হাজার হাজার এটিএমে সাইবার হানায় ইউক্রেনে বিপর্যয়

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

Cyber Attack: মুহূর্তে অচল দেশের হাজার হাজার এটিএম! বৃহত্তম সাইবার হানায় ইউক্রেনে বিপর্যয়

  • এই ধরনের সাইবার হানাকে পরিভাষায় বলা হয় ‘ডিট্রিবিউটেড ডিনায়াল অব সার্ভিস’ (ডিডিওএস)’ ।
  • এর আগেও একাধিকবার ইউক্রেনে সাইবার হানা চালিয়েছে রাশিয়া বলে জানা যাচ্ছে।
  • কিন্তু এ বারে সাইবার হানার ব্যাপ্তি আরও ব্যাপক।
  • কার্যত যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে এত ব্যাপক সাইবার হামলায় বিপর্যস্ত কিয়েভ।

ব্যাঙ্কের সঙ্গে মূল সার্ভারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন। অচল এটিএম। দেশের ইন্টারনেট পরিষেবাও থমকে। বন্ধ সরকারি কাজকর্ম। বৃহত্তম সাইবার হানার কবলে পড়ল ইউক্রেন। সন্দেহের তির রাশিয়ার দিকে।

শিয়রে দাঁড়িয়ে রাশিয়া। যে কোনও মুহূর্তে হামলা হতে পারে। আপৎকালীন তৎপরতায় জনজীবন যতটুকু পারা যায় গুছিয়ে নেওয়ার মরিয়া চেষ্টা ইউক্রেনে। এটিএমের সামনে লম্বা লাইন। কিন্তু আচমকাই অচল সবকিছু। মোবাইলে ইন্টারনেট আছে কিন্তু তা দিয়ে কোনও কাজ করা যাচ্ছে না। এমনকি, স্তব্ধ দেশের প্রতিরক্ষা দফতরের সরকারি ওয়েবসাইটও। একাধিক ব্যাঙ্কে মূল সার্ভারের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন। এ যাবৎকালের বৃহত্তম সাইবার হানার মুখে পড়ল ইউক্রেন। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে হ্যাকের পিছনে রয়েছে পুতিনের দেশ।

ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা দফতর জানিয়েছে, তাদের ওয়েবসাইটেও হানা হয়েছে। ফলে কোনও ভাবেই তাদের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারছেনা না কেউ। এই ধরনের সাইবার হানাকে পরিভাষায় বলা হয় ‘ডিট্রিবিউটেড ডিনায়াল অব সার্ভিস (ডিডিওএস)’। এর আগেও একাধিকবার ইউক্রেনে সাইবার হানা চালিয়েছে রাশিয়া বলে জানা যাচ্ছে। কিন্তু এ বারে সাইবার হানার ব্যাপ্তি আরও ব্যাপক।

এ দিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র জানান, দক্ষিণ ও পশ্চিম প্রদেশের সেনা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট মহড়া শেষ হওয়ায় তারা নিজ নিজ ঘাঁটিতে ফিরে যাচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা গিয়েছে, তাদের বাহিনী ইউক্রেন সীমান্ত ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে ঠিক বাহিনীর কত অংশ সরছে তার হিসেব দেয়নি পুতিন সরকার। এই ঘটনায় যুদ্ধের উত্তেজনা খানিকটা হলেও কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু ইউক্রেনে এমন সাইবার হানা ফের একবার উত্তেজনার পারদ চড়াতে পারে। সূত্র: আনন্দবাজার

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

কফিহাউজ গানের জন্মকাহিনী আদ্যপান্ত

 

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ হবে নাকি হবেনা কি বললেন পুতিন

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমাদেশগুলো কয়েকদিন ধরে অব্যাহতভাবে সতর্কতা দিয়ে যাচ্ছে যে কোনো সময় ইউক্রেনে  আক্রমণ করবে রাশিয়ার সেনারা।

তারা দাবি করছে যুদ্ধ করার যেসব প্রস্তুতি প্রয়োজন তার সবই সম্পন্ন করেছে রাশিয়া। এখন শুধু প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সংকেতের অপেক্ষায় আছে তারা।

মঙ্গলবার ক্রিমলিনে জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে  বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলতে আসেন পুতিন। সেখানে যুদ্ধ করার বিষয়ে সরাসরি উত্তর দেন তিনি।

যুদ্ধ করার বিষয়ে পুতিন বলেন, আমরা কি যুদ্ধ চাই না কি চাই না? অবশ্যই না। আর শুধুমাত্র এ কারণেই আমরা আলোচনার বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়েছি।

তিনি সংবাদ সম্মেলনে আরও জানিয়েছেন, ইউক্রেন সীমান্ত থেকে কিছু সৈন্য সরিয়ে নেওয়ার  সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে আলোচনার পথ বড় করার জন্য।

তবে পুতিন যুদ্ধ করতে চান না জানালেও আবার যুদ্ধ করার বিষয়ে আকার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে পুতিন দাবি করেছেন, পূর্ব ইউক্রেনের ডনবাসে রাশিয়ার বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ওপর গণহত্যা চালানো হচ্ছে। তিনি দ্রুত এটি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এ বিষয়টিই দাবি করা হচ্ছে,  ডনবাস বা লুহানস্ককে গণহত্যা হচ্ছে এরকম দাবি করে রাশিয়া ইউক্রেনের ওপর হামলা করবে।

সূত্র: আল জাজিরা

 

ইউক্রেন// পরিস্থিতি খুবই বিপজ্জনক, আমরা সবাই খাদের কিনারায়- বরিস জনসন

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, রাশিয়া যদি ইউক্রেনে হামলা করে, তবে সেটি হবে একটি বিধ্বংসী ভুল। তাই সমস্যা যাই হোক- কূটনৈতিক সংলাপ ও প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তার সমাধান হতে পারে এবং আমরা সবাই এই সংলাপে যুক্ত হতে চাই। খবর বিবিসির।

সোমবার স্কটল্যান্ডে সফরে গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি আসলে খুবই, খুবই বিপজ্জনক ও গুরুতর। আমরা সবাই একদম খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে আছি এবং আমি মনে করি, এই ইস্যুতে এখনও পুতিনের পিছু হটার সময় আছে।’

১৯৪৯ সালে গঠিত ন্যাটোকে রাশিয়া বরাবরই পাশ্চাত্য শক্তিসমূহের আধিপত্য বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে মনে করে; এবং ঐতিহাসিকভাবেই বিশ্বের বৃহত্তম দেশ রাশিয়া পাশ্চাত্য আধিপিত্যবাদের বিরোধী।

সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অঙ্গরাজ্য ও রাশিয়ার প্রতিবেশীরাষ্ট্র ইউক্রেন কয়েক বছর আগে পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য আবেদন করার পর থেকেই উত্তেজনা শুরু হয়েছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে। সম্প্রতি ন্যাটো ইউক্রেনকে সদস্যপদ না দিলেও ‘সহযোগী দেশ’ হিসেবে মনোনীত করার পর আরও বেড়েছে এই উত্তেজনা।

গত দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে ইউক্রেন-রাশিয়া সীমান্তে প্রায় ১ লাখ রুশ সেনা মোতায়েন রেখেছে রাশিয়া। সীমান্তের পাশাপাশি ২০১৫ সালে ইউক্রেনের কাছে থেকে দখল নেওয়া দ্বীপ ক্রিমিয়াতেও সম্প্রতি বাড়ানো হয়েছে সেনা উপস্থিতি; এছাড়া গত সপ্তাহে কৃষ্ণ সাগরে সামরিক মহড়া শুরু করেছে রাশিয়া।

ভ্লাদিমির পুতিন ইতোমধ্যে জানিয়েছেন, ইউক্রেন ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করবে না— রাশিয়া কেবল এই নিশ্চয়তা চায়। কিন্তু ৩০ দেশের সামরিক জোট ন্যাটোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইউক্রেন প্রশ্নে ছাড় দিতে জোট একেবারেই প্রস্তুত নয়।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

ইউক্রেন থেকে মানুষের ঢল যেতে পারে পাশের দেশগুলোতে

এ যুগেও জিন রাস্তা বানায় -স্থানীয় ও প্রশাসন কি বলছে….!!!

ইউক্রেন থেকে মানুষের ঢল যেতে পারে পাশের দেশগুলোতে

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

ইউক্রেনে রাশিয়া হামলা করলে হাজার হাজার মানুষ দেশটি থেকে পালাবে। আর তাই পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো প্রস্তুতি নিচ্ছে। খবর আল জাজিরার।

রাশিয়া তিন দিক দিয়ে ইউক্রেন সীমান্ত ঘিরে রেখেছে।  ভারী অস্ত্রসহ প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার সৈন্য মোতায়েন করেছে দেশটি। যুক্তরাষ্ট্র ও বেশ কয়েকটি দেশ জানিয়েছে যে কোনো সময় ইউক্রেনে হামলার ঘটনা ঘটবে।

পোল্যান্ড ইতোমধ্যেই কিছু শহরের তালিকা করেছে যেখানে পালিয়ে আসা ইউক্রেনের নাগরিকদের জায়গা দেওয়া যাবে। অন্যদিকে রোমানিয়া শরনার্থী শিবির স্থাপনের কথা ভাবছে।

১৯৯০ সালে পূর্ব ইউরোপের ঘটনাগুলো মনে রেখে আগে থেকেই অন্য দেশগুলো প্রস্তুতি নিচ্ছে।

পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারকিন প্রায়ডাক গণমাধ্যম রেডিও প্লাসকে জানিয়েছেন, তারা বড়সড় প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কারণ এতে সমস্যা সমাধানে সুবিধা হবে।

পূর্ব পোলিশ শহর শিচানোর মেয়র জানিয়েছেন, তারা শহরের একটি শহরে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ৮০ জন শরনার্থীকে আশ্রয় দিতে পারবেন। প্রতিদিনের খাওয়াসহ হোটেলগুলোতে খরচ পড়বে ১৪০ পোলিশ জলোটি।

তবে তিনি জানিয়েছেন, এই পুরো খরচটি পোল্যান্ডের সরকারই বহন করবে।

রোববার পোল্যান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয় এলবাগ শহরে শরনার্থীদের জায়গা দেওয়ার জন্য ৪২০টি, পোল্যান্ডের কেন্দ্রীয় শহর তরুনে ৯৬টি ও দক্ষিনের শহর চেসতোখোয়াতে ১ হাজার ১০০টি জায়গা খালি আছে।

সূত্র: আল জাজিরা

ইটালি থেকে অবশেষে ফিরে আসছে সাগরে মারা যাওয়া বাংলাদেশিদের মরদেহ

//আন্তর্জাতিক অনলােইন ডেস্ক//

নৌকায় করে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইটালি যাবার পথে প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় জমে মৃত্যু হয়েছিল যে সাতজন বাংলাদেশির – তাদের মরদেহ এখন দেশে আসার অপেক্ষায় রয়েছে।

মৃতদের একজন জয় তালুকদারের দেহ ১০ই ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ইতালি থেকে পাঠানো হবে, আর তা ঢাকায় এসে পৌঁছাবে ১২ই ফেব্রুয়ারি ভোররাতে।

এছাড়া কামরুল হাসান বাপ্পির মরদেহ ১১ই ফেব্রুয়ারি ইটালি থেকে পাঠানো হবে এবং তা ঢাকায় এসে পৌঁছবে ১৩ই ফেব্রুয়ারি।

‘কথিত বাংলাদেশি’ ও নিন্দার ঝড়

অবৈধভাবে ইটালি যাবার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবে বাংলাদেশিদের মৃত্যুর ঘটনা নতুন কোন বিষয় নয়। কিন্তু ঠাণ্ডায় জমে মৃত্যুর ঘটনাটি অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

ইটালি থেকে অবশেষে ফিরে আসছে সাগরে মারা যাওয়া বাংলাদেশিদের মরদেহ
প্রতি বছর বিপজ্জনকভাবে সাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপ যাওয়ার সময় পানিতে ডুবে মারা যাচ্ছে বহু মানুষ

তাদের মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমে আসার পর রোমে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস প্রথমে দায়িত্ব নিতে চায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

ইটালিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস তাদের পরিচয় নিয়ে যে সন্দেহ প্রকাশ করেছিল – তাতেও নিন্দার ঝড় উঠেছিল প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে।

সাত বাংলাদেশির ঠাণ্ডায় জমে মারা যাবার খবরটি গণমাধ্যমে আসে গত ২৫শে জানুয়ারি। ২৮শে জানুয়ারি রোমে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে দেয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মৃতদের ‘কথিত বাংলাদেশি’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল।

অথচ ইটালির ল্যাম্পাডুসার মেয়র সালভারোতে মারতেল্লো ঘটনার পরপরই বাংলাদেশিদের প্রাণহানির ঘটনা নিশ্চিত করেছিলেন।

বাংলাদেশ দূতাবাসের বিবৃতিতে বলা হয়, প্রকৃত তথ্য অনুসন্ধান এবং যথোপযুক্ত করণীয় নির্ধারণের মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

সে বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ঘটনার পরদিনই অর্থাৎ ২৬শে জানুয়ারি দূতাবাসের শ্রম বিষয়ক কর্মকর্তা মো. এরফানুল হকের নেতৃত্বে দুই সদস্য বিশিষ্ট একটি দল ল্যাম্পাডুসা দ্বীপে পৌঁছায়।

কথিত বাংলাদেশি শব্দটি তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয় ইটালি-প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে। এমন ভাষা ব্যবহারের কারণে দূতাবাসের কড়া সমালোচনা করেন তারা।

এ বিষয়টি নিয়ে যারা বেশ সোচ্চার ছিলেন, তাদের মধ্যে একজন ইটালি-প্রবাসী সাংবাদিক মো. ইউসুফ আলী। তিনি বিবিসি বাংলাকে বলেন, বাংলাদেশি মারা যাবার খবর সংবাদমাধ্যমে আসার পরে দূতাবাস বিষয়টিকে তেমন একটা গুরুত্ব দিতে চায় না।

মি. আলীর অভিযোগ হচ্ছে, দূতাবাসের কর্মকর্তারা প্রবাসী বাংলাদেশীদের সমস্যা ও সংকটের বিষয়গুলোকে এমনিতেই কোন গুরুত্ব দেয় না।

“প্রবাসীদের তারা অবজ্ঞার চোখে দেখে। এই ‘কথিত বাংলাদেশি’ লেখার মাধ্যমে সে বিষয়টির প্রতিফলন হয়েছে।”

‘কথিত বাংলাদেশি’ হিসেবে বর্ণনা করে দূতাবাস তাদের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে চেয়েছিল বলে মন্তব্য করেন মি. আলী।

“ইটালির স্থানীয় প্রশাসন মৃতদের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। তাছাড়া নৌকা থেকে আরো অনেক বাংলাদেশি জীবিত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছিল। তারাও মৃতদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। তাহলে দূতাবাস কেন তাদের পরিচয় নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলো?”

“কথিত বাংলাদেশি লেখার পরে বিষয়টা ভাইরাল হয়ে যায়। ইটালিতে বসবাসকারী হাজার হাজার বাংলাদেশি ফেসবুকে বিষয়টির নিন্দা করেছে।”

ঘটনার চারদিন পরে অর্থাৎ ২৯শে জানুয়ারি বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে সাত বাংলাদেশির নাম পরিচয় দিয়ে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়।

সেখানে জানানো হয়, রোম দূতাবাসের শ্রম বিষয়ক কাউন্সিলর এরফানুল হক এর নেতৃত্বে দুই সদস্যদের প্রতিনিধি দল নৌকা থেকে উদ্ধার হওয়া অন্যদের সাথে কথা বলেন। ইটালির ল্যাম্পাডুসা দ্বীপে অবস্থিত ক্যাম্পে ইটালি পুলিশের উপস্থিতিতে তাদের সাথে কথা বলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা।

বিবৃতিতে বলা হয়, মৃতদেহের সাথে সনাক্তকারী কোন ডকুমেন্ট না থাকায় সনাক্তকরণে জটিলতা দেখা দেয়।

ঘটনার ১০ দিন পরে ইটালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান সিসিলিতে যান। সেখানে গিয়ে মৃতদের কফিনের সামনে দাঁড়ানো রাষ্ট্রদূতের ছবি প্রকাশ করা হয় দূতাবাসের ফেসবুক পেইজে।

‘কথিত বাংলাদেশি’ শব্দটি কেন ব্যবহার করা হলো, সেটি নিয়ে দূতাবাসের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিক কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

রাষ্ট্রদূত শামীম আহসানের সাথে চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে বাংলাদেশ দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, প্রথম দিকে যখন পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি তখন ইংরেজি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ‘রিপোর্টেড বাংলাদেশি’ বলা হয়েছিল, যেটি বাংলায় লেখা হয়েছিল ‘কথিত বাংলাদেশি’।

মাদারীপুর জেলার পিয়ারপুর গ্রামের জয় তালুকদারের বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। এলাকায় তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। গ্রামের আরো অনেক মানুষকে তিনি ইটালি যেতে এবং যাবার পর রাতারাতি তাদের পরিবারে আর্থিক সচ্ছলতা আসতে দেখেছেন।

একারণে জয় তালুকদারের মনে ইটালি যাবার প্রবল ইচ্ছা তৈরি হয়েছিল। তার বাবা পলাশ তালুকদার বিবিসি বাংলাকে বলেন, জায়গা-জমি বিক্রি করে এবং বিভিন্ন জনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে তিনি আট লাখ টাকা জোগাড় করেন ছেলেকে ইতালি পাঠানোর জন্য।

গত ২৮শে নভেম্বর ঢাকা থেকে দুবাই যান জয় তালুকদার। এরপর দুবাই থেকে লিবিয়া। লিবিয়ায় গিয়ে একমাস বাইশ দিন অপেক্ষা করেন ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালিতে ঢোকার জন্য।

জানুয়ারি মাসের ২৪ তারিখে আরো ২৮০ জন অভিবাসন প্রত্যাশীর সাথে ইতালি যাবার জন্য নৌকায় ওঠেন জয় তালুকদার। কিন্তু তার আর ইটালিতে পৌঁছানো হয়নি।

নৌকায় করে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ইটালিতে যাবার ঝুঁকি কতটা তা জানতেন তারা, কিন্তু সেটি তাদের থামাতে পারেনি।

পলাশ তালুকদার বলেন, তার ছেলের সাথে তাদের আত্মীয়-স্বজন আরো পাঁচজন ছিলেন। একমাত্র তার ছেলেই মারা গেছে, বাকিরা ইটালি পৌঁছেছে বলে তিনি জানান।

“এইভাবে অনেক মানুষ যাইতেছে। মনে করছি যাইব গা। এহন একটা একসিডেন্ট হইয়া গেছে। সব কপালের দোষ,” বলেন পলাশ তালুকদার।

এলাকার যে দালাল অবৈধ পথে ইটালিতে পাঠানোর আয়োজন করেছিলেন – তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই পলাশ তালুকদারের। সূত্বির: বিবিসি বাংলা

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে

ভোটাররা ক্ষুব্ধ-ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে যেতে হতে পারে

//আন্তর্জাতিক অনলাইন নিউজ//

করোনা মহামারির বিধিনিষেধ অমান্য করে ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে একাধিক পার্টি করে বিপাকে পড়া ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ওপর চাপ আরও বাড়ছে।

এবার তার পদত্যাগ দাবি করেছেন তারই দলের সাবেক এক মন্ত্রী। বিবিসির খবরে শনিবার বলা হয়, আরও এক রক্ষণশীল এমপি (বরিস জনসনের দল) বরিস জনসনের পদত্যাগ দাবি করলেন।

ব্রিটিশ সরকারের সাবেক মন্ত্রী নিক গিবই সর্বশেষ ব্যক্তি যিনি প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ওপর অনাস্থা প্রকাশ করে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে চিঠি প্রদান করলেন।

তিনি বলেছেন, তার আসনের ভোটাররা ক্ষুব্ধ যে, ১০ ডাউনিং স্ট্রিট থেকে যে কোভিড নীতি প্রণয়ন করা হয়েছিল, সেটা ‘স্পষ্টভাবে অমান্য’ করা হয়েছে।

বরিস জনসনের বিরুদ্ধে কোভিড নীতি লঙ্ঘন করে জন্মদিনে পার্টি করারও অভিযোগ রয়েছে।

ইতোমধ্যে ব্রিটেনের দ্য ডেইলি মিরর এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, কোভিডের বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করে পার্টি করা নিয়ে বরিস জনসনের বিরুদ্ধে যে তদন্ত চলছে, তাতে পুলিশের হাতে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রমাণ পৌঁছেছে।

পুলিশের হাতে এমন একটি ছবি পৌঁছেছে, যেটিতে দেখা গেছে- জন্মদিনের পার্টিতে আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে বিয়ার হাতে দাঁড়িয়ে আছেন জনসন।

দ্য ডেইলি মিরর বলছে, সব মিলিয়ে তদন্তকারী পুলিশের হাতে ৩০০টি ছবি পৌঁছেছে, যেগুলো করোনাকালে নিয়ম লঙ্ঘন করে অন্তত ১২টি জনসমাগম ঘটানোর ইঙ্গিত দেয়।

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

ব্যাংক জালিয়াতচক্র: বুস্টার টিকার ফোন পেয়ে ওটিপি দিতেই ফাঁকা বৃদ্ধের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট!

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অটোপার্টস এণ্ড ব্যাটারী হাউস এর শুভ উদ্বোধন

ইউরোপে আরো ২০০০ সেনা পাঠাচ্ছে আমেরিকা

//আন্তর্জাতিক অনলাইন নিউজ//

জার্মানি এবং পোল্যান্ডে নতুন সেনা পাঠাচ্ছে অ্যামেরিকা। কিছু সেনা পাঠানো হচ্ছে রোমানিয়ায়। রাশিয়া এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে।

বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পেন্টাগনের একটি অর্ডারে সই করেছেন। অর্ডারে বলা হয়েছে, দুই-একদিনের মধ্যেই ইউরোপে আরো দুইহাজার মার্কিন সেনা পাঠানো হবে। এর মধ্যে ৩০০ সেনা থাকবে জার্মানিতে মার্কিন ঘাঁটিতে। এক হাজার ৭০০ সেনাকে পাঠানো হচ্ছে পোল্যান্ডে। আর জার্মানিতে আগেই অবস্থানরত এক হাজার সেনাকে পাঠানো হচ্ছে রোমানিয়ায়। রাশিয়া-ইউক্রেন পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেই এই পদক্ষেপ বলে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে। তবে কোনো সেনাই সরাসরি ইউক্রেনে পাঠানো হবে না বলে স্পষ্ট করেছে হোয়াইট হাউস।

ঘটনার সূত্রপাত একটি স্প্যানিশ খবরের কাগজের এক্সক্লুসিভকে কেন্দ্র করে। মার্কিন প্রশাসনের একটি তথ্য সেখানে প্রকাশিত হয়। যাতে বলা হয়, ব্যাক চ্যানেলে রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায় অ্যামেরিকা। ইউক্রেন সংকট ঘিরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই আলোচনা জরুরি বলে সেখানে বলা হয়। পূর্ব ইউরোপে মিসাইল প্রতিস্থাপন এবং সেনা মোতায়েন নিয়ে আলোচনা জরুরি বলে সেখানে বলা হয়। এ বিষয়ে অ্যামেরিকা এবং রাশিয়ার মধ্যে পুরনো চুক্তিও আছে।

ইউরোপে আরো ২০০০ সেনা পাঠাচ্ছে আমেরিকা
পূর্ব ইউক্রেনের বিভাজন রেখায় বাড়ছে উত্তেজনা

এই খবর ফাঁস হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বাইডেন পেন্টাগনের অর্ডারে সই করেন। হোয়াইট হাউস জানিয়ে দেয়, দুই হাজার সেনা ইউরোপে পাঠানো হচ্ছে।

অ্যামেরিকা অবশ্য জানিয়েছে, ইউরোপের একাধিক মার্কিন বেসে সব মিলিয়ে ৬০ হাজার অ্যামেরিকার সেনা মোতায়েন আছে। বর্তমান পরিস্থিতির অনেক আগে থেকেই তারা সেখানে আছে। যে কোনো সময় ইউরোপের সমস্যায় সেই সেনাকে ব্যবহার করা সম্ভব। তবে নতুন সেনা পাঠানো হয়েছে রাশিয়ার  সম্বাব্য আগ্রাসনের কারণেই। রোমানিয়া এবং পোল্যান্ড দুই দেশই অ্যামেরিকার এই পদক্ষেপকে সমর্থন করেছে। অ্যামেরিকাকে ধন্যবাদও জানিয়েছে।

মস্কোর আপত্তি

অ্যামেরিকার এই পদক্ষেপের পরেই মস্কো বিবৃতি দিয়ে এর প্রতিবাদ করেছে। ক্রেমলিনের বক্তব্য, ইউরোপে সেনা পাঠিয়ে অ্যামেরিকা আলোচনার পরিস্থিতি নষ্ট করছে। উত্তেজনা বাড়ছে। এটা কখনোই অভিপ্রেত নয়। এর আগেই মস্কো জানিয়েছিল, ন্যাটো এবং অ্যামেরিকা যে চিঠি পাঠিয়েছে সেখানে রাশিয়ার স্বার্থের দিকটি দেখা হয়নি। রাশিয়া এর উত্তর দেবে। অন্যদিকে বুধবার অ্যআমেরিকার পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন ন্যাটোর প্রধান জেনস স্টলটেনবার্গ।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি, এএফপি)

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

নায়ক রিয়াজের শশুড় কেন আত্মহত্যা করলেন দেখুন ভিডিও

English Dainikbiswa

 

ফ্রান্সে করোনা সংক্রমন দ্রুত বৃদ্ধি: একদিনে নতুন রেকর্ড

বৈশ্বিক মহামারী করোনা শনাক্তের নতুন রেকর্ড হলো ফ্রান্সে। এই দেশটিতে  গত ২৪ ঘন্টায়  করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ লাখ ৬৮ হাজার ১৪৯ মানুষের।

বুধবার সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ফ্রান্সে করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতি ক্রমশই অবনতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। গত সপ্তাহের বুধবার ফ্রান্সে করোনা শনাক্তের দৈনিক রেকর্ড ছিল ৩ লাখ ৩২ হাজার ২৫২ জন। মাত্র ৭ দিনের মাথাতেই নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়ে গেলো প্রায় ৩৬ হাজার জনের ব্যাবধানে। এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে দেশটিতে মারা গেছে প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজারেরও বেশি মানুষ।

করোনায় দৈনিক সংক্রমণের হার নিয়ে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ক্রমাগত সতর্কবার্তার দিয়েই চলেছে। এরই মধ্যে পাওয়া গেলো নতুন কজরে সংক্রমণের রেকর্ড সৃষ্টির খবর।

এদিকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ দেশের নাগরিকদের দ্রুত করোনার প্রতিষেধক টিকা নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।

এছাড়াও করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি মোকাবেলায় ফ্রান্স সরকার বেশি কিছু পদক্ষেপও নিয়েছে ইতিমধ্যে। এখনও করোনার টিকা নেননি এমন মানুষদের জন্য চলতি মাস থেকেই কঠোর বিধিনিষেধ জারি করতে চেয়েছে সরকার। ফ্রান্সের জনগণ সেসকল বিধিনিষেধ মেনে না নিয়ে বিক্ষোভও করেছে।

//আন্তর্জাতিক করোনা রিপোর্ট//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

এমপি সালাম মুর্শেদীর কন্যা ঐশী’র সুস্থতা কামনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে দোয়া

 

আইসল্যান্ডে বিশ্বের বৃহত্তম কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ কারখানা চালু হয়েছে

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

আইসল্যান্ডে বিশ্বের বৃহত্তম কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ কারখানা চালু হয়েছে। এই ফ্যাক্টরীতে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে পাথরে পরিণত করবে।

বাতাস থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড ধরার জন্য বিশ্বের বৃহত্তম কারখানা আইসল্যান্ডে কার্যক্রম শুরু করেছে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে CO₂ এর পরিমাণ হ্রাস জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কমাতে সাহায্য করবে।

এটি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে বিবেচিত একটি উন্নয়নশীল প্রযুক্তি প্রদর্শন করে কিন্তু সন্দেহবাদীরা প্রশ্ন করে যে এটি আসলে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।

এটা কি পলাতক জলবায়ু পরিবর্তন থেকে গ্রহকে বাঁচানোর একটি ভবিষ্যৎ দৃষ্টি, অথবা একটি নিষ্ফল খরচ যা CO2 নির্গমন হ্রাস করার জরুরী থেকে বিভ্রান্ত করে?

যেসব কোম্পানি প্ল্যান্ট, ক্লাইমওয়ার্কস এবং কার্বফিক্স তৈরি করেছে তাদের মতে, ক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করার সময় ORAKA প্লান্টটি প্রতি বছর ৪০০০ টন কার্বন ডাই অক্সাইড বাতাস থেকে বের করবে।

এখানে বছরে ৪০০০ টন কার্বণ-ডাই অক্সাইড পাথরে তৈরী করে তা মাটির নিচে চাপা দেওয়া হবে।

সূত্র: বিবিসি।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

১৭ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেন এহসান গ্রুপের রাগীব আহসান

বরিশালে বিলাসবহুল লঞ্চের কেবিন থেকে গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী  আটক

ভিডিও দেখুন….

 

 

বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো বিমানে ভারতে আসছে অক্সিজেন ও চিকিৎসা সরঞ্জাম এর প্রথম চালান

 

 

নদার্ন আয়ারল্যান্ডের রাজধানী বেলফাস্ট থেকে রওনা দিল বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো বিমান। গতকাল শুক্রবার (৭ মে) ১৮ টন অক্সিজেন জেনারেটার ও ১ হাজার ভেন্টিলেটরসহ যুক্তরাজ্যের এই বিমান ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

 

ফরেন কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, ওই বিমানে প্রাণদায়ী জিনিস ভর্তি করতে কর্মীরা রাতভর কাজ করেছেন। তারপরই বিশাল অ্যান্টোনভ ১২৪ এয়ারক্র্যাফট ভর্তি হতে পেরেছে। ৪০ ফুট তিনটি অক্সিজেন কনটেনার প্রতি মিনিটে ৫০০ মিটার অক্সিজেন প্রস্তুত করতে পারে। এখান থেকে একসঙ্গে ৫০ জন অক্সিজেন নিতে পারবে।

 

যুক্তরাজ্যের বিদেশ সচিব ডমিনিক ব়্যাব বলেছেন, উত্তর আয়ারল্যান্ড থেকে অক্সিজেন ভারতে পাঠানো হচ্ছে। এটি দেশের হাসপাতালগুলিতে পাঠানো হবে যাতে কোভিড-১৯ রোগীরা ব্যবহার করতে পারে। এই মহামারীর সঙ্গে ভারত ও যুক্তরাজ্য একসঙ্গে লড়াই করছে। সবাই যতক্ষণ না নিরাপদ হচ্ছে, কেউ নিরাপদ নয়। যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব ম্যাট হ্যানকক বলেছেন, ভারতের পরিস্থিতি মর্মান্তিক। এই চ্যালেঞ্জে আমারা বন্ধুর পাশে আছি।

এদিকে, গতকাল শুক্রবার (৭ মে) সকালে নেদারল্যান্ড থেকে প্রথম সাহায্য এসে পৌঁছায় ভারতে। এদিন, ৪৪৯ ভেন্টিলেটর, ১০০ অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর এবং কোভিড -১৯ ত্রাণ সামগ্রীর প্রথম চালান ভারতে আসে। মিনিস্ট্রি অফ এক্সটারনাল অ্যাফেয়ার্স-এর মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি তার অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছেন, নেদারল্যান্ডস থেকে ৪৪৯টি ভেন্টিলেটর, ১০০ অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর এবং অন্যান্য চিকিৎসা সামগ্রীর প্রথম চালানটি ভারতে এসেছে। আগামী দিনগুলিতে বাকি চিকিৎসা সরঞ্জামগুলি সরবরাহ করবে বলে আশ্বাস দিয়েছে নেদারল্যান্ড। আমাদের বন্ধু নেদারল্যান্ডসের সমর্থন আমাদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চট্টগ্রামে ভারত থেকে আসা ১০ জন চমেকে…