রূপসায় সর্বত্র লকডাউন কার্যকারীতে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

 

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

খুলনার রূপসা উপজেলায় সর্বাত্মক লকডাউন কঠোর ভাবে  পালিত হচ্ছে। করোনা সংক্রমন রোধে জনসাধারণকে ঘরে থাকতে বাধ‍্য করতে এবং সরকারী নির্দেশনা মেনে চলতে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে  রয়েছে।

অপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত, সেনা বাহিনী টহলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ স্থানে পুলিশ চেক পোষ্ট বসানো হয়েছে।

যারা ঘরের বাইরে বের হয়েছেন, কেন বের হয়েছেন, কারন জানতে চাওয়া হচ্ছে, সঠিক জবাব না দিতে পারলে তাদের জরিমানা ও বাড়িতে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়,রবিবার লকডাউন অমান‍্যকারীসহ মোট ৫জনকে কারাদন্ড,৫টি মামলা ও ১ হাজার ৬শত টাকা জরিমানা করেন।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম বলেন, করোনা মহামারী নামক ভাইরাস থেকে রক্ষা করার জন‍্য দিন রাত আমরা প্রশাসন মাঠে কাজ করছি। উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সার্বক্ষনিক পুলিশ দায়িত্বে রয়েছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি খান মাসুম বিল্লাহ ও থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন সংক্রমন রোধে কাজ করে যাচ্ছে।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ভূঞাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম ও তার সহধর্মিণী করোনায় আক্রান্ত

খুলনার রূপসায় অবৈধভাবে নদী দখল ও বালু উত্তোলনে ৫ জনের কারাদন্ড ড্রেজার জব্দ

ভূঞাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম ও তার সহধর্মিণী করোনায় আক্রান্ত

 

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম এডভোকেট ও তার সহধর্মিণী উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোছা: নার্গিস আক্তার করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। রবিবার (৪ জুলাই) দুপুরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম এডভোকেট তিনি নিজেই এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম এডভোকেট মুঠোফোনে জানান, তিনি ও তার সহধর্মিণী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নেবেন বলে জানান সে। এছাড়াও তার ও সহধর্মিণীসহ পরিবারের সকলের সুস্থতা কামনায় সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মহী উদ্দিন আহমেদ মুঠোফোনে জানান, গতকাল শনিবার (৩ জুলাই) মোট ৫৮টি নমুনা দেয়া হয়েছিল। তার মধ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম এডভোকেট মহোদয় ও তার সহধর্মিণীসহ মোট ১৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জেলার অন্যান্য উপজেলার চেয়ে আমাদের এ উপজেলাতে করোনা সংক্রমণের বৃদ্ধি খুবই কম। তবে করোনারোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্ব মেনে সর্তকতার সাথে চলার আহবান জানান তিনি।

 //মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় ১০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার ও অক্সিমিটার দিলেন – এমপি সালাম মূর্শেদী 

 

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় ১০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার ও অক্সিমিটার দিলেন – এমপি সালাম মূর্শেদী 

 

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় ১০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার ও অক্সিমিটার দিলেন – এমপি সালাম মূর্শেদী । খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দী বলেছেন, দেশে করোনা মহামারীতে আমার নির্বাচনী এলাকা রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়ার মানুষ খাদ্যাভাবে থাকবে না এবং কোন করোনা রোগী অক্সিজেন সিলিন্ডারের অভাবেও থাকবে না। আমি তাদের জন্য বিনামূল্যে অক্সিজেন ও অ্যাম্বুলেন্সেরও ব্যবস্থা করে দিয়েছি।

এই সংকটকালীন সময়ে করোনা রোগীদের জন্য বিনামূল্যে অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহের উদ্যোগ নিয়ে ‘শারমিন সালাম অক্সিজেন ব্যাংক’ উদ্বোধন অনুষ্টানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে আজ রোবাবার (৪ জুলাই) সকাল তিনি একথা বলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলম,দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খান নজরুল ইসলাম, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালাম, দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মোল্লা আকরাম হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ মোতালেব হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম রহমান।

উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুর রহমান, এমপি মহোদয়ের প্রধান সমন্বয়ক নোমান ওসমানী রিচি, দিঘলিয়া সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আনসার আলী, সাধারণ সম্পাদক শেখ মুন্জুর হোসেন, সেনহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী জিয়াউর রহমান, সালাম মুর্শেদী সেবা সংঘের টিম লিডার শামছুল আলম বাবু, এমপি প্রতিনিধি মোঃ হাবিবুর রহমান তারেক, সৈয়দ জামিল মোর্শেদ মাসুম, মোঃ ইয়াদুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কে এম আসাদুজ্জামান, উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক খান আবু সাঈদ, উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শেখ আনিসুর রহমান।

আরও উপস্থিত ছিলেন শারমিন সালাম অক্সিজেন ব্যাংকের সভাপতি শেখ রিয়াজ হোসেন, মোল্লা মাকসুদুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ রাকিব, জুলু শেখ, রাজিবুল হাসান, শেখ সাইদুর রহমান, পরাগ পারভেজ রুবেল, শেখ আলামিন, প্রিন্স গাজী, মোল্লা তাইজুল ইসলাম, নয়ন মনি, পাখি বেগম, নয়ন তারা, চম্পা বেগম, স্বর্ণালী খাতুন, তবিবুর রহমান, মোস্তফা সেখ, লিটন শেখ, সাজ্জাদ হোসেন, রাজীব, রাসেল সহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকবৃন্দ ও সুধীজন জন উপস্থিত ছিলেন।

এসময় দিঘলিয়া উপজেলার গরিব অসহায় ও অসুস্থ রোগীদের মাঝে এমপি মহোদয়ের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে নগদ টাকা বিতরণ করা হয়। পরবর্তীতে ব্রহ্মগাতি সুতিরকুল বাজারে ‘সালাম মূর্শিদী সেবা সংঘে’র অফিস উদ্বোধন করা হয়।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনার রূপসায় অবৈধভাবে নদী দখল ও বালু উত্তোলনে ৫ জনের কারাদন্ড ড্রেজার জব্দ

 

 

 

বরিশালে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ২৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ১৬৮০০ টাকা জরিমানা

 //পলাশ চন্দ্র দাস :: বরিশাল//

কঠোর লকডাউনের চতুর্থ দিন রবিবার সকালের দিকে বরিশালে রাস্তায় অপ্রয়োজনীয় চলাচলরোধে বিজিবিকে সাথে নিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করেছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৩ টি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আলী সুজা, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ দস্তগীর ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট লাকি দাস। নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে ২৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ১৬৮০০ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন।

যশোরে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ও উপসর্গে মৃত্যু ১৭, সনাক্ত ১৯৫

 

দেশের সীমান্তবর্তী জেলা যশোরে করোনায় দ্বিতীয় ঢেউ কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিদিনই করোনায় আক্রান্ত ও করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর মিছিলে যুক্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়েই চলেছে। করোনার সংক্রমণের চেইন ভাঙার জন্য কঠোর লকডাউনের চতুর্থ দিনেও আশানুরূপ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হয়নি।
বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্তদের ৮০ শতাংশের শরীরে অতি সংক্রমণশীল ভারতীয় ধরণ ডেল্টা প্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে বাংলাদেশের চারিপাশে ভারতের সীমা রেখা থাকায় ভারত থেকে বৈধভাবে আসা রোগী ও তার স্বজনদের মাধ্যমে যেমন ভারতীয় ধরণ ছড়িয়ে ঠিক তার চেয়ে বেশি ছড়িয়েছে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারীদের মাধ্যমে। এমনকি এখনো ভারত থেকে বৈধ ও অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনেক মানুষ প্রবেশ করছে। বিধায় সীমান্তবর্তী জেলা সমূহে অদৌ এত সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে বলে মনে হচ্ছে না।

চলমান কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে সারাদেশের ন্যায় যশোর জেলা প্রশাসনের সাথে পুলিশ, র‍্যার,বিজিবি ও ৮ প্লাটুন সেনাসদস্যরা দিন-রাত কাজ করছেন।তারপরেও যারা লকডাউন বাস্তবায়নে অসহযোগিতা করছেন তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছেন প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিগণ। তারপরও থেমে নেই করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু।

অন্যদিকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটের ৯৯ শয্যার বিপরীতে দ্বিগুণেরও বেশি রোগী ভর্তি আছেন। আবার রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীদের সেবা দিতে যেমন হিমসিম খাচ্ছেন তেমনি সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে অক্সিজেন ও আইসিইউর অপ্রতুলতা।

আজ ৪ জুলাই -২০২১ রোজ রবিবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ও সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু বরণ করেছেন ৭ জন এবং করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন১০জন।সর্বোসাকুল্যে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ১৭ জন মৃত্যু বরণ করেন।
অন্যদিকে গত ২৪ ঘন্টায় জেলার বিভিন্ন ল্যাবরেটরিতে ৫৭২ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে ১৯৫ জনের শরীরে।
সনাক্তের হার ৩৪.০৯ শতাংশ।

বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ২১৬ জন। আজ পর্যন্ত করোনা সনাক্ত হয়েছে ১৩ হাজার৩৭ জনের শরীরে, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭ হাজার ৪ শত ৬৯ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন ১৬৯ জন।

যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় করোনা সনাক্তের সংখ্যা বিবেচনায় দেখা যায় আজও যশোর সদর উপজেলায় অন্যান্য উপজেলার থেকে কয়েকগুণ বেশি সংক্রমিত হয়েছে। যশোর সদরে ৮৫ জন,অভয়নগরে ৪৭ জন, ঝিকরগাছায় ৩২ জন,চৌগাছায় ১০ জন, বাঘারপাড়ায় ৯ জন, কেশবপুরে ৬ জন,মনিরামপুরে ৩ জন ও শার্শায় ৩ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হয়েছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছেন।

//নিজস্ব প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

আওয়ামীলীগ নেতার মৃত‍্যুতে সাংসদ সালাম মূশের্দী ও আ’লীগের বিবৃতি

 

 

আওয়ামীলীগ নেতার মৃত‍্যুতে সাংসদ সালাম মূশের্দী ও আ’লীগের বিবৃতি

 

রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ত্রাণ ও সমাজ কল‍্যাণ সম্পাদক মো:আইনাল গাজী (৬৫) শনিবার বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত‍্যু বরণ করেন।
তার মৃত‍্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা -৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী,উপজেলা পরিষদ চেয়ারম‍্যান কামাল উদ্দিন বাদশা, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালাম, জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য আব্দুল মজিদ ফকির, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ- সভাপতি
আইয়ুব মল্লিক বাবু, আরিফুর রহমান মোল্লা,সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু,
শাহজাহান কবির প্যারিস,
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক রবিন বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব,চঞ্চল মিত্র, ফারহানা আফরোজ মনা, দপ্তর সম্পাদক আকতার ফারুক, প্রচার সম্পাদক আব্দুল গফুর খান, ক্রীড়া সম্পাদক স,ম জাহাঙ্গীর, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক গাজী মোহাম্মাদ আলী জিন্নাহ, আওয়ামী লীগ নেতা রবিউল ইসলাম, সেলিম মোল্লা, জেলা মহিলা লীগ নেত্রী সাবিনা বেগম, আজিজা সুলতানা, রিনা পারভীন, জেলা শ্রমিকলীগ নেতা শেখ মো: মারুফ, কৃষকলীগ নেতা মোশারেফ হোসেন কুটি, আবদুল মান্নান শেখ, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক এবিএম কামরুজ্জামান, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রুহুল আমিন রবি, রাজীব দাস. শ্রমিক লীগ নেতা মফিজুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান হাতেম, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রবিউল ইসলাম উপজেলা যুবমহিলা লীগের সভাপতি আকলিমা খাতুন তুলি, সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা রূনা প্রমুখ।
এছাড়া বিবৃতি দিয়েছেন নৈহাটি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক,সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম‍্যান কামাল হোসেন বুলবুল।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা পেলেন চারশত ইজিবাইক শ্রমিক

 

 

টাঙ্গাইলে অ্যাম্বুলেন্স-পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৫, আহত ৫ 

 

মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলে অ্যাম্বুলেন্স ও মাছবাহী পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই নারীসহ ৫জন নিহত হয়েছে। এঘটনায় আহত হয়েছে আরো ৫ জন। নিহতদের মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলে জানিয়েছে ফায়ারসার্ভিস।

আজ সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার হাতিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিক ভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ইন্সপেক্টর ওসি (তদন্ত) সাহিদুল ইসলাম জানান, আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে হাতিয়া এলাকায় উত্তরাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী মাছবাহী একটি  পিকআপ ভ্যানের সাথে উত্তরাঞ্চলগামী অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হয়। আহত হয় ৭জন। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে আরো দুইজনের মৃত্যু হয়।

প্রাথমিকভাবে আহত ও নিহত কারো নামপরিচয় জানা যায়নি বলেও জানান তিনি।

যশোরে গত ২৪ঘন্টায় নতুন সনাক্ত ২৫০ ও মৃত্যু ১৪

 

যশোরে গত ২৪ঘন্টায় নতুন রেকর্ড,  সীমান্তবর্তী যশোর জেলা করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে অনেকটাই বিপর্যস্ত। প্রতিদিন করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলছে। করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে কয়েক সপ্তাহ যাবত লকডাউনসহ নানাবিধ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে কিন্তু করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না। করোনার সংক্রমণ যশোর জেলার মধ্যে যশোর সদরেই তুলনামূলক বিশ্লষণে অন্যান্য উপজেলার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ফলে যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা পর্যাপ্ত শয্যার চেয়েও বেশি। এই অধিক সংখ্যক রোগীর চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে সম্মূখসারীর অপর্যাপ্ত ডাক্তার ও নার্সরা দিনরাত হিমসিম খাচ্ছেন। অন্যদিকে অক্সিজেনের সরবরাহ কম থাকায় চিকিৎসাধীন রোগীরা অক্সিজেন সংকটে ভুগছেন।

আজ ৩ জুলাই -২০২১ রোজ শনিবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ও সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনা ও করোনার উপসর্গ নিয়ে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৮ জন করোনা রোগী ছিলেন এবং বাকি ৬ জনের শরীরে করোনার উপসর্গ ছিল।

সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তা আরও বলেন, গত ২৪ ঘন্টায় যশোর জেলার ৭১৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৫০ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে। তথ্য বিশ্লষণে দেখা যায় সংক্রমণের হার ৩৪.৯২ শতাংশ।

যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটের ৯৯ শয্যার বিপরীতে বর্তমানে ভর্তি আছেন ২০২ জন যা শয্যা সংখ্যার দ্বিগুণেরও বেশি। এপর্যন্ত সনাক্ত হয়েছে ১৩ হাজার ৩৭ জন, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭ হাজার ৪ শত ৬৯ জন।করোনা পজেটিভ রোগী মারা গেছেন ১৬২ জন।

গত ২৪ ঘন্টায় করোনা সনাক্ত ২৫০ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৬৩ জন রোগী যশোর সদরের।এছাড়া অভয়নগরে ২২ জন, শার্শায় ১৮ জন, চৌগাছায় ১৬ জন,মনিরামপুরে ১২ জন, ঝিকরগাছায় ১১ জন,কেশবপুরে ৬ জন ও বাঘারপাড়ায় ২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

দেবদূতের আর্বিভাব।। সিলিন্ডার নিয়ে মাঠে নেমেছে মৈত্রী ভলেন্টিয়ার

 

 

দেবদূতের আর্বিভাব।। সিলিন্ডার নিয়ে মাঠে নেমেছে মৈত্রী ভলেন্টিয়ার

দেবদূতের আর্বিভাব বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে সীমান্তবর্তী যশোর জেলাসহ সমগ্র দেশের মানুষ আজ ক্ষতবিক্ষত ও রোগাক্রান্ত । প্রতিদিন গাণিতিক হারে বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। মৃত্যুর এই মহা মিছিলে যুক্ত হয়েছে বাবা-মা,ভাই-বোন,স্বামী-স্ত্রী, বন্ধু-বান্ধবসহ জানা আজানা কত আপনজন।মৃত্যুর মহাভারে সারা বিশ্বের ন্যায় প্রাণের শহর যশোরসহ সমগ্র দেশ আজ বড় ক্লান্ত, উদভ্রান্ত।প্রতিদিন মৃত্যুর এই মহা দৈব্য রথের ভারে ও অতি সংক্রমণব্যাধি করোনার ভয়ে গৃহবন্দী হয়ে থাকতে থাকতে মানুষ শারীরিক ও মানসিকভাবে বিষাদ গ্রস্থ।

 

 

প্রিয় মাতৃভূমির প্রাণের শহর যশোরসহ ৬৪ টি জেলার ৫৩ টি জেলাই আজ করোনার বিষে জর্জরিত হয়ে নীলকন্ঠ হতে চলছে।প্রতিদিন শত শত মৃত্যু সংবাদ ও হাজারে হাজারে করোনায় আক্রান্তের ভারে ধারিত্রী আজ মহাপ্রলয়ের দিকে ধাবিত হতে চলছে।

মহা প্রলয় থেকে দেশ ও দেশের জনগণকে রক্ষা করতে সরকার ঘোষিত নামে বেনামের লকডাউনের ভারে সাধারণ ঘেটে খাওয়া মানুষের জীবনে নাভিঃশ্বাস। তাদের ঘরে না আছে খাবার, পরণে না আছে কাপড় কিন্তু করোনার সংক্রমণ থেকে দেশকে, দেশের মানুষকে রক্ষা করার জন্য শত দুঃখকষ্ট নিরবে মেনে নিয়েছে।কিন্তু তারপরেও তো প্রতিদিন শুনতে হচ্ছে নতুন নতুন মৃত্যু সংবাদ ও আশেপাশের আপনজনের করোনায় আক্রান্তের সংবাদ।

 

 

একদিকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত মানুষের সংখ্যাধ্যিকের কারণে কবর খুঁড়তে খুঁড়তে ও চিতা জ্বলাতে মানুষ আজ বড় ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত। অন্যদিকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে যারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে বা বাড়িতে জীবন রক্ষাকারী অক্সিজেনের অভাবে ও খাদ্যের অভাবে হাহাকার করছে তাদের খোঁজখবর ক’জনই বা নিচ্ছে এই সমাজের তথাকথিত সভ্য মানুষেরা?

তাদের সংখ্যা নিতান্তই সামান্য । কিন্তু যুগে যুগে দেখা যায় কিছু মানুষ দেবদূত হয়ে আর্বিভূত হয় বিপদগ্রস্ত মানুষকে বাঁচাতে। এরা শুধু বন্যা, ঝড়,জলোচ্ছ্বাস, জলাবদ্ধতা নয়,ইদ বা পূজার আনন্দ ভাগ করে নিতে, শিশুদের হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দিতে,শীতার্ত মানুষের শীত নিবারণের জন্য গরম পোশাক বিতরণ করতে,ইদ বা পূজার সময়গরীব অসহায় মানুষদের হাতে দুমুঠো ভালমানের খাদ্য তুলে দেওয়াসহ যেকোনো দুঃসময়ে এই মানুষগুলো সীমিত সামর্থ নিয়ে মহাকাশের ন্যায় বিশাল মন নিয়ে হাজির হয়। বিশাল পরিসরে না পারলেও ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও মানুষের সেবায় নিজেদের নিবেদন করে।

ছাত্র মৈত্রীর সাবেক নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ী যারা এক সময় ধনীগরীবের বৈষম্য দূর করে শোষণমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে নিজেদের জীবনের সাথে আপামোর সকলের জীবনকে রাঙিয়ে দিতে চেয়েছিল কিন্তু সে স্বপ্ন পরিপূর্ণরূপে বাস্তবায়িত করতে না পারলেও চেষ্টার কোন কমতি রাখেনি এবং যখনই কোন সুযোগ পেয়েছে তখনই আবার সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে নিজেদের উজাড় করে দেওয়া চেষ্টা করেছে।

তারই ধারাবাহিকতায় করোনার শুরুতেই বন্ধু শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহায়তায় খাদ্য সহায়তা, শিশুদের পোষাক প্রদান করেছে ছাত্র মৈত্রীর সাবেক সংগঠন মৈত্রী মানবিক সহায়তা কমিটি। এবার প্রাণপ্রিয় শহরের মানুষদের জীবন রক্ষা করতে বীর সেনানীরা সাহসের সাথে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। করোনার এই ক্রান্তিকালে যখন মানুষ নিজের প্রাণ বাঁচাতে আপ্রাণ চেষ্টা করছে তখন যশোর জেলার কিছু অকুতোভয়, দেশপ্রেমিক, রাজনৈতিক সচেতন, মানব হিতাঙ্খী মানুষ সীমিত সামর্থ নিয়ে মনের জোরে করোনার সংক্রমণে সংক্রমিত লোকদের সেবায় নিয়োজিত করার চেষ্টা করেছে এবং অক্সিজেন সংকটে ভোগা রোগীদের বাড়ি থেকে অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তা জানিয়ে ফোন করলে জাতিধর্ম,বর্ণ, গোত্র বা দল বিবেচনা না করে অতি প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের সিলিন্ডার কাঁধে নিয়ে রাতদিন ছুটে চলছে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে।

মানুষের জন্য ছুটে চলা এই মানুষ গুলোর অনেকেই এই মুহূর্তে নিজে ও পরিবারসহ করোনায় আক্রান্ত। আবার কেউবা ইতিপূর্বেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছে এবং পুনরায় নিজেদের নিবেদিত করেছে মানুষের সেবায় ও করোনায় আক্রান্ত মানুষের শ্বাসকষ্ট নিবারণের জন্য গোটা বিশেক সিলিন্ডার নিয়ে মাঠে নেমেছে মৈত্রী ভলেন্টিয়াররা। সিলিন্ডারগুলো যশোর শহরের বিভিন্ন অলিতে-গলিতে করোনা আক্রান্ত হয়ে শ্বাসকষ্টে ভোগা রোগীদের চাহিবা মাত্র বাহকে দিতে বাধ্য থাকবে- এর ন্যায় নিজেরাই পৌঁছে দেওয়াসহ রোগীর শরীরে সেটিংয়ের কাজটাও করে দিচ্ছেন।
যেখানে রোগীর আপন লোকেরা সংক্রমণের ভয়ে কাছে যাচ্ছে না সেখানে এই ভলান্টিয়ারা নির্দ্বিধায় সেই রোগীর অক্সিজেন লেভেলটা চেকিং ও অক্সিজেন সেটিংয়ের কাজটা করছে সম্মূখ সারীর এই যোদ্ধারা।

শুধু মৈত্রী ভলেন্টিয়াররা নয় তাদের সমমনা নাট্যগোষ্ঠী বিবর্তন যশোরের কর্মী,সংগঠকরাও করোনার এই দুঃসময়ে সম্মূখ সারীর যোদ্ধা হিসাবে হতদরিদ্র মানুষদের কয়েক লক্ষাধিক টাকার খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছেন এবং ডজন খানেক অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে রাতদিন ছুটে চলেছেন করোনায় আক্রান্ত হয়ে শ্বাসকষ্টে ভোগা রোগীদের অক্সিজেনের লেভেল চেকিং ও অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহসহ সেটিং এর কাজ করতে।

এছাড়া আরএন রোডের আরও একটি গ্রুপ জাতির এই ক্রান্তিকালে কয়েক লক্ষাধিক টাকার খাদ্য সহায়তা দিয়ে এবং গোটা দশেক অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় সহায়তা করছে।

করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ভয় নিয়ে মানুষ আজ দিশেহারা হয়ে দ্বিকবিদিক ছোটাছুটি করছে। কার কখন কি হয়, কখন যে পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে যেতে হয় এই চিন্তায় যখম মত্ত ঠিক তখনই একটি অসাধু ব্যবসায়ী মহল নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের দাম বৃদ্ধি, ওষুধের দাম বৃদ্ধি এমনকি জীবনদায়ী অক্সিজেনের সিলিন্ডার, অক্সিমিটারসহ অক্সিজেনের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ব্যস্ত তখন মৈত্রী মানবিক সহায়ক কমিটি,বিবর্তন,যশোরসহ আরএনরোডের এইগ্রুপ খাদ্য সহায়তা ও অক্সিজেন নিয়ে দিনরাত মুমূর্ষু রোগীদের পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে একাবিংশ শতাব্দীর স্বর্গরাজ ইন্দ্রসম দেবদূতেরা।
কোথায় স্বর্গ বা বেহেশত , কোথায় নরক বা দোজখ তা আমরা হয়তো চোখে দেখতে পাব কিনা জানি না তবে করোনা মহামারীর সময় কাজ হারানো মানুষের মুখে দুমুঠো অন্ন তুলে দেওয়ার জন্য ও করোনায় আক্রান্ত মুমূর্ষু রোগীদের শ্বাসকষ্ট নিবরণের জন্য

ও করোনায় আক্রান্ত মুমূর্ষু রোগীদের শ্বাসকষ্ট নিবরণের জন্য যে লোকগুলো নিজের অমূল্য জীবনের মায়া ত্যাগ করে মানুষের সেবায় নিয়োজিত করছেন তাদের হাজারো সেলাম।

আসুন আমরা সকলেই যে যার সামর্থ অনুযায়ী মানুষের পাশে দাঁড়াই অথবা যারা এ ধরনের সামাজিক কাজের সাথে যুক্ত আছে তাদের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেই।

করোনার এই রাহু থেকে যখন পৃথিবীর সমগ্র দেশ ও মানবজাতি মুক্ত হবে এবং নতুন করে লেখা হবে করোনা কালীন সময় ও পরবর্তী ইতিহাস তখন অবশ্যই স্বর্ণাক্ষরে লেখা হবে করোনাকালীন সময়ের এই দাতা ও ইন্দ্রসম দেবদূতদের নাম।

 

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, যশোর//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

গণটিকাদান কর্মসূচি আবারও গতি পাবে, আগামীতে টিকার আর কোনো অভাব হবে না

 

 

 

গণটিকাদান কর্মসূচি আবারও গতি পাবে, আগামীতে টিকার আর কোনো অভাব হবে না

 

গণটিকাদান কর্মসূচী কিছুদিন বন্ধ ছিল, নতুন করে টিকা আসতে শুরু করায় করোনামহামারীর টিকা নিয়ে বর্তমান টিকা সংকট আপাতত কাটল বলে ধরা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের দুই কোম্পানির মোট ২৩ লাখ ডোজ টিকা বাংলাদেশে পৌঁছেছে, আরও ২২ লাখ ডোজ আসছে।

শুক্রবার রাতে দুটি ফ্লাইটে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি মডার্নার তৈরি করোনাভাইরাসের ১৩ লাখ এবং সিনোফার্মের ১০ লাখ ডোজ টিকা দেশে পৌঁছায়।

মডার্নার আরও ১২ লাখ ডোজ এবং সিনোফার্মের ১০ লাখ ডোজ টিকা শনিবার দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

চীন থেকে সিনোফার্মের যে দেড় কোটি ডোজ টিকা বাংলাদেশ কিনছে, এটা তার প্রথম চালান। আর মডার্নার টিকা বাংলাদেশ পেয়েছে টিকার আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্সের আওতায়।

 

গণটিকাদান কর্মসূচি আবারও গতি পাবে, আগামীতে টিকার আর কোনো অভাব হবে না

 

টিকা বুঝে নেওয়ার পর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সাংবাদিকদের বলেন, টিকার সঙ্কটে দেশে গণ টিকাদান কর্মসূচিতে ছন্দপতন হয়েছিল। এসব টিকা আসায় গণটিকাদান কর্মসূচি আবারও গতি পাবে।

“টিকাদান কার্যক্রম আমরা জোরেশোরেই শুরু করেছিলাম। টিকা না পাওয়ায় মাঝখানে কিছুদিনের জন্য টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এখন আমরা আনন্দের সাথে বলতে পারি, আগামীতে টিকার আর কোনো অভাব হবে না।”

ডিসেম্বর নাগাদ বাংলাদেশ বিভিন্ন উৎস থেকে ১০ কোটি ডোজ টিকা পাবে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী বছরের প্রথম তিন মাসের মধ্যে বা তার পরে জনজন অ্যান্ড জনসন থেকে আরও সাত কোটি ডোজ টিকা পাওয়া যাবে।

টিকা পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম বলেন, গণ টিকাদান এবার ‘পুরোদমে’ শুরু হবে।

কোভ্যাক্সের আওতায় মডার্নার ১৩ লাখ ডোজ টিকা নিয়ে রাত ১১টা ১৩ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট বিমানবন্দরে নামে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন ও বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার এ সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।

 

গণটিকাদান কর্মসূচি আবারও গতি পাবে, আগামীতে টিকার আর কোনো অভাব হবে না

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা আনন্দের সঙ্গে বলছি, আমরা ১৩ লাখ টিকা গ্রহণ করলাম। আরও ১২ লাখ ডোজ টিকা (শনিবার) সকালে এসে পৌঁছাবে।”

বিশ্বজুড়ে টিকা সরবরাহের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্স এর আগে ফাইজারের তৈরি ১ লাখ ৬২০ ডোজ করোনাভাইরাসের টিকা দিয়েছে বাংলাদেশকে, যা ৩১ মে দেশে পৌঁছায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনস বা গ্যাভি এবং কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশনসের গড়া প্ল্যাটফর্ম হলো কোভ্যাক্স, যা বিশ্বের সব মানুষের সংক্রামক রোগের প্রতিষেধক পাওয়া নিশ্চিত করতে গড়ে তোলা হয়েছে।

মডার্নার টিকা আসার ঘণ্টা দেড়েক পর বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে চীন থেকে কেনা সিনোফার্মের তৈরি করোনাভাইরাসের টিকার ১০ লাখ ডোজ ঢাকায় পৌঁছায়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে এসব টিকা গ্রহণ করেন।

পরে রাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এ মাসে সিনোফার্মের ২০ লাখ ডোজ টিকাই পাচ্ছে বাংলাদেশ।

“আগামী মাসে আরও বেশি টিকা আসবে বলে আমরা আশা করছি। সেটা ৩৫ থেকে ৪০ লাখ ডোজ হতে পারে।”

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমএনসিঅ্যান্ডএইচের লাইন ডিরেক্টর ডা. মো.শামসুল হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এসব টিকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্টোরেজে নিয়ে রাখা হবে।”

এর আগে চীনের উপহার হিসেবে গত ১২ মে ৫ লাখ ডোজ এবং ১৩ জুন ৬ লাখ ডোজ সিনোফার্মের টিকা ঢাকা পৌঁছায়। এবারের টিকা এসেছে সরকারের সঙ্গে টিকা কেনা চুক্তির আওতায়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন গত ২৫ মে জানিয়েছিলেন চীন থেকে দেড় কোটি ডোজ টিকা কেনা হবে।

দুদিন পর ২৭ মে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় সিনোফার্মের প্রতি ডোজ ১০ ডলার দরে দেড় কোটি ডোজ টিকা কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন দেয় সরকার।

দুই মাসের বেশি সময় পর বৃহস্পতিবার চীনা কোম্পানি সিনোফার্ম ও যুক্তরাষ্ট্রের ফাইজারের তৈরি করোনাভাইরাসের টিকা নিয়ে সারা দেশে এরই মধ্যে নতুন করে গণ টিকাদান শুরু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকায় সিনোফার্মের টিকা দেওয়া হচ্ছে ৪০টি কেন্দ্রে। আর ফাইজারের টিকা দেওয়া হচ্ছে সাতটি কেন্দ্রে।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দিয়ে দেশে গণটিকাদান শুরু হয়। কিন্তু টিকা সঙ্কট দেখা দিলে গত ২৫ এপ্রিল সে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। সেসময় টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হচ্ছিল।

সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে এ পর্যন্ত ১ কোটি ২ লাখ ডোজ টিকা এসেছে। যারা প্রথম ডোজ পেয়েছেন, তাদের সবাইকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার মতো টিকা না থাকায় অন্য উৎস থেকে টিকা সংগ্রহের উদ্যোগ নেয় সরকার।

::অনলাইন নিউজ::

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

গাজীপুরে লকডাউন বাস্তবায়নে জোরালো পদক্ষেপ: মামলা ও  জরিমানা