যশোরে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে জাতীয় শোক দিবস-২০২১

 

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যাকে ছাড়া কল্পনাতীত সেই আপামোর জনতার প্রাণপ্রিয় নেতা,মহান স্বাধীনতার স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান – এর ৪৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস আজ। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা – কর্মীরা যথাযথ মর্যদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করছেন। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সামাজিক দূরত্ব মেনে যশোর শহরের বকুলতলা মোড়ে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল যশোর জেলার জেলাপ্রশাসক,জেলাপুলিশ,ছাত্রলীগ,আওয়ামীলীগ, যুবলীগ,বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিকসংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। যশোর জেলা পুলিশের পক্ষ হতে জনাব মোহাম্মদ জাহাংগীর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, জেলা বিশেষ শাখা(ডিএসবি), যশোর এর নেতৃত্বে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়। এসময় আরোও উপস্থিত ছিলেন জনাব রেশমা শারমিন, পুলিশ সুপার, পিবিআই, যশোর, মহোদয়, জনাব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিঃ পুলিশ সুপার, (অপরাধ ও প্রশাসন), যশোর, জনাব মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন, অতিঃ পুলিশ সুপার, ‘ক’ সার্কেল, যশোর, জনাব মুকিত সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ‘খ’ সার্কেল, যশোর, জনাব মোঃ মুনাদির ইসলাম চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, (সদর), যশোর, জনাব মোহাম্মদ আলী আহমেদ হাশমি,সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার, যশোর হাইওয়ে পুলিশ, এএসপি (প্রবি), যশোর সহ জেলা পুলিশের উদ্ধর্তন কর্মকর্তাগণ।

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

১৫ই আগষ্ট।। জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদৎ বার্ষিকী

১৫ই আগষ্ট।। জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদৎ বার্ষিকী

আজ  শোকতপ্ত ১৫ই আগষ্ট। হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী। এ বছরই আমরা তাঁর জন্ম শতবার্ষিকী পালন করছি। তাই এবারের জাতীয় শোকদিবস খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। বিরোধী পক্ষের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে প্রতি বছর ওই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের স্মরণে দিনটি যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে সারাদেশে জাতীয় শোকদিবস হিসেবে পালন করা হয়। শোকদিবসের অংশ হিসেবে এ দিনে কালো পতাকা উত্তোলন সহ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনিমিত রাখা হয়।

১৯২১ সালের ১৭ই মার্চ বাংলার অবিসংবাদিত নেতা এদেশের মহান স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমান গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। এদেশের মুক্তির সংগ্রামে তিনি অপরিসীম ত্যাগস্বীকার করেন। দীর্ঘ চরাই-উৎরাই পার হয়ে তিনি এদেশকে পরাধীনতার গ্লানী থেকে মুক্ত করেন এবং সদ্য-স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রনায়ক নির্বাচিত হন। কিন্তু তিনি বেশীদিন আমাদের মাঝে বেঁচে থাকতে পারেননি। দেশী-বিদেশী বিভিন্ন কুচক্রী মহলের রোষানলে পড়ে তিনি মাত্র ৫৪ বৎসর বয়সে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট ঘাতকদের ‍নির্মম বুলেটে ক্ষতবিক্ষত হয়ে শহীদ হন। ঘাটকদের ‍নির্মমতা ও জঘন্য হত্যাকাণ্ড সর্বোকালের চরম পৈশাচিকতাকে হার মানিয়েছে!

আজ জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদৎ বার্ষিকী। শোকতপ্ত ১৫ই আগষ্ট জাতির জন্য এক অন্ধকারময় অধ্যায়। ঐদিন ঘাতকদের বুলেট তাঁর পরিবারের প্রায় সকল সদস্য-সদস্যাসহ শিশু রাসেলকেও রেহাই দেয়নি। ইতিহাসের ওই নিষ্ঠূরতম হত্যাকান্ডের শিকার সকল শহীদদের প্রতি এদিন গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।

দৈনিক বিশ্ব পত্রিকার পক্ষ থেকে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদৎ বার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি ।

//দৈনিক বিশ্ব//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

১৫ই আগস্টে সেজেছে নগরীর নাজিরের পোল।। ব্যতিক্রম উদ্যোগ কাউন্সিলর খোকনের

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী

১৫ই আগস্টে সেজেছে নগরীর নাজিরের পোল।। ব্যতিক্রম উদ্যোগ কাউন্সিলর খোকনের

 

শোকাবহ আগস্টের ১৯৭৫ সালের এ মাসেই বাঙালি হারিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি। তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব।

বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই ঘৃণ্যতম হত্যাকান্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত। ভাগ্নে যুবনেতা ও সাংবাদিক শেখ ফজলুল হক মনি তার সহধর্মিনী আরজু মনি ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন। সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপদগামী সদস্য সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে তীব্র শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প।

আর তারই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুকে ভালোবেসে, তার আর্দশ বুকে ধারন করে । শোকের ছায়ায় ব্যাতিক্রম উদ্দেগ নিয়েছে ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ্যড রফিকুল ইসলাম খোকন। কাঁদো বাঙ্গালী কাঁদো বাঙ্গালী জাতির আবেগ ও স্মৃতি জরিয়ে শোকাবহ ও বেদনাময় রক্তাক্ত এই আগস্ট মাস, আগামী ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদত বাষিকী ও জাতিয় শোকদিবস, যথাযথ মর্যাদার সাথে পালন করবে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, প্রতিবারের ন্যায় এবারও শোকার্ত বাঙ্গালী জাতির সাথে একাত্ন হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস যথাযোগ্য, মর্যাদার সাথে পালন উপলক্ষে কেন্দ্রীয়ভাবে না না কর্মসুচি গ্রহন করেছেন। বি সি সির ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ২নং প্যানেল মেয়র, এ্যাড রফিকুল ইসলাম খোকন, বরিশাল নগরীর নাজিরের পোল শোকের ছায়ায় কালো ব্যানার তোরকে সাজিয়ে তুলেছেন, ১৫ আগস্ট জাতিয় শোকদিবস উপলক্ষে নগরী নাজিরের পোল প্রতি বারের ন্যায় এবারও, ব্যাতিক্রম ভাবে কর্মসুচি পালন করবে ।

দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এর আয়োজন করেন, সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে, মোনাজাত শেষে দুস্থদের মাজে কাঙ্গালী ভোজ বিতরনের উদ্যোগ নেন। এ বিষয় এ্যাড রফিকুল ইসলাম খোকন এর কাছে যানতে চাইলে তিনি বলেন, করোনা মহামারির সংক্রমন রোধে যথাযথ স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে মাসব্যাপী শোকদিবসের বিবিন্ন কর্মসূচি পালনের জন্য, আওয়ামীলীগ এর সর্বস্তরের নেতা কর্মী সমর্থক এবং সকল সহযোগী সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন সমুহের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বরিশাল মহানগর এর সাধারন সম্পাদক, বি সি সির মাননীয় মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

নেতৃবৃন্দকে জাতিয় শোক দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসুচির সাথে সঙ্গতি রেখে কর্মসুচি পালনের অনুরোধ জানিয়েছেন।

// পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

দুর্নীতির অভিযোগে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ১২জন চাকরিচ্যুত

 

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি একদল মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা রয়ে গেছে, থেকেও যাবে আজীবন- জন্মজন্মান্তর…!!!

 শোকাহত ১৫ই আগষ্ট।।

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী। এ বছরই আমরা তাঁর জন্ম শতবার্ষিকী পালন করছি। তাই এবারের জাতীয় শোকদিবস খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। বিরোধী পক্ষের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে প্রতি বছর ওই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের স্মরণে দিনটি যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে সারাদেশে জাতীয় শোকদিবস হিসেবে পালন করা হয়। শোকদিবসের অংশ হিসেবে এ দিনে কালো পতাকা উত্তোলন সহ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনিমিত রাখা হয়।

১৯২১ সালের ১৭ মার্চ বাংলার অবিসংবাদিত নেতা এদেশের মহান স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমান গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। এদেশের মুক্তির সংগ্রামে তিনি অপরিসীম ত্যাগস্বীকার করেন। দীর্ঘ চরাই-উৎরাই পার হয়ে তিনি এদেশকে পরাধীনতার গ্লানী থেকে মুক্ত করেন এবং সদ্য-স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রনায়ক নির্বাচিত হন। কিন্তু তিনি বেশীদিন আমাদের মাঝে বেঁচে থাকতে পারেননি।

দেশী-বিদেশী বিভিন্ন কুচক্রী মহলের রোষানলে পড়ে তিনি মাত্র ৫৪ বৎসর বয়সে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট ঘাতকদের ‍নির্মম বুলেটে ক্ষতবিক্ষত হয়ে শহীদ হন।

ঘাটকদের ‍নির্মমতা ও জঘন্য হত্যাকাণ্ড সর্বোকালের চরম পৈশাচিকতাকে হার মানিয়েছে!

আগামীকাল জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদৎ বার্ষিকী। শোকতপ্ত ১৫ই আগষ্ট জাতির জন্য এক অন্ধকারময় অধ্যায়। ঐদিন ঘাতকদের বুলেট তাঁর পরিবারের প্রায় সকল সদস্য-সদস্যাসহ শিশু রাসেলকেও রেহাই দেয়নি। ইতিহাসের ওই নিষ্ঠূরতম হত্যাকান্ডের শিকার সকল শহীদদের প্রতি এদিন গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ উপলক্ষ্যে আগামীকাল তাঁদের আত্মার চিরকল্যাণে বিশেষ প্রার্থনাসভা ও শ্রদ্ধাঞ্জলী জ্ঞাপন করা হবে।

সারাদেশের ন্যায় গোপালগঞ্জের বানিয়ারচরেও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতীয় শোকদিবস পালন সহ ঐতিহ্যবাহী কাঙালী ভোজের আয়োজন করা হবে। আজ থেকে প্রায় ৩৫ বছর আগের কথা! দেশে তখন হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের শাসনকাল চলছে। ঐ সময় রাজনৈতিক ডামাডোলে দেশ প্রায়ই উত্তাল হয়ে উঠতো। তখন থেকেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা-ভক্তি প্রকাশের এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ হয়ে উঠে জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত বানিয়ারচরের (১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ড) ঐতিহ্যবাহী কাঙালী ভোজ! হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান হিসেবে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া বাংলাদেশের অন্যতম পুন্যভূমি।

এই গোপালগঞ্জ জেলারই অন্তর্গত মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়নের আওতাধীন বানিয়ারচরের কয়েকজন সাধারণ মানুষ গত প্রায় পঁয়ত্রিশ বছর ধরে ১৫ আগষ্ট জাতির জনকের শাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্থানীয় উদ্যোগে শোকদিবসের অনুষ্ঠান ও বিশেষ কাঙালী ভোজের আয়োজন করে আসছে। ঐসময় দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা আজকের মত এতটা স্বচ্ছল ছিল না। তবুও এলাকায় জাতীয় শোকদিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়। কোন কিছু আয়োজনের মূলে থাকে আর্থিক সমর্থন। তখন এই সমর্থন পাওয়াটা ছিল অত্যন্ত কঠিন। গ্রামাঞ্চলে শোকদিবসের একটি বড় অংশ জুড়ে থাকে কাঙালী ভোজ অর্থ্যাৎ আর্থিক সংস্থান এখানে বড় বেশী প্রয়োজন।

বানিয়ারচর গ্রামের মাঝামাঝি গোপালগঞ্জ-টু-টেকেরহাট সড়কের পাশে রয়েছে একটি সুপরিসর বাজার। প্রতি বছর বাজারটি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইজারা দেওয়া হয়। বানিয়ারচর গ্রামের বাসিন্দা সদ্য-প্রয়াত তুফান বিশ্বাস নিয়মিতভাবে এই বাজারের ইজারা নিতেন। তখন এলাকায় এর জন্য তেমন কোন প্রতিদ্বন্ধিতা ছিল না।

গ্রামের মুরব্বি যথাক্রমে অনিল মণ্ডল, অধীর কুমার সাহা, নীরু মণ্ডল প্রমূখ ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে সবিস্তারে জানা যায় যে, প্রায় ৩৫ বছর আগে যখন এলাকায় জাতীয় শোকদিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয় তখন তুফান বিশ্বাস তার ইজারাকৃত বাজারে ঐ আগষ্ট মাসের প্রথম দু’সপ্তাহের আদায়কৃত অর্থ অনিল মণ্ডলের হাতে তুলে দেন কারণ তিনি তখন এলাকার জনপ্রতিনিধি ছিলেন্। এভাবে শুরু হয় জাতীয় শোকদিবস পালনের প্রথম তহবিল গঠন। পরবর্তীতে এই তহবিল বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন সময় বাড়ি-বাড়ি গিয়ে অনুদান সংগ্রহ করা হয়। তাই এর পিছনে রয়েছে এখানকার খেটে খাওয়া মানুষের ঘাম ও ভালোবাসা। তবে এখন এর জন্য নিজস্ব তহবিল সৃষ্টি করা হয়েছে।

তুফান বিশ্বাস অক্ষর জ্ঞানসম্পন্ন ছিলেন না বটে কিন্তু তিনি ছিলেন স্বশিক্ষায় শিক্ষিত। সমাজ, ধর্ম ও রাজনীতি সহ সর্বক্ষেত্রে তার ছিল সমান পদচারণা। তিনি ছিলেন একজন সমাজসেবী, ধর্মভীরু, দয়ালু ও আদর্শ পিতা। তিনি আজীবন কর্মকে ধর্মজ্ঞান করতেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রয়াত তুফান বিশ্বাস ছিলেন বর্তমান ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের  ঐতিহ্যবাহী কাঙ্গালী ভোজ ও জাতীয় শোকদিবস আয়োজক কমিটির সভাপতি।

সর্বোশেষ ২০১৯ সালে পালিত জাতীয় শোকদিবস অনুষ্ঠানে তিনি স্বশরীরে উপস্থিত থাকতে পারলেও ২০২০ সালের জাতীয় শোকদিবসে শারিরীক অসুস্থ্যতার কারণে আর অংশহগ্রহন করতে পারেননি। উল্লেখ্য যে, গত ৩ জুন ২০২১ খ্রীষ্টাব্দে তুফান বিশ্বাস ৯৩ বৎসর বয়সে বার্ধক্যজনিত কারণে পরলোকগমন করেন। আমরা তার আত্মার চিরকল্যাণ কামনা করি।।

//নিকোলাস বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Daily World

খুলনায় হিন্দু পরিবারের উপর হামলা মন্দির ভাংচুরের প্রতিবাদে রাণীশংকৈলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ

রামপালে জেলা প্রশাসনের পক্ষে দুস্থ ও অসহায় ৪০ পরিবারের মাঝে ইউএনও’র খাদ্য সহয়তা

জাতীয় শোক দিবস।। রূপসার আইচগাতী শ্রমিকলীগের প্রস্তুতি সভা

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে আইচগাতী ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের প্রস্তুতিমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

গতকাল ৯ আগষ্ট বিকাল ৪ টায় খানমোহাম্মদপুর শ্রমিকলীগের নিজস্ব কার্যালয় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ আলমগীর শেখের সভাপতিত্বে- সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন – খুলনা জেলা শ্রমিকলীগের সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মোঃ মারুফ। খুলনা জেলা শ্রমিকলীগ নেতা ও আইচগাতী ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সাধারন সম্পাদক এইচ এম রোকনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন- জেলা শ্রমিকলীগ নেতা সবুজ খাঁন,ও মোঃ বারেক খাঁন,ইউনিয়ন শ্রমিকলীগ নেতা খোকন হাওলাদার,আশরাফুল ইসলাম আসাফাত, মোঃ আজিজুর রহমান আজিজ,জহির রায়হান,ফয়সাল আহম্মেদ।

এ সময় উপস্তিত ছিলেন- সোহাগ শেখ,শিমুল শেখ,খুরশিদা বেগম,হরিচাঁদ দাশ,আনিস সরদার,মাহমুদুর রহমান মাসুম,আরজ আলী বিশ্বাস বাবু,রাশিদা বেগম,আনিস শেখ,রুহুল আমিন গাজি,জুয়েল শিকদার,মিজান শেখ,সোবাহান শেখ,ইয়াছমিন বেগম, সোহাগ হাওলাদার, বিশ্বজিৎ, তিলক সহ নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।

শোকাবহ আগস্ট হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালিকে হারানোর মাস

 

শুরু হলো বাঙালির শোকের মাস আগস্ট, এ মাসেই জাতির ইতিহাসের কলঙ্কিত এক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মানবতার শত্রু, প্রতিক্রিয়াশীল ঘাতকচক্রের হাতে বাঙালি জাতির মুক্তি আন্দোলনের মহানায়ক, বিশ্বের লাঞ্ছিত-বঞ্চিত-নিপীড়িত মানুষের মহান নেতা, বাংলা ও বাঙালির হাজার বছরের আরাধ্য পুরুষ, বাঙালির নিরন্তন প্রেরণার চিরন্তন উৎস, স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হন।

১৯৭৫ সালের ১৪ আগস্ট শেষ রাতে (১৫ আগস্ট) ঘাতকরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তার ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসায় নৃশংসভাবে হত্যা করে। তাকে সপরিবারে নিঃশেষ করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, জ্যেষ্ঠ পুত্র মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল, দ্বিতীয় পুত্র মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল, কনিষ্ঠ পুত্র শিশু শেখ রাসেল, সদ্য বিবাহিত পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল।

বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসেরকে সেখানে হত্যা করা হয়, বেইলি রোডে সরকারি বাসায় হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত তার ছোট মেয়ে বেবি সেরনিয়াবাত, কনিষ্ঠ পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত দৌহিত্র সুকান্ত আবদুল্লাহ, ভাইয়ের ছেলে শহীদ সেরনিয়াবাত আবদুল নঈম খান রিন্টুকে।

আরেক বাসায় হত্যা করা হয় তার ভাগ্নে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মণি ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বেগম আরজু মণিকে। বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে আক্রমণ হয়েছে শুনে সেখানে যাওয়ার জন্য রওনা দেন বঙ্গবন্ধুর প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিল উদ্দিন আহমেদ। তবে ৩২ নম্বরের সামনে পথভ্রষ্ট সেনা কর্মকর্তারা তাকে প্রথমে বাধা দেয় ও পরে হত্যা করে। এছাড়া ওইদিন ৩২ নম্বরের বাড়িতে কর্তব্যরত অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকেও হত্যা করা হয়।

এ হত্যাকাণ্ড বিশ্বের বুকে নিন্দিত ও ঘৃণিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের উদাহরণ হয়ে আছে। সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে নেমে আসে তীব্র শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়ে বাঙালি জাতি। সেদিন ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর বড় সন্তান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ও ছোট বোন শেখ রেহানা শেখ হাসিনার স্বামী প্রখ্যাত পরমাণু বিজ্ঞানী প্রয়াত ড. এমএ ওয়াজেদ মিয়ার কর্মস্থল জার্মানিতে থাকায় বেঁচে যান।

’৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নরপিচাশ রূপি খুনিরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ করতে ঘৃণ্য ইনডেমনিটি আইন জারি করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে দীর্ঘ ২১ বছর বাঙালি জাতি বিচারহীনতার কলঙ্কের বোঝা বহন করতে বাধ্য হয়।

১৯৯৬ সালে জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠিত হলে এ বিচারের উদ্যোগ নেয়া হয়। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে নিয়মতান্ত্রিক বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০১০ সালে ঘাতকদের কয়েকজনের ফাঁসির রায় কার্যকর করার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেন শেখ হাসিনা। এছাড়া এ শোকের মাসেই আরও একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনার জন্ম হয়।

২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালিয়েছে ২৪ জনকে হত্যা করা হয়। ওই হামলার টার্গেট ছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।

 //পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রাণীশংকৈলে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর ৯১তম জন্মদিন পালিত

 

 

বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

বঙ্গবন্ধু জাতীয় শিশু কিশোর মেলার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন উপলক্ষে ৩ আগষ্ট বেলা ১১ টায় খুলনা জেলা ও মহানগর শাখার আয়োজনে খুলনা প্রেসক্লাবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন এবং প্রেসক্লাবে ফলজ গাছের চারা রোপণ করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ক্তৃতা করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেন, মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মুন্সি মাহাবুবুল আলম সোহাগ।

খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি কবির আহমেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি হাসান হাফিজুর রহমান, মহানগর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ডাঃ এস এম এ সায়েম মিয়া। এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর সহ সভাপতি ডাঃ জাহাঙ্গীর আলম রায়হান,প্রকৌশলী আল মামুন চৌধুরী,অধ্যাপক আবুল বাশার, খুলনা মহানগর যুগ্ম সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতা নূর হাসান জনি,অধ্যাপক মাধব কৃষ্ণ মন্ডল,খালিশপুর থানার সভাপতি মোঃ রাকিবুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক শেখ আশিকুল ইসলাম, দৌলতপুর থানার সাধারণ সম্পাদক দিপু রায়, মহানগর নেতা মোঃ মিলন শেখ, বিলাস চন্দ্র পাল,মো মিলন হোসেন, অনিরুদ্ধ বৈরাগী,মোঃ সাজিদ হোসেন প্রমুখ।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অসহায় পরিবারের বাড়ি ঘুরে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করলেন সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘ

 

চুয়াডাঙ্গায় পালিত হলো ” ভূমি সেবা সপ্তাহ -২০২১

 

বাংলাদেশের অফিস আদালতগুলিতে ইদানিং প্রযুক্তির ব্যবহার ও উৎকর্ষ অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের সকল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এ সরকারের মেয়াদে ডিজিটালাইজ করা হচ্ছে। সেই নবজাগরণের ছোয়া সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তৃণমূল পর্যায়ের ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পর্য়ায় পর্যন্তবিস্তৃত হয়েছে।

" ভূমি সেবা সপ্তাহ -২০২১

বাদ যায়নি দেশের ভূমি অফিসগুলিও। “বদলে যাচ্ছে দিনকাল, ভূমি অফিস ডিজিটাল ”- এই স্লোগানকে সামনে রেখে ১৪ জুন-২০২১ রোজ সোমবার চুয়াডাঙ্গা জেলার চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা ভূমি অফিসে “ ভূমি সেবা সপ্তাহ -২০২১” পালন করা হয়। উক্ত শুভ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মান্যবর জেলা প্রশাসক,চুয়াডাঙ্গা জনাব নজরুল ইসলাম সরকার এবং সভাপতিত্ব করেন জনাব মোঃ সাদিকুর রহমান,উপজেলা নির্বাহী অফিসার চুয়াডাঙ্গা সদর।

 

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( সার্বিক),উপজেলা চেয়ারম্যান, চুয়াডাঙ্গা সদর, জেলা প্রশাসক, চুয়াডাঙ্গা, ভূমি অফিসের কর্মকর্তাগণসহ স্থানীয় সুধীজন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

 

 

গণতন্ত্রের মানস কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস

 

গণতন্ত্রের মানস কন্যা প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের রূপকার, যার দূরদর্শী সাহসিকতা, দক্ষতায় তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নত হয়ে বিশ্বে প্রশংসা কুড়িয়েছে তিনিই হলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ ১১ জুন, শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস। ষড়যন্ত্রে কবলিত হয়ে দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের এই দিনে সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

 

স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম স্মরণীয় একটি দিন শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস। তৎকালীন ১/১১ অগণতান্ত্রিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মিথ্যা,বানোয়াট ও হয়রানি ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই ভোরে ধানমন্ডির বাসভবন থেকে শেখ হাসিনা গ্রেফতার হন। গ্রেফতার করে প্রথমে তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগারে নিয়ে রাখা হয়। শেখ হাসিনাকে গ্রেফতারের মধ্যে দিয়ে বাংলার জনগণের গণতন্ত্রের অধিকার অবরুদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালায় ও অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার।

 

বিভিন্নভাবে যড়যন্ত্র করে ১১ মাস কারাগারে রাখা হয় আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তখন সারা বাংলার আপামর জনগণ, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ধীরে ধীরে প্রতিরোধ গড়ে তোলে শেখ হাসিনার মুক্তির জন্য। এর মধ্যে কারাবন্দি থাকার সময় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন শেখ হাসিনা। তখন বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মুক্তি দেয়ার দাবি উঠে সমগ্র মহল থেকে।

 

আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের ক্রমাগত চাপ, আপসহীন মনোভাব ও অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। খুলনা-৪ আসনের রুপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়াবাসীর পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে তার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা //

Dainik Biswa

যুবসমাজের শারীরিক-মানসিক বিকাশে খেলার বিকল্প নাই : সালাম মূর্শেদী

 

 

 

আজ  বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস

 

আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ। দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

 

সেনাসমর্থিত ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গ্রেফতার হয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গ্রেফতার করে প্রথমে তাঁকে ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগারে নিয়ে আটক রাখা হয়।

 

এ সময় কারাগারের অভ্যন্তরে শেখ হাসিনা মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন তার চিকিৎসকরা তাকে বিদেশে চিকিৎসার পরামর্শ দেন।

 

সে সময় চিকিৎসার জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে তার মুক্তির জোরালো দাবি ওঠে। আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠন ও দেশবাসীর আন্দোলন, আপসহীন মনোভাব এবং আওয়ামী লীগ বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগের পথ বেছে নেয়।

 

শেখ হাসিনাকে মুক্তি দেওয়া না হলে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে যাবে না বলেও ঘোষণা দেওয়া হয়। অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। মুক্তি পেয়েই শেখ হাসিনা চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার অস্থায়ী জামিনের মেয়াদ কয়েক দফা বাড়ানো হয়।

 

এরপর ২০০৮ সালের ৬ নভেম্বর দেশে ফিরলে স্থায়ী জামিন দেওয়া হয় তাঁকে। একই বছর ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয় লাভ করে। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গঠন করা হয়।

 

দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ভোটের অধিকার সুনিশ্চিত করতে সুদীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বন্ধুর বিপদসঙ্কুল পথ অতিক্রম করতে হয়েছে শেখ হাসিনাকে। এর মধ্যে অনেকবারই তাঁর প্রাণনাশের চেষ্টাও হয়েছে।

 

এ বছর বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে বড় ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন না করলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন।

 

অন্যদিকে যার যার জায়গা থেকে তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে পরম করুণাময়ের নিকট দেশবাসীকে প্রার্থনা করার আহ্বান জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

 

একইসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে হৃদয়ে দেশপ্রেমের বহ্নিশিখা প্রজ্বলিত করে করোনাভাইরাসের সংকট জয়ের ঐক্যবদ্ধ সুরক্ষা সৃষ্টি করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিচালিত সরকারকে সহযোগিতা করার অনুরোধও জানান কাদের।

//অনলাইন নিউজ//

Dainik Biswa

এলএসডি : আসক্ত কিনা কীভাবে বুঝবেন, কোনো লক্ষণ আছে কী?