প্রত্যেককে নিজের বাড়ি সবধরণের গাছ লাগাতে হবে: এমপি সালাম মূর্শেদী

 

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দী বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে বর্তমান সরকারে গৃহীত পদক্ষেপগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যুবলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের এগিয়ে আসার আহবান জানান। এছাড়া প্রত্যেককে প্রত্যেককে নিজের বাড়ি  বিভিন্ন ধরনের ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে বলেন।

মুজিব বর্ষে অঙ্গীকার করি, সোনার বাংলা সবুজ করি’ জাতীয় বৃক্ষরোপণের এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বুধবার বিকালেউপজেলা পরিষদ চত্বরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অনুষ্ঠান ভিডিও কনফারেন্সে’র মাধ‍্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রতিবছরের মতো এবারও দেশের বৃক্ষ সম্পদ বৃদ্ধি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাকল্পে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২১’ উদযাপন করছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ।উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক এবিএম কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, যুগ্ম সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম, ঘাটভোগ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম‍্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, জেলা যুবলীগ নেতা নাসির হোসেন সজল।

এসম য় উপস্থিত ছিলেন ব্রজেন দাস, প্রদীপ বিশ্বাস, আশিষ রায়, নোমান ওসমানী রিচি, ফরিদ শেখ, সাইদুর রহমান সগির, সুব্রত বাগচী, তারেক আজিজ,আ:মজিদ শেখ,বাদশা মিয়া, শামীম হাসান লিটন, মেজবা উদ্দিন, শাহনেওয়াজ কবীর টিংকু,সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান হেলাল রতন মন্ডল, খান জাহিদ হাসান, খান মারুফ হাসান, আজাদ শেখ, আ:রশিদ শেখ, রউপ শিকদার,শারাফাত হোসেন উজ্জল,মহিউদ্দিন খান প্রিতম, রবিউল ইসলাম, মহিউদ্দিন মানিক, গিয়াস কামাল, মুছা লস্কর, ফ ম সাকিব রায়হান,ছাত্রনেতা খায়রুজ্জামান সজল,এস এম রিয়াজ প্রমূখ। পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে একটি বনজ গাছের চারা লাগানো হয়।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা  ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অভয়নগরে বিল্ডিং এর কাজ করার সময় জলছাদ ভেঙ্গে ১ শ্রমিকের মৃৃৃত্যু

অভয়নগরে বিল্ডিং এর কাজ করার সময় ফলসছাদ ভেঙ্গে ১ শ্রমিকের মৃৃৃত্যু

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//
যশোরের অভয়নগর উপজেলার পৌর নওয়াপাড়া ৫নং ওয়ার্ডের বুইকরা গ্রামে (ধোপাপাড়া কুন্ডুবাড়ি) কাজ করার সময় মোঃ আক্তার হোসেন (৪০) নামে এক ইমারত শ্রমিকের মৃৃৃত্যু হয়েছে ৷
জানাগেছে, ৩০ জুন (বুধবার) দুপুরে বুইকরা গ্রামে ধোপাপাড়া এলাকায় কুন্ডু বাড়িতে রডের কাজ করার সময় তার গায়ের উপর ঘরের ফলসছাদ ভেঙ্গে নিচে চাপা পড়ে ৷  বুকে রড ঢুকে পেছন থেকে বের হয়ে যায় ৷
তাৎক্ষনিক তাকে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃৃৃৃত্যু ঘোষণা করেন ৷ নিহত আক্তার হোসেন দেয়াপাড়া মজেনপাড়া গ্রামের আব্দুল মজিদ মোড়লের  ছেলে ৷
এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার এস আই রিয়াজ হোসেন দৈনিক বিশ্বকে  জানান, মৃত্যুর বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য লাশ থানায় আনা হয়েছে ৷ ময়না তদন্তের শেষে জানা যাবে কি কারনে তার মৃৃৃত্যু হয়েছে ৷

ভূঞাপুরে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ উদ্বোধন

//মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল  প্রতিনিধি//
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ২০২০-২১ অর্থবছরের খরিপ-২/২০২১-২২ অর্থ মৌসুমে রোপা আমন ধান উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রণোদনার আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রোপা আমন ধানের বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ জুন) বিকেল ৪টায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।  এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. ইশরাত জাহানের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার আল মামুন রাসেল।
এতে অংশ নেন- উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মহী উদ্দিন আহমেদ, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার এসএম রাশেদুল হাসান প্রমুখ।

রাণীশংকৈলে লকডাউনে দোকান খোলা: জরিমানা ও শিলগালা

 

রাণীশংকৈলে লকডাউনে দোকান খোলা, ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে (৩০ জুন বুধবার) দুপুরে পৌরশহরে মীম সু ষ্টোরকে লকডাউন অমান্য করে দোকান খোলা রাখার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও দোকানঘরে শিলগালা করা হয়েছে ।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্রীতম সাহা। এ সময় ভূমি অফিসের অফিস সহকারি ও মোবাইল কোর্টের পেশকার সোহেব আলী ও আনসার উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে বর্তমান করোনা ভাইরাস রোধ কল্পে সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আন্তজেলা ও উপজেলার দোকান পাট গন পরিবহন বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞাকে অমান্য করে রাণীশংকৈল পৌর শহরের মীম সু ষ্টোরকে দোকান খোলা রাখার সময় হাতে নাতে ধরা পড়লে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ জরিমানা করেন।

পরে ভ্রাম্যমান আদালতে পৌর শহরের ভান্ডার গ্রামের জবেদ আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম(৩০) কে দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৮ ও ২৬৯ ক ধারাই ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্রীতম সাহা বলেন, বর্তমান লকডাউন পরিস্থিতিতে সরকারি সিন্ধান্ত মোতাবেক দোকান পাট বন্ধ থাকবে এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এবং স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে ও করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির তোয়াক্কা না করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দোকান খোলা রেখে কেনা বেচা করার অপরাধে উল্লেখিত আইনে এ জরিমানা করা হয়েছে।

//মাহাবুব আলম,  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

টাঙ্গাইলে নতুন করে ৩২০ জন করোনা রোগী শনাক্ত

 

 

টাঙ্গাইলে নতুন করে ৩২০ জন করোনা রোগী শনাক্ত

 মোঃ আল-আমিন শেখ টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইল জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরো ৩২০ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। জেলা সিভিল সার্জন অফিস সুত্রে জানা গেছে, ৮৩৪ টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৩২০ জন। জেলায় শনাক্তের হার শতকরা ৩৮ দশমিক ৩৭ভাগ।

জেলায় মোট করোনা রোগী ৭৭০৭ জন। এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুবরন করেছেন ১০৮জন। আজকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে করোনা ওয়ার্ডে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ২১জন। মোট ভর্তি আছেন সারা জেলায় ৪৭৮ জন। এদের মধ্যে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে ৮ জন আর জেনারেল বেডে ৩৪ জন। জেলার হাসপাতালগুলোতে আইসোলেশনে আছেন ৫০জন। রোগীদের মধ্যে নতুন সুস্থ হয়েছেন ২৬ জন এবং মোট সুস্থ হয়েছেন ৪৪৬২ জন।

মাগুরা সদরের আসবা কালীমন্দিরের সরকারি টাকা লোপাটের অভিযোগ

 

মাগুরা সদরের কুচিয়ামোড়া ইউনিয়নের আসবা গ্রামে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কালীমন্দির শুরু থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় চলে আসছিলো কিন্তু গত ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে মাগুরা জেলা পরিষদ উক্ত মন্দিরে ১ লক্ষ টাকা উন্নয়ন কাজে বরাদ্দ দেয়।

এবং এই অনুদানটি আসবা মন্দিরে বরাদ্দের জন্য একই গ্রামের মহিলা ইউপি সদস্য কানন বালা দে এবং অত্র এলাকার জেলা পরিষদের সদস্য জনাব তুষার সাহেব অনেক কষ্ট করে করিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মহিলা ইউপি সদস্য কানন বালা দে।

কানন বালা দে আরও বলেন,১ লক্ষ টাকা অনুদান আনতে জেলা পরিষদের সদস্য জনাব তুষার সাহেব কে খরচের জন্য ২৭ হাজার টাকা উৎকোচ দেওয়া হয়েছে এবং উক্ত মন্দিরে একটি টিউবওয়েল স্থাপন করতে হয়েছে এছাড়া ৪৮ হাজার টাকার কাজ করা হয়েছে আর সরকারি ভ্যাট ও ট্যাক্স দেওয়া হয়েছে।

উক্ত মন্দিরের সভাপতি জনাব লিটু অভিযোগ করে বলেন,অত্র মন্দিরে ১ লক্ষ টাকা অনুদান পাওয়ার কথা শুনে আমরা জেলা পরিষদে যোগাযোগ করেছি আমরা জেনেছি যে ওই টাকা দিয়ে টিউবওয়েল বসানোর কোন নিয়ম নেই। তাছাড়া এই মন্দিরের সভাপতি হিসেবে জনাব লিটুকে এই অনুদানের বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি এমনকি তিনি আরও বলেন কম দামী টিন ও কাঠ দিয়ে মন্দিরের চালা করা হয়েছে। যা সর্বোচ্চ ৪০-৪২ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন উক্ত কাজে সংশ্লিষ্ট কাঠমিস্ত্রী।

স্থানীয় আরও কয়েকজন বলেন,ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের টাকা আত্মসাৎ করায় স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্য কানন বালা কে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা সামাজিক ভাবে বয়কট করেছে এবং তদন্ত পূর্বক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এ নিয়ে অত্র এলাকায় চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।এবিষয়ে আরও বিশদভাবে জানতে জনাব তুষার এর সাথে কথা বলার জন্য মুঠোফোনে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হয়েছি।

 //সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

কৃষকদের সরকারি  প্রণোদনা দেয়া অব্যাহত: সালাম মূশের্দী এমপি

 

