রূপসায় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা পেলেন চারশত মানুষ

খুলনার রূপসায় করোনায় কর্মহীন ৪১৬ জন শ্রমিক, মুদি দোকান, অসহায় সহ বিভিন্ন শ্রেণির মাঝে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা বিতরণ বুধবার বেলা ১১টায় রূপসার নৈহাটি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা-৪আসনের সংসদ সদস‍্য আব্দুস সালাম মূশের্দী ভিডিও কনফারান্সের মাধ‍্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে খাদ্যসামগ্রী বিতরণে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনায় অসহায়, দুস্থ, বেকার, শ্রমিকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে বিভিন্ন সহায়তা করে যাচ্ছেন। সরকার গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে সবসময় আছে এবং থাকবে।

দেশের কোন জনগণ না খেয়ে থাকবে না। দেশে খাদ্য সংকটের কোন কারণ নেই। পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্যসামগ্রী মজুদ রয়েছে। করোনা প্রতিরোধে মাস্ক পরিধান, শারীরিক দূরত্ব বজায় এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে তিনি সকলের প্রতি আহবান জানান। তিনি আর ও বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে সরকার কর্তৃক ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউনের ফলে কর্মহীন হয়ে পড়া নিম্নআয়ের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রান্তিক মানুষের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। লকডাউন চলাকালে উপজেলাসমূহে এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

রূপসায় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা পেলেন চারশত অসহায় মানুষ

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান, বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মিস্টার বাংলাদেশ আজাদ আবুল কালাম, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আকতার ফারুক, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বুলবুল,ফরিদ শেখ, প্রশান্ত দে, ইউপি সদস‍্য আব্দুল গফুর খান, আলমগীর হোসেন, আশরাফুর রহমান, রিনা পারভীন, রেশমা বেগম, যুবলীগ নেতা বাদশা মিয়া, সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের তরিকুল ইসলাম, আবদুল্লাহ, আরাফাত,খলিলুর রহমান,জাহিদুল, হৃদয়,রিয়াজ,সজল প্রমুখ।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোরে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনা ও করোনা উপসর্গে

বাগরেহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাতনামা যুবক নিহত

 

বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাতনামা(২৬) বছর বয়সী এক যুবক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বাগেরহাট সদর উপজেলার ষাটগম্বুজ এলাকায় অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কায় আহত হয় ওই যুবক। পরে পুলিশ আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ওই যুবক। তবে এখন পর্যন্ত ওই যুবকের পরিচয় পায়নি।

বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম আজিজুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ওই যুবককে হাসপাতালে ভর্তি করি। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা গেছে। নিহতের মরদেহেরে ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া ওই যুবকের পরিচয় ও স্বজনদের খুঁজে বের করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। যদি দুই একদিনের মধ্যে পরিচয় পাওয়া না যায় তাহলে আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে তার দাফন সম্পন্ন করা হবে।

এছাড়াও ওই যুবকের পরিচিতদের বাগেরহাট সদর থানায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

স্বপ্নেও ভাবিনি পাকা ঘর পাব, এখন শান্তিতে আছি’

“আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার” মুজিববর্ষ উপলক্ষে সারা দেশের ন্যায় খুলনার রূপসায় ১ম ও ২য় পর্যায়ে মোট ২৮৭ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য বরাদ্দ করা হয় একটি করে ঘর। দেশের বিভিন্ন জায়গায় যখন আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ নিয়ে চলছে তোলপাড়। সেখানে রূপসায় সেই আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর যেন একটা রোল মডেল। গৃহহীনদের জন্য যা স্বপ্নের বাড়ি। চারপাশে ইটের দেয়াল এবং ছাদে লাল, সবুজ ও নীল রঙের টিনের ছাউনি। ভূমিহীনরা কখনো স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি যে তারা জীবনের একটা পর্যায়ে এসে এখন একটি পরিপূর্ণ নতুন ঘর পাবেন। দীর্ঘদিন তারা অন্যের বাড়িতে দুঃখে কষ্টে আশ্রিত ছিলেন। এখন তারা প্রত্যেকে উঠেছেন নিজেদের স্বপ্নের নীড়ে।

সরেজমিন সোমবার (১২ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘাটভোগ ইউনিয়নের শিয়ালি, আলাইপুর, পুটিমারী ,শ্রীফলতলা ইউনিয়নের পালেরবাজার,আইচগাতি ইউনিয়নের দেয়াড়া ও নৈহাটি ইউনিয়নরে নেহালপুর এলাকায় প্রকল্পের ঘর পরিদর্শন করে দেখা গেছে, দেশের অন্যান্য জেলা-উপজেলার তুলনায় রূপসায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের নির্মিত ঘরে এখন পর্যন্ত কোনো অনিয়ম বা সমস্যা দেখা দেয়নি। ঘরে ফাটল কিংবা মেঝের সিমেন্ট উঠে যাওয়ার মতো ঘটনা পরিলক্ষিত তেমন হয়নি। এমনকি ঘর নির্মাণের জন্য বরাদ্দকৃত স্থান নির্ধারণে বেশ রুচির পরিচয় দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। দুই রুম বিশিষ্ট ঘরে রয়েছে একটি রান্নাঘর, টয়লেট। কেউ কেউ শোভাবর্ধনের জন্য ঘরের আঙ্গিনায় লাগিয়েছেন ফুল ও ফলের গাছ। এদিকে অনেক উপকারভোগীরা জানালেন, ঘর পেলেও তারা এখনো বিদ্যুৎ ও পানির সমস্যা রয়েছেন। তারা অতি দ্রুত এই সমস্যা নিরসনের দাবি জানিয়েছেন। গত ১২ জুলাই প্রকল্পের ঘরের কাজ সরেজমিন পরিদর্শন করে খুলনা জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার। এ সময় তিনি স্থানীয় উপকারভোগীদের সাথে কথা বলে তাদের সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

প্রতিবন্ধী নারগিজ খাতুন বাড়ি রূপসার স্বল্পবাহিরদিয়া গ্রামে। পিতা মাতা মারা যাবার পর ভাইদের অবহেলার পাত্র হয়ে পড়েন নারগিজ। বাড়ি থেকে বের করেদেন তাকে। বঞ্চিত করে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে। হাসপাতাল ছিল তার বাড়ি ।বিধবা বোনের বাড়িতে থাকাবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর ঘর উপহারপান। ঘর পেয়ে নারগিজ কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমি প্রতিবন্ধী মানুষ। হাসপাতাল আমার বাড়ি ছিল। আমাকে ঘর দিয়ে মমতাময়ী মা (প্রধানমন্ত্রী) ঋণী করে দিলেন। আমি কখনও ভাবীনি পাকা ঘরে বসবাস করব।

তি‌নি বলেন, ‘স্বপ্নও দেখেনি কখনও পাকা ঘরে থাক‌তে পার‌বো। বড় স্যার আমারে একটা পাকা ঘর দিয়েছে। এখন রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারবো।’

আইচগাতি ইউনিয়নের দেয়াড়া গ্রামের বাসিন্দা শাহানা বেগম। স্বামী মারা যাবার পর ২১ বছর ধরে ৩ কন্যা সন্তান নিয়ে বাবার মাটির ঘরে বসবাস করতে থাকে। অবশেষে ঘর পেলেন শাহানা। ঘর পেয়ে শাহানা আতœহারা।স্বামী হারা নারী কখনও ভাবতে পারেনি মৃত্যুর আগে পাকা ঘরে ঘুমাবে। আজ সে প্রধানমন্ত্রীকে অনেক দোয়া করেন। এছাড়া নৈহাটি ইউনিয়নের বাসিন্দা খুশিনা বেগম বয়স (৫০)। অসুস্থ স্বামী, ২ পুত্র ৪কন্যা নিয়ে তার সংসার। বিবাহের পর শশুর বাড়ির সাথে সর্ম্পক নষ্ট হওয়ার পর রূপসায় বাসা ভাড়া থাকেন।বর্তমানে স্বামী স্ত্রী দুই জনই অসুস্থ। দুইটি মেয়েরা মাছ কম্পানিতে কাজ করেন। ২টা ছেলে ছোট ও ২টা মেয়ে পড়াশুনা করে। আয়ের তেমন কোন লোক নেই। প্রধানমন্ত্রীর উপহার পাওয়ার খবর পেয়ে খুশিনা বেগম অসুস্থ অবস্থায় বলেন, আল্লাহ শেখ হাসিনাকে তুমি হায়াতদান করুন। আমাদের মত লোকদের পাকা জায়গায় থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তুমি তাকে রক্ষা করিও।তিনি আরও বলেন, খাই বা না খাই,পাকা জায়গাই ত থাকতে পারব। ভাড়ার টাকা ও গুনতে হবে না মাসে।

এসকল মানুষের মত অনেক পরিবার পেয়েছে স্বপ্নের ঘর।এতোদিন সবাই গৃহহীন হয়ে অন্যের বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দিনাতিপাত করে আশ্রিত ছিলেন। এখন তারা প্রত্যেকে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে বেজায় খুশি। তাদের চোখে মুখে যেন হাসির ঝিলিক। মুজিববর্ষে তাদের সকলের ভাগ্যে বদল হয়েছে। স্বপ্নের নতুন ঘর পেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি তারা প্রত্যেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি একটি পাকা ঘর পাব। কিন্তু শেখের বেটির কারণে আমাদের সেই কাঙ্খিত স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এখন মরার আগে কিছুদিন শান্তিতে বাঁচতে পারব।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে ২১৫টি পাকা ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রতিটি ঘরের খরচ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। প্রথম পর্যায়ে ৭২ ভূমিহীন পরিবার পেয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর এই উপহার। প্রতিটি ঘরের খরচ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। এ ছাড়া প্রতি ১০টি ঘরের জন্য দেওয়া হবে একটি করে টিউবওয়েল এবং বিদ্যুতায়নও করা হবে ঘরগুলো।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আরিফ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী গুণগতমান বজায় রেখে গৃহহীনদের একটা মানসম্মত ও টেকসই ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। উপজেলার ২৮৭টি ঘর তৈরী করা হয়েছে। ঘর তৈরিতে কোন অনিয়ম হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া তাছনিম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী গুনগতমান বজায় রেখে ভূমিহীন, গৃহহীন, বিধবা ও প্রতিবন্ধীদের ঘর তৈরি করে দেয়া হচ্ছে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে উপহার হিসেবে ইতিমধ্যে সেসব ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। বেশিরভাগ ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। পানিরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে যেসব ঘরে বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবস্থা এখনো হয়নি তা বাস্তবায়ন করার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগ ও জনস্বাস্থ্য বিভাগের সাথে আলোচনা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তা কার্যকর করা হবে। তাছাড়া উপজেলায় মোট ২৮৭ টি ঘর তৈরী করা হয়েছে। তৈরীকৃত ঘরগুলোতে এখনও পর্যন্ত কোন সমস্যা হয়নি।

//আ. রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনায় সেনা প্রধান দুঃস্থদের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেন

 

 

খুলনার রূপসায় অবৈধভাবে নদী দখল ও বালু উত্তোলনে ৫ জনের কারাদন্ড ড্রেজার জব্দ

খুলনার রূপসা উপজেলার শ্রীফলতলা ইউনিয়নের নন্দনপুর এলাকায় কতিপয় ব্যাক্তি দীর্ঘ দিন ধরে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। এর আগে উপজেলা প্রশাসন থেকে তাদেরকে নদী থেকে বালু উত্তোলন করতে নিষেধ করা হলেও, তারা তা অমান্য করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত রাখে।

অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার ফলে এখন নদীর তীরে ভাঙ্গন দিয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, যে কোন সময় শ্রীরামপুরের বাঁধ ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে, এক হাজার একর কৃষি জমি এবং মুজিব বর্ষ উপলক্ষে দেওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার ‘গৃহহীন ও ভূমিহীনদের ঘর’।

খুলনার রূপসায় অবৈধভাবে নদী দখল ও বালু উত্তোলনে ৫ জনের কারাদন্ড ড্রেজার জব্দ

আজ রোববার (৪জুলাই) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট রুবাইয়া তাছনিম বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি ড্রেজার মেশিন জব্দ করেন এবং পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করে সাত দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেন।
এ ব্যাপারে নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট রুবাইয়া তাছনিম বলেন, নদী থেকে বালু উত্তোলন করা নিষিদ্ধ। এর আগেও তাদেরকে এ ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু তারা তা মানেনি। আজ তাই ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করার অপরাধে পাঁচ জনকে সাত দিনের কারাদণ্ড ও ড্রেজার মেশিনটি জব্দ করা হয়েছে।

খুলনার রূপসায় অবৈধভাবে নদী দখল ও বালু উত্তোলনে ৫ জনের কারাদন্ড ড্রেজার জব্দ

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন শাহানুর শিকদার, আবু তালেব,শাহ জালাল শিকদার, আলামিন শেখ, আজিম শিকদার।
জানাযায়, এসময় উপস্থিত ছিলেন, থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী এস এম ওয়াহিদুজ্জামানসহ অনেকেই।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

যশোরে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ও উপসর্গে মৃত্যু ১৭, সনাক্ত ১৯৫

খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা পেলেন চারশত ইজিবাইক শ্রমিক

 

খুলনায় করোনায় কর্মহীন চারশত ইজিবাইক শ্রমিকের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা বিতরণ শনিবার সকাল১০টায় খুলনা রেলস্টেশন চত্রে অনুষ্ঠিত হয়। খুলনার জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার এসব খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। খাদ্যসহায়তার মধ্যে ছিলো ১০ কেজি চাল, দুই কেজি আলু, ৫০০ গ্রাম ডাল, তৈল ৫০০ গ্রাম ও একটি সাবান।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনায় অসহায়, দুস্থ, বেকার, শ্রমিকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে বিভিন্ন সহায়তা করে যাচ্ছেন। সরকার গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে সবসময় আছে এবং থাকবে। দেশের কোন জনগণ না খেয়ে থাকবে না। দেশে খাদ্য সংকটের কোন কারণ নেই। পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্যসামগ্রী মজুদ রয়েছে।

করোনা প্রতিরোধে মাস্ক পরিধান, শারীরিক দূরত্ব বজায় এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে তিনি সকলের প্রতি আহবান জানান।

খুলনা জেলা প্রশাসন আয়োজিত এই খাদ্যসহায়তা বিতরণে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইউসুপ আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ সাদিকুর রহমান খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) মোঃ মারুফুল আলম, খুলনা শ্রম দপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহিদ হোসেন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, কেসিসি’র সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর কনিকা সাহা, খুলনা কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মোঃ আরিফুল ইসলাম, মহানগর শ্রমিক লীগের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি মোঃ মোতালেব মিয়া, সাধারণ সম্পাদক রণজিৎ কুমার ঘোষ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে সরকার কর্তৃক ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউনের ফলে কর্মহীন হয়ে পড়া নিম্নআয়ের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রান্তিক মানুষের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। লকডাউন চলাকালে খুলনা মহানগর এবং উপজেলাসমূহে এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

টাঙ্গাইলে অ্যাম্বুলেন্স-পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৫, আহত ৫ 

 

 

প্রান্তিক মানুষের কথা ভেবে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা বিতরণ অব‍্যহত রেখেছেন: সালাম মূশের্দী এমপি

 

খুলনা-৪ আসনের  সংসদ সদস‍্য আব্দুস সালাম মূশের্দী বলেছেন, লকডাউনের ফলে কর্মহীন হয়ে পড়া নিম্নআয়ের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রান্তিক মানুষের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা বিতরণ অব‍্যহত রেখেছেন।

তার ই লক্ষে লকডাউন চলাকালে খুলনার রূপসা,তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলাসমূহে এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

 

সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের আয়োজনে ইউনিয়ন পরিষদে আজ শনিবার বিকালে রূপসা উপজেলার শ্রীফলতলা ইউনিয়নের ৩’শত কর্মহীন অসহায়দের মাঝে খাদ‍্য সামগী বিতরণ অনুষ্ঠান ভিডিও কনফারেন্সের মাধ‍্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

জেলা আ’লীগের সদস্য অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন
জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহবায়ক মোতালেব হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ -সভাপতি আইয়ুব মল্লিক বাবু, ভাইস চেয়ারম‍্যান ফারহানা আফরোজ মনা, ইউপি চেয়ারম‍্যান আলহাজ্ব ইসহাক সরদার, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম বিশ্বাস,এমপির প্রধান সমন্বয়ক ও যুবলীগ নেতা নোমান ওসমানী রিচি, উপজেলা আওয়ামীলীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও এমপির প্রতিনিধি স ম জাহাঙ্গীর, আজিজুল হক কাজল, আজমল ফকির, জেলা মহিলালীগের নেত্রী সাবিনা ইয়াসমিন, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম কামরুজ্জামান, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার মিজানুর রহমান, সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টিম লিডার ও যুবলীগ নেতা শামসুল আলম বাবু,যুবলীগ নেতা আ:মজিদ শেখ,এম শাহনেওয়াজ কবীর টিংকু, আ:জব্বার শেখ, সেবা সংঘের তরিকুল ইসলাম,খলিল, আরাফাত,রাসেল,শিমুল,ছাত্রলীগের এস এম রিয়াজ,হিমেল,জাহিদুলসহ অনেকই।

 

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

যশোরে গত ২৪ঘন্টায় নতুন সনাক্ত ২৫০ ও মৃত্যু ১৪

 

 

 

খুলনায় শেখ আবু নাসের হাসপাতালে ৪৫ বেড নিয়ে করোনা ইউনিট চালু

 

খুলনায় শেখ আবু নাসের বিশেসায়িত  হাসপাতাল নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত।  প্রতিদিন খুলনা করোনা সংক্রমনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল, খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিট ও বেসরকারি গাজী মেডিক্যাল হাসপাতালে পর্যাপ্ত সীট না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে রোগী ও তাদের স্বজনরা।

হাসপাতালে ভর্তি হতে না পেরে অনেক রোগীই সু-চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে । ফলে করোনায় আক্রান্ত হয়ে অনেকটাই মৃত্যুর ঝুকিতে রয়েছে তারা। খুলনায় করোনা হাসপাাতালের রোগীর চাপ সামাল দিতে আজ শনিবার সকাল থেকে ৪৫ বেড নিয়ে চালু হচ্ছে করোনা ইউনিট । তবে এই হাসাপাতালে শুধু চিকিৎসাই নেয়া যাবে । কোন রোগীর নমুনা পরীক্ষা করার কোন ব্যাবস্থা নেই আবু নাসের হাসপাতালে ।

অন্যদিকে করোনা আক্রান্তর সংখ্যা বাড়তে থাকায় ২৩০ বেড থেকে বাড়িয়ে ১৫০ বেড করা হয়েছে । চলতি সপ্তার মধ্যে ২০০ বেড করা হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতার কর্তৃপক্ষ । জানা যায়, গত ২৯ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক পত্রের মাধ্যমে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে করোনা ইউনিট চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়।

সেই নির্দেশ মোতাবেক গত ৩০ জুন সকালে হাসপাতালের সভা কক্ষে বিভাগীয় প্রধানদের নিয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হাসপাতালের উত্তর পাশের জরুরী বিভাগ সংলগ্ন প্লাস্টিক অ্যান্ড বার্ন ইউনিটের ২০টি এবং ফিজিক্যাল মেডিসিনি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগে ১৫টি বেড স্থাপন কার্যক্রম শুরু হয়। ওই ৩৫টি বেড ছাড়াও চতুর্থ তলার আইসিইউ বিভাগের ১০টি বেডও করোনার রোগীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়।

আইসিইউর ১০টিসহ মোট ৪৫টি বেডে রোগী ভর্তি করা হবে। নিচ তলা থেকে রোগীদের চতুর্থ তলার আইসিইউতে নেওয়ার জন্যও ব্যবহার করা হবে পৃথক লিফট। শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) এবং করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. প্রকাশ চন্দ্র দেবনাথ জানান, শনিবার (৩ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে করোনা রোগী ভর্তির মধ্য দিয়ে আবু নাসের হাসপাতালে করোনা ইউনিটের যাত্রা শুরু হবে। করোনা ইউনিটে ৩৫টি জেনারেল ও ১০টি আইসিইউ বেডে করোনা পজিটিভ রোগী ভর্তি করা হবে ।

পর্যাক্রমে ৩টি সিফটে রোগীদের সেবা দেওয়া হবে। প্রতি সিফটে দু’জন করে চিকিৎসক ও ১০ জন নার্স তাদের দায়িত্ব পালন করবে। খুলনা মেডিক্যালের করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১৩০ বেড, খুলনা জেনারেল হাসপাতালের ৭০ বেড, বেসরকারি গাজী মেডিক্যাল হাসপাতালে ১২০ বেড ও শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে ৪৫ বেড মিলিয়ে ৩৬৫ বেডে jazwকরোনা আক্রন্ত রোগীরা চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন।

অন্যদিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের ১৩০ বেডের করোনা ইউনিট বাড়িয়ে ১৫০ বেডে করা হয়েছে । হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ রবিউল হাসান জানান, করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আরো ২০ বেড বাড়ানো হয়েছে । চলতি সপ্তাহর মধ্যে ২০০ বেডের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি ।x

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

করোনা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকতে পুলিশ কমিশনার মসজিদে বক্তব্য

 

কৃষকদের সরকারি  প্রণোদনা দেয়া অব্যাহত: সালাম মূশের্দী এমপি

 

কৃষকদের সরকারি  প্রণোদনা দেয়া অব্যহত ছিল থাকবে, খুলনা-৪আসনের সংসদ সদস‍্য আব্দুস সালাম মূশের্দী বলেছেন, কৃষকের অবস্থার উন্নয়ন হলে দেশের উন্নয়ন হবে। বর্তমান সরকার কৃষকদের মাঝে বীজ, সার, কৃষি যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা দেয়া অব্যাহত রেখেছে। কোনো কৃষি জমি পতিত রাখা যাবে না। সারা বছর বিভিন্ন প্রকার ফসল অধিক পরিমানে ফলাতে কৃষকদের মনোযোগী হতে হবে।

তিনি আর ও বলেন,দেশে বর্তমানে করোনা ভাইরাসের অধিকতর সংক্রামক ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ চলছে। এজন্য আগের তুলনায় অধিক মনোযোগী হয়ে সবাইকে মাস্ক পরিধান, নিয়মিত হাত ধোঁয়া এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলাসহ সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।

‘মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, কৃষি হবে দুর্বার’ প্রতিপাদ্যে রূপসা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ২৭০ জন কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রোপা আমন হাইব্রীড ও উপসী ধান বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বুধবার সকাল ১০টায় রূপসা উপজেলা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রূবাইয়া তাছনিম এর সভাপতিত্ব স্বাগত বক্তৃতা করেন কৃষি কর্মকর্তা মো:ফরিদুজ্জামান। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম‍্যান কামাল উদ্দিন বাদশা, জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা কাজী জাহাঙ্গির হোসেন, ভাইস চেয়ারম‍্যান ফারহানা আফরোজা মনা,কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা এস এম ফেরদাউস, শিউলি মজুমদার, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাহিরা খাতুন,উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, এমপি প্রতিনিধি আজমল ফকির,কৃষক নজরুল ইসলাম, আসাদ শেখ, যতিন হালদার প্রমূখ।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অভয়নগরে একটানা কঠোর লকডাউন।। বিপাকে হতদরিদ্র, অসহায় খেটে খাওয়া মানুষ ।।

 

পেশাদারিত্বের মধ্য দিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অনিয়ম অপরাধ নির্মূল করাই আমাদের কাজ: ওসি মোশাররফ

 

পেশাদারিত্বের মধ্য দিয়ে আইন, পেশাগত দক্ষতা, নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পাশাপাশি জনগণের প্রতি সুশীল আচরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন বাংলাদেশ পুলিশ। দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করছেন খুলনা জেলার রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরদার মোশাররফ হোসেন।

থানায় যোগদানের পর থেকেই টনক নড়েছে অপরাধীদের। সমাজের সকল ধরনের অপরাধ আর অপরাধীরা রয়েছে আতঙ্কে। প্রতিহিংসা ও লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে থেকে ভালোবাসা কোমলতা আর কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে পেশাদারিত্ব দায়িত্বের মধ্যে দিয়ে শুরু করেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাসহ নানা অনিয়ম অপরাধ নির্মূলের কাজ। সাধারণ মানুষের আস্থা আর নির্ভরতার থানা বাস্তবায়নে তিনি কাজ করে চলেছেন। ুযেখানে কোন রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিচয়ে কোনও অনিয়ম, দুর্নীতিকে প্রশয় দেওয়া হয় না। যে কোনও অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া মাত্রই নেওয়া হচ্ছে কঠোর আইনি ব্যবস্থা। অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে ওসি মোশাররফ স্বপ্রণোদিত হয়ে যে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন তা এখনও চলমান আছে।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অনিয়ম অপরাধ নির্মূল করাই আমাদের কাজ: ওসি মোশাররফ

 

রাজনৈতিক পরিচয়ে অপরাধ করার কোনও সুযোগ তার কাছে নেই, দলীয়ভাবে কখনও কোনও অপরাধীকে রক্ষা করার ঢাল হিসাবে ব্যবহার করার বিন্দুমাত্র সুযোগ ওসি মোশাররফ দেন নাই এবং দেবেন না। কারণ পুলিশের কাছে অপরাধীর পরিচয় অপরাধীই। গুটি কয়েক মানুষের অপরাধের জন্য থানা পুলিশের অনন্য অর্জনগুলো স্লান হতে দিতে চান না। থানার অধীনস্থ স্টাফদের প্রতিও তিনি অমায়িক এবং আন্তরিক। তাদেরকে তিনি তার অধীনস্থ ভাবেন না, ভাবেন একজন সহকর্মী, একজন ষ্টাফ, একজন বন্ধু। তাদের কাজে সহযোগিতা ও কাজ বন্টন করে দেওয়া এবং মামলায় জটিলতা সৃষ্টি হলে কৌশলী সুপরামর্শ দিয়ে প্রশংসিত স্টাফদের কাছেও।

আরো জানা যায়, তিনি এইভাবে ধর্ম-বর্ণ, জাত-গোত্র, উচু নিচু, ধনী গরীবের বিবেচনা না করে কেবল মানুষ মানুষের জন্য এমন চিন্তা চেতনায় সর্বসময় বিপদগ্রস্থ মানুষের পাশে ছায়া হয়ে দাড়ানোর পাশাপাশি নিজের সাধ্যর চেয়েও অধিক সহযোগিতা করে এখন ভালোবাসায় সর্বজন প্রিয় ও পরিচিত ওসি মোশাররফ হোসেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, থানায় তাঁর কক্ষে অবস্থান নেওয়া বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে তিনি কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী। থানায় আসা ব্যক্তিদের সাথে সাবলীলভাবে হাস্যোজ্জ্বল মুখে কথা বলেন। উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা বিভিন্ন সমস্যা সম্বলিত লোকজনের কথাও শুনছেন এবং স্টাফদের যার যার কাজ ভাগ করে দিয়ে সমস্যা নিরসনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। টিমওয়ার্ক আর কাজের দক্ষতায় সমস্যা নিয়ে আসা লোকজন হাসিমুখে থানা থেকে বাহির হতে দেখা যায়।

কোভিড-১৯ করোনা মহামারীতে বিশ্ব যখন স্তব্ধ ও অসহায়, বাংলাদেশের সকল পুলিশ প্রশাসনের মত রূপসা থানা পুলিশের ওসি মোশাররফ হোসেনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সকল স্টাফদের নিয়ে করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। করোনাকালীন সময় স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় উদীয়মান শিক্ষার্থীরা অনেকে জড়িয়ে পড়েছিল চোরাকারবারিসহ অসামাজিক কার্যকলাপে। তাদেরকে এই দূর্গম অনিশ্চিত পথ থেকে ফিরিয়ে এনে নতুন ভাবে যাতে এ ধরনের কার্যকলাপে কোন শিক্ষার্থী জড়াতে না পারে তার জন্য উপজেলার প্রতিটা ইউনিয়নে বিট পুলিশিং সভা-সেমিনার আনুষ্ঠানিকতায় যোগদান করে দিয়েছেন কঠিন হুশিয়ারী ও কোমল বাণী।এতে করে সামাজিক অবক্ষয়, অপরাধ প্রবনতা যেমন হ্রাস পেয়েছে তেমনি স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও কমেছে।

উপজেলায় মাদক, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, জঙ্গি ও সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধে, উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে বিট পুলিশিং সভা সহ বিভিন্ন কার্যক্রম নিরলসভাবে চালিয়ে যান রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ। ওসি হিসেবে রূপসা থানায় যোগদানের পর থেকে বেশ কয়েকটি আলোচিত ঘটনার তথ্য উৎঘাটন, উপজেলা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে গুজব প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করেন। খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে গড়ে তোলা হয়েছে টিম ওর্য়াক। এলাকার ছোটখাটো ঘটনা সমুহ থানায় কিংবা আদালতে গড়ানোর আগেই বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হচ্ছে বাদী বিবাদীর সম্মতিতে। সম্প্রতি মাদক, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই বন্ধকরণসহ চিহিৃত মাদক চোরাচালানী গ্রেফতার বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধারসহ অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য জেলার শ্রেষ্ট অফিসার ইনচার্জ এর পুরস্কারে ভুষিত হয়েছেন।

ওসি মোশাররফ হোসেন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশিত সেবাকে দ্রুত জনগণের দোঁরগোঁড়ায় পৌঁছে দেন অনন্য কৌশলে। পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের পর থেকে খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান এর নির্দেশনায় অত্যন্ত সুনামের সাথে সাধারণ মানুষের কাছে মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে সাড়াশি অভিযানের নির্দেশে উপজেলার মাদক ব্যবসা অধিকাংশ ক্ষেত্রে দমন করা সম্ভব হয়েছে। গ্রামের নিরীহ মানুষকে হয়রানি, চাঁদাবাজি দায়িত্ব অবহেলা বন্ধেও কাজ করেন ওসি মোশাররফ। পুলিশের প্রতি অনেকের যে বিরূপ ধারণা ছিল তা বদলে দিতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। নিয়ম নীতিতে কাজ করে তিনি এখন জনগণের কাছে প্রশংসিত হচ্ছেন।

ওসি সরদার মোশাররফ হোসেন এর কাছে আইন শৃংখলাসহ সার্বিক বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার কাজই হচ্ছে সমাজের অপরাধীদের চিহ্নিত করে তাদের আইনের আওতায় আনা ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। যখন কেউ সমাজের জন্য ভালো কিছু করতে চাইবে, অবশ্যই সে নানা বাধা প্রতিকূলতা, প্রতিবন্ধকতা ও নির্যাতনের শিকার হবে, আমিও তার ব্যতিক্রম নয়। ইতোপূর্বেও তিনি সমাজের অপরাধীদের কালো মুখোশ উম্মোচন করতে অনেক বাধা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন, তাই বলে তার কাজ থেমে থাকবে না বলেও জানান। আমার প্রত্যাশা রূপসা থানাকে বৃহত্তর খুলনার মধ্যে একটা উদাহরণ দেওয়ার মতো থানায় পরিণত করতে চাই।’আর এই করোনাভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে‘উপজেলাবাসী আপনাদের নিরাপত্তায় আমরা বাইরে আছি, আপনারা ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন।

//আ. রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

আরও পড়ুন….

খুলনা বিভাগে একদিনে এ যাবত কালের সর্বোচ্চ মৃত্যু ও সনাক্ত

 

 

খুলনায় ২২ জুন মঙ্গলবার থেকে ৭দিনের কঠোর লকডাউন ঘোষনা

 

খুলনায় ২২ জুন মঙ্গলবার এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার (২২ জুন) থেকে পরবর্তী সাতদিন জেলা ও মহানগরে এ কঠোর লকডাউন পালন করা হবে।

শনিবার (১৯ জুন) দুপুরে জেলা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এসময় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, কাঁচামাল ও ঔষধ বহনকারী যানবাহন ব্যতীত কোন গণপরিবহণ খুলনায় প্রবেশ করতে বা বের হতে পারবে না।করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। রবিবার ও সোমবার পূর্বনির্ধারিত কঠোর বিধিনিষেধ অব্যাহত থাকবে।করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা ও মহানগর কমিটির সভায় সভাপতির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন শনিবার দুপুরে সম্মেলন কক্ষে এসকল সিদ্ধান্ত জানান।

জেলা প্রশাসক আরও জানান, খুলনা জেনারেল হাসপাতালকে ৭০ শয্যার করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে রূপান্তর করা হয়েছে। এটি আগামীকাল থেকে চালু হবে। কঠোর লকডাউন বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য অতিশীঘ্রই গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকলকে অবহিত করা হবে। মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে মোবাইলকোর্টের মাধ্যমে জরিমানা আদায়, স্বাস্থ্যবিধি পালনে মনিটরিং জোরদার করা এবং প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হতে প্রচার-প্রচারণা চলমান থাকবে।

সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মোঃ কামাল হোসেন এবং খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন, বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডাঃ রাশেদা সুলতানা ও সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

সভায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) এসএম ফজলুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোঃ রবিউল হাসান, মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইউসুপ আলী, ডপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। 

খুলনা ব্যুরো:

Dainik Biswa

জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মুকুলের কন্যার সুস্থতা কামনা

আজ খুলনা করোনা হাসপাতালে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে