করোনায় দেশে আরও ৯৪ জন সহ মোট মৃত্যু ১০হাজার ছাড়াল

 

বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ ৬৪ জন ও নারী ৩০ জন।

মৃতদের মধ্যে ৯০ জন হাসপাতালে ও চারজন বাড়িতে মারা যান। এর আগের দিন বুধবার এক দিনে ৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ নিয়ে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১০ হাজার ৮১ জন। আর চব্বিশ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ১৯২ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত ৭ লাখ ৭ হাজার ৩৬২ জন।

 

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

 

গত ২৪ ঘণ্টায়  সরকারি ও বেসরকারি ২৫৫টি ল্যাবরেটরিতে ১৮ হাজার ৯৯৫টি নমুনা সংগ্রহ ও ১৯ হাজার ৯৫৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এক দিনে ৫ হাজার ৯১৫ জনের সেরে ওঠার তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সব মিলিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫ লাখ ৯৭ হাজার ২১৪ জন।

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

‘মুভমেন্ট পাস’ ছাড়াও LOCKDOWN- এ চলতে পারবেন ১৮ শ্রেণীর মানুষ

 

কোভিড-১৯ সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নেওয়া কারণে সারা দেশে চলছে সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন। চলাচল ও বাইরে বের হওয়ার ক্ষেত্রে আরোপ করা হয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ।

তবে ব্যাংক, শিল্পকারখানা ও হাসপাতালে কাজ চলছে। জরুরি সেবা খাত গুলোও খোলা রয়েছে।  যার কারণে অনেকেই জরুরি প্রয়োজনে বের হচ্ছেন।

কারা বাইরে বের হতে পারবেন, কারা পারবেন না, এ নিয়ে ভুল–বোঝাবুঝির ঘটনাও ঘটছে। পুলিশ এমন অনেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে, যারা জরুরি সেবার আওতায় পড়েছেন।

পরিপ্রেক্ষিতে বিধিনিষেধের আওতামুক্ত ব্যক্তি কারা ও প্রতিষ্ঠান কোনগুলো সেটি জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

১৮ শ্রেণীর মানুষের  চলাচলে মুভমেন্ট পাস প্রয়োজন নেই। শুধু পরিচয়পত্র দেখালে কর্মস্থলে আসা-যাওয়া করতে পারবেন।

চলমান লকডাউনের বিধিনিষেধের আওতামুক্ত যারা:

১. ডাক্তার

২. নার্স

৩. মেডিকেল স্টাফ

৪. কোভিড টিকা/চিকিৎসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি/স্টাফ

৫. ব্যাংকার

৬. ব্যাংকের অন্যান্য স্টাফ

. সাংবাদিক

৮. গণমাধ্যমের ক্যামেরাম্যান

৯. টেলিফোন/ইন্টারনেট সেবাকর্মী

১০. বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মী

১১. জরুরি সেবার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা/কর্মচারী

১২. অফিসগামী সরকারি কর্মকর্তা

১৩. শিল্পকারখানা/গার্মেন্টস উৎপাদনে জড়িত কর্মী/কর্মকর্তা

১৪. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য

১৫. ফায়ার সার্ভিস

১৬. ডাকসেবা

১৭. বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও জ্বালানির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি/কর্মকর্তা

১৮. বন্দর–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/কর্মকর্তা চেকপোস্টে যেসব পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের এ বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে ব্রিফিং করার জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের অনুরোধ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় দেশে এক সপ্তাহের সর্বাত্মক লকডাউন চলছে। এই সময়ে বাইরে বের হলেই জরিমানা গুনতে হচ্ছে মানুষকে। আজও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জরিমানা কার্যকর করা হয়েছে।

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

৪,০০,০০০ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করেছে  টেকনাফ বিজিবি

 

আজ ১৫ এপ্রিল-২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ( বিজিবি) এর টেকনাফ ব্যাটালিয়ান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পায় মিয়ানমার থেকে লেদা খাল দিয়ে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে পাচার হবে।

উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে আজ ভোর ৪:৩০ মিনিটে অভিযান পরিচালনা কালে ০৫/০৬ জন মাদক পাচারকারীদের দেখতে পেয়ে চ্যালেঞ্জ করে দ্রুত আগ্রসর হয়।কিন্তু বিজিপি-এর উপস্থিতি বুঝতে পেরে মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের নিকটে থাকা বস্তাগুলো ফেলে পার্শ্ববর্তী গ্রামে চলে যায়।

তাদের ফেলে যাওয়া বস্তা ০৪ টি উদ্ধার করে এবং উদ্ধারকৃত বস্তার মধ্যে ০৪ লক্ষ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায় যার বাজার মূল্য ১২ কোটি টাকা।

পরবর্তীতে পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলিতে অভিযান পরিচালনা করে ইয়াবা কারবারীদের সনাক্তের চেষ্টা করেও সম্ভব না হওয়ায়  তাদের  সনাক্তের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

// স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক //

দুবাইয়ে কাশ্মীর সমস্যা সমাধানে পাক-ভারত গোপন বৈঠক

 

বহুবিতর্কিত হিমালয় অঞ্চল কাশ্মীর  নিয়ে সামরিক উত্তেজনা কমিয়ে আনতে ভারত-পাকিস্তানের গোপন বৈঠক হয়েছে।

গত জানুয়ারিতে দুবাইয়ে তাদের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও আলজাজিরা এমন খবর দিয়েছে।

দুই দেশের সরকার কাশ্মীরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কূটনৈতিক চ্যানেল ব্যবহার করতে চাইছে।

সামনের কয়েক মাসে এ বিষয়ে ভালো সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

দুই ব্যক্তিকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স বলছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের সহযোগিতায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। পাকিস্তানের সেনাবাহিনীও রয়টার্সের অনুরোধে কোন সাড়া দেয়নি।

পাকিস্তানের নামকরা প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক আয়েশা সিদ্দিকির বিশ্বা- কয়েক মাস ধরেই ভারত-পাকিস্তানের কর্মকর্তারা অন্য দেশে বৈঠক করছেন।

তিনি বলেছেন, আমার মনে হয় থাইল্যান্ডে বৈঠক হয়েছে, দুবাইতে হয়েছে, হয়েছে লন্ডনেও।

 

// আন্তর্জাতিক ডেস্ক //

মিশরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে বাসে আগুণ: মৃত্যু ২০

 

মিশরের আসিউত প্রদেশে থেমে থাকা ট্রাকে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও তিন জন। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এ খবর জানিয়েছে রয়টার্স।

রাজধানী কায়রো থেকে ৩৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে আসিউত প্রদেশে মঙ্গলবার ১৩ এপ্রিল এ দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছে প্রাদেশিক গভর্নরের কার্যালয়।

রয়টার্স জানিয়েছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সিমেন্টবোঝাই ট্রাকটি মহাসড়কে থেমে ছিল পরে কায়রো থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস ট্রাকটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। দুর্ঘটনার পরপরই বাসটিতে আগুন ধরে যায়। পোড়া বাস থেকে মৃতদেহ ও আহতদের বের করতে সক্ষম হয়েছে উদ্ধারকারীরা।

বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানো এবং রাস্তার বেহাল দশার কারণে মিশর থেকে প্রায়ই সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি সড়ক ও রেল দুর্ঘটনায় মিশরে কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। মার্চে কায়রোর ৮০ কিলোমিটার দক্ষিণের গিজা প্রদেশে ট্রাক ও মিনিবাসের সংঘর্ষ ১৮ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে; রাজধানীর ৪৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে তাহতার কাছে দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে মারা গেছে অন্তত ৩২ জন। আহতও হয়েছিল দেড়শ’র বেশি।

//আন্তর্জাতিক  ডেস্ক//

খুলনা মাদকবিরোধী অভিযান গ্রেফতার-২

 

আজ১৫/৪/২১ খুলনায় পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে গ্রেফতার দুজন, গ্রেফতারকৃতরা হল, সাব্বির হোসেন(২৮), পিতা-সামছুল হাওলাদার, সাং-দাওয়া, থানা-ভান্ডারিয়া, জেলা-পিরোজপুর, এ/পি সাং-বাগমারা মেইন রোড, আলমের চায়ের দোকানের পিছনে, থানা-খুলনা সদর এবং আবুল হাসেম খন্দকার(৫০), পিতা-মৃত: আলী আকবর খন্দকার, সোনাডাঙ্গা মেইন রোড, গাজী বাড়ি, থানা-সোনাডাঙ্গা মডেল, খুলনা মহানগরীদ্বয়’কে সংশ্লিষ্ট থানা এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ১০০ গ্রাম গাঁজা এবং ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায় করা হবে বলে জানান।

রিপোর্টার, মোঃ জাকির হোসেন//

গড়াই শুকিয়ে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানির খোজে সবাই

 

গড়াই মুকিয়ে যাবার জন্য কুষ্টিয়ার বেশীর ভাগ এলাকায় দেখা গিয়েছে বিশুদ্ধ পানির  চরম সংকট।  গ্রাম বা শহরের প্রায় অধিকাংশ জায়গায় টিউবওয়েল থেকে পাওয়া যাচ্ছে না পরিমান মত পানি। কুষ্টিয়ার গড়াই নদী আজ প্রায় মৃত অবস্থা। বসন্তের শুরুতেই পানির প্রবাহ নেই গড়াই নদীতে। গড়াই এখন পরিনত হয়েছে ছোট খালে। গড়াই রেল ও সড়ক সেতুর অধিকাংশ পিলার  আটকে গেছে চড়ে। সেই সাথে নেমে গেছে পানির স্তর। এর প্রভাবে কুষ্টিয়া পৌর এলাকাসহ আসে পাশের অধিকাংশ নল কুপে উঠছে না পানি।

সেইসাথে  পৌরসভার থেকে সরবরাহকৃত সাপ্লাই পানির উৎপাদনও কমে গেছে অনেক।

প্রায় সব এলাকায় পানির স্তর নেমে যাওয়ার কারণে নলকূপ গুলো পানি পাচ্ছেনা।

অতিশয় বৃষ্টি পাত না হলে সমস্যা আরো তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মনেকরা হচ্ছে ফারাক্কার বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় কুষ্টিয়ায় চলতি খরা মৌসুমে বিশুদ্ধ পানির এমন সংকট দেখা দিয়েছে। স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৮ থেকে ১০ ফুট নিচে পানির স্তর নেমে আসায় এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে। শহরতলীসহ পৌরসভার প্রায় অর্ধেক টিউবওয়েল অকেজো হয়ে পড়েছে । টিউবওয়েলে পানি না ওঠায় শহরের বেশীর ভাগ এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ খাবার পানির চরম সংকট। ফারাক্কার বিরূপ প্রভাবে প্রায় ৭ মাস বৃষ্টি না হওয়া এবং কুষ্টিয়ার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া পদ্মার শাখা নদী গড়াই এর অববাহিকায় পানি না থাকায় এ অবস্থা সৃষ্টি হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে।

কুষ্টিয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, পৌরসভার মধ্যে ৩৭ হাজার হোল্ডিং রয়েছে। এই হোল্ডিংয়ের আওতায় ৪ হাজার ৬ শত টিউবওয়েল স্থাপন করা আছে । চলতি খরা মৌসুমে পানির স্তর স্বাভাবিক ভাবে ২৪ ফিট থাকার কথা থাকলেও সেখানে পানি স্তর আরো ৮/১০ ফিট নিচে নেমে গেছে। ফলে টিউবওয়েল গুলোতে পানি উঠছে না।

সমস্যা শহরের কমলাপুর, থানাপাড়া, আমলাপাড়া, কুঠিপাড়া এলাকায় সংকট বেশি দেখা দিয়েছে

শুষ্ক মৌসুমে গড়াই নদীতে পানি না থাকায় নদীর তীরবর্তী এলাকা গুলোতে পানি সংকট তীব্রতা ধারন করেছে। এছাড়াও শহর ও শহরতলী এলাকায়, হাউজিং এলাকাসহ শহরের সব স্থানে একই অবস্থা কম বেশি বিরাজ করছে।

পৌরসভার সূত্র আরো জানায়, পৌরসভার মধ্যে অনেকে পানির সংযোগ লাইন নেয়নি। বর্তমানে পানির তীব্র সংকট দেখা দেয়ায়, মানুষ ছুটে আসছে পৌরসভাতে। প্রতিদিন প্রায় ৪০/৪৫ টি আবেদন পড়ছে পানির লাইন নেয়ার জন্য। সংযোগ দেয়া হচ্ছে প্রায় ২৫টি। চলতি বছরের গত তিন মাসে মোট ৪ শত ৬৮ টি পানির সংযোগ লাইন দেয়া হয়েছে- জানুয়ারী মাসে ১০০টি, ফেব্রুয়ারী মাসে ৯০টি ওবং মার্চ মাসে সবচেয়ে বেশি ২৭৮ টি সংযোগ লাইন দেয়া হয়েছে। প্রতিদিনই পৌর বাসিন্দারা টিউবওয়েলে পানি না ওঠার অভিযোগ নিয়ে আসছে। তাদেরকে পৌরসভার পানির সংযোগ লাইন নেয়ার জন্য আহবান করা হচ্ছে। এ সংকট দেখা দেয়ায় আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রতিদিন ২০/২৫ টি পৌরসভার বিশুদ্ধ পানির সংযোগ লাইন দেয়া হচ্ছে। পানির লেয়ার অনেক নিচে নেমে যাওয়ায় এই অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে । আগামী ৫/৭ দিনের মধ্যে বৃষ্টি পাত না হলে সমস্যা আরো তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কুষ্টিয়া জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ইব্রাহিম মোঃ তৈমুর জানান, কুষ্টিয়ার ৬টি উপজেলায় ওয়াটার টেবিল ওয়াইজ আমরা কাজ করছি। প্রতি শুস্ক মৌসুমে বিষয়টি মনিটরিং করা হয়ে থাকে। তারপর টিউবওয়েল দেয়ার চেষ্টা করি। তবে এ বছর পানির স্তর অনেকটাই নিচে নেমে গেছে। এর আগে তারা টিউবওয়েল দিতাম, সেখানে ৮০ ফিট হাউজিং এর স্থলে এখন ১০০ ফিট দিতে হচ্ছে। যাতে করে শুস্ক মৌসুমে পানি ওঠে। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে কিছুটা পানির স্তর নেমে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে, সেগুলো মনিটরিং করা হচ্ছে। তবে এরমধ্যে কুষ্টিয়া শহরে পানির সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।

স্বাভাবিক ২০ ফিট স্তরের স্থলে ৩০ ফিট নিচে পানির স্তর নেমে গেছে। অর্থাৎ ১০ ফিট পানি নিচে নেমেছে। এর কারণ হিসেবে তিনি জানান, কুষ্টিয়া শহরের বেশির ভাগ বাসা বাড়ীতে ইচ্ছা মত টিউবওয়েল এবং পাম্প মেশিন বসিয়ে পানি উত্তোলন করা হচ্ছে। যার ফলে এ সংকট দেখা দিয়েছে। তবে কুষ্টিয়া পৌরসভার মধ্যে যাতে পানি সংকট না হয় সে জন্য চলতি ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে কুষ্টিয়া পৌরসভাকে ৭ টি প্রডাক্শন টিউবওয়েল হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, শহরে পৌরসভার মধ্যে যে সমস্ত বিল্ডিংগুলো হচ্ছে, মালিকরা নিজেরাই ইচ্ছা মাফিক টিউবওয়েল ও পাম্প মেশিন বসিয়ে পানি উত্তোলন করছে। ফলে এঅবস্থা দেখা দিচ্ছে। আগামী ৫০ বছরের মধ্যে কুষ্টিয়া শহরে পানির স্তর ভূগর্ভস্থরের আরো নিচে নেমে পানি সংকটের ভয়াবহতা তীব্র রূপ ধারণ করবে। সেই সাথে স্বাস্থ্য ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যাবে।

এজন্য আগে থেকেই পৌরসভার উদ্যোগে প্রতিটি বাসাবাড়ীতে পানির লাইন দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

// রিপোর্টার: সুমাইয়া আক্তার //

‘মুভমেন্ট পাস’ কি শিং মাছ কিনতে যাওয়ার জন্য…! পুলিশ হতবাক….!!!

