২০কোটি টাকার জাল স্ট্যাম্প, কোর্ট ফি ও রেভিনিউ সহ আটক ৪

 

বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম ইউনিট ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে  জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে।  

শুক্রবার দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার জানান, নজরদারি দুর্বলতার কারণে ছাপাখানায় জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প তৈরি হচ্ছে। এসব স্ট্যাম্প দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে। এরসঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত। এ চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতাররা হলেন- আবু ইউসুফ ওরফে পারভেজ ওরফে রানা, আতিয়র রহমান সবুজ, নাসির উদ্দিন ও নুরুল ইসলাম ওরফে সোহেল।

তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন মূল্যমানের ২০ কোটি ২ লাখ ২৪ হাজার টাকার পরিমাণ ১৩ লাখ ৪০ হাজারটি জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প, এক লাখ ৯৪ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের ১৯ হাজার ৪৮০টি জালকোর্ট ফি, জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প বিক্রির নগদ তিন কোটি ৬০ লাখ টাকা, ১১৪ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার, আটটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এছাড়া একটি পেনড্রাইভ, ডাক বিভাগ ও বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ১১টি সিল, ডাক বিভাগের রশিদের কপি ৩০০ পাতা, একটি বড় প্রেস মেশিন, কাটিং মেশিন, ডাই কাটিং মেশিন, বিভিন্ন ব্যাংকের ১ কোটি ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার ১৮টি চেকের পাতা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া আবু ইউসুফের কাছ থেকে যমুনা ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের তিনটি চেক বই উদ্ধার করা হয়।

গোয়েন্দা কর্মকর্তা হাফিজ আক্তার আরও জানান, নজরদারির দুর্বলতার কারণেই অপরাধীরা এ ধরনের অপরাধ কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। এটি একটি বড় চক্র। এ ধরনের জাল স্ট্যাম্পের কারণে সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। নিজস্ব ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করে অপরাধীরা এ ধরনের জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প ছাপাত। স্ট্যাম্পগুলো এতটাই নিখুঁত ছিল যে, খালি চোখে ধরার কোনো সুযোগ ছিল না। কাগজগুলো হুবহু একই রকম। তিনি বলেন, হঠাৎ বড় লোক হওয়ার স্বপ্নে ২০১৭ সালে চক্রের সদস্যরা সীমিত পরিসরে রেভিনিউ স্ট্যাম্প তৈরির কাজ শুরু করে। ২০১৯ সাল থেকে তারা নিজস্ব ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করে এসব জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প ছাপিয়ে আসছিল। সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেসের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান হাফিজ আক্তার।

জাল রেভিনিউ স্টাম্প বানানোর সঙ্গে জিপিও পোস্ট অফিসের কেউ জড়িত কিনা- এমন প্রশ্নের উত্তরে হাফিজ আক্তার বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে এখনও তাদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি আসেনি। তবে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এ চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত সে সম্পর্কে আমরা নিশ্চিত হতে পারব। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এটি একটি বড় চক্র। জাল স্টাম্প বানানোর কাগজ তারা কোথা থেকে সংগ্রহ করতো তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ঢাকার মাতুয়াইলে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে কারখানা স্থাপন করে চক্রটি। তিন ধাপে চলে তাদের প্রতারণা। প্রথম ধাপে, মুদ্রণের জন্য অপারেটর নিয়োগ দেওয়া হতো। ছাপার কাজ শেষ হলে দ্বিতীয় ধাপে হোলসেলারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হতো জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প ও কোর্ট ফি। তৃতীয় ধাপে ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছে দিত চক্রের সদস্যরা।

ডিবি কর্মকর্তারা জানান, ইউএভি মেশিনে দেওয়ার পর নকল স্ট্যাম্পে কাল রেখা দৃশ্যমান হয় না। নকল স্ট্যাম্পে জলছাপ জ্বলজ্বল করে না। বিভিন্ন অফিস-আদালতে জাল স্টাম্প ও কোর্ট ফি বিষয়ে প্রতারণার হাত থেকে রেহাই পেতে ইউএভি মেশিন ব্যবহারের পরামর্শ দেন তারা।

// দৈনিক বিশ্ব অনলাইন //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চান্দ্রার বাখরপুরে অপরাধ প্রবনতা বৃদ্ধি সন্ত্রাসী হামলায় মানুষ আতংকিত

 

চান্দ্রার বাখরপুরে অপরাধ প্রবনতা বৃদ্ধি সন্ত্রাসী হামলায় মানুষ আতংকিত

 

চান্দ্রার বাখরপুরে অপরাধ প্রবনতা বেড়েছে,, চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়নের বাখরপুরে একের পর এক, বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় স্হানীয় এলাকার নারী, শিশু ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত আতংকিত হচ্ছে। সরজমিনে গিয়ে জানাযায় ইতিপূর্বে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের একাধিক সন্ত্রাসী হামলায় বসতবাড়ি, দোকানপাট এমনকি প্রকৃতি সৃষ্টির অপরুপ সৌন্দর্যে সারিবদ্ধ ভাবে মূর্তমান সাজানো গাছগাছালি পর্যন্ত কেটে বিনাশ করে দিয়েছে কুখ্যাত সন্ত্রাসীরা।

এদিকে আজ ২৪ জুন শুক্রবার দুপুর প্রায় ২ টায় ২ নং ওয়ার্ড বাখরপুর গ্রামের গুম্বজ মসজিদ সংলগ্ন ছানা উল্যা খানের বাড়িতে এক বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলার লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে। এব্যপারে স্হানীয় সুত্রেঃ জানাযায় পূর্ব শত্রুতার জেরধরে একই এলাকার প্রতিবেশী ও একাধিক সন্ত্রাসী মামলায় আদালত থেকে ইতিপূর্বে জামিনে মুক্তি পাওয়া কুখ্যাত সন্ত্রাসী ইউসুফ গাজী গং ছানা উল্যা খানের ছেলে, মমিন খানের সাথে দীর্ঘ দিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে, পূর্ব শত্রুতার জেরধরে স্হানীয় ও বহিরাগত প্রায় ১৮ থেকে ২০ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র সহস্র নিয়ে, মমিনের বসতঘরে ঢুকে ঘরটি এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হামলা করে ঘরের মূলবান আসবাবপত্র সহ বিভিন্ন দরজা জানালা ভেঙ্গে ব্যপক খতি সাধন করে।

সন্ত্রাসীরা এখানেই খ্যান্ত হয়নি, সন্ত্রাসী ইউসুফ গাজী গং মমিন খানের বাড়ির চারপাশের সবুজে স্যমলে গেরা একাধিক গাছগাছালি কেটে বিনাশ করে এবং সন্ত্রাসীরা ঠান্ডা মাথায় বর্বরোচিত হামলা ছালিয়ে যাওয়ার সময়, মমিনের বৃদ্ধ বাবা ও বৃদ্ধা মা কে প্রাণনাশের হুমকি প্রধান করে বলে এরপর থেকে আমাদের সাথে কোন বারাবাড়ি করিলে তোদের ও তোদের ছেলে মমিন খানকে জীবনে শেষ করে ফেলবো।

সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনার সময় এলাকায় একচেটিয়া ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি হয়। অপরদিকে এঘটনার খবর পেয়ে ছানাউল্লাহ খানের ছেলে মমিন তার বাবা-মায়ের ও তার নিজের জীবনের নিরাপত্তার চেয়ে ২৫ জুন শুক্রবার বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৫ টায়, চাঁদপুর মডেল থানায় হাজির হয়ে নিন্মলিখিত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযুক্ত আসামিরা হলেন স্হানীয় ২নং ওয়ার্ড বাখরপুর গ্রামের মরহুম জলিল গাজীর ছেলে ইউছুফ গাজী (৫৫) তাজুল ইসলাম খান, দুদু খান,রহমান শেখ, সিদ্দিক শেখ, নাজির পাটওয়ারী, হাফেজ পাটওয়ারী, হামিদ খান সোহরাব শেখ, মিন্টু খান আমজাদ গাজী, জয়নাল গাজী,রুবেল গাজী সহ আরো স্হানীয় ও বহিরাগত অজ্ঞাত প্রায় ৬/৭ জন। ইউসুফ গাজী গংদের সন্ত্রাসী হামলার তান্ডবে এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

স্টাফ রিপোর্টার।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

২৮ তারিখ থেকে কঠোর লকডাউন।। বন্ধ থাকবে সরকারী বেসরকারী সব অফিস

 

 

কালিয়ায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী আটক ১

 

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার সমেরুখোলা গ্রামে অভিযান চালিয়ে শামীম শেখ (৩০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গাঁজাসহ আটক করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

২৫ জুন (শুক্রবার) রাত সাড়ে ১২ টার দিকে ওই যুবককে ৪৪০ (গ্রাম) গাঁজাসহ আটক করা হয়। আটককৃত শামীম শেখ ওই গ্রামের মোঃ ইউসুফ শেখের ছেলে। গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের এ এস আই মাহফুজুর রহমান এর নেতৃতে পুলিশের একটি দল উপজেলার সমেরুখোলা গ্রামে অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী শামীম শেখকে ৪৪০ (গ্রাম) গাঁজাসহ আটক করে।

এ বিষয়ে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের এ এস আই মাহফুজুর রহমান, বলেন, আটকপূর্বক আসামী কে নড়াইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং নিয়মিত মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

//মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরীঃ নড়াইল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

নড়াইলের কালিয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের

 

কানাডার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মাদকদ্রব্য জব্দ: মূল্য ৬কোটি ১ লক্ষ ডলার

 

কানাডার ইতিহাসে এটি সবচেয়ে বড় মাদক চোরাচালান জব্দের ঘটনা ঘটেছে। দেশটির টরেন্টোতে ছয় কোটি এক লাখ ডলার মূল্যের মাদকদ্রব্য আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ। এই ঘটনায় ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা সবাই আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান চক্রের সঙ্গে সরাসরি জড়িত।

 

জানা যায়, ২০ জনকে আটকের পাশাপাশি ১ হাজার কেজি মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। যার বাজারমূল্য ৬ কোটি ১ লাখ ডলার। এছাড়া তাদের কাছে ১০ লাখ ডলারও পেয়েছে পুলিশ। আটককৃতরা প্রজেক্ট ব্রিসা ডিসমেন্টালড নামক একটি আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান চক্রের সদিস্য।

 

এ ব্যাপারে টরেন্টো পুলিশ প্রধান জেমস র‍্যামার বলেন, ‘এই প্রথম আমরা এতো বড় আকারের একটি চালান জব্দ করেছি।’

এই অভিযান করার আগে ৬ মাস তদন্ত হয়েছে। এতে অংশ নেয় অন্তত ৯টি সংস্থা। এ প্রসঙ্গে র‍্যামার বলেন, সত্যি বলতে, দক্ষিণ আমেরিকার মাদক চোরাচালান চক্রগুলোর সঙ্গে এরা সরাসরি জড়িত। তাদের আটক করার থেকেও বড় বিষয়টি হচ্ছে, কানাডায় মাদকের এতো চাহিদা এবং বড় চালানের পৌছে যাওয়া।

::অনলাইন নিউজ::

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

 

 

মাগুরার শ্রীপুরে ৭৮৯ পিচ ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক

 

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার মাঝাইল-মান্দারতলা গ্রামের কামারখালী ব্রিজের নিচ থেকে বুধবার রাতে ৭৮৯ পিচ ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে নাকোল ক্যাম্পের পুলিশ।

শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাকোল ক্যাম্পের ইনচার্জ রেজা হাসমত এর নেতৃত্বে এস,আই জামাল উদ্দিনসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে কামারখালী ব্রিজের নিচ থেকে ৭৮৯ পিচ ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। এসময় তাদের ব্যবহৃত ২টি মোটর সাইকেলও উদ্ধার করে।

আটকৃতরা হলো-ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপাজেলার পূর্ব মাদলা গ্রামের সৈয়দ আলী মন্ডলের পুত্র আবেদ আলী(৪৫) একই উপজেলার দোহারো গ্রামের আব্দুর জব্বার মন্ডলের পুত্র আক্তার হোসেন(৪০) ও রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর গ্রামের রবিউল ইসলামের পুত্র মনিরুজ্জামান (২৩) ওরফে মুন্না বিশ্বাস।

এ ব্যাপারে নাকোল ক্যাম্পের ইনচার্জ রেজা হাসমত বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-১৩/২০২১। আটতকৃতদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

 //মাগুরা প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

গজারিয়ায় পলি ক্যাবল ইন্ডাস্ট্রিজে এক নির্মাণ শ্রমিকের অপমৃত্যু

 

অভয়নগরে (প্রা:) হাসপাতালে চিকিৎসা নামে চলছে গলাকাটা বাণিজ্য

 

অভয়নগরে (প্রা:) হাসপাতালে চিকিৎসা , যশোরের অভয়নগর উপজেলায় ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠা ( প্রাঃ) হাসপাতাল, বিগত প্রায় পাঁচমাস পূর্বে জেলা সিভিল সার্জনের ঝটিকা অভিযানে মুষ্টিমেয় কয়েকটি (প্রাঃ) হাসপাতাল সিলগালা করে বন্ধ ঘোষণা দিয়েছিলেন কিন্তু বাকি সমালোচিত ক্লিনিক গুলো কেন যে বন্ধ হলোনা তা অভয়নগর বাসির মনে প্রশ্ন জেগেছে ৷

নওয়াপাড়ায় প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসার নামে চলছে রমরমা গলাকাটা বানিজ্য ৷ গ্রাম্য-হাতুড়ে ডাক্তার নামধারীরা এইসব হাসপাতালে বড় শিশু ডাক্তার সেজে বসে থাকে ৷ জানাগেছে , চিকিৎসা সেবার নামে গড়ে উঠা প্রাইভেট হাসপাতালের নিয়োজিত কিছু দালাল চক্র দুর-দুরান্ত থেকে আসা সহজ-সরল নিরীহ রোগীদের কাছ থেকে হাজার হাজার অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে ৷ হাসপাতাল গুলো চলছে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের মোটা অংকের মাসোহারা দিয়ে ৷

ফলে সাধারণ মানুষ অর্থ খরচ করেও উপযুক্ত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ৷ এসব হাসপাতালের মালিকরা বছরে লক্ষ লক্ষ অর্থ বানিজ্য করে আসছে ৷ সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে , হাসপাতাল গুলোয় ১০ শয্যার অনুমতি থাকলে ও পাওয়া গেছে প্রায় ৩০ থেকে ৪০শয্যা বিশিষ্ট ৷ যা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ ৷

এসব (প্রাঃ) হাসপাতালে বিভিন্ন অনিয়ম,অব্যবস্থাপনা,অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে ৷ সপ্তাহে একদিন ডাক্তার সিরিয়াল দিয়ে একের পর এক কসাইয়ের মত রোগি অপারেশন করে চলে যায় ৷ রোগিদের দেখাশোনা করে তথাকথিত সেবিকারা ৷

রোগির অবস্থা যখন মারাত্মক মৃৃৃৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়ে তখন হাসপাতালের মালিকেরা রোগিকে যশোর,খুলনা অথবা রাজধানীতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন ৷ ফলে রোগি হাসপাতাল ত্যাগ করলে পরবর্তীতে নানান জটিলতায় ভূগে মৃৃৃত্যুর মুখে পতিত হয় ৷ আরো অভিযোগ উঠেছে যে, অভয়নগরে শিশু বিশেষজ্ঞ কোন ডাক্তার নেই , অথচ নবজাতক শিশুর চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয় অনবিজ্ঞ ওয়ার্ড বয় ও সেবিকাদ্বারা ৷

অক্সিজেন লাগিয়ে তিন চারদিন পার করতে পারলেই তাদের বাণিজ্য ৷ পরবর্তীতে অক্সিজেন ও বেড ভাড়াবাবদ মোটা অংকের ভাউচার ধরিয়ে দেয় রোগির অভিভাবকের কাছে ৷ সেবা নিতে এসে প্রতারিত হচ্ছে অসহায় হত দরিদ্রসহ বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ ৷

এভাবে যাতে সাধারণ মানুষ সেবা নিতে এসে প্রতারিত না হয় তাই এ ব্যাপারে তদন্ত স্বাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের জেলা সিভিল সার্জনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন ভূক্তভোগী সাধারণ রোগিরা ৷

// মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

আজ আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী

 

যশোরে ৬ কেজি গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

যশোরে ৬ কেজি গাঁজাসহ ৩ গাঁজা ব্যবসায়ী গ্রেফতার হয়েছে ।  মাদকে না বলি সুস্থ্য সমাজ গড়ি- মাদকের ক্ষতিকর দিক সমূহ সম্বন্ধে আমরা সকলেই কম বেশি অবগত তার পরও সমাজের একটা বিরাট অংশ মাদক দ্রব্য গ্রহন ও বিক্রির সাথে জড়িত আছে। মাদক বিক্রেতা ও গ্রহিতা উভয়ই নিজের ক্ষতি যেমন করেন তেমনি তার পরিবারের উপরও একটা অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ান।মাদকের এই ভয়াবহতা থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রকে রক্ষা করার লক্ষ্যে প্রতিনয়ত কাজ করছে সারা দেশের পুলিশ প্রশাসন।

তারই ধারাবাহিকতায় “ একটি গ্রাম হতে একটি দেশ, মাদক মুক্ত হবে সমগ্র বাংলাদেশ ”- এই স্লোগানকে সামনে নিয়ে সীমান্তবর্তী যশোর জেলাকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রতিদিনই কোনও কোনও উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করেন যশোর জেলা পুলিশের বিশেষ টীম।

আজ ২২ জুন-২০২১ রোজ মঙ্গলবার বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ সঙ্গীয় ফোর্সদের নিয়ে সকাল ৭ঃ৪৫ ঘটিকায় বেনাপোল পোর্ট থানার দিঘীরপাড় গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে-

৬ কেজি গাঁজাসহ:

১. মোঃ জামাল মোড়ল কুশই(৪৩), পিতা- মোঃ জামাত আলী মোড়ল, গ্রাম – মানকিয়া( জেলপাড়া), থানা- বেনাপোল পোর্ট, জেলা – যশোর,

২. সত্যজিত বিশ্বাস(৩০),পিতা- নারায়ণ বিশ্বাস, গ্রাম – মানকিয়া( জেলপাড়া), থানা- বেনাপোল পোর্ট, জেলা – যশোর,

৩. মোঃ ইদ্রিস আলী (৪০), পিতা- মৃত রওশন আলী, গ্রাম – মানকিয়া( জেলপাড়া), থানা- বেনাপোল পোর্ট, জেলা – যশোরকে গ্রেফতার করেন।

উল্লেখিত বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে সড়ক অবরোধ করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল

 

বাউফলে শশুরবাড়ী লোকজন কতৃক বর্বর হামলার স্বীকার জামাই

 

বউফলে মিরাজ (২৫) নামে এক যুবককে পিটিয়ে আহত করছে তার শশুর বাড়ির লোক জন।মিরাজের বিবাহ হয় সুমাইয়া বেগম (২২) পিতা- আর্শেদ হাওলাদার (৬০) মাতা হনুপা বেগম (৪৭) গ্রাম দাসপাড়া বাউফল এর সাথে।

বিবাহের আগে সুমাইয়া বেগমের আরো দুইটা বিবাহ ছিল, এ তথ্য বর্তমান স্বামী মিরাজ কাছে লুকায় সুমাইয়ার পরিবার এবং সুমাইয়ার প্রেম সংক্রান্ত অনেক ঝামেলা এলাকায় হয়েছে তাও জানান মিরাজের পরিবার।

জানা য়ায় এ নিয়ে পারিবারিক কলহ তৈরি হয় কিছু দিন ধরে তাদের সংসারে এক পর্যায়ে মামলা দায়ের করেন মিরাজ, মামলা গুলো পটুয়াখালী জেলা আদালতে বর্তমানে চলমান রয়েছে, সেই মামলার জের ধরে এবং আগের পারিবারিক জেদ ধরে মিরাজ কে কৌশলে তার শশুর আর্শেদ হাওলাদার এবং সুমাইয়ার ভাই ইমরান, বাসায় নিয়ে তাকে হাত পা বেধে অমানুষিক নির্যাতনে করেন। এতে তার হাত পা এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম নিয়ে আহত হন।

স্থানীয় জনগণ পুলিশ খবর দিয়ে পুলিশের সহয়তায় বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যান সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসা জন্য বরিশাল শেরে ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান,রুগীর অবস্থা এখন মুমূর্ষু অবস্থায় আছে। মিরাজ (২৫) নাজিরপুর বাউফল মেম্বার লতিফ মোল্লা কে এই বিষয় জানানো হয়েছে সেয় আইনের আশ্রয় নিতে বলেছে।

 

//মোঃ মারুফ হোসাইন, বাউফল প্রতিনিধি//

 

 

 

 

র‌্যাবের অভিযানে খুলনায় পাইপগানসহ আটক-২

 

খুলনার পাইকগাছা গড়াইখালী গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৩টি দেশীয় পাইপগানসহ ২জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, ৩নং কয়রা এলাকার মোঃ ইব্রাহীম গাজীর ছেলে বেলাল হোসেন(২৯) ও বানিয়াখালী (হড্ডা) গ্রামের অরবিন্দু রায়ের ছেলে হিরামন রায়(২৮)।

র‌্যাব সূত্র জানায়, রবিবার(২০ জুন) রাত ১২টা১৫ মিনিটে পাইকগাছা গড়াইখালী গ্রামস্থ ফেরিঘাটের মঈন গাজীর চায়ের দোকানের সামনে অভিযান চালায় র‌্যাব-৬ খুলনার আভিযানিক দল। এসময় বেলাল হোসেন(২৯) ও হিরামন রায়(২৮) নামে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়।

তাদের দখল থেকে ৩টি দেশীয় তৈরী পাইপগান ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় এদের বিরুদ্ধে পাইকগাছা থানায় ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের হয়েছে।

 আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা।

 

 

যশোরে ৪ কেজি গাঁজা, ১ টি ইজিবাইকসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার এই বিপর্যয়ের মধ্যেও থেমে নেই মাদক দ্রব্য চোরাচালানি।করোনার এই সুনামির চেয়ে কোন অংশে কম নয় মাদকের ভয়াবহতা। মাদকের ভয়াবহতা পরিবার,সমাজ ও রাষ্ট্রের উপর অভূতপূর্ব প্রভাব ফেলছে। রাষ্ট্রের ভবিষ্যত আগামী প্রজন্মকে তিলে তিলে শেষ করে দিচ্ছে।

আর তাই সারাদেশে করোনার বিরুদ্ধে যেমন পুলিশ প্রশাসন লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করছে ঠিক একইভাবে সমান তালে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছে। তারই ধারাবাহিকতায় যশোর জেলাকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে নাভারণ সার্কেল ও শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ এর তত্ত্বাবধায়নে সঙ্গীয় টীমদের নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে শার্শা থানাধীন শিকারপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী

১. মোঃ ফারুক হোসেন (২৭), পিতা- মৃত হাসেম আলী, গ্রাম – ৭ নং ঘিবা, থানা- বেনাপোল পোর্ট, জেলা- যশোর ও ২. মোঃ শুকর আলী বিশ্বাস (৩৬) পিতা – মৃত ওসমান আলী বিশ্বাস, গ্রাম- ধান্যখোলা( হাটখোলাপাড়া), থানা- বেনাপোল পোর্ট, জেলা- যশোরদ্বয়কে ৪ কেজি গাঁজা যার আনুমানিক বাজারমূল্য মূল্য ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা, ১ টি ইজিবাইক যার বাজারমূল্য ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকাসহ গ্রেফতার করেন। উক্ত বিষয়ে শার্শা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

// নিজস্ব প্রতিবেদক//

Dainik Biswa

যশোরে আজ আক্রান্তের রেকর্ড সর্বোচ্চ ২৯১ জন, মৃত্যু ৪ জন