সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে মধু সংগ্রহকারী আহত

 

সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে বাঘের আক্রমণে এক মধু সংগ্রহকারী আহত হয়েছেন। আহতের নাম রবিউল ইসলাম (২০) শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের সোরা গ্রামের হালিম শেখের ছেলে।

মঙ্গলবার বিকেলে পশ্চিম সুন্দরবনের হলদেবুনিয়ার আমড়াতলি এলাকায় মধু সংগ্রহকালে এ ঘটনা ঘটে।

রবিউলের সঙ্গীরা জানান, গত ১লা এপ্রিল বুড়িগোয়ালিনী থেকে মধু সংগ্রহের পাস নিয়ে সুন্দরবনে মধু আনতে যান তারা। মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে সুন্দরবনের আমড়াতলি এলাকায় মধু সংগ্রহ করার সময় হঠাৎ একটি বাঘ রবিউলের ওপর আক্রমণ করে বনে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

সঙ্গে থাকা তার সহযোগীরা একযোগে জোরে হাঁকডাক করলে বাঘ রবিউলকে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে বনের এক কিলোমিটার ভেতর থেকে তাকে মারাত্মক আহত অবস্থায় উদ্ধার করে লোকালয়ে নিয়ে আসা হয়। এ ঘটনায় তাকে শ্যামনগর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বন বিভাগের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা মো. সুলতান আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

//সাতক্ষীরা সংবাদদাতা//

৩০ দিন রোজা এবং শরীরিক উপকারীতা

 

৩০ দিন রোজা এবং শরীরিক উপকারীতা

প্রতি বছর কোটি কোটি মুসলমান রোজা রাখেন সূর্যোদয় হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহারে বিরত থেকে।

কয়েক বছর ধরে উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোতে রোজা পড়েছে গ্রীষ্মকালে। ফলে এসব দেশের মুসলিমদের রোজা রাখতে হচ্ছে গরমের মধ্যে অনেক দীর্ঘ সময় ধরে।

ইউরোপের কোনো কোনো দেশে কুড়ি ঘণ্টাও রোজা রাখতে হচ্ছে।

কিন্তু মুসলিমরা যে এক মাস ধরে রোজা রাখেন, সেটা তাদের শরীরে কী প্রভাব ফেলে?

প্রথম কয়েক দিন : সবচেয়ে কষ্টকর

শেষবার খাবার খাওয়ার পর আট ঘণ্টা পার না হওয়া পর্যন্ত কিন্তু মানুষের শরীরে সেই অর্থে রোজার প্রভাব পড়ে না।

আমরা যে খাবার খাই, পাকস্থলীতে তা পুরোপুরি হজম হতে এবং এর পুষ্টি শোষণ করতে অন্তত আট ঘণ্টা সময় নেয় শরীর।

যখন এই খাদ্য পুরোপুরি হজম হয়ে যায়, তখন আমাদের শরীর যকৃৎ এবং মাংসপেশীতে সঞ্চিত থাকে যে গ্লুকোজ, সেটা থেকে শক্তি নেয়ার চেষ্টা করে।

শরীর যখন এই চর্বি খরচ করতে শুরু করে, তা আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে। এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়।

তবে যেহেতু রক্তে সুগার বা শর্করার মাত্রা কমে যায়, ওই কারণে হয়তো কিছুটা দুর্বল এবং ঝিমুনির ভাব আসতে পারে।

এছাড়া কারো কারো ক্ষেত্রে মাথাব্যাথা, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব বা নিশ্বাসে দুর্গন্ধ হতে পারে।

এ সময়টাতেই আসলে শরীরে সবচেয়ে বেশি ক্ষুধা লাগে।

৩ হতে ৭ রোজা : পানিশূন্যতা থেকে সাবধান

প্রথম কয়েক দিনের পর আপনার শরীর যখন রোজায় অভ্যস্ত হয়ে উঠছে, তখন শরীরে চর্বি গলে গিয়ে তা রক্তের শর্করায় পরিণত হচ্ছে।

কিন্তু রোজার সময় দিনের বেলায় যেহেতু আপনি কিছুই খেতে বা পান করতে পারছেন না, তাই রোজা ভাঙ্গার পর অবশ্যই আপনাকে সেটার ঘাটতি পূরণের জন্য প্রচুর পানি পান করতে হবে।

নইলে আপনি মারাত্মক পানি-শূন্যতায় আক্রান্ত হতে পারেন। বিশেষ করে গরমের দিনে যদি শরীরে ঘাম হয়।

