সারা দেশে কালবৈশাখী ঝড়: গাইবান্ধায় ১০ জনের মৃত্যু

 

সারা দেশে গতকাল বয়ে গছে  কালবৈশাখী ঝড় । কালবৈশাখী ঝড়ে গাইবান্ধা সদর, পলাশবাড়ী, সুন্দরগঞ্জ ও ফুলছড়ি উপজেলায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে সদরের মালিবাড়ি ও বাদিয়াখালি ইউনিয়নে দুই জন, ফুলছড়িতে দুই জন, পলাশবাড়ীতে তিন জন এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় এক জনের তথ্য পাওয়া গেছে।

এর আগে রবিবার (৪ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে গাইবান্ধা সদরসহ সাত উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যায় ঘণ্টাব্যাপী কালবৈশাখী ঝড়।

নিহতদের মধ্যে গাইবান্ধা সদর উপজেলার মালিবাড়ী ইউনিয়নের ঢনঢনিপাড়া গ্রামের মিঠু মিয়ার স্ত্রী সাহারা বেগম (৪১), পলাশবাড়ী উপজেলার ডাকেরপাড়া গ্রামের ইউনুস আলীর স্ত্রী জাহানারা বেগম (৫০), মোস্তফাপুর গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে গোফ্ফার (৪২), মনোহরপুর ইউনিয়নের কুমেদপুর গ্রামের মমতা বেগম (৫৫), সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কিশামত হলদিয়া গ্রামের সোলেমান আলীর স্ত্রী ময়না বেগম (৪০), ফুলছড়ি উপজেলার কাতলামারী গ্রামের বিটুল মিয়ার স্ত্রী শিমুলী বেগম (২৫), ফুলছড়ি উপজেলার হাফেজ উদ্দীনের নামে জানা গেছে।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আব্দুল মতিন জানান, নিহত প্রত্যেক পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহযোগিতা করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে ভেঙে পড়া গাছ অপসারণে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা কাজ করছেন।

এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলায় হয়েছে এই ঘুর্নিঝর । প্রথমে প্রচন্ড বাতাস, গাছ-পালা ভাঙ্গা, ঘরের চাল উড়ে যাওয়া, ছোট যানবাহন দুর্ঘটনা কবলিত হওয়া সঞ ঘটেছে নানা দুর্ঘটনা । ঘুর্নিঝড়ের পর অনেক জায়গায় হয়েছে বৃষ্টি ।

।।নিজস্ব প্রতিবেদক।।

সেনাবাহিনী মায়ানমারে বাস থামিয়ে যাত্রীদের পেটাচ্ছে

 

এতদিন মিয়ানমার সেনা শুধু বিক্ষাবকারীদের উপর অত্যাচার করছে এখন বাস থেকে নামিয়ে সাধারণ মানুষকে অত্যাচার শুরু করেছে সেনাবাহিনী। শুক্রবার ইয়াঙ্গুনের ওক্কালাপা শহরে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন জান্তারা বাস থামিয়ে বলপূর্বক টেনেহিঁচড়ে যাত্রীদের নামিয়ে লাঠি দিয়ে অমানবিকভাবে আঘাত করেছে এবং প্রবলভাবে লাথির পর লাথি মেরেছে। খবর ইরাবতীর।

উত্তর ওক্কালাপা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক থুধামায় চলতে থাকা ইয়াঙ্গন বাস সার্ভিসের গাড়িগুলোকে সিগন্যাল দিয়ে রাস্তার পাশে থামানো হয়। এরপর সেনা সদস্যরা বাসের ভেতরে ঢুকে যাত্রীদের ধরে ধরে জোরপূর্বক টেনে নিচে নামায়।

তাদেরকে ‘নিলডাউন’ করতে বলা হয়, শুরু হয় অত্যাচার। শুধু যাত্রী নয় বাসের চালকসহ অন্য কর্মীদেরও তারা এই অত্যাচার নির্যাতন থেকে রেহাই দিচ্ছে না।

এ ঘটনার পর থেকে খবর পেয়ে ওই বাসগুলো গন্তব্যে যেতে অন্য রাস্তা ব্যবহার করতে শুরু করে। চালকদের রুট পরিবর্তনের খবর পেয়ে সেনা সদস্যরা আবাসিক ওয়ার্ডগুলোতে চিৎকার করতে করতে গুলি চালাতে থাকে।

ওই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা বিপদে পরেছেন শুধু দেখতে এসেছিলেন এখানে কি ঘটতেছে ।

এদের ধরতেই সেনারা সংশ্লিষ্টদের বাড়ির ভেতরে ঢুকে হামলা চালায়, ভাঙচুর করে।

বাসে থাকা আরেকজন প্রত্যক্ষদর্শী তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘সেনারা প্রথমে বাসচালককে লাথি মেরে ফেলে দেয়। এরপর পুরুষ যাত্রীদের লাথি দিতে থাকে আর বলে-যুদ্ধ কর আমার সঙ্গে। মহিলা যাত্রীদের চুল ধরে টানাটানি করে এবং গালে থাপ্পড় মারতে থাকে।’

শনিবার পর্যন্ত জান্তা বাহিনীর হাতে কমপক্ষে ২০ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দ্য ইরাবতী। ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ থেকে শুরু হওয়া অভ্যুত্থানবিরোধী আন্দোলনে এ পর্যন্ত ৫৫৬ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে তারা।

সীমান্তে সীমান্তে নারী নেতৃত্বে বিক্ষোভ কাচিনেই জন্ম ওর। নাম সোই লিং। বয়স এখন ২৬। সৈনিকদের সঙ্গে ভারী অস্ত্র হাতে নিজের উপস্থিতিকে দেখছেন খুবই স্বাভাবিক বিষয় হিসাবে। মিয়ানমারের একেবারের উত্তরের সীমান্তবর্তী এলাকা কাচিন। দশকজুড়ে তিনি দেখে এসেছেন সরকারি সেনাদের সঙ্গে যুদ্ধ করে কীভাবে টিকে আছে ওই এলাকার বাসিন্দারা। এমনকি এসব যুদ্ধে চড়া মূল্যও চুকাতে হয়েছে তাদের।

তবু কখনো তার মনে হয়নি তারা অনিরাপদ। এটাও মনে হয়নি কখনো অত্যাচার নিপীড়নের বিরুদ্ধে তাকে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হতে হবে। এখন তার মনে হয় জান্তাদের বিরুদ্ধে গড়তেই হবে, নিরাপদ ভবিষ্যৎ উপহার দিতে হবে পরবর্তী প্রজন্মকে।

চীন সীমান্তবর্তী এলাকা কাচিন। খ্রিষ্টান-অধ্যুষিত এ এলাকার স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৬০ সাল থেকে যুদ্ধ করে যাচ্ছে কাচিন ইনডিপেনডেন্স আর্মি। কিন্তু সম্প্রতি মিয়ানমারের চলমান আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়ে তারা গণতন্ত্রকামীদের পক্ষে যুদ্ধ করে তাতমাদাওকে পরাস্থ করার ঘোষণা দিয়েছে। তারা বিশ্বাস করেন এই একাত্মতা তাদের ভবিষ্যৎ লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহায়তা করবে।

জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে কাচিন ইনডিপেনডেন্ট আর্মিতে (কেআইএ) যোগ দেওয়াদের মধ্যে শতকরা প্রায় ৩০ ভাগই মহিলা। সোই লিং বলেন, ‘এখন প্রতিটি দিনই আমার জন্য কঠিন। সহকর্মীদের নিয়ে আমার উদ্বেগ কাটছে না। এখন জান্তারা দেশজুড়ে বেআইনিভাবে নিষ্পাপ মানুষগুলোকে হত্যা করছে। বাড়িতে বা রাস্তায় কোনো মানুষই নিরাপদ নয়। এ কারণেই আমি ভীষণ শঙ্কিত।’

ফ্রন্টিয়ারকে এভাবেই নিজের মানসিক অবস্থার কথা জানালেন ছদ্মনাম ব্যবহার করা সোই। জান্তাবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন ২৮ ফেব্রুয়ারি। জানালেন সেদিনের অভিজ্ঞতার কথা।

মিতকিয়ানায় সেদিন বিক্ষোভ তুঙ্গে। সবার সামনের সারিতে সোই। পুলিশ আর সেনাদল তাদের ঘিরে রেখেছিল। শুরু হয়েছে ধরপাকড়। সমূহ বিপদ আঁচ করতে পেরেই তিনি কৌশলে পেছনে থাকা জনতার সঙ্গে মিশে যান। পরদিনই গ্রেফতার করা হয়েছিল ৭৪ জন বিক্ষোভকারীকে। কিন্তু গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বাঁচেন সেদিন।

তার মতো বহু নারী এভাবে অভ্যুত্থানবিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে আছেন মিয়ানমারজুড়ে।

দ্য উইমেন’স লীগ অব বার্মার ধারণা, বিক্ষোভকারীদের প্রায় ৬০ শতাংশ মহিলাই নিজেদের এ অভ্যুত্থানে উৎসর্গ করে বিভিন্ন পন্থায় আন্দোলনে সম্পৃক্ত রয়েছেন। ফ্রন্টিয়ারকে সাক্ষাৎকার দেওয়া অধিকাংশ নারীই দাবি করেছেন, স্বৈরাচারী শাসনের অবসান চাওয়ার ক্ষেত্রে নারীরাই বেশি স্পষ্টবাদী। তাদের কণ্ঠ পুরুষের চেয়ে বেশি উচ্চকিত।

সোই লিং জানান, মাতকিয়ানার বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ করা যুবক যুবতীরা কাচিন রাজ্যের নাগরিক আন্দোলনের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ত করছে প্রায় প্রতিদিনই। তারা গোপনসভা করছেন, গ্রুপ চ্যাটে অংশ নিচ্ছেন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের পরবর্তী পরিকল্পনা নিয়ে।

।।অনলাইন ডেস্ক।।

শীতলক্ষ্যায় লঞ্চডুবি: ৩ নারীর লাশ উদ্ধার, নিখোঁজ ২৩

অনলাইন ডেস্ক।।

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে রাফিত আল হাসান নামে মুন্সিগঞ্জগামী একটি লঞ্চ প্রায় ৪৬ জন যাত্রী নিয়ে ডুবে গেছে ঘটনায় নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছেতবে তাদের নামপরিচয় পাওয়া যায়নি ঘটনায় ২০ জন সাঁতরিয়ে তীরে উঠতে পারলেও বাকি ২৩ যাত্রী এখনো নিখোঁজ রয়েছেন

  রোববার ( এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে শীতলক্ষ্যা নদীর চর সৈয়দপুর এলাকার ব্রিজ সংলগ্ন স্থানে ঘটনা ঘটে।এর আগে বিকাল ৫টা ৫৫ মিনিটে লঞ্চটি নারায়ণগঞ্জ থেকে মুন্সিগঞ্জের দিকে রওনা দেয়। এসকে কোস্টার জাহাজের ধাক্কায় এটি ডুবে যায়

লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি বদিউজ্জামান বাদল সংবাদিকদের জানান, লঞ্চটি সন্ধ্যা ৬টার কিছু সময় পর নারায়ণগঞ্জ ছেড়ে যায়। পথিমধ্যে ঝড়ের কবলে পড়লে এটি দুর্ঘটনার শিকায় হয় এবং অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবে যায়

নারায়ণগঞ্জ নৌপুলিশের ইন্সপেক্টর শহিদুল ইসলাম জানান, একটি শীতলক্ষ্যা নদীতে চায়না ব্রিজের নিচে সাবিত আল হাসান নামের একটি লঞ্চ ডুবেছে। দুর্ঘটনার খবরে নৌ পুলিশ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেছেন

এদিকে বিআইডব্লিউটিএ উদ্ধারকারী ইউনিট দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।এছাড়া বিআইডব্লিউটিএ উদ্বারকারী জাহাজ নারায়ণগঞ্জ থেকে রওনা দিয়েছে।  দুর্ঘটনার কারণ উৎঘাটনে বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক (নৌনিরাপত্তা ট্রাফিক) মো. রফিকুল ইসলামকে প্রধান করে সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করা হয়েছে

বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেকসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে রয়েছেন।রাতে ডুবে যাওয়া লঞ্চটির অবস্থান চিহ্নিত করা হয়েছে।নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড বিআইডব্লিউটিএ উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে

 

চট্টগ্রামে করোনা: ৪ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ২৩২

চট্টগ্রামে মহামারী করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে ২৩২ জনের দেহে নতুন করে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ সনাক্ত হয়েছে। মৃত্যের সংখ্যায় এটি হচেছ চট্টগ্রামে গত ৭ মাসের রেকর্ড। এর আগে গত বছরের (২০২০ সালের) ১৪ আগষ্ট একদিনে চট্টগ্রামে করোনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়। সনাক্তের হার ১৩ দশমিক ২৭ শতাংশ। গতকাল (রবিবার) চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ৪ টি ল্যাব ও কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবসহ ৫ টি ল্যাবে ১ হাজার ৭৪৮ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে ২৩২ জনের দেহে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব সনাক্ত হয়। নতুন সনাক্তদের মধ্যে ২১৯ জন মহানগরীর এবং ১৩ জন ভিন্ন ভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালে ৪১ হাজার ৫০০ জন এবং মোট মৃত্যুর বরণ করেন ৩৯৩ জন।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ৫ টি ল্যাবে ১ হাজার ৭৪৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৩২ জনের দেহে করোনা ভাইরাস সনাক্ত হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সনাক্তদের মধ্যে ২১৯ জন নগরের, ১৩ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।

এদিকে চট্টগ্রামে করোনার সংক্রমন মোকাবেলায় শতভাগ প্রস্তুতির কথা বলেছেন জেলা প্রশাসক মমিনুর রহমান। তিনি জনসাধারনকে সরকারের ১৮ দফা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান।

// আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম //

কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন অক্ষয় কুমার। টুইট করেই জানিয়েছেন

 

এবার কোভিডে আক্রান্ত হলেন বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার রবিবার সকালে নিজেই টুইট করে কথা জানিয়েছেনখিলাড়ি আপাতত নিভৃতবাসে রয়েছেন তিনি প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও করাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন অক্ষয়

টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘সকলকে জানাতে চাই যে, আজ সকালেই আমার কোভিড পজিটিভ ধরা পড়েছে। সমস্ত রকম কোভিডবিধি মেনে নিজেকে একেবারে আলাদা করে রেখেছি। এখন নিভৃতবাসে আছি। চিকিৎসা চলছে অক্ষয় আরও লেখেন, ‘আমার সংস্পর্শে যাঁরা এসেছিলেন তাঁরা অবশ্যই কোভিড পরীক্ষা করিয়ে নিন। নিজের প্রতি খেয়াল রাখুন খুব শীঘ্রই তিনি কাজে ফিরবেন বলেও জানিয়েছেনখিলাড়ি

উল্লেখ্যরামসেতুছবির শুটিংয়ের জন্য অযোধ্যায় ছিলেন অক্ষয়। শনিবারও শুটিং চলেছে ছবির। রবিবার কোভিড পজিটিভ ধরা পড়ায় আপাতত শুটিং থেকে বিরতি নিতে হল তাঁকে

।। বিনোদন ডেস্ক ।।

মাত্র ২৫ টাকা নিয়ে বিরোধ, ভ্যানচালককে পিটিয়ে হত্যা

 

শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার ধোপাদি গ্রামের দপ্তরী পাড়ায় একটি গ্যারেজে যশোরের অভয়নগরে শুকুর আলী (৫৫) নামে এক ভ্যানচালককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।  নিহত শুকুর আলী ওই এলাকার সোনা মিয়ার ছেলে।

শুকুর আলীর ভাই মকবুল হোসেন জানান, শনিবার সন্ধ্যায় দপ্তরী পাড়ার টিটু ফকিরের গ্যারেজে গিয়েছিলেন শুকুর আলী। এসময় শুকুর আলীর কাছে পাওনা ২৫ টাকা নিয়ে কথাকাটাকাটি হয় টিটু ফকিরের সাথে। এক পর্যায়ে টিটু ফকির রেঞ্জ দিয়ে শুকুর আলীর মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার শুভ্রপ্রসুন মুখার্জী বলেন, শুকুর আলীকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।

অভয়নগর থানার ওসি (তদন্ত) মিলন কুমার মন্ডল বলেন, খবর পেয়ে সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়।

হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ব্যক্তিকে গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে তিনি জানান।

।।  নিজস্ব প্রতিবেদক ।।

মাওবাদী-জওয়ান সংঘর্ষে ছত্তীসগঢ়ে অন্তত ২২ জওয়ান নিহত, আহত প্রায় ৩১

 

মাওবাদীদের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ২২ জন সিআরপিএফ জওয়ান শহিদ হলেন। জখম হয়েছেন আরও অন্তত ৩১ জন জওয়ান, নিখোঁজ এখনও একজন। প্রশাসন সূত্রে খবর, নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে। ১১ বছরের আগের দান্তেওয়াড়ার স্মৃতি ফিরল ছত্তীসগঢ়ে।

২০১০ সালের ৬ এপ্রিল । এই ছত্তীসগঢ়ের দান্তেওয়াড়ার চিন্তলনার গ্রামে অভিযানে গিয়ে মাওবাদীদের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন ৭৬ জন।  তার ঠিক ১১ বছর পর ২০২১-এর ৩ এপ্রিল একই ঘটনা পুনরাবৃত্তি।

ছত্তীসগঢ়ের সুকমা-বিজাপুর সীমান্তে মাওবাদী দমন অভিযানে নেমেছিল সিআরপিএফ বাহিনী। সেখানেই মাওবাদীদের সঙ্গে গুলি যুদ্ধে আধাসেনা বাহিনীর ২২ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার দুপুরে বিজাপুরের পুলিশ সুপার কমললোচন কাশ্যপ একটি জাতীয়স্তরের সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘‘ছত্তীসগঢ়ের সুকমা-বিজাপুর সীমান্তে মাওবাদী হামলায় ২২ জন জওয়ান প্রাণ হারিয়েছেন, জখম হয়েছেন ৩১ জন।’’

এর আগে শনিবার মাওবাদী দমন অভিযানে ৫ জন আধাসেনা জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছিল ছত্তীসগঢ়ের পুলিশ। রবিবার সকালে সেই সংখ্যা কিছুটা বাড়ে। ছত্তীসগঢ় পুলিশের মাওবাদী দমন শাখার ডিরেক্টর জেনারেল কুলদীপ সিংহ জানান, নিহত জওয়ানের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮।  খোঁজ মিলছে না আরও অন্তত ২১ আধাসেনা জওয়ানের। রবিবার সকালেই কুলদীপ পৌঁছে যান সুকমা-বিজাপুর সীমান্তে। ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল জানান, নিখোঁজ জওয়ানদের খুঁজতে উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে সুকমা-বিজাপুর সীমান্ত এলাকায়।

পরে জানা যায় নির্মম সত্য, নিখোঁজ জওয়ানদের অধিকাংশেরই খোঁজ মিলেছে, তাঁদের মধ্যে ২২ জনই নিহত হয়েছেন মাওবাদীদের গুলিতে।

ছত্তীসগঢ় প্রশাসন জানিয়েছে, মাওবাদীদের গুলিতে জখম আধাসেনা জওয়ানদের মধ্যে ২৪ জনের চিকিৎসা চলছে বিজাপুর হাসপাতালে। বাকি ৭ জনের জখম গুরুতর হওয়ায় তাদের পাঠানো হয়েছে রায়পুরের হাসপাতালে।

মাওবাদীদের সঙ্গে সংঘর্ষে আধাসেনা জওয়ানদের মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

ছত্তীশগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন দু’জনেই। পরে টুইটারেও এ নিয়ে শোক প্রকাশ করেন তাঁরা।

।। আন্তর্জাতিক অনলাইন ডেস্ক ।।

এ কেমন সেতু…! যে সেতুর আগে রয়েছে ২০০ গজ সাঁকো

 

টাঙ্গাইলের একপারে গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের ভাদাই। ওপারে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের নরপাড়া। মাঝে যমুনার মৃতপ্রায় শাখা লৌহজং।

নদীর বুকে কোটি টাকার সেতু। কিন্তু সেতুর এক পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় পারাপারে ভোগান্তি মানুষের।

জানা যায়, আশপাশের আট গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ নিরসনে গোপালপুর উপজেলা পরিষদ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে নির্মাণ করে এ সেতু। ঝাওয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম জানান, ৪০০ গজ দীর্ঘ নদীর মাঝখানে ৬০ ফিট দীর্ঘ সেতু নির্মাণের পর উভয় পাড়ে নতুন সংযোগ রাস্তা করার কথা। প্রায় আট টন কাবিখার চালের বিনিময়ে সেতুর টাঙ্গাইল অংশে মাটি ভরাট করে নতুন সংযোগ রাস্তা করা হয়। কিন্তু ব্রিজের জামালপুর অংশে মাটি ভরাট হয়নি, রাস্তাও হয়নি।

ঝাওয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আব্দুর রহিম জানান, পিংনা ইউনিয়ন পরিষদকে একাধিকবার অনুরোধ সত্ত্বেও ঐ অংশে মাটি ভরাট বা রাস্তা করা হয়নি। এমনকি ঐ অংশে সেতু পর্যন্ত বাঁশের সাঁকো নির্মাণেও তারা অনীহা দেখায়। এমতাবস্থায় মানুষের দুর্ভোগের কথা ভেবে ঝাওয়াইল ইউনিয়ন পরিষদ প্রতি বছর ৩০/৩৫ হাজার টাকা খরচ করে ঐ অংশে ২০০ গজ দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দেয়।

ভাদাই গ্রামের প্রবীণ ফুল মিয়া জানান, বিশাল জনপদ সোনামুই, হরিষা ও ভাদাই গ্রামের ৭ হাজার মানুষ খুবই অবহেলিত। গ্রামে কোনো উচ্চবিদ্যালয় নেই। গ্রামের চার শতাধিক ছাত্রছাত্রী সেতু পাড়ি দিয়ে সরিষাবাড়ী উপজেলার বাশুরিয়া শামসুন্নাহার হাইস্কুলে পড়ালেখা করে। এলাকার বাসিন্দারা পিংনা-ভূঞাপুর সড়ক হয়ে জেলাসদর টাঙ্গাইল ও ঢাকায় যাতায়াত করে। কৃষিপণ্য সোনামুই হাটে বিপণনেও এই সেতু পাড়ি দিতে হয়। কিন্তু সেতুর এক অংশে বাঁশের সাঁকো থাকায় যান পারপার করা যায় না। ফলে সেতুটি কৃষকদের কোনো কাজে আসছে না।

গোপালপুর উপজেলা এলজিইডি জানায়, জনদুর্ভোগের অবসানে উপজেলা প্রশাসন সেতু ও এক অংশে সংযোগ রাস্তা করেন। কিন্তু সরিষাবাড়ী অংশে রাস্তা না হওয়ায় সেতুর সুবিধা পাচ্ছেন না মানুষ। পিংনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোতাহের হোসেন দুর্ভোগের সত্যতা স্বীকার করে জানান, জামালপুর অংশে মাটি ভরাট ও রাস্তা নির্মাণে বাধা থাকায় কাজ করা যায়নি। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধান করা হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি ভরাট ও রাস্তা নির্মাণ হবে। গোপালপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার জানান, জামালপুর জেলা প্রশাসন ইতিবাচক মনোভাব দেখানোয় সেতুর ঐ অংশে খুব তাড়াতাড়ি সংযোগ রাস্তা হবে বলে আশাবাদী তিনি।

মোঃ আল-আমিন শেখ টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:

কুকুর কেন রিপোর্টারের মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নিলো….!

 

আলি ওযকুক নামের এক রুশ সংবাদকর্মী শুক্রবার (২ এপ্রিল) টুইটারে এটি পোস্ট করেন ক্যাপশনে লিখেছেন ‘রাশিয়ায় একটি কুকুর রিপোর্টারের মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নিলো এবং সরাসরি সম্প্রচার চলাকালীন তা নিয়ে দৌঁড় দিলো।’

রাশিয়ায় এক নারী টিভি উপস্থাপিকার আবহাওয়া বার্তা অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচারকালীন তার মাইক্রোফোন নিয়ে দৌড় দিয়েছে একটি কুকুর। উপস্থাপিকাও সঙ্গে সঙ্গেই কুকুরটির পেছনে দৌড় দেন। কিছুক্ষন পরেই কুকুরের কাছ থেকেই মাইক্রোফোন উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

পোস্টটি  এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৫ মিলিয়ন ভিউ হয়েছে এবং মন্তব্য করেছেন ৬৩ হাজারের বেশি ব্যবহারকারী।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

গজারিয়ায় মামুনুল শ্লালীনতাহানির ঘটনায় ভাংচুর মহাসড়ক অবরোধ

 

গত ৩ এপ্রিল শনিবার রাত ১০টার দিকে মুন্সীগন্জের গজারিয়ার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জামালদী বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় মিছিল তাকবির ও সহিংস আগুন জ্বালিয়ে বেশ কয়েকটি যানবাহন সহ দোকানঘর ভাংচুর ও মহাসড়ক অবরোধ করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ গজারিয়ার শাখার নেতা কর্মিরা।

উল্লেখ্য যে অনলাইনে ভাইরাল হওয়া তথ্য মতে জানা যায় শনিবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে পর্যটন কেন্দ্র রয়েল রিসোর্টে একটি মিথ্যা অপবাদে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম-মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক ও তার ২য় স্ত্রী আমেনা তৈয়াবা কে অবরুদ্ধ করে শ্লালিনতাহানীর মত নেক্কারজনক জঘন্যতম নজিরবিহীন ঘটনা ঘটায় স্থানীয় মতবাজী কতিপয় লোকজন।পরে মুহুর্তের মধ্যে এই খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়লে গজারিয়ায় হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা তাৎক্ষনিক জড়ো হয়ে মিছিল বিক্ষোভ শুরু করেন।

এ সময় মহাসড়কের সাময়িক সময়ের জন্য যান চলাচলে বিঘ্নিত হয়।ঘটনাস্থলে তাৎক্ষনিক গজারিয়া থানার পুলিশ এসে কঠোর হস্তে নাশকতা দমন ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ বিষয়ে গজারিয়া থানার ওসি (অপারেশন) মোক্তার হোসেন বলেন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের একটি রিসোর্টে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশে এর যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হককে অবরুদ্ধের ঘটনায় মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় সক্রিয় হেফাজতে ইসলামের কর্মিরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে সোনারগাঁও বিক্ষোভ যাত্রায় উদ্দ্যেশে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের জামালদী বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় জড়ো হতে শুরু করে।

এক পর্যায়ে তারা বিক্ষোভ মিছিল ও ভাংচুর শুরু করে।সোনারগাঁও মুখি যাত্রাকালে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।পুলিশের নিয়ন্ত্রনে পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে।

সৈয়দ মোঃ শাকিল,  গজারিয়া, মুন্সিগঞ্জ।