মাগুরায় চাঁদাবাজির মামলায় কথিত সাংবাদিক কারাগারে

 

মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলা সদরে চাঁদাবাজির মামলায় মাগুরা সংবাদ নামের অনলাইনের এক সম্পাদককে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সঙ্গীয় অপর আসামী উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক পলাতক রয়েছেন।
সোমবার (১৬ অগাস্ট) প্রধানমন্ত্রীর আশ্রায়ন প্রকল্প -২ এর উপকারভোগীদের কাছে চাঁদা দাবি ও মারধোরের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় স্থানীয় ফেসবুকভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল মাগুরা সংবাদের সম্পাদক আশরাফুল আলম সাগর ও উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহকে আসামী করে ওবাদুর রহমান নামের এক ব্যক্তি থানায় মামলা করেন। মামলার বাদী আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা।
সাগরের বাড়ি উপজেলার পলাশবাড়িয়া ইউনিয়নের মৌফুলকান্দি গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের আকরাম হোসেনের ছেলে। আরেক অভিযুক্ত উপজেলা সদরের বাঐজানি জেলখানা পাড়ার গদা শেখের ছেলে।
সোমবার বিকেল ৩ টায় সাগরকে মাগুরার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. হাসিবুল হাসানের আদালতে গ্রেফতাকৃত সাগরকে হাজির করিলে আসামির উকিল জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, মহম্মদপুর উপজেলা সদরে মধুমতি নদীর পূর্বপাড়ে জাঙ্গালিয়া গ্রামে আশ্রায়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় সম্প্রতি ১৩টি ভূমিহীন পরিবারের মধ্যে ঘর হস্তান্তর করা হয়। গতকাল রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে সাগর ও আবদুল্লাহ আশ্রয়ন প্রকল্পের বসতিদের বাড়িতে যান।
তাঁরা দুইজন পরিবার প্রতি দশ হাজার টাকা দাবি করেন। একটি ফরমে স্বাক্ষর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে আরও ভালো ঘর পাইয়ে দেবে বলে প্রলোভোন দেয়।
টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তাঁরা আশ্রয়নের বসতি লোকজনের সাথে বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে ওবায়দুর নামের এক ব্যক্তিকে মারধোর করেন। এসময় লোকজন জড়ো হয়ে ধাওয়া করে সাগরকে আটকে রাখে ও আবদুল্লাহ পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
পরে তাঁরা বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রামানন্দ পালকে মোবাইল ফোনে জানান। পরে পুলিশ গিয়ে সাগরকে গ্রেফতার করে।
সাগর নিজেকে ফেসবুকভিত্তিক মাগুরা সংবাদ নামের স্থানীয় একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের সম্পাদক ও একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের চেয়ারম্যান বলে দাবি করেন। সাগরের বাবা আকরাম হোসেন গণপূর্ত বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী। তাঁর স্ত্রী ও চার বছরের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।
কারাগারে নেওয়ার আগে সাগর বলেন, মিথ্যা অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা করা হয়েছে।
মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাসির উদ্দীন জানান, গত রাতে আশ্রায়ন প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের হাতে আটক সাগরকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়। আজ মামলার পর তাঁকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। আরেক আসামী আবদুল্লাহ ঘটনার পর থেকে পলাতক আছেন। পুলিশ অভিযুক্ত সাগরের কাছ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরের ভুয়া ফরম ও আবেদনের কাগজপত্র জব্দ করেন এবং এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।
মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ( ইউএনও) রামানন্দ পাল জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার আশ্রায়ন প্রকল্পের-২ এর সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে প্রতারনার মাধ্যমে চাঁদা দাবি ও মারধরের ঘটনায় মামলা হয়েছে।

//সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

পাবজি- ফ্রি ফায়ার গেম বন্ধ: নির্দেশ হাইকোর্টের

 

 

 

বরিশালের টরকী বন্দর বাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, দেড় কোটি টাকা লুট

বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার টরকী বন্দর বাজারে ১৪ আগস্ট শনিবার রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংগঠিত হয়।ডাকাতদল ১৩টি দোকানের তালাভেঙে ৫জনকে আহত করে প্রায় দেড় কোটি টাকা লুট করে নিয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী সুত্রে জানা যায় ১৪আগস্ট শনিবার রাত ২টা ১৫ মিনিটে মুখোশ পরিহিত ৫০/৬০ জন অস্ত্রধারী ডাকাতদল সিনেমা স্টাইলে টরকী বন্দরের ভিতরে চেকপোস্ট বসিয়ে বাজারের রাজপট্টি৬টি দোকান, মন্দির গলি ৫ টি দোকান এবং মধ্যচরে ২টি দোকানের তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে দেড় কোটি টাকা লুট করে নিয়ে যায়।

এ সময় ডাকাতদল ৪০জন ব্যবসায়ী ও রাতের গাড়ীতে আসা পথচারীদের রশি দিয়ে বেঁধে তাদের সর্বস্ব লুট করে নিয়ে যায়। তালুকদার মেডিকেল হলও বিকাশ পয়েন্টের মালিক অহিদুল ইসলাম জানান ডাকাতদল বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে তার দোকানের তালা ভেঙে নগদ পৌনে ৪ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। জেরিন এন্টারপ্রাইজের মালিক গাজী জাকির হোসেন জানান তার দোকানের তালা একই ভাবে ভেঙে তার সিন্দুকে থাকা ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

তারা আরো জানায় তাদের দোকান সহ মোট ১৩ টি দোকানে প্রায় আড়াই ঘন্টা বসে ডাকাতি করে ট্রলার নিয়ে চলে যায় ডাকাতদল। নৈশপ্রহরী জানান ডাকাতদল একাধিক ট্রলার নিয়ে বন্দরে এসে সিনেমা স্টাইলে বন্দরে ঢুকে চেকপোস্ট বসিয়ে ডাকাতি করে।তারাএ সময়৫০ জন দোকানী,পথচারী ও নৈশ কোচের যাত্রীকে বেঁধে রাখে।

এ বিষয় টরকী বন্দর বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন টরকী বন্দরের ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশক্যাম্প স্থাপন করা হলেও ডাকাতির সময় ক্যাম্পের ইনচার্জকে মুঠোফোনে খবর দিলেপুলিশ ডাকাতি চলাকালীনসময় ঘটনাস্থলে আসেনি। অভিযোগের বিষয় ক্যাম্পের ইনচার্জ উপর পরিদর্শক শাহীন সরদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন আমাকে কেউ ডাকাতির খবর দেয়নি। রাত ৪ টায় নৈশ প্রহরীর মাধ্যমে জানতে পেরে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্হলে পৌছি।

গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্তকর্মকর্তা (ওসি)মোঃ আফজাল হোসেন বলেন ডাকাতির খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তের অনুসন্ধান চলছে।খুব শীঘ্রই রহস্য উদঘাটন সহ জড়িতদেরকে গ্রেফতার করা হবে।

 //পলাশ চক্রবর্ত্তী, বিশেষ প্রতিবেদক বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মহম্মদপুরে ইয়াবাসহ মুদি ব্যবসায়ী আটক

 

মহম্মদপুরে ইয়াবাসহ মুদি ব্যবসায়ী আটক

//শ্যামল বিশ্বাস, মহম্মদপুর, মাগুরা প্রতিনিধি//

মহম্সদপুরে নহাটা বাজার নারানদিয়া রোডের মুদি ব্যবসায়ী রায়হান খন্দকার (৩০) নামের এক যুবককে ২৬পিচ ইয়াবাসহ আটক করেছে পুলিশ। রবিবার দুপুরে তাকে তার দোকান থেকে আটক করা হয়। রায়হান মাগুরা সদর উপজেলার বেরইল পলিতা ইউনিয়ন বাটাজোড় গ্রামের রকিব খন্দকার ছেলে। মহম্মদপুর থানার ওসি মোঃ নাসির উদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

যশোরে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদকব্যবসায়ী মা ও ছেলে গ্রেফতার

//নিজস্ব প্রতিনিধি//

সারাদেশে করোনার সংকটকালে মহাসংকট হয়ে দেখা দিয়েছে মাদক ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য। মাদক ব্যবসায়ীদের এই দৌরাত্ম্য রোধ করে সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করার লক্ষ্যে সারাদেশে কাজ করছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একটি চৌকস টীম। তারই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী যশোর জেলাকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে যশোর জেলা পুলিশের একটি বিশেষ টীম কোতোয়ালি থানাধীন মুজিব সড়কের রেলগেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মহিলা মাদক ব্যবসায়ী ১. নাহার নূর নাহার, স্বামী – মৃত মনোয়ার হোসেন বাবলা,রেলগেট পশ্চিমপাড়া,থানা- কোতয়ালি,জেলা- যশোর ও তার ছেলে ২. মনির হোসেন অন্তর, পিতা- মনোয়ার হোসেন বাবলা, রেলগেট পশ্চিম পাড়া, থানা- কোতোয়ালি, জেলা- যশোরদ্বয়কে ১ শত পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করেন। উল্লেখ্য ১ নং আসামি নাহার নূর নাহারের নামে ইতিপূর্বে ৫ টি মাদক মামলা ও ২ নং আসামি তার ছেলে মনির হোসেন অন্তরের নামে ৩ টি মামলা রয়েছে এবং উপরোক্ত বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

যশোরে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ৪সদস্য গ্রেফতার

 

খুলনার বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতদের দৌরাত্ম দেখা যায়।তারা বিভিন্ন সময় ডিবি পুলিশের সদস্য পরিচয় দিয়ে ফাঁকা জায়গায় গাড়ি অবরোধ করে ডাকাতি করে। ঠিক একইভাবে গতকাল ভোরে গাড়ির ডাইভার ইকবাল হোসেন এবং সঙ্গীয় যাত্রীকে নিয়ে ঢাকা থেকে সাতক্ষীরার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে রূপসা ফেরিঘাট হয়ে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানার গুটুদিয়া নামক স্থানে আসলে ডাকাত দলের সদস্যরা ১ টি মাইক্রোবাস ও ১ টি প্রাইভেটকার দিয়ে গতিরোধ করে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে গাড়ির ড্রাইভার ও যাত্রীকে আটক করে এবং চোখ- হাত- পা বেঁধে যশোর জেলার বাঘারপাড়া থানার সাইটখালী এলাকায় ফেলে চলে যায়।

স্থানীয় জনগণ তাদের উদ্ধার করে সার্বিক বিষয় জানতে পেরে বাঘারপাড়া থানায় অবহিত করলে এলাকার লোকজনের সার্বিক প্রচেষ্টায় সকাল ১০ টায় সুকদেব নগর এলাকা থেকে লুন্ঠিত মাইক্রোবাস ও গাড়িতে থাকা ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মালামালসহ ১। মিজানুর রহমান(৪০), পিতা-মৃত মুক্তার হোসেন, গ্রাম-নয়নপুর, থানা-নড়াগাতি, জেলা-নড়াইল, ২। জাহাঙ্গীর হোসেন(৩০), পিতা-মোঃ জমাত আলী, গ্রাম-মাছখোলা, থানা ও জেলা-সাতক্ষীরা, ৩। দেলোয়ার হোসেন(৫২), পিতা-নাজির উদ্দিন শেখ, গ্রাম- সেতাই, থানা- শার্শা, জেলা, যশোর ও ৪। মোঃ কামরুজ্জামান(৩৫), পিতা-নুরুল ইসলাম, গ্রাম -সেতাই, থানা-শার্শা, জেলা-যশোরকে গ্রেফতার করেন। উল্লেখিত বিষয়ে মাইক্রোবাসের চালক ইকবাল হোসেন বাঘারপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

ঘটনাটি চাঞ্চল্যকর ও স্পর্শকাতর হওয়ায় যশোর জেলার গোয়েন্দা বিভাগের বিশেষ টীম তদন্তে নেমে ধৃত আসামিদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী খুলনা মেট্রোপলিটনের খালিশপুর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত ১ টি প্রাইভেটকার, ২ টি চাকু,লুন্ঠিত নগর ২০ হাজার টাকা ও ২ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারেন, ধৃত ও পলাতক আসামিগণ একটি সংঘবদ্ধ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য।আরো জানতে পারেন আসামিরা গাড়িতে স্বর্ণ আছে এই খবরের আলোকে বাদী ও অন্য একজনকে আটক করেন।বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় তদন্ত অব্যাহত আছে।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Daily World

খুলনায় হিন্দু পরিবারের উপর হামলা মন্দির ভাংচুরের প্রতিবাদে রাণীশংকৈলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ

 

বরিশাল নগরীতে পুলিশের অভিযানে ৩০০০ ইয়াবা সহ আটক ২

 

গত কাল বুধবার (১১আগস্ট) রাতে বরিশাল নগরীর কাউনিয়া হাউজিং এলাকা থেকে৩(তিন)হাজার পিস ইয়াবা সহ২(দুই)জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে বলে আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় এক সংবাদ সন্মেলনে বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের পক্ষথেকে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিএমপি কাউনিয়া থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ ইব্রাহিম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিএমপি উপ-পুলিশ কমিশনার( উত্তর) জাকির হোসেন এবং অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার রুনা লায়লার দিক নির্দেশনায় কাউনিয়া থানা পুলিশএ অভিযান পরিচালনা করে ২(দুই) জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেন।

শেরে বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে লক্ষীপুর সদর থানার নাছির নগর গ্রামের তোফায়েল ফকিরের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী ইউসুফ ফকির (৪১) ও সন্দীপ থানার হরিসপুর গ্রামের মৃত বাবু মিয়ার পু্ত্র মাদক ব্যবসায়ী মামুনকে (৩৫)আটক করেন।এবং তাদের কাছ থেকে ৩(তিন) হাজার পিচ ইয়াবা উদ্ধার করেন। এছাড়া মাদক কেনাবেচায় ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়।

 

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয় আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীরা প্রায়ই বরিশাল নগরী সহ আশেপাশে এলাকায় মাদক এনে বিক্রি করত।মাদক ব্যবসায়ী ইউসুফের বিরুদ্ধে পুর্বেই ৫ টি মাদক মামলা রয়েছে বলেও জানানো হয়। এ ঘটনায় আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে (মামলা নং ১২)। তারিখঃ ১২.০৮.২০২১।

//পলাশ চক্রবর্ত্তী, বিশেষ প্রতিবেদক বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জগন্নাথপুরে জনস্বাস্থ্য ও মুক্তিযোদ্ধা ভবন উদ্বোধন করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান

 

জগন্নাথপুরে বিকাশে প্রতারক চক্র হাতিয়ে নিল ২লক্ষ ৩৫হাজার টাকা

 

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ বাজারে বিকাশে দোকান শুরু করার পূর্বে প্রতারক চক্র হাতিয়ে নিল ২ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা। বিকাশ অফিসে বার বার ঘুরে তথ্য তুলার জন্য আবেদন করেও মিলছে না। প্রশাসনের লোকের কাছেও দেয়নি তারা। তাহলে কি বিকাশের লোক প্রতারক চক্রের সাথে জড়িত এমন প্রশ্ন করছেন প্রতারিত বিকাশের দোকানের মালিক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের মো. তোয়াহিদ মিয়ার ছেলে মো.সুলেমান মিয়া ডাচ বাংলা এজেন্ট ব্যাংকি শুরু করতে যাচ্ছিলেন।

এজেন্ট ব্যাংকের পাশাপাশি মোবাইল ব্যাংকিং সেবার জন্য বিকাশ এজেন্ট সিম নিয়েছিলেন। শুরু করার আগেই বিকাশ সিম নিয়ে অল্প অল্প লেনদেন করেন। সোমবার (১৫ জুলাই) প্রায় সাড়ে ৪টার দিকে একটি অপরিচিত ০১৮১৭-৯৩৭৩১৬ এই নাম্বারে ফোন দিয়ে বলে যে সে বিকাশ অফিস থেকে ফোন দিয়েছে। তার দোকানে তথ্য সংগ্রহ করবে। পরে ০১৭৫৪৯৩০০৫৩ এই বিটিবি নাম্বার দিয়ে ফোন দেয়। একটু পরে এজেন্ট নাম্বারে ভেরিফাই কোড পাঠিয়েছে বলে। এটা টাইপ করতে বললে দোকানদার তাদের কথা মত কোড টাইপ করে। পরে এজেন্ট নাম্বারে টাকা লোড করতে বলে তাদের কথামতে একে একে এজেন্ট নাম্বারে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা লোড করে। পরে দোকানদারের বাড়ীতে থাকা আরো তিনটি পারসোনাল নাম্বারে টাকা দিতে বলে তাদের কথা মত এই তিনটি পারসোনাল নাম্বারে টাকা লোড করে। একটু পরে দেখতে পায় কোন নাম্বারে টাকা নাই। সাথে এজেন্ট নাম্বার সহ পরিবারের ৩টি নাম্বারের সব বিকাশের পিন পরিবর্তন করে দিছে।

সাথে সাথে বাজারে থাকা অন্য বিকাশ এজন্টের কাছে আসলে হাউজের সাথে যোগাযোগ করলে তারা হেল্প লাইনে যোগাযোগ করতে বলে।

ঘটনার ঘটার কয়েক মিনিটের মধ্যে হেল্প নাইনে যোগাযোগ করে ২দিন সময় নিয়ে তারা কিছু করতে পারে নাই। পরে সুনামগঞ্জ র্যাব ৩এ একটি অভিযোগ দিলে তারা প্রায় ২দিন চেষ্টা করে ৪টি নাম্বার সংগ্রহ করে যে যে নাম্বারে টাকা গিয়েছে সে নাম্বারের তথ্য দেন। তারা পরামর্শন দেন জগন্নাথপুর থানায় অভিযোগ দিতে।

থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর কাজ শুরু করতে প্রয়োজন হয় ঘটনা ঘটার দিনের এজেন্ট সিমের তথ্য। এই দিনের তথ্য বার বার ফোন করে তথ্য না পেয়ে মামলার দায়িত্বে থাকা জগন্নাথপুর থানার এসআই শফিকুল ইসলাম শফিক বিকাশের জগন্নাথপুর অফিসে গেলে অফিসে লোক তাদের বসের নাম্বারদেন সেখানে যোগাযোগ করলে তিনি জানান কোর্ট থেকে অর্ডার নিয়ে আসতে হবে নতুবা তারা তথ্য দিবেন না।

এ ব্যাপারে বিকাশ এজেন্ট এর মালিক সুলেমান মিয়া বলেন, আমি নতুন বিকাশ এজেন্ট নিয়েছি।

শুরু করতে না করতে বড় ধাক্কা খেয়েছি। আমার মোবাইল ফোনে আমাদের মার্কেটের বিটিবি নাম্বারে ফোন আসায় বিশ্বাস করে তাদের কথা মত কাজ করি।

পরে বিভিন্ন স্থানে গিয়ে সাহায্য পেলেও আমার বিকাশ হাউজের পক্ষ থেকে কোন ধরনের সহযোগিতা পাই নাই। যে দিন ঘটনা ঘটেছিল সে দিনের তথ্য এখনো পর্যন্ত দেয় নাই। আমি সিলেট কাষ্টমার কেয়ারে গিয়েও তথ্য পাই নাই। আমি বার বার আমাদের এজেন্ট হাউজের লোকদের বলে তথ্য না পেয়ে, থানায় অভিযোগ দিয়েও পাই নাই।
আমি জেনেছি আমার সাথে আসা কয়েকটি নতুন এজেন্টকে এভাবে ফোন দেওয়া হয়েছে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমাদের সিম যে নতুন এজেন্ট নাম্বার হয়েছে এটা প্রতারক চক্র কিভাবে বুজলো।

শুধু নতুন এজেন্টদের ফোন দেয় এটা আমাদের চিন্তা করতে হবে। তাহলে কি বিকাশের লোক প্রতারক চক্রের জড়িত? এ বিষয়ে তথ্য নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আইন শৃঙখলা বাহিনির প্রতি অনুরোধ রইল।

এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার এসআই শফিকুল ইসলাম শফিক জানান, আমাদের থানায় অভিযোগ আসার পর মামলার তদন্ত করার দায়িত্ব আমার কাছে আসে। প্রথমে আমি ঘটনা ঘটার দিনের তথ্য কালেকশন করতে যাই কিন্তু বিকাশের অফিসে গিয়ে তথ্য না পেয়ে পরে ফোন তাদের লোকদের সাথে আলাপ করলে তারা জানায় কোট থেকে অর্ডার নিয়ে আসতে হবে নতুবা তারা তথ্য দিবে না।

এ ব্যাপারে জানতে টেরিটরি ম্যানেজার সজিব সাহার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিকাশে তথ্য নিতে চাইলে থানার মধ্যে দুটি নাম্বার দেওয়া আছে এ নাম্বারে যোগাযোগ করলে অফিস তথ্য দিয়ে দিবে। যদি তারা বলে কোর্ট থেকে অর্ডার নিয়ে আসতে হবে, তাহলে আগামী কাল বসের সাথে আলাপ করে এ বিষয়ে জানাবো।

এ ব্যাপারে জানতে বিকাশ হেড অফিসের তাসকির রহমানে সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মামলা বিষয় হলে কোর্টের আদেশ লাগে। কোর্ট বিকাশকে আদেশ করবে তথ্যটা দেওয়া জন্য এটা অফিসিয়ার করার জন্য মামলার আদেশ করা লাগে।

//মোঃ রনি মিয়া, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

সখীপুরে ছেঁড়া তারে জড়িয়ে শিশুর মৃত্যু

 

 

যশোরে মাদকদ্রব্য ও ইজিবাইকসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সীমান্তবর্তী যশোর জেলাকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে জেলা ও উপজেলা শহরে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

তারই ধারাবাহিকতায় আজ ০৯ আগস্ট রোজ সোমবার যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস টীম বেনাপোল পোর্ট থানাধীন বেনাপোল উত্তরপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতারকৃত আসামির বসতবাড়ির উঠান থেকে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ১. মোঃ হায়দার আলী (৫৮), পিতা- মৃত নুরুজ্জামান গ্রাম – বেনাপোল উত্তর পাড়া,থানা- বেনাপোল পোর্ট, জেলা- যশোরকে ৬০ বোতল ফেনসিডিল ও একটি ইজিবাইকসহ গ্রেফতার করেন।উদ্ধারকৃত মাদকসহ ইজিবাইকের মূল্য ৩ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা।

এ সংক্রান্ত বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে ।

বরিশালে ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী বুলেট ডাবল নারীসহ আটক

বরিশাল শহরে দীর্ঘদিন যাবত ইয়াবা ফেন্সিডিলের বাণিজ্য চালিয়ে আসা চরবাড়িয়ার এলাকার মাসুম খান বুলেটকে আটক করেছে বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের নগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গতকাল রবিবার ডিবি পুলিশ নগরীর বৈদ্যপাড়া থেকে দুইজন নারীসহ বুলেটকে বিপুল পরিমান ফেন্সিডিল সহ আটক করা হয়েছে।
বুলেটের সহযোগী আটকৃত দুই নারী হলেন, বরিশাল সদর উপজেলার বন্দর থানাধীন ৭ নং চরকাউয়া ইউনিয়নের দিনারের পোল এলাকার শিকদার বাড়ির মৃত মোহাব্বত আলী শিকদারের মেয়ে পারভিন বেগম (৪০) ও যশোর জেলা শরশা থানাধীন ১ নং কলোনির বাগাছড়া বকুলতলার গ্রামের নজরুল ইসলামের স্ত্রী মোসাঃ রিজিয়া আক্তার তানিয়া (৪২) দের ২০ বোতল ফেনসিডিল ও মাদক বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ৪টি মোবাইল ফোন এবং ১ টি মোটরসাইকেল সহ গ্রেফতার করা হয়।
আসামী বুলেট ও পারভীন বেগম ২নং আসামীর তানিয়ার ভাড়াটিয়ার বাসায় একত্রিত হয়ে র্দীঘ দিন ধরে মাদক লেনদেন করছিলো। অন্য একজন আসামী যশোর জেলা শর্শা থানাধীন ১ নং কলোনির বাগাছড়া এলাকার ফজর আলী গাইনের ছেলে মাদক সরবরাহকারী ইকবাল হোসেন পলাতক রয়েছে। তানিয়া যশোর থেকে ফেন্সিডিলের চালান নিয়ে বুলেটের কাছে আসে। আটকের প্রায় ২৪ ঘন্টা পার হলেও তথ্য দিতে লুকোচুরি দেখা গেছে অনেকটা।
তবে এবিষয়ে ডিবির এস আই সুজিত গোমোস্তা আজ সোমাবার বলেন তাদের কাছ থেকে ২০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন। বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের তোতা মিয়ার ছেলে ও আওয়ামীলীগ নেতা খান শাহিনের ভাই এই মাসুম খান বুলেট।
এর আগেও এ্যাডভোকেট লিখনের চেম্বার থেকে একাধিকবার তার ফেন্সিডিল উদ্ধার হলেও অজ্ঞাত কারনে পার পেয়ে যায় বুলেট। লিখন ও মাসুম খান বুলেট বরিশালে দীর্ঘদিন যাবত ইয়াবা ফেন্সিডিলের বাণিজ্য চালিয়ে আসছে। বরিশাল সদর উপজেলার বাসিন্দা বুলেট নগরীর কালুশাহ সড়কে বাসা নিয়ে থাকেন আর সেখানে বসেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে গড়ে তুলেছে মাদকের ভয়াল সিন্ডিকেট।
গতবছর যশোরে ফেন্সিডিল আনতে গিয়া আটক হয় বুলেটের সহযোগীরা তখন পালিয়ে আসে এই মাসুম খান বুলেট। সেই মামলায়ও পলাতক আসামি বুলেট বরিশালে প্রকাশ্যে চালিয়ে আসছিলো মাদক বাণিজ্য। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। এছাড়াও চরবাড়িয়া এলাকায় র্দীঘ দিন ধরে চলছে মাদক বেচা কেনার সিন্ডিকেট। তার সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত রয়েছে নগরীর হাসপাতাল রোর্ডসহ নগরীর একাধিক মাদক ব্যাবসায়ীরা।
একটি বিশস্ত সূত্র জানিয়েছে তার সাথে জড়িতরা এবার প্রশাসনের নজরে রয়েছে। বিষয়টি বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেছেন ডিবির এস আই সুজিত গোমোস্তা। আটকৃতদের নামে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে ।
// পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল//

ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার, প্রেমিকসহ গ্রেফতার ৪

 

হিন্দু ধর্মাবলম্বীর কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের সাথে মেবাইলের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে স্কুলছাত্রী খোদেজা খাতুন। পরে তার সাথে দেখা করতে গিয়ে বন্ধুদের সহযোগিতায় একাধিকবার ওই তরুণীকে ধর্ষণের পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করে প্রেমিক কৃষ্ণ চন্দ্র ও তার সহযোগীরা। পরে তারা ঐ ছাত্রীর লাশ ফেলে রেখে যায় ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের ধারে।

হত্যার এমন বর্ণনা দিয়েছে পিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার প্রেমিক টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝাউয়াইল এলাকার নগেন চন্দ্র দাসের ছেলে কৃষ্ণ চন্দ্র দাস ও তার সঙ্গীরা। হত্যার শিকার খোদেজা খাতুন গোপালপুর উপজেলার আলমনগর ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামের খোকন মন্ডলের মেয়ে এবং জয়নগর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। এর আগে গত ৩ আগস্ট ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের ভূঞাপুর উপজেলার ভরুয়া এলাকা থেকে অজ্ঞাত এক তরুণীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।

পরে ওই তরুণীর পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় ময়নাতদন্ত শেষে বেওয়ারিশ হিসেবে ভূঞাপুর ছাব্বিশা কেন্দ্রীয় কবরস্থানে লাশ দাফন করা হয়। পরে গত ৬ আগস্ট কৃষ্ণ চন্দ্রকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের নামে ভূঞাপুর থানায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় জেলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সদস্যরা ঘটনার মূলতোহা প্রেমিক কৃষ্ণ চন্দ্র দাসসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনার ৫ দিনের মধ্যেই আসল রহস্য বের করে পিবিআই।

পরে গ্রেপ্তার চারজনকে আদালতে সোপর্দ করেছে পিবিআই। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, গোপালপুর উপজেলার ঝাউয়াইল এলাকার নগেন চন্দ্র দাসের ছেলে কৃষ্ণ চন্দ্র দাস, ধনবাড়ি উপজেলার বলিভদ্র এলাকার মোশারফ হোসেনের ছেলে সৌরভ আহম্মেদ, একই এলাকার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মেহেদী হাসান টিটু ও মৃত মজিবর রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান।

রোববার (৮ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিরাজ আমিন প্রেস ব্রিফিং করে জানান, গত ৩ আগষ্ট টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের ভরুয়া এলাকায় অজ্ঞাতনামা বস্তাবন্দি অবস্থায় এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করে ভূঞাপুর থানা পুলিশ। পরে যুবতির পরিচয় না পেয়ে বেওয়ারিশ হিসেবে লাশ দাফন করা হয়। এ ঘটনায় পিবিআই ঘটনা স্থলে গিয়ে অনুসন্ধান চালায়।

এরপর গত ৫ আগস্ট বিভিন্ন সোর্স ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে অজ্ঞাতনামা লাশের পরিচয় পাওয়া যায়। পরে পরিবারের সাথে যোগাযোগ করলে ওই তরুণীর বাবা লাশের ছবি দেখে শনাক্ত করে। পরে পিবিআই টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উৎস এবং তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘটনায় জড়িত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন।

এ সময় তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকারোক্তিতে জানায়, কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের সাথে ওই তরুণীর বেশ কিছুদিন পূর্বে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয় হয়। সেই সূত্র ধরেই ওই তরুণীকে ধনবাড়িতে এক বন্ধুর বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণের এক পর্যায়ে ওই তরুণী ডাক চিৎকার করলে তার গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।

পরে ওই তরুণীর লাশ কৃষ্ণের তিন বন্ধু মিলে বস্তায় ভরে ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের ভরুয়া এলাকায় ফেলে রেখে যায়।

//মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Daily World

পটুয়াখালী ছাএলীগ নেতা, ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি আবু বক্কর সিদ্দিক গ্রেফতার