//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//
ঢাকার লালবাগ এলাকায় একটি প্লাস্টিক কারখানায় আগুন লেগেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট।
বিস্তারিত আসছে….
Incident - Accident
//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//
ঢাকার লালবাগ এলাকায় একটি প্লাস্টিক কারখানায় আগুন লেগেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট।
বিস্তারিত আসছে….
//নিজস্ব প্রতিবেদক//
যশোর জেলার বেনাপোল স্থলবন্দরে ব্লিচিং পাউডারবোঝাই পাঁচটি ভারতীয় ট্রাকে আগুনে পুড়ে গেছে। শুক্রবার ভোর রাতে বন্দরের ট্রাক টার্মিনালের টিটিআই (ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড) মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
বন্দরের নিরাপত্তাকর্মী জানান, ভারত থেকে আমদানিকৃত ব্লিচিং পাউডার বোঝাই পাঁচটি ট্রাক বন্দরের টিটিআই মাঠে আনলোডের অপেক্ষায় ছিল। ট্রাকে এসব পণ্য ত্রিপল দিয়ে ঢাকা ছিল। ভোরে প্রথমে একটি ট্রাকে আগুন ধরে যায়। পরে পাশে থাকা আরো চারটি ট্রাকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। অতিরিক্ত গরমের কারণে ব্লিচিং বোঝাই ট্রাকে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার জানান, কী কারণে ট্রাকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে সেটি তদন্ত না করে বলা যাচ্ছে না। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও এখন বলা সম্ভব নয়।
বেনাপোল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার রতন কুমার দেবনাথ বলেন, ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট টানা তিন ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
//জগন্নাথপুর প্রতিনিধি//
সুনামগঞ্জে পৃথকস্থানে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতে বাবা-ছেলে ও মা-মেয়েসহ ৫জন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে জেলার জগন্নাথপুর ও শাল্লা উপজেলার পৃথকস্থানে এঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা ও পুলিশ জানায়, সকালে শাল্লা উপজেলার শাল্লা ইউনিয়নের গ্রামশাল্লা গ্রামের চানমিয়া খার ছেলে মকুল খা ও তার দুই ছেলে ও শ্যালকের পুত্রকে নিয়ে বাড়ির পাশে জমিতে ধান কাটতে যান। মাঠে কাজ করার সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনা স্থলেই মকুল খা(৪৫) ও তার ছেলে মাসুদ খা (১২) মারা যান৷
এদিকে আজ ভোরে জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলি ইউনিয়নের সোলেমানপুর গ্রামে ঝড়ে গাছ ভেঙে ঘরে পরে মা-মেয়েসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন, সোলেমানপুর গ্রামের হারুন মিয়ার স্ত্রী মৌসুমা বেগম, তার ৪ বছরের মেয়ে মাহিমা আক্তার (৪) এবং ছেলে মোহাম্মদ হোসাইন (১)।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার রাত থেকে ভোর পর্যন্ত সুনামগঞ্জের প্রচন্ড ঝড়, বৃষ্টি ও বজ্রপাত হয়। এসময় তারা ঘরে ঘুমে ছিলেন। হঠাৎ ঝড়ে নিহতদের বাড়ির একটি গাছ ভেঙে ঘরে পড়লে এক পরিবারের তিনজন নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়না তদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান।
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান ও শাল্লা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, পৃথকস্থানে ভোর ও সকালে ঝড়ে গাছ ভেঙে একই পরিবারের তিনজন মারা গেছেন। অন্যদিকে বজ্রপাতে শাল্লায় বাবা-ছেলে নিহত হয়েছেন।
//নিজস্ব প্রতিবেদক//
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে বয়ে যাওয়া ঘণ্টাব্যাপী প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে মা- মেয়ে ও ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। উপজেলার বহু ঘরবাড়ী, ফসল ও গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
নিহতরা হলেন- উপজেলার পাটলী ইউনিয়নের সুলেমানপুর গ্রামের স্কুল শিক্ষক হারুন মিয়ার স্ত্রী মৌসুমি বেগম (৩৫) মেয়ে মাহিমা বেগম (৪) ও ছেলে হোসাইন আহমদ (১)।
স্থানীয়রা জানা যায়, স্কুল শিক্ষক হারুন মিয়ার টিন সেড ঘরের উপর পার্শ্ববর্তী দুটি বিশাল আকৃতির ঢেউয়া ও খস গাছ প্রচণ্ড ঝড়ে উপড়ে ঘরের উপর পড়ে। এতে চাপা পড়ে সাথে সাথেই তাদের তিনজনের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে।
পাটলী ইউপি চেয়ারম্যান আংগুর মিয়া জানান, বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ে বড় আকৃতির দুটি গাছ টিন ঘরের মধ্যে পড়ে চাপ দিলে মা ও ছেলে- মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাদের নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার ৩ জনকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, পরিবারটি খুবই গরীব। স্ত্রী সন্তানদের হারিয়ে একটি বেসরকারি স্কুলের খন্ডকালীন শিক্ষক হারুন মিয়া এখন পাগলপ্রায়।
জগন্নাথপুর থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, মা ও ছেলে- মেয়ের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//
বরগুনার বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ছাদের পলেস্তরা খসে এক রোগী আহত হয়েছেন। এ সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন অন্যান্য রোগীরা। আহত রোগীর নাম আব্দুস ছালাম (৬০)। তিনি শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে দুই সপ্তাহ যাবত হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
বুধবার (১৩ এপ্রিল) রাত ১০ টার সময় হাসপাতালের দোতালার পুরুষ ওয়ার্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় ওই কক্ষের রোগীদের চিৎকার শুনে আশপাশের অন্যান্য রোগী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ অবস্থায় হাসপতালের পুরোনো ভবনটি কর্তৃপক্ষ পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন।

এ সময় হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার রবীন্দ্রনাথ সরকার বলেন, একটি বড় ধরনের বিপদ থেকে আমরা বেঁচে গেছি। ভাগ্য ভালো কেউই ছাদ থেকে পলেস্তরা খসে পড়া বরাবর অবস্থানে ছিলেন না। তাও কিছুটা পলেস্তরা পড়েছে একজনের ওপরে। এতে মারাত্মক কিছু ঘটেনি। তাকে হাসপাতালের অন্য কক্ষে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালের এই ভবনটি অনেক পুরোনো। এটি ভেঙ্গে নতুন ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া আগে থেকেই চলমান ছিল। আশাকরি কিছুদিনেই ভিতরেই ভবনটি ভাঙার জন্য দরপত্র আহবান করা হবে।
//নিজস্ব প্রতিবেদক//
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ সন্ত্রাসীদের গুলিতে বাবার কোলে থাকা জান্নাতুল ফেরদাউস তাসফিয়া (৪) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। এ সময় তার বাবা প্রবাসী মাওলানা আবু জাহের (৩৮) গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
বুধবার বিকালে উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় জড়িত থাকা সন্দেহে ধনু মিয়া নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা নেওয়ার পথে মারা যায় শিশু তাসফিয়া। আহত মাওলানা আবু জাহেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা দুজন পূর্ব হাজীপুর গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে হাজীপুর ইউপির ৮নং ওয়ার্ড পূর্ব হাজীপুর গ্রামের রাশেদ মিয়ার বাড়ির মো. আলম তার একটি জমির মাটি বিক্রি করেন পার্শ্ববর্তী দুর্গাপুর ইউনিয়নে লক্ষ্মীনারায়ণপুর গ্রামের মো. বাদশার কাছে। কয়েকদিন ধরে ওই জমি থেকে মাটি কেটে নেন বাদশা। যে পরিমাণ মাটি কাটার কথা ছিল তার চেয়ে বেশি মাটি কেটে নেয় বাদশা।
এনিয়ে তাকে বাধা দিলে সোমবার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী নিয়ে আলমদের ওপর হামলা চালায় বাদশা। এ সময় তাকে বাধা দিতে আসলে আলমের ভাই ফিরোজের অন্তঃসত্ত্বা মেয়ের পেটে লাথি মেরে জখম করে সন্ত্রাসীরা। এরপরও সন্ত্রাসী নিয়ে আলমদের ওপর একাধিকবার হামলা চালায় বাদশা।
স্থানীয়রা আরও জানায়, অতিরিক্ত মাটি কাটাতে বাধা দেওয়ার জেরে বুধবার বিকাল ৪টার দিকে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী মহিন, রিমন, আকবর, নাঈমকে নিয়ে আলমদের বাড়িতে হামলা করতে আসে বাদশা। এ সময় সন্ত্রাসীরা মালেকার বাবার দোকানে এসে আলমদের বাড়ির লোকজনকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছুঁড়তে থাকে।
ওই বাজারের একটি দোকান থেকে মেয়ে তাসফিয়াকে জুস কিনে দিয়ে বের হওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হন তাসফিয়া ও মাওলানা আবু জাহেরসহ কয়েকজন। পরে স্থানীয় লোকজন মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে তাসফিয়া ও আবু জাহেরকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের ঢাকা স্থানান্তর করেন। ঢাকা নেওয়ার পথে কুমিল্লা পৌঁছলে মারা যায় শিশু তাসফিয়া।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, বিকাল ৫টার দিকে তাদের দুজনকে হাসপাতালে আনা হয়। দুজনের শরীরে একাধিক গুলি লেগেছিল। যার মধ্যে শিশু তাসফিয়ার মুখ-মাথাসহ শরীরের একাধিকস্থানে গুলি লাগে।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনায় জড়িত থাকা সন্দেহে ধনু নামে একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির শপথগ্রহণ ও অভিষেক অনুষ্ঠান
//মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ( ১৩ এপ্রিল বুধবার) সকালে পৃথক ঘটনায় দু’জনের আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে, মৃত ব্যাক্তি উপজেলার বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের বেলতলা গ্রামের শামসুল হকের ছেলে বাবুল হোসেন (৩২) ও ধনতলা ইউনিয়নের বগাদিঘী ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের পরেশ চন্দ্রের স্ত্রী সুভা রাণী(৪২)।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে,মৃত বাবুল হোসেন স্ত্রীর সাথে সাংসারিক বিষয়ে কথা কাটাকাটি হয়। পরে অভিমান করে নিজ শয়ন কক্ষে সকাল ৯ টায় ইদুর মারা গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে ফেলে । পরে বাবুল হোসেন অসুস্থ্য হয়ে গেলে পরিবারের লোকজন টের পেয়ে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে গেলে কতব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেন। এর পর বাড়ির লোকজন অ্যাম্বুলেন্স যোগে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে দুপুরে বাবুল হোসেন মৃত্যু বরণ করেন।
অন্যদিকে সুভা রানী স্বামী জমি বিক্রি করতে চাইল বাধা দেয়। এ নিয়ে শাশুড়ির সাথে গত মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) ঝগড়া হয় । পরে বুধবার (১৩ এপ্রিল) বুধবার ভোর ৪ টায় অভিমান করে নিজ শয়ন কক্ষে দানাদার বিষপান করে। পরে পরিবারের লোকজন জানাজানি হলে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে সকাল ১০ টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেণ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বালিয়াডাঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ খায়রুল আনাম ডন বলেন,এ নিয়ে থানায় দুটি ইউডি মামলা হয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের রিপোর্ট পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ।।
ঠাকুরগাঁওয়ে টাঙ্গন নদীতে (১২ এপ্রিল মঙ্গলবার) দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটে গোসল করতে গিয়ে দুই শিশুর মৃত্যুর হয়েছে ও আরও ২ শিশুকে জীবত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।নিহতরা হলেন, কহড়পাড়া কেরানি মার্কেট এলাকার মনসুর আলীর ছেলে সিয়াম (১৪), এবং ইউসুফ আলীর ছেলে সিয়াম (৯)।
স্থানীয় সুত্র জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে এলাকার ৫ বন্ধু মিলে টাঙ্গন নদীতে গোসল করতে যায়। এর মধ্যে ৪ জন নদীতে গোসল করতে নামে, আর একজন দাঁড়িয়ে থাকে। দাঁড়িয়ে থাকা শিশুটি তার সহপাঠিদের দেখতে না পাওয়ায় বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার করতে থাকে। এমন সময় নদীতে মাছ ধরতে আসা জেলেরা চিৎকার শুনে দুই জনকে মৃত অবস্থায় এবং দুই জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃতরা হলেন ওই এলাকার আনছার আলীর ছেলে শাউন (১৩) ও হুনু মোহাম্মদের ছেলে মাহাবুব (১২)। তারা সকলেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি তানভিরুল ইসলাম বলেন দুই জনকে মৃত অবস্থায় এবং দুই জন জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নিখোঁজের বিষয়টি নিশ্চিত নয়।
ফিলিপাইনে দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় মেগির প্রভাবে ভারি বর্ষণে সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভূমিধস এবং বন্যায় অন্তত ২৪ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।
একই সঙ্গে ঝড়ের তাণ্ডবে বহু বাড়িঘর, রাস্তাঘাট এবং অন্যান্য স্থাপনার ক্ষতি হয়েছে।
ফিলিপাইনের জাতীয় দুর্যোগ সংস্থার বরাত দিয়ে একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে। রোববারের এ ঝড়ের তাণ্ডবে দেশটির দক্ষিণ এবং পশ্চিমাঞ্চলের ১৩ হাজারের বেশি মানুষ জরুরি আশ্রয় কেন্দ্রে পালিয়েছেন। এ ছাড়া ঝড়বৃষ্টির প্রভাবে সৃষ্ট বন্যায় অনেক ঘর, আবাদি জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তবে ঝড় মেগির তাণ্ডবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় লেইতে প্রদেশ। এ প্রদেশের চারটি গ্রামে ভূমিধসে অন্তত ২১ জনের প্রাণ গেছে বলে বেবে নগরীর দুর্যোগ কর্মকর্তা রাইসে অসতেরো বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন।
দেশটির জাতীয় দুর্যোগ সংস্থা বলেছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় মিন্দানাও দ্বীপের লেইতে এলাকায় আরও তিনজন নিহত হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দাদের পোস্ট করা ছবিতে দেখা গেছে, লেইতের বুঙ্গা এলাকার কয়েকটি বাড়িঘর কাদামাটিতে চাপা পড়েছে।
সূত্র: খালিজ টাইমস
//নিজস্ব প্রতিবেদক//
শেরপুরের শ্রীবরদীতে পুলিশের সামনেই শেখবর আলী নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার ১৮ দিন পর একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে গত ২৩ মার্চ এ হত্যার ঘটনা ঘটলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভিডিওটি ভাইরাল হয় রোববার।
ভিডিওটি ভাইরালের পর জেলাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সোমবার ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির ঘটনাটি নানা মহলে আলোচনার বিষয়বস্তুতে পরিণত হয়েছে।
এদিকে ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শেখবর আলীর ছোটভাই মাহফুজ বাদী হয়ে ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন। মামলার পর ঘটনার দিন ৩ জন এবং পরবর্তীতে প্রধান আসামি জিকোসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার হাসান নাহিদ চৌধুরীসহ জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী জাকির হোসেন জিকোর সঙ্গে শেখবর আলীর জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এরই জেরে ২২ মার্চ প্রতিপক্ষ জিকোসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন শেখবর আলী। পরে ঘটনা তদন্তে পরদিন ২৩ মার্চ বিকালে ঘটনাস্থলে যান থানা পুলিশের এসআই ওয়ারেস আলীসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য। এ সময় জিকোসহ ৪-৫ জন অতর্কিতভাবে ধারালো দা, রাম দা, ছুরি ও লাঠিসোটা নিয়ে শেখবর আলীর ওপর হামলা করলে ঘটনাস্থলেই শেখবর আলী মারা যান।
এ ঘটনায় ওই দিন অভিযান চালিয়ে জিকোর স্ত্রীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে থানা পুলিশ। ২৪ মার্চ রাতে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান রাজাকে গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। ঘটনার ছায়া তদন্তে নেমে একই দিন শ্রীবরদীর বালিজুড়ি এলাকার গহীন অরণ্য থেকে মামলার প্রধান আসামি জিকোকে গ্রেফতার করে র্যা ব-১৪। এ নিয়ে ওই মামলায় মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অন্যদিকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়- পুলিশের সামনেই অতর্কিতে রাম দা, গরু জবাই করার ছুরি ও লাঠিসোটা নিয়ে শেখবর আলীর উপর উপর্যুপরি আঘাত করে জিকো, তার ভাই জজ মিয়া ও সাইফুলসহ অন্যরা। ঘটনার আকস্মিকতায় পুলিশ হতবিহবল হয়ে পড়ে এবং নির্বাক দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে হত্যাকাণ্ডের দৃশ্য দেখে। মুহূর্তের মধ্যেই পুরো হত্যাকাণ্ড এবং পুলিশের প্রতি তেড়ে আসার ঘটনা ভিডিওতে লক্ষ্য করা যায়।
শ্রীবরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব কুমার বিশ্বাস জানান, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান আসামি জিকো, তার ভাই জজ মিয়া ও সাইফুলসহ মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডের জড়িতের কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে জিকো ও সাইফুল। এছাড়াও এ ঘটনায় পুলিশের এসআই ওয়ারেস আলীকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। এছাড়া এলাকায় নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।