নীলফামারীর ডোমার  উপজেলায় ট্রাক্টরের অত্যাচারে অতিষ্ট সাধারন মানুষ

 

আজ সোমবার ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের সাধারণ মানুষেরা জানান, ডোমারের ইউনিয়ন গুলোতে দিন রাত সর্বক্ষন শহরে গ্রামে রাত দিন ট্রাক্টর চলাচলের অত্যাচারে অতিষ্ট সাধারন মানুষ,এতে করে সড়ক গুলো যেমন ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে তেমনি ছোটখাট দূর্ঘটনা সহ হতাহতের ঘটনা ঘটছে প্রায়ই।  উপজেলার বিভিন্ন  ইউনিয়ন গুলোতে দিন রাত যে ভাবে উচ্চ শব্দে ব্যালেন্সহীণ ভাবে চলছে ট্রাক্টর,বিশেষ করে ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নে যে ভাবে টাক্টর চলাচল করছে তাতে সাধারন মানুষ ও এলাকা বাসি পাড়া মহল্লার সড়ক গুলোর যে অবস্থা হচ্ছে তাতে যান চলাচলে সৃষ্টি হচ্ছে চরম ভোগান্তি।

ডোমারউপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের দাবী পর্যায়ে ট্রাক্টর চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হোক ও উপজেলা আইনশৃঙ্খলা বাহীনির মাধ্যমে ডোমার উপজেলার সকল সড়কের উপর দিয়ে দিনেরবেলা ট্রাক্টর চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হোক।

জানা যায় যান্ত্রিক দানব খ্যাত এ ট্রাক্টর যন্তটি মূলত একটি কৃষি যন্ত্র হিসেবে কৃষকদের জন্য স্বল্প শুল্কে এদেশে কৃষি কাজের জন্য আমদানি করা হয়,এই যানবাহনটি জমি চাষের জন্যে  ব্যাতিত সড়কে চলাচলের কোন প্রকার সরকারি অনুমতি নেই। সময়ের পরিক্রমায় এটি দিয়ে বাসা বাড়ি নির্মানের কাজ সহ সকল ধরনের স্থাপনা নির্মানের কাজে ব্যবহৃত মালামাল বহনের জন্য ট্রাক্টর বাহন হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ট্রাক্টর মালিকরা ব্যবসার কাজে লাগিয়ে ট্রাক্টর ব্যবহার করে আসছে,ট্রাক্টর শুধুমাত্র কৃষিকাজে ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এটি সড়কের উপর ব্যবহার করার জন্য অনুমোদিত নয়। ডোমার উপজেলার ঘাতক ট্রাক্টর গুলো অনেক তাজা প্রাণ কেরে নিয়েছে। অত্যান্ত দ্রুত গতীতে এটি সড়কে চলাচল করে সম্পূর্ন ব্যালেন্সহীন ভাবে। সকল শ্রেণী পেশার মানুষ চায় এটি নিষিদ্ধ করা হোক তাই ডোমারে ট্রাক্টর নিষিদ্ধের ব্যপারে জোর দাবি জানান এলাকাবাসি।

ট্রাক্টরের চাপায় পৃষ্ট হয়ে ঘটে যাওয়া নৃশংস হত্যাকান্ড গুলোর কোন বিচার হয় না বলে,ঘটনা ঘটার সাথে সাথে চালক পালিয়ে যায়। এই অবৈধ যানটি যেন বৈধ যানবাহনের মতো চলতে থাকে কোন প্রকার আইনি পদক্ষেপ না থাকায় ট্রাক্টর চালকরা হয়ে উঠেছে বেপরোয়া?মালিকরা অধিক লাভের আশায় অদক্ষ চালক দিয়ে মাটিকাটা শ্রমিকদের দিয়ে ট্রাক্টর চালাতে বাধ্য করছে-এতে করে প্রতিদিন গড়ে ছোটখাট দূর্ঘটনা সহ ঘটে যাচ্ছে বড় ধরনের প্রাণ হাণির ঘটনা।