অভয়নগরে একটানা কঠোর লকডাউন।। বিপাকে হতদরিদ্র, অসহায় খেটে খাওয়া মানুষ ।।

যশোরের অভয়নগর উপজেলার শিল্প ও বাণিজ্যিক নগরী নওয়াপাড়ার খেটে খাওয়া দিনমুজুর ও অসহায় হতদরিদ্র মানুষেরা এখন বিপাকে ৷ একদিকে রয়েছে দেশজুড়ে টানা লকডাউন অপর দিকে করোনা মহামারির আতংকে ৷ তাদের মনে প্রশ্ন জাগে এখন কি করবো ? কি খাবো ? কিভাবে  বাঁচবো আমরা ?
সারাদিন খেটে দিন মুজুর হিসেবে যে অর্থ উপার্জন করি তাতে খেয়ে পড়ে আল্লাহর রহমতে এক প্রকার ছেলে-মেয়েদের মুখে অন্ন যোগাতে পারছি  ৷ এখনতো এটাও বন্ধ হয়ে গেল ৷ অর্ধ বয়সী এক রিকশাওয়ালা এ প্রতিনিধিকে জানান ,আমরা দিন আনি দিন খাই , না আনলে  না খেয়ে থাকতে হয়  ৷ রিকশা যদি রাস্তায় বের করতে না পারি তাহলে আমরা খাবো কি?
ইজিবাইক চালক আলম জানায়,  অনেকেরই  কিস্তির মাধ্যমে  এই বাইকগুলো কেনা হয়েছে ৷ এখন আমরা উপার্জন করতে না পারলে কিভাবে কিস্তি পরিশোধ করবো ও পেটের অন্ন যোগাবো? ৷ চায়ের দোকানদার প্রতিবন্ধি ইব্রাহিম কান্নাস্বরে মনের কষ্টগুলো ব্যাখা করে বলেন, চায়ের দোকানের উপর আমার পরিবারের ভরণ-পোষণ চলে দোকান বন্ধ করলে কিভাবে বাঁচবো ? নাখেয়ে মরে যেতে হবে ৷
রাজশাহী , কয়রাসহ বিভিন্ন জেলা-উপজেলার দূর-দুরান্ত থেকে আসা ঘাট শ্রমিকরা জানায় ,আমরা উপজেলার নওয়াপাড়ার বিভিন্ন ঘাটে কাজ করি, ব্যাচেলার হিসেবে ঘরভাড়া করে থাকি ৷ যদি কাজ করতে না পারি তাহলে , আমরা খাবো কি? ঘরভাড়া দিবো কিভাবে ?
তাছাড়া গ্রামের বাড়িতে  স্ত্রী ,ছেলে মেয়েরা আমাদের মুখপানে চেয়ে থাকে কখন বিকাশে টাকা পাঠাবে ৷ ক্ষূদ্র-ব্যবসায়ি মুদি দোকানদার বিভিন্ন পন্য, খাদ্যসামগ্রী বিক্রেতারা ক্ষোভ  প্রকাশ করে বলেন,  যদি দোকান খুলতে না পারি তাহলে আমাদের কি অবস্থা হবে? ৷ আমরাতো পথে নেমে যাবো ৷ সরকারি কর্মচারীদের তো কোন সমস্যা নেই , তারাতো মাস গেলে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন ৷
ঝালমুড়ি বিক্রেতা রেজাউল হোসেন বলেন, স্কুল মাদ্রাসা খোলা থাকলে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ঝালমুড়ি বিক্রি করেছি ৷ এখনতো স্কুল-মাদ্রাসা বন্ধ আমার পরিবারে ৪/৫ জনের খোরাকি  কিভাবে যোগাড় করবো ? ৷ দীর্ঘ লকডাউনে সংকটে পড়েছেন  খেটে খাওয়া মানুষেরা ৷  মহামারী করোনাকালে এমনিতে  মানুষের আয় কমে গেছে ,  কাজের সুযোগ কমে যাওয়ায়, চলাচলে বাঁধা নিষেধ আরোপ করায় চরম সংকটে  হাবুডুবু খেতে  হচ্ছে -দিনমুজুর, রিকশা-ভ্যান চালক, দোকান ও ঝাল মুড়ি বিক্রেতার মত অসংখ্য মানুষকে ৷
করোনাৱ শুরুতে  সরকারি ও বেসরকারিভাবে বিভিন্ন সংস্থা , সংগঠণ,প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এমনকি ব্যক্তি পর্যায়ে ও গরীব ও খেটে খাওয়া মানুষের সহায়তায় অনেকেই এগিয়ে এসেছিলেন ৷ অর্থ ও খাদ্যসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছিল, কিন্তু এখন করোনা সংক্রমনের ঢেউ বহুগুণ বৃদ্ধি পেলেও লকডাউন বিধি নিষেধ দীর্ঘ হলেও কেউ আর তেমন ভাবে এগিয়ে আসছেন না প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের সহায়তায় ৷ ফলে তাদেরকে ঝুঁকি নিয়েই পেটের টানে বের হতে হচ্ছে ঘরের বাইরে ৷
সেখানে আয়ের নিশ্চয়তা না থাকলেও হয়রানি , শাস্তির অভাব নেই ,এমনিতে কাজ নেই বললেই চলে, অটো রিকশাচালকে যাত্রী পেলেও নানা ঝামেলার শেষ নেই ৷ পুলিশের বাঁধা , জরিমানা, হাওয়া ছেড়ে দেয়ার আশঙ্কায় থাকতে হয় ৷এভাবে দিন শেষে গাড়ি জমা, ব্যাটারি চার্জের টাকা পরিশোধ করে আসে উপার্জনের সামান্য কিছু অংশ ৷ এ অবস্থায় সামনে কঠোর লকডাউনে কি হবে সে চিন্তায় চোখে অন্ধকার দেখতে হচ্ছে তাদেরকে ৷ মহামারি করোনা মোকাবিলায় গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টার শেষ নেই ৷ দফায় দফায় লকডাউনের পাশাপাশি নমুনা পরীক্ষা ,চিকিৎসায় সর্ব শক্তি নিয়োগ করেও সামাল দিতে কঠিন হয়ে উঠেছে ৷ আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা রেকর্ডভঙ্গ হচ্ছে প্রায়ই ৷
আগের তুলনায় অনেক বেশি সচেতনতা ও স্বাস্থ্যবিধি সঠিক ভাবে মেনে চলা হলেও এখনো অনেক ক্ষেত্রে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ঢিলে-ঢালা অবস্থা বিপদের ঝুঁকি বাড়িয়েছে ৷ শহর থেকে গ্রামে , সীমান্ত পেরিয়ে যেভাবে ছড়াচ্ছে তা আশঙ্কার সৃষ্টি করেছে ৷ এ অবস্থায় লকডাউন সফল করার উপরেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ অনেকাংশেই  নির্ভর করছে ৷
এজন্য গরিব হতদরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষের ঘরে থাকা নিশ্চিত করা অপরিহার্য ৷ ঘরে খাবার না থাকলে এটাযে আদৌ সম্ভব নয় সেটাতো জানা কথা ৷ তাই প্রশাসন থেকে খাদ্য সঙ্কটে বা বিভিন্ন সমস্যায় ৩৩৩ নাম্বারে কল করার কথা বলা হয়েছে কিন্তু এই ঘোষণা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা দেখা যায়নি ৷
প্রান্তিক পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি রাজনীতিবিদ, মসজিদের ইমাম,স্কুল শিক্ষক, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠণ, পাড়া মহল্লার ক্লাব ও ছাত্রদের সমন্বয়ে খাদ্য ও অর্থপ্রাপ্তির এই নিশ্চয়তার কথা প্রচার করা হলে সুষ্ঠুভাবে সহায়তা দানের ব্যবস্থা করা হলে লকডাউনে মানুষের ঘরে থাকা নিশ্চিত করা যেতে পারে ৷ এজন্য প্রশাসনিক পদক্ষেপ একান্ত জরুরী ৷
//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল , বিশেষ প্রতিনিধি//

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ৫ টি হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানলা স্থাপন

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গার উপর দিয়ে অপ্রতিরোধ্য গতিতে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা সংক্রমণ।আর সেই সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে গুরুতর অসুস্থ রোগীর সংখ্যা, বাড়ছে অক্সিজেনের চাহিদা।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের ব্যবস্থা থাকলেও পর্যাপ্ত হাই- ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা না থাকায় চাহিদা অনুযায়ী অতিমাত্রায় ফুসফুস সংক্রমিত রোগীদের উচ্আ মাত্রার অক্সিজেন সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছিল না।ফলে অতি সংক্রমিত রোগীদের ঢাকায় রেফার করতে হচ্ছিল।

আর তাই পরিস্থিতি উত্তরণে জেলা প্রশাসক চুয়াডাঙ্গার উদ্যোগে মাননীয় সংসদ সদস্য, চুয়াডাঙ্গা -২ জনাব মোঃ আলী আজগর টগর, মোল্লা মটরস এর স্বত্বাধিকারী জনাব মোঃ শহীদুল হক মোল্লা এবং জেলা প্রশাসক চুয়াডাঙ্গার সহযোগিতায় আজ ২৯ জুন-২০২১ রোজ মঙ্গলবার ৫টি হাই- ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা সদর হাসপাতালে স্থাপনের জন্য চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

 

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনা মহানগরীতে ৪৩ জনকে ২৯ হাজার ৯ শত টাকা জরিমানা

 

খুলনা মহানগরীতে ৪৩ জনকে ২৯ হাজার ৯ শত টাকা জরিমানা

 

খুলনা মহানগরীতে ৪৩ জনকে জরিমানা করা হয়েছে। বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ বাঁধ ভাঙা জোয়ারের মত বইছে সীমান্তবর্তী খুলনার উপর দিয়ে। করোনার এই টেউ মহানগরী খুলনা থেকে বিভিন্ন জেলা, জেলা থেকে উপজেলায় এমনকি সুদূর গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে।

আর তাই করোনা মহামারী থেকে দেশের জনগণকে রক্ষা করার জন্য করোনা প্রতিরোধ কমিটি ধফায় ধফায় মিটিং করে করণীয় বর্জনীয় ঠিক করে তা বাস্তবায়নের জন্য দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন এবং আজও আগামী এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছেন।

করোনা মহামারীর প্রাণ সংহারীরূপকে প্রতিহত করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাস্ক ব্যবহার, জনসমাগম এড়িয়ে চলা,লক্ষণ দেখা দিলে আইসোলেশনে যাওয়া সর্বোপরি সামাজিক সচেতনতার কোন বিকল্প নেই।

 

 

 

কিন্তু গতবছর ৮ মার্চ যখন প্রথম বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হয় তার পূর্বেই উল্লেখিত বিষয়সমূহ নিয়ে ব্যাপক প্রচার প্রচারণার পরও জনগণের বোধদয় করা সম্ভব হয়নি। আর তাই করোনার সংক্রমণে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বেড়েই চলছে।

