নলছিটির বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব আব্দুল কাদের মোল্লা আর নেই

নলছিটি দলিল লেখক সমিতি প্রধান উপদেষ্টা ও সুগন্ধা গ্রুপের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মোল্লার পিতা সমাজসেবক আলহাজ্ব আব্দুল কাদের মোল্লা ২৯ শে জুলাই বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা ৩০ মিনিটে মৃত্যু বরন করেন(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) মরহুম আব্দুল কাদের মোল্লার নামাজের জানাজা আজ ৩০ শে জুলাই বাদ আসর অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাপন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি ছেলে, মেয়ে, নাতি, নাতনি সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। সমাজ সেবক এই মানুষটির মৃত্যুতে নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন সহ সর্ব স্তরের জনগন গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।

//পলাশ চক্রবর্ত্তী, বরিশাল//

কুমিল্লায় ১২ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

//নিজস্ব প্রতিনিধি//
সারাদেশে এক দিকে চলছে বৈশ্বিক মহামারী করোনার তান্ডব আর অন্যদিকে চলছে মাদকদ্রব্য চোরাচালানি। আর মাদকের এই ভয়াবহতা থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করতে দেশের প্রতিটি জেলায় চলছে মাদকের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান।
তারই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা জেলাকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস টীম অভিযান পরিচালনা করে  কোতয়ালি থানাধীন নোয়াপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে অভিযান পরিচালনা করে থেকে ১২ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী ১। রনি হোসেন ও ২. সাব্বির হোসেনকে গ্রেফতার করেন।
এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য চোরাচালান নিয়ন্ত্রণের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং এ ধরনের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহতভাবে পরিচালনার প্রত্যয়ব্যক্ত করা হয়েছে।

বিবর্তনের আলোয় উদ্ভাসিত হোক আমার দেশ

 

মানুষের জীবনটা স্রোতে ভাসা শ্যাওলা বা শরতের শুভ্র সাদা মেঘের ন্যায় ভেসে চলা নয়। জীবনে  আছে উত্থান ও পতন। জীবনটা সুন্দর ফুলের ন্যায় সুসংগঠিত করে তোলা, মানুষের উপকারে আসার মতো যোগ্য করে গড়ে তোলা, মানুষের মাঝে নিজের সুকর্ম দিয়ে চির অমর করে তোলার  দ্বায়িত্ব প্রত্যেকের নিজের।

জীবনটা নাটকের রঙ্গ মঞ্চ নয় ঠিকই কিন্তু  জীবনের নানা ঘটনার আবহ অনেকাংশেই নাটকের সাথে সম্পৃক্ত।  সেখানে আছে সুখ-দুঃখ, হাসিকান্না, জীবন-মৃত্যুর হৃদয় বিদারক দৃশ্য!আছে  কৃষক, মুটে মজুর,ধনী-গরিবসহ সমাজের নানা রকমের অসঙ্গতি। কর্মের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে চিরজীবী করে রাখার লক্ষ্যে  ও সমাজের বিভিন্ন  অসঙ্গতি,ভ্রান্তধারণা ও প্রচলিত কুসংস্কারগুলি নাটকের মাধ্যমে তুলে ধরার এবং সমাজ থেকে বিতাড়িত করার প্রত্যয় নিয়ে ১৯৮৯ সালের  ১২অক্টোবরের এক শুভলগ্নে  প্রাচীন  ঐতিহ্যবাহী ও সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল বেষ্টিত  যশোর শহরের প্রাণকেন্দ্রে জন্ম হয় আজকের বিখ্যাত ও করোনা কালীন সময়ের হিরো হিসাবে খ্যাত নাট্যগোষ্ঠী “বিবর্তন”যশোর- এর।

সৃষ্টির শুরু থেকে বিবর্তন যশোর সমাজ পরিবর্তনের প্রত্যয় নিয়ে কাজ শুরু করলেও দেশের বিভিন্ন ক্রান্তিকালে বিশেষকরে ঝড়,বন্যা,জলোচ্ছ্বাস, শৈত্যপ্রবাহসহ বিভিন্ন দূর্যোগ কালীন মুহূর্তে সাধ্যমতো মানুষের পাশে দাঁড়ানোর  আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন বিবর্তনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলেই। তারা প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি যেমন পালন করেন তেমনি সামাজিক বিভিন্ন ব্যাধি যেমন- বাল্যবিবাহ,যৌতুক,শিশু পাচার,নারী নির্যাতন, মাদকাসক্তি,জেন্ডার ব্যালান্সসহ সামাজিক কুসংস্কার নির্মূলের জন্য কাজ করেছেন। এমনি সাধারণ মানুষকে রক্তদানে উদ্ধুদ্ধ করতে আয়োজন করেছেন রক্তদানের মতো বৃহৎ কর্মসূচির।

