রাণীশংকৈলে ডোবার পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

 //মাহাবুব আলম,  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে সোমবার (৫ জুলাই) ডোবার পানিতে ডুবে সাব্বির হোসেন নামে দুই বছর বয়সী শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মৃত শিশু উপজেলার উত্তর সন্ধ্যারই গ্রামের সুমন আলীর ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়,ঘটনার দিন বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৫ টার সময় সুমন আলীর দুই বছরের ছেলে সাব্বীর হোসেন বাড়িতে থাকা অবস্থায় সবার অগোচরে বাড়ির ৫০ গজ দূরে পশ্চিম পাশে ডোবার পানিতে ডুবে যায়।

হঠাৎ শিশুটির চাচী দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে সকলে এসে শিশুটিকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে। সাথে সাথে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক ও আরএমও ডাক্তার ফিরোজ আলম বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটি মৃত্যু হয়েছে।

সোহাগের বানানো ‘পদ্মা সেতু’ মানুষের দৃষ্টি কেড়েছে (ভিডিও)

 

দেশের মানুষের অপেক্ষা কবে শেষ হবে স্বপ্নের পদ্মা সেতু ।  কবে এ স্বপ্নের পদ্মা সেতুর কাজ শেষ হবে.  চলবে গাড়ি, চলবে রেল। কবে থেকে শুরু হবে পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে স্বাভাবিক এ চলাচল। নির্মাণাধীন স্বপ্নের পদ্মা সেতু দেখতে যায় অনেকেই।

এ চিন্তা-চেতনাকে মাথায় রেখেই ঢাকার ধামরাই উপজেলার সুতিপাড়া গ্রামের এক স্কুলছাত্র নিজ বাড়ির পাশে প্রতীকী পদ্মা সেতু  নির্মাণ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে মানুষকে। তার নাম মো. সোহাগ আহাম্মেদ (১৭)। সে ভালুম আতাউর রহমান খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান শাখার দশম শ্রেণীর ছাত্র ও সুতিপাড়া গ্রামের মো. সুলতান উদ্দিন আহাম্মেদের ছেলে।

হুবহু পদ্মা সেতুর আদলে নির্মিত তার পদ্মা সেতু দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ভিড় জমাচ্ছে। ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষানুরাগীরা তার প্রশংসা ও তাকে টাকা পয়সা দিয়ে সম্মানিত করছে। তার এ দুর্লভ প্রতিভা দেখে মানুষজন অবাক বিস্ময়ে তার নির্মিত এ প্রতীকী পদ্মা সেতুর পানে তাকিয়ে বিস্মিত হচ্ছে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজীর আহমদ, সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ মালেক, সাবেক অতিরিক্ত সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান মো. আফসার উদ্দিন, উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মোহাদ্দেছ হোসেন, পৌর মেয়র গোলাম কবীর মোল্লা ও সুতিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম রাজাসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ওই শিক্ষার্থীর নির্মিত পদ্মা সেতু পরিদর্শনে গিয়ে তার প্রশংসা করেছেন। তাকে নগদ অর্থ দিয়েও সম্মানিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে পদ্মা সেতুর নাম শুনেই সোহাগের ইচ্ছে হয় সে নিজে ওই পদ্মা সেতুতে গিয়ে কাজ করবে। কিন্তু পরিবারের চাপে তা কিছুতেই সম্ভব হয়নি। কিছুতেই পদ্মা সেতু বানানোর ইচ্ছেটা মাথা থেকে নামাতে পারে না সোহাগ।

কিছুদিন পর থেকেই মাটি আর বাঁশ দিয়ে সেতু বানানোর কাজ শুরু করে সোহাগ। সেতু বানানোর কিছু সময় পরই সেতুটি ভেঙ্গে যায়। এরপর আবার বাঁশ ও মাটি দিয়ে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় পদ্মা সেতু নির্মাণের কাজ। পড়ালেখা বাদ দিয়ে এনিয়ে পড়ে থাকতে  দেখে মা-বাবাও বকাঝকা করেন তাকে।

পরে ২০১৯ সালে আবার আরেকটি সেতু তৈরি করে সোহাগ। কিন্তু মনের মতো পাকাপোক্ত না হওয়ায় সেটাও আবার ভেঙ্গে যায়। এর পর ইন্টারনেট থেকে পদ্মা সেতুর নকশা দেখে ২০২০ সালের ১ নভেম্বরের থেকে আবার তৃতীয়বারের মতো পদ্মা সেতুর আদলে সেতু বানানোর কাজ শুরু করে সোহাগ।