ডোমার উপজেলার সকল ইউনিয়নের সড়ক সহ অনেক গ্রামের পাড়া মহল্লায় দিন রাত ট্রাক্টর চলাচল করে রাস্তাগুলো অল্প সময়েই ধ্বংস করে দিচ্ছে এখন উক্ত সড়ক গুলোতে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হচ্ছে,সে ক্ষেত্রে এলাকা এবং উপজেলা ইউনিয়নের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে তারা।সেই সাথে এসব যানের কোন ব্যালেন্স নেই অত্যান্ত তীব্র গতীতে ছুটে চলে একের পর এক ঘটিয়ে চলছে দূর্ঘটনা উপজেলার সকল সড়কের উপর দিয়ে ট্রাক্টর চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হোক ।

সোনারায় ইউনিয়ন বাসির প্রত্যাশা হলো সাধারণ মানুষের জনস্বার্থের কথা ভেবে এলাকার রাস্তা এবং উপজেলার সড়ক রক্ষায় ট্রাক্টর গুলোকে সড়কের উপর দিয়ে চলাচলের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হোক।

//স্টাফ রিপোর্টার, মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান//

আরও পড়ুন…

বিশুদ্ধ পানির জন্য RO Filter ব্যবহার করুন…

 

 

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে সাংবাদিকের ঘর ভেঙ্গে দিল যুবলীগ নেতা স্বপন রায়

 

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে সাংবাদিকের ঘর ভেঙ্গে দেয়ার অভিযোগ জেলা যুবলীগের সহ- সভাপতি স্বপন রায়।গত শনিবার (২৪এপ্রিল) বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার পশ্চিম দেউলভোগ গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

ঘটনার বিষয়ে জমির মালিক সুবল রায় বাদী হযে যুবলীগ নেতা স্বপন রায় গং দের নাম উল্লেখ্য করে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের সাথে কথা বলে জানা যায় শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর রাস্তার পাশে পশ্চিম দেউলভোগ মৌজার আর.এস ৪৬৪ দাগের ৫ শতাংশ জমির মালিক ষোলঘর গ্রামের সুবল রায়ের।তার নিকট থেকে ভাড়া নিয়ে ঘর উত্তোলন করে সাংবাদিক আঃ কাইয়ুম।

জমির মালিক সুবল রায়ের সাথে যুবলীগ নেতা স্বপন রায়সহ তার ভাই গোবিন্দ রায় ও ভাতিজা সিধু রায় গং দের জমিজমা নিয়ে বিরোধ।সেই বিরোধের জের ধরে ঘটনার দিন স্বপন রায় গং ১৫/২০ লোক নিয়ে সুবল রায়ের ভাড়া নেয়া জমিতে সাংবাদিক কাইয়ুমের উত্তোলন করা প্রায় ২ লক্ষ টাকার ঘর ভেঙ্গে রাস্তা পাশে ফেলে দেয়।

এতে সাংবাদিক কাইয়ুম ও জমির মালিক সুবল প্রতিবাদ করায় তাদেরকে স্বপন রায় খুন জখমের হুমকি প্রদর্শন করে। এ ব্যাপারে সাংবাদিক আঃ কাইয়ুমের বলেন দাগ বিহীন সরকারী সম্পত্তিতে আমার নার্সারী।ঐ জায়গার পাশে ৫ শতাংশ জায়গা আমি সুবল রায়ের কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে ঘর দরজা উঠিয়েছি।সেই ঘর স্বপন রায় তার লোকজন নিয়ে জোরপুর্বক ভেঙ্গে দেয়।

এইদিকে জমির মালিক সুবল রায় বলেন আমি সাংবাদিক কাইয়ুমকে আমার জমি ভাড়া দিয়েছি।আমার অনুমতি না নিয়ে স্বপন রায় জোরপুর্বক ভাঙ্গচুর করে আমার জমি দখল করার উদ্দেশ্য টিনের বেড়া নির্মান করে। অন্যদিকে মুঠোফোনে শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ হেদায়াতুল ইসলাম ভূঞার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ বিষয়ে শুনেছি একটি অভিযোগ পেয়েছি।

মামলার আই.ও (এস.আই) আল-আমিন এর কাছ থেকে বিশদ জেনে নেন।

সৈয়দ মোঃ শাকিল মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি।

বিশুদ্ধ পানির জন্য যোগাযোগ করুন..