করোনার এই সংহারক শক্তিকে রোধকল্পে জন সচেতনা বৃদ্ধি ও ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়নের জন্য খুলনা জেলার মাননীয় জেলা প্রশাসক জনাব মনিরুজ্জামান তালুকদার- এর নির্দেশনায় ২৯ জুন-২০২১ রোজ মঙ্গলবার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে মোবাইলে কোর্ট পরিচালনা করেন।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে সরকারি আদেশ অমান্যকারীদের সংক্রমণ রোগ ( প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইনের বিভিন্ন ধারায় ৩৮ মামলায় ৪৩ জনকে ২৯হাজার ৯শত টাকা জরিমানা আদায় করেন। উল্লেখ্য করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধকল্পে জেলা প্রশাসনের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে ।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জগন্নাথপুর মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিজে কাঁদলেন অন্যকেও কাঁদালেন

 

জগন্নাথপুর মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিজে কাঁদলেন অন্যকেও কাঁদালেন

 

 নিজ গ্রামের স্কুলে ৩৯ বৎসর শিক্ষকতার পর অবসরে গেলেন সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তুলসী রাণী বনিক। এ সময় তিনি স্কুলের নানা স্মৃতিচারণ করে নজরুল গীতি গেয়ে নিজে কাঁদলেন অন্যকেও কাঁদালেল।

বললেন ”আমার যাবার সময় হলো দাও বিদায়” শিক্ষার্থীদের প্রিয় শিক্ষিকা হিসাবে পরিচিত তুলসী রানী বণিক করোনাকালীন সময়ে স্কুল বন্ধ থাকায় শিশুদের দেখতে না পারায় কান্নায় ভেঙে পড়েন। জগন্নাথপুর মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মেনেজিং কমিটি, শিক্ষক – অভিভাবক কমিটি ও শিক্ষক- শিক্ষিকাবৃন্দের যৌথ উদ্যোগে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় স্কুলের ডিজিটাল রোমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এক বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি প্রভাষক রিংকর চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে ও বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অনন্ত পালের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন ম্যানেজিং কমিটির সহ সভাপতি আজাদ আলী, কমিটির সদস্য, সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম লাল মিয়া, শিক্ষক-অভিভাবক কমিটির সহ সভাপতি সমর চন্দ্র সুত্রধর, সিনিয়র শিক্ষিকা রুবি রায়, নিলিমা দাস, শিক্ষিকা উম্মে হানিফা মিলি।

অন্যানোর মধো উপস্থিত ছিলেন শিক্ষিকা শিপ্রা রায়, শিখা রানী সরকার, মিতালী রায়, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য চয়নিকা মজুমদার, শিক্ষক অভিভাবক কমিটির সদস্য তাসলিমা আক্তার ডলি, ঝর্না দাস, স্মৃতি রানী দাস, ও সমাজ সেবক শফিকুল ইসলাম, জোৎস্না সুত্রধর, সাংবাদিক রনি মিয়া, স্কুলের নৈশ প্রহরী সুনীল সরকার প্রমূখ। সভায় বক্তারা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তুলসী রানী বণিকের দীর্ঘ ৩৯ বছরের কর্মময় জীবনের কথা স্বরণ করে বলেন, তিনি ছিলেন একজন আদর্শ শিক্ষক।

শিক্ষা জাতীর মেরুদণ্ড। যার হাতে গড়া অশংখ্য শিক্ষার্থী সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ তথা সমাজে সাক্ষর রাখছেন। জগন্নাথপুর গ্রামের বাসিন্দা তুলসী রানী বণিক নিজেও এই স্কুলের শিক্ষার্থী ছিলেন। একাধারে সফলতার সাথে সহকারী শিক্ষক থেকে শুরু করে হয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। সততা ও নিষ্ঠার সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি স্কুলে কর্মরত অন্য শিক্ষকদের জন্য হতে পারেন পথপদর্শক। যার অবদানের কথা কখনো ভুলে যাওয়ার নয়। পরে সংবর্ধিত অতিথি তুলসী রানী বনিকের হাতে সম্মাননা ক্রেষ্ট ও পুরস্কার তুলে দেন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ।

 //মোঃ রনি মিয়া, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অভিনব কায়দায় বিকাশ প্রতারনায় টাকা উধাও: অভিযোগ