজন ছোট ভাই ও তার স্ত্রী মিডিয়াকে এড়িয়ে যায়, তবে তাদের পক্ষ থেকে এখনও কোন অভিযোগ হয়নি নিকটস্থ থানায়।

হসপিটালে থাকা কর্তব্যরত চিকিৎসক নুরুন্নাহার স্মৃতি বলেন, এখানে সন্ধ্যা ৭.১০ মিনিটের সময় নিয়ে আসা হয়, তবে মাকসুদের মৃত্যু আরও আগেই হয়েছে বলে জানান।

// পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার, প্রেমিকসহ গ্রেফতার ৪

রূপসায় ইমামকে লাঞ্চিত- মন্দির ও দোকান ভাংচুর, গ্রেফতার ১০

 

ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার, প্রেমিকসহ গ্রেফতার ৪

 

হিন্দু ধর্মাবলম্বীর কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের সাথে মেবাইলের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে স্কুলছাত্রী খোদেজা খাতুন। পরে তার সাথে দেখা করতে গিয়ে বন্ধুদের সহযোগিতায় একাধিকবার ওই তরুণীকে ধর্ষণের পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করে প্রেমিক কৃষ্ণ চন্দ্র ও তার সহযোগীরা। পরে তারা ঐ ছাত্রীর লাশ ফেলে রেখে যায় ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের ধারে।

হত্যার এমন বর্ণনা দিয়েছে পিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার প্রেমিক টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝাউয়াইল এলাকার নগেন চন্দ্র দাসের ছেলে কৃষ্ণ চন্দ্র দাস ও তার সঙ্গীরা। হত্যার শিকার খোদেজা খাতুন গোপালপুর উপজেলার আলমনগর ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামের খোকন মন্ডলের মেয়ে এবং জয়নগর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। এর আগে গত ৩ আগস্ট ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের ভূঞাপুর উপজেলার ভরুয়া এলাকা থেকে অজ্ঞাত এক তরুণীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।

পরে ওই তরুণীর পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় ময়নাতদন্ত শেষে বেওয়ারিশ হিসেবে ভূঞাপুর ছাব্বিশা কেন্দ্রীয় কবরস্থানে লাশ দাফন করা হয়। পরে গত ৬ আগস্ট কৃষ্ণ চন্দ্রকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের নামে ভূঞাপুর থানায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় জেলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সদস্যরা ঘটনার মূলতোহা প্রেমিক কৃষ্ণ চন্দ্র দাসসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনার ৫ দিনের মধ্যেই আসল রহস্য বের করে পিবিআই।

পরে গ্রেপ্তার চারজনকে আদালতে সোপর্দ করেছে পিবিআই। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, গোপালপুর উপজেলার ঝাউয়াইল এলাকার নগেন চন্দ্র দাসের ছেলে কৃষ্ণ চন্দ্র দাস, ধনবাড়ি উপজেলার বলিভদ্র এলাকার মোশারফ হোসেনের ছেলে সৌরভ আহম্মেদ, একই এলাকার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মেহেদী হাসান টিটু ও মৃত মজিবর রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান।

রোববার (৮ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিরাজ আমিন প্রেস ব্রিফিং করে জানান, গত ৩ আগষ্ট টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের ভরুয়া এলাকায় অজ্ঞাতনামা বস্তাবন্দি অবস্থায় এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করে ভূঞাপুর থানা পুলিশ। পরে যুবতির পরিচয় না পেয়ে বেওয়ারিশ হিসেবে লাশ দাফন করা হয়। এ ঘটনায় পিবিআই ঘটনা স্থলে গিয়ে অনুসন্ধান চালায়।

এরপর গত ৫ আগস্ট বিভিন্ন সোর্স ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে অজ্ঞাতনামা লাশের পরিচয় পাওয়া যায়। পরে পরিবারের সাথে যোগাযোগ করলে ওই তরুণীর বাবা লাশের ছবি দেখে শনাক্ত করে। পরে পিবিআই টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উৎস এবং তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘটনায় জড়িত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন।

এ সময় তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকারোক্তিতে জানায়, কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের সাথে ওই তরুণীর বেশ কিছুদিন পূর্বে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয় হয়। সেই সূত্র ধরেই ওই তরুণীকে ধনবাড়িতে এক বন্ধুর বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণের এক পর্যায়ে ওই তরুণী ডাক চিৎকার করলে তার গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।

পরে ওই তরুণীর লাশ কৃষ্ণের তিন বন্ধু মিলে বস্তায় ভরে ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের ভরুয়া এলাকায় ফেলে রেখে যায়।

//মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Daily World

পটুয়াখালী ছাএলীগ নেতা, ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি আবু বক্কর সিদ্দিক গ্রেফতার

পটুয়াখালী ছাএলীগ নেতা, ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি আবু বক্কর সিদ্দিক গ্রেফতার

র‌্যাব-৮, সিপিসি-১ (পটুয়াখালী ক্যাম্প) এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল ০৮/০৮/২০২১ইং তারিখে পটুয়াখারী জেলার সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান পরিচালনাকালে আনুমানিক ১১:১০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, পটুয়াখালী জেলার সদর থানাধীন প্রেস ক্লাব এলাকায় (পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার মামলা নং-২১, জিআর নং-১৪৯, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধনী)২০০৩ এর ৭/৯(১)) এর ধর্ষন মামলার এজাহার নামীয় পলাতক আসামী অবস্থান করছে।

প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের আভিযানিক দল লেঃ কমান্ডার মোঃ শহিদুল ইসলাম, (এস), পিসিজিএমএস, বিএন এর নেতৃত্বে দুপুর আনুমানিক ১২:০৫ ঘটিকায় উক্ত স্থানে উপস্থিত হলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে ঘেরাও পূর্বক ০১ জন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে তার নাম মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক (২৫), পিতা-মোঃ মসহীন হাওলাদার, সাং-পাঁচজুনিয়া, থানা-কলাপাড়া, জেলা-পটুয়াখালী বলে জানায়। গ্রেফতারকৃত আসামী স্বীকার করে যে, পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার (মামলা নং-২১, জিআর নং-১৪৯, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী) ২০০৩ এর ৭/৯(১)) এর ধর্ষণ মামলার এজাহার নামীয় পলাতক আসামী।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার (মামলা নং-২১, জিআর নং-১৪৯, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী) ২০০৩ এর ৭/৯(১)) মূলে হস্তান্তর করা হয়।

//পটুয়াখালী প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের স্বীকার, অভিযুক্ত কিশোর গ্রেফতার

 

বরিশালে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের স্বীকার, অভিযুক্ত কিশোর গ্রেফতার

 

বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নে৫ম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী (১১) ধর্ষণের অভিযোগে এক কিশোরকে (১৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ দুপুরে তাকে (৮ আগস্ট) আদালতে পাঠানো হয়ে এবং নির্যাতনের স্বীকার স্কুল ছাত্রীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভুক্তভোগীর স্বজনের মাধ্যমে জানা যায়, গত ৬ আগস্ট শুক্রবার বিকালে তার মা তাকে বাড়ির পাশের দোকান থেকে পান ও জর্দা আনার জন্য পাঠান। দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্ত কিশোর ও তার সহযোগীরা তাকে তুলে নিয়ে যায় পার্শ্ববর্তী বাগানে। সেখানে ওই কিশোর তাকে ধর্ষণ করেন।

এমনকি বিষয়টি গোপন রাখার জন্য স্কুলছাত্রীকে বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি দেখান এবং বিষয়টি বাড়িতে ফিরে গিয়ে কাউকে যেন না বলা হয় সেব্যাপার হুশিয়ারি দেওয়া হয়। স্বজনের অভিযোগ,এই ঘটনায় অভিযোগকারীর মা থানায় যেতে চাইলে অভিযুক্ত কিশোরের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয় এবং গ্রাম্য সালিশ বিচারের কথা বলে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

গত ৭ আগস্ট কাজিরহাট থানা বিষয়টি জানতে পেরে ভুক্তভোগী ও তার মা কে থানায় নিয়ে আসেন এবং ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।

কাজিরহাট থানা সুত্র থেকে জানা যায় গত ৭ আগস্ট শনিবার রাতে চরমাধবরা গ্রামে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত কিশোরকেগ্রেফতার করা হয়। এবং তার সহযোগীদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানানো হয়।

//পলাশ চক্রবর্ত্তী, বিশেষ প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

শোকাবহ আগস্ট হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালিকে হারানোর মাস

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের আজ ৯১তম জন্মবার্ষিকী

রূপসায় ইমামকে লাঞ্চিত- মন্দির ও দোকান ভাংচুর, গ্রেফতার ১০

খুলনার রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের শিয়ালি গ্রামে মসজিদের ইমামকে লাঞ্চিত, মসজিদের ভিতরে থাকা মুসাল্লিদের ইট নিক্ষেপ ও হাতা হাতির ঘটনা ঘটে। একদিন পর মন্দির এবং স্থানীয় কিছু দোকান ভাংচুরের ঘটনায় মামলা দায়ের। এঘটনায় পুলিশ ১০জনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে।

ঘটনার পর এলাকায় জেলা পুলিশ সুপার সহ পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং এলাকায় দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মসজিদের ইমাম নাজিম সমাদ্দার জানান, গত ৫ আগষ্ট মসজিদের সামনে দিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের ২৫/৩০ জন পুরুষ/ মহিলা ঢোল ও উলু দিয়ে নাম কীর্তন করতে করতে মন্দিরের দিকে যায়। ঢোল ও উলুর উচচ শব্দের কারনে মসজিদে ইশার নামাজের বিঘœতা সৃষ্টি হয়।

গত ৬ আগষ্ট ইশার নামাজের সময় তারা আবারও ঢোল ও উলু দিয়ে মসজিদের সামনে উচ্চ শব্দে কিছু সময় ধরে বাজাতে থাকে। তখন ইমাম তাদের কাছে গিয়ে বলেন, ভাই মসজিদে নামাজ চলছে এখান থেকে একটু সামনে গিয়ে বাজান। এই কথা শুনে শিব ধর নামে এক ব্যক্তি আমাকে গলা ধাক্কা দেয় এবং বলে মসজিদ এখানে রাখা যাবে না।

এসময় ৬/৭ জন মুসাল্লিদের সাথে ২৫/৩০ জন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকের সাথে কথা কাটা কাটি হয় এবং মসজিদে ইট নিক্ষেপ শুরু করে। এর আগে মাসুম নামে এক যুবক মসজিদের কাছে ঢোল না বাজানোর জন্য তাদেরকে অনুরোধ করলে তাকেও মারতে আসে।

পরবর্তীতে ৭ আগষ্ট বিকালে শিয়ালী গোয়াড়া শ্বশান মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এরপর কেবা কারা শিয়ালী পূর্বপাড়া এলাকায় হরি মন্দির, শিয়ালী পূর্বপাড়া দূর্গা মন্দির, শিবপদ ধরের বাড়ি,গোবিন্দ মন্দির ও কিছু দোকান ভাংচুর করেছে বলে স্থানীয়রা জানায়।

খবর পেয়ে জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. কামাল উদ্দিন বাদশা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া তাছনিম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) খান মাসুম বিল্লাহ, রূপসা থানা ওসি সরদার মোশাররফ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এলাকায় এলাকায় দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, পশ্চিম পাড়া মসজিদ ও শ্মশান মন্দির থেকে ভাংচুরকৃত দোকান ও বাড়ির দুরত্ব প্রায় ২ কি:মি:।

ভাংচুর কৃত এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কারা এঘটনা ঘটিয়েছে তা আমরা দেখি নাই। রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরদার মোশাররফ হোসেন বলেন, এঘটনায় শক্তি বসু বাদী হয়ে ২৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১৫০/২০০জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহারনামীয় ৯ জনসহ ১০ জনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এখন এলাকার পরিস্থিতি শান্ত। তবুও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রেখেছি। রূপসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম বলেন, ঐ দ্বন্দের সমাধান সেদিনই হয়েছে এবং ঐদিনের ঘটনার সাথে শনিবারের ঘটনার সম্পর্ক পাচ্ছিনা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবারের ঘটনার পরপরই প্রশাসন ও পুলিশের কর্মকর্তাদের নিয়ে স্থানীয় হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতাদের সাথে বৈঠক করি। জেলা প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা-রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা সাথে সাথে সেখানে যায় এবং স্থানীয়দের সাথে বৈঠক করে দ্বন্দের মিটমাট করি।

এ বিষয় খুলনা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি নজরুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেছেন, ঘটনার তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে এবং এর সাথে যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

 //নিজস্ব প্রতিবেদক //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

শোকাবহ আগস্ট হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালিকে হারানোর মাস

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের আজ ৯১তম জন্মবার্ষিকী

শোকাবহ আগস্ট হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালিকে হারানোর মাস

 

শুরু হলো বাঙালির শোকের মাস আগস্ট, এ মাসেই জাতির ইতিহাসের কলঙ্কিত এক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মানবতার শত্রু, প্রতিক্রিয়াশীল ঘাতকচক্রের হাতে বাঙালি জাতির মুক্তি আন্দোলনের মহানায়ক, বিশ্বের লাঞ্ছিত-বঞ্চিত-নিপীড়িত মানুষের মহান নেতা, বাংলা ও বাঙালির হাজার বছরের আরাধ্য পুরুষ, বাঙালির নিরন্তন প্রেরণার চিরন্তন উৎস, স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হন।

১৯৭৫ সালের ১৪ আগস্ট শেষ রাতে (১৫ আগস্ট) ঘাতকরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তার ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসায় নৃশংসভাবে হত্যা করে। তাকে সপরিবারে নিঃশেষ করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, জ্যেষ্ঠ পুত্র মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল, দ্বিতীয় পুত্র মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল, কনিষ্ঠ পুত্র শিশু শেখ রাসেল, সদ্য বিবাহিত পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল।

বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসেরকে সেখানে হত্যা করা হয়, বেইলি রোডে সরকারি বাসায় হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত তার ছোট মেয়ে বেবি সেরনিয়াবাত, কনিষ্ঠ পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত দৌহিত্র সুকান্ত আবদুল্লাহ, ভাইয়ের ছেলে শহীদ সেরনিয়াবাত আবদুল নঈম খান রিন্টুকে।

আরেক বাসায় হত্যা করা হয় তার ভাগ্নে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মণি ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বেগম আরজু মণিকে। বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে আক্রমণ হয়েছে শুনে সেখানে যাওয়ার জন্য রওনা দেন বঙ্গবন্ধুর প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিল উদ্দিন আহমেদ। তবে ৩২ নম্বরের সামনে পথভ্রষ্ট সেনা কর্মকর্তারা তাকে প্রথমে বাধা দেয় ও পরে হত্যা করে। এছাড়া ওইদিন ৩২ নম্বরের বাড়িতে কর্তব্যরত অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকেও হত্যা করা হয়।

এ হত্যাকাণ্ড বিশ্বের বুকে নিন্দিত ও ঘৃণিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের উদাহরণ হয়ে আছে। সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে নেমে আসে তীব্র শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়ে বাঙালি জাতি। সেদিন ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর বড় সন্তান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ও ছোট বোন শেখ রেহানা শেখ হাসিনার স্বামী প্রখ্যাত পরমাণু বিজ্ঞানী প্রয়াত ড. এমএ ওয়াজেদ মিয়ার কর্মস্থল জার্মানিতে থাকায় বেঁচে যান।

’৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নরপিচাশ রূপি খুনিরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ করতে ঘৃণ্য ইনডেমনিটি আইন জারি করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে দীর্ঘ ২১ বছর বাঙালি জাতি বিচারহীনতার কলঙ্কের বোঝা বহন করতে বাধ্য হয়।

১৯৯৬ সালে জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠিত হলে এ বিচারের উদ্যোগ নেয়া হয়। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে নিয়মতান্ত্রিক বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০১০ সালে ঘাতকদের কয়েকজনের ফাঁসির রায় কার্যকর করার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেন শেখ হাসিনা। এছাড়া এ শোকের মাসেই আরও একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনার জন্ম হয়।

২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালিয়েছে ২৪ জনকে হত্যা করা হয়। ওই হামলার টার্গেট ছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।

 //পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রাণীশংকৈলে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর ৯১তম জন্মদিন পালিত