 

কোভিড-১৯ এর ঝড়ের গতির সংক্রমণ ঠেকাতে আট দিন সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণার ফলে আলোচনায় মূখ্য এখন  মুভমেন্ট পাস’।

সোনার হরিণে পরিণত হয়েছে এই   মুভমেন্ট পাস। জরুরিভিত্তিতে বাইরে যাওয়ার জন্য পুলিশের চালু করা এই পাসের ওয়েবসাইটে ৩৩ ঘণ্টায় সাত কোটি ৮১ লাখ নাগরিক হিট করেছে। সবারই প্রয়োজন  মুভমেন্ট পাস।

এমন অবস্থায় কঠোর লকডাউনের প্রথম দিনেই অতি প্রয়োজনীয় মুভমেন্ট পাসের অপব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে ‌এমনটাই দাবি পুলিশের।

মুভমেন্ট পাসের পাওয়ার সাইটটি নিয়ন্ত্রণ করতে যখন হিমসিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ তখন জানা গেল, চিকিৎসাসেবার মতো জরুরি কোনো প্রয়োজনে নয়, শুধু মাত্র বাজার থেকে শিং মাছ কিনতে মুভমেন্ট পাস ব্যবহার করেছেন এক নগরবাসী।

এবং এমন কাণ্ডে সেই ব্যক্তিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানাও করেছে কর্তব্যরত সার্জেন্ট।

সূত্র জানায়, মুভমেন্ট পাস নিয়ে রাজধানীর উত্তরার বাসা থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে মোটরসাইকেল যোগে মালিবাগ বাজারের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন এক ব্যক্তি। পথে রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের সামনের চেকপোস্টে পুলিশ তাকে ধরলে তিনি তার মুভমেন্ট পাস দেখান।

কোথায় আর কেন যাচ্ছেন জানতে চাইলে সত্যটাই জানান ওই ব্যক্তি। বলেন – বাজারের উদ্দেশে মালিবাগ যাচ্ছেন। তাই বলে উত্তরা থেকে!  জবাবে ওই ব্যক্তি বলেন মালিবাগ বাজারে শিং মাছ পাওয়া যায় কাই ওখানে যাচ্ছি।

এমন জবাবে যারপরনাই হতাবাক হন পুলিশ সদস্যরা…। করোনার এই সংক্রমণে মুভমেন্ট পাস নিয়ে শিং মাছ কিনতে যাওয়া বিষয়টি হজম হয়নি পুলিশের। বিষয়টিকে মুভমেন্ট পাসের অপব্যবহার বলে মনে হয় ট্রাফিক পুলিশের কর্তব্যরত সার্জেন্টের।

যে কারণে শিং মাছ প্রিয় ওই ব্যক্তিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করেন সার্জেন্ট শেখ জোবায়ের আহমেদ।

// দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক //

সর্বাত্মক লকডাউন বাস্তবায়নে সক্রিয় গজারিয়া থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন

 

মহামারি করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে সরকারের ঘোষিত ২য় দফা লকডাউন বাস্তবায়নে ১ম দিনে আজ মাঠে রয়েছে গজারিয়া থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন। সরেজমিনে গজারিয়ার বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায় গজারিয়ায় কঠোর ভাবে পালিত হচ্ছে লক ডাউন।সকাল থেকে গজারিয়ায় প্রতিটি এলাকায় নিরবতা বিরাজ করছে।রাস্তায় লোকজনের চলাচলও কম রয়েছে।

বন্ধ রয়েছে জরুরি পন্যের দোকান ব্যাতিত এলাকার বেশির ভাগ দোকানপাঠ।তবে বাজার এলাকায় মুদি দোকান ও সবজি বাজার খোলা রয়েছে।বাজারহাট করতে আসা অধিকাংশ লোকদের কে মাস্ক পরিধান করতে দেখা গেছে। গজারিয়ায় সরকার ঘোষিত লকডাউন চলাকালে মাঠে সক্রিয় রয়েছে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রইছ উদ্দিন এর নেতৃত্বে গজারিয়া থানা পুলিশ।এছাড়াও উপজেলা প্রসাশনের পক্ষ থেকে মাঠে সক্রিয় রয়েছে গজারিয়া উপজেলা সহকারি ভূমি কর্মকর্তা পরিচালিত একটি মোবাইল কোর্ট।