আর যে খাবার আপনি খাবেন, সেটাতেও যথেষ্ট শক্তিদায়ক খাবার থাকতে হবে। যেমন কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা এবং চর্বি।

একটা ভারসাম্যপূর্ণ খাবার খুব গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে সব ধরণের পুষ্টি, প্রোটিন বা আমিষ, লবণ এবং পানি থাকবে।

৮ হতে ১৫ রোজা : অভ্যস্ত হয়ে উঠছে শরীর

এই পর্যায়ে এসে আপনি নিশ্চয়ই অনুভব করতে পারছেন যে আপনার শরীর-মন ভালো লাগছে, কারণ রোজার সাথে আপনার শরীর মানিয়ে নিতে শুরু করেছে।

ক্যামব্রিজের এডেনব্রুকস হাসপাতালের ‘অ্যানেসথেসিয়া এন্ড ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিনের’ কনসালট্যান্ট ড. রাজিন মাহরুফ বলেন, এর অন্যান্য সুফলও আছে।

‘সাধারণত দৈনন্দিন জীবনে আমরা অনেক বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার খাই এবং এর ফলে আমাদের শরীর অন্য অনেক কাজ ঠিকমত করতে পারে না, যেমন ধরুণ শরীর নিজেই নিজেকে সারিয়ে তুলতে পারে।’

‘কিন্তু রোজার সময় যেহেতু আমরা উপোস থাকছি, তাই শরীর তখন অন্যান্য কাজের দিকে মনোযোগ দিতে পারে। কাজেই রোজা কিন্তু শরীরের জন্য বেশ উপকারী। এটি শরীরের ক্ষত সারিয়ে তোলা বা সংক্রমণ রোধে সাহায্য করতে পারে।’

১৬ হতে ৩০ রোজা : ভারমুক্ত শরীর

রমজান মাসের দ্বিতীয়ার্ধে আপনার শরীর কিন্তু পুরোপুরি রোজার সাথে মানিয়ে নেবে।

আপনার শরীরের পাচকতন্ত্র, যকৃৎ, কিডনি এবং দেহত্বক এখন এক ধরণের পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে যাবে। সেখানে থেকে সব দূষিত বস্তু বেরিয়ে আপনার শরীর যেন শুদ্ধ হয়ে উঠবে।

‘এ সময় আপনার শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তাদের পূর্ণ কর্মক্ষমতা ফিরে পাবে। আপনার স্মৃতি এবং মনোযোগের উন্নতি হবে এবং আপনি যেন শরীরে অনেক শক্তি পাবেন’, বলছেন ড. মাহরুফ।

‘শরীরের শক্তি জোগানোর জন্য আপনার আমিষের ওপর নির্ভরশীল হওয়া ঠিক হবে না। যখন আপনার শরীর ‘ক্ষুধার্ত’ থাকছে তখন এটি শক্তির জন্য দেহের মাংসপেশীকে ব্যবহার করছে। এবং এটি ঘটে যখন একটানা বহুদিন বা কয়েক সপ্তাহ ধরে আপনি রোজা রাখছেন।’

‘যেহেতু রোজার সময় কেবল দিনের বেলাতেই আপনাকে না খেয়ে থাকতে হয়, তাই আমাদের শরীরের চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট খাবার এবং তরল বা পানীয় গ্রহণের সুযোগ থাকছে রোজা ভাঙ্গার পর। এটি আমাদের মাংসপেশীকে রক্ষা করছে এবং একই সাথে আমাদের আবার ওজন কমাতেও সাহায্য করছে।’

তাহলে রোজা রাখা কি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো?

ড. মাহরুফ বলেন, অবশ্যই, তবে একটা ব্যাপার আছে।

‘রোজা রাখা শরীরের জন্য ভালো, কারণ আমরা কী খাই এবং কখন খাই সেটার ওপর আমাদের মনোযোগ দিতে সাহায্য করে। এক মাসের রোজা রাখা হয়তো ভালো। কিন্তু একটানা রোজা রেখে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া যাবে না।

‘শরীরের ওজন কমানোর জন্য একটানা রোজা রাখা কোনো উপায় হতে পারে না। কারণ একটা সময় আপনার শরীর চর্বি গলিয়ে তা শক্তিতে পরিণত করার কাজ বন্ধ করে দেবে। তখন এটি শক্তির জন্য নির্ভর করবে মাংসপেশীর ওপর। এটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। কারণ আপনার শরীর তখন ক্ষুধায় ভুগবে।’

ড. মাহরুফের পরামর্শ হচ্ছে, রমজান মাসের পর মাঝে মধ্যে অন্যধরণের রোজা করা যেতে পারে। যেমন ৫:২ ডায়েট (পাঁচ দিন কম খেয়ে দুদিন ঠিকমত খাওয়া-দাওয়া করা)। যেখানে কয়েক দিন রোজা রেখে আবার স্বাস্থ্যসম্মতভাবে খাওয়া-দাওয়া করা যেতে পারে।

সূত্র : বিবিসি

অনলাইন ডেস্ক।।

পটুয়াখালীর কমলাপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে ঘরে আগুন

 

পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের উওর ধরান্দী গ্রামে শত্রুতার জেরে আগুন লাগিয়ে ঘর পুরে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ১ম দফা গত ০২/০২/২০২১ ইং তারিখ আনুমানিক দুপুর ২ টার সময় ও ২’য় দফা ১১/০৩/২০২১ ইং দুপুর ১২ টার সময়। এবিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগকারী হলেন, মোঃ অমর আলী হাওলাদার।

অভিযুক্ত ব্যাক্তিরা হলেন, একই বাড়ির, (১).জসিম হাওলাদার (৪৮), পিতাঃ আজিজ হাওলাদার (৬৫), (২).মামুন হাওলাদার (৩২), (৩). সাব্বির হাওলাদার (২০), (৪). সুমন হাওলাদার, উভয় পিতাঃ মৃত সিদ্দিক হাওলাদার, (৫). রবিন হাওলাদার (১৮), পিতাঃ জসিম হাওলাদার।

অভিযোগকারী অমর আলী হাওলাদার প্রতিবেদককে বলেন, পুর্ব শত্রুতার জেরে জসিম হাওলাদারের নেতৃত্বে তার ছেলে রবিন, মামুন, সাব্বির ও সুমন ষড়যন্ত্র করে মৃত সিদ্দিক হাওলাদারের ছোট পুত্র শাহারিয়ার (১৩) কে দিয়ে আমার ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়।এতে ঘরটি সম্পুর্ন পুরে ছাই হয়ে যায় এবং লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।তিনি আরও বলেন, আমরা বাড়িতে না থাকার সুযোগ নিয়ে ১ম দফায় পূর্বপরিকল্পিত ভাবে এ ঘটনা ঘটায় এবং দ্বিতীয় দফায় আবারও আমার বসত ঘরে আগুন লাগানোর চেষ্টা করা হয়।কিন্তুু বাড়ির লোকজন দেখে ফেলায় অপরাধীরা সফল হয়নি।আমি আইনের মাধ্যমে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।

এবিষয়ে অমর হাওলাদারের ছেলে জলিল হাওদার বলেন, আমাদের ঘরে আগুন লাগানোর কথা মোবাইল ফোনে স্বীকার করে শাহরিয়ার দাদা আজিজ হাওলাদার।তিনি বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করে এবং ক্ষতিপূরণ দেবে বলে জানায়।

সরেজমিনে জানাগেছে, স্থানীয়ভাবে কমলাপুর ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ওয়াহাব রাড়ি, সাবেক ইউপি সদস্য বারেক রাড়ি, সেলিমের সিকদার, জেলা সেচ্ছাসেবকলীগের মোশাররফ হোসেন ও সোবাহান সিকদার একাধিকবার সালিশ মিমাংসার চেষ্টা করলেও কোন মিমাংসা হয়নি বরং উল্টো খলনায়ক জসিম তার ভাইয়ের ছেলেরা ও বহিরাগত লোকজন মিলে ভুক্তভোগী পরিবারকে পুনরায় আগুনে পুড়িয়ে মারার হুমকি ধামকি দেয়া সহ নানান ভাবে হয়রানি করে যাচ্ছে বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবার।

এবিষয়ে ইউপি সদস্য ওয়াহাব রাড়ির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা একটা অডিও রেকর্ড শুনেছি যেখানে আজিজ সিকদার তার নাতি শাহারিয়ার আগুন লাগানোর কথা স্বীকার করেন। অপরাধ প্রমানিত হওয়ার পরেও আমরা উভয়ের মধ্যে একটা মিমাংসা করে দিবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। এছাড়াও থানায় একটি অভিযোগ হয়েছিলো।

এসময় জসিম আমাদের সালিশগনদের কাছে অনুরোধ করে বিষয়টি মিমাংসা করিয়ে দিতে বলে। অথচ মুল ভিকটিম জসিম নিজেই একাধিকবার তারিখ দিয়েও সালিশিতে আসে নাই। বরং কয়েকদফা সালিশীর তারিখ দিয়ে মিমাংসায় আসবো আসবো বলে জসিমের আপন চাচাতো ভাই ও বেয়াই সালাম কে দিয়ে বিভিন্ন কারন দর্শাইয়া সালিশ স্থগিত করে দেয়। তিনি আরও বলেন, কারো ঘরে আগুন দেয়া আইনের দৃষ্টিতে শাস্তি যোগ্য অপরাধ তারপরও পরস্পর আত্নীয়স্বজন বিধায় আমরা স্থানীয়ভাবে আপোষ মিমাংসার চেষ্টা করি। সেটা যখন সমাধান হয়নি এর বিচার আইনের মাধ্যমে হলেই ভালো হয়।

এবিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার প্রসাশনের সহযোগিতায় আইনের মাধ্যমে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে  নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে মিডিয়াকে জানিয়েছেন।

//মোঃতুহিন শরীফ, নিজস্ব  প্রতিনিধি//

জেনে নিন কিভাবে পাবেন মুভমেন্ট পাস

//দৈনিক বিশ্ব অনলাইন ডেস্ক//

মহামারি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ১৪ এপ্রিল থেকে সারাদেশে শুরু হচ্ছে সর্বাত্মক কঠোর  লকডাউন। এ লকডাউনে জরুরি প্রয়োজন (নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্রয়, ওষুধ ক্রয়, চিকিৎসা, সৎকার) ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না বলে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। লকডাউনের মাঝেও যদি কারো জরুরী প্রয়োজনে  বাইরে যাওয়া প্রয়োজন হয়, তাদের জন্য মুভমেন্ট পাসের ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ পুলিশ।

 কিভাবে পাবেন পাবেন মুভমেন্ট পাস

১. আবেদনকারীকে প্রথমে  https://movementpass.police.gov.bd/   ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পাসের জন্য আবেদন করতে হবে।  এখানে ক্লিক করুন

২. শুরুতে একটি চালু মুঠোফোন নম্বর দিতে হবে। আবেদনকারী জরুরি প্রয়োজনে কোথায় থেকে কোথায় যাবেন, সেই তথ্য দিতে হবে। এরপর একটি নির্দিষ্ট ফর্মে আবেদনকারীর কাছ থেকে বিভিন্ন তথ্য জানতে চাওয়া হবে। ধাপে ধাপে সেসব তথ্য দিতে হবে। একপর্যায়ে আবেদনকারীকে একটি ছবি আপলোড করে ফর্মটি সাবমিট করতে হবে।

৩. জমা দেওয়া ফর্মে আবেদনকারীর দেওয়া তথ্যাবলীর ভিত্তিতে মুভমেন্ট পাসটি ইস্যু করা হবে। শেষে ওয়েবসাইট থেকে মুভমেন্ট পাসটি ডাউনলোড করে সংগ্রহ করতে হবে।

বাইরে চলাচলের সময় কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তাকে ডাউনলোড করা পাস দেখাতে হবে। একবার পাস নিলে তা ২৪ ঘণ্টা কার্যকর থাকবে।

কে বা কারা পাবেন এই  মুভমেন্ট পাস

পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, জরুরি প্রয়োজনে বা অফিসিয়াল কাজে যারা লকডাউনে বাইরে বের হবেন তাদের জন্য মুভমেন্ট পাস নেওয়া লাগবে। মুদি দোকানে কেনাকাটা, কাঁচাবাজার, ওষুধপত্র, চিকিৎসা কাজে নিয়োজিত, কৃষিকাজ, পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ, ত্রাণ বিতরণ, পাইকারি বা খুচরা ক্রয়, পর্যটন, মৃতদেহ সৎকার, ব্যবসা ও অন্যান্য ক্যাটাগরিতে দেওয়া হবে এই পাস। যাদের বাইরে চলাফেরা প্রয়োজন কিন্তু কোনো ক্যাটাগরিতেই পড়েন না তাদের অন্যান্য ক্যাটাগরিতে পাস দেওয়ার বিষয়ে বিবেচনা করা হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ের সারারাত অভিযান চালিয়ে ২ জেএমবি সদস্য আটক করেছে পুলিশ

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল থানা পুলিশের রাত ভর অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আবারো নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন জেএমবি দুই সদস্যকে আটক করেছে। গত সোমবার (১২ এপ্রিল) মধ্যেরাতে উপজেলার ভরনিয়া এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে , রংপুর গঙ্গাচড়া থানার মহুভাষা জুম্মাপাড়া গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে আব্দুল কাফি (২৭) ও কুড়িগ্রাম জেলার নলেয়া ব্যাপারি মোড় মহল্লার জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে হযরত আলী (২১) এই দু’জনকে আটক করা হয়েছে ।

এ ব্যপারে ওসি তদন্ত আব্দুল লতিফ শেখ জানান, মূলত এরা এখানে এসেছিল ইতিমধ্যে এর আগে আরো দুই জন জেএমবির  সদস্যকে অস্ত্র সহ আটক করা হয়েছিল । আটককৃতদের বিষয়ে কি করনীয় এবং সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার নীল নকশা করতে ।

এ বিষয়ে থানায় ওসি এস এম জাহিদ ইকবাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন তারা পুরাতন জেএমবি সদস্য, গত ২০২০ সালের মার্চে ৩ টি আগ্নেয়াস্ত্র ৫ রাউন্ড গুলি, জেহাদি বই মোবাইলফোন সহ নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবি দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছিল । এমদাদুল হক (৩১) ও শহিদুল ইসলাম (১৮) । সহোদর ভাই ছিলেন তারা ।  ওই ঘটনায় রানীশংকৈল থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে এবং অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়। আজকের আটকৃকতরাও ওই মামলার পলাতক আসামী ছিলেন ।

// মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি //

শোক সংবাদ

 

মাগুরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের সহ -সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব রুস্তুম আলী ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন তার মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।

//শ্যামল বিশ্বাস, মোহাম্মদপুর, মাগুরা প্রতিনিধি//

স্বল্প পরিসরে পালিত হচ্ছে হিন্দুদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান চড়কপূজা

 

বাঙালি ও বাংলা সাহিত্য লোকগাথা, লোকজ উৎসবে ভরপুর। বার মাসে তের পার্বন যেন বাঙালির হৃদয়কে আন্দোলিত ও বিমোহিত করে।বাংলা বার মাসের নামের সাথে  যেমন জড়িয়ে আছে চাঁদের ২৭ নক্ষত্রের সম্পর্ক তেমনি জড়িয়ে আছে ঋতু পরিক্রমার সাথে সাথে প্রকৃতি,পরিবেশ ও সামাজিক/ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সম্পর্ক। চাঁদের একবার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে ২৮ দিম সময় লাগে। প্রদক্ষিণকালে চাঁদ বিভিন্ন নক্ষত্রের কক্ষপথে অবস্থান করে।সর্বশেষ চাঁদ অবস্থান করে চিত্রা নক্ষত্রে তাই বাংলা মাসের নাম হয়েছে চিতা বা চৈত্র। আর এ সময় বাঙালি হিন্দুরা মেতে ওঠে চড়কপূজা বা গজনে।

চড়কপূজা চৈত্রের শেষদিন শুরু হয়ে বৈশাখের ০২/০৩ দিন পর্যন্ত চলে।এটি চৈত্র মাসে পালিত হিন্দু দেবতা শিবের গাজন উৎসবের একটি অঙ্গ এবং এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে মেলা বসে যা চৈত্র সংক্রান্তির মেলা নামে পরিচিত।

চড়ক পূজা পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও বাংলাদেশের যশোর, খুলনা,ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, বরিশালসহ বিভিন্ন স্থানে পালিত হয়।

চড়ক পূজার সন্ন্যাসীরা পূজার কয়েকদিন আগে থেকে কঠোর ব্রত ও সংযম পালন করেন। চড়কের দিন সন্ন্যাসীরা বিশেষ ফুল-ফল নিয়ে বাদ্যযন্ত্র সহকারে নানা ভঙ্গিমায় শিবপ্রণাম করেন।এছাড়া দেবতার প্রতি অবিচল ভক্তি ও নিষ্ঠা প্রদর্শনের জন্য কাঁটাজাতীয় গাছ খেজুর গাছে মাথায় চড়ে গাছের খেজুর ভেঙে ভক্তদের উদ্দেশ্যে নিবেদন করেন এবং গাছ থেকে নামার সময়  খেজুরের থোকা মুখে নিয়ে উল্টোভাবে গাছ থেকে নেমে আসেন।পূজার মূল উপজীব্য ভক্তিভরে শিবের তুষ্টির জন্য ভক্তের আত্ম সমার্পণ।

বাংলাদেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ায় ধর্মীয় আচার-আচরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে  চড়ক পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কিন্তু মেলা আয়োজনের কোন বাহুল্য নেই।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

মুন্সিগঞ্জের টেঙ্গারচর ইউনিয়নে ইফতার উপহার সামগ্রী বিতরণ

 

মরণঘাতী করোনা ভাইরাসের আক্রমনের আতঙ্কে দিনযাপন করছে সারাদেশ। তাই সবচেয়ে বেশি কষ্টের মধ্যে দিন পার করছে গরীব অসহায় খেটে খাওয়া মানুষগুলো।

এই দুর্যোগময় মুহূর্তে অসহায় মানুষের পাশে থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার  সমাজ সেবক আসন্ন ইউপি নির্বাচনে টেঙ্গারচর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এখলাছুর রহমান।

আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে এখলাছুর রহমান এর নিজস্ব অর্থায়নে টেঙ্গারচর গ্রামে নিজ বাস ভবনের সামনে অসহায় শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া প্রায় ১৫০০জন মানুষের মাঝে পবিত্র রমজান উপলক্ষে ইফতার উপহার সামগ্রি বিতরণ করেন।

বিতরণকৃত প্রতিটি প্যাকেটে ছিল চাল মুড়ি চিনি ছোলা তেল সেমাই খেসারি ডাল ডিটারজেন্ট পাউডার ও মশার কয়েলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি।

এসময় এখলাছুর রহমান এর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ইফতারের উপহার বিতরণকালে এখলাছুর রহমান বলেন সারা বিশ্বের মুসলমানদের জন্য রহমত বরকত আর নাজাতের বার্তা নিয়ে বছর ঘুরে আবার এসেছে সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র মাহে রমজান। করোনা বিপর্যয়ে সাধারণ মানুষেরা ঘরবন্দী কর্মহীন। করোনা কালে রমজানে প্রত্যেকে যার যার অবস্থান থেকে নিপীড়িত মানুষের পাশে দাড়ানো আহবান জানান।

//সৈয়দ মোঃ শাকিল, মুন্সীগঞ্জ//

আজ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

 

প্রধানমন্ত্রী সেখ হাসিনা আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭:১৫ মিনিটে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিবেন। ভাষণ সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বিটিভি, রেডিও সহ সকল সরকারি বেসরকারি টিভি চ্যানেল, রেডিও এবং অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে ।

।।দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক।।

বরিশালে বিসিসি পরিচ্ছন্নতা কর্মী হত্যা: অপরাধিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

 

বরিশাল নগরীর আলেকান্দা রিফিউজি কলোনি এলাকার বাসিন্দা বিসিসি’র পরিচ্ছন্নতাকর্মী মো. আমির গাজীকে (২৪) হত্যা করে কিছু বখাটে।

অবিলম্বে জড়িতদের  গ্রেপ্তারসহ কঠোর বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। সোমবার বেলা ১১টায় নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে অনুষ্ঠিত হয় এই মানব বন্ধন।

আমির গাজী হত্যাকারীদের কঠোর বিচার চেয়ে বক্তব্য রাখেন তার বাবা বৃদ্ধ আলতাফ গাজী, মা খাদিজা বেগম, চাচা জামাল গাজী, নানি জোহরা বেগম, চাচি নাজমা বেগম এবং স্থানীয় বাসিন্দা আ. ছালাম হাওলাদার ও জাকির হাওলাদার সহ আরো অনেকে।

মানববন্ধনে বলা হয়, নিহত যুবক আমির গাজী নগরীর আলেকান্দা রিফিউজি কলোনি এলাকার আলতাফ গাজীর ছেলে এবং সিটি কর্পোরেশনের একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ছিলেন।

গত ২৬ জানুয়ারি একটি মোটরসাইকেলকে কেন্দ্র করে কিশোর সন্ত্রাসীরা তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। আমীর গাজীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ মার্চ রাতে তার মৃত্যু হয়।

এরপর গত ৪ এপ্রিল তার মা খাদিজা বেগম বাদী হয়ে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

//পলাশ চন্দ্র দাস : বরিশাল/ /