মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানেপর সহিংসতায় এপর্যন্ত মৃত্যু ৭০০

 

মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে চলমান বিক্ষোভে সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সহিংসতায় অন্তত সাত শ’ একজন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। মিয়ানমারের অবস্থা পর্যবেক্ষণকারী এক সংস্থার বরাত দিয়ে রোববার এই তথ্য জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

থাইল্যান্ডভিত্তিক সংস্থা অ্যাসিসটেন্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনারস (এএপিপি) তাদের শনিবারের প্রতিবেদনে জানায়, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ইং সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে শনিবার পর্যন্ত দেশটিতে বিক্ষোভে সামরিক জান্তার দমন অভিযানে অন্তত সাত শ’ একজন নিহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বিক্ষোভ সংশ্লিষ্টতায় সামরিক জান্তার হাতে বন্দী রয়েছে তিন হাজার ১২ জন। এছাড়া গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে আরো ৬৫৬ জনের নামে।

এদিকে ৯ এপ্রিল শুক্রবার রাত থেকে শুরু হওয়া মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলীয় শহর বাগোতে নিরাপত্তা বাহিনীর দমন অভিযানে অন্তত ৮২ জন নিহত হয়েছে।

বাগোর বিভিন্ন সড়কে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের তৈরি ব্যারিকেড সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ভাঙতে এলে সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশ ও সৈন্যরা বৃষ্টির মতো বাগোর সড়কে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। নিহতদের লাশ তারা স্থানীয় প্যাগোডা ও স্কুল মাঠে জড়ো করে রাখে।

১ ফেব্রুয়ারি তাতমাদাও নামে পরিচিত মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী দেশটিতে সেনা অভ্যুত্থান ঘটায় এবং প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট ও স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিসহ রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেফতার করে। সাথে সাথে দেশটিতে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। গত বছর ২০২০ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বিতর্কের জেরে এই অভ্যুত্থান ঘটায় সামরিক বাহিনী।

সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে মিয়ানমারের বিভিন্ন শহরেই বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা অং সান সু চিসহ বন্দী রাজনৈতিক নেতাদের মুক্তির পাশাপাশি সামরিক শাসন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছেন।

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

//আন্তর্জাতিক অনলাইন ডেস্ক//

বেগম খালেদা জিয়া করোনায় আক্রান্ত

 

গত কয়েকদিন যাবত বিএনপির চেয়ারপারসন  বেগম খালেদা জিয়া জ্বরে ভুগছিলেন তাই তিনি করোনা সংক্রমিত কিনা জানতে শনিবার বিকালে রাজধানী গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে তাঁর রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার অন্যতম একটি বেসরকারি হাসপাতালের প্রতিনিধি।হাসপাতালের করোনা পরীক্ষায় পজিটিভ ফলাফল আসে।

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হয়েছে বিষয়টি ১১ এপ্রিল -২০২১ রোজ রবিবার হাসপাতালসহ একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রে সমকাল বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

‘‘সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘ’’ এর প্রতিনিয়ত কোভিড-১৯ সচেতনতা ও মাস্ক বিতরণ কার্যক্রম চলমান

 

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী ও এনভয় গ্রুপের পরিচালক সারমিন সালামের  সার্বিক  সহযোগিতায়-  ১০ এপ্রিল সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের আয়োজনে দিনব্যাপী রূপসা উপজেলা প্রাঙ্গন সহ   বিভিন্ন  স্থানে মাষ্ক বিহীন পথচারীদের মাঝে   মাষ্ক বিতরন ও সচেতনতা মূলক প্রচারনা করে চলেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে অনুষ্ঠিত হয়।

// আ: রাজ্জাক সেখ, খুলনা ব্যুরো //

মিতা হক আর নেই..// প্রখ্যাত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক

 

 

ছায়ানটের রবীন্দ্র সঙ্গীত বিভাগের প্রধান, বরেন্য  রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক আর নেই।  রোববার ভোর ০৬:১৫ মিনিটে  রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)।

মিতা হকের ননদাই শিল্পী সোহরাব উদ্দিন জানান – গত ৩১শে মার্চ  মিতা হক করোনা আক্রান্ত হন। এরপর তিনি নেগেটিভ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরে যান। তিনি কিডনি রোগে ভুগছিলেন তাই তার ডায়লাইসিস করতে হতো।

শনিবার ডায়লাইসিসের সময় তার প্রেসার ফল করে। এর পর বাসায় নেওয়ার পরও আবার তার প্রেসার ফল করে। সে সময় হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা জানান, মিতা হক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

এরপর রোববার ভোর সোয়া ৬টায় রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি বলেন, কেরানীগঞ্জে মিতা হকদের আদি বাড়িতে তার দাফন হবে। তবে শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানের বিষয়ে পরে জানানো হবে।

মিতা হকের জন্ম ১৯৬২ সালে। তিনি বাংলাদেশ বেতারের সর্বোচ্চ গ্রেডের তালিকাভুক্ত শিল্পী। সঙ্গীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০২০ সালে একুশে পদক প্রদান করে।

মিতা হক প্রথমে তার চাচা ওয়াহিদুল হক এবং পরে ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খান ও সনজীদা খাতুনের কাছে গান শেখেন। ১৯৭৪ সালে তিনি বার্লিন আন্তর্জাতিক যুব ফেস্টিভালে অংশ নেন। ১৯৭৬ সাল থেকে তিনি তবলা বাদক মোহাম্মদ হোসেন খানের কাছে সঙ্গীত শেখা শুরু করেন। ১৯৭৭ সাল থেকে নিয়মিত তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারে সঙ্গীত পরিবেশনা করেছেন।

 

মিতা হক অভিনেতা – পরিচালক খালেদ খানের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। খালেদ খান ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। এই দম্পতির ফারহিন খান জয়িতা নামে এক কন্যা সন্তান রয়েছে।

মিতা হক সুরতীর্থ নামে একটি সঙ্গীত প্রশিক্ষণ দল গঠন করেন যেখানে তিনি পরিচালক ও প্রশিক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন ।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

 

প্রেমিকের প্রেমে স্বামীকে খুন…! গ্রেফতার স্ত্রী..

 

সীতাকুন্ড উপজেলার বাড়বকুন্ড এলাকার একটি পুকুর থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃত ব্যক্তির নাম জয়নাল আবেদীন (৩৭)।

সে উপজেলার বাড়বকুন্ড ইউনিয়নের ৬ নং ওয়াডের নুরুল ইসলামের পুত্র।আজ (শনিবার) সকালে নিহতের বাড়ীর পাশ্বের পুকুর থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ নিহত জয়নালের স্ত্রী লিমা আকতার (৩৩) কে আটক করেছে।

স্থানীয়দের মতে, নিহত জয়নালের স্ত্রী লিমা আকতারের সাথে একই গ্রামের এক ছেলের অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। এ নিয়ে স্বামী- স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকত।

এ বিষয়ে কয়েকবার স্থানীয়ভাবে সালিশের আয়োজন করা হলেও কোন সমাধান হয়নি। সম্ভবত এ কারনে শুক্ররারের কোন এক সময়ে জয়নালকে খুন করে লাশ পুকুরে ফেলে দেয়া হয়েছে।

সীতাকুন্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, পুলিশ খবর পেয়ে ভোর চারটার দিকে পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচেছ পরকীয়াজনিত কারনে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে।

ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহতের স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত- চলছে।

// আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো //

সরকার আরও প্রশ্রয় দিলে এক সময় হেফাজতকে নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে যাবে – মিছবাহুর রহমান চৌধুরী

 

শিশু-কিশোরদের রাজনৈতিক মাঠে নামিয়ে হেফাজত ইসলামবিরোধী কাজ করছে বলে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান চৌধুরী৷ ডয়চে ভেলেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন৷

মিছবাহুর রহমান চৌধুরী, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোট

তার মতে, এখনো হেফাজতকে নিয়ন্ত্রণ কঠিন নয়, যদি সরকার ইচ্ছা করে৷ তবে সরকার আরো বিলম্ব করলে বা আরো প্রশ্রয় দিলে এক সময় কঠিন হয়ে যাবে৷

ডয়চে ভেলে : মোদিকে বলা হচ্ছে সাম্প্রদায়িক নেতা, কিন্তু যারা তার সফরের বিরোধিতা করেছেন তারাও কি সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করছেন?

মিছবাহুর রহমান চৌধুরী : যারা মোদির সফরের বিরোধিতা করেছেন, বিশেষ করে আমি কওমি আলেমদের ব্যাপারে বলব, তাদের পূর্বসূরিরা বা তারাও সবাই সাম্প্রদায়িক না৷ যেমন ধরেন তারা দেওবন্দকে অনুসরণ করেন৷ এটা ভারতে৷ দেওবন্দের যখন একশত বার্ষিকী পালন করা হল, তখন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে প্রধান অতিথি করা হয়েছিল৷ এটা ১৯৮১-৮২ সালের ঘটনা৷ এছাড়া তাদের যারা মুরুব্বি মাওলানা হোসাইন আহমেদ মাদানী তো বিখ্যাত হাদিস বিশারদ ছিলেন৷

তিনি জহরলাল নেহেরু, সরদার প্যাটেলদের সঙ্গে একই মঞ্চে অনেক বক্তৃতা করেছেন৷ কিন্তু এখন যারা মোদি বিরোধী বলে কাজ করছেন তারা একটা সাম্প্রদায়িক ও ফ্যাসিস্ট দলের খপ্পরে পড়ে গেছেন৷ এই দলটি বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি কখনও৷ স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীকে, নিজেদের ছাত্র সংগঠন দিয়ে সশস্ত্র ক্যাডার তৈরি করে তারা সহযোগিতা করেছেন৷ এখন যে ক’জন কওমি আলেম মাঠে বক্তৃতা বিবৃতি দিচ্ছেন এটা অত্যন্ত সুস্পষ্ট যে দলটির খপ্পরে তারা পড়েছেন যে কোন আঁতাতের ভিত্তিতে তারা সাম্প্রদায়িক কর্মকাণ্ড করছেন৷

ভারতেও তো বিপুল সংখ্যক মুসলমান রয়েছে৷ এখানে মোদির সফরের বিরোধিতা করলে কি তাদের  বিপদ হতে পারে?

তাদের উদ্দেশ্য তো মোদি নয়৷ তাদের উদ্দেশ্য হল বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করা৷ তাদের উদ্দেশ্য হল বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমতাচ্যুত করা৷ তাদের উদ্দেশ্য হল দেশে একটা বিশৃঙ্খলা করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করা৷ গত কয়েকদিনে যারা ভাঙচুর, জ্বালাও পোড়াও করলেন তাদের গত ছয় মাসের বক্তৃতা বিবৃতি একত্রিত করেন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন তাদের লক্ষ্য কী ছিল৷

হেফাজত তো অরাজনৈতিক ধর্মীয় সংগঠন৷ তাদের কি  রাজনৈতিক পক্ষ বা প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখা ঠিক হচ্ছে?

হেফাজতের সবাই তো বিভিন্ন নামে রাজনীতি করেন৷ আহমদ শফির ইন্তেকালের পর যিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন তার ব্যাপারে তো অনলাইন বা বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় আসছে তিনি জামায়াতের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন৷ তাদের পরামর্শেই তিনি বিভিন্ন কর্মসূচি দিচ্ছেন৷ এ কারণে আমি আগেই আপনাকে বলছি, জামায়াতে ইসলামী নামক ফ্যাসিস্ট রাজনৈতিক দলের খপ্পরে তারা পড়েছেন৷

আহমদ শফির মৃত্যুর পর হেফাজত কি আগের আদর্শ থেকে সরে এসেছে?

আহমদ শফি সাহেব যখন হেফাজত প্রতিষ্ঠা করেন তখন আদর্শ ছিল যেসব ব্লগার আল্লাহ ও রাসুলের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করেন এদের বিরুদ্ধে হবে তাদের আন্দোলন৷ ইসলামের মূল নীতির যারা বিরোধিতা করবেন তাদের বিরুদ্ধেই হবে এদের আন্দোলন৷ এটাতে উনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন৷ যখন উনি আন্দোলন করলেন তখন উনি দেখলেন শেখ হাসিনা সরকার আলেমদের ব্যাপারে শ্রদ্ধাশীল৷ আলেমদের জন্য তিনি কল্যাণকর কাজ করেছেন৷ এক শতাব্দীব্যাপী তাদের শিক্ষা সনদের কোন স্বীকৃতি ছিল না৷ প্রধানমন্ত্রী এই শিক্ষা সনদের স্বীকৃতি দিয়েছেন৷ সারা বাংলাদেশের ৮৫ হাজার মসজিদকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আওতায় এনে সেখানে কোরআন শিক্ষার ব্যাবস্থা করে ইমামদের সম্মানি দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন৷ ৫৬০টি জেলা-উপজেলায় মসজিদ তৈরি করে আলেমদের জন্য চাকরির ব্যবস্থা করেছেন৷ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, প্রত্যেকটি প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি স্কুলের জন্য ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেবেন৷ এইসব তারা বানচাল করে দিতে চাচ্ছেন৷ এই রহস্যটাই আমি বুঝতে পারি না কেন তারা এই কাজ করতে চাচ্ছেন৷

হেফাজতের দাবির সঙ্গে বাম রাজনৈতিক দলগুলোর দাবি মিলে যাচ্ছে৷ আওয়ামী লীগের বিপক্ষে কি সবাই একতাবদ্ধ হচ্ছেন?

অনেকেই হবেন৷ যারা আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চান তারা নিজেদের আদর্শ বিসর্জন দিয়ে হলেও মিলে যাওয়ার একটা প্রক্রিয়া নিচ্ছেন এটাই আমরা শুনতে পাচ্ছি৷

কওমি মাদ্রাসাগুলোকে কি রাজনৈতিকরণ করা হচ্ছে? 

এইটা খুবই দুঃখজনক৷ যে কোন আন্দোলনে তারা শিশু-কিশোরদের নিয়ে মিছিল করেন৷ এই সরাইল হাইওয়েতে তারা যে আন্দোলন করেছে, সেখানে এত শিশু ছিল যে পুলিশ গুলি করতে ভয় পেয়েছে৷ এই শিশুদের তারা নিয়ে গেছেন৷ এগুলো ইসলামের পরিপন্থি কাজ৷ অথচ তারা ইসলামের নাম নিয়ে করছেন৷ এটার সুফল তারা পাবেন তো নাই, বরং সমস্ত কওমি অঙ্গনকে তারা কলুষিত করছেন৷

এই শিশুদের মধ্যে উগ্র মনোভাব তৈরি করা হচ্ছে৷ আপনি খেয়াল করবেন নারায়নগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় যে পিকেটিংটা হলো সেখানে বিভিন্ন মসজিদ থেকে নামাজের জন্য এসো না বলে আন্দোলনে যাওয়ার আহবান জানানো হয় মাদ্রাসা ছাত্রদের৷ এই যে, দেশের কোমলমতি শিশুদের তারা যে শিক্ষা দিচ্ছেন দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে, স্বাধীনতার জনকের বিরুদ্ধে, স্বাধীনতার স্থপতির বিরুদ্ধে এবং এমন বক্তৃতা বিবৃতি দিচ্ছেন যে সরকার ইসলামের ঘোর দুশমন৷ এভাবেই এই বাচ্চাদের মনে তারা ঘৃণা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছেন৷ এটা তো আত্মঘাতি, নিজেদের জন্যই তারা ক্ষতি করছেন৷ সারা দুনিয়ায় দেশের ইমেজ কমবে, ধর্মের ইমেজ কমবে৷ আফগানিস্তানের মতো তারা দেশটাকে একটা অস্থিতিশীল জায়গায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন৷

সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো কী বার্তা দেয়? 

বাংলাদেশ কখনই সাম্প্রদায়িক দেশ হবে না৷ এটার প্রমাণ দেখেন যে, স্বাধীনতার পর যতগুলো নির্বাচন হয়েছে সেখানে যারা ইসলামপন্থি বলে প্রচার করে তাদের মানুষ ভোট দেয়নি৷ কেন দেয়নি, যদি সেই প্রশ্ন করেন তাহলে বুঝবেন তারা ধার্মিক কিন্তু তারা ধর্মান্ধ নয়৷ তারা জানে, গুন্ডামি, গোড়ামি, ভন্ডামি এগুলো ধর্ম না৷ ধর্ম হবে উদার, ধর্ম হবে অসাম্প্রদায়িক, ধর্ম হবে ভালোবাসার৷ আল্লাহ কোরআন শরীফে বারবার বলেছেন, তোমরা সীমা লঙ্ঘন করো না৷ সীমালঙ্ঘনকারীকে আল্লাহ পছন্দ করেন না৷ তারা তো একদিকে সীমা লঙ্ঘন করছেন, মানুষকে ভুল বার্তা দিচ্ছেন৷ মিথ্যাচার করছেন৷ ওয়াজ মাহফিলে গিয়ে তারা কোরআন হাদিসের কথা বাদ দিয়ে নানা ধরনের কিচ্ছা কাহিনী বলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে ব্যবসা করছেন৷

অনেকেই অভিযোগ করেন, সরকারের প্রশ্রয়ে হেফাজত আজকের অবস্থানে এসেছে? এখন তাদের নিয়ন্ত্রণ সরকারের জন্য কঠিন হয়ে যাচ্ছে?

আপনি যেটা বললেন সেটা আংশিক সত্য৷ নিয়ন্ত্রণ কঠিন নয়, যদি সরকার ইচ্ছা করে৷ তবে সরকার আরো বিলম্ব করলে বা আরো প্রশ্রয় দিলে এক সময় কঠিন হয়ে যাবে৷  সূত্র: ডয়েচে ভেলে

// অনলাইন নিউজ //

মাস্ক ব্যবহারে উদ্ধুদ্ধকরণ ও মাস্ক বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত।।যশোর জেলা পুলিশ

বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ সারা দেশের ন্যায় যশোর জেলায়ও  পহেলা বৈশাখের পূর্বেই কালবৈশাখী ঝড়ের গতিতে প্রবাহিত হচ্ছে। আজকে যশোরে ২১৯ জনের করোনা টেষ্ট করে দেখা যায় আক্রান্ত ৫৯ জন এবং আক্রান্তের হার ২৫.৭৬%। যা যথেষ্ট উদ্বিগ্নের কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে যশোর জেলার জন্য তথা সমগ্র দেশের জন্য।

 

করোনায় আক্রান্তের হার নিয়ন্ত্রণ করতে সরকার ঘোষিত লকডাউনের সাথে সাথে সকল নিয়মকানুন পালনসহ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, নিয়মমেনে সেনিটাইজার বা সাবান দিয়ে হাত ধোয়া এবং সঠিকভাব মাস্ক ব্যবহার করার কোন বিকল্ল নেই। কিন্তু আমাদের অনেকেরই মাস্ক ব্যবহারের প্রতি অনিহা আবার স্বল্প সংখ্যক যারা মাস্ক ব্যবহার করছেন তারা সঠিক নিয়মে মাস্ক ব্যবহার করছেন না।

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাব শুরু হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশ পুলিশ করোনা মোকাবেলায় সম্মূখসারির যোদ্ধা হিসাবে মাঠে কাজ করে যাচ্ছে।

আর তাই আজ ১০ এপ্রিল -২০২১ রোজ শনিবার সরকার ঘোষিত লকডাউনের ষষ্ঠদিনে ” মাস্ক পরার অভ্যাসে, করোনা মুক্ত হবে বাংলাদেশ”- এই স্লোগানকে সামনে রেখে যশোর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ বেলাল হোসাইনের নেতৃত্বে লকডাউন কার্যকরের পাশাপাশি জনগণকে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে অধিকতর সচেতন করতে এবং মাস্ক ব্যবহারে উদ্ধুদ্ধ করতে যশোর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রচারসহ মাস্ক বিতরণ করেন।

 

এই বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় নিজে অধিকতর সচেতন হই এবং অন্যকেও সচেতন করি। সকলের সম্মিলিত প্রয়াসেই সম্ভব যেকোন ধরনের মহামারি মোকাবেলা করা।আমরা প্রত্যেকে যদি সচেতন হই তাহলে বাঁচবে পরিবার,সমাজ ও দেশ।

// স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক //

মরা খালে জলের হাসি- কৃষক জেলে বাজায় বাঁশি

 

নদী বেষ্টিত জনপদের নাম মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া।পুরো উপজেলায় রয়েছে ২০টিরও বেশি ছোট বড় খাল।যা দীর্ঘ্য দিনের পলি ও নোংরার পরতে গভীরতা হারাতে বসেছে।কিছু কিছু খাল রয়েছে অবৈধ দখলদারদের হাতে।

এতে দুশচিন্তায় শঙ্কিত ছিলো স্থানীয়রা।এমন প্রতিকূল অবস্থা থেকে খাল গুলোতে সুদিন ফিরানোর লক্ষ্যে গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নে সু-পরিকল্পিতভাবে মরা খালে মিষ্টি পানির সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা বৃদ্ধিতে জাপান ভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থা জাইকার অর্থায়নে ইউনিয়ন ব্যাপি শুরু হয়েছে মরা খাল পুনঃরুদ্ধার ও খনন প্রকল্পের কাজ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,জাপান ভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থা জাইকার সরাসরি অর্থায়নে উপজেলা এলজিইডির তত্বাবধায়নে পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির (পাবসস) এর উদ্যাগে এই প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে।প্রকল্পের স্বচ্ছতা বৃদ্ধিতে এলাকা ভিত্তিক ৬০০ সদ্যসের একটি বিশাল কমিটি নিয়মিত তদারকিতে অত্যান্ত দ্রুততার সাথে এগুচ্ছে প্রকল্পটির কাজ।

সরেজমিনে দেখা যায় প্রতিদিন অন্তত ১২ ঘন্টা চুক্তিতে তিনটি ভেকু দ্বারা চলছে খাল থেকে মাটি উত্তোলনের কাজ।

এই বিষয়ে ভবেরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইন্জিঃ সাঈদ মোঃ লিটন জানান নানা প্রতিকূলতা মধ্যে দিয়েও কাজটি বাস্তবায়ন করতে পেরেছি বলে এলাকাবাসি অত্যান্ত খুশি আনন্দিত হয়েছে।

এলাকার মানুষের অনেক দিনের চাহিদা ছিলো জলাধার স্রোতস্বিনী বহতা খাল।এ জনপদে খাল কৃষি কাজ সহ মৎস আহরনে যেমন গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখবে তেমনি সাধারণ মানুষে দৈনন্দিন নানা কাজে উপকারে বয়ে আনবে।

স্থানীয় বাসিন্দা সুমন বলেন,এমন উদ্যোগ আমাদের অনেক দিনের আশা-প্রত্যাশা ছিলো।এই প্রকল্প এই জনপদের পরিবেশে সেই সোনালী দিন ফিরিয়ে আনবে।

চরপাথালিয়া গ্রামের কৃষক আমীর আলী বলেন,ছোড বেলায় আমরা এই খালে মাছ ধরছি,খালের তে পানি জমিনে দিছি ফসল ফলাইছি।আমার মনে হয় সেই সুদিন ফিরা আইতাছে বাজান।

 

সৈয়দ মোঃ শাকিল, গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ।

 

 

 

খুলনার তেরখাদা উপজেলায় করোনা সচেতনতা ও মাস্ক বিতরণ করেছে ‘‘সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘ’’

 

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী ও এনভয় গ্রুপের পরিচালক সারমিন সালামের  সার্বিক  সহযোগিতায়-  ১০ এপ্রিল সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের আয়োজনে দিনব্যাপী তেরখাদা উপজেলার   বিভিন্ন  স্থানে মাষ্ক বিহীন পথচারীদের মাঝে   মাষ্ক বিতরন ও সচেতনতা মূলক প্রচারনা করা  হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে অনুষ্ঠিত এ  মাক্স বিতরণে প্রধান অতিথি হিসাবে মাক্স বিতরণ করেন জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য  অধ্যক্ষ ফ ম আ: সালাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন,

সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এফএম অহিদুজ্জামান, সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবীব,

তেরখাদা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ শারাফাত হোসেন মুক্তি,

সাংগঠনিক সম্পাদক  বাছিতুল হাবিব প্রিন্স,এমপির প্রধান সমন্বয়কারী ও যুবলীগ নেতা মোঃ নোমান ওসমানী রিচি,সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টীম লিডার সামসুল  আলম বাবু, আওয়ামীলীগ নেতা মিয়া আরিফ হোসেন

সাংবাদিক সেলিম আহমেদ, অরবিন্দ প্রসাদ সাহা, মিয়া আলী হোসেন, ফরহাদ হোসেন, হারুন শেখ, আরিফুজ্জামান অরুন, হাসিনা বেগম প্রমুখ।

  // আ: রাজ্জাক সেখ, খুলনা ব্যুরো //

খুলনায় কোভিড-১৯ দ্রুত বিস্তার রোধে জেলা প্রশাসকের সভা অনুষ্ঠিত

 

 করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা ও মহানগর কমিটির সভা শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে খুলনা সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মোঃ কামাল হোসেন অনলাইনে যুক্ত ছিলেন। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক ছিলেন সভার প্রধান অতিথি ।

 

 সভায় সিটি মেয়র বলেন, জেলায় প্রতিদিনই করোনা রোগী বেড়ে চলেছে । করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও বাধ্যতামূলকভাবে মাস্কের ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং লকডাউন কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে । তিনি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি সকলকে সহযোগিতা করার আহবান জানান।

 

 আলোচনা সভায় করোনা রোগীর সু-চিকিৎসা নিশ্চিতে সার্বিক সমন্বয়ের জন্য কমিটি গঠন করা হয়। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে করোনা চিকিৎসার জন্য নিদিষ্ট করার প্রস্তাব করা হয়। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিদ্যমান একশটি করোনা বেডের সাথে আরো একশটি বেড বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়। দ্রুততার সাথে করোনা টেস্টের রেজাল্ট দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়াও সভায় এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে টিকা প্রদানে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

 

 সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডাঃ রাশেদা সুলতানা, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ এটিএম মঞ্জুর মোর্শেদ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান, সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ, উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোহাম্মদ এহসান শাহ, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার জিনাত আরা আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইউসুপ আলী, খুলনা চেম্বার অব কমার্সের প্রতিনিধি ডা: সেখ ফরিদ উদ্দিন, সরকারি কর্মকর্তাসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

// আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো //