আমি কিন্তু গুলি করা মানুষ, রিভলবার ব্যাগে নিয়া হাঁটা মানুষ

 

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন নাহার এবং অভিভাবক ফোরামের উপদেষ্টা মীর শাহাবুদ্দিন টিপুর একটি ফোনালাপ ফাঁস হয়েছে। এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এতে অধ্যক্ষ ওই অভিভাবককে বলেন, ‘আমি কিন্তু গুলি করা মানুষ। রিভলবার নিয়া ব্যাগের মধ্যে হাঁটা মানুষ। আমার পিস্তল বালিশের নিচে থাকত। কোনো … বাচ্চা    যদি আমার পেছনে লাগে আমি কিন্তু     ওর পেছনে লাগব, আমি শুধু ভিকারুননিসা না আমি দেশছাড়া করব।’ ফোনালাপের অডিও ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

৪ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডের এই ফোনালাপ নিচে তুলে ধরা হলো-

কামরুন নাহার : লকডাউনের মধ্যে আমি অফিস করি কি না-করি কার বাপের কী? কোন … বাচ্চার কিছু যায় আসে?

টিপু : না …।

কামরুন নাহার : কোন … বাচ্চার যায় আসে কিছু? যদি আমি অফিস না করি? আমি জানতে চাই, কোন … পোলার কী যায় আসে?

 

টিপু : এইডি তো আপনার জিবির (গভর্নিং বডি) লোক।

 

কামরুন নাহার : কোন … পোলার কী যায় আসে? আমি রাজনীতি করা মেয়ে, আমি কিন্তু ভদ্র না।

 

টিপু : না।

 

কামরুন নাহার : আমি বলে দিলাম, আমি শিক্ষক। আমি প্রিন্সিপাল। আমি সেই দিকটায় আলাদা পরিচয়।

 

টিপু : এইডি তো আপনের।

 

কামরুন নাহার : ওই … পোলা যদি আমার পেছনে লাগে আমি কিন্তু তার গোষ্ঠী উদ্ধার করে ছাড়ব।

 

টিপু : না, আপনের বোধহয় ওই যে জিবির মেম্বারে এইগুলা ছড়ায় কি না দেখেন।

 

কামরুন নাহার : কোন মেম্বার আর কোন মার ভাতার আমার দেখার কিন্তু বিষয় না। কোনো … বাচ্চা যদি আমার পেছনে লাগে আমি কিন্তু ওর পেছনে লাগব। আমি শুধু ভিকারুননিসা না, আমি দেশছাড়া করব।

 

টিপু : ঠিক আছে আপা। এইটা ভালো।

 

কামরুন নাহার : এবং আমি অনেক সহ্য করেছি। এই কালকে সচিবের কাছে বলে এসেছি। সচিব বলেছে, মন্ত্রী তোমাকে খুব ভালোবাসে। তুমি এই জায়গায় থাকবা। আমি বলেছি, স্যার… তুমি এইখানে থাকবা, তুমি যোগ্য, মন্ত্রী তোমাকে পছন্দ করেছে।

 

টিপু : আইচ্ছা।

 

কামরুন নাহার : আর কোনো … বাচ্চা তদন্ত কমিটি করলে আমি কিন্তু দা দিয়ে কোপাবো তারে, সোজা কথা।

 

টিপু : হা হা হা।

 

কামরুন নাহার : আমার … আছে। আমার বাহিনী আছে। আমার ছাত্রলীগ আছে, যুবলীগ আছে, আমার যুব মহিলা লীগ আছে।

 

টিপু : আফনে আবার…।

 

কামরুন নাহার : কিন্তু কিচ্ছু লাগবে না। কাপড় খুইলা রাস্তার মধ্যে পিটাব।

 

টিপু : আফনে আবার আগের চরিত্রে চইলা যাবেন মুকুল আফা। হা হা…।

 

কামরুন নাহার : হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ যাব। যাব। আমি কিন্তু একদম, আমি কিন্তু গুলি করা মানুষ। রিভলবার নিয়া ব্যাগের মধ্যে হাঁটা মানুষ। আমার পিস্তল বালিশের নিচে থাকত। সারা রাত পিস্তল আমার বালিশের নিচে থাকত। আমি কিন্তু…

 

টিপু : আমি নাজমারে (যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার) ফোন করে কইতাসি মুকুল আফা চেইতা গেসে তুমি থামাও। তোমার জিএসরে (হাসি)।

 

কামরুন নাহার : হ্যাঁ। নাজমা আমারে বলসে। যে কেউ তরে ডিস্টার্ব করলে আমারে খালি বলিস। আমার নাজমাও লাগবে না। নাজমার গ্রুপের শুধু মেয়ে আমারে পরশু দিন অফিসে বসছিল, পরে আমারে বলতেছে আপা, আসবেন আমরা কাপড় খুইলা রাস্তার মধ্যে রাইখা পিটাব তারে। তার এত দুঃসাহস আপনার বিরুদ্ধে কথা বলে, আর আপনাকে ডিস্টার্ব করে। ঘরের থেকে টাইনা বাইর কইরা রাস্তার মধ্যে পিটাইয়া কাপড় খুইলা ফেলাব। আমার সম্পর্কে লেখে, আমার ঢাকা পতেঙ্গা ফেয়ারেল গলিতে চাইনিজ খাবার খাওয়াইসি। আর আমার সম্পর্কে লেখে, প্রিন্সিপাল অফিস করে না। কোন কুত্তার বাচ্চার মায়ের কোনে লিখেছি আমি। আমি আমার অফিস করি সচিবকে বইলা। করোনার মধ্যে, করোনার মধ্যে এই। করোনার মধ্যে আমার বারান্দার অফিসে আমি দরজা খুলে বসে থাকি, আমার চেয়ার টেবিল নিয়ে। আমি অফিসে গিয়ে রাউন্ড দিয়ে চলে আসি কর্মচারীরা ঠিকমতো আছে কি না। করোনার মধ্যে অফিসের নিয়ম নাই। আমাকে নিষেধ করছে, সারা বাংলাদেশ যে করোনার মধ্যে তোমরা লকডাউনের মাঝে অফিস খোলা রাখবে না, তাহলে করোনা ছড়াবে। কোন … বাচ্চার কী যায় আসে? কোন … বাচ্চার কী যায় আসে? আমি অফিসে না গেলে …বাচ্চারা … বাচ্চারা কি আমার জায়গাটায় মজা পায়? কোন … বাচ্চারা চায় যে আমি অফিসে বইসা অফিস করি, তাদের অফ করেন। …….. বাচ্চা।

 

টিপু : ঠিক আছে আপা।

 

কামরুন নাহার : আমি রাজনীতি করা মেয়ে।

 

টিপু : আমি তো আছি, আফনে এত…।

 

কামরুন নাহার : আমি কিন্তু শিক্ষা ক্যাডারে আসছি বলে কিন্তু…।

 

টিপু : আফনের চাইর নাম্বার গেইটের অপজিটে হইল আমার বাসা। এত চিন্তা করেন ক্যান?

 

কামরুন নাহার : আমি কোনো চিন্তা করি না। কারণ, আমি নিজেই শক্তিশালী। কোনো… কথায় আমি চলি না। কোনো… বাচ্চার কথায় আমি চলি না। আমি নিজেই কিন্তু শক্তিশালী। দলটার আমি প্রেসিডেন্ট ছিলাম। মনে রাইখেন এই দলটা এখন সরকারে। যত দিন এই দলটা আছে তত দিন আমার পাওয়ার আছে। আমি কিন্তু … বাচ্চাদের লেংটা করে রাস্তার মইধ্যে পিটাইতে পারব। আমার লাগবে না আমার দলের মেয়েদের ডাকলে দলের ছেলেও লাগব না। মেয়েরাই ওর চুল-দাড়ি ছিঁড়া প্যান্ট খুলে নামাইয়া দিবে। আমার সামনে তিন সপ্তাহ যেন দাঁড়াতে সাহস না পায়। আমি কিন্তু কোনো অন্যায়ের সাথে বসবাস করি না, এইডা মনে রাইখেন।

 

টিপু : তয় নাসির যে…।

 

কামরুন নাহার : আমার নামে যে লেখে … বাচ্চারে আমি অনেক সহ্য করছি।

 

টিপু : তয় নাসির যে…।

 

কামরুন নাহার : সচিব স্যারকে বলছি, অসভ্যরা আমার পেছনে লাগে, আমারে আপনি ঢাকা বোর্ডে পোস্টিং দিয়ে দেন। স্যার বলছে, মন্ত্রী তোমাকে পছন্দ করে। আমাকে যেহেতু ধরতে গেলে থাকতেই হবে তাহলে কুত্তার বাচ্চাদের সাথে লইড়াই আমি থাকব।

 

টিপু : না… নাসির যে এত চিল্লাচিল্লি করল আপনি নাসিররে কিছু কইলেন না ক্যান?

 

কামরুন নাহার : কোনো নাসিররে আমি চিনি না। নাসিররে কী বলব তা আমি বুঝি। কেউ যেন আমার পেছনে লাগে না আপনি নিষেধ কইরে দিয়েন। আপনার সঙ্গে যারাই বলবে নিষেধ করে দিবেন।

 

টিপু : না, তা তো বলবই। আফনে রোববারে ইস্কুলে আইলে আমারে একটু ফোন কইরেন।

 

কামরুন নাহার : স্কুল করব কি না করব তা আমার এখতিয়ার, আমি বসব কি না বসব। আমি সচিবকে বলছি, সচিব স্যার- আমি বাসায় বসে অফিস করি। বলে, যে বাসাটা দেওয়া হইসে বাসায় বইসা অফিস করবা। যখন সুবিধা অফিসে যাবা এখন করোনার মধ্যে। তুমি এই নিয়া চিন্তা কইরো না। আমরা অফিস করি না মাসে একবার-দুবার আসি জরুরি মিটিং থাকলে। আর … বাচ্চারা সারাক্ষণ কয় আমি অফিসে যাই না, অফিসে যাই না।

 

অধ্যক্ষ কামরুন নাহার গতকাল প্রতিবেদককে বলেন, অভিভাবক ফোরাম দীর্ঘদিন ধরে বেশকিছু অনৈতিক কাজে সায় দিতে চাপ দিয়ে আসছিল। শিক্ষার্থী ভর্তি করানো, ফুল ফ্রি-হাফ ফ্রি ইত্যাদির দাবি ছিল তাদের কিন্তু আমি তাদের অনৈতিক কাজে সায় দেইনি। এ জন্য আমাকে বিভিন্ন হুমকি দিয়েছে তারা। শিফটিং বদলি ও শিক্ষার্থী ভর্তিতে অতীতে অনেক বাণিজ্য করেছে এই সিন্ডিকেট। কিন্তু আমার কাছে এমন সুবিধা নিতে পারেনি তারা। অধ্যক্ষ বলেন, অভিভাবক ফোরামের নেতারা আমাকে মা-বাপ তুলে গালিগালাজ করেছেন। কেউ কেউ আমার কাপড় খুলে নিতে চেয়েছে। ফাঁস হওয়া ফোনালাপে আমার বক্তব্য এডিট করা হয়েছে। কামরুন নাহার বলেন, অভিভাবক ফোরামের নেতারা আমার চেয়ারে, আমার রুমের দরজায়ও লাথি মেরেছে। এই সিন্ডিকেটের ষড়যন্ত্রের কারণে অতীতে কোনো অধ্যক্ষ টিকতে পারেননি। আসলে অভিভাবক ফোরাম অনৈতিক সুবিধা নিতে না পেরে পাগল হয়ে গেছে। প্রতিষ্ঠানকে বাঁচাতে এই সিন্ডিকেট ভাঙতে সবাইকে পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানান অধ্যক্ষ।

 

মীর শাহাবুদ্দিন টিপু গতকাল প্রতিবেদককে বলেন, গত ১০ জুনে অধ্যক্ষের সঙ্গে এই কথোপকথন হয়। সেদিন ফোন করে তার সঙ্গে দেখা করতে চাইলে অতর্কিতভাবে নানা অশ্লীল, অশ্রাব্য ভাষায় এই গালিগালাজ করেন। টিপু বলেন, অধ্যক্ষ ভিকারুননিসা ক্যাম্পাসের ভিতর টাকা নিয়ে ঈদের আগে গরুর হাট বসিয়েছিল। আমি এই হাট উৎখাত করি। এতে অধ্যক্ষ আমার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়। এ ছাড়া করোনার কারণে মারা যাওয়া অভিভাবকের সন্তানদের ফুল ফ্রি, হাফ ফ্রির আবেদন জানালেও অধ্যক্ষ এতে সায় দেয়নি। অধ্যক্ষের বিতর্কিত নানা কর্মকান্ডের জন্য তার অপসারণ দাবি করে (more…)

লকডাউন কবে শেষ হচ্ছে ? জানালেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

২৩ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে প্রাণঘাতি করোনা ভারোসের বিরুদ্ধে লকডাউন। যা চলবে ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত।

চলমান লকডাউনে সব সরকারি, বেসরকারি অফিস, শিল্প কারখানা, পোশাক শিল্পসহ সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। টানা এই ১৪ দিনের লকডাউনে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে মানুষের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অপ্রয়োজনে বাইরে বের হলেই করা হচ্ছে জেল জরিমানা। এমতাবস্থায় জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা।

আগামী ৫ আগস্টের পর লকডাউন তুলে নেওয়া হবে কিনা? এমন এক প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ধীরে ধীরে সব খোলা হবে। একবারে না। ধাপে ধাপে সব খোলা হবে। এক সঙ্গে সব খোলা হবে না।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের সবারই সবার জায়গা থেকে চেষ্টা করা উচিত। আমরা তো এভাবে বাঁচতে পারব না। আমাদের মাস্ক পরতে হবে, কাজও করতে হবে। আমাদের টিকার সংকট কেটে গেছে। এখন সবাইকে টিকার আওতায় আনা হবে। তাহলে কি অর্ধেক জনবল নিয়ে প্রথম দিকে অফিস খোলা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হ্যাঁ এরকমই।

দুএক দিনের মধ্যে গার্মেন্টস খোলার কোন সম্ভাবনা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ মাসে সম্ভাবনা খুবই কম। সবাইকে আমরা নিয়ন্ত্রণে আনতে চাচ্ছি। দুই সপ্তাহ পরে গার্মেন্টস খুলে দেব। রপ্তানিমুখী সবগুলো শিল্প কারখানা খুলে দেব।

আগামী ১ আগস্ট থেকে খোলা হবে কি না এবিষয়ে বলেন, পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত হবে।

এদিকে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, লকডাউনের বিষয়ে অনেকের অনীহা আছে। কিন্তু অনীহা হলে চলবে না। আগে জীবন বাঁচবে তারপর অর্থনীতি। আগে আপনি বেঁচে থাকুন, তার পর আপনার অর্থনীতি। অর্থনীতি দিয়ে কি করবেন? অর্থনীতিকে বাঁচাতে হলে জীবন বাঁচাতে হবে। জীবন বাঁচাতে হলে আপনাদের লকডাউন মানতে হবে এবং ভ্যাকসিন নিতে হবে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে, মাস্ক সবাইকে পরতে হবে। কিন্তু আমরা দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করছি লকডাউন আজ চারদিন চলছে, কিন্তু রাস্তাঘাটে যেভাবে মানুষ চলাচল করছে, গাড়ি বের হচ্ছে, আমরা তাতে খুবই দুঃখিত। তারা লকডাউন ব্রেক করছে। তারা নিজেরা নিজেদের ক্ষতি করছেন।

মন্ত্রী বলেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে লকডাউনের বিকল্প কিছু নাই। লকডাউন মানাতে হবে। লকডাউন বাস্তবায়নে যারা দায়িত্বে আছেন তাদের আরো কঠোর হতে হবে। জনগণকে একটু সচেতন হতে হবে। বয়স্করা যেন ভ্যাকসিন নেন, টেস্ট করান এটা নিশ্চিত করতে হবে। যেখানে সংক্রমিত হচ্ছে সেখানে যেন বয়স্করা না যায়। সংক্রমণ না কমলে রোগী কমবে না, রোগী না কমলে মৃত্যু কমবে না এবং হাসপাতালে জায়গা হবে না এটিই বাস্তবতা।

লকডাউন না হলে মৃত্যু ছয়শো বা আটশো হত: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

লকডাউন বা বিধিনিষেধ কঠোরভাবে কার্যকর না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতো বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী  ফরহাদ হোসেন।

বাংলাদেশে লকডাউন বা বিধিনিষেধ কার্যকর করার প্রভাবে করোনাভাইরাসে সংক্রমণ এবং মৃত্যুর সংখ্যা এক জায়গায় থেমে গেছে বলে সরকার মনে করছে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, আগামী সপ্তাহে আবারও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সীমান্ত এলাকাগুলোতে সংক্রমণ বৃদ্ধির মুখে গত এপ্রিল মাসে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন জায়গায় লকডাউন দেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে ১ জুলাই থেকে দুই সপ্তাহের জন্য ঢাকাসহ সারাদেশকে বিধিনিষেধের আওতায় নেওয়া হয়েছিল। ঈদের সময় সাতদিন বাদ দিয়ে আবার ২৩শে জুলাই থেকে দুই সপ্তাহের লকডাউন বা ‘কঠোর বিধিনিষেধ’ এখন চলছে। সূত্র: যুগান্তর।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সকল মামলার জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে : সুপ্রিম কোর্ট

 

 

সকল মামলার জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে : সুপ্রিম কোর্ট

করোনা  মহামারির ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের মাঝে চলমান সর্বাত্মক লকডাউনে বিভিন্ন মামলায় আসামিদের জামিনের মেয়াদ ও আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের কার্যকারিতা আরও এক মাস বাড়ানো হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যে সব মামলায় আসামিকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত জামিন দেওয়া হয়েছে বা যে সব মামলায় উচ্চ আদালত থেকে অধস্তন আদালতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণের শর্তে জামিন দেওয়া হয়েছে বা যে সব মামলায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেওয়া হয়েছে- সে সব মামলার জামিন এবং সব ধরনের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশসমূহের কার্যকারিতা আগামী এক মাস পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।

এর আগে চলতি বছর ৫ এপ্রিল, ১৮ এপ্রিল, ২ ও ২৭ মে এবং ২৭ জুন পাঁচ দফায় পৃথক পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে সব আসামির জামিন যথাক্রমে ২, ৪, ১ ও ১ মাস করে বৃদ্ধি করেছিল সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতিতে আদালতে বিচারপ্রার্থীদের উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বারবার বিভিন্ন মেয়াদে আসামিদের জামিন ও অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের মেয়াদ বৃদ্ধি করে আসছেন সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। সূত্র: যুগান্তর।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

স্বপ্নের পদ্মাসেতু কতটা মজবুত…? অনেকেরই প্রশ্ন থাকতে পারে….

 

স্বপ্নের পদ্মাসেতু কতটা মজবুত…? অনেকেরই প্রশ্ন থাকতে পারে….

স্বপ্নের পদ্মাসেতু কতটা মজবুত…? হ্যাঁ, এমন প্রশ্ন যেকারো মনে আসতেই ডারে, এসেছেও । জেনে নেই এর উত্তর । পদ্মা সেতুর রেলপথ যদি পূর্ণ হয়ে যায় ভারি ট্রেনে। ঘটনাক্রমে ওই সময় সড়ক অংশও পণ্যবোঝাই সব লরির সারি। এমন সময় যদি হঠাৎ করে শুরু হয় ভূমিকম্প। যেনতেন ভূমিকম্প নয়, রিখটার স্কেলে আট মাত্রার। আর ওই ভূমিকম্পে সেতুর পিলারের নিচ থেকে মাটি সরে যায় ৬২ মিটার। আর ঠিক ওই ভয়ংকর সময়ে চার হাজার টনের একটি জাহাজ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা দেয় পদ্মা সেতুতে। তারপরও পদ্মা সেতু তখনও ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকবে!

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ের ব্রিফিংয়ে পদ্মা সেতুর শক্তিমত্তা নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে এমন বর্ণনা দেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

সম্প্রতি পদ্মা সেতুর পিলারের সঙ্গে জাহাজের ধাক্কা লাগার খবর উড়িয়ে দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘পিলারের সঙ্গে নয়, ধাক্কা খেয়েছে ক্যাপের সঙ্গে।’

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ফেরি বা দেশে যেসব জাহাজ চলাচল করে, সেগুলোর পিলারের সঙ্গে ধাক্কা খাওয়ার কোনো আশংকা নেই, সেই দিনও খায়নি। সেদিন ধাক্কা খেয়েছে পিলার ক্যাপের সঙ্গে। জাহাজ ধাক্কা মারলেও কিছু হবে না। আমাদের দেশে তিন থেকে চার হাজার টনের জাহাজ চলে। চার হাজার টনের জাহাজ যদি ধাক্কা মারে, পিলারে পৌঁছাতে পারবে না, আগেই ক্যাপের মধ্যে আটকে যাবে।

চারটি ইঞ্জিনিয়ারিং সেইফটি নিয়ে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। এগুলো হলো- আট মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার পর পিলারের নিচ থেকে ৬২ মিটার মাটি সরে গেলে, ব্রিজের দুটি লেয়ারের নিচেরটিতে হ্যাভি লোডের ট্রেন থাকলে এবং উপরেরটিতে যদি লরি দিয়ে বোঝাই থাকলে। যে ফেরিটি পদ্মাসেতুর পিলারের সঙ্গে ধাক্কা খেয়েছে সেটি ডুবে যায় কিনা আমরা সেই ভয় পাচ্ছিলাম। এখন চ্যানেল করে দেওয়া হয়েছে; এক চ্যানেল নিয়ে যাবে, আরেক চ্যানেল দিয়ে বের হবে- জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, ‘যদি কখনো রিখটার স্কেলের আট মাত্রার ভূমিকম্প হয়, তখন যদি পিয়ারের নিচ থেকে ৬২ মিটার মাটি সরে যায়, মাটি সরে গেলে কিন্তু স্ট্রেংথ কমে যাবে।

‘তখন যদি ব্রিজের দুইটি লেয়ারের নিচেরটি হেভি লোডেড ট্রেন দিয়ে বোঝাই থাকে, আর উপরেরটিতে যদি লরি দিয়ে বোঝাই থাকে লোডেড, তখনই যদি চার হাজার মেট্রিক টনের একটি শিপ গিয়ে পিয়ারের মধ্যে ধাক্কা মারে, তবুও ব্রিজের, পিয়ারের কিছু হবে না। ডু্ ইউ আন্ডারস্ট্যান্ড? এগুলো হলো, ইঞ্জিনিয়ারিং সেফটি।’

তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘প্রকৃতি যদি এর বাইরে কিছু করে, দ্যাটস অ্যা ডিফারেন্ট থিং।’

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনায় লকডাউন বাস্তবায়নে ৩৯মামলায় ৪৪ হাজার ৩ শত টাকা জরিমানা আদায়

 

খুলনায় লকডাউন বাস্তবায়নে ৩৯মামলায় ৪৪ হাজার ৩ শত টাকা জরিমানা আদায়

 নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

অদৃশ্য সুপার পাওয়ার সম্পন্ন করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু প্রতিদিনই বাঁধভাঙা জোয়ারের ন্যায় বেড়েই চলছে সমগ্র বাংলাদেশের অন্যান্য বিভাগের চেয়ে সীমান্তবর্তী খুলনা বিভাগের বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলাগুলিতে,বিশেষকরে ভারতের সীমান্তবর্তী জেলার গ্রামগুলিতে করোনার সংক্রমণ আগুনে ঘি ঢালার ন্যায় হুহু করে বেড়েই চলছে।

আর তাই করোনা সংক্রমণের এই চেইন ভাঙার জন্য ইদের পর থেকে শুরু হয়েছে কঠোরতম লকডাউন। সরকার ঘোষিত এই কঠোরতম লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করছে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসন।সাথে সহযোগীতা করছে পুলিশ, র্যার,বিজিবিসহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

কোন কারণ ছাড়া বের হওয়া, স্বাস্থ্যবিধি না মানা, মাস্ক ব্যবহার না করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখা ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং কাঁচা বাজার ছাড়া অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার অপরাধে খুলনা বিভাগের বিভাগীয় শহর,জেলা শহর ও উপজেলা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩৯ মামলায় ৩৯ জনকে ৪৪ হাজার ৩ শত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যতদিন লকডাউন চলমান থাকবে ততোদিন খুলনা বিভাগের বিভাগীয় শহর, জেলা শহর ও উপজেলা শহরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

দেশে যোগ হচ্ছে আরও তিনটি উপজেলা

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন আব্দুস সালাম মুর্শেদী এমপি

আমি খুলনা -৪ (রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া) নির্বাচনী আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী, খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার সদর ইউনিয়নে গত ১৯ জুলাই সংগঠিত ঘটনার প্রেক্ষিতে খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের গৃহীত সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি।

জাতির জনকের কন্যা দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমার নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণের জন্য খাদ্য সহায়তা ও স্বাস্থ্য সেবায় নিজেকে সার্বক্ষনিক নিয়োজিত রেখেছি। আমাদের দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় প্রশাসন আমাকে এই করোনা যুদ্ধে সর্বাত্মক সহায়তা করেছেন। এজন্য জননেত্রী শেখ হাসিনাসহ আমি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ।

বিশেষ করে লকডাউন চলাকালীন সময়ে ঘরবন্দি অসহায় দুস্থ মানুষের বাড়িতে জননেত্রী শেখ হাসিনার দেয়া খাদ্যসহ উপহার সামগ্রী অক্সিজেনসহ সেবাসমূহ জরুরী স্বাস্থ্য সেবা সুচারুভাবে চলমান রয়েছে। সংকটকালীন সময়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতি আমি সহ আমার নির্বাচনী এলাকাবাসী সম্পূর্ন আস্থাশীল।

আমি মনে করি সিঙ্গাপুরে যেমন লি- কুয়ান, থাইল্যান্ডের রাজা ভূমিবল, মালয়েশিয়ায় যেমন মাহাথির মোহাম্মদকে তাদের জাতি যেমন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন, ঠিক তেমনি বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ও জাতি সারাজীবন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবেন। গত ১৯ জুলাই তেরখাদা উপজেলার সদর ইউনিয়নে খাদ্য সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানটি ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এফ এম ওয়াহিদুজ্জামান এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হয়।

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন আব্দুস সালাম মুর্শেদী এমপি

উক্ত অনুষ্ঠানে আগে বা পরে কি কথা হয়েছে তার সম্পর্কে আমি মোটেই অবগত নই। মাত্র তিন মিনিটের জন্য আমি ঢাকা থেকে টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হই। অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এফ এম ওয়াহিদুজ্জামানের দেয়া বক্তব্য সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত। উক্ত বক্তব্যের সাথে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এফ এম ওহিদুজ্জামানের এই বিভ্রান্তিমূলক কল্পনা প্রসূর বক্তব্যকে আমি তীব্র নিন্দা জানাই।

একই সাথে এ বিষয়ে খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের গৃহীত সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। এতদসংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের খুলনা জেলার আমার প্রাণ প্রিয় সহকর্মীদের বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। খবর বিজ্ঞপ্তি

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রূপসায় ঘর ও নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে স্থানীয় সরকার বিভাগ

দিঘলিয়াতে ‘সালাম মুর্শেদী সেবা সংঘে’র মাক্স বিতরন

দেশে যোগ হচ্ছে আরও তিনটি উপজেলা

দেশে যোগ হচ্ছে আরও তিনটি উপজেলা। এ নিয়ে দেশে মোট উপজেলা হচ্ছে ৪৯৫টি। এ ছাড়া একটি উপজেলার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।

সোমবার প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে করে নিকার ও মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

নতুন উপজেলাগুলো হলো কক্সবাজারের ঈদগাও থানা, মাদারীপুরের ডাসার থানা এবং সুনামগঞ্জের মধ্যনগর থানা।এ ছাড়া সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার নাম পরিবর্তন করে শান্তিগঞ্জ করা হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর

//অনলাইন নিউজ//

 

 

রূপসায় ঘর ও নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে স্থানীয় সরকার বিভাগ

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

খুলনার রূপসা উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া আঠারোবেকী নদীর বুকে হারিয়ে গেছে হাজারও বাড়ি ঘর ও কৃষি জমি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যায়ে নদীটি খনন করেন। নদী খননের তীরে গড়ে তুলা হয় মুজিববর্ষের উপহার গৃহহীন ও ভূমিহীনদের ঘর।

প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর গুলো ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ইতি মধ্যে ভাঙ্গন রোধ করার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন জেলা প্রশাসক।

গত সোমবার দুপুরে সরকারি ঘর পরিদর্শনসহ পুটিমারী, সামন্তসেনা ও নেহালপুরসহ ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরির্দশনে আসেন জেলা প্রশাসক এর স্থানীয় সরকার বিভাগের মো. ইকবাল হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম, মোংলা বাগেরহাট অঞ্চলের পাউব’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী কৃষ্ণান্দ বিকাশ সরকার, উপজেলা প্রকৌশলী এস এম ওয়াহিদুজ্জামান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফ হোসেন, পাউব এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. হুরাইয়া প্রমূখ।রূপসায় ঘর ও নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে স্থানীয় সরকার বিভাগ

পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভাঙন কবলিত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধে কাজ শুরু করা হবে।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

করোনায় বরিশাল ৫নং ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতির মৃত্যু

অভয়নগরে শশুর বাড়িতে বেড়াতে এসে জামাতার রহস্যজনক মৃত্যু

 

করোনায় বরিশাল ৫নং ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতির মৃত্যু

//পলাশ চন্দ্র দাস ::বরিশাল //

বরিশাল মহানগরীর ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মাদ আলী হাওলাদার ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না….. রাজিউন)। আজ সোমবার (২৬ জুলাই) বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ঘটে তার। তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে ও মেয়ে রেখে গেছেন। পারিবারিক সূত্র জানায়, কিছুদিন আগে মোহাম্মাদ আলী হাওলাদার করোনা পজেটিভ হিসেবে শনাক্ত হন। এরপর থেকে বাসাতেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। আজ সোমবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে শেবাচিম এ নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকালে মৃত্যুবরণ করেন তিনি

অভয়নগরে শশুর বাড়িতে বেড়াতে এসে জামাতার রহস্যজনক মৃত্যু

যশোরের অভয়নগর উপজেলায় শশুর বাড়িতে বেড়াতে এসে শরিফুল ইসলাম (৩৫) নামের এক জামাতার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। ২৬ জুলাই (সোমবার) সকালে উপজেলার ৫নং শ্রীধরপুর ইউনিয়নের শংকরপাশা গ্রামের শাহিনপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। সে শার্শা উপজেলার জামতলা সামটা গ্রামের হানিফ মোড়লের ছেলে ।

এ ঘটনায় নিহত শরিফুলের স্ত্রী শিল্পী বেগম (২৫) এ দৈনিক বিশ্ব প্রতিনিধিকে জানায়, বিয়ের পর গর্ভবতী থাকাকালীন আমার স্বামী দীর্ঘ আট বছর যাবত মালয়েশিয়ায় এক কোম্পানীতে টাইলস মিস্ত্রী হিসাবে কাজ করতেন, ঈদের ছুটিতে তার নিজ গ্রামের বাড়ি আসেন ৷ ঈদের পরের দিন বাড়ি থেকে নিজ পিত্রালয়ে বেড়াতে আসলে দুজনের মধ্যে পারিবারিক বিষয়ে কিছু কথা কাটাকাটি হয় ৷ এর জের ধরে তিনি আত্মহত্যা করেন ৷

গ্রামবাসি সূত্রে জানা যায়, নিহত শরিফুল মালয়েশিয়া থাকাকালীণ টাকা-পয়সাকে কেন্দ্র করে তাদের পরিবারের মধ্যে সব সময় ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকতো ৷

উল্লেখ্য নিহত শরিফুলের ৭ বছরের একটি সন্তান আছে ,  নাম সিয়াম ৷

একে কেন্দ্র করে হয়তো তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে আমাদের ধারনা ৷ এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার ওসি শামীম হাসান  জানান, লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছি ৷ ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে হত্যা নাকি আত্মহত্যা ৷ ভিকটিমের পরিবার অভিযোগ করলে তদন্তপূর্বক পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

// মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোরে মৈত্রী ভলান্টিয়ার্সদের দুঃসাহসীক মানবিক অভিযান