দীর্ঘ ৯ মাস পর চলতি বছরের ৩০ জুন সোহাগের পদ্মা সেতুর আদলে সেতু বানানোর কাজ সমাপ্ত হয়। এর পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার নির্মিত প্রতীকী পদ্মা সেতু ভাইরাল হয়ে যায়। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীরা ওই সেতুটি দেখতে আসে।

সোমবার দুপুরে সরেজমিনে  গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থী সোহাগ বসত বাড়ির আঙ্গিনায় ফাকা একটি জায়গায় পদ্মা সেতুটি তৈরি করেছে। সেতুটির নিচ দিয়ে রেললাইন, চারটি লেন ও বাতির ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এ পদ্মা সেতুটি তৈরি করা হয়েছে মূলত মাটি, বাঁশ, সিমেন্ট, মোবাইলে ব্যবহার করা ছোট বাতি ও সাদা কালো রং দিয়ে। সেতুর নিচে মাটি খুঁড়ে বানানো হয়েছে পদ্মা নদী। সেতুটির এক প্রান্তে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। সেতুটির দুই লেনের মাঝে লাগানো হয়েছে ছোট ফুলের চারা।

দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন আসছে এই সেতুটি দেখতে। সবচেয়ে বেশি দর্শকের সমাগম হয় বিকালের দিকে। দর্শকদের আপ্যায়নের জন্য চা-স্টল, ফুসকা ও চটপটির দোকানসহ বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীর বিপণী বিতান বসে।

পদ্মা সেতু নির্মাণকারী মো. সোহাগ আহম্মেদ বলেন, আমি ছোট বেলা থেকেই বিভিন্ন প্রতীকী রাস্তা-ঘাট, সেতুসহ বিভিন্ন জিনিস তৈরি করতাম। পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যান যেদিন বসানো হয় সেদিন থেকেই পদ্মা সেতুর আদলে সেতু বানানোর কাজ শুরু করি। দুই বছরে দুটি সেতু বানালেও তা ভেঙ্গে যায়। পরে ২০২০ সালে ইন্টারনেটে পদ্মা সেতুর নকশা পাওয়ার পর নভেম্বর মাসের এক তারিখ থেকে আবার সেতু বানানোর কাজে মনোনিবেশ করি। আমার মা-বাবাও বকাঝকা করতো।

সে বলে, কিন্তু এখন এ সেতু দেখতে দর্শনার্থী ভিড় জমানোয় আমার মা-বাবা অনেক খুশি হন। এ পর্যন্ত কয়েক হাজারের মতো মানুষ এসেছে প্রতীকী এ পদ্মা সেতু দেখার জন্য। প্রতিদিনই নতুন নতুন দর্শনার্থী আসছে।

বড় হয়ে কি হওয়ার ইচ্ছা জানতে চাইলে সোহাগ বলে, আমি বড় হয়ে একজন ভালো ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই। আমার দেশে সেতু বানানোর জন্য আজ চায়না থেকে প্রকৌশলী এনে সেতু তৈরি করা হচ্ছে। এমন যেন আর না হয়। আমরা যারা বাংলাদেশের সন্তান আছি তারা যেন আমাদের দেশসহ বিদেশে গিয়ে কাজ করতে পারি আমি এমন একজন দক্ষ প্রকৌশলী হতে চাই।

সোহাগের বাবা সুলতান উদ্দিন আহম্মেদ জানান, পড়াশোনা বাদ দিয়ে সোহাগ যখন মাটি আর বাঁশ নিয়ে পরে থাকতো তখন আমার খুব রাগ হত। আমি ওকে অনেক বকাঝকা করতাম। ওর কাজে ও সফল হয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ওর নির্মিত পদ্মা সেতু দেখতে আসছে। এখন গর্বে আমার বুকটা ভরে যায়।

এ বিষয়ে সুতিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম রাজা জানান, সোমবার সকালে সুতিপাড়া গ্রামে সোহাগ আহাম্মদের বানানো পদ্মা সেতুটি দেখেছি। আমার এলাকার একজন ছেলের এমন প্রতিভা আসলেই প্রশংসার। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশে এমন প্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে সব ধরনের সাহায্য সহযোগিতা করবো। এরাই আগামীর ভবিষ্যৎ। সূত্র: যুগান্তর

::অনলাইন নিউজ::

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

করোনা ও উপসর্গে মৃত্যু ১৬ ও আক্রান্ত ১৮৬ : যশোর

 

 

করোনা ও উপসর্গে মৃত্যু ১৬ ও আক্রান্ত ১৮৬ : যশোর

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে সমগ্র বাংলাদেশের ন্যায় সীমান্তবর্তী যশোর জেলাও বিপর্যস্ত।গত কয়েকদিন করোনা ও করোনার উপসর্গে মৃতের লাশের গন্ধে ও স্বজনদের কান্নায় যশোরের আকাশ বাতাস ভারি হয়ে আছে।দিন যত যাচ্ছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলছে।

এর মধ্যে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটড ইউনিটে সীট, আইসিইউ ও অক্সিজেনের স্বল্পতা দেখা দিয়েছে। এছাড়া করোনা রোগীর অধিক চাপ হওয়ায় নূন্যতম সেবা দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হিমসিম খাচ্ছেন। এরকম একটা সংকটময় মুহূর্তে করোনার সুপার পাওয়ার নিয়ন্ত্রণে সাধারণ জনগণকে সচেতন করতে ও লকডাউন বাস্তবায়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করছে স্থানীয় জেলা প্রশাসন,পুলিশ, র্যাব,বিজিবি ও সামরিক বাহিনীর সদস্যগণ।

কিন্তু সীমান্তবর্তী করোনার হটস্পট খ্যাত যশোর জেলার সংক্রমণ ও মৃত্যু নিয়ন্ত্রণ অনেকাংশেই অধরাই থেকে যাচ্ছে। আজ ৫ জুলাই-২০২১ রোজ সোমবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার জানান, গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ও করোনার উপসর্গ নিয়ে মোট ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে যে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের সবাই নারী এবং বয়স ৪৫ থেকে ৭৫ বছরের মধ্যে।

মৃতদের মধ্যে ৪ জন যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলার এবং নড়াইল ও ঝিনাইদহের ১ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণকারী রোগীরা সকলেই হাসপাতালের রেডজোনে ভর্তি ছিলেন। বর্তমানে হাসপাতালের রেডজোনে ভর্তি আছেন ১২৬ জন এবং ইয়োলোজোনে ভর্তি আছেন ৮৬ জন।যা করোনা ইউনিটের আসন সংখ্যার দ্বিগুণেরও বেশি।

এদিকে আজ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারে যশোর জেলার ৪৪৫ জনের করোনার নমুনা পরীক্ষায় ১৮৬ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪১.৭৯ শতাংশ। গত কয়েকদিনের করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বিশ্লেষণে দেখা যায় করোনা আক্রান্ত রোগীদের ৫০ শতাংশের বেশি গ্রামের রোগী।যারা সাধারণ জ্বর, সর্দিকাশি মনেকরে গ্রামের হাতুড়ি ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

কিন্তু যখন কোন কিছুতেই কাজ হয়নি তখন জীবন সায়াহ্নে হাসপাতালে আসছেন।তখন চিকিৎসকদের কিছুই করার থাকছে না। তাই বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে গ্রামে যাদের সর্দি, কাশি, জ্বর, গলাব্যাথা হচ্ছে তাদেরসহ অন্যদের গণহারে করোনা ভাইরাসের টেষ্ট করানো দরকার এবং করোনার সংক্রমণরোধে মাস্ক ব্যবহার,হাতধোয়া,সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা,জনসমাগম এড়িয়ে চলাসহ সকল বিধিনিষেধ মেনে চলার বিষয়গুলি নিশ্চিত না করা গেলে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ অধরাই থেকে যাবে।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

দিঘলিয়ার ১৫০জন কর্মহীন মাঝি পেলেন প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সহায়তা

 

দিঘলিয়ার ১৫০জন কর্মহীন মাঝি পেলেন প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সহায়তা

 

করোনাভাইরাসে খুলনা বিভাগ সহ সারা দেশে লকডাউন চলছে। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়েছে খেটে খাওয়া দিনমজুর। এমন পরিস্থিতিতে করোনাভাইরাস মহামারি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সারা দেশে সাত কোটি ৭০ লাখ টাকা এবং ২২ হাজার ৮৩০ টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।

 

আজ সোমবার (৫ জুলাই) বেলা ১২ টায় দিঘলিয়া উপজেলার খেয়াঘাটের ১৫০ জন কর্মহীন মাঝিদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।

এসময় উপজেলা অডিটরিয়ামে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শিদী। এসময় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী স্বপ্নের সোনার বাংলায় কেউ না খেয়ে থাকবে না, ইতিপূর্বে কোন সরকার দেশের যেকোনো মহামারীতে অথবা দুর্যোগকালীন সময়ে এত বেশি ত্রাণের ব্যবস্থা করেনি। যা আওয়ামী লীগ সকারের আমলে হয়েছে।

দিঘলিয়ার ১৫০জন কর্মহীন মাঝি পেলেন প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সহায়তা

উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলম এর সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দিঘলিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ চৌধুরী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক এর শাখা ব্যবস্থাপক জয়ন্ত কুমার ঘোষ, উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার সমীর বিশ্বাস, দিঘলিয়া সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ আনসার আলী, প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সদরের এমপি প্রতিনিধি মোঃ হাবিবুর রহমান তারেক, এমপি প্রতিনিধি সৈয়দ জামিল মোরশেদ মাসুম, মোঃ ইয়াদুল ইসলাম, দীঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কে এম আসাদ, দিঘলিয়া সালাম মুর্শিদী সেবা সংঘের সভাপতি শেখ রিয়াজ হোসেন, দিঘলিয়া উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান, উপজেলা যুবলীগের সহ-সম্পাদক সাইদুর রহমান, সদর ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক সেখ সাহাবউদ্দিন, সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক পরাগ পারভেজ রুবেল, সেখ আক্তার হোসেন, শেখ মোস্তফা, তাইজুল ইসলাম, সাজ্জাদ হোসেন, তবিবুর রহমান, রেজওয়ান রাজিব, সহ প্রমুখ। এসময় ১৪৮ জন কর্মহীন মাঝিদের মধ্যে খাদ্য সহায়তা চাল, ডাল, তেল, পিয়াজ, আলু, বিতরণ করা হয়।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অভয়নগরের ভূমিহীন সলেমান প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ থেকেও বঞ্চিত

 

 

অভয়নগরের ভূমিহীন সলেমান প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ থেকেও বঞ্চিত

অভয়নগরের ভূমিহীন সলেমান প্রধানমন্ত্রীর উপহার থেকে বঞ্চিত হলেন , বঞ্চিত হলেন জোহরা বেগমসহ আরও অনেকে। নওয়াপাড়া পৌরসভায় হতদরিদ্র অসহায় গরীব সলেমান যুগ যুগ ধরে ০২নং ওয়ার্ডের আমিনুর মোল্যার মেহগনি বাগানে অস্থায়ী ভাবে ছাপড়া তুলে স্ত্রী-সন্তানাদি নিয়ে কষ্টে দিনানিপাত করছেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ২য় পর্যায়ে সোলেমানের মত উপজেলার আরও অনেকে জমি ঘরের জন্য লিখিত আবেদন করলেও রহস্যজনক কারণে তাদেরকে বাদ দেওয়া হয়েছে ৷
সলেমান বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে দরখাস্ত দিলেও আমি ঘর-জমি পেলামনা। আমার বিষয়ে সঠিক তদন্ত করা হলে জানা যাবে কিভাবে জীবন যাপন করছি।
৬নং ওয়ার্ডের জোহরা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, আমি মিজানুরের বাড়ির এক কোনে পলিথিনের ছাপড়া তুলে বসবাস করছি। নেতা-কর্মীদের কাছে দ্বারস্থ হয়েও টাকা দিতে পারিনি বলে আমার কপালে ঘর-জমি জোটেনি।
স্থানীয় কাউন্সিলর মোঃ ওয়াদুদ শেখ সাংবাদিকদের বলেন, সলেমান একজন অসহায় ভূমিহীন ব্যক্তি, এটা সত্য। কেন তাকে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের ২য় পর্যায়েও বাদ দেওয়া হয়েছে জানিনা।
বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আমিনুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, সলেমান নামে এক ব্যক্তির দরখাস্ত পেয়েছিলাম, কেন সে তালিকা থেকে বাদ পড়েছে জানিনা।
উল্লেখ্য, সুবিধা বঞ্চিত ৫৩ হাজার ৩৪০টি পরিবারকে মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ২য় পর্যায়ে বিনামূল্যে জমিসহ ঘর প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলায় রয়েছে ৮টি পরিবার। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনীর ঘোষনার পর অভয়নগর উপজেলার পক্ষ থেকে ৮ জন উপকারভোগীর হাতে ঘরের চাবি , জমি ও ঘরের স্থায়ী মালিকানার কাগজপত্র হস্তান্তর করা হয়।
//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//

খুলনা বিভাগে গত ২৪ঘন্টায় মৃত্যু সর্বোচ্চ ৫১ জন

খুলনা বিভাগে গত ২৪ঘন্টায় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে।  বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে খুলনা বিভাগের জেলাসমূহ মৃত্যুর মিছিলে পরিণত হয়েছে। গত কয়েকদিন যাবত করোনায় আক্রান্ত ও করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে চলছে।জেলাগুলোতে মানুষের ভিতর যেমন চলছে বোবাকান্না তেমনি সকল মানুষের ভিতর বিরাজ করছে ভয়- ভীতি ও আতঙ্ক।

আজ ৫ জুলাই -২০২১ রোজ সোমবার বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক তথ্য নিশ্চিত করেন যে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে খুলনা বিভাগের রেকর্ড সর্বোচ্চ ৫১ জন মারা গেছেন এবং নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৪৭০ জন।
এর আগে গতকাল ৪ জুলাই-২০২১ রোজ রবিবার খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ ৪৬ জন মৃত্যু বরণ করেন।
খুলনা বিভাগের বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘন্টায় বিভাগের মধ্যে কুষ্টিয়া জেলায় সর্বোচ্চ ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া খুলনায় ১৩ জন,যশোরে ৬ জন,ঝিনাইদহ ও মেহেরপুরে ৫ জন, বাগেরহাট ও চুয়াডাঙ্গায় ২ এবং মাগুরায় ১ জন মারা গেছেন।

খুলনা বিভাগে করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণ বেড়েই চলছে। মৃত্যুর মিছিল ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য এবং করোনার বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে কাজ করছে বাংলাদেশ সরকারের বিভাগীয় প্রশাসন,জেলা প্রশাসন,পুলিশ, র‍্যাব,বিজিবি ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। কিন্তু গত ৭ দিনের কঠোর লকডাউনের ৫ দিনে কিছুতেই জনগণকে ঘরে বেধে রাখা যাচ্ছে না,কারণে অকারণে ঘর থেকে বের হয়ে অলিতে গলিতে আড্ডায় মেতে উঠছে।ফলে সরকার ঘোষিত লকডাউনের সুফল এখনো চোখে পড়ছে না।

 

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রূপসায় ভ্যানের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে পল্লী বিদ্যুত কর্মকর্তার মৃত্যু

 

রূপসায় ভ্যানের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে পল্লী বিদ্যুত কর্মকর্তার মৃত্যু

আ:রাজ্জাক শেখ,খুলনা ব্যুরো:

খুলনার রূপসায় সড়ক দুর্ঘটনায় রাজিয়া খাতুন রিনা (৪৫) নামে এক পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৭ টার সময় খুলনা-মোংলা মহাসড়কের রূপসার জয়পুরস্থ একটেল টাওয়ারের সামনে ইঞ্জিন চালিত ভ্যানের চাকায় গলার ওড়না পেঁচিয়ে তার মৃত‍‍্যু

হয়। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, রূপসা উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের শিরগাতি এলাকার কেএম হাবিবুর রহমানের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন রিনা সকালে পূর্ব রূপসা ঘাট হতে ইঞ্জিন চালিত ভ্যানযোগে বাগেরহাটে অফিসে যাবার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথিমধ্যে ভ্যানটি রূপসা একটেল টাওয়ারের সামনে পৌঁছালে আকস্মিকভাবে ভ্যানের চাকায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঘটনাস্থলে নিহত হন তিনি। নিহতের ২মেয়ে ও স্বামী রয়েছে। বড় মেয়ে ডাক্তার ও ছোট মেয়ে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত।

এছাড়া সে বঙ্গবন্ধু পরিষদ যুক্তরাষ্টের সভাপতি রাব্বি আলম ও স্পেন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রিজভী আলমের একমাত্র বোন। ঘটনার পর রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরদার মোশাররফ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। লাশ নিহতের পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেছেন।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী পেপার মিল: শ্রমিকদের দুই মাসের বেতন বকেয়া

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী পেপার মিল : এশিয়ার বিখ্যাত চট্টগ্রামের কর্নফুলী পেপার মিলে টাকার অভাবে গত দুই মাস ধরে শ্রমিক, কর্মচারীদের বেতন বকেয়া রয়েছে। চলতি জুন মাসের বেতনও পরিশোধ করতে পারবে কিনা সন্দেহ দেখা দিয়েছে। অথচ এ মিলের অভ্যন্তরে প্রায় ৫০ কোটি টাকার কাগজ অবিক্রিত আবস্থায় পড়ে রয়েছে। এ কাগজ বিক্রি করা হলে শ্রমিক কর্মাচারীদের বেতন প্রদানসহ অন্যান্য সকল খরচাদি মেটানো সম্ভব হত। মিলে উৎপাদিত কাগজ অবিক্রিত থাকার কারনে সক্ষমতা থাকা সত্তেও বর্তমানে সীমিত পরিসরে কাগজ উৎপাদন করা হচ্ছে। এ নিয়ে মিলের শ্রমিক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। টানা দৃই মাসের বেতন বকেয়া থাকার কারনে মিলে কর্মরত শ্রমিক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদেরকে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে।

পাবর্ত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত কর্নফুলী পেপার মিল (কেপিএম) সরেজমিনে পরিদর্শন কালে দেখা যায়, বর্তমানে মিলের গুদাম গুলো রীম কাগজে পরিপূর্ন, কাগজ ছাড়া কোথাও এতটুকু জায়গা খালি নেই। গুদামে কাগজ রাখার জায়গা না থাকায় মেশিন হাউজের বিভিন্ন স্থানেও স্তুপ করে কাগজ রাখা হয়েছে।

কেপিএম কর্তপক্ষ জানান, জাতীয় পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) মূলত কেপিএমে উৎপাদিত কাগজের মূল ক্রেতা ছিল। সরকার প্রতি বছর কোটি কোটি শিক্ষার্থীর হাতে যে পাঠ্যবই বিনা মূল্যে প্রদান করছে, সে বইয়ের ছাপানো কাগজ এনসিটিবিকে কর্ণফুলী পেপার মিল (কেপিএম) সরবরাহ করতো। কিন্ত বর্তমানে অজানা কারনে এনসিটিবি কেপিএম থেকে কাগজ নিচ্ছে না। যার কারনে কেপিএম গুদামে কাগজের স্তুপ জমতে জমতে পাহাড় পরিমান হয়ে গেছে।

জানা গেছে, এনসিটিবি বর্তমানে বেসরকারী পেপার মিল থেকে উচ্চ মূল্যে পাঠ্য পুস্তক ছাপানো কাগজ কিনে তাদের চাহিদা মেটাচ্ছে। অন্য দিকে উৎপাদিত কাগজ বিক্রি করতে না পেরে কর্ণফুলী পেপার মিল (কেপিএম) টাকার অভাবে কর্মরত কর্মকর্তা, কর্মচারীদের গত দুই মাস ধরে বেতন দিতে পারছে না। ফলে বেতন না পাওয়ার কারনে কর্মরত কর্মকর্তা, কর্মচারীরা পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে।

কেপিএম সূত্র জানায়, সর্বশেষে গত মার্চ মাসে কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করে কেপিএম কতৃপক্ষ। এর পর থেকে এখনো পর্যন্ত বেতন পরিশোধ করা হয়নি। যতদ্রুত সম্ভব বেতন পরিশোধ করবে বলে সান্তনা প্রদান করছে কতৃপক্ষ কিন্ত কবে প্রদান করা হবে তার কোন নিদিষ্ট তারিখ জানানো হয়নি। ফলে কর্মরতরা বেতন নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে কেপিএম এর এক কর্মকর্তা  দৈনিক বিশ্ব এর চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান আবুল হাসেমকে জানান, কাগজ উৎপাদনের মন্ড কেপিএম নগদ মূল্যে বিদেশ থেকে আমদানী করে থাকে। পাশাপাশি অন্যান্য কাঁচামালও নগদ মূল্যে ক্রয় করা হয়। এনসিটিবি যদি কেপিএম থেকে কাগজ ক্রয় অব্যাহত রাখত তা হলে কেপিএমে এভাবে কাগজের পাহাড় জমত না এবং আর্থিক ভাবেও ক্ষতিগ্রস্থ হত না।

কেপিএম শ্যমিক নেতারা জানান, সরকারের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা এক শ্রেনির অসাধু কর্মকর্তা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার হীন উদ্দেশ্যে কেপিএম থেকে কাগজ না কিনে বেসরকারী মিল থেকে কাগজ ক্রয় করে কেপিএমকে বন্ধ করার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। তারা এ সকল ষড়যন্ত্রকারীদের বিরোদ্ধে সজাগ থাকার আহবান জানান।

সে সাথে কেপিএম থেকে কাগজ ক্রয় করে ব্যবহারের মাধ্যমে দক্ষিন এশিয়ার বৃহত্তম এ মিলটি রক্ষার দাবী জানান।

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোরে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে উপস্থিত ৩টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন

 

 

যশোরে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে উপস্থিত ৩টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় সুনামি বাংলাদেশকে বিষাক্ত সাপের ন্যায় গ্রাস করেছে। প্রতিদিনই গাণিতিক হারে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ ও মৃতের সংখ্যা। করোনার সংক্রমণের হটস্পট হিসাবে এবার অর্বিভাব হয়েছে দেশের সীমান্তবর্তী জেলাসমূহ।

সীমান্তবর্তী যশোর জেলার সদর উপজেলায় করোনার সংক্রমণ সুপার পাওয়ার নিয়ে অবতীর্ণ হয়েছে। ফলে একমাত্র মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে আসন সংখ্যার দ্বিগুণেরও বেশী রোগী অবস্থান করছে হাসপাতালটিতে।ফলে মেঝেতে অবস্থান করছেন অর্ধেকেরও বেশি রোগী।

হাসপাতালে রোগীর চাপ খুবদ্রুত বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসা সেবা দিতে হিমসিম খাচ্ছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় করোনা রোগীর প্রাণ সঞ্জীবনী অক্সিজেনের চাহিদাও বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। যা সরবরাহ ও যোগান দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না হাসপাতাল থেকে। যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটের বর্তমানে রোগীর চাপ বেশি হওয়ায় যশোর শহরের আশেপাশেরঅধিকাংশ করোনা রোগী এখন হাসপাতালে না গিয়ে বাড়িতে চিকিৎসা নেওয়ায় স্বচ্ছন্দ বোধ করছেন।

কিন্তু যে সকল রোগীর হঠাৎ করে অক্সিজেন লেভেল কম হয়ে যাচ্ছে তাদের কৃত্রিম উপায়ে অক্সিজেনের সরবরাহ করার প্রয়োজন হচ্ছে।ফলে অক্সিজেন সিলিন্ডারের প্রয়োজন পড়ছে। কিন্তু অক্সিজেন সিলিন্ডার ক্রয় করা সবার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই তখন করোনা আক্রান্ত রোগীদের পরিবারের লোকজনের এখন পর্যন্ত একমাত্র ভরসাস্থল প্রাক্তন ছাত্র মৈত্রীদের মানবিক সহায়ক কমিটির স্বেচ্ছাসেবকরা ও তাদের সরবরাহকৃত অক্সিজেন, যশোর জেলার দীর্ঘদিন পরিচালিত বিবর্তন নাট্যগোষ্ঠীর স্বেচ্ছাসেবকদের অক্সিজেন সিলিন্ডার ও যশোর আরএনরোডের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সিলিন্ডার।

৪ জুলাই -২০২১ রোজ রবিবার সকাল থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত মৈত্রী মানবিক সহায়ক কমিটির স্বেচ্ছাসেবকগণ যশোর শহরের বেজপাড়া বনানী রোড,হুশতলা,আরএন রোড, বেজপাড়া ছায়াবীথি রোড়, ঘোপ,মোল্লাপাড়া ও ষষ্ঠীতলাপাড়া নিজেরা অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দিয়ে এসেছেন এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা রোগীর শরীরে অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা করেছেন।

এছাড়া শহরের সন্নিকটে ও অদূরে অবস্থিত চুড়িপট্টি, বেজপাড়া রূপদিয়া নরেন্দ্রপুর ও ষষ্ঠীতলাপাড়ার অনেকেই তাদের অফিস থেকে সংগ্রহ করেছেন।

এসময় মৈত্রী ভলেন্টিয়ার্সরা ১২ জন রোগীর জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করেছেন। এর ভিতর ৮ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার ভলান্টিয়ার্স টীম রোগীদের বাড়ি পৌঁছে দিয়েছে এবং বাকি ৪ টি সিলিন্ডার রোগীর স্বজনরা তাদের অফিস থেকে সংগ্রহ করেছেন। হঠাৎ করে অক্সিজেন সিলিন্ডারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় যশোরের বিবর্তন নাট্যগোষ্ঠীর নিকট থেকে ৩ টি সিলিন্ডার সংগ্রহ করে রোগীদের দেওয়া হয়েছে।

ঠিক একইভাবে বির্বতন নাট্যগোষ্ঠীর স্বেচ্ছাসেবকও আরএনরোডের স্বেচ্ছাসেবকরা দিনরাত কাজ করছে করোনা রোগীদের জীবনদায়ী অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়ার জন্য। দিন যত যাচ্ছে ততোই অক্সিজেন সিলিন্ডারের চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে। ফলে সীমিত সিলিন্ডার দিয়ে এই সেবা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে হিমসিম খেতে হচ্ছে।

তাই এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো সমাজের সকল বিত্তবান লোকদের সহযোগীতা কামনা করছেন।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে কারণ ছাড়া বের হওয়ায় পুলিশের এএসআই’র মোটরসাইকেল জব্দ

 

বরিশালে কারণ ছাড়া বের হওয়ায় পুলিশের এএসআই’র মোটরসাইকেল জব্দ

বরিশালে কারণ ছাড়া বের হয়েছিল পলিশ, হ্যাঁ বরিশাল নগরীর আমতলার মোড়ে পুলিশ চেকপোস্টে রক্ষা পায়নি এএসআইয়ের মোটরসাইকেল। যৌক্তিক কারণ ছাড়া বের হওয়া ও হেলমেটসহ মোটরসাইকেলের কাগজপত্র দেখাতে সক্ষম না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা ও মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

কঠোর লকডাউনের চতুর্থ দিন রোববার বেলা ১১টার দিকে নগরীর আমতলার মোড়ে চলমান চেকপোস্টে পুলিশ পরিচয় দিয়েও এক ব্যক্তি রক্ষা পায়নি। পরে তার মোটরসাইকেলটি জব্দ করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, বেলা ১১টার দিকে নগরীর আমতলার মোড়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনারের (ট্রাফিক) উপস্থিতিতে নিয়মিত চেকপোস্টে জিজ্ঞাসাবাদ কার্যক্রম চলছিল।

এ সময় একটি মোটরসাইকেলে হেলমেটবিহীন দুই ব্যক্তি সেখানে হাজির হন। চেকপোস্টে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা লকডাউনের মধ্যে তাদের ঘর থেকে বাইরে বের হওয়ার কারণ জানতে চান। তবে যৌক্তিক কোনো কারণ দেখাতে পারেনি তারা। এ সময় মোটরসাইকেল আরোহীর একজন নিজেকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার সদস্য দাবি করেন এবং নিজের নাম কামরুজ্জামান, পদবি এএসআই বলে জানান। তবে ওই সময়ে তার ডিউটি ছিল না এবং পরিচয়পত্র দেখাতে পারেননি।

এমনকি তার গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চাইলে তাও দেখাতে পারেননি। তাই তার মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (ট্রাফিক) মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার। বলেন নিয়মানুযায়ী চেকপোস্টে মোটরসাইকেলটি থামানো হয় এবং হেলমেটবিহীনভাবে দু’জন এক মোটরসাইকেলে আরোহণ করার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়।

একই সঙ্গে লকডাউনে বাইরে বের হওয়ার কারণও জানতে চাওয়া হয়। তবে তাদের মধ্যে একজন পুলিশ সদস্য হিসেবে নিজের পরিচয় দেন কিন্তু কোনো পরিচয়পত্র দেখাতে পারেননি। আর মোটরসাইকেলটির কাগজপত্র থাকলেও তা সঙ্গে না থাকায় দেখাতে পারেননি। তাই তার মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়। তিনি বলেন আইন সবার জন্য সমান তাতে আমাদের পুলিশ সদস্য হলেও কিছু করার নেই।

এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

 //পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল সংবাদদাতা//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ২৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ১৬৮০০ টাকা জরিমানা