বিবর্তনের আলোয় উদ্ভাসিত হোক আমার দেশ

আবার গত বছরের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী সনাক্তের পর বিভিন্ন সময় যখন লকডাউন চলমান তখনও যথাসাধ্য সামর্থ নিয়ে দেশের মানুষের প্রয়োজনে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন   বিবর্তন যশোরের একঝাঁক উদ্যোমী,সাহসী কর্মীবাহিনী।অসহায় হতদরিদ্র মানুষদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করেছেন মাস্ক, উদ্ধুদ্ধ করেছেন করোনার বিধিনিষেধ মেনে চলতে, দিয়েছেন খাদ্য সহায়তা। এমনকি করোনাকালীন সময়ে লকডাউনের কারণে শ্রমিক সংকট দেখা দিলে প্রান্তিক কৃষকের  উৎপাদিত ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তুলে দেওয়ার কাজে নির্দ্বিধায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বিবর্তন যশোরের নির্ভীক কর্মীরা। এবছরও তার ব্যাতয় হয়নি।

বরং এবছর নতুনভাবে আর্বিভূত হয়েছেন করোনা আক্রান্ত রোগীদেরবিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিতে ও অতি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা উপকরণ অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে।  যখন বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে  সমগ্র বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী যশোর জেলার জনগণ করোনার সংক্রমণে সংক্রমিত হয়ে হাসপাতালে পর্যাপ্ত শয্যা, চিকিৎসক, নার্সের সেবা ও জীবনদায়ী অক্সিজেনের অভাবে  জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে অবস্থান করছেন তখন যে কয়েকটি   সংগঠণ  বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবা নিয়ে যশোরের মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে তাদের মধ্যে সর্ব প্রথম যে প্রতিষ্ঠান বা যাদের নাম করতে হয় তারা হচ্ছে নাট্য গোষ্ঠী “বিবর্তন”যশোর বা এর নিবেদন প্রাণ কর্মীগণ ।

বর্তমান সময়ের অতিমারি করোনার বিধ্বংসী থাবার কারণে নাট্যকর্মীদের না আছে মঞ্চ,না মহড়া,না আছে আগুন ঝরানো  সংলাপ।তাদের বুকে আছে বিধ্বংসী করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো আগুণ ঝরানো  বারুদ। আর তাই রোদবৃষ্টি উপেক্ষা করে দিন-রাত তুচ্ছজ্ঞান করে বিবর্তনের একগুচ্ছ নিবেদিত প্রাণ কর্মী অক্সিজেনের সিলিন্ডার ও খাদ্যসহায়তা নিয়ে ছুটে চলেছেন শহরের বিভিন্ন অলিতে গলিতে,হাসপাতালের বারান্দায়।নাওয়া-খাওয়া ভুলে জীবনের মায়াকে তুচ্ছ করে করোনার বিরুদ্ধে  সম্মুখ যুদ্ধে অবতীর্ন হয়েছেন।তারা চাইছেন করোনা আক্রান্ত প্রতিটি মানষকে তাদের সেবা দিয়ে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে। যা অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে দেশের ইতিহাসের পরতে পরতে।

এবছরের ২৯ জুন থেকে শুরু করে অদ্যাবধি বিবর্তন যশোরের কর্মীরা করোনা রোগীদের অত্যাবশকীয় চিকিৎসা সহায়ক  উপকরণ অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে ছুটে চলেছেন দুর্বার গতিতে। শুরুতে ৩/৫ টি সিলিন্ডার নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও সমাজের বিত্তবান ও সাদা মনের মানুষের সহায়তায় তারা এখন ৬০ টি সিলিন্ডার দিয়ে সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। এই সিলিন্ডার গুলো সাইক্লিক ওয়ার্ডে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে সারা যশোর শহরের করোনা রোগীদের অক্সিজেন সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