আরও পড়ুন…

চট্টগ্রামে করোনায় মৃত্যু রেকর্ড – ১১, নতুন সনাক্ত ১৭১

মহামারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত- হয়ে চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। এ সময়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর থেকে চট্টগ্রামে এক দিনে এত সংখ্যক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে নি। এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনায় মৃত্যুবরণকারীর সংখ্যা দাড়ালো ৪৯৭ জনে। এ সময়ে ১৭১ জনের দেহে নতুন করে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ সনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত- চট্টগ্রামে মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৪৮ হাজার ৮৮৭ জন। তৎমধ্যে মহানগরে ৩৯ হাজার ২৪১ জন এবং বিভিন্ন উপজেলায় ৯ হাজার ৬৪৬ জন।
আজ ( রবিবার) সকালে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ৬ টি ল্যাবে ১ হাজার ৩৩০ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে ১৭১ জনের দেহে করোনার সংক্রমণের সনাক্ত হয়েছে। তৎমধ্যে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রফিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৩১৭ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪৩ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ( চমেক) হাসপাতাল ল্যাবে ৪৬৮ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

তা ছাড়া বেসরকারী ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ১৫৭ টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৪ জন, শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ৩১২ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৫ জন, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ৬২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩২ জনের দেহে করোনা সনাক্ত হয়েছে।  চট্টগ্রাম সেন্টার হাসপাতাল ল্যাবে ১৪ টি নমুনা পরীক্ষা করে ২ জনের দেহে করোনা সনাক্ত হয়েছে। অন্য দিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাব (চবি), কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম ভেটেনারী অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাব, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো  নমুনা পরীক্ষা করা হয় নি।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১ হাজার ৩৩০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্- হয়েছেন ১৭১ জন। উক্ত সময়ে ১১ জন করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুরবণকারীদের মধ্যে ৮ জন মহানগরীর ৩ জন উপজেলার বাসিন্দা। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ১৪১, উপজেলায় ৩০ জন। এ পর্যন্- চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত- রোগিদের মধ্যে মোট মৃত্যু হয়েছে ৪৯৭  জনের। তৎমধ্যে ৩৭০ জন মহানগরীর এবং ১২৭ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য মতে গত ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় মোট ৩০ জন ব্যক্তি নতুন করে করোনায় আক্রান্ত- হয়েছেন। তৎমধ্যে সাতকানিয়ায় ৩ জন, আনোয়ারায় ১ জন, চন্দনাইশে ৬ জন, পটিয়ায় ১ জন, বোয়ালখালীতে ১ জন, রাউজানে ৬ জন, ফটিকছড়িতে ২ জন, হাটহাজারীতে ১ জন, সীতাকুন্ডে ৫ জন এবং মিরসরাই উপজেলায় ৪ জন।

আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো :

আরও পড়ুন…

এর থেকে করোনার ভয়াবহ চিত্র আর কি হতে পারে…!!! মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের লাশ

 

ভারতের করোনা সংক্রমণের ভয়াবহতার চিত্র সামনে এলো এক ছবিতে। মায়ের পায়ের কাছে পড়ে আছে করোনায় মারা যাওয়া সন্তানের লাশ। ভারতের উত্তর প্রদেশের বারনাসী শহরের ব্যস্ত সড়ক থেকে ছবিটি তোলা হয়।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ক্লান্ত-বিধ্বস্ত মা চন্দ্রকলা সিং একটি ইলেকট্রিক অটোরিকশায় বসে আছেন। আর তার পায়ের নিচে পড়ে আছে ২৯ বছরের ছেলে বিনিত সিংয়ের লাশ। গত সোমবার সকালে চন্দ্রকলা সিং তার অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে গিয়েছিলেন বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিনিতের করোনা হয়েছে জানিয়ে তাকে ভর্তি করতে অস্বীকৃতি জানায়।