সরকার ঘোষিত লকডাউন চলাকালে লকডাউন এর যাবতীয় নির্দেশনা পালনে জনগণকে সচেতন করার জন্য প্রশাসনের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

//সৈয়দ মোঃ শাকিল, গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ//

সর্বাত্মক লকডাউন পালনে কাজ করছে সম্মূখ সারির যোদ্ধা- বাংলাদেশ  পুলিশ

 

করোনার বৈশ্বিক মহামারী পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও কালবৈশাখী ঝড়ের ন্যায় রাজধানীর ঢাকার সাথে পাল্লা দিয়ে প্রত্যন্ত গ্রামেরও ছড়িয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে। আর তাই সরকার ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল-২০২১ পর্যন্ত সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে।

দেশব্যাপী লকডাউনের প্রথম দিন আজ। অনাঙ্ক্ষিতভাবে লকডাউনের প্রথম দিন পড়ে গেছে বাঙালির প্রাণের উন্মাদনার দিন পহেলা বৈশাখ ও  বাংলা নববর্ষ এবং সিয়াম সাধনার মাস, পবিত্র রমজানের প্রথম দিন।

বাঙালি উৎসব প্রিয় জাতি। যে কোন উৎসবে বাঙালির আনন্দ ও উচ্ছাসের কমতি থাকে না। কিন্তু করোনার এই দ্বিতীয় সুনামির কারণে গতবছরের ন্যায় এবারও উৎসব ও আনন্দ উদযাপন  করতে পারছে না। আর তাই সকলের ন্যায় বাংলাদেশ পুলিশও সমব্যথিত হয়ে ” এসে যাবে ঠিক উচ্ছাসের দিন, নিয়ম মেনে চলুন আরো কিছু দিন”- এই স্লোগানকে সামনে রেখে আজ ১৪ এপ্রিল-২০২১ রোজ বুধবার সকাল থেকে সরকার ঘোষিত লকডাউন কার্যকরের জন্য কাজ করছে করোনার যুদ্ধের সম্মূখ সারির যুদ্ধা বাংলাদেশ পুলিশ। সরকারি বিধি-নিষেধ কঠোরভাবে কার্যকরের জন্য বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন টীম দেশের বিভাগ, জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানসহ প্রতিটি থানার প্রত্যন্ত গ্রামের নিবৃত   পল্লীতেও টহলের মাধ্যমে  জনগণকে ঘুর মুখী করতে কাজ করছে।

উদ্দেশ্য একটাই – জনগনকে করোনা মুক্ত রাখা ।

প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের প্রবেশ মুখে যেমন বসানো হয়েছে চেকপোস্ট তেমনি করোনার  সংক্রমণ থেকে জনগণকে রক্ষা করার জন্য করা হচ্ছে সচেতনতামূলক মাইকিং। সেই সাথে পবিত্র রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণেও কাজ করছে পুলিশের বিশেষ টীম।

আসুন সবাই বাংলাদেশ পুলিশের ন্যায় স্ব স্ব অবস্থান থেকে বৈশ্বিক মহামারী করোনা মোকাবেলায় নিজের পরিবার ও সমাজে বসবাসরত সকলকে সচেতন করি,স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে উদ্ধুদ্ধ করি,নিজে মাস্ক পরি, অন্যদের মাস্ক পরতে উদ্ধুদ্ধ করি। বিনাকারণে ঘরের বাইরে নিজে না যাই ও অন্যকেও বাইরে যাওয়া থেকে বিরত রাখি।আর যদি বিশেষ কোন জরুরি প্রয়োজনে যেতেই হয় তাহলে অবশ্যই মুভমেন্ট পাস নিয়ে,স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরে বাইরে  যেতে বলি।

প্রত্যেকের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পারে করোনার এই মহামারী থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//