বিবর্তনের কর্মীরা গত ২৯ জুন-২০২১ থেকে শুরু করে ২৯ জুলাই -২০২১ পর্যন্ত ১৩০ জন করোনা রোগীকে ৩৭২ টি  অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করছেন। এক একটি অক্সিজেন সিলিন্ডার  রিফিল  ২০০টাকা,পাইপ ৯০টাকা ও  সিলিন্ডার রিফিল করতে যাওয়ার জন্য ইজিবাইক ভাড়া ৩০ টাকা সহ মোট ৩২০  টাকা খরচ হয়। ফলে দেখা যায় ৩০ জুলাই-২০২১ এর পূর্ব পর্যন্ত ৩৭২ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করতে মোট ১ লক্ষ ৯ হাজার ৪০ টি খরচ হয়েছে। যা দেশের ভিতর ও দেশের বাইরের  বিভিন্ন জনের দেওয়া অনুদান নির্ভর।

বিবর্তন যশোরের অক্সিজেন সেবা নেওয়া ১৩০ জনের মধ্যে ১১৫ জন সুস্থ হয়েছেন,  ১০ জন মৃত্যু বরণ করেছেন এবং বর্তমানে এখনও সেবা নিচ্ছেন ৫ জন।

ইদের পরে প্রতিদিন সমগ্র যশোরে নতুন নতুন করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে।যশোর  জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে আসন সংখ্যারও অধিক লোক ভর্তি থেকে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন।আবার অন্যদিকে হাসপাতালে পর্যাপ্ত  শয্যা,আইসিইউ ও অক্সিজেনের সরবরাহের সীমাবদ্ধতা থাকায় শহরের করোনা আক্রান্ত রোগীর একটি বিরাট অংশ নিজ বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ফলে ঐ সকল রোগীদের যদি হঠাৎ  করে অক্সিজেন লেভেল কমতে শুরু করে বা অতিরিক্ত অক্সিজেন স্বল্পতা জনিত কারণে শ্বাসকষ্টে ভুগতে থাকেন তাহলে  দেরি না করে ধনী-গরীব নির্বিশেষে সকলেই “বিবর্তন”যশোর  নামক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের  দ্বারস্থ হচ্ছেন।

বর্তমান সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে যশোর জেলায় যে হারে সাধারণ জনগণ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন তাতে করে বিবর্তনের এই অক্সিজেনের সেবার পরিধি বাড়ানোর কোন বিকল্প নেই।

আর তাই দেশ ও দেশের বাইরে অবস্থিত বাংলা ভাষা ভাষী সকল জনগণের প্রতি উদ্বাত্ত্ব আহ্বান, দেশের এই দুঃসময়ে দেশের জনগণের পাশে দাঁড়ান। যশোর বাসীকে করোনার মহামারী থেকে রক্ষা করার জন্য আপনারা সাধ্যমতো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।  বিবর্তন যশোরকে সাহায্য পাঠানোর  জন্য যোগাযোগ করুণ-০১৮১৯০৩৯০০০ নওরোজ আলম খান চপল (সভাপতি, বিবর্তন যশোর) ও ০১৭১১০১১২৬৮ দীপংকর বিশ্বাস (সাধারণ সম্পাদক, বিবর্তন যশোর)।

প্রত্যেকের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই সম্ভব অদৃশ্য শক্তিশালী করোনার মতো বিপদজনক ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে  রক্ষা পাওয়া।আর তাই পাড়ায় পাড়ায়, মহল্লায় মহল্লায় করোনা সংক্রমণ রোধে সচেতনামূলক টীম গঠম করা, মাস্ক ব্যবহার,টীকা নিবন্ধন ও টীকা গ্রহনের জন্য সকলকে উদ্ধুদ্ধ করা। ভয় নয়, করোনা সম্পর্কে সচেতনাতেই জয়। এজয় অবশ্যাম্ভী!

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, যশোর//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

গজারিয়ায় ব্যাক্তি মালিকানা গাছ কাটায় সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবী, থানায় অভিযোগ

বরিশাল বেলতলা পল্টুন থেকে নদীতে পড়ে যুবক নিখোঁজ

//পলাশ চন্দ্র দাস : বরিশাল প্রতিনিধি//

বরিশাল বেলতলা খেয়াঘাটে খেয়ার অপেক্ষায় ঘুমঘুম ভাব নিয়ে পল্টন থেকে বরিশাল বেলতলা খেয়াঘাটের কীর্তনখোলা নদীতে পড়ে নিখোঁজ রয়েছে চরমোনাইন ইউনিয়ন বিশ্বাসের হাট চায়ের দোকানদার শাহিন খলিফা (৩৫)।

শুক্রবার বেলা ২টার সময় এ ঘটনা ঘটে। শাহিন বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাইন ইউনিয়নের বিশ্বাসের হাট গ্রামের মৃত হাসমোত আলী খলিফার ছেলে। সে চরমোনাই বিশ্বাসের হাটের চায়ের দোকানদার।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাড়ি থেকে বরিশালে দোকানের মালামাল কিনতে যায় শাহিন। ফেরিঘাটের জনতার কাছ থেকে জানাযায়, বেলতলা ফেরির পল্টুনের মাথায় খেয়ার অপেক্ষায়
ঘুমঘুম ভাব নিয়ে বশে থাকেন তিনি। বশা অবস্থায় হঠাৎ করে পল্টুন থেকে পড়ে যান তিনি। এরপর কাউনিয়া থানা পুলিশ, কোস্ট গার্ড,ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন কীর্তনখোলা নদীতে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শাহিনকে পাওয়া যায়নি।

গজারিয়ায় ব্যাক্তি মালিকানা গাছ কাটায় সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবী, থানায় অভিযোগ

মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায় বাউশিয়া ইউনিয়নের পুরান বাউশিয়া গ্রামে জৈনিক আঃ মতিন নামে এক ব্যাক্তির অভিযোগ সে তার নিজস্ব সম্পত্তিতে রোপন করা গাছ কাটে পরে দুইজন অজ্ঞাত ব্যাক্তি কেন গাছ কাটা হয়েছে এই মর্মে হুমকি ধামকি প্রদান ও চাঁদা দাবী করে।

অভিযোগের বাদী আঃ মতিন বলেন গত ২৯ জুলাই বিকাল ৫ টায় হঠাৎ আচমকাই আমাদের বাড়িতে অনাধিকার প্রবেশ করে অপরিচিত দুই ব্যাক্তি তাদের নাম পরিচয় জানতে চাইলে মৌখিক ভাবে তারা নিজেদের সাংবাদিক বলে পরিচয় দেয়। অতঃপর তাদের সাংবাদিক আই.ডি কার্ড দেখতে চাইলে তারা আই.ডি বা নিয়োগপত্র না দেখিয়ে জসিম উদ্দিন নামে এক ব্যাক্তি কে ফোন কল দিয়ে আমাকে কে মোবাইল ফোন ধরিয়ে দেয়।

এ ব্যাপারে আব্দুল মতিন আরোও জানায় ফোনের অপর প্রান্ত থেকে জসিম উদ্দিন নামে এক ব্যাক্তি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে দশ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে এবং বলে যাদের পাঠানো হয়েছে তাদের কাছে টাকা দিয়ে দিতে অন্যথায় ফলজ গাছ কেনো কাটা হয়েছে এই মর্মে নিউজ করা হবে বলে মোবাইল ফোনে সেও আমাকে হুমকি ধামকি প্রদান করে।

গজারিয়ায় ব্যাক্তি মালিকানা গাছ কাটায় সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবী, থানায় অভিযোগ

 

প্রত্যক্ষদর্শিরা জানায় হঠাৎ করে মতিন মিয়ার বাড়ীতে দুইজন ব্যাক্তি আকস্মিক ভাবে ঢুকে পরে এবং তাদের ঘরে অনাধিকার প্রবেশের চেষ্টা চালায় সেই সাথে ঘরে থাকা নারীদের অশ্লীল উদ্দেশ্যে অবাঞ্চিতভাবে ছবি তুলে হয়রানি করতে থাকে।

পরে তাদের জিজ্ঞেস করলে প্রতি উত্তরে তারা বলে আমরা সাংবাদিক নিউজ করার জন্য ছবি তুলছি। কিন্তু তারা তাদের সাংবাদিক আই.ডি কার্ড বা নিয়োগ পত্র না দেখিয়ে মতিন মিয়াদের হুমকি ধামকি প্রদান করতে থাকে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় সাংবাদিক পরিচয়ে দুই ব্যাক্তির মধ্যে উপস্থিত ছিলো পারভেজ গাজী ও সুমন মিয়া নামের দুই ব্যাক্তি। পারভেজ গাজী বিয়ে বাড়ীতে ক্যামেরা ম্যানের কাজ করে এবং সুমন মিয়া ওয়েল্ডিংয়ের দোকানে ওয়েল্ডারের কাজ করে।

গজারিয়া উপজেলার চিহ্নিত হলুদ অপ-সাংবাদিক জসিম উদ্দিনের প্ররোচনায় তারা বিভিন্ন জায়গায় যেয়ে হুমকি ধামকি প্রদান করে থাকে এবং চাঁদাবাজী করে বেড়ায়।

আঃ মতিনের করা অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রইছ উদ্দিন বলেন অভিযোগ পেয়েছি, ঘটনার বিশদ তদন্ত চলছে। তদন্তপূর্বক আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

//মুন্সীগঞ্জ প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

আজ মৃত্যুর মিছিলে করোনা ও উপসর্গে বরিশাল বিভাগে মৃত্যু ১৬

 

 

আজ মৃত্যুর মিছিলে করোনা ও উপসর্গে বরিশাল বিভাগে মৃত্যু ১৬

থামছে না করোনার মৃত্যুর থাবা,কমছে না স্বজন হারানোর বেদনা,প্রতিনিয়ত বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। তবুও বাড়ছে না আমাদের সচেতনতা। তবে সরকার বদ্ধপরিকর যেকোনো উপায় সকলকে এই ভয়াল করোনা মৃত্যুর থাবা থেকে রক্ষা করতে হবে।

গত ২৪ ঘন্টায় বরিশাল বিভাগে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৬ জনের মৃত্যু হয়।এক হাজার ৮৭৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৭৩৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩৯.৪০ শতাংশ। বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করে। এ সময় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়,হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ১২ জন মারা গেছেন।এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত চারজন এবং অন্য আটজন উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

শেবাচিম ল্যাবে ২৪ ঘন্টায় ১৯২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৮২ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৪২.৭০ শতাংশ।

গত ২৪ ঘন্টায় বরিশাল বিভাগের মধ্যে শনাক্তের হার সবচেয়ে বেশি বরিশাল জেলায়। বরিশাল জেলায় ৫৩৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৩১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়।নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৪২.৯৪ শতাংশ। করোনা শনাক্ত বিবেচনায় দ্বিতীয় জেলা ভোলা।

এ জেলায় ৩৫৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৪৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৪০.৬ শতাংশ। এরপর ৩য় অবস্থানে রয়েছে ঝালকাঠি জেলা। এ জেলায় ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৭৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

নমুনা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩৯.৮৯ শতাংশ। পটুয়াখালী জেলায় ৩১০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১২৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।এ জেলায় শনাক্তের হার ৩৯.৬৮ শতাংশ। বরগুনা জেলায় ২২৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৮২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ জেলায় শনাক্তের হার ৩৬.৬১ শতাংশ। পিরোজপুর জেলায় ২৫৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৮৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ জেলায় শনাক্তের হার ৩২.৮১ শতাংশ।

//পলাশ চক্রবর্ত্তী, বিশেষ প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম করোনায় মারা গেছেন

ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম করোনায় মারা গেছেন

// মোঃ আল-আমিন শেখ,  টাঙ্গাইল জেলা//

ৎকরোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও টাঙ্গাইল বার সমিতির সাবেক সভাপতি ও টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল হালিম (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শুক্রবার ভোরে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। উপজেলা চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারি কামরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল (৭০) বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

উপজেলা চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারি কামরুল ইসলাম জানান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আইনজীবী আব্দুল হালিম গত ৪ জুলাই শনিবার করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন। ৫ জুলাই রোববার প্রাপ্ত ফলাফলে তার করোনা পজিটিভ আসে। সেই থেকেই তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

আজ বাদ আসর ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রথম জানাজা নামাজ ও গ্রামের বাড়ি সাফলকুড়ায় দ্বিতীয় জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

সড়ক দুর্ঘটনা।। ঈদের আগে-পরে ১৫ দিন।। মৃত্যু ২৯৫

 

ঈদুল আজহা । আগে-পরে ১৫ দিনে (১৪-২৮ জুলাই) দেশে সড়ক, রেল ও নৌপথে ২৬২টি দুর্ঘটনায় ২৯৫ জন নিহত হয়েছেন। এ সময়ে এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।

শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন-২০২১’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

অনলাইন, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদনটি করেছে সংগঠনটি।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, শুধু সড়ক-মহাসড়কে ২৪০টি দুর্ঘটনায় ২৭৩ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৪৪৭ জন।

এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণ গেছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। তবে স্বল্প সময়ে পরিবহন চালু থাকায় এবার গত ছয় বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

//অনলাইন ডেস্ক //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

লাগলেও খাই না লাগলেও খাই, মন চাইলেই খাই: ক্ষতি আমারই

 

লাগলেও খাই না লাগলেও খাই, মন চাইলেই খাই: ক্ষতি আমারই

একটি নিউজ দেখে  আঁতকে উঠলাম— গত এক বছরে তিন হাজার কোটি টাকার গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়েছে বাঙালি! লাগলেও খাই না লাগলেও খাই…!

এই ওষুধ বাঙালি সকালে খায়, রাতে খায়, খালি পেটে খায়, ভরা পেটে খায়, বিয়ের দাওয়াতে খায়, বাসায় খাইলেও খায়, পেট ব্যাথা করলে খায়, পেটে গ্যাস হলে খায়, পেট জ্বললে খায়, বুক জ্বললে খায়, পায়খানা না হলে খায়, মন চাইলেই খায় — এভাবে লিখতে লিখতে অনন্তকাল লিখেও হয়ত শেষ করা যাবে না!

বলতে পারি, গ্যাসের ওষুধ খাওয়া নেশা হয়ে গেছে, ইয়াবার চেয়েও ভয়ংকর নেশা!

আমি নিজে বাসায় সবাইকে বকাবকি করেও এটা খাওয়া বন্ধ করতে পারি না। এটা খায়তে না করলে মনে করে আমার ডাক্তারি পড়া বৃথা, আমি কিচ্ছু জানি না।

এই ওষুধগুলোর আসল কাজ হলো, আপনার পাকস্থলীর অ্যাসিডের ক্ষরণ কমানো, যা আপনার খাবার পরিপাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডাক্তাররা আলসার এবং ‌অন্যান্য রোগে সুনির্দিষ্ট কারণে এই ওষুধ ব্যবহার করে থাকেন।

আপনি নিজ থেকে খেতে থাকলে আপনার অ্যাসিডের ক্ষরণ কমতে থাকবে, কমতে থাকবে হজম শক্তি। একসময় দেখবেন আপনার খাবার হজম হচ্ছেই না! এই ওষুধগুলোর সাইড ইফেক্টও মাশাআল্লাহ অনেক! যেমন, মাথাব্যথা, ডায়েরিয়া, পেটব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটফাঁপা, জ্বর, বমি, ফুসকুড়ি— এসব সাধারণ সাইড ইফেক্ট। এখন যেগুলোর কথা বলবো সেগুলো একটু উন্নত পর্যায়ের, দেখলেই বুঝতে পারবেন! যেমন: কোলনে ইনফেকশন, হাড়ক্ষয়, ভিটামিনের অভাব, হার্টঅ্যাটাক, কিডনির কার্যকারিতা হ্রাস, অগ্নাশয়ের প্রদাহ, যকৃতের কার্যকারিতা হ্রাস ইত্যাদি!

এবার নিজ দায়িত্বে মুড়ির মত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খান। মহান জাতি আমরা। ‌নেক কিউটও! সর্বরোগের মহৌষধ পিপিআই জিন্দাবাদ! ফার্মাসিউটিক্যালস ব্যবসা জিন্দাবাদ!

//ফেসবুক কালেকশন//

(Sarif Ahamad Molla)

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে পূর্ব শত্রুতার জেরে তিন নারীকে কুপিয়ে জখম

 

 

বরিশালে পূর্ব শত্রুতার জেরে তিন নারীকে কুপিয়ে জখম

 //পলাশ চন্দ্র দাস: বরিশাল প্রতিনিধি//

বরিশাল নগরীর ১০ নং ওয়ার্ডের ভাটারখাল এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরধরে তিন নারীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে প্রতিপক্ষ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একই এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলমগীর এর সাথে কথা কাটাকাটি হয় স্থানীয়দের।

এনিয়ে গত বুধবার বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতোয়ালী মডেল থানায় বেবী বেগম একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে বিষয়টি সালিসের মাধ্যমে মীমাংসা হয়। তবে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রতিপেক্ষর ৮/১০ জন হেপি (২৫) ,রশ্মি (১৮) ও তানিয়া (৩০)’র উপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এসময় আহতদের ডাক – চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের ভর্তি করেন।

বর্তমানে আহতরা শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, তাদের শরীরে গুরুতর আঘাত রয়েছে। সুস্থ হতে বেশ কয়েকদিন সময় লাগবে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন আহতদের স্বজনরা।