মা চন্দ্রকলা সিং বলেন, ওরা বললো এর করোনা হয়েছে। তাকে এখান থেকে নিয়ে যান। আমার সন্তান, আমার বাছা শ্বাস নিতে পারছিল না। আমরা অক্সিজেন আর অ্যাম্বুলেন্স চাইলাম। কিন্তু কিছুই পেলাম না। পরপর দু’টি হাসাপাতালেও গিয়ে কাজ হয়নি।

 

ঘটনার দিন অটোরিকশায় করে প্রথমে একটি সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় বিনিতকে। সেখান থেকে আরেকটি বেসরকারি হাসপাতারালে নিয়ে গেলে তারাও ফিরিয়ে দেয়। পরে তৃতীয় হাসপাতালে যাওয়ার পথে মারা যায় বিনিত।

অনলাইন ডেস্ক।।

ময়মনসিংহের নান্দাইলে পানির হাউস ধসে পড়ে শ্বশুর ও পুত্রবধু নিহত

 

ময়মনসিংহের নান্দাইলে পানির হাউজ ধসে পড়ে  শ্বশুর আব্দুর রহমান (৭০) ও পুত্রবধূ  সাওদা আক্তার (২০) নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের মধ্যবাশঁহাটি গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে। এতে একই পরিবারের রাব্বী (১২) ও রুহান (৮) নামে আরো দুই শিশু আহত হয়েছে। আহত  দুই শিশু ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে  চিকিৎসাধীন রয়েছে।

নিহতের পরিবারের লোকজন ও প্রতিবেশীরা জানান, উপজেলার  মধ্যবাশঁহাটি গ্রামে আব্দুর রহমান  এক সপ্তাহ আগে নিজেদের বাড়ির উঠান সংলগ্ন একটি পানির হাউজ নির্মাণ করেন।  মাাটি কেটে আরসিসি পিলার ছাড়াই ইট-সিমেন্ট দিয়ে  প্রায় ৬ ফুটের একটি হাউজ তৈরি করেন। হাউজটি তৈরির পর কাঁচা  অবস্থায় পানি দিয়ে পরিপূর্ণ করে তা ব্যবহার শুরু করে  পরিবারের লোকজন।

প্রতিদিনের মতো  শুক্রবার দুপুরে হাউজের পানি ব্যবহার করার সময় হঠাৎ করে পানির অতিরিক্ত চাপে বিকট শব্দ করে  হাউজের দেওয়াল চারদিক থেকে ধসে পড়ে। এতে আব্দুর রহমান  গুরুতর আহত ও পাশে থাকা তার পুত্রবধূ সাওদা আক্তার ঘটনাস্থলে নিহত হয়। পরে আব্দুর রহমান ও দুই শিশু রাব্বী-রুহানকে আহত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে আব্দুর রহমান মারা যান।

নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ  (ওসি) মিজানুর রহমান আকন্দ  বলেন, ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। অজ্ঞতা বসত এই ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

//তৌহিদুল ইসলাম সরকার, ময়মনসিংহ//

পটুয়াখালীতে এক পাগলিনীর হঠাৎ মৃত্যু

 

পটুয়াখালী সদর উপজেলা ১১ নং আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের হাউদ বাড়ি ব্রিজ সংলগ্ন নিচে মৃত্যু অবস্থায় একজন নারী কে পাওয়াযায়।

২২ এপ্রিল রোজ বৃহস্পতিবার আনুমানিক দুপুর ১২ টার সময় এই হাউদ বাড়ির প্রতি বাসিন্দারা আল্লাহর সৃষ্টি সর্ব সৃষ্ট মানুষ জাতি মৃত্যু অবস্থায় দেখতে পায়।

ঘটনা সুত্রে জানাযায়, এই আল্লাহর পাগলিনী একজন মানুষিক ভারসাম্যহিন ছিলেন। তিনি এক থেকে দুই দিন হয় এই হাউদ বাড়ি এলাকায় মাথায় জট জুল অবস্থাশ দেখতে পেয়েছেন। এর কোথায় বাড়ি ঘর সবার অজানা কিন্তু সবাই আল্লাহর কাছে এই পাগলিনির জন্য দোয়া চেয়েছেন। জাতীয় ”দৈনিক বিশ্ব” জেলা প্রতিনিধিকে স্থানীয় লোকজন বলেন, মানুষ মানুষের জন্য, এই হঠাৎ দেখা মানুষ টি কারোনা কারো মা বাবার ঘরে জন্ম নিয়েছে হয়তো আজ তারা কেউ নেই পাসে। তাই আমরা সবাই মিলে এই মৃত্যু অবস্থা পাওয়া মাইয়াদিকে আমরা দাফন করবো।

এ জন্য এই হাউদ বাড়ির রাস্তার পাশে মৃত্যু অবস্থা পাওয়া মানুষ টাকে অনেককি দাফনের জন্য টাকা দান করেছেন।

মোঃ তুহিন শরীফ, নিজস্ব প্রতিনিধি।

যশোর জেলা পরিষদ মার্কেটের ১৫ টি দোকান আগুনে পুড়ে ভস্মীভূত

 

যশোর টাউন হল মাঠ সংলগ্ন জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটে ২১ এপ্রিল -২০২১ রোজ বুধবার রাত ১০ঃ৪৫ ঘটিকায় আগুণ লাগে বলে স্থানীয়রা জানান। আগুন লাগার সংবাদ পেয়ে সাথে সাথে পার্শ্ববর্তী ফায়ার সার্ভিস অফিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ শুরু করে।প্রায় দুই ঘন্টার চেষ্টায় ১ঃ৪৫ ঘটিকায় আগুণ নিয়ন্ত্রণে আসে। যশোর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক বলেন, খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ছুটে আসি এবং আমাদের চারটি টীম আগুণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করি।প্রায় দুই ঘন্টার চেষ্টায় আনুমানিক ১ঃ৪৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে সমার্থ হই। তিনি আরও বলেন,মার্কেটের পিছনে জেলা পরিষদের পাশ থেকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট কিম্বা অন্য কোন কারণে আগুন লাগতে পারে। ব্যবসায়ী সমিতির সেক্রেটারি তারিক হাসান বিপুল সভাপতি শহীদুল ইসলামের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ইদুল ফিতরের আগে প্রতিটি দোকানে নতুন কাপড় তোলা হয়েছে।ভয়াবহ এই অগ্নিকান্ডে মার্কেটের ১৫ টি কাপড়ের দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং এতে ৮০/৯০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

//নিজস্ব প্রতিনিধি//

খুলনার রূপসায় গোসল করতে গিয়ে ইটভাটা শ্রমিকের মৃত্যু

  রূপসায় নদীতে গোসল করতে গিয়ে দ্বীন ইসলাম (১১) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। প্রায় ৪ঘন্টা পর লাশ উদ্বার করেছে ডুবুরি দল।

স্থানীয়রা জানায়, ২১এপ্রিল বেলা অনুমান ১১ঘটিকার সময় উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে (এসবিএম) ইট ভাটা শ্রমীক ওয়াদুদ গাজীর ছেলে দ্বীন ইসলাম আঠারোবেকী নদীতে গোসল করতে গিয়ে ডুবে যায়। এরপর শিশুটিকে আর খুজে পাওয়া না গেলে ফায়ার সার্ভিস ডুবুরি টিম নদীতে তল্লাশি করে বেলা অনুমান সাড়ে ৩টার সময় চর-শ্রীরামপুর নামক স্থানে শিশুটিকে মৃত অবস্থায় উদ্বার করে।

নিহত শিশুটির পিতা ও মাতা এসবিএম ইট ভাটায় শ্রমীকের কাজ করে। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বুল বাড়ীয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং ইট ভাটার শ্রমিকদের আবাসনে থাকেন।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

রাণীশংকৈলে নিজ দোকানঘর নিজে ভাংচুর করে অন্যের নামে মিথ্যা মামলা”র অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে নেকমরদ ইউনিয়নের চন্দন চহট ঈদগাঁও বাজারে গত ১৭ এপ্রিল শনিবার রফিজ উদ্দিন”র নামে দোকান ভাঙচুরের মিথ্যা অভিযোগ উঠেছে ।

একই ইউনিয়নের আঃ বারি নামে এক ব্যক্তি নিজ দোকান ঘরের মালামাল প্রকাশ্য দিবালোকে নিজে ভেঙে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন । স্থানীয় লোকজন ও ঐ বাজারে ঔষধ ফার্মেসি আঃ রশিদ জানান আঃ বারি ও তার স্ত্রী আরজিনা নিজের দোকানের মালামাল নিজে ভাংচুর করে রফিজ উদ্দিন “র নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে । যা আজও সত্য নয় ।

সেদিন সে নিজের দোকান নিজে ভাংচুর করে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে রফিজ উদ্দিনের নামে । সেই সাথে বাজার সংলগ্ন বাড়ি মালিক আয়ুব আলী, আয়শা খাতুন,হাজেরা খাতুন,আনেসা বেগমও একই প্রসঙ্গে কথা বলেন এবং ঐ বাজারে অনেকেই একই কথা বলেছেন ।

এ বিষয়ে রফিজ উদ্দিন জানান তাঁর সঙ্গে বেশ কিছু দিন ধরে আমার জমির বিরোধ লেগে রয়েছে ,ঐ দিন আমি গেছিলাম তার সঙ্গে সে বিষয়ে কথা বলার জন্য কিন্তু সে সবার সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে বাজারে নিজের দোকানের মালামাল নিজে ভাংচুর করে ।

এবং গাড়ি চালিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন এবং আমি সহ আমার পরিবারের বেশ কয়েক জনের নামে থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন । যা আজও সত্য নয় ।

।। নিজস্ব প্রতিবেদক ।।

টাঙ্গাইলের কালিহাতী মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১

 

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার কদিম খশিল্লা গ্রামে মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় মিজানুর রহমান বাবুল (৪২) নিহত হয়েছে। এঘটনায় লাবু ও জাহিদ নামে দুই ব্যক্তি আহত হয়েছে। আহতরা টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাবুলের মৃত্যু হয়। মৃৃত্যুুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহত মিজানুর রহমান বাবুল উপজেলার নাগবাড়ি ইউনিয়নের কদিম খশিল্লা গ্রামে আ.রশিদে ছেলে ও বেহালাবাড়ি কিন্ডার গার্ডেন স্কুলে শিক্ষক ছিলেন।

এ ব্যাপারে নিহতের চাচা জিয়া বাদি হয়ে থানায় একটি মামলা দয়েয়র করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মিজানুর রহমান বাবুলের দাদি উপজেলার উপজেলার নাগবাড়ি ইউনিয়নের কদিম খশিল্লা গ্রামে মসজিদ নির্মাণের জন্য জমি দান করেন। ওই জমিতে মাটি ভরাট করেন, জমির পাশের বাড়ির মালিক কোরবান আলীদের সাথে নিয়ে মাপ জোক করে মসজিদ নির্মাণ  কাজ করে।

মসজিদ ঘর নির্মাণ শেষ হলে কোরবান আলী মসজিদের ভিতর জায়গা পাবে বলে দাবি করে।  কথা কাটাকাটির এপর্যায়ে ফালু শেখের ছেলে কোরবান, নুরু, মোংলা, আলম, কোরবান আলীর ছেলে ফজলু ইট পাটকেল দিয়ে ডিল ছুড়তে থাকে। এক পর্যায়ে মিজানুর রহমান বাবুলের মাথায় সাবল দিয়ে আঘাত করে। লাবু ও জাহিদ এগিয়ে এলে তাদেরকেও পিটিয়ে আহত করে।

আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেখান থেকে বাবুলকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। কালিহাতী থানার এস আই ফজলুর রহমান জানান, থানায় একটি মামলা হয়েছে। তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 //মোঃ হাবিবুর রহমান, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি//