বরিশালে কনস্টেবলের হাতে কিশোর বলৎকার, উভয়ই আটক: তদন্তে পুলিশ

 

বরিশাল নগরীর ৯ নং ওয়ার্ড চকবাজার ফলপট্রি এলাকায় ১৫ বছরের এক কিশোরসহ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানার কনস্টেবল সাগর হোসেনকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। বুধবার (০১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে নগরীর ফলপট্টি এলাকার লুবাবা সু দোকান থেকে তাকে আটক করা হয়। স্থানীয়দের দাবি কনস্টেবল ওই কিশোরকে অসামাজিক সর্ম্পকে লিপ্ত হতে এখানে এনেছিলেন। যদিও পুলিশ বলছে মাদকসেবীদের ফাঁদে পড়েছেন কনস্টেবল সাগর হোসেন। তবে থানায় অবহিত না করে এবং পুলিশের পোশাক ছাড়া কেন তিনি সেখানে গিয়েছিলেন তা তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার ফজলুল করিম।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম বলেন, সেখানে কিছু মাদকসেবী মাদক সেবন করছিল- ওই কিশোরের মাধ্যমে এমন তথ্য পেয়ে সেখানে যান কনস্টেবল সাগর হোসেন। এ সময়ে তার ওপর হামলা চালানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ তথ্যদাতা কিশোর এবং কনস্টেবল সাগরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। এ ঘটনায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

কনস্টেবল সাগর হোসেন বলেন, আমি কিশোরের মাধ্যমে জানতে পারি রুপা শপিং কমপ্লেক্সের ৫ তলা ভবনের তিনতলায় কিছু লোক মাদক সেবন করছে। তথ্য যাচাই করতে সেখানে যাই। নিচতলা থেকে তিন তলায় ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই মাদকসেবীরা আমাকে বাধা দেন। তখন তারা আমার সঙ্গে থাকা কিশোরকে নিয়ে গিয়ে মারধর করে শিখিয়ে দেয় আমার বিরুদ্ধে বলার জন্য। তারা কিশোরকে বলতে শিখিয়ে দেয় ‘অসামাজিক সর্ম্পক’ স্থাপনের জন্য আমি ওকে নিয়ে গেছি- এই কথা যেন বলে। পরে আমাকে অনেক মারধর করে।  এলাকাবাসী আমার ভিডিও ধারণ করে।

ওই কিশোর বলে, ওখানে কিছু লোক গাঁজা খায় এই তথ্য জানতে পেরে  (পুলিশ কনস্টেবল)কে  জানাই। তিনি আমাকেসহ সেখানে যান। গেলে মাদকসেবীরা আমাদের মারধর করেন। আমাকে শিখিয়ে দেন, যেন আমি তার (কনস্টেবল সাগর) বিরুদ্ধে বাজে কথা বলি। আমি চাই আমাদের যারা মারধর করেছেন তাদের বিচার চাই।

ওই কিশোর জানায়, সে ঢাকা-বরিশাল রুটের সুন্দরবন লঞ্চে চাকরি করে। সাতদিন আগে বরিশাল নদী বন্দর এলাকায় পরিচয় হয় পুলিশ কনস্টেবল সাগর হোসেনের সঙ্গে। কনস্টেবল সাগর হোসেন ও তার বাড়ি যশোরে হওয়ায় সে তাকে মামা বলে ডাকে।

রুপা শপিং কমপ্লেক্স ভবনের মালিক সোলায়মান বলেন, আমার ভবনের ছাদে অনুমতি ছাড়া একটি বাচ্চা নিয়ে তিনি ছাদে উঠে গেছেন। আমি সেখানে গিয়ে জানতে চাই ভাই কি জন্য এসেছেন। তিনি বলেন, আমি পুলিশ। তখন তাকে বলি যদি পুলিশ হন তাহলে কোনো আইডি কার্ড আছে। তিনি আইডি কার্ড দেখাতে পারেননি। তিনি অবশ্যই খারাপ কোনো কাজ করার জন্য ওই কিশোরকে নিয়ে আমার মার্কেটের ছাদে এসেছিলেন।

ঘটনাস্থলের ভিডিওতে দেখা গেছে, কোনো প্রশ্নের জবাব দিচ্ছেন না পুলিশ কনস্টেবল। ওই কিশোর বলছে, তাকে পুলিশ সদস্য রুপা শপিং কমপ্লেক্সের ছাদে নিয়ে এসেছে। তবে কী কারণে নিয়ে এসেছে তা জানে না।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার ফজলুল করিম জানান, পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থলের সিসি টিভি ক্যামেরা ফুটেজ সংগ্রহ করা হবে। এরপরই মূলত আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

//নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান গ্রাহকের টাকা মেরে যুক্তরাষ্ট্রে গড়েছেন বিশাল সাম্রাজ্য

 

উড়ন্ত প্লেনে পাইলট কাইউম  অসুস্থ্য হয়েও প্লেন নিরাপদে নামিয়ে আজ নিজে মারা গেলেন…

 

টানা ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় ‘কোমায়’ থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউম না ফেরার দেশে চলে গেলেন।

সোমবার স্থানীয় সময় ১০টা ৪৫ মিনিটে তার লাইফসাপোর্ট খুলে দেন ভারতের নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুবুর রহমান।

গত শুক্রবার মাসকাট-ঢাকা রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের শিডিউল ফ্লাইট বিজি ০২২ মোট ১২৪ যাত্রী নিয়ে ঢাকা আসার পথে পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পরে ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুরের ড. বাবাসাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইটটি জরুরি অবতরণ করে। এর পর নাগপুরের ওই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য তাকে ভর্তি করা হয়।

শনিবার রাতেই নওশাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তাকে লাইফসাপোর্টে নেওয়া হয়। মস্তিষ্কে প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় তিনি ‘কোমায়’ চলে যান।

রোববার দুপুরে নওশাদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বিমানের বেশ কয়েকটি অসমর্থিত সূত্র তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নওশাদের মৃত্যুর ঘোষণা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দেয়নি।

ক্যাপ্টেন নওশাদ ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’ হলেও স্বজনরা লাইফসাপোর্ট খুলে দিতে রাজি হচ্ছিলেন না। আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর লাইফসাপোর্ট খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন তারা। এর পর সোমবার তার লাইফসাপোর্ট খুলে দিয়ে নওশাদকে মৃত ঘোষণা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোরে মাদক অভিযান।। বিভিন্ন প্রকার মাদকসহ গ্রেফতার-৫

খুলনা রূপসায় চাপাতিসহ এক ছিনতাইকারী গ্রেফতার,মামলা দায়ের

বরিশাল নগরীতে ১৪দিন দুই নারী রহস্যজনক নিখোঁজ

বরিশাল নগরীতে দুই নারী দুই সপ্তাহ ধরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছেন। ১৫ আগস্ট সকালে একই গন্তব্যে যাওয়ার কথা বলে তারা নিজ নিজ বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। মুন্নী আক্তার (২৫) ও রুনু বেগম (৪৫) নামে এ দুই নারী ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের ফিশারি সড়কে কারিকর বিড়ির শাখা কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতেন। এ সুবাদে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।

বরিশাল বিমানবন্দর থানা পুলিশ জানায়, এ ঘটনার জন্য দুই নারীর স্বজনরা পরস্পরকে দায়ী করছেন। মুন্নী আক্তারের মা রাবেয়া বেগম এবং রুনু বেগমের বোন দোলা বেগম বিমানবন্দর থানায় পৃথক দুটি জিডি করেছেন। রুনু বেগমকে মানসিক ভারসাম্যহীন দাবি করেছে তার পরিবার। দুই পরিবারের স্বজনরা জানিয়েছেন, ১৫ আগস্ট সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বরিশাল সদর উপজেলার কাশীপুর ইউনিয়নের ছয়মাইল এলাকায় যাওয়ার কথা বলে মুন্নী আক্তার ও রুনু বেগম নিজ বাসা থেকে বের হয়ে যান। ওইদিন দুপুর আড়াইটার পর তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে যায়।

নিখোঁজ মুন্নী আক্তার এক সন্তানের জননী। স্বামীর সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই। ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ বাঘিয়ায় আবু মিয়ার বাসায় মেয়েকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন তিনি। অন্যদিকে, রুনু বেগম তিন সন্তানের জননী। তিনি ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের ফিশারি সড়কে আউয়াল মিয়ার বাসায় স্বামী ও সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকতেন। তার স্বামী দুলাল হাওলাদার চা দোকানি। মুন্নীর বোন হাজেরা আক্তার জানান, ছয় মাস আগে রুনু বেগম অসুস্থ হলে তাকে সেবা দিতে তার বাসায় কয়েক দিন থাকেন মুন্নী। এরপর থেকেই দু’জনের মধ্যে অস্বাভাবিক সুসম্পর্ক তৈরি হয়।

রুনু প্রায়ই মুন্নীর বাসায় এসে একত্রে রাতযাপন করতেন। এ সময় চার বছর বয়সী সন্তানকেও সঙ্গে রাখতেন না মুন্নী। এ নিয়ে পারিবারিক অশান্তি বিরাজ করছিল। অন্যদিকে, রুনু বেগমের এসএসসি পরীক্ষার্থী মেয়ে মানজিয়া বেগমের দাবি, তার মা বাসা থেকে নগদ দেড় লাখ টাকা নিয়ে গেছেন। সে জানায়, মুন্নীর সঙ্গে মায়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে তাদের পরিবারেও অশান্তি চলছিল। তার বাবার সঙ্গে থাকতেন না মা রুনু বেগম।

মুন্নীর পরিবারের করা জিডির তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. হোসেন বলেন, পুরো বিষয়টি রহস্যজনক। তাদের সর্বশেষ অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার জন্য মোবাইলের কললিস্ট চেয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে আবেদন করা হয়েছে। এটি পেলে তদন্তে অগ্রগতি হবে।

একই কথা জানিয়েছেন রুনু বেগমের জিডির তদন্ত কর্মকর্তা এএসআই আমিনা বেগম।

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Daily World News

যশোরে করোনায় পুনরায় মৃত্যু ৩ জন ও সনাক্ত ৩৩ জন

পটুয়াখালীর বাউফলে অচেতন অবস্থায় এক কিশোরীকে উদ্ধার.

 

পটুয়াখালীর বাউফলে অচেতন অবস্থায় এক কিশোরীকে উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। শুক্রবার (২৭ আগষ্ট ) রাত ৯টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের শৌলা গ্রামের নুরজাহান গার্ডেন সংলগ্ন খোকন মিস্ত্রির ঘর থেকে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে একটি অটোগাড়িতে করে আসা মেয়েটি নুরজাহান গার্ডেন সংলগ্ন খোকন মিস্ত্রির ঘরের সম্মুখে রাস্তার উপর অচেতন হয়ে পরে। এসময় স্থানীয়রা দেখে মেয়েটিকে পাশের খোকন মিস্ত্রির ঘরে নিয়ে শোয়াইলে মেয়েটির জ্ঞান ফিরে।

তখন স্থানীয়রা জিজ্ঞাসা করলে মেয়েটি তার নাম তিসা আক্তার (১৪), বাবার নাম টিপু সুলতান ও তার ভাইয়ের নাম আল আমিন বলে পুনরায় অজ্ঞান হয়ে পরেন। স্থানীয়রা এব্যাপারে স্থানীয় মেম্বার আলতাফ হোসেন তুহিনকে জানালে তিনি সাংবাদিক এম জাফরান হারুনকে জানান এবং দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে দেখে ততক্ষণাত থানা পুলিশকে অবহিত করেন।

পরে পুলিশ এসে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেন। এবিষয়ে বাউফল থানার এসআই আশিকুর রহমান জানান, কিশোরীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এবং (রাত ৯:৩০ মিনিট ) তার পরিবারের সন্ধান চলছে।

//মোঃ তুহিন শরীফ, নিজস্ব প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোর সদরে তালিকাভুক্ত কুখ্যাত মাদক সম্রাজ্ঞী গ্রেফতার

 

বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলটের মাঝ আকাশে হার্ট অ্যাটাক

 

আজ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটের যাত্রীরা বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল।  মাস্কাট থেকে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করা ফ্লাইটটি শুক্রবার ১১টা ৪০ মিনিটে ভারতের নাগপুরে জরুরি অবতরণ করে।

ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, মাস্কাট থেকে উড্ডয়ন করা বিমানটির পাইলট ১১টার দিকে রায়পুরের কাছাকাছি হালকা অসুস্থতা বোধ করেন। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

এসময় দ্রুতই পরিস্থিতির গুরুত্ব আঁচ করে সহকারী পাইলট কলকাতা এটিসির সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

এরপর ১১টা ৪০ মিনিট নাগাদ কলকাতা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় ওই বিমান থেকে।

পরে নাগপুর বিমানবন্দরে জরুরি ভিত্তিতে ওই বিমানটিকে অবতরণ করানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নাগপুরেই পাইলটের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।  আপাতত তার অবস্থা স্থিতিশীল।

ফ্লাইটে কতজন যাত্রী ছিলেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে সবাই অক্ষত ও নিরাপদ আছেন।

বিমান সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিমানের ফ্লাইটটি ওমান যায়।  সেখান থেকে স্থানীয় সময় মধ্যরাত ২টা ৩০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসার কথা থাকলেও ফ্লাইটটি ভোর সাড়ে ৬টায় ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে।

তবে ভারতের স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় ফ্লাইটটি ঢাকার দিকে না এসে নাগপুর বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।

মাস্কাট থেকে বিজি-২২ ফ্লাইটের একজন যাত্রী জানান, মাস্কাট থেকে আমাদের ফ্লাইটে তোলা হয়।  আমাদের মাস্কাটে ৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়ে সাড়ে ৬টায় বিমানে তোলা হয়।  তবে বিমানটি পুশ ব্যাক করার সময় ইঞ্জিনে ত্রুটি ধরা পড়ে।  পরে অবশ্য নাগপুরে এটি জরুরি অবতরণ করে।

বর্তমানে বিমানের যাত্রীরা নাগপুর বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছেন।  যাত্রীদের আনতে নতুন ফ্লাইট পাঠানো হবে কিনা, এই ফ্লাইটে আনা হবে তা নিশ্চিত করেনি বিমান।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Daily World News

পিরোজপুরে নেছারাবাদে ছেলের কোদালের আঘাতে পিতার মৃত্যু

বরিশালে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র থেকে যুবকের লাশ ‍উদ্ধার

বরিশাল নগরীর নবগ্রাম রোড ‍এলাকার হলি কেয়ার মাদকসক্ত নিরাময় কেন্দ্র থেকে চন্দন সরকার (২৫) নামে ‍এক যুবকের লাশ ‍উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত চন্দন সরকারে ‍আগৈলঝাড়া ‍উপজেলার বড় পাইকা ‍এলাকার চিত্ত রঞ্জন সরকারের ছেলে। ‍

এ ঘটনায় শুক্রবার (২৭ আগস্ট ) সকাল ১০ টায় হলি কেয়ার মাদকসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের ৪র্থ তলা থেকে পুলিশ ‍এসে লাশ ‍উদ্ধার করে। নিহত চন্দন সরকারের মামা নিবাস মহোরি জানান, গত ৭ ‍আগস্ট হলি কেয়ার মাদকশক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ‍আমার ভাগ্নে চন্দন সরকারকে ভর্তি করাই।

গতকাল ভোররাত ৪টার দিকে ‍আমাকে হলি কেয়ার থেকে ফোন করে জানানো হয় ‍আপনার ভাগ্নের ‍একটি দুর্ঘটনা ঘটে গেছে। ‍আপনার ভাগ্নে গলায় গামছা পেছিয়ে ‍আত্মহত্যা করেছে।‍

তিনি ‍জানান, ভর্তির সময় ‍একটা বেল্ট পর্যন্ত রাখতে দেয়নি হলি কেয়ারের কর্মচারিরা। তাহলে কি করে ‍আমার ভাগ্নে ‍আত্মহত্যা করে। ‍আমি ‍এ ঘটনায় দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে হলি কেয়ারের ভলান্টিয়ার সরোয়ার জানায়, চন্দন বৃহস্পতিবার দিবাগত র‍াত ৪ টার দিকে বাথরুমের গ্রিলের সাথে গামছা বেধে ‍আত্মহত্যা করেছে। ‍

এ ঘটনার পর তার পরিবার ও পুলিশকে জানানো হয়েছে। চন্দন সহ সবাইকে মারধর করা হয় ‍এমন প্রশ্নের জবাবে সরোয়ার বলেন, এখানে সবাই ‍ মাদকাসক্ত। তাদের নিয়ন্ত্রন করতে যেটুকু প্রয়োজন তার বাইরে কিছুই করা হতো না।

এ বিষয়ে কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসী) নুরুল ‍ইসলাম জানান, লাশ ‍উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে ‍আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিব

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

পিরোজপুরে নেছারাবাদে ছেলের কোদালের আঘাতে পিতার মৃত্যু

বরিশালে করোনায় আরও ৮ জনের মৃত্যু নতুন শনাক্ত ১৪২

পিরোজপুরে নেছারাবাদে ছেলের কোদালের আঘাতে পিতার মৃত্যু

//পিরোজপুর প্রতিবেদক//

পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার মাহমুদকাঠী গ্রামে ছেলের কোদালের আঘাতে জয়নাল আবেদিন নামে (৭৫)এক পিতার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ২৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকেলে নেছারাবাদ উপজেলার মাহমুদকাঠী গ্রামে মর্মান্তিক এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

পুলিশ ও নিহতেরস্বজনের মাধ্যমে জানা যায়,২৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার,দুপুর দেড়টার দিকে গোসল করতে যাওয়ার সময় ছেলে আবদুর রাজ্জাক (৪৫) বাবার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে কোদাল দিয়ে বাবার মাথায় আঘাত করলে বাবা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত বাবা জয়নাল আবেদিন(৭৫)কে প্রথমে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার সময় তার মৃত্যু হয়।

নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবির মোহাম্মদ হোসেন জানান ,ঘটনার পর থেকে ছেলে আব্দুর রাজ্জাক পলাতক রয়েছে।তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে আরো জানানো হয় স্বজনরা আব্দুর রাজ্জাক কে মানসিক ভারসাম্যহীন বলেও জানিয়েছেন।

মা ও ছেলেকে অপহরণ। মুক্তিপণ । সিআইডির এএসপিসহ পাঁচজন কারাগারে

 

মা ও ছেলেকে বাসা থেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় রংপুর বিভাগীয় সিআইডির এএসপিসহ পাঁচজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে বুধবার বিকালে চিরিরবন্দর আমলি আদালত-৪ প্রথম শ্রেণীর বিচারক শিশির কুমার তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে, ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- রংপুর সিআইডির এএসপি সারোয়ার কবীর,

এএসআই হাসিনুর রহমান, কনস্টেবল আহসানুল হক ফারুক,মাইক্রোবাস চালক হাবিবুর রহমান ও স্থানীয় পলাশ।

অপহরণের শিকার জহুরা বেগম ও তার ছেলে জাহাঙ্গীর আলম দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার নান্দাইল গ্রামের লুৎফর রহমানের স্ত্রী ও সন্তান।

মঙ্গলবার বিকেলে দিনাজপুরের দশমাইল থেকে অপহৃত মা ও ছেলেকে উদ্ধারসহ অপহরণকারীদের আটক করা হয়। বুধবার দুপুরে দিনাজপুর জেলা পুলিশের কার্যালয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেয়া হয় তাদের।

জানা গেছে, রংপুর সিআইডির কাছে পলাশ নামের এক ব্যক্তি চিরিরবন্দর থানার লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকার প্রতারণার অভিযোগ করেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার রাতে লুৎফরের বাড়িতে যান এএসপি সারোয়ার কবিরসহ ৮/১০ জন।

প্রথমে বাড়িঘর ভাঙচুর, টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটপাট করেন। পরে লুৎফর রহমানকে না পেয়ে তার স্ত্রী ও ছেলেকে একটি কালো মাইক্রোবাসে উঠিয়ে সৈয়দপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে পরিবারের লোকজনকে ফোন করে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন তারা।

পরে পুলিশের কাছে যান ভুক্তভোগীর স্বজনরা। মঙ্গলবার বিকেলে তারা সাড়ে আট লাখ টাকা নিয়ে সিআইডি কর্মকর্তাদের সাথে  দেখা করতে চান। তারা প্রথমে রানীরবন্দর যেতে বলে। সেখানে গেলে তাদের টাকা নিয়ে দশমাইল যেতে বলা হয়। এরপর দশমাইল গেলে বাশেরহাট যেতে বলে।

পরে দিনাজপুর জেলা পুলিশ ও সিআইডি মিলে বাশেরহাট থেকে ওই তিনজনকে আটক করে।

রংপুর সিআইডির ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আতাউর রহমান বলেন, এএসআই হাসিনুর রহমান ও কনস্টেবল আহসানুল হক ফারুক ১০ দিনের ছুটিতে ছিলেন।

আমার অনুমতি ছাড়াই ভাড়া গাড়িতে করে তাদের সঙ্গে নিয়ে অভিযানে যান এএসপি সারোয়ার কবির সোহাগ। ঘটনার পর আমরা বিষয়টি জানতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি।

তারা কেন সেখানে গেলেন, কাকে অপহরণ করলেন- এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

//স্টাফ রিপোর্টার//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চট্টগ্রামে বন্ধ ঘরে যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

 

চট্টগ্রামে বন্ধ ঘরে যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার খাগরিয়া এলাকা হতে এক ব্যবসায়ীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে বারোটার দিকে উপজেলার খাগরিয়া ইউনিয়নের মাইজ পাড়া এলাকার নিজ বাসা থেকে মুনসুর আলী (৪৫) নামের উক্ত ব্যবসায়ীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত মুনসুর আলী ইউনিয়নের মাইজ পাড়া এলাকার মৃত আসহাব মিয়ার পুত্র। লাশ ময়না তদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত মনসুর আলী চট্টগ্রামের বিভিন্ন হোটেল ও চা দোকানে চা- পাতা সরবরাহের ব্যবসা করতেন।

নিহতের স্বজনরা জানান, মনসুর আলী গত মঙ্গলবার দুপুরে গ্রামের বাড়ী খাগরিয়ায় আসেন। তারপর বড় ভাইয়ের ঘরে রাতের খাবার খেয়ে নিজের রুমে ঘুমাতে যান। বুধবার বিকেলের দিকেও তিনি ঘুম থেকে জেগে না ওঠায় বাড়ীর সকলে ডাকাডাকি করতে থাকেন। কোন সাড়া -শব্দ না পেয়ে এক পর্যায়ে রুমের দরজা ভেঙ্গে মেজেতে তার গলাকাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনরা। পরে পুলিশে খবর দেয়া হলে রাত সাড়ে বারোটার দিকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

নিহতের স্বজনরা জানান, মনসুর আলী এক সময় চট্টগ্রামের খাবার হোটেলে ম্যানেজারের চাকরি করতেন। পরে চাকরি ছেড়ে চা- পাতার ব্যবসা শুরু করেন। করোনা ও বিধি নিষেধের কারনে চায়ের দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারনে তাঁর চা – পাতার ব্যবসাও বন্ধ হয়ে যায়। এতে পুজি হারিয়ে সে বেশ কিছুদিন যাবৎ হতাশায় ভুগছিলেন। হতাশার কারনে সে নিজের গলা কেটে আত্মহত্যা করতে পারেন বলে তারা ধারণা করছেন। অন্যদিকে একজন লোক একান্নবতী পরিবারের কি ভাবে নিজের গলা কেটে আত্মহত্যা করতে পারেন যা কেউ টেরই পেলনা, তা নিয়ে এলাকায় প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ খাগরিয়া মাইজ পাড়া এলাকার মনসুর আলী নামের এক ব্যক্তির কণ্ঠনালী কাটা লাশ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিক ভাবে হতাশা থেকে ধারালো দায়ের সাহায্যে গলা কেটে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে হত্যা না, আত্মহত্যা তা ময়না তদন্তের পরই জানা যাবে। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখবে।

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Daily World News

চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্ঠায়ও নিখোঁজ ব্যবসায়ীর কোজ মেলেনি

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে বর্জপাতে মৃত্যু

// মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় (২৫ আগষ্ট বুধবার) দুপুরে এক যুবকের বর্জপাতে মৃত্যু খবর পাওয়া গেছে। মৃত যুবক উপজেলার নন্দুয়ার ইউনিয়নের বলিদ্বারা টাওয়ার পারা গ্রামের শুধু রামের ছেলে শ্রী ঢেলু রাম(৪৫)।

স্থানীয় ও পুলিশ সুত্র মতে জানা গেছে, ঢেলু রাম পেশায় দিনমুজুর ছিলেন প্রতিদিনের মত আজকেও অন্যের আমন ধান ক্ষেত দুপুর আনুমানিক আড়াই টার দিকে নিরানী দিতে যান।

এ সময় হঠাৎ আকাশের বজ্রপাতে গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে পড়েন স্থানীয় ও পরিবারের লোকজন মিলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্মরত ডাক্তার মৃত বলে ঘোষণা করেন। রাণীশংকৈল থানার ওসি তদন্ত আব্দুল লতিফ শেখ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।