খুলনার ৪ হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে মৃত্য ২২ জনের

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় সুনামিতে সীমান্তবর্তী জেলা সমূহ বিপর্যস্ত। প্রতিদিন করোনার সংক্রমণ সুপার পাওয়ার নিয়ে বাড়ছে। রাত যতো গভীর হচ্ছে করোনায় আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুতে স্বজনদের কান্না ও অক্সিজেন সংকটে শ্বাসকষ্টে ভোগা রোগীর আত্মচিৎকারে হাসপাতালের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে।

আজ ৭ জুলাই -২০২১ রোজ বুধবার গত ২৪ ঘন্টায় খুলনার ৪ হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ২২ জন মৃত্যু বরণ করেছেন। তার মধ্যে ২১ জনই সরাসরি করোনা রোগী ও একজন উপসর্গ যুক্ত। এর মধ্যে খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১০ জন,খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৫ জন গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫ জন ও নতুন সংযুক্ত হওয়া আবু নাসের হাসপাতালে ২ জন মৃত্যু বরণ করেছেন।

খুলনায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিদিন আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। কিছুদিন আগেও করোনা সংক্রমণ শহর কেন্দ্রিক থাকলেও দিন যত গড়িয়েছে করোনার সংক্রমণ গ্রামের দিকে ছড়িয়েছে এবং শহরের হাসপাতাল গুলোতে রোগীর চাপ বেড়েই চলেছে।এই হারে যদি করোনার সংক্রমণ হয় তাহলে হাসপাতালগুলিতে অক্সিজেন সংকটসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের করোনা রোগীদের নূন্যতম সেবা দিতেই হিমশিম খেতে হবে।

খুলনা মহানগর ও উপজেলায় ১৬৩ জনকে ১ লক্ষ ১৫ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সারাদেশে করোনার সংক্রমণের সুপার পাওয়ারের প্রেক্ষিতে গত ১ জুলাই-২০২১ থেকে অদ্যাবধি কঠোর বিধিনিষেধ আরোপিত রয়েছে। সমগ্র দেশের তুলনামূলক বিশ্লষণে দেখা যায় সীমান্তবর্তী খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে শুরু করে গ্রামীণ জীবনেও করোনা সংক্রমণের বিশাল প্রভাব পড়েছে।
আর তাই করোনার পিক আওয়ারে লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করছে খুলনা জেলা প্রশাসন,পুলিশ, র্যার,বিজিবি ও সামরিক বাহিনীর সদস্যগণ।লকডাউন বাস্তবায়ন কালে ৬ জুলাই -২০২১ রোজ মঙ্গলবার সকাল থেকে খুলনা মহানগরী ও উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১৬১ টি মামলায় ১৬৩ জনকে ১ লক্ষ ১৫ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা করেন।
উল্লেখ্য লকডাউন যতদিন চলমান থাকবে ততোদিন এ ধরনের অভিযান অব্যাহতভাবে পরিচালিত হবে।

লকডাউনের ৬ষ্ঠ দিনে বরিশালে বেড়েছে মানুষের চলাচল

 

লকডাউনের ৬ষ্ঠ দিনে বরিশাল নগরীর প্রবেশপথগুলোতে কড়াকড়ি থাকলেও প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে মানুষজনের চলাচল বেড়েছে। রিকশা, মোটরসাইকেল এবং ব্যক্তিগত যান চলাচলও আগের চেয়ে বেড়েছে। ব্যাংক খোলা থাকায় প্রতিটি শাখায় ভীড় দেখা গেছে।

অপরদিকে স্বাস্থ্যবিধি এবং লকডাউন বাস্তবায়নে আজও কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

 

৬ষ্ঠ দিন আগের ৫ দিনের চেয়ে রাস্তাঘাটে লোক সমাগম বেড়েছে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহ বিভিন্ন ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং খাদ্য সংস্থানের জন্য রাস্তায় চলাচল করছেন অনেকে। তবে কিছু মানুষ রাস্তায় নেমেছেন একেবারেই অযথা। নগরীর বেশিরভাগ দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। তবে অপ্রয়োজনে কিছু দোকান খোলা রেখে ভীড় বাড়ানো হচ্ছে।

নগরীর ৪টি প্রবেশদ্বার সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ২০টি চেকপোস্ট স্থাপন করে নগরীতে অপ্রয়োজনীয় প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করছে পুলিশ। এছাড়া নগরীতে পুলিশের টহল জোড়দার করা হয়েছে। এছাড়া সেনাবাহিনী, বিজিবি এবং র‌্যাবও নগরীতে লকডাউন বাস্তাবায়নে টহল জোড়দার করেছে।

এদিকে লকডাউন এবং স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়নে আজও নগরী এবং জেলায় অভিযান চালিয়েছে জেলা এবং উপজেলা প্রশাসন। অযথা রাস্তায় বের হলে এবং স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হলেই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন তারা।

//নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

খুলনায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার২

খুলনায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার২

খুলনায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ মোঃ হেলাল শিকদার (২৩) ও জেল্লাল (১৯) নামে দুই ভাইকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। গ্রেফতার দুজন সোনাডাঙ্গা ময়লাপোতা এলাকার মোঃ খলিল শিকদার ও মোছাঃ হালিমা বেগম এর ছেলে। গতকাল সোমবার রাতে তাদের গ্রেফতার হয় বলে মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
র‌্যাব-৬ জানায়, সোমবার রাতে র‌্যাব-৬ (সদর কোম্পানী) খুলনার একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে, সোনাডাঙ্গা আবু বক্কর খান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে কতিপয় ব্যক্তি ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে আভিযানিক দলটি ঘটনার সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত স্থানে অভিযান পরিচালনা করলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে কৌশলে পালানোর চেষ্টাকালে মোঃ হেলাল শিকদার ও জেল্লালকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের দখল হতে ৩টি দেশীয় তৈরী হাসুয়া উদ্ধার পূর্বক জব্দ করে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানায় পেনাল কোডের ১৮৬০ সালের ৩৯৯ ধারায় মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।

 

আ:রাজ্জাক শেখ,খুলনা ব‍্যুরো:

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

ঠাকুরগাঁওয়ে সেচ্ছাসেবকলীগের পক্ষ থেকে সদর থানা পুলিশকে ফেস শিল্ড উপহার

 

 

ঠাকুরগাঁওয়ে সেচ্ছাসেবকলীগের পক্ষ থেকে সদর থানা পুলিশকে ফেস শিল্ড উপহার

করোনা সংক্রমণ রোধে ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশকে ১০০ ফেস শিল্ড করোনা সুরক্ষা সামগ্রী উপহার হিসেবে প্রদান করেছেন ঠাকুরগাঁও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ।

৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নজমুল হুদা শাহ এ্যাপোলো, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সুনাম, প্রচার সম্পাদক কুরবান আলী সরকার সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দসহ ওসি তদন্ত ও অপারেশন ওসি পুলিশের অন্যান্যদের হাতে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় উপস্থিত হয়ে অফিসার ইনচার্জ তানভীরুল ইসলামকে এসব সামগ্রী তুলে দেন। ঠাকুরগাঁও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নজমুল হুদা শাহ এ্যাপোলো বলেন, ফ্রন্ট লাইনের করোনা যোদ্ধা সদর থানা পুলিশ সার্বক্ষণিক জনসাধারণকে করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষার উদ্দেশ্যে কাজ করে যাচ্ছে। পুলিশের ভালো কাজে উৎসাহ ও সাহস প্রদান করা আমাদের দায়িত্ব। আমরা পুলিশের সমালোচনা করতেই ব্যস্ত তাদের কথা আমরা চিন্তাও করি না।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ তানভীরুল ইসলাম বলেন, পুলিশের পাশাপাশি ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিরাও করোনা সংক্রমণ রোধে কাজ করে যাচ্ছে। ঠাকুরগাঁও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ মানুষকে সহযোগিতার পাশাপাশি প্রশাসনিক বিভিন্ন দপ্তরে তাদের সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করে উদাহারণ সৃষ্টি করছে।

এসব কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে আমরা নিজেরা সুরক্ষিত থেকে সাধারণ মানুষকে করোনা সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব হবে।

 মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

টাঙ্গাইলে করোনায় ৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৪১৩ জন

 

টাঙ্গাইলে করোনায় ৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৪১৩ জন

// মোঃ আল-আমিন শেখ. টাঙ্গাইল প্রতিনিধি//

করোনায় আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে টাঙ্গাইলে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৫ জন ও উপসর্গ নিয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে নতুন করে জেলায় ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪১৩ জন করোনায় শনাক্ত হয়েছে। ৭১৩টি নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে ৪১৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার শতকরা ৫৭ দশমিক ৯২ভাগ। মঙ্গলবার (৬ জুলাই) এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৪৪ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে মোট সুস্থ হয়েছে ৪ হাজার ৮৯৩ জন। সর্বমোট মারা গেছেন ১৩৫ জন। জেলার হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৮৮ জন। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো: শাহাবুদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. সাজেদুর রহমান জানান, করোনা রোগীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালে করোনা রোগীদের স্থান সংকুলান হচ্ছে না। বর্তমানে হাসপাতালে ১৪৩ জন রোগী ভর্তি রয়েছে। এদের মধ্যে ৭৮ জন করোনায় ও ৬৫ জন করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

করোনায় অসহায়ের সেবায় সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘ ।। শেখ হারুন

খুলনা জেলা আ’লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশিদ বলেছেন, লকডাউন চলাকালীন সময়ে সমাজের বিত্তবানদের অসহায় ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়াতে হবে। করোনাকালীন সময়ে সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘ’র মাধ্যমে অসহায় মানুষের মাঝে বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হচ্ছে, যা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

সালাম মুর্শেদী সেবা সেবা সংঘের ব্যবস্থাপনায় ও টিম ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেডের সহযোগিতায় আজ মঙ্গলবার দুপুরে সালাম মূর্শেদী এমপির নগরীর দলীয় কার্যালয়ে সার্জিকেল বেড প্রদান অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তৃতায় তিনি বলেন, যতোদিন লকডাউন থাকবে ততোদিন সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, শারমিন সালাম অক্সিজেন ব্যাংকের কার্যক্রমসহ স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচী অব্যাহত থাকবে। খুলনার হাসপাতালগুলোতে বেডের স্বল্পতা রয়েছে।

এ বিষয়টি বিবেচনা করে অসুস্থ রোগিদের জন্য খুলনায় সার্জিকেল বেড প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সমাজের বিত্তবানদের করোনাকালীন সময়ে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের উদ্যোগে ৪০ হাজার পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি এড. কাজী বাদশা মিয়া ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু।

জেলা আ’লীগের সদস্য অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালাম’র পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষক লীগের সভাপতি অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, রূপসা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামালউদ্দীন বাদশা, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ আজাদ আবুল কালাম, তেরখাদা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো:শহিদুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান এফ এম অহিদুজামান, দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা আকরাম হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন, রূপসা উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, খাঁন শাহাজান কবির প্যারিস, রূপসা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, তেরখাদা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা খান, তেরখাদা উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান শারাফাত হোসেন মুক্তি, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কামাল হোসেন বুলবুল, ইসহাক সরদার, দ্বীন ইসলাম, আ’লীগ নেতা আক্তার ফারুক, বাছিতুল হাবিব প্রিন্স, স ম জাহাঙ্গির, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ বি এম কামরুজ্জামান, জেলা মহিলালীগের নেত্রী রিনা পারভীন,সাবিনা ইয়াসমিন, তেরখাদা উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মফিজুর রহমান,যুবলীগ নেতা নোমান ওসমানী রিচি, আ’লীগ নেতা মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, বাদশা মল্লিক, শেখ আসাদুজ্জামান, রাজিব দাস, যুবমহিলালীগের সভাপতি আকলিমা খাতুন তুলি, সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা রুনা, সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের টিম লিডার সামসুল আলম বাবু, যুবলীগ নেতা হাবিবুর রহমান তারেক,সৈয়দ জামিল মোরশেদ, নুর ইসলাম সরদার,আজমল ফকির, সুব্রত বাগচী, নাজির শেখ, আ:মজিদ শেখ, বাদশা মিয়া প্রমুখ

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

টাঙ্গাইলে কোরবানির জন্য প্রস্তুত সুদর্শন ‘শাকিব খান’

টাঙ্গাইলে কোরবানির জন্য প্রস্তুত সুদর্শন ‘শাকিব খান’

 

টাঙ্গাইলে এবারের ঈদে কোরবানির জন্য প্রস্তুত সুদর্শন ‘শাকিব খান’। শান্ত প্রকৃতি ও সাদা রংয়ের হওয়ায় নাম রাখা হয়েছে ‘শাকিব খান’। শাকিব খান লম্বায় ৭ ফুট আর ওজন প্রায় ৩১ মণ। বয়স ২ বছর ৭ মাস। শাকিব খান ফ্রিজিয়াম জাতের ষাঁড়। এবার কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য তাকে প্রস্তুত করা হয়েছে। তাকে লালন-পালন করা হচ্ছে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার মিরিকপুর গ্রামের কলেজছাত্র তরুণ উদ্যোক্তা জোবায়ের ইসলাম জিসানের খামারে।

এবার কোরবানির ঈদে শাকিব খানই উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় গরু বলে দাবি করেন জিসান। জানা গেছে, ২ বছর ৭ মাস আগে তরুণ উদ্যোক্তা জোবায়ের ইসলাম জিসানের খামারেই জন্ম হয় শাকিব খানের। এরপর থেকে তাকে কোনো ক্ষতিকর ওষুধ ছাড়াই দেশীয় খাবার খাইয়ে লালন-পালন করা হচ্ছে। ষাঁড়টির নাম শাকিব খান ও বেশি বড় হওয়ায় আগ্রহ নিয়ে তাকে দেখতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ এসে ভিড় করছেন। মাঝেমধ্যে ক্রেতারাও আসছেন ষাঁড়টি কিনতে।

জিসান ষাঁড়টির দাম হাঁকিয়েছেন ১৩ লাখ টাকা। শাকিব খানের মালিক জোবায়ের ইসলাম জিসান বলেন, ষাঁড়টি দেখতে সাদা। ষাঁড়টি খুবই শান্ত প্রকৃতির। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরামর্শক্রমে কোনো ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার ছাড়াই দেশীয় খাবার খাইয়ে এটিকে লালন-পালন করেছি। এখন ষাঁড়টির ওজন হয়েছে প্রায় ৩১মণ।

ষাঁড়টির দাম চাচ্ছি ১৩ লাখ টাকা।

তবে আলোচনাসাপেক্ষে কিছু কম টাকায় বিক্রি করতে পারি। তিনি আরো বলেন, ২০১৭ সালের শেষের দিকে আমার পরিকল্পানায় তিনটি গাভী দিয়ে খামারটি শুরু করা হয়।

বর্তমানে খামারে ২৫টি ষাঁড় ও গাভী রয়েছে। এদের মধ্যে ৬টি ষাঁড় এবার কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। খামারে শাকিব খান ছাড়াও প্রায় একই ওজনের আরো একটি ষাঁড় রয়েছে।

তার নাম রাখা হয়েছে দিপজল। সেটা দেখতে কালো।

ষাঁড় দুটির জন্মের পরপরই খামারের ম্যানেজার তাদের নাম রাখে শাকিব খান ও দিপজল। আমার অবর্তমানে বাবা শফিকুল ইসলাম খামারটি দেখাশোনা করেন। এছাড়াও খামারে একজন কর্মচারী রয়েছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রৌশনী আকতার বলেন, জিসানের খামারে দেশীয় খাবার খাইয়ে ষাঁড়টিকে লালন-পালন করা হচ্ছে। আমরা ষাঁড়টিকে নিয়মিত দেখাশোনা করছি। উপজেলায় এই ষাঁড়টিই সবচেয়ে বড়।

বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হারুনুর রশিদ বলেন, যাতে কোরবানির কোনো পশু চুরি হতে না পারে সেজন্য পুলিশের বিশেষ টহল দল তৎপর রয়েছে। এছাড়া গোয়েন্দা নজরদারিও রয়েছে।

//মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

২৮ যাত্রী নিয়ে রাশিয়ার একটি বিমান  নিখোঁজ হয়ে গেছে

 

 

২৮ যাত্রী নিয়ে রাশিয়ার একটি বিমান  নিখোঁজ হয়ে গেছে

২৮ যাত্রী নিয়ে রাশিয়ার একটি বিমান  নিখোঁজ হয়ে গেছে  দেশটির স্পুটনিক নিউজ এ তথ্য জানায়।

খবরে বলা হয়, ওই প্লেনটি যথাযথ সময়ে সাড়া না দেওয়ায় প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে— সেটি নিখোঁজ হয়েছে। এএন-২৬ প্লেনটি পেট্রোপাভলভস্ক-কামচাটস্কি থেকে পালানা শহরে যাওয়ার পথে কামচাটকায় কন্ট্রোলরুমের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

দেশটির জরুরি সেবাদাতা সংস্থার এক প্রতিনিধি বলেন, প্লেনে ছয়জন ক্রু এবং ২২ যাত্রী ছিলেন। এদের মধ্যে একজন শিশু। একটি হেলিকপ্টার ও সেনারা ওই প্লেন খোঁজা এবং উদ্ধার অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আঞ্চলিক সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, সব জরুরি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানকে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে। দুটি হেলিকপ্টার এবং একটি প্লেন ওই এলাকায় অনুসন্ধান চালাচ্ছে।

 

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

গ্রামেই করোনা সংক্রমণ বেশি ছড়িয়ে পরছে : কারণ অসতর্কতা

 

গ্রামেই করোনা সংক্রমণ বেশি ছড়িয়ে পরছে : কারণ অসতর্কতা

 

দেশের গ্রামাঞ্চলে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। বর্ষাকালে গ্রামের মানুষ করোনা সংক্রমণকে সাধারণ সর্দি-কাশি হিসেবে মনে করায় দ্রুত পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলত মারাত্মক পর্যায়ে চলে যাওয়ার আগে সাধারণ মানুষ করোনা পরীক্ষা না করানোর কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

 

স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, করোনা প্রতিরোধে তিনটি প্রক্রিয়ার মধ্যে প্রথমটি টিকাদান কর্মসূচী। দ্বিতীয়টি পরীক্ষা করে রোগীকে আইসোলেশনে রাখা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। আর তৃতীয়টি হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। দেশে ব্যাপক আকারে না হলেও টিকাদান কর্মসূচী অব্যাহত রয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে কঠোর বিধিনিষেধও চলছে দেশে। তবে নতুন ধরনের ডেল্টার প্রভাবে শুরুতে সীমান্ত এলাকায় হলেও এখন সারাদেশেই ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়েও সীমান্ত এলাকার সংক্রমণের ঢেউ শুরুই হয় গ্রামাঞ্চল দিয়ে। ভারতের সীমানা ঘেঁষা এলাকায় করোনার সংক্রমণ আস্তে আস্তে শহরেরও ছড়িয়ে পড়ছে।

গত বছর প্রথমে করোনাভাইরাসের সংক্রমণটি গ্রামাঞ্চলে কম ছড়িয়েছিল। প্রথম ঢেউটি ছিল শহরকেন্দ্রিক। অপেক্ষাকৃত গ্রাম ছিল করোনামুক্ত। এবার ঘটেছে উল্টোটা। বর্তমানে শহরের চেয়ে গ্রামের রোগী বেশি।

 

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেছেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিত রোগীদের ৫০ শতাংশের বেশি গ্রামের। এসব রোগী রোগের তীব্রতা অনেক বেশি হওয়ার পর হাসপাতালে আসছেন।

 

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, স্বাস্থ্য অধিদফতর রবিবার ৪৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ও চিকিৎসকদের সঙ্গে দীর্ঘ তিন ঘণ্টার বেশি বৈঠক করেছে। তারা বলেছেন, রোগীর অধিকাংশের বেশি গ্রামের। রোগীরা হাসপাতালে আসছেন রোগে আক্রান্ত হওয়ার বেশ পরে, যখন পরিস্থিতি অনেক খারাপ হয়ে পড়ছে।

 

মহাপরিচালক আরও বলেন, এখন বর্ষার মৌসুম। অনেকেই করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হলেও সাধারণ সর্দি-জ্বর বা কাশিতে আক্রান্ত বলে ধরে নিচ্ছেন। পরীক্ষা করাচ্ছেন না বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছেন না। তিনি আরও বলেন, মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের গ্রামে গ্রামে মাইকিং করার পরামর্শ দিয়েছি। বাড়ি বাড়ি রোগীর খোঁজ রাখতে বলেছি।

 

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা ৭০ শতাংশের বেশি রোগী এখন গ্রামের। শুরুতে শহরের করোনা রোগী বেশি ছিল। কিন্তু আস্তে আস্তে গ্রামাঞ্চলের রোগী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসা নিতে আসছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালের করোনা চিকিৎসা বিষয়ক ডাঃ নাহিদুল ইসলাম মুন জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনায় চিকিৎসা নিতে আসা বেশিরভাগ মানুষই গ্রামাঞ্চলের। শুরুতে হালকা সর্দি-কাশিসহ মৃদু উপসর্গ থাকলেও তারা করোনা পরীক্ষা করেনি। আস্তে আস্তে শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে চিকিৎসা নিতে আসছেন। পরীক্ষা করাতে দেরি করায় বাড়ির অন্য সদস্যদেরও তিনি ঝুঁকিতে ফেলেছেন। এভাবে কোন কোন পরিবারের ১০০ শতাংশেরই করোনা শনাক্ত হয়েছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে গ্রামাঞ্চলে মাইকিংসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচী হাতে নেয়ায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি ঘটেছে।

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক উর্ধতন কর্মকর্তা বলেন, করোনা প্রথম ঢেউটি ছিল শহরকেন্দ্রিক। কিন্তু এবার দ্বিতীয় ঢেউয়ের বর্তমান পরিস্থিতি যেটা নতুন প্রজাতি ডেল্টার কারণে বেশি সংক্রমণ ঘটাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে সেটি হচ্ছে গ্রামকেন্দ্রিক। এটিই বড় ভয়ের কারণ। বাংলাদেশের মতো দেশে গ্রামের মানুষ খুব বেশি স্বাস্থ্য সচেতন নয়। চিকিৎসার অবকাঠামোও তেমন নেই। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রবণতা কম ও বিশেষ করে দরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে গাদাগাদি করে বসবাস করার কারণেই করোনা দ্রæত বিস্তার ঘটছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও গ্রামাঞ্চলে ব্যাপকহারে করোনা ছড়িয়ে পড়ার কারণেই পরিস্থিতি নাজুক আকার ধারণ করে। আমাদের গ্রামাঞ্চলে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে দ্রæত শনাক্ত করে চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না।

 

আইইসিডিসারের উপদেষ্টা ডাঃ মুশতাক হোসেন বলেন, গত ঈদে মানুষের গাদাগাদি করে গ্রামে ফিরে যাওয়া এবং ডেল্টার প্রভাবে এখন সারাদেশে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে অনীহা, মাস্ক না পরা এবং সামাজিক দূরত্ব না মেনে চলার মতো ঘটনাতেই সংক্রমণ বাড়ছে। এছাড়া জুন মাসে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি পালনে ঢিলেঢালা ভাব দেখা গেছে। একইসঙ্গে দোকানপাট, গণপরিবহনে গাদাগাদি করে চলাচল করতে দেখা গেছে।

 

তিনি আরও বলেন, সংক্রমণ রুখতে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনের পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে। ১৪ জুলাই পর্যন্ত বর্তমান বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। এটি কার্যকরভাবেই মানতে হবে। এছাড়া গ্রামাঞ্চলের মানুষকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে। করোনার মৃদু উপসর্গ দেখা দিলেও পরীক্ষা করে আইসোলেশনে চলে যেতে হবে। পরিবারের বাকিদের থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে। কোন উপসর্গকেই অবহেলা করা চলবে না। যত বেশি পরীক্ষা করা যাবে তত বেশি করোনাকে প্রতিহত করা যাবে। এটি গ্রামের মানুষকে বোঝাতেই হবে।

::অনলাইন নিউজ::

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রাণীশংকৈলে ডোবার পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু