মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোতালেব হোসেন মোল্যা এর মৃত্যুতে সালাম মূর্শেদী এমপি’র শ্রদ্ধা

 

রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের ঘাটভোগ গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোতালেব হোসেন মোল্যা (৬৫) বুধবার (৭ জুলাই) দুপুরে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি … রাজিউন)। ঘাটভোগ গ্রামে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয় এবং খুলনা-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আব্দুস সালাম মূশের্দী ও তার সহধর্মিণী এনভয় গ্রুপের পরিচালক মিসেস সারমিন সালাম এর পক্ষ থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোতালেব হোসেন শেষ শ্রদ্ধা জানান। জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের ঘাটভোগ গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মো:মোতালেব হোসেন(৬০) বুধবার ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না—রাজিউন)।

তার জানাযা নামাজ সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে অনুষ্টিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ঘাটভোগ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান,জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম কামরুজ্জামান, এমপির প্রধান সমন্বয়কারী ও যুবলীগ নেতা নোমান ওসমানী রিচি, আওয়ামীলীগ নেতা মনির হোসেন মোল্লা, যুবলীগ নেতা জসিম সরদার, আ:মজিদ শেখ,বাদশা মিয়া,রতন মন্ডল,স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মুছা মোল্লা সবুজ, ছাত্রলীগের খায়রুজ্জামান সজল, সাইফুল ইসলাম শাওন, রাহাত আমিন, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা শরিফ শেখ, মিজান শেখ, জাকির শেখ, হিরন, হাকিম, রাহুল প্রমূখ। জানাযা শেষে খুলনা-৪আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দী মুক্তিযোদ্ধা মোতালেব হোসেন’র মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে তার পক্ষে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান নেতৃবৃন্দ এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

এছাড়া একই ইউনিয়নের সিন্দুরডাঙ্গা গ্রামের কুমোদ বিশ্বাস দুপুরে নিজ বাড়িতে পরলোক গমন করেন। তার মৃত্যুতে সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দী শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।

//আ: রাজ্জাক শেখ,খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

অভয়নগরে মসজিদে দানকৃৃৃৃত জমি নিয়ে বিরোধ: নিষ্পত্তি চেয়ে ওসি বরাবর অভিযোগ

অভয়নগরে মসজিদে দানকৃৃৃৃত জমি নিয়ে বিরোধ: নিষ্পত্তি চেয়ে ওসি বরাবর অভিযোগ

 যশোরের অভয়নগর উপজেলার শংকরপাশা গ্রামের ইসলামপাড়া জামে মসজিদের দানকৃত জমি বিরোধে নিষ্পত্তি চেয়ে অভয়নগর থানার অফিসার্স ইনচার্জ বরাবর একটি অভিযোগ দ্বায়ের করেছেন মসজিদ কমিটি ৷ জানাগেছে, শংকরপাশা ইসলামপাড়া জামে মসজিদ স্থাপিত হয়েছে ১৯৬৫ ইং সালে ৷
প্রথমে মসজিদটি তৈরি হয়েছিলো গোলপাতা দিয়ে ৷ পর্যায়ক্রমে টিনসেট ও বর্তমানে ২য়তলা বিশিষ্ট ভবণ অবস্থিত ৷ তৎকালীণ সময় মসজিদ নির্মানের জন্য দাতাগণ মোট ৫.৮৫ শতক জমি দান করেন ৷ প্রথম জমিদানদাতাঃ মোঃ মাহাবুব আলী ৩.০০(তিন শতক) ও দ্বিতীয় জমিদান দাতাগনেরা মোঃ রফিকুল ইসলাম, আলাউদ্দিন ,মাহফুজা খাতুন সর্বপিতা- আব্দুল কাদের সর্বসাং-শংকরপাশা ২.৮৫ শতক ,সর্বমোট ৫.৮৫ শতক ৷
মসজিদ কমিটির সাধারণ-সম্পাদক মোঃ জিয়াউর রহমান (জিয়া মোল্যা) এ প্রতিনিধিকে জানান,  প্রথম জমিদান দাতাঃ মোঃ মাহাবুব আলী তৎকালীণ সময়ে কবলা দলিল বুনিয়াতে মসজিদের নামে রেজিষ্ট্রি করে হালরেকর্ড অন্তর্ভূক্ত করেন ৷ দ্বিতীয় জমিদান দাতা গণঃ রফিকুল ইসলাম, আলাউদ্দিন ও মাহফুজা খাতুন শংকরপাশা অভয়নগর , যশোর-খতিয়ান নং-৯৯৮ আরএসএ দাগনং-৩২১৩ তে ২.৮৫ শতক জমি ১৫০(এক’শ পঞ্চাশ) টাকার ষ্টাম্পে লিখিতভাবে মসজিদের নামে দান করেন৷ যাহা প্রমাণস্বরূপ এলাকার বিশিষ্ঠ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের স্বাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষরিত করা আছে ৷
দ্বিতীয়দাতা গণকে মসজিদের নামে দানকৃৃৃত ২.৮৫ শতক জমি রেজিষ্ট্রি করার প্রস্তাব দিলে তা দিতে অস্বীকার করে এবং মসজিদের নির্মাণ কাজে বিভিন্ন ভাবে বাঁধা প্রদান করেন ৷ বিভিন্ন সময়ে মুসল্লীদের উপর অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন ৷
মসজিদ কমিটির সভাপতিঃ মোঃ আব্দুর জব্বার মোল্যা জানান, আমরা বিষয়টি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বর্তমান মসজিদ কমিটি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে সালিশি বৈঠকে নিষ্পত্তির চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি ৷
দ্বিতীয়ঃ দাতাগনদেরকে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে লিখিত নোটিশ ও গণ স্বাক্ষরকৃৃৃৃত চিঠি দিয়েও তাদের কোন সাড়া পাওয়া যায়নি এমনকি জমির পরিবর্তে সমপরিমাণ জমি অথবা বর্তমান বাজার মূল্যের নগদ অর্থ প্রদানের প্রস্তাব করে ও কোন সূরাহ হয়নি ৷
তাই সুষ্ঠু সমাধান পাবার জন্য আমরা গ্রামবাসি ব্যর্থ হয়ে অভয়নগর থানাসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছে ৷
//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//

যশোরে ইয়াবা ট্যাবলেট ও গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

যশোর জেলা বৈশ্বিক মহামারী করোনার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত। চারিদিকে শুধু লাশের গন্ধ আর কান্নার আওয়াজ । শহরের চারিদিকে এ্যাম্বুলেন্সের শব্দ আর করোনা রোগীদের অক্সিজেন স্বল্পতা জনিত শ্বাসকষ্টের হৃদয় বিদারক দৃশ্য শহরের ঘরে ঘরে।করোনা আক্রান্ত রোগীর চাপে হাসপাতালের বিছানায়, মেঝেতে, গাছ তলায় পর্যন্ত রোগীদের ঠাই হচ্ছে।

যশোরের চারিদিকে শুধু হাহাকার। এমনই একটা ক্রান্তিকালে করোনা মহামারীর সাথে পুলিশ প্রশাসনসহ সমগ্র বাংলাদেশকে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে হচ্ছে। কারণ মাদক ব্যবসায়ীরা জাতির দুঃসময়ে নিজেদের আখের গোছানোর জন্য মাদক চোরাচালান নিয়ে ব্যস্ত।

আর তাই যশোর পুলিশ প্রশাসনকে করোনার মহামারীর সাথে সাথে কিছু চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীর মাদক চোরাচালানির সাথেও যুদ্ধ করতে হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে যশোর ডিবি পুলিশের একটি চৌকস টীম পৃথকভাবে দুইটি অভিযান পরিচালনা করেন।

প্রথমে যশোর জেলার কোতোয়ালি মডেল থানা এলাকার পালবাড়ি মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১. জুয়েল শেখ(২৮), পিতা- দেলোয়ার হোসেন রাজু গ্রাম – পুরাতন কসবা ঘোষপাড়া, ২. মেহেদী হাসান পান্নু(৪০), পিতা- নূর ইসলাম মৃধা, গ্রাম- বলপুর উভয়ের থানা – কোতোয়ালি, জেলা – যশোরদের ৮০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও হাফ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করেন যার বাজার মূল্য ৪২ হাজার টাকা। এছাড়া কোতোয়ালি মডেল থানাধীন শেখহাটি জামরুলতলা এলাকায় আরও একটি অভিযান পরিচালনা করে ৩. আব্দুল গফুর মোল্লা (৫২),পিতা- মৃত হাসেম আলী মোল্লা গ্রাম- শেখহাটি, থানা- কোতোয়ালি, জেলা- যশোরকে ২০০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করেন যার বাজারমূল্য ৬০ হাজার টাকা।

উল্লেখ গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে ৩ টি মামলা রয়েছে এবং পরিচালিত অভিযানের আলোকে কোতোয়ালি থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অভয়নগরে চোর চক্রের অত্যাচারে অতিষ্ঠ – মৎস্য ঘের ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

 

অভয়নগরে চোর চক্রের অত্যাচারে অতিষ্ঠ – মৎস্য ঘের ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

যশোর যশোরের অভয়নগর উপজেলায় চোর চক্রের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে মৎস্য ঘের ব্যবসায়ীরা মানববন্ধন করেছে ৷ ৭জুলাই ( বুধবার ) দুপুরে ধোপাদী গ্রামের উলর বটতলা বিল সংলগ্ন সড়কে ঘের ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর ব্যানারে চোর চক্রের নাম উল্লেখ করে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে । অভয়নগরে চোর চক্রের অত্যাচারে ভীত সন্ত্রস্ত এলাকাবাসী।

এ ব্যাপারে মঙ্গলবার চোর চক্রের সদস্যদের নাম উল্লেখ করে অভয়নগর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। ব্যানারে উল্লেখ করা চোর চক্রের সদস্যরা হলেন- ধোপাদী গ্রামের মিজানুর মোল্যার ছেলে আরজ মোল্যা ও ফিরোজ মোল্যা, একই গ্রামের হামিদ সরদারের ছেলে ওলিয়ার সরদার, ছামাদ মোল্যার ছেলে মিজানুর মোল্যা ও মিজানুর মোল্যার ছেলে সুমন মোল্যা।

ঘন্টাব্যাপী চলা মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন রাখেন, মৎস্য ঘের ব্যবসায়ী মো. আজিজুর রহমান, কুদ্দুস শেখ, আকরামুজ্জামান, আব্দুর রহিম ফকির, আজি সরদার, ইকরাম ফকির, বাবলু ফকির, সঞ্চয় মন্ডল, মহিন গাজী, কামরুল হোসেন, জাকির হোসেন, রবিউল ইসলাম, সমাজসেবক রফিকুল ইসলাম মজুমদার, লুৎফর রহমান মজুমদার, ইসমাইল গাজী, করিম মোল্যা, আব্বাস শেখ, রোকেয়া বেগম, বেল্লাল হোসেন বকুল।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রদীপ দাস, মোস্তফা বিশ্বাস, ইউনুচ মজুমদার, শাহিন গাজি, রবি সরদার, হাসান সরদার, নিমর্ল দেবনাথ, তবিবুর মোল্যা, রাজু সরদার, চিত্ত মন্ডল, ইসহাক মোল্যা, গফফার মজুমদার, মোশারফ হোসেনসহ আনুমানিক ২ শতাধিক গ্রামবাসী। অংশগ্রহণকারীদের হাতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা, চোর চক্র ও হোতাদের বিচারসহ বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন ছিল।

বক্তারা বলেন, ভবদহ অঞ্চল হওয়ায় এ বিলে কোন প্রকার ফসল করা সম্ভব হয়নি ২০০১ সালে জমি মালিকদের সমন্বয়ে মৎস্য ঘের করে মাছ চাষ শুরু করা হয়। গত ৫ বছর ধরে গ্রামের একটি চিহ্নিত চোর চক্র রাতের আঁধারে ওইসব মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ, কারেন্ট জাল ও ফাঁদ পেতে মাছ চুরি শুরু করে আসছে। পরবর্তীতে ওই চক্র ঘেরে মজুদ করা খাদ্য সামগ্রী ও বিভিন্ন মেশিনের তেল চুরি শুরু করে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় পর্যায়ে বার বার বিচার-শালিস করা হলেও চোর চক্রের অন্তরালের হোতাদের কারণে কোন সুষ্ঠ সমাধান হয়নি । যে কারণে তারা বেপরোয়া হয়ে রাতে ও দিনে চুরি করতে শুরু করে। বাঁধা দিতে গেলে চোর চক্রের পক্ষ নিয়ে এগিয়ে আসেন ধোপাদী গ্রামের কিছু সন্ত্রাস চক্র ৷

বক্তারা আরো বলেন , এই সন্ত্রাস চক্রের মদদে গত ৩ জুলাই (শনিবার) বশিরের কার্লভার্ট নামক রাখা একটি এস্কভেটর থেকে আনুমানিক ১শ’ ৫০ লিটার তেল চুরি করে ওই চোরচক্র ৷ পর দিন এ বিষয়ে ঘের ব্যবসায়ীরা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসে চোর চক্রের নাম। গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে তেল চুরির কথা স্বীকার করে চোর চক্র।

বিষয়টি ধামাচাপা দিতে চক্রের হোতারা ঘের মালিক , এস্কেভেটর চালকসহ আব্দুর রহিমকে ভয়ভীতি ও খুনের হুমকি দেয়। বক্তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে মূলহোতাসহ চোর চক্রকে আইনের আওতায় না আনলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়াররি প্রদান করেন। এ ব্যাপারে এস্কেভেটর চালক আব্দুর রহিম জানান, তেল চুরি ধরা পড়ার পর চোর চক্রের সদস্যরা তাকে ভয়ভীতি দেখায় এবং এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা না দিলে এস্কেভেটর পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করে।

তিনি এই চক্রের হোতাসহ সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

 //মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেয প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশাল নগরীতে চলছে ঢিলেঢালা লকডাউন রাস্তায় যান চলাচল জনসমাগম বাড়েছে

 

বরিশাল নগরীতে চলছে ঢিলেঢালা লকডাউন রাস্তায় যান চলাচল জনসমাগম বাড়েছে

লকডাউনের ৭ম দিনে অসহিষ্ণু হয়ে পড়েছে বরিশালের বেশিরভাগ মানুষ। আজ ৭ম দিনে রাস্তাঘাটে মানুষ এবং যানবাহন চলাচল আগের চেয়ে বেড়েছে। রাস্তাঘাটে লকডাউনের চিত্র উধাও হয়ে গেছে। খুলেছে অধিক সংখ্যক দোকানপাঠ। সব মিলিয়ে  বরিশাল নগরীতে চলছে ঢিলেঢালা লকডাউন ।

এদিকে লকডাউন বাস্তবায়নে আজও একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। মেট্রোপলিটন পুলিশও নগরীর বিভিন্ন প্রবেশ পথসহ ২০টি স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন করে মানুষ এবং যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে। এছাড়া সেনা বাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব এবং পুলিশের টহল জোড়দার করা হয়েছে।

লকডাউনের ৭ম দিন আজ বরিশালের রাস্তাঘাটের চিত্র ছিলো আগের ৬ দিনের চেয়ে একেবারেই আলাদা। পায়ে হেটে, রিক্সায় মোটরসাইকেলে এবং ব্যক্তিগত যানবাহনে চলাচল করেন হাজার হাজার মানুষ। কেউ কাজের সন্ধানে, কেউ বাজারে এবং অনেকে ওষুধ কিনতে এবং হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রাস্তায় বের হওয়ার কথা বলেছেন। তবে কিছু মানুষ অজুহাত সৃষ্টি করে রাস্তায় বেড়িয়েছেন।

আগের ৬ দিনের চেয়ে আজ নগরীতে অধিক সংখ্যক দোকানপাঠ খুলেছে। এক শাটার খোলা রেখে বেঁচা বিক্রি করেন তারা। পুলিশ কিংবা ভ্রাম্যমাণ আদালত দেখলেই তারা শাটার আটকে দিচ্ছেন। এদিকে নগরীর বিভিন্ন প্রবেশ পথসহ ২০টি স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন করে মানুষ এবং যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে পুলিশ।

লকডাউন এবং স্বাস্থ্য বিধি বাস্তবায়নে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব এবং পুলিশও টহল জোড়দার করেছে। এছাড়া নগরীর এবং জেলায় আজও একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে জেলা এবং উপজেলা প্রশাসন। স্বাস্থ্যবিধি এবং লকডাউন উপেক্ষা করলেই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার বলেন, সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। গত ৭ দিনে প্রায় আড়াই শ’ ভ্রাম্যমাণ আদালত সাড়ে ৪শ’ মানুষকে ১৪ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। বিনা প্রয়োজনে কেউ রাস্তায় বের হলে তাকেই শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে। তিনি বলেন, জাতীয় জরুরী সেবা ৩৩৩ থেকে ফোন করলেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাসায় ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। কুইক রেসপন্স টিম রয়েছে।

জেলা প্রশাসন থেকেও সহায়তা দেয়া হচ্ছে। নিজে এবং অপরকে করোনা সংক্রামণ থেকে রক্ষায় লকডাউনকালীন সময়ে সকলকে ঘরে থাকার আহ্বান জানান জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার।

//পলাশ চন্দ্র দাস ::বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

নবনির্বাচিত ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ

 

 

নবনির্বাচিত ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ

গলাচিপা উপজেলা চিকনিকান্দি ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামিলীগের সভাপতি এবং নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য মোঃ মনিরকে নিয়ে মোঃ জালাল আহমেদ নামক এটি ফেইসবুক আইডি থেকে মিথ্যা স্টাটাস দেয়াকে কেন্দ্র করে সাধারণ জনগণের মধ্যে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে বলে স্থানীয় সাধারণ জনগণ জানান।

স্থানীয় একটি মহল দলীয় কারনে ইউপি সদস্য মোঃ মনিরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায়। আসলে উল্লেখ অপপ্রচার সম্পূর্ণ বিভ্রান্ত এবং বানোয়াট। এনিয়ে স্থানীয় মোঃ মুজাম্মেল হাওলাদার বলেন। সাধারণ জনগণের ভোটের মধ্যেমেই মনিরের জয় লাভ করেন। এবং এই জয়ের উল্লাসে সাধারণ জনগণ স্থানীয় ভোটাররা তাকে টকার মালা পরিয়ে উল্লাস করে। তাতে কি এমন অপরাধ। এমপি, মন্ত্রীদের টাকার মালা পরায় তাতেকি অপরাধ হয়না। এনিয়ে ইউপি সদস্য মোঃ মনির বলেন। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের যদি কোন প্রমাণ দিতে পারে তবে আমি আর শপথ গ্রহণ করবোনা।

উল্লেখ আমার বিরুদ্ধে যেসকল মামলার কথা বলা হয়েছে। সেগুলো মিথ্যা ও বানোয়াট রাজনৈতিক মামলা ছিলো।

কোর্টে আমার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা প্রমাণিত না করতে পারায় আমাকে কোর্ট মামলা থেকে অব্যাহত দেয়। মনির আরও বলেন অপপ্রচার কারি দের সঠিক সময়ে সঠিক জবাব দেয়ার জন্য আমি ও সাধারণ জনগণ প্রস্তুত। প্রয়োজনে আইনের সহায়তা নিবো।

//পটুয়াখালী প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

গ্রামীন নারী উদ্যোক্তাদের ‘তথ্য আপা’র হাত ধরে, জয় হোক “লাল সবুজের”

গ্রামীন নারী উদ্যোক্তাদের ‘তথ্য আপা’র হাত ধরে জয় হোক “লাল সবুজের”

 

লালসবুজ ডটকম মহিলা ও শিশু-বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত একটি গ্রামীন নারী উদ্যোক্তাদের মার্কেটপ্লেস। সম্প্রতি দেশের প্রযুক্তিনির্ভর লজিস্টিক সেবা প্রতিষ্ঠান পেপারফ্লাই ডেলিভারি পার্টনার হিসাবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে লালসবুজ ডটকমের সাথে। লালসবুজ ডটকমের চেয়ারম্যান সদরুদ্দিন ইমরান এবং পেপারফ্লাইয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান বিপণন কর্মকর্তা রাহাত আহমেদ সম্প্রতি এই সেবা দেয়ার বিষয়ে একটি চুক্তি সাক্ষর করেছেন।

চুক্তি অনুসারে পেপারফ্লাই তাদের শক্তিশালী ও বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সারা দেশে গ্রাহকের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেবে লালসবুজ ডটকমের পণ্য। এই চুক্তি সাক্ষর অনুষ্ঠানে লালসবুজ ডটকমের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক- রুবায়েত বিন আরিফ, চিফ অপারেটিং অফিসার (সি ও ও) মুহাম্মদ নাজমুল আহসান, সিনয়র সফটওয়্যার এক্সিকিউটিভ মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান খান।

পেপারফ্লাইয়ের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন জেনারেল ম্যানেজার সেলস অ্যান্ড কি অ্যাকাউন্টস সাজ্জাদুল ইসলাম ফাহমি, এক্সিকিউটিভ সেলস অ্যাণ্ড কি এ্যাকাউন্টস আফসানা ইয়াসমিন।

এই অংশীদারীত্বের ব্যাপারে পেপারফ্লাইয়ের প্রধান বিপনন কর্মকর্তা রাহাত আহমেদ বলেন, গ্রামীণ নারীদের মাধ্যমে পরিচালিত লালসবুজ নারীদের সামাজিক ক্ষমতায়নে বড় ভূমিকা রাখবে, পেপারফ্লাই এর অংশ হতে পেরে গর্বিত।

চেয়ারম্যান সদরুদ্দিন ইমরান বলেন, লালসবুজ ডটকম নারীদের অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে একটা বড় ভূমিকা রাখতে চায়। তাই অগনিত নারী উদ্যোক্তাদের পণ্য ডিজিটাল ক্রেতাদের কাছে ইকমার্সের মাধ্যমে পৌঁছে দিয়ে নারীদের সাবলম্বী করাই লালসবুজ ডটকমের উদ্দেশ্য।

লালসবুজ ডটকম গ্রামীণ নারী উদ্যোক্তাদের জন্য একটি মার্কেটপ্লেস, যা তথ্য আপা প্রকল্পের অন্তর্গত। এই প্রকল্প মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অধীনে বাস্তবায়ন করছে ‘জাতীয় মহিলা সংস্থা’। অর্থ মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ বৈদেশিক বাণিজ্য ইনস্টিটিউট এই ইকমার্স প্ল্যাটফর্মের জন্য সকল কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে।

১৪৭০ জন তথ্য আপার (তথ্য সেবা প্রদান কারী নারী কর্মী) মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারী উদ্যোক্তারাও এই মার্কেটপ্লেসে তাদের পণ্যকে তুলে ধরেছেন।

২০১৬ সাল থেকে ডোরস্টেপ ডেলিভারি এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বমানের গ্রাহক সেবার মাধ্যমে পথ চলা শুরু করে পেপারফ্লাই। এ ছাড়াও তারা নিয়ে এসেছে এক ঘন্টায় মার্চেন্ট পেমেন্ট, স্মার্ট রিটার্ন, স্মার্ট চেক এবং আরো নানা সুবিধা।

পেপারফ্লাই তাদের বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যে কোন পণ্য পৌঁছে দিতে পারে বাংলাদেশের যে কোন প্রান্তে।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় ১০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার ও অক্সিমিটার দিলেন – এমপি সালাম মূর্শেদী 

 

খুলনা বিভাগে করোনায় আজ সর্বোচ্চ মৃত্যু ৬০ জন

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় সুনামিতে সীমান্তবর্তী জেলা সমূহ বিপর্যস্ত। প্রতিদিন করোনার সংক্রমণ সুপার পাওয়ার নিয়ে বাড়ছে। রাত যতো গভীর হচ্ছে করোনায় আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুতে স্বজনদের কান্না ও অক্সিজেন সংকটে শ্বাসকষ্টে ভোগা রোগীর আত্মচিৎকারে হাসপাতালের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে।

মারা যাওয়া রোগীদের মধ্যে খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১০ জন, গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫ জন ও জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৫ জন এবং শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে ২জনের মৃত্যু হয়েছে।

বিভাগের অন্যান্য এলাকা হাসপাতালগুলোতে বাকি ৩৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে গত ২৪ ঘণ্টায়।

আজ ৭ জুলাই -২০২১ রোজ বুধবার গত ২৪ ঘন্টায় খুলনার ৪ হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ২২ জন মৃত্যু বরণ করেছেন। তার মধ্যে ২১ জনই সরাসরি করোনা রোগী ও একজন উপসর্গ যুক্ত। এর মধ্যে খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১০ জন,খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৫ জন গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫ জন ও নতুন সংযুক্ত হওয়া আবু নাসের হাসপাতালে ২ জন মৃত্যু বরণ করেছেন।

খুলনায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিদিন আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। কিছুদিন আগেও করোনা সংক্রমণ শহর কেন্দ্রিক থাকলেও দিন যত গড়িয়েছে করোনার সংক্রমণ গ্রামের দিকে ছড়িয়েছে এবং শহরের হাসপাতাল গুলোতে রোগীর চাপ বেড়েই চলেছে।এই হারে যদি করোনার সংক্রমণ হয় তাহলে হাসপাতালগুলিতে অক্সিজেন সংকটসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের করোনা রোগীদের নূন্যতম সেবা দিতেই হিমশিম খেতে হবে।

যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়েছে – সদরে ২০৩ জন,অভয়নগরে ৫২ জন, মনিরামপুরে ২৭ জন, কেশবপুরে ৩০ জন ঝিকরগাছায় ৩০ জন, শার্শায় ১৯ জন, বাঘারপাড়ায় ১২ জন এবং চৌগাছা উপজেলায় ৪ জন। পরিস্থিতি বিবেচনায় দেখা যাচ্ছে যশোর সদরে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অন্যান্য উপজেলার থেকে কয়েকগুণ বেশি। স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলে জানা যায় যশোর সদরসহ অন্যান্য উপজেলায় করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধির জন্য বেনাপোল বর্ডার থেকে দেশে আসা রোগীরাই অনেকাংশেই দায়ী। কারণ ভারত থেকে আসা রোগীদের যশোর জেনারেল হাসপাতাল ও বিভিন্ন হোটেলে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হলে সঠিকভাবে কোয়ারেন্টানে না থেকে চোরপুলিশ খেলার ন্যায় শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটে ঘুরে বেড়িয়েছেন। যার ফল যশোরবাসী হাড়েহাড়ে অনুভব করছেন।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোরে গত ২৪ঘন্টায় সনাক্ত ৩৭৩ ও মৃত্যু ১৪ জন

 

 

যশোরে গত ২৪ঘন্টায় সনাক্ত ৩৭৩ ও মৃত্যু ১৪ জন

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় সুনামি সীমান্তবর্তী যশোর জেলার উপর দিয়ে সুপার পাওয়ার নিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রতিদিন গাণিতিক হারে সনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। যশোরে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের ভর্তির একমাত্র আশ্রয়স্থল যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে রোগীর চাপে মেঝেতেও ঠাঁই নেই।

এর রকম একটি ক্রান্তিকালে গত কয়েকদিন যাবত করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ৭ জুলাই -২০২১ রোজ বুধবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ও সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘন্টায় যশোর জেলার ১০২০ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে ৩৭৩ জনের শরীরে। তথ্য বিশ্লষণে সনাক্তের হার ৩৬.৫৬ শতাংশ।

আর একই সময়ে নতুন করে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ছয় জন করোনা রোগী ছিলেন। বাকি আট জনের উপসর্গ ছিল। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছে ২৪৩ জন যা করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটের শয্যার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। ফলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষে নূন্যতম চিকিৎসা সেবা দিতে হিমসিম খেতে হচ্ছে।

যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়েছে – সদরে ২০৩ জন,অভয়নগরে ৫২ জন, মনিরামপুরে ২৭ জন, কেশবপুরে ৩০ জন ঝিকরগাছায় ৩০ জন, শার্শায় ১৯ জন, বাঘারপাড়ায় ১২ জন এবং চৌগাছা উপজেলায় ৪ জন। পরিস্থিতি বিবেচনায় দেখা যাচ্ছে যশোর সদরে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অন্যান্য উপজেলার থেকে কয়েকগুণ বেশি। স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলে জানা যায় যশোর সদরসহ অন্যান্য উপজেলায় করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধির জন্য বেনাপোল বর্ডার থেকে দেশে আসা রোগীরাই অনেকাংশেই দায়ী।

কারণ ভারত থেকে আসা রোগীদের যশোর জেনারেল হাসপাতাল ও বিভিন্ন হোটেলে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হলে সঠিকভাবে কোয়ারেন্টানে না থেকে চোরপুলিশ খেলার ন্যায় শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটে ঘুরে বেড়িয়েছেন। যার ফল যশোরবাসী হাড়েহাড়ে অনুভব করছেন।

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

দিলীপ কুমার : কিংবদন্তী বলিউড অভিনেতা মারা গেলেন ৯৮ বছরে

 

 

দিলীপ কুমার : কিংবদন্তী বলিউড অভিনেতা মারা গেলেন ৯৮ বছরে

//অনলাইন ডেস্ক //

বর্ষীয়ান ভারতীয় অভিনেতা দিলীপ কুমার আজ সকালে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর।

মুম্বাইয়ের হিন্দুজা হাসপাতালের পালমোনোলোজিস্ট ডা, জলিল পার্কার, যিনি দিলীপ কুমারের চিকিৎসার তত্বাবধান করছিলেন, টাইমস অব ইন্ডিয়াকে মি. কুমারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

দিলিপ কুমারের ভেরিফায়েড টুইটার পেইজ থেকে সকাল ৮টার কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়।

ছয় দশকের ক্য্যারিয়ারে তিনি ৬৩টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর স্ত্রী মুম্বাই চলচ্চিত্রের আরেক অভিনেত্রী সায়রা বানু।